গাংনীতে বিজিবি সদস্যকে স্বামী হিসাবে স্বীকৃতি পেতে স্ত্রী সেজে ভূঁয়া কাবিন নামা 

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনীতে বিজিবি সদস্যকে স্বামী হিসাবে স্বীকৃতি পেতে স্ত্রী সেজে ভূঁয়া কাবিন নামায় গোপনে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে  নাসিমা খাতুনের বিরুদ্ধে।  মিথ্যা বিয়ের দাবি করে গাংনী থানায় তিনি লিখিত অভিযোগ করেছেন তেঁতুলবাড়ীযা গ্রামের আব্দুল¬াহর মেয়ে নাসিমা খাতুন। একই সাথে স্বামীর স্বীকৃতি পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে সুযোগ সন্ধানী মেয়ে  নাসিমা খাতুন। বিজিবি’তে চাকুরীরত লিটন আলী কাজিপুর ইউনিয়নের পীরতলা গ্রামের রেজাউল হকের ছেলে। সে বর্তমানে রংপুর বিজিবিতে কর্মরত রয়েছে। বিজিবি সদস্য লিটন আলীর মা সাহারবানু জানান, আমার ছেলে কোন অপরাধের সাথে জড়িত থাকে না। নিয়ম মেনে আমার ছেলের বিয়ে দিয়েছি।  বড় ভাই আফিরুল ইসলাম জানায়,  আমি প্রবাস ফেরত হয়ে বর্তমানে বাড়ীতে রয়েছ্।ি অভিযোগকারী মেয়েটার বিয়ের ব্যাপারে কাবিন নামা দেখেছি মেয়েটির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। কাবিন নামার তথ্য মতে আমরা চুয়াডাঙ্গার আলুকদিয়া এলাকার নিকাহ রেজিষ্টার  কাজী নাসিরউদ্দীনের খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পেরেছি যে, বিয়ের কাবিন নামা করা হয়েছে ১৩/০৫/২০১৫ ইং । কিন্তু নিকাহ রেজিষ্টার নাসিরউদ্দীন  ১২/০১/২০১৪ ইং তারিখে মারা গেছেন।  সে মতে ধারণা করা হচ্ছে যে, কাবিন নামাটি ভূয়া জাল। আমার ছোট ভাইয়ের আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে দিয়েছ্।ি নাছিমা খাতুন জানান, প্রায় ৬ বছর পূর্বে বিজিবি সদস্য লিটন আলীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে তার। এরপর গত ১৩/০৫/২০১৫ ইং তারিখে ঢাকার একটি কাজি অফিসে বিয়ে করি। যার কাবিন নামা ও বিয়ের ছবিসহ অসংখ্য প্রমাণাদি রয়েছে। বিয়ে করার পর থেকে ঢাকার সাভার এলাকায় চাকুরীর সুবাদে সেখানে বাসাভাড়া করে বসবাস করে আসছি। তৎকালীন সময়ে স্বামী লিটন আলী বান্দরবন জেলায় কর্মরত ছিলেন। সে ছুটি পেলেই আমার কাছে আসতো এবং একত্রে বসবাস করতাম। কিছুদিন পর গ্রামে চলে যাবে বলে সংসারিক প্রয়োজনে অন্তত ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল কিনে বিভিন্ন সময়ে পীরতলায় পাঠিয়েছি। স্বামী লিটন আলীর অনুরোধেই এতগুলো বছর বিয়ের কথা গোপন রাখা হয়। এছাড়া গত ২ মাস পূর্বে স্বামী লিটনের চাপে পড়ে ৩ মাসের একটি বাচ্চা নষ্টও করেছেন তিনি। তিনি আরো জানান কিছুদিন আগে লিটন বাড়িতে এসে বজ্রপুর গ্রামে তিনি বিয়ে করেছেন বলে জানতে পেরেছি। বিজিবি সদস্য লিটন আলী মোবাইল ফোনে জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছইু জানেন না। সব ঘটনা মিথ্যা। সত্য কোনটা জানতে চাইলে গড়িমশি শুরু করেন।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মসজিদের মলের জীবাণু যাচ্ছে হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে

নিয়ামুল হক ॥ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মসজিদের মলের জীবানু যাচ্ছে হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। দেখার কেউ নেই । হাসপাতাল ও মসজিদ কমিটির চোখে কালো চশমা। কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ইমার্জেন্সীতে প্রবেশের যে রাস্তাটি ম্যাস্টস মোড় থেকে শুরু হয়ে দ্বিতীয় গেট দিয়ে হাসপাতালের ইমার্জেন্সীতে পৌঁছেছে সেই রাস্তার শুরুতেই রয়েছে হাসপাতাল জামে মসজিদ। কিন্তু ওই মসজিদের ওজুখানা টয়লেটের পানি নিস্কাশনের কোন ব্যবস্থা নেই। যার কারনে টয়লেটের মলসহ পানি রাস্তার উপর দিয়ে গড়ে যাচ্ছে। আর হাসপাতাল ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগামী যান বহনের চাকাই ও মানুষের চটির তলায় মেখে সারা হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ক্ষতিকারক জীবানু পৌঁছে যাচ্ছে। এতে করে রোগীরা আরও বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। সুস্থ মানুষও রোগী দেখতে এসে হয়ে যাচ্ছে অসুস্থ। শুধু তাই নয় ঐ রাস্তা দিয়ে মলের দূর্গন্ধে সকলকে যেতে হয় নাকমুখ চেপে, না হলে দূর্গন্ধে বমি চলে আসে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে ঐ রাস্তা দিয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের স্টুডেন্ট, ম্যাস্টস এর শিক্ষার্থী, হাসপাতালের রোগীর স্বজনসহ হাজারো মানুষ ঐ পথ দিয়ে যাতায়াত করছে। কিন্তু যাতায়াতের সময় ঠিক ঐ মল জায়গাটায় এসে নাক মুখ চেপে হেঁটে যাচ্ছে। মসজিদের বাথরুমের ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় আশেপাশের পরিবেশ দুর্গন্ধে ভারি হয়েছে উঠেছে। কিন্তু বিষয়টা নিয়ে কারো মাথা ব্যথা নেই। না মসজিদ কমিটির না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের, কারও কোন দায়ভার নেই। আশেপাশের ফার্মেসী দোকানদাররা ও পথচারিরা বলছেন এ সমস্যা একদিনের নয় বহু বছর যাবৎ চলছে কিন্তু কেউ দেখে না। নিয়মানুযায়ী যে হাসপাতাল চত্বরটি বেশি পয়-পরিস্কার ও পরিবেশ বান্ধব থাকা দরকার সেখানেই হচ্ছে জীবানু চাষ। এ যেন বাতির নিচে অন্ধকার। স্থানীয়রা জানিয়েছেন এ পরিবেশে এসে সুস্থ মানষুও অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্ষার সময় একটু বৃষ্টি হলেই হাটু পানি জমে যায়। আর তখন এই মল-পানি হাসপাতালসহ সারা যায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। এর দ্রুত সুরাহা দরকার। শুধু তাই নয় আবাসিক নার্সিং ভবনের সামনের রাস্তায় ভবনের জমে থাকা যত বর্জ্য ঐ রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়। ফলে  বর্জ্য পচা দূর্গন্ধে ওই দিক দিয়ে যাওয়া যায় না। এমনকি ডায়াবেটিক হাসপাতালের রোগীরাও ওই রাস্তা দিয়ে যেতে বিব্রতবোধ করে। এমনিতেই সরু রাস্তা, আবার সরকারি-বেসরকারি শত এম্বুলেন্স ওই রাস্তায় রেখে রাস্তায় চলার অনুপোযোগী করে রাখে, এম্বুলেন্স মালিকরা, ফলে চিকিৎসা সেবা ব্যহত হচ্ছে। এ যেনো পরিকল্পনাবিহীন রাজ্যে। কারোও কোন দায়িত্ব নেই, নেই কারো দায়। এ  যেনো রাজা ছাড়া রাজ্য। এ সব সমস্যা থেকে পরিত্রান চান ভুক্তভুগিরা।  জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তাপস কুমার সরকার জানান, ঐ রাস্তাটি কুষ্টিয়া পৌরসভার। ইতোমধ্যে বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পৌরসভা চলতি বছরের মধ্যেই নতুন করে রাস্তা নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন, রাস্তাটি হয়ে গেলে সমস্যার সমাধান হবে বলে জানান তিনি।

