আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ স্থগিত করলো অস্ট্রেলিয়া

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদেরই মাঠে গিয়ে টেস্ট, সূচি ঘোষণা হওয়ার পর আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) সে কী আনন্দ! টেস্ট স্ট্যাটস পাওয়ার তিন বছরের মাথায় অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে টেস্ট খেলার সুযোগ তো খুব বেশি দলের নেই। কিন্তু বিধিবাম, আনন্দের মুহূর্তগুলো ছেয়ে যাচ্ছে বিষাদের কালো মেঘে। করোনাভাইরাসের কারণে সূচি মেলাতে না পারায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচটি স্থগিত করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। আগামী নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে একটি টেস্টই খেলার কথা ছিল আফগানদের। ম্যাচের ভেন্যু ছিল সিডনি। কিন্তু ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ান সরকারের কোভিড-১৯ নিয়ে কড়াকড়ি থাকায় ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। রাজ্য সরকার কোয়ারেন্টিন পিরিয়ডের সময় কোনোভাবেই আফগানদের অনুশীলনের অনমুতি দিতে রাজি নয়। কোয়ারেন্টিন শেষ করে অনুশীলনে নামতে চাইলে ম্যাচ আয়োজনে দেরি হয়ে যাবে, সেক্ষেত্রে পরবর্তী সূচি মেলানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে সিএ’র। যে কারণে ম্যাচটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। পরে সুবিধাজনক সময়ে তারা টেস্ট ম্যাচটি আয়োজন করতে চায়। তবে সেটি ২০২১-২২ মৌসুমে সম্ভব হবে না। যদিও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার আশা, ২০২৩ সালের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্র শেষ হওয়ার আগেই ম্যাচটি আয়োজন করতে পারবে তারা। আফগানিস্তান টেস্ট স্থগিত হলেও ভারতের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিএ। অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারত চার টেস্ট, তিন ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে। কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষে ১৭ ডিসেম্বর অ্যাডিলেড টেস্ট দিয়ে শুরু হবে দুই দলের লড়াই।

বিসিবির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় লঙ্কান বোর্ড

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ শোনা গিয়েছিল, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি) নাকি দুই ভাগে ভাগ করে কোয়ারেন্টিনের প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)। খবরটির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও বিসিবি কিন্তু নিজেদের কাজ ঠিকঠাক করে যাচ্ছে। ২০ সেপ্টেম্বর থেকে হোটেলে চলছে খেলোয়াড়দের কোয়ারেন্টিন। তবে প্রশ্ন হলো, শ্রীলঙ্কা সরকার তাদের দেশে সাত দিনের কোয়ারেন্টিনে আসলেই কি রাজি? এই প্রশ্নের মধ্যেই আবার নতুন খবর। লঙ্কান বোর্ড নাকি বৃহস্পতিবার নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে, তারা এখন বিসিবির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়। শ্রীলঙ্কান দৈনিক ডেইলি মিররের খবর, ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সফর নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এসে যাবে। যদিও যার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি খবরটি ছেপেছে, সেই সূত্রটি সিরিজ আয়োজনের পক্ষেই কথা বলেছেন। সূত্রের বিশ্বাস, নতুন প্রস্তাবে রাজি হয়ে শ্রীলঙ্কায় তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে আসবে বাংলাদেশ দল। ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনের যে কড়া গাইডলাইন শুরুতে পাঠিয়েছিল এসএলসি, পরদিনই বিসিবি সেটি প্রত্যাখ্যান করে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই শর্তে তারা শ্রীলঙ্কায় যাবে না। বৃহস্পতিবার রাতে নাকি এসএলসি নতুন প্রস্তাব ও গাইডলাইন পাঠিয়েছে। এখন অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত জানার। এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত একটি সূত্র ডেইলি মিররকে জানিয়েছে, ‘আমরা চাই এই সিরিজটি হোক, কারণ এটার পরই আছে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল)। বিশ্বের অনেক দেশের খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন, আমরা তাই একটি দেশের (বাংলাদেশ) বিপক্ষে খেলে বিশ্বকে দেখাতে চাই কীভাবে আমরা সবকিছু আয়োজন করবো।’ নতুন প্রস্তাবে নাকি বিসিবির সম্মতি মিলেছে। তাই সিরিজ আয়োজনের বড় সম্ভাবনা দেখছে সূত্রটি, ‘আমাদের দেশ বাংলাদেশের চেয়ে নিরাপদ। তাদের খেলোয়াড়রা এই দেশে এসে নিরাপদে থাকবে। আমরা তাদের জবাবের অপেক্ষায় আছি। নতুন গাইডলাইনে দুই দেশ সম্মত হয়েছে, তাই আশা করছি সিরিজটি এগোবে।’

জোন্সকে হারিয়ে শোকের ছায়া নেমেছে ক্রিকেট বিশ্বে

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ তিনি কারো সহকর্মী, কারো এক সময়ের সতীর্থ, আবার কারোর কাছে বন্ধু কিংবা ভাইয়ের মতো। ডিন জোন্সকে হারিয়ে যেন শোকের ছায়া নেমেছে ক্রিকেট বিশ্বে। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটসম্যান ও ধারাভাষ্যকারের এমন চলে যাওয়া মানতে পারছেন না কেউই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাবেক-বর্তমান ক্রিকেটাররা প্রকাশ করেছেন তাদের অনুভূতি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৫২ টেস্ট ও ১৬৪ ওয়ানডে খেলা জোন্স হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার চিরবিদায় নিয়েছেন। তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। ১৯৮৭ সালে ইডেন গার্ডেন্সে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম বিশ্বকাপ জেতা দলের সদস্য ছিলেন তিনি। জোন্সের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে শচিন টেন্ডুলকারের। সেই স্মৃতিচারণ করে ভারতের ব্যাটিং কিংবদন্তি টুইটারে লিখেছেন, অনেক তাড়াতাড়ি চলে গেছেন এই অস্ট্রেলিয়ান। “ডিন জোন্সের মৃত্যুর সংবাদটি খুব হৃদয়বিদারক। দারুণ একজন মানুষ খুব দ্রুত চলে গেলেন। অস্ট্রেলিয়ায় আমার প্রথম সফরে তার বিপক্ষে খেলার সুযোগ হয়েছিল। তার আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।” জোন্স ও ভিভ রিচার্ডস একে অপরের বিপক্ষে অনেক খেলেছেন। সেখান থেকেই দুইজনের মধ্যে গড়ে উঠে ভাইয়ের মতো সম্পর্ক। ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান লিখেছেন, সব সময় তার হৃদয়ে থাকবেন জোন্স। “ভয়ঙ্কর এক সংবাদ শুনে উঠলামৃতুমি আমার কাছে একজন ক্রিকেটারের চেয়েও বেশি কিছু। তুমি আমার বন্ধু, আমার ভাই। বিশ্বের যেখানেই ক্রিকেট খেলা হোক, সেখানেই তোমার হাসি ও উপস্থিতি মিস করব। শান্তিতে ঘুমাও ডিনো। পৃথিবীর তোমার থেকে আরও কিছু পাওয়ার ছিল। সব সময় আমার হৃদয়ে থাকবেৃ।” অস্ট্রেলিয়া দলের সতীর্থ টম মুডি যেন ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন। “আমরা দারুণ সতীর্থ ও পছন্দের ক্রিকেটীয় মানুষের চলে যাওয়ার করুণ সংবাদে আমি নির্বাক। তোমার ক্রিকেট পরিবারটি সবসময়ই তোমাকে মিস করবে। জেন এবং মেয়েদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা।” বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল ফেইসবুকে জোন্সের একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, শান্তিতে ঘুমাও। ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে একসময় ধারাভাষ্যকার হিসেবে যোগ দেন জোন্স। কমেন্টেটর ও ব্রডকাস্টার হিসেবে নিখুঁত বিশ্লেষণী ক্ষমতার জন্য পান ‘দা প্রফেসর’ খেতাব। ধারাভাষ্য কক্ষে অনেকের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি, তাদের মধ্যে একজন ভারতের হার্শা ভোগলে। যেন মানতেই চাইছেন না জোন্স আর নেই। “না, ডিনো না। আমি নির্বাক। আমি বিস্মিত এবং এটা মানতে আমি নারাজ।” পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতারের কাছে এই খবর কেবলই বেদনার। লঙ্কান কিংবদন্তি কিপার-ব্যাটসম্যান কুমার সাঙ্গাকারার কাছে, ভয়ঙ্কর সংবাদ। চলতি আইপিএলে ধারাভাষ্যকারের কাজ করছিলেন জোন্স, এই টুর্নামেন্টেই খেলছেন শেন ওয়াটসন। অস্ট্রেলিয়ার তারকা এই ক্রিকেটার যেন বিশ্বাসই করতে পারছেন না জোন্সের চলে যাওয়া। “আমি বিশ্বাস করতে পারছি না, ভীষণ ভালো ও মহৎ মানুষটি আমাদের মাঝে আর নেই। দুর্দান্ত একটি জীবন কাটিয়েছেন তিনি। শান্তিতে চিরনিদ্রায় থাকুন ডিনো।” অস্ট্রেলিয়া দলের অভিজ্ঞ ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারের কাছেও তার মৃত্যু অবিশ্বাস্য। প্রচ- ধাক্কা খেয়েছেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। “ডিন জোন্সের মৃত্যুর করুণ সংবাদ শুনে ধাক্কা খেয়েছি। তার পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবের শক্তি ও সাহসের জন্য প্রার্থনা করছি।” সময়ের আরেক সেরা ব্যাটসম্যান স্টিভেন স্মিথ সমবেদনা জানিয়েছেন জোন্সের পরিবারের প্রতি। “মুম্বাইয়ে ডিন জোন্স মারা যাওয়ার সংবাদটি অবিশ্বাস্য। তিনি অস্ট্রেলিয়ার অসাধারণ একজন ক্রিকেটার ছিলেন এবং তাকে মিস করব। তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা। শান্তিতে চিরনিদ্রায় থাকুন ডিনো।” আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০ হাজারের কাছাকাছি রান করা জোন্স ১৯৯৮ সালে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। এরপর কাজ করেছেন কোচ ও ভাষ্যকার হিসেবে। ২০১৯ সালে দেশের কিংবদন্তি এই ক্রিকেটারকে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট হল অব ফেম-এ জায়গা দেওয়া হয়।

