কালুখালীতে ইউএনও’র সাথে মাধ্যমিক ও মাদরাসা প্রধানদের মতবিনিময়

ফজলুল হক ॥ রাজবাড়ী জেলাধীন কালুখালীতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন এর সাথে উপজেলার সকল মাধ্যমিক ও মাদরাসা প্রধান শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১ টায় উপজেলার রিসোর্স সেন্টার এর হলরুমে মতবিনিময় সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ নুরুল আলম, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) জয়ন্ত কুমার দাস, হোগলাডাঙ্গী এমআই কামিল মডেল মাদরাসার অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন আহম্মেদ, কালুখালী সরকারী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ আব্দুর রহিম, রতনদিয়া রজনীকান্ত সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আয়ুব আলী, আখরজানী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোখলেছুর রহমান, মোহাম্মদ আলী একাডেমীর প্রধান শিক্ষক রেজাউল আলম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। মতবিনিময় সভায় ইউএনও আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা বেশি। তাই প্রত্যেক শিক্ষকদেরকে সচেতন হতে হবে। সবাই মিলে এ দেশটাকে পরিবর্তন এনে উন্নত দেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ভেড়ামারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ সভা

ভেড়ামারা প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে জাতীয় পুষ্টিসেবা, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের তত্ত্ববধায়নে ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হলরুমে  জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান মিঠু। এসময় উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলার নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফ, ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডা: মো: নুরুল আমীন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আহসান আরা, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার বিপ্লব কুমার সরকার, ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, সাধারন সম্পাদক আরিফুজ্জামান লিপটন, ভেড়ামারা থানার এস.আই রিফাজ উদ্দিনসহ সাংবাদিকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ’্যকর্মী প্রমুখ। উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডা: মো: নুরুল আমীন বলেন, ৬-১১ মাস বয়সী শিশুকে ১টি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ান। ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ১টি লাল রঙের এ ক্যাপসুল খাওয়ান। শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণ মত ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ান। এছাড়াও আরো বলেন প্রিন্ট মিডিয়ার পাশাপাশি মাইকিং এর মাধ্যমে জনসাধারণ কে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো বিষয়ে প্রচার প্রচারণা করা হবে।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও কৃষিজ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে কাজ করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী

করোনা পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও কৃষিজ উৎপাদন অব্যাহত রাখতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশন। এরই ধারাবাহিকতায় কৃষিজ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে সেনাসদস্যরা  বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের বিভিন্ন প্রান্তে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন নানা জাতের উন্নতমানের সবজির বীজ। করোনায় পুরো দেশ থমকে দাঁড়ালেও কৃষিকাজ যেন থমকে না দাঁড়ায়, সে জন্য  কৃষকদের মনোবল সুদৃঢ় করতে তাদের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে  জন্য নিজেদের খরচে প্রয়োজনীয় উপকরণও সরবরাহ করছেন সেনাসদস্যরা। কখনও কখনও হত দরিদ্রদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে নগদ আর্থিক সুবিধা। এছাড়াও গণপরিবহন মনিটারিং, ফ্রী চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং ঔষধ বিতরণ স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত নীতিমালা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা, মাস্ক ব্যবহারে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করাসহ সকল প্রকার জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা। অন্যদিকে বৃহত্তর  যশোর অঞ্চলের বন্যাকবলিত পানিবন্দি মানুষের জন্য শুকনা খবার বিতরণ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, খাবার স্যালাইন ও নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি নিয়মিতভাবে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা। বিশেষ করে উপকূলবর্তী  খুলনার কয়রায় ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ মেরামতের কাজ যশোর  সেনানিবাসের তত্ত্বাবধানে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

মুক্তির উদ্যোগে কুমারখালিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ গতকাল মুক্তি নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় কুমারখালি পূজা উদযাপন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে  নারী ও কন্যাদের অধিকার ও নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের কার্যক্রমের অংশ হিসাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে সামজিক দুরুত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব কুমারখালি উপজেলা সোস্যাল সাপোর্ট কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ অরুণ কুমার বিশ^াস। সভায় অতিথি হিসাবে উপস্থিথ ছিলেন কুমারখালি  উপজেলা সোস্যাল সাপোর্ট কমিটির সভাপতি ও কুমারখালি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মেরিনা আক্তার মিনা, কুমারখালি উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকতা ফেরদৌস নাজনীন , কুমারখালি থানার সাব-ইন্সপেক্টর নাহিদ হাসান মৃধা, কুমারখালি  উপজেলা ডেভলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর বিপ্লব কুমার সাহা, কুমারখালি  উপজেলার সহকারি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আরিফুর রহমান। প্রকল্পের ত্রৈমাসিক কার্যক্রম ও সফল ঘটনা উপস্থাপন করেন মুক্তি নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার প্রোজেক্ট অফিসার  খন্দকার মুস্তাফিজুর রহমান সোহেল। উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহন করেন  সদকী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য ও সোস্যাল সাপোর্ট কমিটির সদস্য মুক্তা আক্তার, কয়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য ও সোস্যাল সাপোর্ট কমিটির সাধারণ সম্পাদক তাসলিমা আক্তার তনু, সদকী ইউনিয়ন সোস্যাল সাপোর্ট কমিটির  সভাপতি আমিরুল ইসলাম, জগন্নাথপুর ইউনিয়ন সোস্যাল সাপোর্ট কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ।আলোচনায় বক্তারা বলেন নারীদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র সকল জায়গায় নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নারীদের সংগঠিত হয়ে কাজ করতে হবে। মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে। নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে  প্রশাসন সম্মিলিতভাবে কাজ করবে। উপস্থাপন করেন মুক্তি  নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার সদকী ইউনিয়নের প্রজেক্ট ফ্যাসিলিটেটর রওশন জোয়ারদার। সার্বিক সহযোগিতা করেন মুক্তি  নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের প্রজেক্ট ফ্যাসিলিটেটর কমল কুমার বিশ^াস।

আলমডাঙ্গায় উপনির্বাচনের শেষ দিনে ৫ জন চেয়ারম্যান ও ৪ জন মেম্বর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমাদান সম্পন্ন

