সিঙ্গাপুরে ফিরে গেলেন ড. বিজন কুমার শীল

ঢাকা অফিস ॥ করোনাভাইরাস শনাক্তে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের র‌্যাপিড টেস্টিং কিট উদ্ভাবক দলের প্রধান অণুজীব বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুরে ফিরে গেছেন। গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ৭টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম প্রধান মিন্টু জানান, বিজন কুমার শীল সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব নেওয়ায় বাংলাদেশে কাজ করার জন্য এখন তার ওয়ার্ক পারমিট প্রয়োজন হয়। গত জুলাইয়ে তার পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। পরে মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করা হলেও তাতে প্রক্রিয়াগত জটিলতা দেখা দেয়। তিনি বলেন, ভিসা জটিলতার কারণে তাকে সিঙ্গাপুরে ফিরে যেতে হয়েছে। তবে শিগগিরই তিনি আবার বাংলাদেশে ফিরে আসবেন বলে যাওয়ার আগে আশা প্রকাশ করেছেন। ড. বিজন কুমার শীলের জন্ম নাটোরের বনপাড়ায়। তার স্ত্রী ও দুই সন্তান সিঙ্গাপুরে থাকেন। ২০০২ সালে সিঙ্গাপুরের সিভিল সার্ভিসে যোগ দেওয়ার সময় সেখানকার নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব নিয়েছিলেন তিনি। ২০০৩ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সার্স ভাইরাস প্রতিরোধের গবেষণায় সিঙ্গাপুর সরকারের একজন বিজ্ঞানী হিসেবে ভূমিকা রেখেছিলেন ড. বিজন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সঙ্কটের শুরুর দিকে যখন কিট সঙ্কট প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছিল, তখন দেশীয় প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালসের পক্ষে কোভিড-১৯ রোগ শনাক্তে র‌্যাপিড কিট (জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট কিট) উদ্ভাবনের খবর দেন তিনি। কিন্তু ‘মানোত্তীর্ণ’ হয়নি বলে সেই কিটের অনুমোদন দেয়নি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

 

আলমডাঙ্গায় দুটি আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে অভিযানে জরিমানা  

আলমডাঙ্গা অফিস ॥ জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ আলমডাংগা উপজেলার আলমডাংগা বাজারে দুটি আইসক্রিম ফাক্টারিতে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গতকাল দুপুরে অভিযানে ভ্রাম্যমান মাছ বাজারের পাশে মেসার্স শফি বরফকলে অনুমোদনহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম  তৈরি এবং মেয়াদ মুল্য না লেখার অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৩৭,৪৩ ধারায় ৫ হাজার টাকা ও হাজি মোড়ে শহিদুল ইসলামের মেসার্স জে পি আইসক্রিম ফ্যাক্টরিকে একই  অপরাধে ৩৭,৪৩ ধারায় ১০ হাজার  টাকা। দুটি প্রতিষ্ঠানে  ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তা ছাড়া এসময় দুটি ফ্যাক্টরি থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদকৃত প্রায় ৭০ হাজার  টাকার আইসক্রিম ধ্বংস করা হয় যার বেশিরভাগই হয়তো ছোট শিশুদের পেটে যেত। দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিক ভবিষ্যতে আর এধরণের কাজ না করার জন্য প্রতিশ্র“তি দেন। অন্যদিকে বাসস্ট্যান্ডে ফলের দোকানসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয় এবং সবাইকে মুল্য তালিকা প্রদর্শন ও ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ করতে বলা হয়।

সাবেক ওসি প্রদীপের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ আদালতের

ঢাকা অফিস ॥ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) (সাময়িক বরখাস্ত) প্রদীপ কুমার দাশের সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিনের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে মহানগর সিনিয়র স্পেশাল দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন দুদকের আইনজীবী কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু। অ্যাডভোকেট কাজী সানোয়ার আহমেদ লাভলু বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিনের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে মহানগর সিনিয়র স্পেশাল দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত আসামি প্রদীপ কুমার দাশের সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন। এর আগে আজ সোমবার দুপুরে প্রদীপ কুমার দাশের জামিন শুনানি হলে মহানগর সিনিয়র স্পেশাল দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন। এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর মহানগর সিনিয়র স্পেশাল দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত দুদকের মামলায় প্রদীপ কুমার দাশকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।  গত ২৩ আগস্ট প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকি কারণের বিরুদ্ধে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দীন। এ মামলায় ২৭ আগস্ট মহানগর সিনিয়র স্পেশাল দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালতে প্রদীপ কুমার দাশকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন জমা দেওয়া হয়। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকী কারণের বিরুদ্ধে দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১৩ লাখ ১৩ হাজার ১৭৫ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন ও ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৩ কোটি ৯৫ লাখ ৫ হাজার ৬৩৫ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। ২০১৮ সালে প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকী কারণের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে দুদক। ২০১৯ সালের ৯ এপ্রিল তাদের দুইজনকে সাত কার্য দিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেয় দুদক। ১২ মে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এ তারা পৃথক সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন।