জিম্বাবুয়েকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে না পাকিস্তান সফরে

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে পাকিস্তান সফরে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-২০ সিরিজ খেলবে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। পাকিস্তান সফরে কোয়াররেন্টাইনে থাকতে হবে না জিম্বাবুয়েকে। কিন্তু পাকিস্তানে পৌছে করোনা পরীক্ষায় কারও পজিটিভ আসলে, তখন পাঁচদিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এক বিবৃতিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পরিচালক জাকির খান বলেন, ‘৩২ জনের দল নিয়ে আগামী ২০ অক্টোবর পাকিস্তানে আসবে জিম্বাবুয়ে। বিমানে ওঠার আগে একবার করোনা পরীক্ষা করা হবে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটারদের। ইসলামাবাদ পৌঁছানোর পর আরেক দফা পরীক্ষা হবে তাদের। যদি পাকিস্তানের পৌছানোর পর কোন খেলোয়াড়ের করোনা পজিটিভ হয়, তবে তাকে পাঁচদিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। আর যাদের নেগেটিভ হবে, তারা অনুশীলন শুরু করতে পারবে।’ জাকির আরও বলেন, ‘কোয়ারেন্টাইনে থাকতে না হলেও কঠোরভাবেই স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে জিম্বাবুয়েকে। পুরো সিরিজটি জৈব-সুরক্ষা পরিবেশে হবে। মাঠে দর্শকদের প্রবেশে অনুমতি থাকছে না।’ পাকিস্তান সফরে ৩০ অক্টোবর থেকে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করবে জিম্বাবুয়ে। পরের দু’টি ওয়ানডে হবে ১ ও ৩ নভেম্বর। সবগুলো ম্যাচই হবে মুলতানে। ওয়ানডে সিরিজটি আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ সুপার লিগের অংশ। টি-২০ সিরিজ হবে ৭, ৮ ও ১০ নভেম্বর। সবগুলো ম্যাচই হবে রাওয়ালপিন্ডিতে।

 

অনূর্ধ্ব-১৯ এর প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে বিসিবি

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ চার সপ্তাহের স্কিল ক্যাম্পের জন্য অনূর্ধ্ব-১৯ এর প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ডাক পেয়েছেন ২৮ জন ক্রিকেটার। বিসিবির বৃহস্পতিবার দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী ১ অক্টোবর সাভারের বিকেএসপিতে শুরু হবে এই ক্যাম্প। গত শুক্রবার বিকেএসপিতে শেষ হয়েছে ৪৬ জন ক্রিকেটার নিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের আবাসিক স্কিল ক্যাম্প। সেখানে নিজেদের মধ্যে খেলা ম্যাচের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে এই প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। স্কিল ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার আগে এই ক্রিকেটারদের আগামী বুধবার করোনাভাইরাস পরীক্ষা করানো হবে। এর জন্য আগের দিন মিরপুর ক্রীড়া পল্লিতে তাদেরকে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। বিকেএসপিতে স্কিল ক্যাম্প চলাকালে পাঁচটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবেন এই ক্রিকেটাররা। আগামী ১৭, ১৮, ২২, ২৪ ও ২৬ অক্টোবর হবে ম্যাচগুলো। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রাথমিক দল: মফিজুল ইসলাম, ইমন আলি, ইফতেখার হোসাইন ইফতি, হাবিবুর শেখ মুন্না, প্রান্তিক নওরোজ নাবিল, সাকিব শাহরিয়ার, সোহাগ আলি, মেহেরাব হাসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোহাম্মদ খালিদ হাসান, আইচ মোল্লা, আশরাফুল হাসান রিহাদ খান, মুশফিক হাসান, আরিফ আহমেদ অনিক, বায়েজিদ মিয়া রোমান, আশিকুর জামান, মহিউদ্দিন তারেক, রিপন মন্ডল, মুস্তাকিম মিয়া, আহসান হাবিব লিওন, নাঈমুর রহমান নয়ন, আশরাফুল ইসলাম সিয়াম, মিজবাহ আহমেদ সানা, মাকসুদুর রহমান, গোলাম কিবরিয়া, মাহফুজুর রহমান রাব্বি, জিল্লুুর রহামান, জাকারিয়া ইসলাম শান্ত।

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটসম্যান ডিন জোন্স আর নেই

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটসম্যান ডিন জোন্স। তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। আইপিএলের ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করতে তিনি ছিলেন ভারতের মুম্বাইয়ে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তার হার্ট অ্যাটাক হয়। ক্যারিয়ারে ব্যাটসম্যানশিপের নতুন এক ধারা উন্মোচন করেছিলেন জোন্স। বোলারদের ওপর চড়াও হতে পায়ের দারুণ ব্যবহার করতেন তিনি। অ্যালান বোর্ডারের অস্ট্রেলিয়া দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। যে দলের হাত ধরে ১৯৮৭ সালে ইডেন গার্ডেনে প্রথম বিশ্বকাপ জেতে দেশটি। ওয়ানডে ক্রিকেটে জোন্স ১৬৪ ম্যাচে ৪৪.৬১ গড়ে ছয় হাজার ৬৮ রান করেছিলেন।