মেহেরপুরে স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগে ৩ যুবক আটক

মেহেরপুর প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুর জেলা শহরের শেখপাড়ায় মধ্যবয়সী স্বামী পরিত্যক্তা এক মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গণধর্ষণের অভিযোগে ওই নারী বাদী হয়ে ৩জনকে আসামী করে একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। মামলার সূত্র ধরে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশ তিন যুবককে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন-মেহেরপুর শহরের শেখ পাড়ার মৃত আমিন উদ্দীনের ছেলে রাব্বি হোসেন (২৫), আব্দুস সামাদের ছেলে সাকিল হোসেন (২২) ও আনারুল ইসলামের ছেলে ইমরান হোসেন (২৩)। বৃহস্পতিবার দুপুরে আটক তিন যুবককে মেহেরপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। গত বুধবার মেহেরপুর সদর থানার পুলিশ পরিদর্শন আমিনুল ইসলাম, এস আই আহসান হাবিব ও এসআই অর্জন কুমার সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের একটিদল মেহেরপুর শহর থেকে তিন যুবককে আটক করেছিলেন। ধর্ষিতা নারী জানান আমি বাউল সম্রাট লালন শাহের একজন ভক্ত। সে সুবাদে বুধবার বিকেলে মেহেরপুর সদর উপজেলার কাঁলাচাঁদপুর গ্রামের আরেক মহিলা ভক্তের বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে মহিলা ভত্তকে বাড়ি না পেয়ে ফিরে আসছিলাম। পথে কোন যানবাহন না পেয়ে পায়ে হেঁটে বাড়িতে আসছিলাম। সন্ধ্যার দিকে মেহেরপুর শহরের শেখ পাড়ার পৌঁছানোর পর পূর্ব পরিচিত লালন ভক্ত আহসান আলীর সাথে দেখা হয়। সে একটি আমবাগানের পাহারাদার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। এসময় আহসান আম ও লিচু খাওয়ানোর জন্য আমাকে পাশে বাগানে নিয়ে যান। বাগানের মধ্যে গিয়ে দেখি আরো দু’জন ছেলে বসে আছে। তারা আহসানের সাথে আম পাহারা দেয়। আমি তাদের সাথে বসে আম খাচ্ছিলাম। এসময় তিন যুবক এসে আহসান ও তার দু’সঙ্গীকে ছুরি দেখিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে বসিয়ে রাখে। এসময় আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে বাগানের নির্জন স্থানে তিন যুবক রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে যাবার সময় আমার ব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও কিছু টাকা নিয়ে যায়। এদিকে বাগান পাহারাদার লালন ভক্ত আহসান জানান সন্ধ্যায় আম বাগানে আমার পরিচিত এক আপাকে নিয়ে আম খেতে দিয়েছিলাম। এসময় এলাকার রাব্বি, সাকিল ও ইমরান আমাদের তিনজনকে অস্ত্র দেখিয়ে বসিয়ে রেখে ওই আপাকে নির্জনে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে আপাকে আমরা উদ্ধার মেহেরপুর হাসপাতালে ভর্তি করি। মেহেরপুর সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জানান ঘটনার তদন্ত করা হবে।

 

করোনায় মৃত্যু ৮০০ ছাড়ালো, শনাক্ত ৬০ হাজারেরও বেশি

ঢাকা অফিস ॥ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে প্রান হারিয়েছেন আরও ৩০ জন। ফলে ভাইরাসটিতে মোট মারা গেলেন ৮১১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৮২৮ জন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ৬০ হাজার ৩৯১। গতকাল শুক্রবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন। তিনি ৫০টি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪ হাজার ৬৪৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৪ হাজার ৮৮টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো তিন লাখ ৭২ হাজার ৩৬৫টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও দুই হাজার ৮২৮ জন। ফলে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৬০ হাজার ৩৯১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে আরও ৩০ জনের। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৮১১ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৬৪৩ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১২ হাজার ৮০৪ জনে। নতুন করে যারা মারা গেছেন তাদের ২৩ জন পুরুষ এবং সাতজন নারী। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১২ জন, সিলেট বিভাগে তিনজন, রাজশাহী বিভাগে দুজন এবং বরিশাল ও রংপুর বিভাগে একজন করে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ১৭ জন মারা গেছেন হাসপাতালে এবং বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। বয়সের দিক থেকে ত্রিশোর্ধ্ব তিনজন, চল্লিশোর্ধ্ব সাতজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১১ জন, ষাটোর্ধ্ব ছয়জন, সত্তরোর্ধ্ব দুজন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের একজন মারা গেছেন। গত বৃহস্পতিবারের বুলেটিনে জানানো হয়, করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ জন মারা গেছেন। ১২ হাজার ৬৯৪টি নমুনা পরীক্ষায় করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে আরও দুই হাজার ৪২৩ জনের দেহে। সে হিসাবে আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বাড়লেও কমেছে মৃত্যু। দেশে একদিনে সর্বোচ্চ ৪০ জনের মৃত্যুর রেকর্ড আছে। এ তথ্য জানানো হয় ৩১ মে’র বুলেটিনে। সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড আছে দুই হাজার ৯১১ জনের, যা গত ২ জুনের বুলেটিনে জানানো হয়। শুক্রবারের বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনার পরীক্ষার ভিত্তিতে শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত রোগী শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক ২০ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে আরও ৩৬৫ জনকে এবং বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ছয় হাজার ৯৪৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ১৭৩ জন এবং এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন তিন হাজার ৮৪৭ জন। দেশে মোট আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ১৩ হাজার ২৮৪টি। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় সাত হাজার ২৫০টি এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ছয় হাজার ৩৪টি শয্যা রয়েছে। সারাদেশে আইসিইউ শয্যার সংখ্যা ৩৯৯টি এবং ডায়ালাইসিস ইউনিট রয়েছে ১১২। গত ২৪ ঘণ্টায় হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে দুই হাজার ২৪৫ জনকে। এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে দুই লাখ ৯৭ হাজার ৪৩৩ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন দুই হাজার ৪৯৫ জন। এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন দুই লাখ ৪০ হাজার ১১৪ জন। বর্তমানে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৫৭ হাজার ৩১৯ জন। দেশের ৬৪ জেলা-উপজেলা পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের জন্য ৬২৯টি প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সেবা দেয়া যাবে ৩১ হাজার ৯৯১ জনকে। ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পর থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা। এদের আক্রান্তের হার ২৮ শতাংশ। এরপরই আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছেন ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীরা। তাদের আক্রান্তের হার ২৭ শতাংশ। তরুণ-যুবকরা বেশি আক্রান্ত হলেও মৃত্যুর হারে এগিয়ে ৬০ বছরের বেশি বয়সী বৃদ্ধরা। করোনা সংক্রমণের পর থেকে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য তুলে ধরেন তিনি। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) কাছ থেকে তথ্য নিয়ে এ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ৪ জুন পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে নাসিমা সুলতানা বলেন, লিঙ্গভেদে শনাক্তের হার পুরুষ ৭১ শতাংশ এবং নারী ২৯ শতাংশ। বয়স বিবেচনায় ৬০ বছরের বেশি বয়সী ৭ শতাংশ, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ১১ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ১৭ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ২৭ শতাংশ, ২১ থেকে ৩০ বছরের ২৮ শতাংশ, ১১ থেকে ২০ বছরের ৭ শতাংশ এবং ১ থেকে ১০ বছরের মধ্যে ৩ শতাংশ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা সবচেয়ে বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তারপরই আক্রান্তের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীরা। এই বয়সী মানুষদের অনেক বেশি সতর্কতা ও সচেতনতা প্রয়োজন। এই বয়সের মানুষেরা কর্মস্থলে বেশি থাকেন। বাইরে বেশি ঘোরাঘুরি করেন, কাজের জন্যই হোক বা অন্য কারণেই হোক। যেহেতু তরুণ বয়স, তারা অনেক সময় সতর্কতা ও সচেতনতাকে ঠিকভাবে গ্রহণ করেন না। এজন্য ২১ থেকে ৩০ এবং ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের বিশেষভাবে অনুরোধ করব, আপনারা সতর্ক হোন, সচেতন থাকেন। আপনার কারণে যেন আপনার পরিবারের অন্য কেউ যেন ঝুঁকিতে না পড়ে। করোনায় মৃতদের বয়সের হার তুলে ধরে নাসিমা সুলতানা বলেন, ১ থেকে ১০ বছর বয়সীদের মৃতের হার দশমিক ৮২ শতাংশ, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ, ৫১ থেকে ৬০ বয়সীদের ২৯ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ৬১ বছরের বেশি বয়সীদের মৃত্যুর হার ৩৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। তিনি বলেন, মৃত্যুর হার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যেই মৃত্যুর হার বেশি। কাজেই এই বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষদেরকে বিশেষভাবে অনুরোধ করব, আপনারাও অনেক বেশি সচেতন থাকবেন। বরাবরের মতোই করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মুখে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানান ডা. নাসিমা। করোনাভাইরাসের প্রকোপে গোটা বিশ্ব এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। চীনের উহান শহর থেকে গত ডিসেম্বরে ছড়ানোর পর এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭ লাখ ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা তিন লাখ ৯৩ হাজারেরও বেশি। তবে ৩২ লাখ ৬২ হাজারের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ।