ইউএনওর ওপর হামলা

দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি রবিউলের

ঢাকা অফিস ॥ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখের ওপর হামলার ঘটনায় নিজের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন রবিউল ইসলাম। গতকাল রোববার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে এ তথ্য জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির ওসি ইমাম জাফর। তিনি বলেন, আসামি নিজে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করার সম্মতি জানায়, তাই তারা সকাল দশটায় রবিউলকে আদালতে নিয়ে আসেন। পরে আবেদনসহ তাকে দিনাজপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে নিয়ে যাওয়া হয। ওসি ইমাম জাফর বলেন, আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেনের কাছে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল জানিয়েছেন, এ ঘটনার একমাত্র পরিকল্পনাকারী এবং হামলাকারী তিনি নিজেই। আক্রোশ থেকে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন।  রবিউলের দেওয়া তথ্যমতে হামলায় ব্যবহৃত হাতুড়ি, লাঠি, মই, চাবিসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার পরনের প্যান্ট, হাতের ছাপ সহ মোবাইলের লোকেশন বিষয়গুলো আলামত হিসেবে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব আলামত বিচারকার্যে সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।  গত ৯ সেপ্টেম্বর প্রযুক্তির মাধ্যমে রবিউলকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজের দোষ স্বীকার করেন তিনি। গত ১২ তারিখে এ বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য। তিনি জানিয়েছিলেন, রবিউল দায় স্বীকার করে জানিয়েছেন এ ঘটনায় প্রধান পরিকল্পনাকারী এবং একমাত্র হামলাকারী তিনি নিজে।  রবিউলকে ওই দিনই আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ। আদালতের বিচারক তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই দিন থেকেই রিমান্ডে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে তোলা হয়। ওই দিনই তাকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে ডিবি পুলিশ, পরে তাকে তিন দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়।

দৌলতপুর সীমান্তে ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ আটক-১

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে ১০৩ বোতল ফেনসিডিল ও এক কেজি গাঁজাসহ রাজু আহম্মেদ (২৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বিজিবি। গতকাল রবিবার ভোর ৫টার দিকে সীমান্তের কান্দিরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকসহ মাদক ব্যবসায়ী রাজুকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি। বিজিবি সূত্র জানায়, মাদক পাচারের গোপন সংবাদ পেয়ে ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনস্থ রামকৃষ্ণপুর বিওপি’র টহল দল কান্দিরপাড়া পাকা রাস্তার ওপর অভিযান চালিয়ে ১০৩ বোতল ফেনসিডিল, ১ কেজি গাঁজা ও মোটরসাইকেল সহ মাদক ব্যবসায়ী রাজু আহম্মেদকে আটক করা হয়। সে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ইনসাফনগর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে। এসময় একই এলাকার জুলু মন্ডলের ছেলে অপর মাদক ব্যবসায়ী আসাদুল (৩০) পালিয়ে যায় বলে বিজিবি সূত্র নিশ্চিত করেছে। পরে আটক মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে গতকাল দুপুরে দৌলতপুর থানায় সোপর্দ করেছে বিজিবি। এছাড়াও চিলমারী বিওপি’র টহল দল শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শান্তিপাড়া মাঠে অভিযান চালিয়ে ৬০ বোতল জেডি মদ এবং একইদিন রাত সোয়া ৯টার দিকে উদয়নগর বিওপি’র টহল দল ডিগ্রিরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯৯ বোতল জেডি মদ উদ্ধার করেছে। তবে উদ্ধার হওয়া এসব মাদকের সাথে জড়িত কেউ আটক হয়নি।

গাংনীতে দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে  লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের জুগিন্দা গ্রামে জিয়াউর রহমান নামের এক মুদি ব্যবসায়ীর বাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ব্যবসায়ী জিয়াউর জুগিন্দা গ্রামের শেখপাড়ার আক্কাস আলীর ছেলে। এ ঘটনায় বাড়ির আসবাবপত্র ও মালামালসহ ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গত শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে জুগিন্দা গ্রামের শেখপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। গৃহকর্তা জিয়াউর রহমানের স্ত্রী কাকলী খাতুন জানান আমরা পরিবারের সকল সদস্য শনিবার রাতে পাশের গ্রামের আত্মীয়ের বাড়িতে ছিলাম। এ সুযোগে পূর্ব শক্রতার জের ধরে ঘরের জানালা দিয়ে আগুন লাগায় দৃর্বুত্তরা। সকালে বাড়িতে না পৌঁছাইতে প্রতিবেশীরা বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে স্থানীয় বামন্দী ফায়ার সার্ভিসের একটিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানান খবর পেয়ে পুলিশের একটিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পুড়ে যাওয়া মালামালের আলামত উদ্ধার করেছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের সনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক দল মাঠে নেমেছে।

মুক্তিযোদ্ধা কোটা প্রমাণে ব্যর্থ হলে কলেজে ভর্তি বাতিল

ঢাকা অফিস ॥ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের তালিকা যাচাই করে ভর্তি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটি।  গতকাল রোববার বিজ্ঞপ্তি জারি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডকে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।  আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জানানো যাচ্ছে যে, চাকরিতে নিয়োগ, পিআরএল, ভর্তি সংক্রান্ত সব কার্যক্রমের ক্ষেত্রেই মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবাইটে (িি.িসড়ষধি.মড়া.নফ) থাকা তালিকা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে পরবর্তীতে উপযুক্ত কাগজপত্র দেখাতে না পারলে ভর্তি বাতিল করা হবে।