কেকেআরকে গুঁড়িয়ে দিল মুম্বাই

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ আইপিএলের ইতিহাসে নির্দিষ্ট দুটি দলের লড়াইয়ের ইতিহাস এত একপেশে আর নেই! ২৫ বার মুখোমুখি হয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স ১৯ বার হেরেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের কাছে। সর্বশেষ জয়, মানে ষষ্ঠ জয়টা ছয় বছর আগে আরব আমিরাতের মাটিতেই। তাছাড়া মুম্বাইও এখানে আগের পাঁচটি ম্যাচেই হেরেছে। তাই আবার যখন আমিরাতেরই মাঠে মুম্বাইয়ের মুখোমুখি হলো কলকাতা, জয়ের উচ্চাশাই ছিল তাদের। কিন্তু হা হতোস্মি! কেকেআরকে একেবারে গুঁড়িয়ে দিল মুম্বাই। বুধবার আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে রোহিত শর্মার মুম্বাই ৪৯ রানে হারালো দিনেশ কার্তিকের কলকাতাকে। ম্যাচে ব্যবধান গড়ে উঠেছে মুম্বাইয়ের দুর্দান্ত ব্যাটিং ও আর কলকাতার বাজে বোলিংয়ে। কলকাতার বোলিংকে কচুকাটা করে ১৯৫ রানের পাহাড়ে উঠে গিয়েছিল মুম্বাই। যে অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিনায়ক ও ওপেনার রোহিত শর্মা নিজেই। তরুণ পেসার শিভম মাভির শিকার হওয়ার আগে তিন চার ও ছয় ছক্কায় ৫৪ বল থেকে করেছেন ৮০ রান। যা তাকে দিয়েছে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কারও। তবে রোহিতের আগে ব্যাটিংয়ে ঝড় তুলেছিলেন তিনে নামা সুরিয়া কুমার যাদব। ২৮ বলে ৪৬ করে যাদবের রান আউট হওয়ার আগে মুম্বাইয়ের দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৯০ রান। কলকাতার মূল শক্তি  আন্দ্রে রাসেল-ইয়ন মরগান-কার্তিকদের নিয়ে গড়া ব্যাটিং লাইনআপ। এটির জোরেই তারা জয়ের স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু তারা মুখ থুবড়ে পড়লো অত বড় রান তাড়ায়। সাড়ে ১৫ কোটি রুপির (আইপিএলের সবচেয়ে দামি বিদেশি) প্যাট কামিন্সের কাছে বোলিংয়েই বেশি চাওয়া ছিল কলকাতার। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান  পেসার যাচ্ছেতাই বোলিং করে তিন ওভারে দিয়েছেন ৪৯ রান। আর ম্যাচটি যখন হাতের মুঠো গলে বেরিয়ে গেছে, তখন তিনি কিনা ব্যাটসম্যান! আট নম্বরে নেমে দলীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেছেন ১২ বল খেলে। যশপ্রীত বুমরার শেষ ওভারে চারটি ছয়সহ নিয়েছেন ২৬ রান। অথচ এই বুমরাই আগের তিন ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে আউট করেছেন কলকাতার সবচেয়ে বিপজ্জনক দুই ব্যাটসম্যান আন্দ্রে রাসেল (১১ বলে ১১)  ও ইয়ন মরগানকে (২০ বলে ১৬ রান)। শেষ ১২ বলে জেতার জন্য দরকার ছিল ৫৭ রান। তার মানে প্রতি বল থেকে নিতে হতো প্রায় পাঁচ রান! অসম্ভব এই সমীকরণ মেলানো সম্ভব ছিল না কামিন্সের পক্ষে, আউট হয়ে যান ১০ বল বাকি থাকতে। কলকাতা ৯ উইকেট হারিয়ে তুলতে পেরেছে ১৪৬ রান। অথচ ১৯৬ রান তাড়া করে তাদের শুরুটা যখন হলো ধীর গতিতে, ভাষ্যকাররা বলছিলেন কলকাতা জয়ের জন্য ছুটবে। আগের রাতে হায়দরাবাদের বিপক্ষে চেন্নাই যেমন রান তাড়ায় ভীরুতার পরিচয় দিয়েছে তেমনটি এরা করবে না! সেই কলকাতার রান তাড়াটা হলো আরও জঘন্য। ‘আমিরাতের অভিশাপ’ মুছে কাইরন পোলার্ডকে তার ১৫০তম আইপিএল ম্যাচে জয় উপহার দিল মুম্বাই। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী চেন্নাইয়ের কাছে এবার প্রথম ম্যাচে হারের পর ঘুরে দাঁড়ালো দুর্দান্তভাবে। কলকাতার শুরু পরাজয়ে। সংক্ষিপ্ত স্কোর: মুম্বাই: ২০ ওভারে ১৯৫/৫ (রোহিত ৮০, যাদব ৪৭, তিওয়ারি ২১, মাভি ২/৩২, রাসেল ১/১৭, নারাইন ১/২২) ও  কলকাতা: ২০ ওভারে ৯/১৪৬ (কামিন্স ৩৩, কার্তিক ৩০, রানা ২৪, প্যাটিনসন ২/২৫, চাহার ২/২৬, বোল্ট ২/৩০, বুমরা ২/৩২)।

 

 

আচরণবিধি মানতে নির্বাচন কমিশনের কঠোর নির্দেশনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ আগামী ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাচন সামনে রেখে চলছে দুই পক্ষের তুমুল প্রচার-প্রচারণা। কাজী মো. সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদ এবং শেখ মোহাম্মদ আসলামের নেতৃত্বাধীন সমন্বিত পরিষদ ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছে। কাজী মো. সালাউদ্দিন বিরোধীরা ইতিমধ্যেই দেশের কয়েকটি বিভাগে গিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন। তবে ইশতেহার ঘোষণার পর থেকে সম্মিলিত পরিষদ ঢাকাতেই তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছে। প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে মঙ্গলবার ক্লাবের ভোটারদের সঙ্গে বসেছিলেন কাজী সালাউদ্দিন-সালাম মুর্শেদীরা। বুধবার বসেছিলেন জেলার ভোটারদের সঙ্গে। শেখ মোহাম্মদ আসলাম তার প্যানেলের সবাইকে নিয়ে আলোচনা করেছেন। বুধবার সম্মিলিত পরিষদের প্যানেল পরিচিতি ও ইশতেহার ঘোষণার কথা থাকলেও তা হয়নি। এই পরিষদের নেতা সিনিয়র সহসভাপতি প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আসলাম জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, তারা ১ অক্টোবর প্যানেল পরিচিতি ও নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠান করবেন। এদিকে ভোট সামনে রেখে দুই পক্ষের মধ্যে কিছুটা কাদা ছোঁড়াছুড়ি শুরু হওয়ায় নির্বাচন কমিশন আচারণবিধি মানতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রার্থীদের। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দীন সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাফুফে নির্বাচন বিধিমালার ৭(৭) ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারণা সংক্রান্ত বিধিসমূহ লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ দুইদিন আগে কাজী মো. সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি প্রার্থী আবদুস সালাম মুর্শেদী বিভিন্ন লিগের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রতিপক্ষ প্রার্থীকে উদ্দেশ্য করে বক্তব্য দিয়েছেন, যা নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত পৌঁছালে তারা একটি নোটিশ ইস্যু করেছে। নির্বাচনকে শতভাগ নিরপেক্ষ এবং বিতর্কমুক্ত রাখতে কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিশনের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার নির্বাচনের ভেন্যু প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল পরিদর্শন করেছে। ওই সময় কমিশন প্রধান মেজবাহ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ হয় এমন কোনো কার্যকলাপ না করতে আমরা সকল প্রার্থীকে অনুরোধ জানাচ্ছি। এমন কিছু ঘটলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

 

 