আলমডাঙ্গা অফিস ॥  আলমডাঙ্গায় উপনির্বাচনে শেষ দিনে ৫ জন চেয়ারম্যান ও ৪ জন মেম্বর প্রার্থীর মনোনয়ন জমাদান সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল  ২৩ সেপেম্বর বুধবার দিনব্যাপী  মনোনয়ন জমা দেয়ার শেষ দিনে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিসে দলীয় লোকজনের উপস্থিতিতে আওয়ামীলীগের মনোনিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাধবপুরের নিয়ামত মন্ডলের ছেলে তরিকুল ইসলাম মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিসার এম,এ,জি, মোস্তফা ফেরদৌস,সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক-কম্পিউটার অপারেটর রুহুল আমিন, অফিস সহায়ক ইদ্রিস আলি,উপজেলা আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মাসুদ রানা তুহিন,ডাউকি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম দিপু, সহ-সভাপতি ওয়াজেদ আলি,আব্দুল খালেক, মেম্বর রুহুল কুদ্দুস, জয়নাল, আশরাফুল, জয়, জেকের আলি, মকবুল হোসেন, আঃ ওহাব, আনিস মেম্বর, পান্না, গিয়াস উদ্দিন কালু, আক্তার মাস্টার, ইজাল উদ্দিন, লিটন আলি, রুবেল হোসেন, নজরুল ইসলাম, মধু বিশ্বাস, রমজান শেখ, জুলমত মন্ডল, আতিয়ার রহমান, ছয়ফল মন্ডল, জাইদুল, রিকাত, সিদ্দিক, সুজন, খলিল, জসিম, লতিফ নেকবার, জব্বার, ফারুক ছাত্রলীগ নেতা বাদশা, রকি, সাকিব, অটল, রনি, টিটন, অন্তর, শিহাব প্রমুখ। অপরদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বাদেমাজু গ্রামের মরহুম আরমান মন্ডলের ছেলে ইউনুস আলী তার সমর্থকদের সাথে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আব্দুল হান্নান, বিল্লাল মাস্টার, আতিয়ার রহমান চিনি,মহাবুল হক,রুপচাঁদ মিয়া, নিজামুদ্দিন, আজম আলি, আব্দুস সালাম, কাতব আলি, লিয়াকত মেম্বর  সরোয়ার  মেম্বর প্রমুখ। অন্যদিকে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হাউসপুরের আলহাজ্ব মুন্সি নিজাম উদ্দিন তার সমর্থকদের সাথে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আতাহারুল ইসলাম,রহিম বক্স, জহুরুল হক, মধু, ঠান্টু, সন্টু, কাশেম, জহুর, আক্তার, বউল, হুমায়ন, বাদল, আবুছদ্দি শফি, আলামিন, সাব্বির, জাহিদুল, ফজুল, সজিব, জবেদ আলি প্রমুখ। অপরদিকে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বাদেমাজু গ্রামের মকলেসুর রহমান দুলাল মেম্বারের ছেলে আব্দুল কাদের রানা ও তার সমর্থকদের সাথে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আজিজুল হক, জুমাত আলি, ফরজন আলি, তৈয়ব আলি, রফিকুল, হাফিজ, রাজু, আলমঙ্গীর, মিজান, দানেসসহ আরো অনেকে। আরেক স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ডাউকি গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে নাজমুল হোসাইন তার সমর্থকদের সাথে নিয়ে মনোনয়ন জমা দেন। সেসময় উপস্থিত ছিলেন রোমিও, আব্দুল হাকিম, সোহান, মেহেরাজ, রাবিদ, মনজু, জুয়েল, জাহাঙ্গীর, মিল্টন, মানিক, রানা, জুয়েল, সোহাগ, সাইদুল, রকি, লেবু, লিটন প্রমুখ। অপরদিকে একই উপজেলার খাদিমপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে ৪জন মেম্বর প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। মনোনয়নপত্র বাছাই আগামী ২৬ সেপেম্বর, প্রত্যাহার ৩ অক্টোবর আর ২০ অক্টোবর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সদরপুরে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড বিতরণকালে কামারুল আরেফিন

সরকার প্রতিবন্ধীদের স্বাবলম্বী করে তোলার চেষ্টা করছেন

আমলা অফিস ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের নতুন প্রতিবন্ধী ভাতা ভোগীদের কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ও সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে এ কার্ড বিতরণ করা হয়। এসময় সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল হক রবির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে ভাতা ভোগীদের এ কার্ড বিতরণ করেন মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিন। এসময় তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধীদের স্বাবলম্বী করে তোলার চেষ্টা করছেন। তাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করছেন। প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজের একসময় বোঝা মনে করা হতো। কিন্তু তারাও আমাদের মতো মানুষ। বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য কাজ করছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নিয়াত আলী লালু, সাগরখালী এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফুল ইসলাম, কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সচিব কাঞ্চন কুমার, সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মাসুদ রেজা মাছেদ, উপজেলা সমাজসেবা অফিসের সমাজকর্মী আরিফুল ইসলামসহ সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্যরা।

কুষ্টিয়া মোকমে চালের বাজার ফের অস্থির হয়ে উঠছে

নিজ সংবাদ ॥ দেশের অন্যতম বৃহৎ চালের মোকাম কুষ্টিয়ার খাজানগরে বাড়ছে নিত্যপন্য চালের দাম। কুরবানীর ঈদের পর চালের বাজার উর্দ্ধগতি যেন থামছেই না। সর্বশেষ গত এক সপ্তাহে মিলগেটে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। ধানের দাম বাড়ার অজুহাতে বাজার সমন্বয় করা হয়েছে বলে দাবি মিলারদের। মিল গেটেই কেজি প্রতি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়। যা আগেও ছিল ৩৮ থেকে ৩৯ টাকা। আর মিনিকেট (সরু), আঠাশ, পায়জাম, কাজললতা ও বাসমতি চালের দামও নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। মিল মালিকরা বলছেন ধানের দাম বাড়ায় কেজি প্রতি সব চাল ২ থেকে ৩ টাকারও বেশি বেড়েছে। তবে খুচরা ব্যবসায়ীরা আরও বেশি দামে বিক্রি করছেন। মিলালরা জানান, ঈদের পর একদফা দাম বেড়ে বাজার স্থিতিশীল ছিল। গত এক সপ্তাহ আগে মিল গেটে ফের চালের দাম বেড়েছে। ধানের দাম এখন ১ হাজার ১০০ থেকে টাকা ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ কারনে মিল মালিকরাও দাম বাড়িয়েছেন। এদিকে গত কয়েকদিন ধরে মিলগেটে আঠাশ ও কাজললতা চাল প্রতিবস্তা (৫০ কেজি) ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাসমতি প্রতিকেজি ৬০ থেকে ৬২ টাকা আর মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৫৩ থেকে ৫৫ টাকায়। ঢাকা ও বাইরের ব্যবসায়ীরা মিল গেট থকে আরো ৩ থেকে ৪ টাকায় বেশি বিক্রি করছেন।