আরও ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা, ৯৬০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ

ঢাকা অফিস ॥ নভেল করোনাভাইরাস সঙ্কট মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তা দিতে আরও ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং নয় হাজার ৬০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা ত্রাণ হিসেবে বিতরণের জন্য এবং এক কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে শিশু খাদ্য কিনতে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় গত বৃহস্পতিবার এই ত্রাণ বরাদ্দ দিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চিঠি পাঠিয়েছে। দেশে লকডাউন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ৬৪ জেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য সরকার ১১৬ কোটি ৬৭ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা এবং ২ লাখ ১ হাজার ৪১৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিল। জেলা প্রশাসকদের দুর্যোগ পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নির্দেশিকা অনুসরণ করে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করতে বলা হয়েছে। পৌর এলাকায় বেশি সংখ্যক কর্মজীবী মানুষ বসবাস করে বলে জেলা প্রশাসকদের বরাদ্দের ক্ষেত্রে পৌর এলাকাকে বেশি গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে শাক-সবজি, আম ও লিচু কিনে বিতরণ করা যেতে পারে। প্রত্যেক ত্রাণ গ্রহণকারীতে কমপক্ষে পাঁচটি করে গাছ লাগানোর অনুরোধ করা যেতে পারে। শিশু খাদ্য কেনার ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়বিধিসহ সংশ্লিষ্ট সব বিধি-বিধান ও আর্থিক নিয়ম যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে বলা হয়েছে। সরকারি পদ্ধতিতে কিনে মিল্কভিটার উৎপাদিত গুঁড়ো দুধ ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তবে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের এই দুধ দেওয়া যাবে না। এছাড়া শিশু খাদ্য হিসেবে খেঁজুর, বিস্কুট, ফর্টিফায়েড তেল, ব্রাউন চিনি, সুজি, মশুর ডাল, সাগু, ফর্টিফায়েড চাল, ওয়াটার পিউরিফায়ার ট্যাবলেট, বাদাম, মানসম্মত তৈরি খাবার স্থানীয়ভাবে কিনে বিতরণ করতে হবে। জেলা প্রশাসকদের যথাযথ শর্ত অনুসরণ করে শিশু খাদ্য কিনে তা বিতরণ করে নিরীক্ষার জন্য হিসাব সংরক্ষণ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কুমারখালিতে বোরো ধান-চাল সংগ্রহ উদ্বোধন

কুমারখালি অফিস ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালিতে শুরু হলো সরকারিভাবে রোরো ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম। বৃহস্পতিবার কুমারখালি সরকারি খাদ্য গুদাম আঙিণায় উপজেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগের আয়োজনে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ইউএনও মো: রাজীবুল ইসলাম খান। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমারখালি পৌরসভার মেয়র মো: শামছুজ্জামান অরুণ, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোজ্জাম্মেল হক, পিআইও মোঃ মাহামুদুল ইসলাম, সরকারি খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা জামশেদ ইকবলুর রহমানসহ আরো অনেকে। এবার উপজেলায় ৭৫৫ জন কৃষকের নিকট হতে প্রতিমন ১ হাজার ৪০ টাকা দরে ৭৫৫ মেট্রিক টন ধান এবং ৩৩ জন মিলারের নিকট হতে প্রতিকেজি ৩৬ টাকা দরে ১ হাজার ৩৯৬  মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হবে।

পরিবেশ সংরক্ষণে যতœবান হলে ভাইরাস থেকে সুরক্ষা দেয়া সহজ হতো – তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পরিবেশ সংরক্ষণে আরও যতœবান হলে রোগ-বালাই-ভাইরাস থেকে মানুষকে সুরক্ষা দেয়া সহজ হতো। গতকাল শুক্রবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ঢাকায় মন্ত্রী তার সরকারি বাসভবনে গাছের চারা রোপণকালে এ কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির এ সময়ে প্রকৃতি ও পরিবেশের স্বাচ্ছন্দ্য বিকাশ এবং বন্যপ্রাণীর নির্ভয় বিচরণ আমাদের দেখিয়ে দিচ্ছে স্বাভাবিক অবস্থায় আমরা পরিবেশের প্রতি কতটা নির্দয় আচরণ করি। চলমান মুজিববর্ষ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপ-কমিটির দেশব্যাপী ১০০ প্রজাতির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নেয়ার কথাও এ সময় জানান ড. হাছান মাহমুদ। এ সময় আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

গাংনী উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটি গঠন

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আহবায়ক কমিটিতে রয়েছেন- দৈনিক ইত্তেফাক সংবাদদাতা আমিরুল ইসলাম অল্ডাম, এম টিভি প্রতিনিধি মিনারুল ইসলাম, দৈনিক মানবজমিন ও সংবাদ সংস্থা পিবিএ,এর প্রতিনিধি সাহাজুল সাজু,নতুন সময় টিভির প্রতিনিধি নুরুজ্জামান পাভেল ও সাংবাদিক আবুল কাশেম অনুরাগী। গতকাল বৃহস্পতিবার গাংনী উপজেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় উপজেলা প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি বিলুপ্তি হয়। উপজেলা প্রেসক্লাব সূত্র জানায় আগামী এক মাসের মধ্যে গাংনী উপজেলা প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে।

কুষ্টিয়ায় কম্বাইন হারভেষ্টার উদ্বোধনকালে আতাউর রহমান আতা

যেসব কৃষকের ধান এখনো ঘরে তুলতে পারে নাই তাদের জন্য ডিজিটাল মেশিনের ব্যবস্থা করা হলো

নিজ সংবাদ ॥ বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে, পরিচালন বাজেটের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরের জন্য কৃষি যন্ত্রপাতি সহায়তা প্রদান কার্যক্রমের আওতায় কম্বাইন হারভেষ্টার বিতরণ করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসাবে বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, শহর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। সদর উপজেলা কৃষি অফিসার বিষ্ণু পদ সাহার মাধ্যমে মেশিন হস্তান্তর করা হয়। প্রধান অতিথি আতাউর রহমান আতা বলেন- এ সময়টা বোরো ধান কাটার মৌসুম। আমাদের সারা বছরের মোট চাল উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি যোগান দেয় বোরো ধান। ‘সেজন্য, কৃষকের ফসল সুষ্ঠুভাবে ঘরে তোলা জরুরি। এটি করতে পারলে কুষ্টিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা অনেকাংশে নিশ্চিত হবে। তিনি বলেন- করোনার বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যেও কুষ্টিয়া সদর উপজেলা এলাকায় স্বল্প খরচে ধান কাটার জন্য কম্বাইন হারভেষ্টার বিতরণের উদ্বোধন করা হলো। তিনি বলেন- কৃষকেরা দ্রুত ঘরে ধান তুলতে পারে সে জন্য এই ব্যবস্থা। তিনি উল্লেখ্য করে বলেন, “কৃষি ছাড়া বাঁচা যাবে না” কিছু দিন আগে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যে কৃষকের ধান এখনো ঘরে তুলতে পারে নাই, তাদের জন্য ডিজিটাল মেশিনের ব্যবস্থা করা হলো।

 