ইন্টারেই গেলেন ভিদাল

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ জুভেন্টাসে খেলেছেন, বায়ার্ন মিউনিখে খেলেছেন। বার্সেলোনার হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন। নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে আবার চিলিয়ান মিডফিল্ডার আর্তুরো ভিদাল ফিরে গেলেন ইতালিতে। এবার দুই বছরের চুক্তিতে গেলেন ইন্টার মিলানে। জুভেন্টাসের প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবে। এর আগে যে জুভদের হয়ে চারটি শিরোপা জিতেছেন এবার তাদের বিরুদ্ধে লড়তে হবে ভিদালের। বার্সেলোনায় দায়িত্ব নিয়ে রোনাল্ড কোম্যান ভিদালকে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি পরিকল্পনায় নেই। ভিদাল তাই ক্লাব খুঁজছিলেন। ৩৩ বছর বয়সী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের সামনে ছিল আরও কটা প্রস্তাব। তবে কন্তের দল ইন্টারকেই বেছে নিলেন তিনি। বার্সেলোনার হয়ে তিনি দুই মৌসুম খেলেছেন। ৯৬ ম্যাচে গোল করেছেন ১১টি। এর আগে জার্মানির বায়ার লেবারকুসেনে ভিদাল খেলেছেন চার মৌসুম। এরপর জুভেন্টাসে চার মৌসুমের পরে বায়ার্নে খেলেছেন তিন মৌসুম। ইন্টারের সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্সা বিবৃতিতে বলেছে, ইন্টার এবং বার্সেলোনা ভিদালের ব্যাপারে সমঝোতায় পৌঁছেছে। ইতালির ক্লাবটি বার্সাকে ১ মিলিয়ন ইউরো দেবে। বার্সেলোনায় ভিদালের অবদানের জন্য ক্লাব তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে। শুভকামনা জানাচ্ছে ভিদালের ভবিষ্যতের জন্য।

লীগ কাপের শেষ ষোলতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ লুটনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে লীগ কাপের চতুর্থ রাউন্ডে উঠে এসেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এদিকে ওয়েস্টহ্যামের কোচ ডেভিড ময়েস ও তার দুই খেলোয়াড় আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে। যদিও হাল এর বিপক্ষে ৫-১ গোলে জয়লাভ করেছে ময়েসের শিষ্যরা। ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই টেস্ট রিপোর্ট পেয়ে লন্ডন স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান ময়েস, জস কুলেন ও ইসা ডিওপ। তারা ব্যক্তিগত আইসোলেশনে থাকবেন। ওয়েস্ট হ্যামই ভাইরাসে আক্রান্ত একমাত্র প্রিমিয়ার লীগের ক্লাব নয়। কোভিড-১৯ ভাইরাসের সংক্রমনের কারণে চতুর্থ বিভাগের ক্লাব লেইটন ওরিয়েন্টের সঙ্গে টটেনহ্যামের ম্যাচ স্থগিত করা হয়েছে। তবে করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিবি আসার পরও পুর্বের পরিকল্পনা মাফিক অনুষ্ঠিত হয় ওয়েস্টহ্যামের ম্যাচ। হ্যামারদের দায়িত্ব পালন করেন সহকারী কোচ অ্যারন ইরভিন। ভারপ্রাপ্ত এই কোচ বলেন,‘ আটটা ছয় মিনিটে আমরা আমাদের চিকিৎসক ও প্রধান ফিজিসিয়ানের কাছ থেকে কিছু তথ্য পাই। তারা জানিয়েছেন যে দলে তিনটি করোনা পজিটিভ রয়েছে। তারা হলেন কোচ ও দুইজন খেলোয়াড়। আমরাও তাদের সংস্পর্শে ছিলাম। কারণ আমরা স্টেডিয়ামে ডেভিডের কাছেই ছিলাম। ওই খবর পেয়ে আমরা কিছুটা আহত হয়েছি। এর আগে আমরা অনেকবার টেস্ট করিয়েছি এবং ফল নেগেটিভ পেয়েছি। তবে শুরু থেকেই আমরা প্রটোকলের বিষয়ে সচেতন ছিলাম। ম্যাচে ওয়েস্টহ্যামের হয়ে গোলের সুচনা করেন রবার্ট স্নোডগ্রাস। এরপর দুটি করে গোল করেন সেবাস্তিয়ান হালার ও অ্যান্ড্রি ইয়ারমোলেঙ্কো। শেষ ষোলতে ফ্লিটউড অথবা এভারটনের মোকাবেলা করবে ওয়েস্টহ্যাম। এদিকে ১৯৯২ সালের পর চ্যাম্পিয়নশীপের দল লুটনের মুখোমুখি হবার সময় ইউনাইটেড দলে ১০টি পরিবর্তন আনেন কোচ উলে গুনার সুলশার। দলের হয়ে অভিষিক্ত হন গোল রক্ষক ডিন হেন্ডারসন ও শেষদিকে দলভুক্ত হওয়া ডনি ফন ডি বেক। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে হুয়ান মাতার পেনাল্টি গোলে এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। জর্জ মনকার প্রতিপক্ষের ব্রানডন উইলিয়ামসকে ফাউল করায় পেনাল্টি পেয়েছিল ইউনাইটেড। ম্যাচের ৮৮ মিনিটে রাসফোর্ড ও ইনজুরি টাইমে (৯০+২) গ্রীনউড গোল করলে ৩-০ গোলের জয় নিশ্চিত হয় ইউনাইটেডের। খেলা শেষে সুলশার বলেন,‘ এগিয়ে যেতে পারাটা ভাল দিক। এতে কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে। গোল রক্ষকও তার কাজটি বেশ ভালভাবে করেছে। শেষভাগে আমরা কয়েকটি ভাল গোল করেছি।’ এদিকে হাথর্নসে নির্ধারিত সময়ের ম্যাচ ২-২ গোলে ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব ব্রেন্টফোর্ডের কাছে ৫-৪ গোলে হেরে গেছে ওয়েস্ট ব্রুমউইচ আলবিওন। নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মত টুর্নামেন্টের শেষ ষোলতে উঠেছে নিউপোর্ট। তারা ৩-১ গোলে হারিয়েছে চতুর্থ বিভাগের ক্লাব ওয়াটফোর্ডকে।

 

টেনিসের বিশ্বসেরা বার্টি জিতলেন গলফের শিরোপা!

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ নারীদের টেনিস র্যাংকিংয়ের শীর্ষে অবস্থান করছেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশলে বার্টি। টেনিস কোর্টের এই সেরা খেলোয়াড় গলফেও নিজের কারিশমা দেখালেন। অস্ট্রেলিয়ার একটি গলফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জিতেছেন ২৪ বছর বয়সী তরুণী। দীর্ঘদিন হলো টেনিস কোর্ট থেকে দূরেই আছেন বার্টি। করোনাভাইরাসের কারণে গত মার্চ থেকে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন তো বন্ধই ছিল। সে সময় ছেলে বন্ধু গ্যারি কিসিকের কাছে গলফকে নিজের আয়ত্বে নিয়েছেন বার্টি। কিসিক অস্ট্রেলিয়ার পেশাদার গলফার। করোনার কারণে ব্যস্ত সূচি না থাকায় গলফে মনোযোগী হন বার্টি। আর সেটি বেশ কাজেও লাগল। এক্কেবারে শিরোপা জিতে নিয়েছেন! সম্প্রতি টেনিস কোর্টে ফিরেছে। ইউএস ওপেন শেষ হলো। কিন্তু সেখানে অংশ নেননি বার্টি। করোনার জন্য ঝুঁকি নিতে চাননি বলে তিনি নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেন। এমনকি আসন্ন ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকেও বার্টি নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ২০১৯ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা জিতেছেন বার্টি। এ বছরের অস্ট্রেলিয়ার ওপেনের সেমিফাইনালে থেমে যায় তার দৌড়। অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ পর্যায়ের পেশাদার ক্রিকেটও খেলেছেন বার্টি। ব্রিসবেন হিটের হয়ে বিগ ব্যাশও খেলেছেন। এবার গলফেও নিজের দক্ষতা দেখালেন। কিছুদিন আগে বার্টির প্রশংসা করেছেন গলফের কিংবদন্তি টাইগার উডস। ১৫টি মেজর শিরোপা জয় করা বার্টির ব্যাপারে উডস বলেছিলেন, ‘সে গলফের স্টিক দারুণ চালায়। তার দক্ষতা আছে।’