দৌলতপুরে ব্যবসায়ীকে হত্যার চেষ্টায় যুবক আটক

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে জাহাঙ্গীর আলম বাবু নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার চেষ্টায় জনতার হাতে হামলাকারী যুবক রানা আটক হয়েছে। পরে তাকে দৌলতপুর থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাত সোয়া ৭টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ভাগজোত কাষ্টমস্ মোড়ে এ ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, ভাগজোত কাষ্টমস্ মোড়ে বিকাশ ও মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বাবু’র (৪৫) ঘরে একই ইউনিয়নের মুন্সিগঞ্জ গ্রামের কালু বিশ^াসের ছেলে রানা (২৩) প্রবেশ করে। এসময় ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বাবুকে একা পেয়ে পেছন দিকে থেকে গলায় ফাঁশ দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। প্রাণে বাঁচতে বাবু চিৎকার দিলে পাশর্^বতী লোকজন ঘটাস্থলে ছুটে এসে বাবুকে উদ্ধার করে এবং হত্যা চেষ্টাকারী রানাকে আটক করে। পরে আহত ব্যবসায়ী বাবুকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং রানাকে দৌলতপুর থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়। আহত জাহাঙ্গীর আলম বাবু ভাগজোত এলাকার জান মহম্মদের ছেলে।

গাংনীতে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু

গাংনী প্রতিনিধি  ॥ মেহেরপুরের  গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের আযান গ্রামে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে আসিফ হোসেন (১৩) নামের এক স্কুল ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। স্কুল ছাত্র আসিফ মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের খোকসা গ্রামের হাসিবুল ইসলামের ছেলে। আসিফ আযান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় আযান গ্রামের জনৈক হায়দার আলীর পুকুর থেকে আসিফের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। স্থানীয়রা জানান বুধবার সকাল ১০টার দিকে আযান গ্রামের হায়দার আলীর পুকুরে স্থানীয় লোকজন মাছ ধরছিল। এসময় তাদের সাথে আসিফও মাছ ধরছিল। পুকুরের গভীর পানিতে আকস্মিক আসিফ ডুবে যায়। তাকে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে পানির তলদেশ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা আরো জানান পুকুরটির জলাকার বেশ বড়। তাই আসিফকে খুঁজতে বিড়াম্বনা হচ্ছিল। আসিফ হোসেনের মা আফরোজা খাতুন জানান বেশ কয়েক বছর আগে আসিফের বাবার সাথে আমার সংসার ছাড়াছাড়ি হয়। সে থেকে আমার বাবা ছিয়াম উদ্দীনের বাড়িতে একমাত্র সন্তান আসিফকে নিয়ে বসবাস করছিলাম। সকালে আসিফ পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে খোঁজাখুজি করে তার মৃত দেহ উদ্ধার করে গ্রামের লোকজন।

হরিনারায়ণপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের মতবিনিময় সভায় এমপি হানিফ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিলো বাংলাদেশের কোন মানুষ না খেয়ে থাকবে না

রেজা আহাম্মেদ জয় ॥ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিলো বাংলাদেশের কোন মানুষ না খেয়ে থাকবে না। এদেশ হবে সোনার বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পুরন করতে বাংলাদেশে সঠিক ভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ। কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিনারায়ণপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনের সাংসদ মাহাবুবউল আলম হানিফ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কৃষি উন্নয়নে যেসব উন্নয়ন হয়েছে সবই আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে। উল্লেখ্য করে বলেন, গত ১০ বছর আগে কৃষকেরা বিঘা প্রতি ঘরে ধান উঠাতো ৬-৭ মন, বর্তমান সময়ে ২০-২৫ মন ধান হয় প্রতি বিঘায়। তিনি আরো বলেন, গ্রামগঞ্জের রাস্তা কাঁচা ছিলো বৃষ্টির সময় মানুষ বাইরে বের হতে পারতো না। বর্তমান সময়ে মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থার জন্য রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য। দেশের উন্নয়নে কাজ করে চলেছে সরকার। গ্রামে সকলকে শান্তি পূর্ণভাবে বসবাস করার আহব্বান করেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সাংসদ সেলিম আলতাব জর্জ। কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী। জেলা আওয়ামীলীগের সদ্য সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক প্রকৌশলী ফারুকউজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ হাসান মেহেদী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আমজাদ হোসেন রাজু, নির্বাহী সদস্য মাযহারুল আলম সুমন। শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি তাইজাল আলী খাঁন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আতাউর রহমান আতা, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল হক, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মমীন মন্ডল, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. গোলাম রসুল, হরিনারায়ণপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি ডা. তাপস কুমার সরকার, সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজু, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক আনিচুর রহমান আনিচ, যুগ্ম আহবায়ক সজিবুল ইসলাম সহ আওয়ামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বুধবার বিকেল ৩ঘটিকা হরিনারায়ণপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আয়োজনে বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান মহি উদ্দিন মন্ডল, সার্বিক পরিচালনা করেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, হরিনারায়ণপুর বালিকা বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি ড. আনিচুর রহমান ও প্রধান শিক্ষক একরামুল হোসেন, বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম ফারুক, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল ও সাধারন সম্পাদক ইমন প্রমূখ। বক্তারা বলেন, আমরা কুষ্টিয়াবাসী যদি মাহাবুবউল আলম হানিফ এমপিকে না পেতাম তাহলে কুষ্টিয়ার যে সব উন্নয়ন হয়েছে সেসব উন্নয়ন সারাজীবন সপ্ন রয়ে যেতো। কুষ্টিয়ার উন্নয়নের চিত্র দেখলে কুষ্টিয়াবাসীর মনে পড়বে এমপি হানিফ এর কথা। গ্রামের প্রতিটি রাস্তাঘাট-কালভার্ট তৈরী করন। সন্ত্রাসীদের ভয়ে গ্রামের মানুষ আগে ভয়ে রাস্তায় বের হতে পারতো না, শহরের মানুষ চাঁদাবাজদের জন্য রাতে বের হতে ভয় পেতো, বর্তমানে মানুষ শান্তিপূর্ণ ভাবে চলাফেরা করতে পারে এমপি হানিফ এর জন্য। তিনি গ্রামের মানুষের মাঝে শুধু শান্তি দেখতে চান এবং আপনাদের সমস্যা গুলো শুনতে, সমাধান করতে এই মহামারী করোনা কালীন সময়ে ছুটে এসেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বিদায়ী সাক্ষাৎ রোববার