ফখরুলদের বক্তব্যে বেগম জিয়াকে কারাগারে পাঠানোর দাবি উঠতে পারে – তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলসহ অন্যান্য নেতাদের বক্তব্যে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানোর জন্য জনগণের কাছ থেকে দাবি উঠতে পারে’ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। গতকাল রোববার সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বেগম জিয়াকে অন্তরীণ করে রাখা হয়েছে। বিএনপি কখনও হত্যার রাজনীতিকে প্রশ্রয় দেয়নি।’ এ বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য হচ্ছে প্রচন্ড হাস্যকর। মির্জা ফখরুল সাহেবের বক্তব্যের মাধ্যমে এই প্রশ্নই আসে প্রধানমন্ত্রী তার যে ক্ষমতাবলে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়েছেন…মির্জা ফখরুল ও তাদের অন্যান্য নেতারা যে কথাবার্তাগুলো বলছেন, এতে মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন এটি না দেখালেই ভালো হতো।’ হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ভবিষ্যতে যখন এই প্রসঙ্গ আসবে, জনগণের পক্ষ থেকে হয় তো বলা হতে পারে বা মির্জা ফখরুলসহ অন্যান্যের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এখনই বলা হতে পারে- তাকে (খালেদা জিয়া) আবার কারাগারে পাঠানো হোক-এই দাবি ওঠে কি না সেটি হচ্ছে বড় প্রশ্ন।’ ‘কারণ তিনি (খালেদা জিয়া) তো সাজাপ্রাপ্ত আসামি, তার তো কারাগারের ভেতরেই থাকার কথা ছিল। তিনি আদালত থেকে তো জামিন পাননি। প্রধানমন্ত্রী সিআরপিসির (ফৌজদারি কার্যবিধি) ক্ষমতা বলে প্রথমে ছয়মাস মুক্তি দিয়েছেন, পরে আরও ছয়মাস বর্ধিত করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন’, বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলামের উচিত ছিল এই মহানুভবতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো, কৃতজ্ঞতা জানানো। আর হত্যার রাজনীতির মাধ্যমে বিএনপির উন্মেষ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই ক্ষমতা দখল করে দল গঠন করেন। সেই ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য হাজার হাজার সেনাবাহিনীর জোয়ান-অফিসারদের হত্যা করা, আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল। খালেদা জিয়াও সেই হত্যার রাজনীতি অব্যাহত রেখেছেন।’ তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার অনুমোদনক্রমে এবং তার পুত্র তারেক রহমানের পরিচালনায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা পরিচালনা করা হয়েছিল শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে যুক্ত ছিল। হত্যার রাজনীতিটাই হচ্ছে তাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।’ হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি আলেম সমাজের সর্বজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। এটি তার জানাজা প্রমাণ করেছে, তিনি আলেমদের মধ্যে এবং ওই অঞ্চলে কী পরিমাণ জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার এই হঠাৎ মৃত্যু নিয়ে অনেক কথা আছে। আগেও বহুবার এ রকম অসুস্থ হয়েছেন কিন্তু প্রতিবারই তিনি সুস্থ হয়ে আবার মাদরাসায় ফিরে গেছেন।’ হাছান মাহমুদ বলেন, ‘হাটহাজারী মাদরাসার ভেতরে যে বিশৃঙ্খলা সেটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্তু তিনি যেহেতু হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক ছিলেন, মাদরাসার ভেতরে তার উপস্থিতিতে যে বিশৃঙ্খলা সেটি নিশ্চয়ই তার ওপর মানসিক চাপ তৈরি করেছিল। সেটির সঙ্গে তার সুস্থ হয়ে ফিরে না যাওয়ার কোনো সম্পর্ক আছে কি না, সেটি আসলে ডাক্তাররা ভালো বলতে পারবেন। তবে নিশ্চয়ই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি যে কয়দিন ধরে চলেছে এতে মাদরাসার মহাপরিচালক হিসেবে তার ওপর মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে সেটি স্বাভাবিক।’

