এবার তামিম দিলেন উইলিয়ামসন চমক

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥  প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার নেশা পেয়ে বসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বর্তমান ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবালকে। নিজের ফেসবুক পেজে লাইভ আড্ডার যে আয়োজন শুরু করেছেন তিনি, সেখানে প্রতিনিয়ত চমক দিয়েই যাচ্ছেন তামিম। সে ধারাবাহিকতায় এবার তিনি দিলেন কেন উইলিয়ামসন নামের এক চমক। সবাইকে অবাক করে দিয়ে নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক উইলিয়ামসনকে নিজের আয়োজনে অতিথি হিসেবে পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশসেরা এ ব্যাটসম্যান। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) ২১ মে লাইভ সেশনের একাদশ পর্বে উইলিয়ামসনকে আনছেন তামিম। প্রথম ১০ পর্ব রাতের বেলা করলেও, সময়জনিত পার্থক্যের কারণে এবারের আয়োজনটি হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায়। পঞ্চম বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে তামিমের আড্ডায় আসবেন উইলিয়ামসন। এরই মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার ফাফ ডু প্লেসিস, ভারতের রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি এবং পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরামকে দেখা গেছে তামিমের এই লাইভ আড্ডায়। উল্লেখ্য, সর্বপ্রথম মুশফিকুর রহীমের সঙ্গে ২ মে এ লাইভ করেছিলেন তামিম। পরদিন ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এ দুটি পর্বই হয়েছিল ইন্সটাগ্রামে। পরবর্তীতে দর্শক অনুরোধের মুখে নিজের লাইভ সেশনটি ফেসবুকে নিয়ে আসেন তামিম। গত ৪ মে ফেসবুক লাইভের প্রথম দিন উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের সফলতম অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। যা পেয়েছিল বিপুল দর্শকপ্রিয়তা। প্রায় এক লাখ মানুষ একসঙ্গে সেদিন উপভোগ করেছেন মাশরাফি-তামিমের খুনসুঁটি।

তামিমকে ওয়াসিম- বাংলাদেশের ক্রিকেট খুব দ্রুত এগিয়েছে

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ তামিম ইকবালের সঙ্গে লাইভ চ্যাট। সেখানে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ আসবে না, তা তো কোনোভাবেই হতে পারে না। সেখানেই পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক এবং বিশ্বের অন্যতম সেরা ফাস্ট বোলার ওয়াসিম আকরাম জানিয়ে দিয়েছেন, ‘গত ১০-১২ বছরে বাংলাদেশের ক্রিকেট অনেক দ্রুত এগিয়েছে।’ বাংলাদেশের ক্রিকেটে বেশ কিছু বিশ্বমানের পারফরমারের আগমণ ঘটেছে বলেও মন্তব্য করেছেন ওয়াসিম। তামিম ইকবালের ফেসবুক লাইভ চ্যাটে বাংলাদেশের বর্তমান ক্রিকেটারদের নিয়েও প্রশংসা করেন ওয়াসিম। করোনা মহামারির কারণে নেই কোনো ক্রিকেট। ক্রিকেটাররা রয়েছেন ঘরবন্দী। মাঠে যাওয়া তো দুরে থাক, অনুশীলনও করতে পারছেন না তারা। এরই মধ্যে ক্রিকেট সমর্থকদের সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ ব্যস্ত করে তুলেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল। বাংলাদেশের সাবেক তিন ক্রিকেটার আকরাম খান, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু এবং খালেদ মাসুদ পাইলটের সঙ্গে তামিমের ফেসবুক লাইভে। সেখানেই ওয়াসিম আকরাম বলেন, ‘আমি বাংলাদেশে আসাকে খুব মিস করি। বাংলাদেশ সব সময়ই রয়েছে আমার হৃদয়ের গহীনে। সেখানকার মানুষ, খাবার-দাবার এবং অবশ্যই ক্রিকেট আমাকে খুব বেশি টানে।’ বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতির কথা বলতে গিয়ে ওয়াসিম আকরাম বলেন, ‘গত ১০-১২ বছরে বাংলাদেশের ক্রিকেট যে দ্রুততার সঙ্গে এগিয়েছে, তা দেখে সত্যি আমার খুব ভালো লাগছে। দেশটিতে এখন রয়েছেন বিশ্বমানের ক্রিকেটার। যেমন আপনি নিজে (তামিম), সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম, মোস্তাফিজুর রহমান- এসব ক্রিকেটারদের সবাইকে দেখলে সত্যিই খুব ভালো লাগে।’ তামিম ইকবাল এ সময় ওয়াসিম আকরামকে মজা করে বলেন, আমাদের সৌভাগ্য যে আমাদেরকে আপনার মত একজন বোলারের মোকাবেলা করতে হয়নি। জবাবে ওয়াসিম আকরামও জানিয়ে দেন, বাংলাদেশের বর্তমান স্কোয়াডের বিপক্ষে খেলতে পারলে দারুণ অনুভূতি হতো তার।