ঢাকা অফিস ॥ আগামী ১ অক্টোবর ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছেন ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস। এর আগে আগামী রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। তার আগে আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এবং সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বিদায়ী বৈঠক হওয়া কথা রয়েছে এই বিদায়ী হাইকমিশনারের। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ-ভারত পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের জয়েন্ট কনসালটেটিভ কমিশনের (জেসিসি) ভার্চুয়াল বৈঠক হবে। পরদিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে ভারতীয় দূতের বিদায়ী বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) পদে পদোন্নতি পেয়ে আগামী ১ অক্টোবর নয়াদিল্লি ফিরে যাচ্ছেন। এখানে দেড় বছরের মতো ছিলেন তিনি।

ক্লাস চালু করা গেলে শিক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মূল্যায়নের পরামর্শ

ঢাকা অফিস ॥ করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রম। কবে খোলা হবে তাও অনিশ্চিত। এ কারণে সিলেবাস সম্পন্ন না হওয়ায় চলতি বছরের শিক্ষাবর্ষ পিছিয়ে যাচ্ছে। তবে ক্লাস চালু করা গেলে শিক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মূল্যায়নের পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণের চিন্তাভাবনা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এখনো অটোপাস বা অটো প্রমোশনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। একেবারেই কোনো পরিস্থিতিতে পাঠ সম্পন্ন করে মূল্যায়নের সুযোগ না থাকলে বিকল্প চিন্তা হবে অটোপাস। তবে এখনি সেটি করতে প্রস্তুত নয় সরকার। শিক্ষাবিদরা বলছেন, একেবারে শেষ উপায় হিসেবে অটো প্রমোশনের বিষয়টি থাকতে পারে। শুরুতে শিক্ষার্থীদের জন্য ক্লাস চালু করা গেলে সংক্ষিপ্ত উপায়ে একটি মূল্যায়ন পরীক্ষা নেয়া যেতে পারে। আর যদি খোলা না যায় তাহলে পূর্বের ক্লাসগুলোতে শিক্ষার্থীর অবস্থান বিবেচনায় রাখা যেতে পারে। এ ব্যাপারে শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির সদস্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. একরামুল কবির বলেন, অটোপাস দিলে শিক্ষাক্ষেত্রে প্রভাব পড়বে। দেখা যাবে একজন শিক্ষার্থী অষ্টম শ্রেণি পাসের যোগ্য নয়, কিন্তু সে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হলো। আবার কেউ নবম থেকে দশমে উঠলো। কিন্তু সে মূল পাবলিক পরীক্ষায় নিজেকে কোয়ালিফাই করতে পারছে না। এতে করে নিচের ক্লাসগুলোর চেয়ে উপরের ক্লাসগুলোতে প্রভাব বেশি পড়বে। কারণ নিচের ক্লাসগুলোতে অটোপাস দিলেও শিক্ষার্থী নিজেকে তৈরি করে নিতে পারবে। কিন্তু অষ্টম থেকে উপরের ক্লাসগুলোতে এর প্রভাব বেশি থাকবে। এতে করে পাবলিক পরীক্ষায় ফেলের সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করেন এই শিক্ষাবিদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, শিক্ষার্থীদের একেবারে অটোপাসের মধ্য দিয়ে ছেড়ে দেয়া উচিত হবে না। যতটুকু সম্ভব বিকল্প ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। যদি কিছুদিনের জন্য হলেও প্রতিষ্ঠান খোলা যায় তাহলে তাদের সব বিষয় না হলেও মেজর কিছু সাবজেক্ট ধরে সংক্ষিপ্ত পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের মূল্যায়ন করা যায়। তবে প্রতিষ্ঠান একেবারেই খোলা না গেলে তখন অবশ্যই অটোপাসের চিন্তা করতে হতে পারে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর আগের ক্লাসগুলোতে তার অবস্থান বিবেচনায় রাখতে হবে। এ ছাড়া মূল্যায়নের জন্য সাক্ষাৎকারের মাধ্যমও রাখা যেতে পারে। শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, পুরো বিশ্ব এখন পরিস্থিতির শিকার। সরকার এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা যাতে ঝুঁকিতে না পড়ে সে বিষয়ে যথেষ্ট চেষ্টা করছে। এইচএসসি বিষয়ে এখনো অনেক চিন্তাভাবনা করতে হচ্ছে। পিইসি, জেএসসি বাতিল করেছে। পরিস্থিতি যদি এমন হয় যে একেবারেই নিয়ন্ত্রিত নয়, তাহলে অটোপাসের বিকল্প নেই। তবে এ ক্ষেত্রে বিকল্প এসেসমেন্টের সুযোগ থাকলে অবশ্যই সেটি গ্রহণ করা যেতে পারে। যেমন- মূল বিষয়গুলো আলাদা করে সংক্ষিপ্ত পরীক্ষা নেয়া, সার্বিক বিষয়ের ওপর মূল্যায়ন ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, পরিবেশ পরিস্থিতি অনুকূলে না আসলে অটোপাস দিতে পারে। সরকার সর্বশেষ স্তর হিসেবে এ সিদ্ধান্তে যেতে পারে। কিন্তু পরবর্তীতে যখন শিক্ষার্থী পরের ক্লাসে ভর্তি হবে তখন তার জন্য একটা অ্যাসেসমেন্টের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। যেটি ভর্তি পরীক্ষা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন স্কুলে নেয়া হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে তাকে মূল্যায়ন করা যায়। এটি শিক্ষার্থীর খুব বেশি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে না।

 