পেশাদারিত্বে সততার কোনো বিকল্প নেই – সুজন

ঢাকা অফিস ॥ পেশাদারিত্বে সততার কোনো বিকল্প নেই মন্তব্য করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, চসিকের বিদায়ী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা চসিকের দায়িত্ব পালনকালে যে প্রজ্ঞা, মেধা ও সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন তা প্রশংসার দাবি রাখে। এ শহরকে তিনি ভালোবেসেছিলেন বলে কর্মজীবনের এক-তৃতীয়াংশ চসিকের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করতে পেরেছিলেন। দায়িত্ব পালনকালে প্রকৃত পেশাদারিত্বেরও পরিচয় দেখিয়েছেন। তার দক্ষতা এবং কর্মক্ষেত্রে আন্তরিকতার কারণে আমার সঙ্গেও তার গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আমি মনে করি তিনি যেখানেই দায়িত্ব পালন করবেন চসিককে সে অবস্থায়ও সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন। গতকাল রোববার মো. সামসুদ্দোহার শেষ কর্মদিবস উপলক্ষে চসিক প্রশাসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতবিনিময় সভায় প্রশাসক এসব কথা বলেন। মো. সামসুদ্দোহা বলেন, দীর্ঘ ৮ বছর চসিকে দায়িত্ব পালন করা আমার জন্য গৌরবের। আমি আমার কাজের ক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যে সহযোগিতা পেয়েছি তা চিরদিন মনে রাখব। তিনি বলেন, আমার দায়িত্বপালন কালে আমি কাউকে কোনো রকম দুঃখ দিতে চাইনি। তবুও কেউ যদি আমার ব্যবহারে অসন্তুষ্ট বা দুঃখ পেয়ে থাকেন আমি তার জন্য ক্ষমা চাই। চসিকের সচিব মোহাম্মদ আবু সাহেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আন্দরকিল্লার কেবি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে সভায় বক্তব্য দেন চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমেদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুফিদুল আলম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, রাজস্ব কর্মকর্তা শাহেদা ফাতেমা, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকতা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, উপ সচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু, উপ পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মো. মোরশেদ আলম চৌধুরী, চসিক সিবিএ’র সভাপতি ফরিদ আহমদ। মো. সামসুদ্দোহা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র আদেশে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের পরিচালক পদে যোগদান করবেন। চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন কক্সবাজার শরণার্থী ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের অতিরিক্ত শরণার্থী ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কাজী মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।

 

করোনা মোকাবেলায় ত্রান বিতরণসহ বহুমূখী জনকল্যানমূলক কার্যক্রমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

প্রাণঘাতী করোনা মোকাবেলায় নিজেদের পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের আপামর মানুষের পাশে  থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এরই ধারাবাহিকতায় অন্যান্য দিনের মত গতকালও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় এবং সত্যিকারের দুস্থ মানুষের হাতে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়ার নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত  রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের মাধ্যমে করোনার ভয়াল থাবা  থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্ত করতে সেনা সদস্যরা নিয়মিত টহল জোরদার করেছে। এছাড়াও জনসমাগম এড়াতে নজরদারি বৃদ্ধি, গণপরিবহন মনিটারিং, মেডিকেল ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও ঔষধ বিতরণ এবং স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত নীতিমালা বাস্তবায়নসহ নানাবিধ জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে দূর্যোগ  মোকাবেলার অংশ হিসেবে খুলনার উপকূলীয় এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামতের চেষ্টা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ত্রান বিতরণ, ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং ঔষুধ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে যশোর সেনানিবাসের  সেনাসদস্যরা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

গাংনী থানার পুলিশ সদস্য দৌলতপুরের সন্তান হাসিবুরের ইন্তেকাল

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী থানা পুলিশের সদস্য হাসিবুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না—রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও ২ সন্তানসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। পুলিশ সদস্য হাসিবুর কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা। হাসিবুর কয়েক বছর যাবত গাংনী থানায় কর্মরত ছিলেন। গত শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মারা যান।

গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওবাইদুর রহমান জানান হাসিবুর রহমান সুনামের সাথে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছিল। গত ৬ সেপ্টেম্বার পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। সে থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হাসপাতালে ভর্তি হয়। কয়েক দিন যাবত সে বাড়িতে অবস্থান করছিল। শনিবার রাতে আবারো অসুস্থ হলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। হাসপাতালে ভর্তির কিছুক্ষণ পর মারা যায়। সে কয়েকটি জটিল রোগে ভূগছিল। এদিকে হাসিবুরের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান। এছাড়াও গাংনী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ হাসিবুরের অকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। গতকাল রোববার নিজ গ্রামে হাসিবুরের জানাজা শেষে স্থানীয় গোরস্থান ময়দানে দাফন সম্পন্ন হয়। জানাজায় অংশগ্রহণ করেন গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

খালেদা জিয়ার ৪ মামলার স্থগিতাদেশ আপিলেও বহাল

ঢাকা অফিস ॥ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে করা আরো চার মামলার কার্যক্রমের ওপর হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। মামলাগুলো সচল চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে গতকাল রোববার বিচারপতি ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হাইকোর্টের রুল শুনানি করতে বলা হয়েছে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মমতাজ উদ্দিন ফকির। আর খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন নয়া দিগন্তকে বলেন, আপিল বিভাগ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে করা চারটি মামলায় হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছেন। তিনি বলেন, আমরা আদালতে বলেছি ঘটনার সময় বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। তাকে এসব মামলার হুকুমের আসামি করা হয়েছে। অথচ তিনি নেতাকর্মীদের নাশকতা পরিহার করে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করতে বলেছেন। তার বিরুদ্ধে এসব মামলা চলতে পারে না। হাইকোর্ট যথার্থভাবে এসব মামলার কার্যক্রমে ওপর স্থগিত আদেশ দিয়েছেন যা বহাল থাকায় উচিত। খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নয়া দিগন্তকে বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে করা চারটি মামলায় হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছেন। এ চারটি মামলা হল; রাজধানীর দারুস সালাম থানায় নাশকতার অভিযোগে তিনটি এবং কুমিল্লায় করা নাশকতার অপর একটি মামলা। তিনি বলেন, কুমিল্লায় করা নাশকতার মামলায় স্থগিতাদেশ বহাল রাখার পাশাপাশি জামিনও বহাল রেখেছেন আদালত। তিনি আরো বলেন, এ চার মামলাসহ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর মধ্যে মোট ১২ মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ বহাল রাখলেন আপিল বিভাগ। এর আগে ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে গাড়ি ভাঙচুরসহ অগ্নিসংযোগের অভিযোগে খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে নাশকতার মামলাগুলো দায়ের করা হয়। রাজধানীর দারুস সালাম থানায় নাশকতার অভিযোগে তিনটি এবং কুমিল্লায় নাশকতার অভিযোগে করা অপর একটি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলা স্থগিত চেয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে হাইকোর্টে আবেদন জানানো হলে তা মঞ্জুর করা হয়। একইসঙ্গে মামলার স্থগিতের বিষয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন জানায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