গাংনীতে করোনা আক্রান্তের অযুহাতে বাড়ী-ঘর ভেঙ্গে বাবাকে  বিতাড়িত করল সন্তানেরা

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুর জেলার গাংনীতে ছেলেদের হাতে বাবা লাঞ্ছিত হয়েছে। এরকম ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে, গাংনী উপজেলার কুলবাড়ীয়া গ্রামে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এমন অযুহাতে বাবাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেছে ছেলে সজল ও সাগর।  এমনকি বাবার মাথা গোঁজার ঠাঁই ছোট্ট কুঁড়ে ঘরটিও ভেঙ্গে দেয়া হয়েছ্ ে। বিচারের দাবিতে বিতাড়িত বাবা সাইফুল ইসলাম (৪৮) দ্বারে-দ্বারে ঘুরেও কোন কুল কিনারা পাচ্ছেন না। সাইফুল ইসলাম কুলবাড়ীয়া গ্রামের মৃত সুলতান আলীর ছেলে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে কুলবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, কুলবাড়ীয়া গ্রামের সাইফুল ইসলাম ১ম স্ত্রী ও ৩ ছেলে-মেয়েকে রেখে দীর্ঘ সময় ক্ষুদ্র ব্যবস্ার সুবাদে ঢাকাতে অবস্থান করে আসছিলেন। এমনকি সেখানে তিনি ২য় বিয়ে করে বসবাস করে আসছেন। গ্রামের বাড়ীতে মাঝে মধ্যে আসলেও সে ১ম  স্ত্রীর কোন খোঁজ খবর রাখেন না। তারপরেও বাবা সন্তানের কল্যাণে তাকে বিদেশে পাঠানোর সময় ২য় স্ত্রীর নিকট থেকে ১ লাখ টাকা দেয়। সম্প্রতি প্রবাস ফেরত ছেলে সজল আলী (৩০)  বাড়ীতে অবস্থান করছে। এই খবর পেয়ে বাবা টাকা ফেরত চাইতে সম্প্রতি ঢাকা থেকে বাড়ীতে আসেন। ছেলে সজল ও সাগর টাকার কথা অস্বীকার করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বলে বাবাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করে । বাবা সাইফুল ইসলাম বর্তমানে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ১ম স্ত্রী রেহেনা খাতুন জানান,  অনেক আগে আমার ছোট্ট ছেলে-মেয়ের রেখে সে বাড়ি থেকে চলে গেছে। সে কোন দিন আমাদের কোন খোঁজ খবর নেয়না। কোন টাকা পয়সাও দেয়না। ২য় বিয়ে করে সেখানেই সে থাকে। তবে আমার ছেলে বিদেশ যাওয়ার সময় ৭০ হাজার টাকা দিয়েছিল। আমার ছেলেরা তাকে মারধর বা বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়নি। করোনা ভাইরাসে  আক্রান্ত হতে পারে ভেবে তাকে পরিবারের  বাইরে থাকার জন্য বলা হয়েছিল। আহত সাইফুল ইসলাম জানান, আমি টাকা ফেরত চাইতে বাড়ীতে আসলে আমাকে মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছে।  আমি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত নই। ইতোমধ্যই নমুনা পরীক্ষা করে নেগিটিভ হয়েছে। গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওবাইদুর রহমান জানান- অভিযোগ পেলে ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

॥ নজরুল ইসলাম তোফা ॥

রাজশাহী থিয়েটার এবং কচিপাতা থিয়েটারের একজন কর্ণধার তাজুল ইসলাম

গণ মানুষের মনে জেগে উঠার স্বপ্নমালার মতো এক রহস্যের বহু দিনের ‘নাট্যানুভূতির অনামা কুসুম’। বাস্তবের চেয়েও স্বপ্নের দিকেই এশিল্পের  ঝোঁক- ‘কিছু মানুষের হৃদয়ে অধিকতর’। স্বপ্নকে বাস্তবে রূপায়িত করবার জন্যেই নাট্য জগতের আলো-আঁধারি মাখা সিঁড়ির দিকে চেয়ে থাকে, এই শিল্প তাঁদের কখনো ডাকে আবার কখনো ডাকেই না। কারো কপালেই ডাক আসে অহরহ, ডেকে ডেকে কখনো ক্লান্ত হয় আর কেউ একবারও ডাক পায় না। কি যে, অধীর আগ্রহে থাকেন অবিরাম একটিবার ডাক শোনার জন্য। এমন স্বপ্নটা কি কখনো পুরন হবেনা তাঁদের। সে যেন তাঁর নিজের মতো করে সদা সর্বদাই স্বপ্নটাকে উপজীব্য করে নাট্য শিল্পের স্বরূপ অন্বেষণের চেষ্টার পাশাপাশি নানাভাবে বিশে¬ষণ প্রেক্ষাপট বিবেচনা সহ নাট্যমঞ্চের কাজকর্মে গুরুত্বপূর্ণ সময় দিয়ে যাচ্ছেন। সে ব্যক্তিটার কালপরিক্রমায় বয়স হলেও যেন মনে বয়স হয়নি। তিনি বলেন,- এই পৃথিবীর সব আলো এক দিন নিভে গেলে পরে, পৃথিবীর সব গল্প একদিন ফুরাবে যখন, মানুষ রবে না আর, রবে শুধু এই মানুষের স্বপ্ন তখন। তিনি সৃজনে-উপলব্ধিতেই কতখানি সার্থক তাও হতে পারে এ লেখাটির উপজীব্য বিষয়।

রাজশাহীর নাট্যচর্চা নিয়ে এখানকার সংস্কৃতিমনা মানুষ অবশ্যই গর্ব করতেই পারে। আর বর্তমানের নাট্যাঙ্গনের কথা বলতে গেলে অতীতের স্মৃতি একবার আলোচনায় আনতেই হয়। অতীত সবসময়ের জন্য বর্তমানকে শক্তি জোগায় এবং ভবিষ্যতের স্বপ্নও দেখায়। তাই অভিজ্ঞতা অভিব্যক্তির সম্মিলিত উপস্থাপনের সাথেই যে প্রতিভাত হয়ে নানানমুখী শিল্পে পরিগণিত হয়েছে যাপিতজীবনে। তিনিই একজন নাট্যঅভিজ্ঞ এবং নাট্যজন মোঃ তাজুল ইসলাম। চীরসবুজ কিংবা তারুণ্যের প্রতীক রাজশাহীর সকল মানুষের পরিচিত মুখ তাজুল ইসলাম,- ‘রাজশাহী থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা পাশাপাশি ‘কচিপাতা থিয়েটারের প্রতিষ্ঠা’। এই চীরশিশু মানুষটি যেন সদা সর্বদাই থাকেন খুব হাস্যোজ্জ্বল চেহারায়। তাঁর কথাবার্তাতে আছে যেন বিনয়ের ছোঁয়া। এ মানুষটি ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়’ এর নাট্যকলায় সেরা সম্মাননা, রাজশাহী জেলার ‘শিল্পকলা একাডেমী’ থেকেও সম্মাননা  পেয়েছেন। তাছাড়া বিভিন্ন জেলার নাট্যাঙ্গন থেকেও তাঁকে অনেক সম্মাননা  প্রদান করে থাকেন। পাওয়া, আর না পাওয়ার মধ্যেই আক্ষেপ নেই তাঁর। তিনি নাটক ভালোবাসেন, নাটক নিয়েই সারা জীবন থাকতে চান। আনন্দঘন মূহুর্ত তাঁর এজীবদ্দশায় অনেক এসেছে। তিনি নিজে পথেই চলেন। ইউরিপিডিস একজন গ্রীক নাট্যকার বলেছিলেন যে, ‘জ্ঞানী মানুষেরা নিজের পথেই চলেন’। তাঁর কথার সাথেই-  “মোঃ তাজুল ইসলাম” এর মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

খুব অল্প বয়স থেকেই নাট্যজগতের কর্মের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। ‘অভিনয় এবং থিয়েটার’ নিয়েই যেন মাতামাতি করার পারিপার্শ্বিকতা তাঁর পরিবার তথা সমাজের নানা অভিভাবকদের অনেক প্রশ্রয় ছিল। ছোট, বড় নাটক বা গম্ভীরা, কবিতা, গানসহ নৃত্যকলার বিষয়ে লেখালেখির হাতও তাঁর অনেক ভালো। ‘নাটক’ নির্মাণের প্রয়োজনটা বোধ করতে শুরু করেছিল যেন ‘উত্তর কৈশোরে’। তখন মঞ্চাবতরণের ঝোঁকটা যেন শুধুমাত্রই বিনোদনিত হবার আকাঙ্খার মধ্যে তরঙ্গতুলে, তাতো তাঁর কখনোই যেন সমাপ্ত হতো না, মঞ্চায়ন বা অভিনয় তখন মনের মধ্যেই অত্যাগহন এক বেদনার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চলতে ছিল। তখন তাঁর মনে হতে শুধু করেছে নিজস্ব এক ‘থিয়েটার’ করতে না পারলে এই জীবন যাপিত হবে কোন উপায়ে? তাই তো তিনি শুধু করেছিলেন রাজশাহী থিয়েটার। এর পরে তাঁর মনে হয়েছিল শিশুকিশোররাও তো নাট্যচর্চার জায়গা খোঁজে, তাই তিনি প্রতিষ্ঠা করে ছিল’ “কচিপাতা থিয়েটার”। কচিপাতা থিয়েটারকে ২০০০ সালের দিকেই প্রতিষ্ঠিত করে আজ অবধি রাজশাহী সব শ্রেণীর শিশু- কিশোরদের মনের মাধুরী দিয়ে সংকৃতির শাখা প্রশাখায় প্রবেশ করিয়ে থাকেন।