সৌদি প্রবাসীদের বিশৃঙ্খলা না করার অনুরোধ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ঢাকা অফিস ॥ সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য আন্দোলনরত প্রবাসীদের বিশৃঙ্খলা না করার অনুরোধ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। গতকাল বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ অনুরোধ করেন। আন্দোলনরত প্রবাসীদের উদ্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনাদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা বিশৃঙ্খলা করবেন না। আমরা সৌদি সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। সৌদি সরকার এ ধরনের কর্মকান্ড পছন্দ করে না। তবে শান্ত থাকলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব। রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের গেটের বাইরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন সৌদি প্রবাসীরা। তাদের দাবি, অবিলম্বে ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে তাদের বিমানের টিকিটের ব্যবস্থা করা। সৌদি অ্যারাবিয়া এয়ারলাইন্স টিকিট বিক্রি সংক্রান্ত সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করায় মঙ্গলবারের মতো গতকাল বুধবার সকালেও কারওয়ান বাজারে সাউদিয়া কার্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভ করেন প্রবাসীরা। সেখান থেকেই বিক্ষোভকারীদের একাংশ ইস্কাটন গার্ডেনের প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনের সড়কে অবস্থান নেয়।

রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারে সীমিত পরিসরে আদালত বসতে পারে বাংলাদেশে

ঢাকা অফিস ॥ রোহিঙ্গা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের সম্ভাব্য বিচারে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) বসাতে চায় আইসিসির নিবন্ধক দফতর। বিচার প্রক্রিয়ার এক থেকে পাঁচ দিনের আনুষ্ঠানিকতা বাংলাদেশে করার বিষয়ে পাঁচটি প্রেক্ষাপট ধরে নিয়ে নিজেদের পর্যবেক্ষণ আইসিসির কাছে তুলে ধরেছে তারা। গত ২১ সেপ্টেম্বর আইসিসির নিবন্ধক পিটার লিউইসের পক্ষে জুডিশিয়াল সার্ভিস বিভাগের পরিচালক মার্ক ডুবিসন দ্য হেগে আইসিসির প্রাক-বিচারক আদালত-৩-এ তাদের পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করেন। রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগের আনুষ্ঠানিক তদন্ত চালাচ্ছে আইসিসির কৌঁসুলির দফতর। এখনও বিচার শুরু বা শুরুর সিদ্ধান্ত না হলেও বিচারের সম্ভাবনাকে ঘিরে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রস্তুতি চলছে। গত মাসে রোহিঙ্গাদের পক্ষের দুটি আইনজীবীদল রোহিঙ্গা জেনোসাইডের সম্ভাব্য বিচার হেগের পরিবর্তে কক্সবাজারে বা আশ্রিত রোহিঙ্গাদের কাছাকাছি কোনো স্থানে করার আবেদন করে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসির সব কার্যক্রম সাধারণত চলে নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে। কিন্তু এই প্রথম এরকম কোনো উদ্যোগ নেয়া হলো, যেখানে ভিক্টিম বা নির্যাতিতদের শুনানির জন্য আদালতকেই অন্য কোনো দেশে বসানোর আবেদন জানানো হয়েছে। মিয়ানমারকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর জন্য যে তদন্ত প্রক্রিয়াধীন, সেখানে এই দুটি ঘটনাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনজীবীরা। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের হত্যা-নিপীড়নের অভিযোগে যে শুনানি হওয়ার কথা, ওই আদালত যেন অন্য কোনো দেশে বসিয়ে শুনানি করা হয় সেরকম একটি আবেদন পেশ করা হয় গত মাসে। আবেদনটি করেন রোহিঙ্গাদের পক্ষে কাজ করছে এমন তিনটি ‘ভিকটিম সাপোর্ট গ্র“পরে আইনজীবীরা। তারা এমন একটি দেশে এই শুনানির অনুরোধ জানিয়েছেন, যেটি নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গাদের কাছাকাছি কোনো দেশে হবে। আবেদনে দেশের কথা উল্লেখ না থাকলেও, আইসিসি এই আবেদনের অগ্রগতির যে বিবরণী প্রকাশ করে তাতে এই দেশটি ‘সম্ভবত বাংলাদেশ’ বলে উল্লেখ করা হয়। এই অনুরোধের প্রেক্ষিতে আইসিসির তিন নম্বর ‘প্রি ট্রায়াল চেম্বার’ আদালতের রেজিস্ট্রি বিভাগকে আদেশ দিয়েছে, হেগ থেকে অন্য কোনো দেশ, যেমন বাংলাদেশে আদালতের কার্যক্রম সরিয়ে নেয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করতে। ২১ সেপ্টেম্বরের আগে এই সম্ভাব্যতা যাচাই করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়। আইসিসির নিবন্ধকের দফতর গত ২১ সেপ্টেম্বর আদালতকে পাঁচটি প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনে বাংলাদেশে ‘ফিজিবিলিটি মিশন’ (সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সফর) করার কথা জানিয়েছে। আদালতে উত্থাপিত পর্যবেক্ষণে নিবন্ধকের দফতর বলেছে, বাংলাদেশের ভূখ-ে আদালতের কাজকে সহায়তা করতে নিবন্ধকের দফতর বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আইনি ব্যবস্থা চূড়ান্তে কাজ করছে। এ ধরনের ব্যবস্থা চূড়ান্ত করতে কয়েক মাস লাগতে পারে। বাংলাদেশ এখনো আইসিসি সদস্যদের সুবিধা ও দায়মুক্তি দেয়ার চুক্তি সই করেনি। বাংলাদেশে আসবেন এমন আইসিসির কর্মীদের সুবিধা ও দায়মুক্তি দিতে নিবন্ধকের দফতর বাংলাদেশকে অনুরোধ জানিয়েছে।