মিরপুরে সম্মিলিত নাগরিক সমাজের জরুরী সভা

আমলা অফিস ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুরে সম্মিলিত নাগরিক সমাজের এক জরুরী সভা গতকাল রোববার সকালে মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা সম্মিলিত নাগরিক সমাজের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা নজরুল করিমের পরিচালনায় এ সময়ে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মহাম্মদ আলী জোয়ার্দ্দার, বাবলু রঞ্জন বিশ্বাস, অর্থ-সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মতিন লোটাস, প্রচার সম্পাদক হুমায়ূন কবির হিমু, দপ্তর সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রিমন, সহ-প্রচার সম্পাদক সুমন মাহমুদ, সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা কুতুব উদ্দিন,  প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাঞ্চন কুমার হালদার, উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিঠু, সাংবাদিক আছাদুর রহমান বাবু, মজিদ জোয়ার্দ্দার, মিলন উল্লাহ, মারফত আফ্রিদী, আলম মন্ডল, সাগরখালী আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, মিরপুর নাজমুল উলুম ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ ছালেহ উদ্দিন, বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, আলো সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ফিরোজ আহাম্মেদ, আশরাফুল আলম হীরা, মামুনার রশিদ, রফিকুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার, ইসরাইল হোসেন সান্টু, শরিফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, হাফিজুর রহমান প্রমুখ। উল্লেখ্য বন্ধ ঘোষিত মিরপুর রেলওয়ে ষ্টেশন পুনরায় চালু হওয়ার প্রেক্ষিতে সুন্দরবন, সাগরদাড়ি, টুঙ্গিপাড়া, রূপসা আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ষ্টপেজের দাবীতে এ জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ষ্টেশনটি চালু হওয়ায় উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ ও বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধির প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট সম্মিলিত নাগরিক সমাজের নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। এছাড়াও নতুন সদস্য অর্ন্তভুক্ত ও ষ্টেশনের রাস্তা সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। নিজস্ব অর্থায়নে ষ্টেশনের বিশ্রামাগার ও শৌচাগার সংস্কার এবং সৌর বাতি নির্মাণের জন্য সংরক্ষিত বৃহত্তর কুষ্টিয়া আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা রাশিদা বেগমকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। ষ্টেশনের বিশ্রামাগারের আসবাবপত্র ক্রয়ের জন্য কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব মহাম্মদ আলী জোয়ার্দ্দার তাৎক্ষনিক ২০ হাজার টাকা অনুদান এবং উপস্থিত সদস্যরা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