বিতর্কে অভিনেত্রী তুষ্টি

বিনোদন বাজার ॥ কুকুর-কা-ে অনভিপ্রেত মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন অভিনেত্রী তুষ্টি। সম্প্রতি রাজধানী থেকে প্রায় ৩০ হাজার বেওয়ারিশ কুকুর অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। পশুপ্রেমীরা এ সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকা বিষয়টিকে ‘অমানবিক’ বলে সোচ্চার হয়েছেন। অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টিও শুরু থেকেই ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বিষয়টির প্রতিবাদ করেছেন। তার দেওয়া তেমনই একটি পোস্ট থেকে বিতর্কের সূচনা। গত মঙ্গলবার শামীমা তুষ্টি বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেন। তাতে দেখা যায়Ñ শিশুরা পথের কুকুরদের খাওয়াচ্ছে। অনেক শিশু কুকুরকে কোলে তুলে আদর করছে। এ অভিনেত্রী ছবিগুলোর ক্যাপশনে লিখেছেন: ‘ফেরেস্তাদের সাথে ফেরেস্তারাই থাকে।’ এই ক্যাপশনের কারণে বিতর্কের মুখে পড়েছেন তুষ্টি। নেটিজেনদের অভিযোগÑ ফেরেশতার সঙ্গে কেন কুকুরকে তুলনা করা হলো? এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা সমালোচনা। এ প্রসঙ্গে জানতে শামীমা তুষ্টির মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি  বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে যারা সমালোচনা করছেন তারা কেন করছেন আমি জানি না। আল্লাহ তা’আলা আছেনÑ এ কথা আমরা ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করি। আশরাফুল মাখলুকাতের শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ। কিন্তু আশপাশে যা ঘটছে, যা দেখছি, তা আমাকে খুব মর্মাহত করে। আল্লাহ সবার বিচার করবেন। মানুষ আমার বিচার করতে পারবে না। সুতরাং মানুষ আমাকে কীভাবে বিচার করলো তাতে আমার কিছু যায়-আসে না।’ কুকুর অবলা প্রাণী। কুকুরও আল্লাহ’র সৃষ্টি। আল্লাহ’র সৃষ্টি সব জীবকে আমাদের সম্মান করতে হবে জানিয়ে তুষ্টি বলেন, ‘আল্লাহ বলেছেনÑ জীবে দয়া করো, আমি জীবের প্রতি দয়া করেছি। ক্যাপশনে যা লিখেছি, সেটা প্রতীকী আকারে বলেছি। এখানে আমি কোনো কিছু তুলনা করতে চাইনি। ফলে কুকুরকে দিয়ে ফেরেশতাকে অপমান করেছি সেটা ঠিক নয়।’ তুষ্টি উদাহরণ টেনে বলেন, ‘একটি কুকুরকে পানি পান করানোর জন্যও কিন্তু একজন সাহাবী বেহেশতে গিয়েছেন। এটা তো আমাদের বিশ্বাসের জায়গা। আমি কাউকে ছোট করার জন্য, কষ্ট দেওয়ার জন্য এটা লিখিনি। আমি চাই, সবাই নেয়ামতের মধ্যে থাকুক।’ করোনার কারণে মানুষ কর্মহীন হয়ে একপ্রকার হতাশার মধ্যে আছে। অনেক পরিবারে দুঃখ, কষ্ট, অশান্তি লেগেই আছে। তুষ্টি মনে করেন, ইসলাম যদি পালন করতে হয়, তাহলে ইসলামের সব মানতে হবে। ইসলামে বলা আছে, কাউকে ছোট করা, কটূকথা বলা যাবে না। ফেসবুকে তার পোস্টে প্রথম যিনি বিরূপ মন্তব্য করেছেন তার প্রতি তুষ্টি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘তিনি ইসলামের কী কী মানেন?’ করোনা প্রকোপের শুরু থেকেই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে তুষ্টিকে। বিষয়টি উল্লেখ করে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি শুধু কুকুর নিধনের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছি তাই নয়, বরং করোনাকালে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে সহযোগিতা করেছি। এখন পর্যন্ত ৪০টি পরিবারকে সহযোগিতা করে যাচ্ছি। আমার এলাকার ৫০টির অধিক কুকুরকে নিয়মিত খেতে দিই। আমার বাসায় যারা কাজ করেন তারা ছুটিতে থাকলেও আমি ঠিক সময়ে তাদের বেতন বাসায় পৌঁছে দিয়েছি। আরো ৪০টি বাচ্চার পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়েছি।’ লোকনাট্য দলের পিপলস লিটল থিয়েটারের মাধ্যমে অভিনয়ে হাতেখড়ি তুষ্টির। এই থিয়েটারে প্রথম অভিনয় করেন ‘সিন্ডারেলা’ নাটকে। টিভি নাটকের পাশাপাশি তুষ্টি নাম লিখিয়েছেন বড় পর্দায়। ‘নন্দিত নরকে’, ‘লাল সবুজ’, ‘স্বপ্ন ডানায়’ তুষ্টি অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র

 

 

করোনা মুক্ত হলেন এসআই টুটুল

বিনোদন বাজার ॥ করোনাভাইরাস মুক্ত হলেন শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী এস আই টুটুল। গত সোমবার দ্বিতীয়বার কোভিড-১৯ পরীক্ষার রেজাল্ট নেগেটিভ আসে। এসআই টুটুল বলেনÑমহান আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে এবং সবার দোয়ায় আমার কোভিড টেস্টের রেজাল্ট নেগেটিভ এসেছে। আমার সুস্থতার জন্য কত মানুষ যে, দোয়া করেছেন তা গুণে শেষ করতে পারবো না। তাদের অনেকের সঙ্গে হয়তো সরাসরি দেখাও হয়ে ওঠেনি। আমি সত্যিই সৌভাগ্যবান, আলহামদুলিল্লাহ!

করোনা সংকটের কারণে ঘরে বসেই কাজকর্ম করছিলেন ট্টুুল। কিন্তু গত আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ জ¦রে আক্রান্ত হন তিনি। জ¦রের মাত্রা না কমার কারণে গত ১৮ আগস্ট কোভিড-১৯ পরীক্ষা করান। ২১ আগস্ট জানতে পারেন তিনি কোভিড-১৯ পজিটিভ। তারপর থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন এই শিল্পী। নন্দিত এই শিল্পী অসংখ্য জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। চলচ্চিত্রে নিয়মিত প্লেব্যাক করছেন। বর্তমানে তার হাতে বেশ কিছু কাজ রয়েছে।

নতুন রবীন্দ্রসংগীতে কণ্ঠ দিলেন অর্ণব

বিনোদন বাজার ॥ কণ্ঠশিল্পী শায়ান চৌধুরী অর্ণব দুই বাংলায় তুমুল জনপ্রিয়। কিন্তু জনপ্রিয়তা এই শিল্পীকে একটুও স্পর্শ করে না। তাই তো ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ২০১৫ সালের এপ্রিলে নিজের ষষ্ঠ একক অ্যালবাম ‘খুব ডুব’ প্রকাশের পর হুট করেই গানের ভুবন থেকে ডুব দিয়েছেন। তারপর থেকে গানে অনিয়মিত অর্ণব। এরমধ্যে অর্ণবকে দেখা গেছে হাতেগোনা বেশ কয়েকটি লাইভ কনসার্টে। সবশেষ ঈদুল ফিতরে ‘চোরাকাঁটা’ শিরোনামে একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছিলেন অর্ণব। এবার অর্ণবের কণ্ঠে শোনা গেল নতুন গান। ‘এই তো তোমার আলোকধেনু’ শিরোনামের একটি রবীন্দ্রসংগীতে কণ্ঠ দিয়েছেন অর্ণব ও পশ্চিমবঙ্গের সুনিধি নায়েক। বুধবার সুনিধি নায়েকের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পেয়েছে গানটি। এর আগেও অর্ণব একাধিক রবীন্দ্রসংগীতে কণ্ঠ দিয়েছেন। শায়ান চৌধুরী অর্ণব ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশের ঢাকায় জন্মগ্রহণ করলেও বর্তমানে তিনি কলকাতার শান্তিনিকেতনে বসবাস করেন।