করোনা মেট্রোরেলের সবকিছু ওলট-পালট করে দিয়েছে ঃ কাদের

ঢাকা অফিস ॥ মহামারি করোনাভাইরাস মানুষের জীবনের মতো মেট্রোরেলেরও সবকিছু ওলট-পালট করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গতকাল বুধবার তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেট্রোরেল প্রকল্পের উদ্যোগে নির্মিত ফিল্ড হাসপাতাল উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, নতুন নতুন সংকট শুরু হয় এ প্রকল্পে, সমাধানের জন্যও পথ খোঁজা হয়। এই মহামারিতে মেট্রোরেলের সাথে সংশ্লিষ্টদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হাসপাতাল নির্মাণসহ নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রকল্পে অধিকাংশ জাপান ও থাইল্যান্ডের প্রকৌশলী পরামর্শকরাই কাজ করছেন। তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টদের করোনা শনাক্ত হলে কিংবা উপসর্গ থাকলে প্রকল্প এলাকায় কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি করোনাকালে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রকল্প এলাকায় আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা দীর্ঘায়িত হতে পারে এমন বিবেচনায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ কর্মীদের জন্য দুটি ফিল্ড হাসপাতাল নির্মাণ করেছে। উত্তরার পঞ্চবটী কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে ১৪ শয্যাবিশিষ্ট এবং গাবতলীর কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে ১০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে। আইসিইউ সুবিধাসহ সব সুবিধাই রাখা হয়েছে। দেশে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য হাসপাতাল নির্মাণের নজির এই প্রথম। সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকা মহানগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার যানজট নিরসন এবং গণপরিবহনের সক্ষমতা বাড়াতে ৬টি মেট্রোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এর আওতায় নির্মাণ করা হবে ১ শত ২৮ কিলোমিটার রুট, যার ৬৭ কিলোমিটার হবে উড়াল পথে এবং ৬১ কিলোমিটার হবে পাতাল পথে। প্রকল্পের জনশক্তিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনায় আক্রান্ত হলে নিজেদের জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলার অংশ হিসেবে ফিল্ড হাসপাতাল দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রকল্পে যারা কাজ করছেন এতে তাদের মনোবল বৃদ্ধি পাবে এবং কাজের গতিও বাড়বে। এ সময় অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক ও প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

৪ অক্টোবর থেকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু

ঢাকা অফিস ॥ আগামী ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত দু’সপ্তাহব্যাপী ধাপে ধাপে সারা দেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন চলবে। গতকাল বুধবার জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের লাইন ডিরেক্টর ডা. এস এসএম মুস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান। তিনি জানান, সারা দেশে ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো হবে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। প্রথম সপ্তাহের কার্যক্রম ৪ অক্টোবর রোববার থেকে শুরু হবে। তবে প্রতি সপ্তাহে যেসব কেন্দ্রে ইপিআর টিকার কার্যক্রম থাকবে, সেসব কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বন্ধ থাকবে। সেই হিসাবে প্রতি সপ্তাহে চারদিন করে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন চলবে।

কুষ্টিয়া সড়ক বিভাগের আয়োজন

২০১৯-২০ অর্থবছরে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ কামারুল আরেফীনকে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া সড়ক বিভাগের আয়োজনে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ভালো কাজের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় কুষ্টিয়া সড়ক বিভাগের হলরুমে এই কার্যক্রমের সভাপতিত্ব করেন সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানিমুল হক। এসময় প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া সড়ক সার্কেল (সওজ) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাসুদ করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পিয়াস কুমর সেন, দুলাল চন্দ্র বিশ^াস। সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন- স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তার সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দক্ষ নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধশালী উন্নয়নশীল দেশ গড়ার প্রত্যয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার সঠিক দিক নির্দেশনায় আমরা কুষ্টিয়া সড়ক বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী অক্লান্ত পরিশ্রম করে কুষ্টিয়া জেলার উন্নয়নে অঙ্গিকারবদ্ধ। সড়ক বিভাগের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ভালো কাজের অংশ হিসেবে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের ৬টি ক্যাটাগরীতে ছয়জনকে স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। এদের মধ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জহিরুল লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলামকে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করেন এদিকে মঈনুদ্দিন (বাশি) লিমিটেড-এর স্থানীয় প্রতিনিধি পিএমপি (মাইনার) কাজ যথাযথ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করায় (কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান) কামারুল আরেফীনকে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন (সওজ) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম, শায়লা আক্তার, হাবিবুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী প্রকাশ চন্দ্র বিশ^াসসহ সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

কুষ্টিয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ফেন্সিডিলসহ ২ জন গ্রেফতার

নিজ সংবাদ ॥ গতকাল বুধবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানাধীন মহিষাকুন্ডি এলকায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুষ্টিয়া‘র একটি টিম অভিযান চালিয়ে ৭০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মোহাম্মদ সাহেব আলী (৩২), পিতা-মোঃ আব্দুর রহমান, সাং-মিলপাড়া ১০নং ওয়ার্ড ও মোসাঃ সাহিদা খাতুন(৪০), পিতা-মৃত ইউসুফ মন্ডল, স্বামী-মোঃ রাসেল, সাং-কুমারগাড়া ২০নং ওয়ার্ড, উভয় থানা ও জেলা-কুষ্টিয়াদ্বয়কে গ্রেফতার করে। এ সংক্রান্তে দৌলতপুর থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

কুষ্টিয়া মোকমে চালের বাজার ফের অস্থির হয়ে উঠছে

নিজ সংবাদ ॥ দেশের অন্যতম বৃহৎ চালের মোকাম কুষ্টিয়ার খাজানগরে বাড়ছে নিত্যপন্য চালের দাম। কুরবানীর ঈদের পর চালের বাজার উর্দ্ধগতি যেন থামছেই না। সর্বশেষ গত এক সপ্তাহে মিলগেটে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। ধানের দাম বাড়ার অজুহাতে বাজার সমন্বয় করা হয়েছে বলে দাবি মিলারদের। মিল গেটেই কেজি প্রতি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়। যা আগেও ছিল ৩৮ থেকে ৩৯ টাকা। আর মিনিকেট (সরু), আঠাশ, পায়জাম, কাজললতা ও বাসমতি চালের দামও নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। মিল মালিকরা বলছেন ধানের দাম বাড়ায় কেজি প্রতি সব চাল ২ থেকে ৩ টাকারও বেশি বেড়েছে। তবে খুচরা ব্যবসায়ীরা আরও বেশি দামে বিক্রি করছেন। মিলালরা জানান, ঈদের পর একদফা দাম বেড়ে বাজার স্থিতিশীল ছিল। গত এক সপ্তাহ আগে মিল গেটে ফের চালের দাম বেড়েছে। ধানের দাম এখন ১ হাজার ১০০ থেকে টাকা ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ কারনে মিল মালিকরাও দাম বাড়িয়েছেন। এদিকে গত কয়েকদিন ধরে মিলগেটে আঠাশ ও কাজললতা চাল প্রতিবস্তা (৫০ কেজি) ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাসমতি প্রতিকেজি ৬০ থেকে ৬২ টাকা আর মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৫৩ থেকে ৫৫ টাকায়। ঢাকা ও বাইরের ব্যবসায়ীরা মিল গেট থকে আরো ৩ থেকে ৪ টাকায় বেশি বিক্রি করছেন।

নির্বাহী পরিষদকে না জানিয়ে সভাপতির ভাইয়ের ছেলে ও স্ত্রীর নামে অর্ধেক জমি রেজিষ্ট্রি

কুষ্টিয়ায় নাট্য সংগঠন পরিমল থিয়েটারের ২০ কোটি টাকার নিজস্ব মালিকানা সম্পত্তি জালিয়াতি করে বিক্রি

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ায় শহরের বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত শত বছরের পুরাতন ঐতিহ্যবাহি নাট্য সংগঠন পরিমল থিয়েটারের প্রায় ২০ কোটি টাকার নিজস্ব মালিকানা সম্পত্তি জালিয়াতি করে বিক্রি করে দিয়েছে একটি প্রভাবশালী চক্র। কোন সদস্য এমনকি নির্বাহী পরিষদকে না জানিয়ে ভুয়া রেজুলেশন তৈরী করে সভাপতির ভাইয়ের ছেলে ও নিজের স্ত্রীর নামে অর্ধেক জমি রেজিষ্ট্রি করে দিয়েছে জালিয়াতি চক্রের হোতা ও পরিমল থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের। সদস্যদের অভিযোগ, বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে নির্বাচিত কমিটিকে হঁটিয়ে রাতের আধারে দখলে নেয়া কমিটির দুই নেতা জালিয়াতি করে ওই জমিতে ১০তলা বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করেছে। সেই ভবন নির্মানেও চলেছে হরিলুট। নির্মাণ ব্যয় থেকে শুরু করে দোকান ঘর বিক্রিতে আত্মসাত করা হয়েছে কোটি কোটি টাকা।

সভাপতির অভিযোগ, সাধারণ সদস্য দূরের কথা আমি সভাপতি নিজেই একটি ইটের হিসাবও জানি না। সবই করেছে দুইজন মিলে। এখানে কাউর কোন কথা বলার সুযোগ ছিল না। শহরের নিয়ন্ত্রক হওয়ায় এদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। দেশের ঐতিহ্যবাহি নাট্য থিয়েটারের এমন দশায় ক্ষুদ্ধ জেলার সাংস্কৃতি ব্যক্তিরা।

পরিমল থিয়েটারের প্রবীণ সদস্যরা জানান, সাংস্কৃতির রাজধানী হিসেবে পরিচিত কুষ্টিয়ার শিল্প-সাহিত্য বাঁচিয়ে রাখতে ১৯১২ সালে জেলার কিছু সাংস্কৃতি ব্যক্তিরা পরিমল থিয়েটার স্থাপনের উদ্যোগ নেন। শহরের প্রাণ কেন্দ্র এনএস রোডে ১৯ শতক জায়গায় ওপর গঠে তোলা হয় বিশাল থিয়েটার ভবন। সেখানে নিয়মিত চলতো সাংস্কৃতি চর্চা। অভিনেতা রাজু আহমেদ, আহমেদ শরীফ, মিজু আহমেদ, কায়েস ও সুজাতা এবং গায়ক আব্দুর জব্বার, খালেদ হোসেন, ফরিদা পারভীন, সোহরাব হোসেন, আনোয়ার উদ্দিন ও নার্গীস পারভীন ছাড়াও অসংখ্য অভিনেতা-অভিনেত্রী, গায়ক-গায়িকা, কবি সাহিত্যিক এই পরিমল থিয়েটার থেকে উঠে এসেছেন। তাই প্রভাবশালীদের দখল থেকে দেশের ঐতিহ্যবাহি থিয়েটারকে সাংস্কৃতি ব্যক্তিদের ফিরিয়ে দেয়ার দাবি সাংস্কৃতি কর্মীদের।

জেলা রেজিষ্ট্রি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই দুটি দলিলের মাধ্যমে পরিমল থিয়েটারের ১৯ শতক ৩৭ পয়েন্ট জমির মধ্যে প্রায় ১০ শতক জমি দুজনের নামে রেজিষ্ট্রি করে দেন সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের। যার দলিল নং ৬৯৫৩/১৪ এবং ৬৯৫৪/১৪। এরমধ্যে প্রথম দলিলে থিয়েটারের উপদেষ্টা ও ভাতিজা শেখ সাজ্জাদ হোসেন সবুজের নামে ৮শতক ৭১ পয়েন্ট এবং দ্বিতীয় দলিলে নিজের স্ত্রী মোছা: আয়েশা খাতুনের নামে ৯৭ পয়েন্ট জমি রেজিষ্ট্রি করে দেন সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের। দলিলে সনাক্তকারী ছিলেন থিয়েটারের সভাপতি সানোয়ার উদ্দিন রিন্টু। দলিলের ৬নং পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে পরিমল থিয়েটারের ২০১৪ সালের ১১ জুলাই বার্ষিক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে থিয়েটারের জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। সেই রেজুলেশনের কপিও দলিলের সাথে জমা দেয়া হয়েছে।

তবে থিয়েটারের বর্তমান সভাপতি সানোয়ার উদ্দিন রিন্টু বলেন, জমি রেজিষ্ট্রির সময় আমি গুরুত্বর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম। হাসপাতালের বেডে শুয়া অবস্থায় সাধারণ সম্পাদক তাহের ও উপদেষ্টা সবুজ দুইটা দলিল নিয়ে যেয়ে আমাকে স্বাক্ষর করতে বলে। আমি স্বাক্ষর দিতে না চাইলে অনেকটা জোরপূর্বক আমার কাছ স্বাক্ষর নেয়া হয়।

সভাপতি আরো বলেন, পরিমল থিয়েটারের কোন বার্ষিক সাধারণ সভায় জমি বিক্রয়ের কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। দলিল রেজিষ্ট্রির সময় যে রেজুলেশন জমা দেয়া হয়েছে সেটি জাল রেজুলেশন। আমার স্বাক্ষর জাল করে রেজুলেশন জমা দেয়া হয়েছে।

বর্তমান কমিটির সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল হক মতিন বলেন, এসব বিষয় আমি কিছুই জানি না। কবে সাধারণ সভা হয়েছে, কবে জমি রেজিষ্ট্রি হয়েছে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। শত বছরের পুরাতন ঐহিত্যবাহি পরিমল থিয়েটার ভেঙ্গে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সব কিছুই শুধু দেখছি, কিন্তু কোন কিছুর সাথে আমি সম্পৃক্ত না। আসলে নামেমাত্র আমি কমিটিতে আছি।

সাধারণ সদস্যদের অভিযোগ, ১০তলা বাণিজ্যিক ভবন নির্মানেও কোটি কোটি টাকা হরিলুট করেছে সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের। ৩০ লাখ টাকার দোকানের পজিশন বিক্রয় দেখানো হয়েছে মাত্র ১৮ লাখ টাকায়। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার প্রায় শতাধিক দোকানের পজিশন নির্বাহী কমিটির কোন অনুমোদন ছাড়া সাধারণ সম্পাদক নিজের ইচ্ছামত বিক্রয় করেছেন। কেউ না জানলেও ভবন নির্মানে ব্যয় দেখানো হয়েছে প্রায় ১৭ কোটি টাকা। কিভাবে কমিটির অনুমোদন ছাড়া ১৭ কোটি টাকা ব্যয় করলো এমন প্রশ্ন তুলেছেন খোদ নির্বাহী কমিটির বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা।

পরিমল থিয়েটারের বর্তমান কমিটির এক কর্মকর্তা বলেন, ২০১৩ সালের জানুয়ারী হতে ২০১৭ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত আয়-ব্যয়ের একটি হিসাব নিরীক্ষা করিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের। সেখানে আয় দেখানো হয়েছে ১৯ কোটি ২৪ লাখ ৯শ’ টাকা। আর ব্যয় দেখানো হয়েছে ১৭ কোটি ৮৯ লাখ ৫শ’ টাকা। এছাড়া ফ্লোর বিক্রয় বাবদ ৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ৪ বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাবটি নিরীক্ষা করেছেন শহর সমাজ সেবা কর্মকর্তা কাজী কাদের মোহা: ফজলে রাব্বি। তিনি নিরীক্ষণের ২নং পয়েন্টে বলেন, নিরীক্ষণকালে দেখা যায়, কোন ক্যাশবহি লিপিবদ্ধ করা হয়নি। দ্রুত ক্যাশ বহি এবং অন্যান্য রেকর্ডপত্র নিয়মমাফিক লিপিবদ্ধ এবং সংরক্ষণ করতে বলা হয়।

জানা যায়, নির্বাচিত কমিটি শত বছর ধরে থিয়েটারটি পরিচালনা করে আসছিল। ২০১২ সাল পর্যন্ত নির্বাচিত কমিটির সভাপতি ছিলেন কুষ্টিয়া সদর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড. অ.স.ম আখতারুজ্জামান মাসুম ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সাংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব মতিউর রহমান মতি। রাতের আধারে বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে নির্বাচিত ওই কমিটিকে হঁটিয়ে পরিমল থিয়েটার দখলে নেয় সেসময় শহরের ত্রাস ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সবুজ। তিনি হন থিয়েটারের উপদেষ্টা। তারই আরেক সেনাপতি আবু তাহেরকে সাধারণ সম্পাদক করে রাতারাতি ২১সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। সে সময় তাদের ওপর ছিল পুরো শহরের নিয়ন্ত্রণ। প্রশাসন থেকে শুরু করে নেতাদের আস্থাভাজন ছিলেন তারা। তাই ভয়ে থিয়েটারের তিন শতাধিক সদস্যের কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। সাবেক যুগ্ম সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম বলেন- সন্ত্রাসীদের থাবায় দেশের ঐতিহ্যবাহি নাট্য সংগঠনটি হারিয়ে গেছে। থিয়েটারটি এখন বহুতল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান।

সাবেক সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি বলেন, জমি আত্মসাত করতে নির্বাচিত কমিটিকে হঁটিয়ে রাতারাতি দেশের ঐতিহ্যবাহি নাট্য সংগঠনটির দখল নেয় প্রভাবশালীরা। জালিয়াতি করে থিয়েটারের শত বছরের পুরাতন নিজস্ব সম্পত্তি বিক্রি করেই ওরা খ্যান্ত হয়নি। ৮ বছরে বহুতল ভবন নির্মাণের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

আচরণবিধি মানতে নির্বাচন কমিশনের কঠোর নির্দেশনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ আগামী ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাচন সামনে রেখে চলছে দুই পক্ষের তুমুল প্রচার-প্রচারণা। কাজী মো. সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদ এবং শেখ মোহাম্মদ আসলামের নেতৃত্বাধীন সমন্বিত পরিষদ ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছে। কাজী মো. সালাউদ্দিন বিরোধীরা ইতিমধ্যেই দেশের কয়েকটি বিভাগে গিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন। তবে ইশতেহার ঘোষণার পর থেকে সম্মিলিত পরিষদ ঢাকাতেই তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছে। প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে মঙ্গলবার ক্লাবের ভোটারদের সঙ্গে বসেছিলেন কাজী সালাউদ্দিন-সালাম মুর্শেদীরা। বুধবার বসেছিলেন জেলার ভোটারদের সঙ্গে। শেখ মোহাম্মদ আসলাম তার প্যানেলের সবাইকে নিয়ে আলোচনা করেছেন। বুধবার সম্মিলিত পরিষদের প্যানেল পরিচিতি ও ইশতেহার ঘোষণার কথা থাকলেও তা হয়নি। এই পরিষদের নেতা সিনিয়র সহসভাপতি প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আসলাম জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, তারা ১ অক্টোবর প্যানেল পরিচিতি ও নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠান করবেন। এদিকে ভোট সামনে রেখে দুই পক্ষের মধ্যে কিছুটা কাদা ছোঁড়াছুড়ি শুরু হওয়ায় নির্বাচন কমিশন আচারণবিধি মানতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রার্থীদের। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দীন সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাফুফে নির্বাচন বিধিমালার ৭(৭) ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারণা সংক্রান্ত বিধিসমূহ লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ দুইদিন আগে কাজী মো. সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি প্রার্থী আবদুস সালাম মুর্শেদী বিভিন্ন লিগের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রতিপক্ষ প্রার্থীকে উদ্দেশ্য করে বক্তব্য দিয়েছেন, যা নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত পৌঁছালে তারা একটি নোটিশ ইস্যু করেছে। নির্বাচনকে শতভাগ নিরপেক্ষ এবং বিতর্কমুক্ত রাখতে কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিশনের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার নির্বাচনের ভেন্যু প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল পরিদর্শন করেছে। ওই সময় কমিশন প্রধান মেজবাহ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ হয় এমন কোনো কার্যকলাপ না করতে আমরা সকল প্রার্থীকে অনুরোধ জানাচ্ছি। এমন কিছু ঘটলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’