 

বাংলাদেশ নিয়ে শ্রীলঙ্কার প্রস্তুতি – যা বললেন বিসিবি প্রধান

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ধরনের ক্রিকেট বন্ধ প্রায় সবগুলো ক্রিকেট খেলুড়ে দেশেই। যদিও আইসিসির টেস্ট প্লেইং দেশগুলোর মধ্যে করোনাভাইরাস মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে শ্রীলঙ্কা। যে কারণে, আগামী জুলাইয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ আয়োজন করতে চায় বলে সম্প্রতি নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী অ্যাশলে ডি সিলভা। সিরিজ আয়োজনের সব প্রস্তুতি তারা গ্রহণ করেছে বলেও জানিয়েছে। কিন্তু শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড চাইলেই কি আর সব হবে? বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও তো (বিসিবি) চাইতে হবে। বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন আজ এক অনুষ্ঠানে এই মনোবাভাবই ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, শ্রীলঙ্কা চাইলেই যে সিরিজটা অনুষ্ঠিত হয়ে যাবে, তার কোনো কারণ নেই। করোনার কারণে অসহায় এবং দুঃস্থ ক্রীড়াবিদদের মাঝে সহযোগিতার চেক তুলে দেয়ার জন্য বুধবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন। সেখানেই তিনি, কবে আবার মাঠের খেলা শুরু হবে তা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তার কথা জানান। বিসিবি সভাপতি নাজমুল বলেন, ‘দেখুন, তারা (শ্রীলঙ্কা) আয়োজন করতে চাইলেই তো হলো না। আমরা পাঠাতে (দল) পারব কি-না, তাও তো দেখতে হবে। আমাদের  খেলোয়াড়দের পাঠানো ঠিক হবে কি না এই মুহূর্তে, কোথায় থাকবে, কী কবে- এগুলো সহজ সিদ্ধান্ত নয়।’ আপাতত কোনো দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিয়ে কোনো উদ্যোগ না নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নজর দিবে বিসিবি। পাপন বলেন, ‘আমরা অন্যদের পর্যবেক্ষণ করব। আইসিসি কী করে, এসিসি কী করে। অন্য দেশগুলো কী করছে। এখন পর্যন্ত কেউ নির্দিষ্ট তারিখ দিয়ে বলতে পারেনি খেলা কবে হবে। আমরাই এক্ষেত্রে প্রথম হব, এটা ভাবা ঠিক নয়।’ কোভিড-১৯ ভাইরাসে এ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় আক্রান্ত হয়েছে ১০০৯ জন। মৃত্যু কেবল ৯ জনের। এখন হয়তো সেখানকার পরিস্থিতি ভালো। কিন্তু একমাস পর কি হবে তা বলা মুস্কিল। বিসিবি প্রধান বলেন, ‘একটা জায়গা এখন ভালো আছে, একমাস পরে দেখা গেল, আবার হচ্ছে (করোনাভাইরাস) ওখানে। এটা তো বলা যাচ্ছে না শেষ হবে কোথায় বা কখন কী পরিস্থিতি (তৈরি হবে)।’ আইসিসির এফটিপি অনুসারে, আগামী জুলাইয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে তিন টেস্টের সিরিজ খেলতে শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের।