টানা লোকসান এড়াতে বন্ধ করে দেয়া হতে পারে দেশের চিনিকলগুলো

ঢাকা অফিস ॥ দেশের সরকারি চিনিকলগুলো বছরের পর বছর ধরে বিপুল পরিমাণ লোকসান গুণে যাচ্ছে। ট্যারিফ কমিশনের এক সমীক্ষা অনুযায়ী প্রতি কেজি চিনি উৎপাদনে সরকারি চিনিকলগুলোর খরচ হয় ৮৮ টাকা। আর তা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। ফলে আপাতত চিনি বিক্রি করে লাভের আশা নেই। বর্তমানে ১৫টি সরকারি চিনিকলে লোকসানের পরিমাণ ৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে লোকসানের দায় এড়াতে চিনিকলগুলো বন্ধের কথা ভাবা হচ্ছে। বাংলাদেশ খাদ্য ও চিনি শিল্প করপোরেশন সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাংলাদেশ খাদ্য ও চিনি শিল্প করপোরেশন ইতিমধ্যে চিঠি পাঠিয়ে দেশের চিনিকলগুলো স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, লাভ-লোকসান ও শ্রমিক-কর্মচারীদের দেনা-পাওনার হিসাব চেয়েছে। ফলে চাকরি হারানোর দুশ্চিন্তায় পড়েছে শ্রমিক ও কর্মচারীরা। খাদ্য ও চিনি শিল্প করপোরেশন ১০ সেপ্টেম্বর এক অফিস আদেশে দেশের সব চিনিকলের ১১টি বিষয়ের হিসাব চেয়েছে এবং ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ওসব তথ্য করপোরেশনে পাঠাতে বলা হয়েছে। সেজন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে চিনিকলগুলোতে অন্তত তিন মাস ধরে বেতন নেই। বিগত ২০১৫ সালের মজুরি কাঠামো অনুযায়ী মিল সংশ্লিষ্টদের বিপুল টাকা এরিয়া বিল বকেয়া পড়েছে। আর এখন মিল বন্ধের আশঙ্কা শ্রমিক-কর্মচারীদের ভাবিয়ে তুলেছে। সূত্র জানায়, চিনিকলগুলো বন্ধের ইঙ্গিত পেয়েই সারা দেশের শ্রমিক-কর্মচারী নেতারা ঢাকায় চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেছে। ওই বৈঠকে মিল বন্ধেরই ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে। ফলে শ্রমিক ও কর্মচারীরা দিশাহারা হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে চিনিকলগুলো চিঠিতে চাওয়া তথ্যগুলো পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে। তবে মিল বন্ধের সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি বৈঠকের কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয়, সেজন্য অপেক্ষা করতে হবে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চিফ অব পার্সোনেল রফিকুল ইসলাম জানান, চিনিকলগুলো এখনো বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সেদিকে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। বিজেএমসির পাটকলগুলোর মতো গোল্ডেন হ্যান্ডশেকে গেলে কী পরিমাণ বাজেট প্রয়োজন হতে পারে, তা জানতেই চিনিকলগুলোর কাছে তথ্যগুলো চাওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে সরকার যে কোনো সময় এসব তথ্য কর্পোরেশনের কাছে চাইতে পারে।

বিএনপির আন্দোলনের গর্জনই শুধু শোনা যায়, বর্ষণ দেখা যায় না – কাদের

ঢাকা অফিস ॥ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির আন্দোলনের হাক ডাক আর তর্জন গর্জনই শুধু শোনা যায় কিন্তু বর্ষণ দেখা যায় না, যাবেও না। গতকাল রোববার সকালে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বিআরটিএ আয়োজিত বিশেষ সেবা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে সরকার হঠানোর ঘোষণা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা কর্মসূচি আর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে থাকে। তাদের হাক ডাক অনেক শুনেছে জনগণ। তিনি বলেন, তারা আন্দোলন করে দলীয় অফিসের সামনে নিজ দলের নেতাকর্মীদের মাথা ফাটায়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি প্রতি বছর ঈদের পরে আন্দোলন শুরুর ঘোষণা দেয় কিন্তু জনগণ কত ঈদ যে পার করলো, আন্দোলন আর দেখে না, রাজপথ শূণ্যই থাকে। বিএনপির আন্দোলনের দ্বার রুদ্ধ করে তারা প্রেস ব্রিফিং এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। তিনি বলেন, বিএনপির আন্দোলন পারস্পরিক অবিশ্বাস, কলহ, মিথ্যাচার আর নেতিবাচক রাজনীতির চক্রে আবদ্ধ, তাদের আন্দোলনের ডাক এখন মিথ্যাবাদী রাখালের গল্পের মতো। ওবায়দুল কাদের বলেন, আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারকে সরাতে না পারলে স্বাধীনতা রক্ষা করা যাবে না, বিএনপি মহাসচিবের এমন কথা শুনলে জনগণ এখন হাসে, তারা কাদের নিয়ে আন্দোলন করবে? এদেশের স্বাধীনতা এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে, দেশের প্রতিটি অর্জনের সাথে মিশে আছে আওয়ামী লীগ। সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকার সেবা সহজীকরণে এবং গ্রাহকদের সুবিধার্থে দেশের যে কোন সার্কেল অফিস হতে যানবাহনের ফিটনেস সনদ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, বিআরটিএকে সত্যিকার অর্থে সেবামুখী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদারসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে ২ ভূয়া এনএসআই গ্রেফতার 

নিজ সংবাদ ॥ র‌্যাব-১২, সিপিসি-১, কুষ্টিয়া ক্যাম্পের একটি চৌকষ আভিযানিক দল গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার সময় কুষ্টিয়া সদর থানাধীন ৯৫/৫ এমইউ ভূঁইয়া রোড কোটপাড়া জনৈক মোঃ আকতারুল হক পিতা-মৃত হাতেম আলী মিয়া এর ৪তলা বিল্ডিং এর সামনে পাকা রাস্তার উপর’’ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ভূয়া এনএসআই এর কার্ড-১টি, মোবাইল ফোন-৩টি, সীমকার্ড-৬টিসহ ২ জন তনুজা ইসলাম (২৭), স্বামী-মোঃ কাজী ইকরামুল হক, সাং-কাচের কোল ও মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (২৯), পিতা-আঃ লতিফ, সাং-সিদ্ধি, উভয় থানা শৈলকুপা, জেলা-ঝিনাইদহদ্বয়’কে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত আলামতসহ ধৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর থানায় সরকারী কর্মকর্তা ছদ্মবেশ ধারণ করার অপরাধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের কুষ্টিয়া সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

  প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ ফান্ডে অনুদান গ্রহণকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