অনুশীলনে আগুন ঝরা বোলিং তাসকিনের

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ তামিম ইকবালের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে বল, কখনও বাতাস লাগিয়ে যাচ্ছে লিটন দাসের হেলমেটে। গত কিছুদিনে অনুশীলনের নিয়মিত চিত্র এসব, নেটে প্রায় সব ব্যাটসম্যানকেই বেশ ভোগাচ্ছেন তাসকিন আহমেদ। আগুন ঝরা বোলিং করে চলেছেন অনুশীলনে। তবে ¯্রফে নেটের গতি আর ছন্দেই আনন্দে ডুবে যাচ্ছেন না এই ফাস্ট বোলার। বরং অনুভব করছেন উন্নতির পথ ধরে ছুটে চলার তাড়না। করোনাভাইরাসের প্রভাবে যখন মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে লম্বা সময়, সেই লকডাউনে তাসকিনকে সক্রিয় দেখা দেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ফিটনেস নিয়ে জিমে কাজ করার ছবি-ভিডিও পোস্ট করেছেন নিয়মিত। মাঠে তাকে দেখেও সেসবের ফল টের পাওয়া যাচ্ছে। ওজন কমেছে বেশ, বেড়েছে পেশির আকার। ওজন কমা ও বাড়ন্ত পেশিই অবশ্য ফিটনেসের মূল প্রতিফলন নয়। তবে মাঠেও তাকে মনে হচ্ছে দারুণ ফুরফুরে ও চনমনে। বোলিংয়ে খুবই আগ্রাসী। বোলিং কোচ ওটিস গিবসনের সঙ্গে সময় কাটাতেও দেখা যাচ্ছে বেশ। ওয়ার্ক এথিক ঠিক নেই বলে একসময় তাসকিনের সমালোচনা ছিল প্রচুর। এখনও সেসবের রেশ তার ভাবমূর্তির সঙ্গে লেপ্টে আছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তার নানা প্রচেষ্টায় দেখা যাচ্ছে ওসব ঝেরে ফেলার ইচ্ছে। সামনেও এই ধারাটা ধরে রাখতে চান তাসকিন। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার অনুশীলন শেষে ২৫ বছর বয়সী ফাস্ট বোলারের কণ্ঠে এগিয়ে চলার প্রত্যয়। “ফিটনেসে আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে। তবে উন্নতির তো শেষ নেই। বিশ্বমানের হতে হলে, আরও ধারাবাহিক হতে হলে কঠোর পরিশ্রম সবসময় করে যেতে হবে। আসলে এখনই শেষ নয়। সামনে আরও ভালো কিছু হবে, আশা করছি। আমি আমার চেষ্টা, ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করব যে আরও উন্নতি হয় ও ভালো করতে পারি।” আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাসকিন সবশেষ খেলেছেন ২০১৮ সালের মার্চে, শ্রীলঙ্কায় নিদাহাস ট্রফি টি-টোয়েন্টিতে। সবশেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০১৭ সালের অক্টোবরে, দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে। ওই সফরেই খেলেছেন সবশেষ টেস্ট। গত মার্চে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দলে অবশ্য জায়গা পেয়েছিলেন। তবে একাদশে সুযোগ মেলেনি। সামনের বাস্তবতাও ভালোই জানেন তাসকিন। তাই জানালেন, ফিটনেসের পাশাপাশি স্কিলেও আরও শাণিত ও সমৃদ্ধ করে তুলতে চান নিজেকে। “ আগের থেকে ভালো ছন্দ এসেছে। ভালোও লাগছে। পেস, সিম পজিশন, এসব নিয়ে কাজ করছি কোচদের সঙ্গে। আগের থেকে উন্নতি হয়েছে। আল্লাহ যদি সুস্থ রাখেন, আগের চেয়ে আরও উন্নতি হবে। নিশানা, গতি, সিম পজিশন, এসব আরও ভালো হবে।”

সাফল্য চান বাউচার

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ আইসিসির টুর্নামেন্টে কী যেন হয় দক্ষিণ আফ্রিকার। বরাবরই থাকে ফেভারিটদের কাতারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়ে ফিরতে হয় তাদের। এই ধারাবাহিক ব্যর্থতায় পরিবর্তন আনতে উন্মুখ মার্ক বাউচার। তাই চমৎকার ক্রিকেটারদের দল নয়, সাফল্য চান দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ। সবশেষ ২০১৯ বিশ্বকাপে দারুণ একটি দল নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা টুর্নামেন্ট শেষ করে সপ্তম স্থানে থেকে। সেই টুর্নামেন্টের পরের পারফরম্যান্সও খুব একটা ভালো নয়। ভারত, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ হারা দলটি এই সংস্করণে এখন আইসিসির র‌্যাঙ্কিংয়ে ছয়ে। সীমিত ওভারের দুই সংস্করণেই তারা পাঁচ নম্বর দল। দলকে তিন সংস্করণে চূড়ায় দেখতে চান সাবেক কিপার-ব্যাটসম্যান বাউচার। লক্ষ্য অর্জনে খেলোয়াড়দের কাছ থেকে চান সেরা পারফরম্যান্স। “আমার কাছে পারফরম্যান্সটাই আসল। দারুণ সব ক্রিকেটারদের দল চাই না, যারা বিশ্বের আট নম্বর। বরং চ্যালেঞ্জিং একটি দল চাই এবং এক নম্বর হওয়ার জন্য লড়াই করতে চাইব। আর ছেলেরাও এটাই চায়, যা দারুণ।” মুখে নয়, কাজ দিয়ে নিজেদের প্রমাণ করতে হবে, ভালো করেই জানেন বাউচার। “আমরা একত্রে সঠিক পথেই আছি। যদিও এখন পর্যন্ত সবই মুখের কথা। মুখে বলার চেয়ে আমাদের মাঠে ফিরতে হবে, চেষ্টা করতে হবে এবং এগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে। ছেলেরা খুশি তাই আমিও খুশি। তবে এখন শুরু হবে কঠিন কাজ।”

 

 

বোলোনিয়াকে হারিয়ে সেরি আ আসর শুরু করলো এসি মিলান

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ সেরি আয় নিজেদের প্রথম ম্যাচেই জ¦লে উঠলেন জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। সুইডিশ এই ফরোয়ার্ডের জোড়া গোলে জয় দিয়ে ২০২০-২১ সেরি আ আসর শুরু করেছে এসি মিলান। মিলানের সান সিরো স্টেডিয়ামে সোমবার বোলোনিয়াকে ২-০ গোলে হারায় এসি মিলান। থিও এরনান্দেসের ক্রসে লাফিয়ে হেডে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ৩৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ইব্রাহিমোভিচ। ভাগ্য আরেকটু সহায় হলে হ্যাটট্রিকের দেখাও পেতে পারতেন তিনি। ম্যাচের শুরুর দিকে তার শট দূরের পোস্ট ঘেঁসে বেরিয়ে যায়। পরে গোলরক্ষককে একা পেয়ে তার নেওয়া আরেকটি শট লক্ষ্যে থাকেনি। এ নিয়ে চারটি সেরি আ আসরে প্রথম রাউন্ডে গোল করলেন ইব্রাহিমোভিচ। প্রতিযোগিতাটিতে নিজের শেষ পাঁচ ম্যাচে এই নিয়ে তিনবার করলেন জোড়া গোল।