শ্রদ্ধেয় মোঃ তাজুল ইসলাম, নাট্যচর্চার অবক্ষয়ের চরম সীমায় মশাল ধরেছিলেন। চীর প্রাচীন রাজশাহী বিভাগ এর সাংস্কৃতিক সংঘের একটি ‘পদ্মা মঞ্চ’, সেখানে তিনি অনেক নাটকে অভিনয় সহ নির্দেশনার পাশাপাশি নাট্য পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন। মঞ্চ হব- মঞ্চায়ন করব- এই রকম ভাসাভাসা কিন্তু অতি তীব্র এক স্রোতের টানে সে সময় ভাসতে শুধু করেছিলেন। তবুও তিনি তলিয়ে যায় নি, আজ অবধি হাল ধরেই আছেন। শিকড় ছাড়া যেমন গাছ বাঁচে না। তেমনি তিনি হচ্ছেন শিকড়ের এক তেজি পুরুষ। রাজশাহীর সংস্কৃতিমনা মানুষদের অবশ্য গর্বের পুরুষ। রাজশাহী শহরভিত্তিক নাট্যচর্চার প¬াটফর্ম বলতে ‘রাজশাহী থিয়েটার’ একটি উলে¬খযোগ্য নাম। থিয়েটার ১৯৮৫ সালেই জন্ম হয়। এখন পর্যন্ত বহু মঞ্চনাটক এবং পথনাটক প্রযোজনা করে যাচ্ছেন মোঃ তাজুল ইসলাম আর অভিনয় করেছেন অনেক নাটকে। তাঁর হাত ধরেই অনেক তরুণ প্রজন্ম অভিনয়, নির্দেশনা দেওয়ার শিক্ষা নিয়ে নাট্যাঙ্গনের খুব বড় পরিসরেই কাজ করছেন। তা ছাড়াও তিনি শিশু-কিশোরদের হাতে খড়ি দিয়ে যাচ্ছেন সেই কচিপাতা থিয়েটারে।

রাজশাহী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড বিশেষ ভাবে উল্লে¬খযোগ্য। সেখানে তিনি প্রতিনিয়ত নাট্যকর্মীদের সঙ্গেই যোগাযোগ রাখার সহিত উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। তিনি না থাকলে যে আনন্দ  শোভাযাত্রা বের হয়না। এই নাট্যজন রাজশাহীর গর্বিত পুরুষ বা উজ্জ্বল নক্ষত্র। ভারতবর্ষের নাট্যচর্চা ও তৎপরবর্তী পাকিস্তান পর্বের নাট্য চর্চার পরে এই স্বাধীন বাংলাদেশের নাট্যচর্চার  ক্ষেত্রেই “রাজশাহীর সাংস্কৃতিক অঙ্গন” যেন অন্য এক রূপ ধারণ করে। যাঁরা এই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিল তাঁদের মধ্যে অনেকেই আজ বেঁচে নেই। কিন্তু বেঁচে আছে তাঁদের সৃষ্টি। তমধে ‘ মোঃ তাজুল ইসলাম এর নাম উঠে আসে। “বাংলাদেশ গ্র“প থিয়েটার ফেডারেশন” এর সাথে জড়িত আছেন। বাংলাদেশ গ্র“প থিয়েটার ফেডারেশানের দুইবার তিনি নির্বাচিত কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য এবং বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সাবেক সমন্বয়কারী নাট্যজন তাজুল ইসলাম। তিনি নানাভাবেই যেন সকল অপশক্তি রুখে দিতে, শোষণ মুক্ত সমাজ বা অসাম্প্রদায়িক স্বদেশ গড়ে তুলতেই নাট্য চর্চাকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় সবসময়ে ব্যক্ত করেছেন খুব দৃঢ় চিত্তে।

বঙ্গবন্ধু চত্বর আলুপট্টিতে আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা, এরপর মুনস্ গার্ড পার্ক বড়কুঠি মুক্তমঞ্চ, লালন মঞ্চ ও রাজশাহী শহরের ঐতিহ্যবাহী “পদ্মা মঞ্চ” সহ রাজশাহী  মেডিকেল কলেজ অডিটরিয়ামে তাঁর পদচারণা নাহলে যেন নাটক পরিবেশন হয় না। তা ছাড়াও তো- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন সহ রাকসু ভবনে যসব আলোচনা, নাচ-গান কিংবা আড্ডা চলে সেসব জায়গায় উপস্থিত থেকে নাট্য অতিথি হয়েই শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান ও বিনোদনের উলে¬খযোগ্য ব্যক্তি হয়ে থাকেন। রাজশাহীর নাট্য কর্মী-সাংস্কৃতিক কর্মীদের “বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কিংবা বাংলাদেশ শিশু একাডেমি’র মঞ্চে তাঁর উপস্থিতি না হলে অনুষ্ঠান চলেই না। সত্যি বলতে কি রাজশাহী সিটি করপোরেশনে নানা সময় চলে সিটি মেয়র নাট্য উৎসব। সেই নাট্য মঞ্চটাকে সঠিকভাবে নির্মাণ সহ নাটক মঞ্চায়নের উপযোগী করা থেকে ‘শুরু কিংবা শেষ’ করা পর্যন্ত তাঁর অবদান থাকে। না হলেই রাজশাহীর সাংস্কৃতিকচর্চার মান সত্যিই অনন্য রূপ নেয় না বলেই সবার বিশ্বাস।

এই জীবদ্দশায় এতো কিছু করার পরেও এমন মানুষটি কখনো সখনো হয়ে যান অসুস্থ। তবুও প্রানের জায়গাটি হলো নাট্যাঙ্গন। জানা যায় যে, অসুস্থতা যখন খুব বাড়ে তখন লান্সে ইনফেকসান ধরা পড়ে। উচ্চতর চিকিৎসার জন্য তাকে খুব তাড়াতাড়ি ভারতে নিতে হয়েছে। শ্রদ্ধেয়  তাজুল ইসলাম ভাইয়ের সার্টিফিকেট জন্মগ্রহনে তারিখ যেন ১৯৪৬ সালে। এমন আবির্ভাব দিবসটাকে ঘিরে হয় অনেক সময়েই “কেক  কেটে ও ফানুস” উড়িয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য ও অভিন্দন জানিয়ে থাকেন ‘রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সংগ্রামী জননেতা সভাপতি বা সিটির সকল জনতার জনপ্রিয়, মাননীয়  মেয়র জনাব এ.এইচ. এম. খাইরুজ্জামান লিটন এর পাশাপাশি এ মহানগরের আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ‘রেণী ভাবি’ও তাঁর জন্ম দিনে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করেন। রাজশাহী থিয়েটার- এর প্রতিষ্ঠাতা হওয়ার জন্য, উনিই  সেখানে বিখ্যাত হন। রাজশাহী থিয়েটার এর নাট্যকর্মীদেরসহ তাঁর কচিপাতা থিয়েটার এর কর্মীরাও ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সকল শিশু, কিশোর, যুবকরা তাঁকে নিয়ে শুভ জন্মদিন পালন করেন। সেখানে রাজশাহী শহরের কিংবা রা.বি  কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোটভুক্ত সংগঠনের নেতা কর্মী’রা উপস্থিত থেকে সারা দিন নাটক-গান-নৃত্য- গম্ভীরা গানের বিভিন্ন আয়োজন করেন। আমন্ত্রণে উপস্থিত সবাই তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করে থাকেন। সংগঠনের নিবেদিতপ্রাণ নাট্যজন মো: তাজুল ইসলামের ফুসফুসে আক্রান্ত হয়ে থাকলেও যেন প্রাণচ্ছল মানুষটি আরও সতেজ হয়ে উঠেন, যখন একপাল থিয়েটার বন্ধুরা এসেই খোঁজ খবর নেয়। যাঁরা সাহস জোগালেন বাংলাদেশ গ্রাাম থিয়েটারের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য জনাব কাজী সাইদ হোসেন দুলাল, ইলা মিত্র অঞ্চলের সমন্বয়কারী মশগুল হোসেন ইতি, পুঠিয়া থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক: সাগর কুমার, রাজশাহী থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক নুর আলম প্রমুখ।