বিষমুক্ত সবজি চাষে এগিয়ে আসছেন কৃষকরা

কৃষি প্রতিবেদক ॥ বাংলাদেশে কৃষিপণ্য উৎপাদনে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের বিষয়টি প্রায়ই গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের জন্য নিঃসন্দেহে ভীতিপ্রদ। কেননা, কীটনাশক ও রাসায়নিকের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে প্রায় সবাই কম-বেশি অবগত। বিশেষজ্ঞরাও বার বার এসবের ক্ষতিকর দিক নিয়ে সতর্ক করে আসছেন। রাসায়নিক ও কীটনাশক যে জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, চাষিরাও যে তা জানেন না তেমনটিও নয়। অথচ জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে কৃষকরা এসব প্রয়োগ করে থাকেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বিষমুক্ত সবজি চাষেও কৃষকরা এগিয়ে আসছেন। যা অবশ্যই ইতিবাচক। অনস্বীকার্য যে, নিরন্তর জনসংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সেই তুলনায় কৃষি জমি ও চাষাবাদ বাড়ানো সম্ভব নয়। এটা শুধু আমাদের নয়, গোটা বিশ্বেরই সমস্যা। ক্রমবর্ধিষ্ণু জনসংখ্যার খাদ্যচাহিদা পূরণ করতে উচ্চফলনশীল ফসলের চাষাবাদের ওপর জোর দেয়া হয়েছে কয়েক দশক আগে থেকেই। এই চাষাবাদের প্রয়োজনেই দেখা দিয়েছে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগের। যদিও এর সুদূরপ্রসারী ক্ষতিকর দিক কয়েক দশক ধরেই আলোচিত। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে জমির গুণগত মান বুঝে কী পরিমাণ কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের প্রয়োগ দরকার বেশির ভাগ কৃষকই তা যথাযথভাবে জানেন না। যে কারণে এসবের ব্যবহার মাত্রাতিরিক্ত। বেসরকারি বিভিন্ন জরিপেরও চাষাবাদে ক্ষতিকর এসব উপাদান ব্যবহারের সূচক ঊর্ধ্বমুখী। বিষয়টি সঙ্গত কারণে উদ্বেগের জন্ম দেয়। এর মধ্যে কীটনাশকবিহীন সবজি চাষের খবর আমাদের আশান্বিত করে। যশোর জেলার বড় একটা অংশে ‘ফেরোমন ট্রাপ’ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দেশে প্রথম বিষমুক্ত সবজি চাষ প্রক্রিয়া শুরু হয়। এখন এ পদ্ধতিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করছেন কৃষকরা। এ প্রক্রিয়ায় চাষাবাদ বাংলাদেশের কৃষিবিদদের যেমন এক অনন্য সাফল্য, তেমনি দেশের জনসাধারণের জন্যও যে হিতকর, তা নতুন করে বলার কিছুই নেই। আমরা লক্ষ্য করেছি, যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে শুরু করে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন প্রক্রিয়া মাগুরা, ঝিনেদা, বগুড়া, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঢাকার ধামরাইসহ বিভিন্ন জেলায় সম্প্রসারিত হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার জিলেরডাঙ্গা গ্রামের ৫০০ কৃষক ৬ বছর ধরে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করে চলেছেন। শুধু বিষমুক্ত সবজিই নয়, সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জমির আলের ওপর সবচি চাষ করেও সফলতা পেয়েছেন এ গ্রামের চাষিরা। বিষয়টি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। আমরা এ গ্রামের চাষিদের অভিনন্দন জানাই। চাষিরা সবজি উৎপাদনে পোকা-মাকড় দমনের জন্য কীটনাশকের পরিবর্তে যে সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করেন তা কৃষকদের কাছে ‘জাদুর ফাঁদ’ নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে সবজি চাষে খরচও কমে আসে তিন ভাগের এক ভাগ। ফলনও হয় বেশি। সবজির চেহারাও হয় সতেজ। কেঁচো ও গোবর দিয়ে তৈরি ভার্মি কম্পোস্টও রাসায়নিক সারমুক্ত চাষাবাদের জন্য জনপ্রিয় পদ্ধতি। আর পোকা দমনের জন্য ভেষজ উপকরণ যেমন, নিমপাতা, বিষকাঁটালি, পিতরাজ, থানকুনি, ধুতুরা, ভেরেন্ডার নির্যাসও ব্যবহার করা হয়। আমরা মনে করি স্বাস্থ্যবান্ধব এই চাষাবাদে বিপ্লব ঘটানো এখন সময়ের দাবি। সর্বোপরি বলতে চাই, এ প্রক্রিয়ায় কৃষিবিদদের সাফল্য এবং চাষিদের আগ্রহ- কোনোটারই ঘাটতি নেই, সারাদেশে বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন থেকেই বিষয়টি স্পষ্ট। সুতরাং সরকার তথা সংশ্লিষ্টদের কর্তব্য হওয়া দরকার আরো সহজলভ্য করে চাষিদের মধ্যে এ প্রযুক্তি উপস্থাপন। পাশাপাশি রাসায়নিক ও কীটনাশকের সুদূরপ্রসারী ক্ষতিকর দিক সম্পর্কেও জনগণকে সচেতন করা জরুরি। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিষমুক্ত সবজি চাষের পাশাপাশি অন্যান্য ফসলও কিভাবে ‘বিষমুক্ত’ভাবে উৎপাদন করা যায় তার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সরকার পদক্ষেপ নেবে বলেই আমরা আশাবাদী।

নিলামে বিক্রি হওয়া সাকিব-মুশফিকদের ব্যাট ফেরত আনবে বিসিবি

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ করোনায় অসহায়দের সেবায় নিজেদের পছন্দের জিনিস বিকিয়ে দিতে দ্বিধা করছেন না বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম কিংবা হালের আকবর আলীও নিলাম করেছেন তাদের ব্যাট-গ্লাভসসহ ক্রিকেট সরঞ্জামাদি। মাশরাফি তো বিক্রি করে দিয়েছেন তার প্রিয়  ব্রেসলেটও। সৌম্য সরকারের ব্যাট বিক্রি হয়েছে, তাসকিন আহমেদ দিয়ে দিয়েছেন তার হ্যাটট্রিক করা বল। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নাঈম শেখরাও ব্যাট নিলামে তুলেছেন। ক্রিকেটারদের এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। মাশরাফির ব্রেসলেট অবশ্য ৪২ লাখ টাকায় বিক্রি হলেও সেটি তাকে ফেরত দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিডার প্রতিষ্ঠান বিএলএফসিএ। কিন্তু সাকিব আল হাসানের বিশ্বকাপ কাঁপানো ব্যাট কিংবা মুশফিকুর রহীমের দেশের ইতিহাসে গড়া প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাটটি? সেগুলো কি আর কখনও দেখা হবে না পরের প্রজন্মের? বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তেমনটা চাইছে না। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন আজ (বুধবার) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ক্রীড়াবিদদের আর্থিক অনুদানের রেচক প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই তিনি জানান, ক্রিকেটারদের স্মারকগুলো ফেরত আনতে যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন তারা। পাপন বলেন, ‘আমি উদ্যোগ নিব তো অবশ্যই। সবসময়ই ইচ্ছে ছিল। এখন এখানে তো আমরা নিলামে অংশ নিতে পারি না। পরে আমরা চেষ্টা করব কীভাবে রাখা যায়। যদি সুযোগ থাকে, সেগুলোকে আমরা ফেরত আনার চেষ্টা করব।’