শীতে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে, প্রস্তুতি নিন

ঢাকা অফিস ॥ আসন্ন শীতকালে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে উল্লেখ করে এই মুহূর্ত থেকেই তা মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল রোববার গণভবনে ৩৪টি বাণিজ্যিক ব্যাংকসহ বিভিন্ন সংগঠনের কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ ফান্ডে অনুদান গ্রহণকালে ভিডিও কনফারেন্সের তিনি এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শীতকাল আসন্ন। কোন কোন ক্ষেত্রে করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে। আমাদেরকে এই মুহূর্ত থেকেই তা মোকাবেলার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) প্রাঙ্গণে এই অনুদানের চেক গ্রহণ করেন। করোনা মোকাবেলায় জাতির সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে এই আর্থিক অনুদান দেয়ার জন্য শেখ হাসিনা সংগঠনগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবাই এই পরিস্থিতিতে (করোনাকালে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে) অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছেন। আর এ জন্যই আমরা এই করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি। কোভিড-১৯-এর অভিঘাত থেকে দেশের অর্থনীতিকে মুক্ত রাখতে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণাসহ সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিকে সচল রাখতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আমরা প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি এবং যেখানে যা প্রয়োজন তাই দিয়েছি। কারণ জনগণের সেবা করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। দেশের যে কোন সংকটে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংক (বিএবি) তাদের হাত বাড়িয়ে দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রী’র ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশনের অনুদানের চেক হস্তান্তর

বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বাংলাদেশেও এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকার অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল হতে বাংলাদেশ সরকার দরিদ্র মানুষগুলোর মাঝে বিভিন্ন প্রকারের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে। দরিদ্র মানুষগুলোকে আর্থিকভাবে সহায়তা করার নিমিত্তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অধঃস্তন আদালতের কর্মচারীদের সংগঠন বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন ৪০ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক প্রদান করে। অনুদানের চেক হন্তান্তর অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাঁর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস আনুষ্ঠানিকভাবে অনুদানের চেক গ্রহণ করেন। চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মাননীয় সচিব মোঃ গোলাম সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, (খুলনা-বাগেরহাট) সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্না সরকার। এসোসিয়েশনের পক্ষে সভাপতি শাহ মোঃ মামুন, সাধারণ সম্পাদক কাজী সালাউদ্দিন দিদার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নাজিম উদ্দিন অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। বিষয়টি এসোসিয়েশনের কুষ্টিয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তারিক আহাম্মেদ রিংকু নিশ্চিত করেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

দেশে করোনায় আরো ২৬ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৫৪৪

ঢাকা অফিস ॥ মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরো ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে চার হাজার ৯৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া নতুন করে এক হাজার ৫৪৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে তিন লাখ ৪৮ হাজার ৯১৬ জনে। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে গতকাল রোববার পাঠানো করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, করোনা শনাক্তের জন্য দেশের সরকারি ও বেসরকারি ৯৭টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১০ হাজার ৭৮৭টি এবং পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ৫৯১টি। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১৮ লাখ ২১ হাজার ২৭০টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩.৩২ শতাংশ। আর মোট পরীক্ষায় এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ১৯.১৬ শতাংশ। নতুন যে ২৬ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ১৭ এবং নারী নয়জন। এখন পর্যন্ত মোট মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ তিন হাজার ৮৪৬ জন বা ৭৭.৮৭ শতাংশ এবং নারী এক হাজার ৯৩ জন বা ২২.১৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুর হার ১.৪২ শতাংশ। এদিকে করোনা থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরো দুই হাজার ১৭৯ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৫৬ হাজার ৫৬৫ জনে। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার এখন পর্যন্ত ৭৩.৫৩ শতাংশ। গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৮ মার্চ প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ১০ দিনের আল্টিমেটাম

 কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী রবিউলের দখলে সওজ’র ৫ শতক জমি

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী রবিউলের দখলে থাকা বেশ কয়েকটি জমি উদ্ধারে নোটিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে লাহিনী এলাকায় সড়ক ও জনপথের প্রায় ৫ শতক জমি এবং গড়াই নদীর তীরে জেলা প্রশাসনের ১৫ একর তিনি জবর দখল করে ভোগ করছেন।

ইতিমধ্যে সড়ক ও জনপথ থেকে আগামী ১০দিনের মধ্যে দখলকৃত জমি থেকে প্রাচীরসহ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার নোটিশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসন থেকে দখলকৃত জমি থেকে স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার নির্দেশনা জারি করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বড় বাজার এলাকায় গড়াই নদীর তীরে জেলা প্রশাসনের অধীনে থাকা ১৫ একর জমি জেলা পরিষদ দখল করে কোন অনুমতি না নিয়ে পার্ক নির্মাণ কাজ করছে। গত ৫ বছর ধরে চলে আসছে পার্কের কাজ। দখলকৃত নদীর জায়গায় সরকারি অর্থে পার্কের  বেশ কিছু কাজ ইতিমধ্যে শেষ করা হয়েছে।

এদিকে জেলা প্রশাসন থেকে গত আগষ্ট মাসে সরেজমিন পরিদর্শন করে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর সহকারি কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা একটি প্রতিবেদন দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর। গত কয়েকদিন আগে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন চৌধুরী অবৈধ দখল ও উচ্ছেদের বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে জেলা প্রশাসন বরাবর পত্র দিয়েছে। পত্রে দখলকৃত জমি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তিনি জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন চৌধুরী বলেন,‘ জেলা প্রশাসনের ১৫ একর জায়গার ওপর পার্কের কাজ করছে জেলা পরিষদ। তবে এ জন্য কোন অনুমোদন নেয়। এ কারনে নদীর জায়গা দখল করার জন্য তাদের নোটিশ করা হবে। এ জন্য প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’

এদিকে শহরতলীর লাহিনী এলাকায় কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে লাহিনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাচীর থেকে শুরু করে একেবারে মহাসড়কের গা ঘেঁষে প্রায় দুই বিঘা জমিতে শক্ত প্রাচীর দিয়ে রেখেছেন হাজি রবিউল ইসলাম।

জানা গেছে, তিনি এখানে মাত্র ৪ কাঠা জমি কিনে তার কয়েকগুন বেশি জমি দখল করে রেখেছেন। এ জমির মধ্যে সড়ক ও জনপথের প্রায় ৫ শতক জমি রয়েছে। বাকি জমি অন্য দপ্তরের। বাজারের কিছু জমিও রয়েছে দখলের মধ্যে।

এদিকে সড়ক ও জনপথ অফিস থেকে গতকাল রোববার সকালে লাল চিহৃ দিয়ে মার্ক করে দেয়া হয়। পাশাপাশি হাজি রবিউল ইসলামকে নোটিশ করা হয়েছে। ১০ কার্যদিবসের মধ্যে নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সরিয়ে না নেয়া হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। দখলকৃত জমিতে গাছ লাগানো হয়েছে। সামনের দিকে বড় একটি গেইট নির্মাণ করা হয়েছে।’

সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানিমুল ইসলাম বলেন, অবৈধভাবে সড়কের জায়গা দখল করে ঘিরে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে রোববার সকালে সেখানে লাল কালি দিয়ে মার্ক করে দেওয়া হয়েছে। হাজী রবিউল ইসলামের কাছে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে নিজ দায়িত্বে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে ফেলার জন্য। তা না হলে ম্যাজিষ্ট্রেটের উপস্থিতিতে ভেঙে ফেলা হবে।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন চৌধুরী বলেন, পার্কের পুরো ৪৫ বিঘা জায়গায় গড়াই নদীর। জেলা প্রশাসন থেকে জেলা পরিষদ কোন রকম বন্দোবস্ত না নিয়েই অবৈধভাবে পার্ক নির্মাণ করছে। এজন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্থাপনা ভেঙে ফেলা হবে।

ত্রাণ তহবিলের জন্য ১৬৫ কোটি টাকা অনুদান গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ দেশের ৩৪টি বেসরকারি ব্যাংকসহ ৪০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান গতকাল রোববার  কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্রদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ১৬৫ কোটি টাকা এবং সার্জিক্যাল মাস্ক প্রদান করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এসব অনুদান গ্রহণ করেন। সংগঠনের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের কাছে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকের (বিএবি) নেতৃত্বে ৩৪টি ব্যাংক অনুদান হিসেবে মোট ১৬৪ কোটি টাকা প্রদান করে। অনুদান দেয়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে- খাদ্য মন্ত্রণালয়, ফরেন অফিস স্পাউজ অ্যাসোসিয়েশন (এফওএসএ), রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন এবং মিনিস্টার গ্র“প নগদ অর্থের পাশাপাশি ১ লাখ সার্জিক্যাল মাস্ক প্রদান করে। ৩৪টি ব্যাংক হলো- এবি ব্যাংক লিমিটেড, আল-আরাফাহ ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, সিটি ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামি ব্যাংক (বিডি) লিমিটেড, যমুনা ব্যাংক লিমিটেড, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, মিডল্যান্ড ব্যাংক লিমিটেড, মধুমতি ব্যাংক লিমিটেড, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, এনআরবি ব্যাংক লিমিটেড, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক লিমিটেড, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, এসবিএসি ব্যাংক লিমিটেড, শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড, সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড এবং উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড। বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি:- মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৯১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া, নতুন করে ১ হাজার ৫৬৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৩৭২ জনে। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে গত শনিবার পাঠানো করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, করোনা শনাক্তের জন্য দেশের সরকারি ও বেসরকারি ৯৫টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১২ হাজার ৫৮৭টি এবং পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩ হাজার ১৭০টি। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১৮ লাখ ৯ হাজার ৬৭৯টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১১.৯০ শতাংশ। আর মোট পরীক্ষায় এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ১৯.২০ শতাংশ। নতুন যে ৩২ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ২৫ এবং নারী ৭ জন। এখন পর্যন্ত মোট মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৩ হাজার ৮২৯ জন বা ৭৭.৯৪ শতাংশ এবং নারী ১ হাজার ৮৪ জন বা ২২.০৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুর হার ১.৪১ শতাংশ। এদিকে, করোনা থেকে গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ২ হাজার ৫১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৮৬ জনে। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার এখন পর্যন্ত ৭৩.২৩ শতাংশ। গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৮ মার্চ প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।