পরিশেষে বলতে চাই যে এমন তারুণ্যের প্রতীক, শিকড় সংস্কৃতির প্রাণপুরুষ ব্যক্তিটিকেই ঢাকা থেকে কারগাড়ি নিয়ে শুধুমাত্র তাঁকে দেখার জন্যেই-  এ তরুণ প্রজন্মের ‘নাট্যকার ও পরিচালক শিমুল সরকার’ যখন এসে ছিল ঠিক তখনই শ্রদ্ধেয় শিমুল সরকার ভাই আমাকে ডেকে ছিলেন। আমি  সেখানেই উপস্থিত হয়েছিলাম। নাট্যকার ও পরিচালক শিমুল সরকার তাঁকে  বলেছিলেন তাজুল ভাই প্রস্তুতি নেন, আমি আপনাকে আমার নিজের লেখা ও পরিচালনা একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করার সুযোগ দিবো। তখন শ্রদ্ধেয় তাজুল ভাই যে কি খুশি, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আবার আমিও কোনো এক সময়েই নাট্যকার ও পরিচালক শিমুল সরকার এর কথার ফাঁকেই বলা যায় কানে কানে বলেছিলাম তাজুল ভাই আপনাকে নিয়ে একটা খুববড় লেখা প্রকাশ করার ইচ্ছা আছে। উনি বললেন যে, তথ্য চাও তো ঠিক আছে আমার ফেসবুকেই পাবে। অনেকদিন পরে হলেও উনার কথা ও স্মৃতিকথা আলোচনায় নিয়ে আসার যতসামান্য  প্রচেষ্টা মাত্র।

লেখকঃ টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট এবং প্রভাষক।

করোনা এবং আম্পান মোকাবেলায় মানবতার কল্যাণে যশোর  সেনানিবাস

করোনা এবং আম্পান মোকাবেলায় জাতীয় জীবনে কঠিন এক সংগ্রামের মধ্যদিয়ে দেশের কোটি কোটি মানুষকে সুরক্ষিত ও নিরাপদ রাখতে প্রতিনিয়ত মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তথা ৫৫ পদাতিক ডিভিশন। এরই ধারাবাহিকতায় করোনা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন ব্যানার/ প¬্যাকার্ড সম্বলিত ”ঘন ঘন হাত ধুই, করোনা থেকে নিরাপদ রই” লেখা নিয়ে প্রতিনিয়ত মানুষের দ্বারে দ্বারে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। উল্লে¬খ্য যে, করোনার মধ্যে চালুকৃত গণপরিবহনে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী চলাচল করছে কিনা তা তদারকিতে সোচ্ছার অবস্থানে রয়েছে সেনাসদস্যরা। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ বিতরণ, জীবানুনাশক ¯েপ্র করা, জনসচেতনতায় মাইকিং করা, ফ্রি চিকিৎসা সেবা, ঔষধ বিতরণ এবং দুস্থ কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন প্রকার শস্য/সবজি বীজ বিতরণসহ নানাবিধ জনসেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে আম্পান মোকাবেলায় ক্ষতিগ্রস্থ উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ নির্মাণ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ঘরবাড়ী  মেরামত, জরুরী চিকিৎসা সহায়তা প্রদান, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহসহ নানাবিক জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত  রেখেছে যশোর সেনানিবাসের সেনাসদস্যরা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

কুমারখালীতে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

কুমারখালী প্রতিনিধি  ॥ বজ্রপাতের ঘটনায় কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন- ফারুক মন্ডল (৩০) ও শফি বিশ্বাস (৫০)। বৃহস্পতিবার দুপুরে বৃষ্টির মধ্যে গরু চড়ানো ও মাঠ থেকে ধান নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তারা মারা যান। নিহত ফারুক মন্ডলের বাড়ি উপজেলার চরসাদিপুর ইউনিয়নের ঘোষপুর গ্রামে এবং শফি মন্ডলের বাড়ি নন্দলালপুর ইউনিয়নে সদরপুর গ্রামে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও থানা সূত্রে জানাগেছে, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে কুমারখালী উপজেলার চরসাদীপুর ইউনিয়নের ঘোষপুর গামের কৃষক ফারুক মন্ডল পদ্মার চরে গরু চড়ানোর সময় ঝড়ো হাওয়া, বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। এ সময় বজ্রপাতে ফারুক মন্ডলের শরীর ঝলসে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহত কৃষক ফারুক মন্ডল চরসাদীপুর ইউনিয়নের ঘোষপুর গ্রামের হামিদুল্লাহ্ মন্ডলের ছেলে। অন্যদিকে, নন্দলালপুর ইউনিয়নের সদরপুর গ্রামের মধ্যপাড়া গ্রামের কৃষক শফি বিশ্বাস বিকাল ৪টার দিকে মাঠ থেকে ধান কেটে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতের কবলে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন। শফি বিশ্বাস সদরপুর গ্রামের মৃত, ময়েজ উদ্দিনের ছেলে। কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, নিহতদের মরদেহ উদ্ধারের পর তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বোর্ডের ক্ষোভ নেই হেটমায়ার-ব্রাভোদের ওপর

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইংল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন না তিন ক্রিকেটার। তবে ড্যারেন ব্রাভো, শিমরন হেটমায়ার ও কিমো পলের এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ নয় বোর্ড। বরং ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান নির্বাহী জনি গ্রেভ বলেছেন, এই তিনজনের সিদ্ধান্ত বোর্ড মেনে নিয়েছে এবং সম্মানও করছে। ইংল্যান্ড সফরের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট স্কোয়াড থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন এই তিন ক্রিকেটার। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে তারা যেতে চান না এই সফরে। অতীতে ক্রিকেটারদের সঙ্গে নানা সময়ে অনেকবারই ঝামেলা হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোর্ডের। এবার প্রধান নির্বাহীর বক্তব্য তাই ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটে স্বস্তি হয়েই এসেছে। ইএসপিএনক্রিকইনফোর সঙ্গে কথোপকথনে গ্রেভ জানিয়েছেন, ক্রিকেটারদের তারা আগেই বার্তা দিয়েছিলেন, মনে সামান্যতম সংশয় থাকলেও সফরে না যেতে, কারণ সেটা তাদের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারে। হেটমায়ার, ব্রাভো ও পলের সফরে না যেতে চাওয়ার মূল কারণ পারিবারিক। তিনজনের সিদ্ধান্তের পেছনের কারণও আলাদা ব্যাখ্যা করেছেন প্রধান নির্বাহী। পেস বোলিং অলরাউন্ডার পল বোর্ডের কাছে পাঠানো আবেগময় ই-মেইলে জানিয়েছেন বিস্তারিত। “ কিমো পল তার বিশাল পরিবারের একমাত্র উপর্জনকারী। তার কিছু হলে পরিবার কীভাবে চলবে, এটি নিয়ে সে সত্যিই দুর্ভাবনায় ছিল। তার ব্যাপারটি জানিয়ে আমাদের কাছে লিখেছে যে, ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়েই তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে, ইংল্যান্ডে যেতে সে স্বস্তি পাচ্ছে না।” “সে খুব আবেগময় ভাষায় লিখেছে যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে খেলতে কতটা ভালোবাসে এবং এই সিদ্ধান্ত কতটা কঠিন ছিল। কিন্তু পরিবারের সঙ্গে আলোচনার পর তার মনে হয়েছে, সফরে যাওয়া ঠিক হবে না।” গ্রেভ জানিয়েছেন, হেটমায়ার সফরে যাচ্ছেন না, কারণ ‘পরিবারকে রেখে ইংল্যান্ড সফরে যাওয়া তার নিরাপদ মনে হচ্ছে না এবং স্বস্তি পাচ্ছে না।’ ব্রাভোর সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে ইংল্যান্ডের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি। এমন কোনো ঝুঁকি এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান নিতে চাননি, যা তার পরিবারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। প্রধান নির্বাহী বলেছেন, তিনজনের কারণই তাদের কাছে যৌক্তিক মনে হয়েছে এবং কাউকে তারা জোর করবেন না বা সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বলবেন না। ‘জীবাণুমুক্ত পরিবেশে’ তিন ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজ শুরু হবে আগামী ৮ জুলাই। তবে দুই সপ্তাহ কোয়ারেন্টিনে থাকতে ও পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে ক্যারিবিয়ানরা ইংল্যান্ডে যাচ্ছে এক মাস আগেই।