 

ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই খেলতে চান পেসার মুস্তাফিজ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ কেবল টেস্ট নয়, ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই খেলতে চান পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। অনেকেরই ধারনা ছিল টেস্ট ক্রিকেটকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তবে তিন ফর্মেটই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান মুস্তাফিজ। তিনি জানান, বর্তমানে ফিটনেস ও স্কিল নিয়েই বেশি কাজ করছেন। যাতে তিন ফরম্যাটের জন্য নিজেকে উপযোগী করে তুলতে পারেন। গতকাল মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে স্কিল ট্রেনিং সেশন শেষে মুস্তাফিজ বলেন, ‘আমি তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটে খেলতে চাই এবং বর্তমানে আমি ফিটনেস ও অন্যান্য স্কিল নিয়ে কাজ করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার বোলিং দক্ষতা বাড়াতে যা করা প্রয়োজন, তা করার চেষ্টা করছি এবং সব ফরম্যাটে নিয়মিত করতে অন্যরাও সহায়তা করছে।’ টেস্ট ক্রিকেটে ভালো বোলারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, বলকে ভেতরে আনা। পুরো ক্যারিয়ার জুড়েই যা করতে পারেননি তিনি। মুস্তাফিজের প্রধান অস্ত্র হলো- কাটার ও স্লোয়ার, যা দিয়ে সংক্ষিপ্ত ভার্সনে সাফল্য অর্জন করেছিলেন ফিজ। মূলত তার কাটার ও প্লোয়ারের কারণে, ওয়ানডে ক্রিকেটে দুর্দান্তভাবে নিজের অভিষেক ঘটান মুস্তাফিজ। ভারতের বিপক্ষে প্রথম দু’ম্যাচে ১১ উইকেট নেন তিনি। ঐ দু’টি ম্যাচেই ভারতের বিপক্ষে জয় পায় দল। ফলে প্রথমবারের মত ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ নেয় টিম ইন্ডিয়া। সিরিজের শেষ ম্যাচে ২ উইকেট নিয়ে অভিষেক সিরিজে নিজের শিকার সংখ্যাকে ১৩তে নিয়ে যান মুস্তাফিজ। টি-২০ ক্রিকেটেও নিজেকে প্রমাণ করেন মুস্তাফিজ। ফলে ওয়ানডে ও টি-২০ ক্রিকেটে বাংলাদেশের সেরা বোলারে পরিণত হন তিনি। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেট অঙ্গনে, সাফল্যের ক্ষেত্রে পারদর্শী নন মুস্তাফিজ। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ইনসুইঙ্গারেই বেশি শক্তিশালী মুস্তাফিজ। এমনটাই মুস্তাফিজ জানেন এবং তিনি জানান, বোলিং কোচ ওটিস গিবসনকে নিয়ে সেই বিশেষ দিকটি নিয়ে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আগে, কিভাবে বলকে ভেতরে আনতে হবে, সে বিষয়ে আমাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন। আমি এখনো এটি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি এবং আল্লাহর রহমতে এটি ভালোভাবে চলছে। কিন্তু আমি জানি, এটি করার জন্য পারদর্শী হতে আমার অনেক কাজ করা দরকার।’ বলকে ভেতরে আনার পাশাপাশি, বোলিংএ অন্যান্য দিক নিয়েও কাজ করছেন মুস্তাফিজ। মুস্তাফিজ বলেন, ‘একমাস পাঁচদিন হয়ে গেল, আমি ঢাকা এসেছি, প্রথমে আমি সংক্ষিপ্ত রান-আপে বল করেছি। দুই কি তিন ধাপে বল করেছি। আমি বাড়িতেও এটি করেছি। কিন্তু ঢাকায় এসে প্রথম থেকেই সব শুরু করেছি। শুরুতে আমি জগিং ও জিমের দিকে মনোনিবেশ করেছি এবং পরে অন্যান্য বোলারদের সাথে ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে বোলিং শুরু করি। তবে সবকিছু ভালো চলছিলো।’ তিনি জানান, শুরুতে বোলিং ও ফিটনেস অনেক কঠিন ছিলো। তবে যতদিন যাচ্ছে, সবকিছু স্বাভাবিক হচ্ছে। মুস্তাফিজ বলেন, ‘দলগত অনুশীলন গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ঘরে কাজ করেছি, তবে সেটি ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু আমি যখন স্টেডিয়ামে কাজ শুরু করেছি, তখন কঠিন ছিলো, কিন্তু এখন সবকিছু ঠিকঠাক চলছে।’

স্কিল ট্রেনিং স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন মাহমুদুল্লাহ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ লকডাউনে ফিজিও ও ট্রেনারের দেয়া গাইডলাইনে ফিটনেস নিয়ে কাজ করায় স্কিল ট্রেনিং স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ খেলোয়াড় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। রোববার  মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের স্কিল ট্রেনিং শেষে তিনি বলেন, লকডাইনের সময় ভালো হয়েছে যে, আমি আমার ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে পেরেছি। মাহমুদুল্লাহ বলেন, আমি অনেক ট্রেডমিল ব্যবহার করেছি। সেখানে ফিজিও ও ট্রেনারের নির্দেশিকা ছিলো। আমরা প্রতি তিন-চারদিন অন্তর যোগাযোগ করেছি। এতে ভালো ফলাফল পেয়েছি এবং এখন আমরা স্কিল নিয়ে কাজ করছি, দিন শেষে স্কিলই গুরুত্বপূর্ণ। শ্রীলংকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের জন্য ডাক পাওয়া ২৭জন ক্রিকেটারের মধ্যে মাহমুদুল্লাহ অন্যতম। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সর্বশেষ ম্যাচ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট সিরিজের দলে সুযোগ পাননি তিনি। আবারো দলে সুযোগ পাওয়ায়, টেস্ট ক্যারিয়ারকে পুনর্জীবিত করার সুযোগ পাচ্ছেন মাহমুদুল্লাহ। তবে সেটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ বলে মনে হয়েছিলো। বাদ পড়ার পেছনে তার ব্যাটিং পারফরমেন্স প্রধান কারণ ছিলো এবং মাহমুদুল্লাহ এটি ভালো ভাবেই জানতেন। তিনি জানান, ব্যক্তিগত অনুশীলনে ভিডিও চ্যাটিংয়ের মাধ্যমে ব্যাটিং কোচের সাথে নিয়মিত আলোচনা করেছেন। মাহমুদুল্লাহ বলেন, আমরা চার বা পাঁচ সপ্তাহ আগ থেকে ব্যক্তিগত অনুশীলন শুরু করেছি, তাই ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য প্রচুর সময় পেয়েছি। আমি ব্যাটিং কোচের সাথে কথা বলেছি এবং তার নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ করেছি। এখন আমরা একটি দল হিসেবে কাজ করছি। দিন শেষে দল হিসেবে ফিরে আসতে পেরে সকলেই উচ্ছ্বসিত এবং যখন আপনি আপনার সহকর্মীদের সাথে কাজ করতে পারবেন, সেটিই সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। স্কিলের উন্নতির জন্য গ্র“প অনুশীলন সেশন অনেক বেশি উপকারী বলে মনে করেন মাহমুদুল্লাহ। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর আমরা দল হিসেবে মিরপুরে অনুশীলন শুরু করেছি। তাই ফিরে এসে ভালো লাগছে। লকডাউনের সময়টা কঠিন ছিলো, কারণ আমরা দল ও মাঠ থেকে দূরে ছিলাম। আমরা জগিং ও জিম নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, কিন্তু স্কিল অনুশীলন নিয়ে নয়। কয়েক সপ্তাহ ধরে আমাদের ব্যক্তিগত অনুশীলন ছিলো এবং এখন আমরা গ্রুপে অনুশীলন শুরু করেছি।

আম্পায়ার যখন ম্যান অব দা ম্যাচের দাবিদার

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তে একটি রান কম পেল এক দল। রোমাঞ্চকর ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত হলো ‘টাই।’ সুপার ওভারে গিয়ে সেই দলটি হেরেই গেল। না পাওয়া সেই ১ রানের আক্ষেপে পুড়তে হলো দলটিকে। এসব দেখে বিরেন্দর শেবাগ বলছেন, ম্যান অব দা ম্যাচের পুরস্কার দেওয়া উচিত ছিল আম্পায়ারকে। ঘটনা এবারের আইপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচের। দুবাইয়ে রোববার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের রান তাড়ায় সেটি ১৯তম ওভার। কাগিসো রাবাদার ইয়র্কার লেংথের বল লং অনে ঠেলে দেন ব্যাটসম্যান মায়াঙ্ক আগারওয়াল। দুই ব্যাটসম্যান দ্রুত নেন দুই রান। কিন্তু লেগ আম্পায়ার নিতিন মেনন সঙ্কেত দেন, এক রান শর্ট। নন-স্ট্রাইক প্রান্তে থাকা ক্রিস জর্ডান প্রথম রান নেওয়ার সময় ক্রিজ পার হননি বলে জানান আম্পায়ার।খানিক পরই টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, জর্ডান বেশ স্পষ্টভাবেই ক্রিজ পেরিয়েছিলেন। তবে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে আর বদল আসেনি। ওই এক রান পরে কাল হয়ে যায় পাঞ্জাবের জন্য। ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত হয় টাই। সুপার ওভারে রাবাদার দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে পেরে ওঠেনি পাঞ্জাব। ম্যাচ শেষে তুমুল আলোচনা ছিল সেই এক রান কম দেওয়া নিয়ে। এই বছরই আইসিসির এলিট প্যানেলে জায়গা করে নেওয়া আম্পায়ার নিতিন মেনন পড়েন তোপের মুখে। বরাবরই খোলামেলা কথা বলার জন্য পরিচিত শেবাগ সরাসরিই আম্পায়ারকে ধুয়ে দিয়েছেন। “ ম্যান অব দা ম্যাচ হিসেবে যাকে বেছে নেওয়া হয়েছে, আমি তাতে একমত নই। এক রান শার্ট দিয়েছেন যে আম্পায়ার, ম্যান অব দা ম্যাচ দেওয়া উচিত ছিল তাকেই। শর্ট রান ছিল না এবং সেটিই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।” ওই ভুল সিদ্ধান্তের পরও অবশ্য ম্যাচ ছিল পাঞ্জাবের হাতের মুঠোয়। মায়াঙ্কের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের দুয়ারে ছিল তারা। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। মার্কাস স্টয়নিসের করা ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা মারেন মায়াঙ্ক। পরের বলে আসে দুই রান, তৃতীয় বলে আবার মায়াঙ্কের বাউন্ডারি। ম্যাচ তখন টাই। ৩ বলে পাঞ্জাবের প্রয়োজন কেবল ১ রান। কখনোইনতুন নাটকীয়তার তখন শুরু। চতুর্থ বলে রান আসেনি। পঞ্চম বলটি ছিল ফুল টস, কাভার সীমানায় একজনই ছিলেন ফিল্ডার। ৮৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলা মায়াঙ্ক ক্যাচ দেন কাভারের সেই একমাত্র ফিল্ডারের হাতে। শেষ বলটি লো ফুল টস, এবার ক্রিস জর্ডান ক্যাচ দেন স্কয়ার লেগে। ম্যাচ টাই। সুপার ওভারে রাবাদা প্রথম বলে দুই রান দিলেও পরের দুই বলে আউট করে দেন লোকেশ রাহুল ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে। দিল্লি জিতে যায় সহজেই। ধারাভাষ্যকার ও নিউ জিল্যান্ডের সাবেক অলরাউন্ডার স্কট স্টাইরাস আম্পায়ারের ভুলের পাশাপাশি বললেন পাঞ্জাবের ব্যর্থতার কথাও। “ আইপিএলের গতকালের ম্যাচে ১ রান শর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্তটি ছিল ভীষণ বাজে। তবে ২ বলে যদি প্রয়োজন হয় ১ রান, তার পরও কেউ জিততে না পারে, তাহলে কেবল নিজেদেরই দায় দেওয়ার আছে।” মাঠের আম্পায়ারের এসব ভুলের ক্ষেত্রে টিভি আম্পায়ারের হস্তক্ষেপ করার সুযোগ রাখা উচিত কিনা, ম্যাচের পর টিভিতে আলোচনায় এই প্রশ্নও তুলেছেন বিশেষজ্ঞদের কয়েকজন। পাঞ্জাবের সত্বাধিকারীদের একজন ও বলিউড তারকা প্রীতি জিন্তা টুইটারে ভারতীয় বোর্ডকে বললেন নিয়মে পরির্বতন আনতে। “ মহামারীর সময়ও আমি দারুণ উত্তেজনা নিয়ে এখানে এসেছি, ৬ দিন কোয়ারেন্টিনে থেকেছি, হাসিমুখে ৫ দফায় কোভিড পরীক্ষা করিয়েছি। কিন্তু আমাকে প্রচ- ধাক্কা দিয়েছে এই ১ রান কম দেওয়া। প্রযুক্তির দরকার কী, যদি সেটা কাজে না লাগানো হয়! বিসিসিআইয়ের সময় হয়েছে নতুন নিয়ম করার। প্রতিবছরই এরকম চলতে পারে না।”

ফের ইতালিয়ান ওপেনের ফাইনালে জোকোভিচ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ইতালিয়ান ওপেনে চারবারের চ্যাম্পিয়ন নোভাক জোকোভিচ। পঞ্চমবার এই টুর্নামেন্ট জেতার লক্ষ্যেই এগিয়ে চলেছেন বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের এই এক নম্বর। সেমিফাইনালে ক্যাসপার রুডকে হারিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ফাইনালে। করোনা বিরতির পর অবশেষে ইতালিতে ক্রীড়া ইভেন্টে দর্শক প্রবেশের অনুমতি মেলায় এক হাজার দর্শক স্ট্যান্ডে উপস্থিত ছিলেন এদিন। সেই দর্শকের সামনেই সেমিফাইনালে জোকোভিচের প্রতিপক্ষ ছিলেন র‌্যাঙ্কিংয়ের ৩৪তম তারকা। ক্যাসপার প্রথম সেটে কিছুটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুললেও দুই সেট ৭-৫, ৬-৩ গেমে জেতেছেন জোকোভিচই। ৩৬তম ১০০০ মাস্টার্স শিরোপা জেতার লড়াইয়ে জোকোভিচের প্রতিপক্ষ ডিয়েগো শোয়ার্জমান।  যিনি কোয়ার্টারফাইনালে ফেবারিট নাদালকে হারিয়ে চমক সৃষ্টি করেছেন। সেমিফাইনালে শোয়ার্জমান ৬-৪, ৫-৭, ৭-৬ (৭-৪) গেমে হারিয়েছেন কানাডিয়ান ডেনিস শাপোভালভকে। জোকোভিচ ইউএস ওপেনে অনাকাঙ্খিত কান্ডের জন্ম দিয়ে ডিসকোয়ালিফাইড হয়েছিলেন। লাইন জাজকে আঘাত করায় বিদায় নিতে হয়েছিল আগেভাগে। সেই টুর্নামেন্টে না পারলেও নতুন করে শিরোপা মঞ্চে তিনি। জানালেন, নিজের মাঝে এখনও শিরোপা ক্ষুুধা আছে তার, ‘শিরোপার জন্য আমার এখনও তীব্র ক্ষুধা আছে। তাই নিজেকে শিরোপা জেতার লড়াইয়েই রাখতে চাই সব সময়।’