পরিচালকের বিরুদ্ধে শ্রীলেখার অভিযোগ

বিনোদন বাজার ॥ টলিউড সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। বিতর্কও যেন তার নিত্যসঙ্গী। এবার টলিউড পরিচালক সৌকর্যের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়েছেন এই অভিনেত্রী। বৃহস্পতিবার শ্রীলেখা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন। এ স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করেই বিতর্কের জাল বিস্তৃত হয়েছে। জানা যায়, দুই বছর আগে শ্রীলেখাকে নিয়ে ‘রেনবো জেলি’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন সৌকর্য। এটি এখন নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু চলচ্চিত্রটির পারিশ্রমিক শ্রীলেখা এখনো পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। সেই সঙ্গে নেটফ্লিক্সে অভিনয়শিল্পীদের নামের তালিকায় নাম নেই শ্রীলেখার। তারই জের ধরে চলছে বিতর্ক। পারিশ্রমিকের বিষয়ে শ্রীলেখা মিত্র বলেনÑ‘‘ভেবেছিলাম একজন নতুন ছেলে, ভালো গল্প লিখছে, কাজ করতে চাইছে ওর কাজটা হোক, তারপর টাকাপয়সার কথা ভাবব। ওমা, সিনেমা হয়ে গেল, কাজ ভালো হলো, তারপর কোনো উচ্চবাচ্চই নেই! এবার পূজার আগে টাকার দরকার ছিল। ‘রেনবো জেলি’-এর জন্য টাকা চেয়েছিলাম। পার্ট পেমেন্ট চেয়েছিলাম। সৌকর্য বলল, কিসের পেমেন্ট শ্রীলেখাদি? আমি বলেছিলাম, তোমার সঙ্গে আর কী ব্যবসা আছে আমার, যে সিনেমা ছাড়া অন্য কিছুর জন্য পেমেন্ট চাইব? যে যায় লঙ্কায় সে-ই হয় রাবণ! তাই তো সৌকর্য? আরো কয়েক বছর আগে ‘পে-ুলাম’ করেছিলাম। বলেছিলাম, ওই পুরোনো পারিশ্রমিক নেব, সে টাকাও পুরোটা পাইনি।’’ এদিকে শ্রীলেখার এমন অভিযোগ মিথ্যা বলছেন সৌকর্য। তার ভাষায়Ñ‘মিথ্যে বলছে শ্রীলেখাদি! আমি টাকা দিয়েছি। আমি তো সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখলাম, তা হলে জিএসটি স্লিপ পোস্ট করি? উত্তর আসেনি। আমার প্রশ্নের উত্তর আমি পাচ্ছি না।’ নেটফ্লিক্সে একজন ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর জানিয়েছেন, কার নাম যাবে আর কারটা যাবে না সেটা পরিচালক-প্রযোজক ঠিক করে দেন। তবে শিল্পীদের তালিকায় শ্রীলেখার নাম নেই কেন? সেই প্রশ্ন তুলেছেন এ অভিনেত্রী। যদিও এ বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি পরিচালক। বরং তিনি বলেন, ‘নেটফ্লিক্সের লোকটি কে? তার নাম কী? সেই নাম কিন্তু সামনে আসছে না।’ সময়ের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক দীর্ঘ হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আইনি সমাধানের পথে হাঁটার বিষয় স্মরণ করে শ্রীলেখা মিত্র বলেনÑ‘আমি চাইলে মামলা করতে পারি।’ এ প্রসঙ্গে সৌকর্য বলেন, ‘আমি শুধু না, এতোবার যে নেটফ্লিক্সের প্রসঙ্গ আসছে, চাইলে নেটফ্লিক্সও মানহানির মামলা করতে পারে।’

 

 

শুটিংয়ে অংশ নিতে পয়ষট্টি বছরের বেশি বয়সিদের বন্ড সই দিতে হবে

বিনোদন বাজার ॥ আগামী ১০ জুন থেকে টলিপাড়ায় শুরু হচ্ছে শুটিং। বৃহস্পতিবার টিভি চ্যানেল কর্তৃপক্ষ, প্রযোজক, শিল্পী, টেকনিশিয়ানদের সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে পয়ষট্টি বছরের বেশি বয়সিদের শুটিংয়ে অংশ নিতে হলে বন্ড সই দিতে হবে। ১০ বছরের কম বয়সিদের শুটিংয়ে রাখা হবে না। অন্তরঙ্গ বা চুম্বন দৃশ্য চিত্রনাট্যে থাকছেন না। টিভি এবং চলচ্চিত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম। এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছেÑসৌমিত্র চ্যাটার্জি, সাবিত্রী চ্যাটার্জি, মাধবী মুখার্জি, লিলি চক্রবর্তী, পরাণ ব্যানার্জির মতো বয়স্ক শিল্পীরা অভিনয় করতে চাইলে বন্ড সই দিয়ে শুটিং ফ্লোরে ঢুকতে পারবেন। যেখানে লেখা থাকবে, শিল্পীর সম্মতিতে তাকে দিয়ে শুটিং করানো হচ্ছে। বয়স ৬৫ বছর হলেই এমন নিয়ম। বন্ড সইয়ের কথা শুনে সিনিয়র অভিনয়শিল্পীদের অনেকেই বেঁকে বসেছেন। লিলি চক্রবর্তী বলেন, ‘শুটিং শুরু হবে এমন আঁচ পেয়ে দু’টি সিনেমার জন্য ফোন করেছিলেন। একেবারে ‘না’ বলে দিয়েছি। ঝামেলার কোনো শেষ আছে? মেকআপ নিজেরা করে নিলেই ভালো। কস্টিউম নিয়ে আসতে হবে বাড়িতে পরিষ্কার করার জন্য। এরকম পরিস্থিতিতে কয়েকমাস শুটিং করতে চাই না।’ এমন সিদ্ধান্তে প্রবীণ অভিনেতা পরাণ ব্যানার্জিও বিরক্ত। তিনি বলেন, ‘শুটিং করতে চাই কি চাই না, এমন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া মুশকিল। সামাজিক নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ব্যাপার আছে। শুটিংয়ের প্রস্তাব এলে ভেবে দেখব।’ গতকালের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘শুটিংয়ে কোনো শিল্পী বা টেকনিশিয়ান করোনায় আক্রান্ত হলে রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা হবে। ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়ামের ৫০ শতাংশ অর্থ দেবে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ, ৪০ শতাংশ দেবেন প্রযোজক। আর ১০ শতাংশ দেবে আর্টিস্টস ফোরাম।’

ভিকি-ক্যাটরিনাকে এক করার পরিকল্পনা করছেন করন জোহর

বিনোদন বাজার ॥ বলিউডের এই সময়ের অন্যতম আলোচিত জুটি ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফ। প্রায়ই তাদের পার্টি, নৈশভোজসহ বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এই জুটিকে এক করার পরিকল্পনা করছেন করন জোহর। তার জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘কফি উইথ করন’র পরবর্তী সিজনে ক্যাটরিনা ও ভিকিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইছেন করন। কস্টিউম ডিজাইনার আনিতা শ্রফের সঙ্গে লাইভ চ্যাট শোয়ে এই কথা জানান তিনি। ‘কফি উইথ করন’ টক শোয়ের সপ্তম আসরে কোন তারকাকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছেন, জানতে চাওয়া হলে করন জোহর বলেন, ‘ভিকি ও ক্যাটরিনা, তাদের নিয়ে বর্তমানে অনেক গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।’ এই ‘কফি উইথ করন’ অনুষ্ঠানের ষষ্ঠ আসরেই ক্যাটরিনা ও ভিকিকে নিয়ে আলোচনা শুরু। অনুষ্ঠানের একটি পর্বে ক্যাটরিনার প্রতি ভালো লাগার কথা জানান ভিকি। পাশাপাশি এই অভিনেত্রীর সঙ্গে অভিনয়ের ইচ্ছে প্রকাশ করেন। পরবর্তী সময়ে একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের মঞ্চে মজার ছলে ক্যাটরিনাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন এই অভিনেতা। নেটদুনিয়ায় দৃশ্যটি ভাইরাল হলে তাদের নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। এছাড়া গত বছর দীপাবলী উপলক্ষে আয়োজিত একটি পার্টিতে তারা একসঙ্গে হাজির হলে বলিপাড়ায় তাদের প্রেম নিয়ে কানাকানি শুরু হয়। এখানেই শেষ নয়, এর কয়েকদিন পরেই একসঙ্গে নৈশভোজে গিয়ে প্রেমের গুঞ্জন আরো উসকে দেন তারা। সর্বশেষ ইশা আম্বানির হোলি পার্টিতে এই জুটিকে একসঙ্গে দেখা যায়।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজ সংবাদ ॥ আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক এর আয়োজনে বৃহস্পতিবার দুপুরে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পে উপকারভোগীদের মধ্যে আয় বর্ধক কর্মকান্ডে ঋণ বিতরণ কার্যক্রম ও নিয়মিত পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় কুষ্টিয়া সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জুবায়ের হোসেন চৌধুরী বলেন- এই প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকার প্রকল্পের অন্যতম প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামের মহিলাদেরকে সমিতির মাধ্যমে একত্রিত করে সঞ্চয় ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে  তোলাই এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, গ্রামের মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে, তারা ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে সমিতির মাধ্যমে হাঁস-মুরগী, ছাগল ও গরু পালন করতে পারেন। নিজেরা স্বাবলম্বী হলে সংসারে তাদের সম্মান বাড়বে। জুবায়ের চৌধুরী আরো বলেন, ‘সমবায়ের মাধ্যমে খামারে উৎপাদিত পণ্য বিপণন ব্যবস্থা করতে পারলে প্রতিটি পরিবার লাভবান হবে। আমরা যদি নিজেদের পণ্য প্রক্রিয়াজাত করে সমবায়ের মাধ্যমে বাজারজাত করতে পারি তাহলে সবারই অধিক লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দৌলতপুরে মশক নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ সংক্রান্ত সচেতনামূলক সভা অনুষ্ঠিত

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মশক নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ সংক্রান্ত সচেতনামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে জনসচেতনতামূলক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তারের সভাপতিত্বে সচেতনামূলক সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুন। ডেঙ্গু প্রতিরোধ সংক্রান্ত জনসচেতনামূলক বিষয় তুলে ধরেন দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. পূর্ণপমা পূজা। সভায় ইউপি সদস্য, স্থানীয় সুধীজনসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়। জনসচেতনতামূলক এ সভায় প্রধান অতিথি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুন ও সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বর্ষা মৌসুমে এডিস মশা বংশ বিস্তার করে। এডিস মশার মাধ্যমে ডেঙ্গুরোগ ছড়ায়। তাই এডিস মশা যাতে বংশ বিস্তার করতে না পারে সে বিষয়ে আমাদের যা যা করনীয় তা করতে হবে এবং এ বিষয়ে সকলকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। নিজ নিজ বাড়ি আঙিনা পরিস্কার রাখতে হবে। কোথা পানি জমে না থাকে সে দিকটা খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখতে এডিস মশার বিস্তাররোধ হলেই আমরা ডেঙ্গুমুক্ত থাকতে পারবো। দৌলতপুর উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন জনসচেতনতামূলক এ সভার আয়োজন করেন।

দৌলতপুরে পোনা মাছ অবমুক্তকালে এমপি বাদশা

হিসনা নদীর হারানো গৌরব ও অতীত ঐতিহ্য ফিরে আনা হবে

শরীফুল ইসলাম ॥ কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. আ. ক. ম. সরওয়ার জাহান বাদশা দখলে দুষনে ভরাট হওয়া হিসনা নদীর হারানো গৌরব ফিরে আনা হবে বলে জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার পোনা মাছ অবমুক্ত কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে সংসদ সদস্য সরওয়ার জাহান বাদশা এ প্রতিশ্র“তি দিয়ে বলেন, হিসনা নদীতে এক সময় পানি প্রবাহমান থাকতো আর সেই পানি দিয়ে ফসলের জমিতে সেচ দিয়ে ফসল ফলাতো কৃষক। দেশী বিভিন্ন প্রজাতির মাছে ভরা থাকতো হিসনা নদী আর সেই নদীতে জেলেরা স্বাধীনভাবে জাল ফেলে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো। এখন সেই হিসনা নদী দখল হয়ে হারিয়েছে তার গৌরব ও অতীত ঐতিহ্য। তিনি বলেন, আমি আবার হিসনা নদীর গৌরব ফিরে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেছি এবং তা কার্যকর করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছি। বেলা ১১টায় উপজেলার মথুরাপুর আশ্রয়ন প্রকল্পের পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্ত কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. আ. ক. ম. সরওয়ার জাহান বাদশা এসব কথা বলেন। দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তারের সভাপতিত্বে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কার্যক্রমে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুন, দৌলতপুর প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল মালেক ও ভাইস চেয়ারম্যান সাক্কির আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর মৎস্য কর্মকর্তা খন্দকার মো. সহিদুর রহমান। দৌলতপুর মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে মথুরাপুর আশ্রয়ন প্রকল্পের তিনটি পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়। এসময় স্থানীয় মৎস্যজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। চলতি ২০১৯-২০ অর্থ বছরে উন্মুক্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচীর আওতায় দৌলতপুর উপজেলার ১০টি জলাশয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মোট ৩৫০ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হবে। এরমধ্যে গতকাল মথুরাপুর আশ্রয়ন প্রকল্পের তিনটি পুকুরে ১০০ কেজি পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়। এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে দৌলতপুর মৎস্য দপ্তর।

 

গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রতিশ্র“তি ভঙ্গের শামিল – কাদের

ঢাকা অফিস ॥ গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং অর্ধেক আসনের বেশি যাত্রী উঠানো প্রতিশ্র“তি ভঙ্গের শামিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গতকাল শুক্রবার জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি কর্তৃক অনলাইনে কোভিড-১৯ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, উন্নত বিশ্বের দেশগুলো অর্থনীতির শক্ত ভিত এবং স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতা নিয়েও করোনা ব্যবস্খাপনা ও চিকিৎসায় হিমশিম খাচ্ছে। সকলকে মনে সাহস রাখার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আক্রান্ত হলে চিকিৎসার পাশাপাশি মনোবল ধরে রাখতে হবে। মনের শক্তি এবং প্রতিরোধক্ষমতা বাড়লে রোগের শক্তি কমে যায়। সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণের অবনতিশীল পরিস্থিতিতে আক্রান্তদের সঠিক সেবা প্রদানের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে করোনা সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবার ও কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ জরুরি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপকমিটির এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে ঝুঁকি মুক্তভাবে কাজ-কর্ম চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকেও স্বেচ্ছাসেবীরা প্রশিক্ষণ দিতে পারবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। কাদের বলেন, দেশরতœ শেখ হাসিনা আমাদের আশার বাতিঘর। তিনি সবার পাশে আছেন। তার হাতকে শক্তিশালী করতে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সমন্বয়ের মাধ্যমের মানুষের পাশে থাকার আহবান জানান কাদের। হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীদের ভোগান্তি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে করোনা রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার অনুরোধ করছি। সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারি একটি বৈশ্বিক সংকট। বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও আসলে মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত ও সংক্রমণ বিস্তারের দিক থেকে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাংলাদেশ ২১তম অবস্থানে এসেছে। সংক্রমণের মাত্রা আরও বাড়বে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় উন্নত দেশগুলো হিমশিম খাচ্ছে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলো অর্থনীতির শক্তভীত এবং স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা নিয়েও তারা আজ অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে এই মহামারির কাছে। করোনা মোকাবিলায় সরকারের ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার সংকটের শুরু থেকে দক্ষতা ও সমন্বয়ের সঙ্গে নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও করোনা সংক্রমণ রোধ, চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর অসহায় ও কর্মহীন মানুষের পাশে সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সহযোগিতা করে আসছে। সরকার অর্থনৈতিক সুরক্ষায় ঘোষণা করেছে এক লাখ কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় করোনা সংক্রমণ রোধে সচেতনতা তৈরি এবং আক্রান্ত হলে প্যানিক না হয় চিকিৎসা ব্যবস্থা কিভাবে করা যায় তা নিয়ে এ উপ-কমিটির স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ বলে মনে করি। উদ্যোগ উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক হোসেন মনসুরের সভাপতিত্বে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুরসহ উপ-কমিটির নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসকগণ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকবৃন্দ এ কোর্সে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিচ্ছেন চারদিনের এ প্রশিক্ষণে। পরবর্তীতে এ প্রশিক্ষণ বিভাগীয় পর্যায়ে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির।