বিএনপির রাজনীতি এখন টেলিভিশন নির্ভর – ওবায়দুল কাদের

ঢাকা অফিস ॥ বিএনপির রাজনীতি এখন টেলিভিশন নির্ভর বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গতকাল বুধবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে এক ভিডিও সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, টেলিভিশন না থাকলে তাদের রাজনীতি অনেকটাই গুরুত্বহীন হয়ে পড়ত। গণমাধ্যমই বিএনপিকে বাঁচিয়ে রেখেছে। পৃথিবীর কোনো দেশেই রাজনৈতিক টাস্কফোর্স গঠিত হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, যা হয়েছে তা হচ্ছে শুধুমাত্র ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা বিষয়ে টাস্কফোর্স। দেশের এই সংকটে বিএনপিকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রচারে বিশ্বাসী নয়, তিনি কাজে বিশ্বাসী। বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়কে আওয়ামী লীগের পক্ষে শুভেচ্ছা জানান ওবায়দুল কাদের।

ভ্রাম্যমান আদালতে ক্ষমতা অপ-প্রয়োগের নিন্দা ও প্রতিবাদ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশনের

সরকারী দায়িত্ব পালনকালে দুই বিচার বিভাগীয় কর্মচারীকে দন্ডিত করে ভ্রাম্যমান আদালতের ক্ষমতা অপ-প্রয়োগের অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন কুষ্টিয়া জেলা শাখা। বুধবার দুপুরে কুষ্টিয়া আদালত অঙ্গনে এক সাংগঠনিক বৈঠক থেকে সংঠনের জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অভিজিৎ চৌধুরী কর্তৃক পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত কুড়িগ্রাম জেলা জজ আদালতের ক্যাশিয়ার  মোঃ আনসার আলী ও অফিস সহায়ক মোঃ মোশারফ আলী গত  ৪ মে সোনালী ব্যাংক কুড়িগ্রাম শাখা হতে আদালত কর্মচারীদের  আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বেতন ও উৎসব ভাতার পাঁচ লক্ষ আশি হাজার একশত ত্রিশ টাকা উত্তোলন করে নিজ কার্যালয়ে ফেরার সময় এক রিক্সাই দুইজন উঠার অভিযোগ এনে তাৎক্ষনিক সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮ এর ২৫(১) (খ) ধারায় বর্ণিত অপরাধ সংঘটন করেছেন মর্মে উল্লেখে উক্ত আইনের ২৫(২) ধারা মোতাবেক যাত্রীদ্বয়ের মধ্যে একজনকে (মোঃ মোশারফ আলী) দোষী সাব্যস্তক্রমে ২০০ টাকা অর্থদন্ড করে তাৎক্ষনিক সাজা প্রদান করেন। যা কেবল ক্ষমতার অপ-প্রয়োগই নয় একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক সরকারী কাজে বাধা দেয়ার সামিল। সরকারী কাজে নিয়োজিত বিচার বিভাগীয় ওই দুই কর্মচারী এক রিক্সাই দুইজন উঠার যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রদান করলেও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অভিজিৎ চৌধুরী তা আমলে না নিয়ে ন্যায় বিচারকে ব্যহত করেছেন। বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন কুষ্টিয়া জেলা শাখা এধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদই নয়; রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপ-প্রয়োগের অভিযোগ এনে কুড়িগ্রাম জেলার ওই নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অভিজিৎ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেবেন বলে জানান সাধারণ সম্পাদক, তারিক আহাম্মেদ রিংকু। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

 কুষ্টিয়ায় গাছের সাথে স্কুলছাত্রী ও ব্যবসায়ীসহ দুজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ায় গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পৃথক স্থান থেকে এক স্কুলছাত্রী ও এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সকালে কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের মালিথাপাড়া এলাকায় বাড়ির পাশের একটি আম গাছ থেকে জয়া (১৬) নামে এক স্কুল ছাত্রীর ও সদর উপজেলার বিত্তিপাড়া লালন তেল পাম্পের অদুরে একটি বাঁশবাগান থেকে শামিম আলী (৩৬) নামে এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জয়া কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের মালিথাপাড়া এলাকার জিয়ারুল ইসলামের  মেয়ে এবং কয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। আর শামিম আলী কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবি থানার উজানগ্রাম ইউনিয়নের গজনবীপুর গ্রামের মৃত যাত্রা মন্ডলের ছেলে।

নিহত জয়ার বাবা জিয়ারুল ইসলাম অভিযোগ করেন, রাত ১টার দিকে  মেয়েকে ঘরে দেখতে না পেয়ে তিনি পাশর্^বর্তী লিমনের বাড়িতে খুঁজতে যান। এসময় লিমনকে জিজ্ঞাসা করেন মেয়ে কোথায়? লিমন তখন জানায় সে এ ব্যাপারে কিছুই জানে না। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে  ভোররাতে তার বাড়ির পেছনের একটি আম গাছের সঙ্গে মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি দাবি করেন, লিমন তার মেয়েকে হত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে  রেখেছে। মরদেহের পাশেই জয়ার ব্যবহৃত  পোশাকের ব্যাগ পাওয়া গেছে। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান জানান, সকালে কয়া এলাকায় একটি আমগাছ থেকে জয়ার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।

তবে লিমনের বাবা জসিম মালিথা জানান, ৭-৮ মাস আগে তারা জানতে পারেন জয়ার সঙ্গে তার ছেলের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি জানতে  পেরে তিনি জয়ার বাবার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু জয়ার বাবা জয়ার বয়স ১৮ বছর না হওয়ায় বিয়েতে অসম্মতি জানান। বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ার কারণেই তার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে তিনি দাবি করেন। অপরদিকে ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফ জানান, বিত্তিপাড়ার একটি বাঁশবাগান থেকে মহিষ ব্যবসায়ী শামীম আলীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যবসায়ীক কোনো ঝামেলার কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নতুন শনাক্ত ৭৯০

২৪ ঘণ্টায় আরো ৩ জনের মৃত্যু

ঢাকা অফিস ॥ দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে করোনাভাইরাস। এ নিয়ে করোনায় মোট ১৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৭৯০ জন। ফলে দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১১ হাজার ৭১৯ জনে। গতকাল বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয় হাজার ৭৭১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ছয় হাজার ২৪১টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৯৯ হাজার ৬৪৬টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও ৭৯০ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এটি আগের ২৪ ঘণ্টার সংখ্যাকে ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৭১৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও তিনজন। এ নিয়ে মোট ১৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী, দুজন ঢাকার এবং একজন ঢাকার বাইরের, দুজন ষাটোর্ধ্ব এবং একজন চল্লিশোর্ধ্ব। গত মঙ্গলবারের বুলেটিনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ৭১১টি নমুনা পরীক্ষায় ৭৮৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে একজনের। সে হিসাবে বুধবারের বুলেটিনের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, নমুনা পরীক্ষা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। বেড়েছে মৃত্যুও। বুলেটিনে ডা. নাসিমা সুলতানা আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চলে আইসোলেশন নেয়া হয়েছে ১৮৪ জনকে এবং বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন এক হাজার ৭৯৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৯৪ জন এবং এ পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন এক হাজার ৩২৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হোম এবং প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে তিন হাজার ৮৮৯ জনকে। এ পর্যন্ত নেয়া হয়েছে দুই লাখ এক হাজার ৭০০ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড় পেয়েছেন তিন হাজার ৮৭২ জন এবং এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন এক লাখ ৬০ হাজার ৫৬১ জন। বর্তমানে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৪১ হাজার ১৯৩ জন। সারাদেশে কোয়ারেন্টাইনের যে ব্যবস্থা রয়েছে তাতে একসঙ্গে সেবা দেয়া যাবে ৩০ হাজার ৯৫৫ জনকে। আর রাজধানীসহ সারাদেশে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে আট হাজার ৫৯৪টি। তন্মধ্যে রাজধানী ঢাকায় দুই হাজার ৯০০টি এবং রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঁচ হাজার ৬৯৪টি। এসব হাসপাতালে আইসিইউ বেড আছে ৩৩০টি এবং ডায়ালাইসিস ইউনিট আছে ১০২টি। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে। গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম শনাক্ত হলেও করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বেই তা-ব চালাচ্ছে। মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩৭ লাখ। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ ৫৮ হাজার। তবে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন। গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। লম্বা হচ্ছে মৃত্যুর মিছিলও। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সারাদেশে চলছে ছুটি। বন্ধ বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহন। কিন্তু সম্প্রতি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় পোশাক কারখানা খুলে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঈদের আগে শর্তসাপেক্ষে শপিংমল খোলা রাখার সিদ্ধান্তও হয়েছে। গতকাল বুধবারই দেয়া হয়েছে শর্তসাপেক্ষে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার অনুমতি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি-না, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে।

কুষ্টিয়ায় বাবার মৃত্যুর পর এবার মেয়েও করোনা আক্রান্ত

নিজ সংবাদ ॥ করোনায় আক্রান্ত বাবার মৃত্যুর পর এবার কলেজ ছাত্রী মেয়েও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত ওই শিক্ষার্থী ঢাকার তিতুমীর কলেজের ছাত্রী। তিনি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের করোনায় মৃত্যুবরণকারী আবু দাউদের মেয়ে। গতকাল বুধবার দুপুরে কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. এএইচএম আনোয়ারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন বাবার সংস্পর্শে এসে মেয়েও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আকুল উদ্দিন জানান, ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ওই ছাত্রীর বাবা করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকার মুগদা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১ এপ্রিল মারা যান। ওই কলেজ ছাত্রী বাবার সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করতেন। ২ এপ্রিল আবু দাউদের লাশ ঢাকা থেকে নিয়ে এসে কুষ্টিয়ায় গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। লাশের সঙ্গে ওই কলেজ ছাত্রীও গ্রামের বাড়িতে আসেন। করোনায় আক্রান্ত বাবার সংস্পর্শে এসে সেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন। ডা. আকুল জানান, আবু দাউদের মৃত্যুর পর তার সংস্পর্শে আসা পরিবারের  লোকজনকসহ ১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। গতকাল বুধবার দুপুরে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট থেকে জানানো হয় ওই কলেজ ছাত্রীর করোনা পজিটিভ। তবে অন্য ১১ জনের করোনা নেগেটিভ এসেছে। এ নিয়ে কুষ্টিয়া জেলায় করোনা শনাক্ত  রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৭ জনে।

দৌলতপুরে কাঁচা রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে যুবক নিহত : আহত-৫

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে কাঁচা রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দু’দল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে শামীম মালিথা (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে অন্তত: ৫জন। গতকাল বুধবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার রিফায়েতপুর ইউনিয়নের হরিনগাছী মালিথাপাড়া গ্রামে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক একই এলাকার মেহের বক্স মালিথার ছেলে। আহতদের মধ্যে আশংকাজনক অবস্থায় আপন ৩ভাইকে কুষ্টিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রিফায়েতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিরুল ইসলাম বাবু জানান, হরিনগাছী মালিথাপাড়া গ্রামে একটি কাঁচা রাস্তা নির্মান নিয়ে মালিথা গ্র“প ও মোল্লা গ্র“পের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গতকাল বুধবার বিকেলে মালিথা গ্র“পের মফিদুল ও মোল্লা গ্র“পের দিনু মেম্বর-মহিরুদ্দিন দু’গ্র“পের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় ধারাল অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একে অপরের ওপর হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে মালিথা গ্র“পের শামীম নামে এক যুবক ধারাল অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হলে তাকে কুষ্টিয়া হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়। এ ঘটনায় অন্তত আরো ৫জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে মালিথা গ্র“পের মুল্লকচাঁদের ছেলে আপন ৩ ভাই সাহাজুল (৩৫), শুকঁচাদ (৪৫) ও মুকাদ্দেস (৫০) কে আশংকাজনক অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাঁকী আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিতসা নিয়েছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে দৌলতপুর থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। তবে হত্যার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও হত্যাকারী মোল্লা গ্র“পের লোকজন এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে বলে জানাগেছে। এছাড়াও হত্যাকারী মোল্লা গ্র“পের লোকজনদের বাড়ি-ঘর ভাংচু ও লুট করারও অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষের ঘটনায় দৌলতপুর থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান জানান, হরিনগাছী মালিথাপাড়া গ্রামে দুইপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। আরও কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।

আতঙ্কে তিন্নি

বিনোদন বাজার ॥ কানাডায় আতঙ্কে দিন পার করছেন এক সময়ের জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি। সাতজন করোনা রোগীর সঙ্গে একই বাড়িতে বাস করছেন বলে জানান এ অভিনেত্রী। ২০১২ সাল থেকে শোবিজ থেকে তিন্নি লাপাত্তা। বিয়ে বিচ্ছেদের পর মেয়ে ওয়ারিশাকে নিয়ে থাকেন কানাডার কুইবেকে। ব্যবসা করেন। দূরদেশে যে বাড়িতে তিন্নি থাকছেন সে বাড়ির সাতজন করোনা পজিটিভ। সে বাড়িতেই তিন্নি তার ১১ বছরের মেয়ে ওয়ারিশাকে নিয়ে থাকছেন। তিন্নি জানান, দেড় মাস ধরে ওই বাড়িতে আটকে আছেন তারা। সাতজন করোনায় আক্রান্ত জানার পর তারা সেখান থেকে চলে যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন। পরে সিদ্ধান্ত পাল্টে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, স্যানিটাইজার যোগাড় করে ওই বাড়িতেই রয়ে গেছেন। তিন্নি বলেন, আমার তিন ফুপু কানাডায়। মা-বাবা বাংলাদেশে। প্রতিদিনই ফোনে কথা হয়। মা-বাবার জন্য চিন্তা হচ্ছে। পরিবারের সবার সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য একট চ্যাটগ্রুপ খুলেছি। সেখানে সবাই যোগযোগ করি।

ঘরে বসেই শুটিংয়ে অংশ নিলেন নিশো-মেহজাবিন

বিনোদন বাজার ॥ করোনা ভাইরাসের কারণে এক মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ আছে  সিনেমা ও নাটকের শুটিং। এভাবে বসে আর কতদিন! তাই ঘরে বসেই শুটিং শুরুর চেষ্টা করা হচ্ছে। সম্প্রতি নিজ বাসায় থেকেই শুটিংয়ে অংশ নিলেন নাটকের জনপ্রিয় মুখ আফরান নিশো ও মেহজাবিন। তবে নাটক নয় একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যরে শুটিং করলেন তারা। এটির নাম ‘ওয়েটিং’।  মজার বিষয় হচ্ছে এটি নির্মাণে কোন পেশাদার ক্যামেরাম্যান ছিলোনা। শিল্পীরা নিজেরাই নিজেদের মোবাইলফোন দিয়ে দৃশ্য ধারণ করেন। তবে এ কাজে শিল্পীদের লোকরাই সাহায্য করেছেন বলে জানান তারা। কোন কোন ক্ষেত্রে আবার নিজেরাই ধারণ করেছেন ভিডিও। ঘরে থেকে এটি পরিচালনা করেছেন কাজল আরেফিন অমি। তিনি জানান, চলচ্চিত্রটির স্থায়িত্বকাল হবে ১০ মিনিট।  ‘যাঁদের নিয়ে কাজটি করলাম, তাঁদের মধ্যে কাজের বোঝাপড়াটা ভালো। তাই নতুন প্রক্রিয়াই কাজটি করার ঝুঁকি নিয়েছি। শুটিংয়ের আগে চিত্রনাট্য পাঠিয়েছিলাম। ফোনে তাঁদের চরিত্রগুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে, এরপর শুটিং।’ এতে অন্তি চরিত্রে অভিনয় করেছেন মেহজাবীন। তার বাড়িতে দৃশ্যধারণ করেছেন তার ছোট বোন। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে মেহজাবীন বলেন, ‘এ এক নতুন অভিজ্ঞতা। এসব টেকনিক্যাল বিষয়ে আমি খুব অনভিজ্ঞ। শট দিতে গিয়ে কতবার যে এনজি হয়েছে। দুদিন ধরে শুট করেছি। সম্পাদনা ও মিউজিক করার পর দেখা যাক কেমন হয়।’ অমিত চরিত্রে অভিনয় করেছেন আফরান নিশো। তিনি বলেন ‘স্ট্যান্ডে মোবাইল বেঁধে আগে জোন তৈরি করেছি। এরপর ক্যামেরা চালু করে জোনে ঢুকে গেছি। যদিও কাজটি সহজ ছিল না। যেহেতু ক্যামেরায় কেউ ছিল না, তাই একেকটি দৃশ্য কয়েক বার করতে হয়েছে।’ স্বল্পদৈর্ঘ্যটি পরীক্ষামূলক কাজ বলে জানালেন অমি।  এতে সফল

খেলোয়াড়দের কোভিড-১৯ পরীক্ষার পরামর্শ বিসিবির

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ র‌্যাংকিংএ সর্তকতা হিসেবে ও সুরক্ষা নিশ্চিতের জন্য প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবের কারণে লকডাউন শেষে সকল খেলোয়াড় ও কর্মচারীদের কোভিড-১৯ পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছে বাাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বাংলাদেশের গতকাল পর্যন্ত কোভিড-১৯এ আক্রান্ত হয়েছে ১১ হাজার ৭শ ১৯জন। মারা গেছে ১৮৬ জন। বিসিবির প্রধান চিকিৎক দেবাশিষ চৌধুরি বলেন,বর্তমান পরিস্থিতিতে বিসিবি খেলোয়াড় ও কর্মচারীদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, এজন্য পরীক্ষা করা জরুরি। সাংবাদিকেদের দেবাশিষ বলেন, ‘আমরা অবশ্যই খেলোয়াড় ও কর্মচারীদের পরীক্ষা করতে চাই। বিশেষভাবে খেলোয়াড়দের কোভিড-১৯ টেস্ট করা উচিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘খেলোয়াড়দের লক্ষণ না থাকলেও, সরকারের কাছে আমাদের আবেদন জানাতে হবে। সুরক্ষার জন্য আমরা চাই তাদের পরীক্ষা করা হোক।’ বর্তমানে সরকারী ল্যাবে কোভিড-১৯ পরীক্ষা হচ্ছে এবং তাদের নিজস্ব প্রোটোকল রয়েছে। দেবাশিষ বলেন, ‘যদি কারও লক্ষন নাও থাকে, তাদের পরীক্ষা করতে হবে না। আমরা আশা করছি, বেসরকারীভাবে কোভিড-১৯ পরীক্ষার অনুমতি দিবে সরকার, যতক্ষণ না অন্য কোন বিকল্প পথ নেই (আমাদের খেলোয়াড় বা বিসিবি কর্মচারীদের পরীক্ষা করতে হবে)। গত ১৯ মার্চ থেকে বিসিবি সকল ক্রিকেট কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং এরপর বোর্ডের কর্মচারীদের বাসা থেকে কাজ করার সিদ্বান্ত নেয়।

বাংলাদেশের মধ্যে টেস্ট র‌্যাংকিংএ শীর্ষে মুশফিক

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ আইসিসি টেস্ট ব্যাটসম্যান র‌্যাংকিং তালিকায় বাংলাদেশীদের মধ্যে শীর্ষে আছেন সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। দেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত মুশফিক বেশ কিছুদিন ধরেই র‌্যাংকিং এ বাংলাদেশের সেরা টেস্ট ব্যাটসম্যান। আইসিসির সর্বশেষ ঘোষিত টেস্ট র‌্যাংকিংএ, ৬৫৫ রেটিং নিয়ে ১৯তম স্থানে রয়েছে মুশফিক। গেল ফেব্র“য়ারিতে মুশফিকের ডাবল-সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টেস্টে টানা পাঁচ ম্যাচ হারের বন্ধ্যাত্ব ঘোচায় বাংলাদেশ। মূলত এ ইনিংসই দেশের সেরা টেস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে মূখ্য ভূমিকা রাখে মুশফিককে। মুশফিকের পরই আছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ৫৯৮ রেটিং নিয়ে ২৭তম স্থানে রয়েছেন তিনি। র‌্যাংকিংএ বাংলাদেশের পক্ষে তৃতীয়স্থানে রয়েছেন টেস্ট অধিনায়ক মোমিনুল হক। ৫৫৬ রেটিং নিয়ে ৩৯তম স্থানে তিনি। টেস্ট ব্যাটসম্যানদের তালিকায় শীর্ষ দু’টি স্থান দখলে রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ ও ভারতের দলপতি বিরাট কোহলি। ৯১১ রেটিং নিয়ে শীর্ষে স্মিথ। ৮৮৬ রেটিং নিয়ে দ্বিতীয়স্থানে কোহলি।

মৌসুমীর নামে প্রতারণা

বিনোদন বাজার ॥ কে বা কারা যেনো চিত্রনায়িকা মৌসুমীর নামে ফেসবুকে খুলেছেন অ্যাকাউন্ট ও পেজ। তাও আবার  একাধিক। সেসব অ্যকাউন্ট ও পেজ দিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ আনলেন মৌসুমীর স্বামী চিত্রনায়ক ওমর সানী।  মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে ওমর সানী বেশ কয়েকটি ‘ফেইক’ অ্যাকাউন্টের স্থিরচিত্র প্রকাশ করেছেন। যেগুলো মৌসুমীর নামে খোলা হলেও সেগুলো কোনটিই মৌসুমীর অ্যাকাউন্ট নয় বলেই জানান তিনি।  এসব অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্নজনের নিকট থেকে টাকা পয়সাও চাওয়া হচ্ছে বলে জানান ওমর সানী।  মৌসুমীর ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই এমনটা করা হচ্ছে বলে দাবি ওমর সানীর। বিষয়টি নিয়ে মৌসুমীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও একই কথা জানান। মৌসুমী বলেন, এটা খুবই খারাপ কাজ। করা যেনো আমার নামে অ্যাকাউন্ট খূলে করোনার সময়ে তহবলি গঠনের নাম করে অনেকের কাছে টাকা দাবী করছেন। যারা এমনটি করছেন তারা অন্যায় করছেন। এ বিষয়ে পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের সঙ্গে কথা হচ্ছে বলে জানালেন মৌসুমী। অন্যদিকে  ওমর সানীর প্রকাশ করা স্থিরচিত্রে মৌসুমীর নামে একটি ফেসবুক পেইজ দেখা যায় যেখানে প্রায় ৫৯ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী লাইক দিয়েছেন।  ওমর সানী বলেন, ‘এর আগে আপনাদেরকে আমি জানিয়েছি, আপনারা যে স্টিল গুলি দেখতে পাচ্ছেন আরো অনেক আছে? এগুলো একটাও মৌসুমির আইডি নয়, পেজ নয়, অসংখ্য কমপ্লেইন আমার কাছে দিচ্ছে ,আমাদের ভক্তরা যে এখান থেকে টাকা চাচ্ছে বাজে মন্তব্য করছে এবং মৌসুমির ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, যা কিছু করবেন নিজ দায়িত্বে করবেন ধন্যবাদ সবাই ভাল থাকবেন বাসায় থাকবেন।’

আমাদের দেশের আবহাওয়া হাঁস পালনে জন্য খুবই উপযোগী

কৃষি প্রতিবেদক ॥ আমাদের দেশের আবহাওয়া হাঁস পালনে খুবই উপযোগী। সমস্যা হচ্ছে হাঁসের মাংস ও ডিম মুরগির মাংসের চেয়ে জনপ্রিয় কম। তবে বর্তমানে এটি অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এখন হাঁস চাষ লাভজনক একটি প্রযুক্তি। অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে হাঁস চাষে এগিয়ে আসছেন এবং প্রধান পেশা হিসেবে  বেছে নিচ্ছেন হাঁস চাষ। মৎস্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের মতে, পুকুরে হাঁস ও মাছের সমন্বিত চাষ পদ্ধতি অবলম্বন করলে খুব সহজে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব। হাঁস চাষে অনেক সুবিধা রয়েছে যেমন- মাছের জন্য পুকুরে তেমন বাড়তি সার ও খাদ্য দিতে হয় না । হাঁস থাকলে মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। হাঁস পালনে সুবিধা ঃ হাঁসের রোগবালাই তুলনামুলক খুবই কম। তাছাড়া খাবারের  তেমন অভাব হয় না। দেশি মুরগি যেখানে গড়ে বছরে ৫৫টি ডিম দেয়, দেশি হাঁস  সেখানে ৯০টির বেশি ডিম দিয়ে থাকে। আর উন্নত জাত হলে বছরে ২৫০-৩০০টি ডিম দিয়ে থাকে। যেভাবে শুরু করতে পারেন ঃ এ প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে চাইলে আপনার ৪০-৫০ শতাংশ আয়তনের একটি পুকুর লাগবে। ১০০-২০০টি হাঁস এবং হাঁসের ঘর তৈরি করে নিতে হবে। এসব পরিকল্পিতভাবে করলে ভালো হবে। পাহারাদারের ঘরটি হাঁসের ঘরের দক্ষিণ পাশে হলে ভালো হয়। উন্নত হাঁসের জাত ঃ হাঁসের জাত নির্বাচন করার ক্ষেত্রে যে জাতের হাঁস বেশি ডিম  দেয় সে জাতের হাঁস নির্বাচন করতে হবে। এক্ষেত্রে খাকি ক্যাম্পেবেল,  ইন্ডিয়ান রানার, সিলেট মিটি ও নাগেশ্বরী জাত নির্বাচন করা যেতে পারে। এ জাতের হাঁস ৫ মাস বয়স থেকে ২ বছর পর্যন্ত ডিম দেয়। যেভাবে হাঁস পালন করবেন ঃ হাঁস বিভিন্ন পদ্ধতিতে পালন করা যায়। এর মধ্যে একটি হচ্ছে মুক্ত জলাশয়ে হাঁস পালন। এ পদ্ধতিতে ২৫-১০০টি হাঁস মুক্ত পুকুরে,  লেকে অথবা ধান কাটার পর পরিত্যক্ত জমিতে পালন করা যায়। অপরটি হচ্ছে ইনটেনসিভ হাঁস পালন। এ পদ্ধতিতে ১-১০ লাখ হাঁস পালন করা সম্ভব। দিনের  বেলায় হাঁস পানিতে থাকতে পছন্দ করে। শুধু রাতযাপনের জন্য ঘরের প্রয়োজন। হাঁসের ঘর তৈরি ঃ পুকুরপাড়ে কিংবা পুকুরের ওপর ঘরটি তৈরি করতে হবে। ঘরের উচ্চতা ৫-৬ ফুট হলে ভালো হয়। ঘর তৈরিতে বাঁশ, বেত, টিন, ছন, খড় ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ইট দিয়ে মজবুত করে ঘর তৈরি করতে পারলে ভালো হবে। ঘরটি খোলামেলা হতে হবে এবং সাপ ও ইঁদুর থেকে মুক্ত রাখতে হবে। শহরে বিভিন্ন মাপের চৌবাচ্চায় হাঁস পালন করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রশস্ত ছাদ থাকলে সুবিধা বেশি। ছাদের একপাশে ঘর অপর পাশে চৌবাচ্চা নির্মাণ করতে হবে। প্রজননের জন্য আটটি হাঁসের সঙ্গে একটি পুরুষ হাঁস রাখা দরকার। এরপর  দেশি মুরগির সাহায্যে অথবা ইনকিউবেটরে হাঁসের ডিম ফোটানো যায়। কোথায় পাবেন হাঁসের বাচ্চা ঃ দৌলতপুর হাঁস খামার, নারায়ণগঞ্জ হাস প্রজনন  কেন্দ্রসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত হাঁস-মুরগির খামার ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের কাছ  থেকে হাঁস বা হাঁসের বাচ্চা সংগ্রহ করতে পারেন। হাঁসের খাদ্য ঃ হাঁস চাষে সুবিধা হলো হাঁস খাল-বিল-পুকুর থেকে তার কিছু খাবার সংগ্রহ করে নেয়। তাছাড়া বাজারে হাঁসের তৈরি খাবার কিনতে পাওয়া যায়। শুকনো খাদ্য না দিয়ে হাঁসকে সবসময় ভেজা খাদ্য দেয়া উচিত। খাদ্যে আমিষের পরিমাণ ডিম দেয়া হাঁসের ক্ষেত্রে ১৭-১৮ শতাংশ ও বাচ্চা হাঁসের ক্ষেত্রে ২১ শতাংশ রাখা উচিত। হাঁস দানা, খইল, ভূষি, ঝিনুকের গুঁড়ো, ডিমের খোসা, কেঁচোসহ অন্যান্য খাবার বেশি পছন্দ করে।  মাছের পুকুরেও হাঁস পালন ঃ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মাছের পুকুরে হাঁস পালন করলে কৃষকরা বেশি লাভবান হন। এ চাষে হাঁস বেশি প্রোটিন পায়। মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। সম্ভাব্য  আয়-ব্যয়  ঃ ২০-৪০ শতাংশের একটি পুকুরে ১০০-২০০টি হাঁসের জন্য এ প্রকল্প শুরু করলে সব মিলে খরচ হবে ৫০-৬০ হাজার টাকা। সঠিক পরিচর্যা আর যতœ নিতে পারলে প্রথম বছরে যাবতীয় খরচ বাদ দিয়ে ২০-৫০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। রোগমুক্ত, উন্নত জাতের হাঁস আধুনিক পদ্ধতি ও সঠিক নিয়ম অনুযায়ী চাষ করুন।

মিজান মালিকের কথায় করোনা নিয়ে রবি চৌধুরীর মতবাদ

বিনোদন বাজার ॥ নব্বই দশকের সাড়া জাগানো গায়ক রবি চৌধুরী। মিষ্টি কণ্ঠে বিরহী সুরের গানে তিনি শ্রোতা মাতিয়েছেন। অডিও গানের পাশাপাশি সিনেমায়ও পাওয়া গেছে এ গায়কের কণ্ঠ। আজকাল নিয়মিত গান করেন না তিনি। সর্বশেষ গেয়েছেন ‘মতবাদ’ শিরোনামে একটি গান। ‘মতবাদে ভাগ করেছো/ মানুষ খোঁজে দেখো না/ মানুষকে মানুষ ভাবো/ ছেড়ে যাবে করোনা’- এমন মানবিক কথায় সাজানো গানটি লিখেছেন সাংবাদিক, কবি ও গীতিকার মিজান মালিক। এর আগে করোনা নিয়ে তার লেখা দুটি গান সবার মনে দাগ কেটেছে। করোনায় সবার আগে প্রার্থনা সঙ্গীত করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন মিজান মালিক। পুরো বিশ্বে করোনা আক্রান্ত মানুষের জন্য সুস্থতা ও দুঃসময় থেকে পরিত্রাণ চেয়ে প্রার্থনা গানটি লেখেন তিনি। শিল্পি খালেদ মুন্না ও প্রীতম এ গানে কণ্ঠ দেন। তার আরাধনা গানটি গেয়েছেন শিল্পী খালেদ মুন্না। এবার তিনি মানুষে মানুষে বৈষম্য ও মতভেদ নিয়ে একটি ভিন্ন ধারার গান করলেন। যে গানটিতে কণ্ঠ দেয়ার পাশাপাশি সুরও করেছেন রবি চৌধুরী। এর সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন জাহিদ বাসার পংকজ। রবি চৌধুরী এ গান নিয়ে বলেন, ‘একটি ভিন্নধর্মী গান। মানবিকতার জয়গান এখানে গাওয়া হয়েছে। অডিও গানটি প্রস্তুত। মিউজিক ভিডিওর কাজ শেষ হলেই সবার কাছে পৌঁছে যাবে এ গানটি। আশা করি সবার ভালো লাগবে।’

অপেক্ষায় স্পর্শিয়া

বিনোদন বাজার ॥ মডেল-অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়ার ধ্যানজ্ঞান এখন চলচ্চিত্র নিয়ে। এরইমধ্যে তার মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কাঠবিড়ালি’ ও ‘আবার বসন্ত’ চলচ্চিত্র দুটি দর্শকমহলে দারুণ প্রসংসিত হয়। এর ফলে চলচ্চিত্র নিয়ে তার আগ্রহ আগের চেয়ে আরো বেড়েছে বলে জানান তিনি। এই অভিনেত্রী এখন অপেক্ষার প্রহর গুনছেন নতুন ছবি মুক্তির জন্য। সামনে নুরুল আলম আতিকের পরিচালনায় ‘মানুষের বাগান’ নামের একটি চলচ্চিত্রে তাকে দেখা যাবে। স্পর্শিয়া বলেন, নতুন ছবি মুক্তির অপেক্ষায় আছি। কিন্তু এই লকডাউনে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না মুক্তির বিষয়টি নিয়ে। এদিকে লকডাউনের কারণে এই পর্দাকন্যার ‘নবাব এলএলবি’ নামের একটি ছবির শুটিং বন্ধ আছে। গেল মার্চ মাসের শেষের দিকে এটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল। এতে তাকে দেখা যাবে শাকিব খানের বিপরীতে। এটি পরিচালনা করবেন অনন্য মামুন। এ প্রসঙ্গে স্পর্শিয়া বলেন, ২৮শে মার্চ থেকে এ ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই কাজ আর শুরু করা যায়নি করোনার কারণে। মজার বিষয় এ ছবিতে আমার কোনো নাচ নেই। পরিচালক ঠিক সেভাবেই গল্প সাজিয়েছেন। লকডাউন উঠে যাওয়ার পর আবারো সিডিউল সমন্বয় করে শুটিংয়ে অংশ নেব। শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ। আশা করছি দর্শকদের ভালো কিছু দিতে পারবো। অন্যদিকে বর্তমানে লকডাউনের সময়টাতে এই অভিনেত্রী পারিবারিক কাজ নিয়েই ব্যস্ত আছেন।

আয়নাবাজির সিক্যুয়েলে চঞ্চল, ক্যামেরাম্যান তার ছেলে শুদ্ধ

বিনোদন বাজার ॥ যারা আয়নাবাজি সিনেমা দেখেছেন তারা ‘আয়না’, ‘হৃদি’ ও সাংবাদিক সাবেরকে ভালো করেই চেনেন। সিনেমাটিকে আয়না চরিত্রে অভিনয় করে বাজিমাত করেছিলেন চঞ্চল চৌধুরী। এখনো মানুষের মুখে মুখে ঘোরে ‘বোঝনাই ব্যাপারটা’ ডায়ালগটি। করোনাভাইরাসের কারণে সংকটের এই দিনে আবারও নতুন রূপে সামনে আসবে চরিত্রগুলো। আয়নাবাজি নিয়ে তিন পর্বের একটি সিরিজি নির্মাণ করেছেন অমিতাভ রেজা। এরইমধ্যে শুটিংও শেষ হয়েছে। ঘরে বসেই তারকার শুটিং করেছেন। এবার আয়নাকে ক্যামেরায় বন্দি করেছেন চঞ্চল চৌধুরীর ১২ বছরের ছেলে শৈশব রোদ্দুর শুদ্ধ। সে পড়াশোনা করছে একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। এই সিরিজ নিয়ে চঞ্চলচৌধুরী বলেন, ‘আয়নাবাজির তিনটা চরিত্র নিয়ে অমিতাভ রেজা ছোট ছোট তিনটা পর্ব বানিয়েছে, করোনা থেকে মানুষকে সচেতন করার জন্য। এরইমধ্যে তিন পর্বেরই শুটিং হয়ে গেছে। এখন চলছে এডিটিংয়ের কাজ। কয়েকদিনের ভিতরে টিজার প্রকাশ করা হবে। এরপরই অনলাইনে ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউবে এগুলো মুক্তি দেওয়া হবে।’ চঞ্চল চৌধুরী আরও বলেন, ‘অমিতাভ রেজা আমাদের কাছে স্ক্রিপ্ট পাঠিয়েছেন। আমরা যার যার বাসায় শুটিং করে পাঠিয়েছি। যেমন, আমার ক্যামেরা চালিয়েছে আমার ছেলে শুদ্ধ। ওর মা ওকে হেল্প করেছে। আমি অভিনয় করেছি। এরকম প্রত্যেকের বাসায় কারো কারো স্বামী-কারো স্ত্রী বা পরিবারের অন্য কেউ সহযোগিতা করেছে শুটিং করতে। আমরা শুটিং করে ফুটেজটা পাঠিয়েছি অমিতাভ রেজার কাছে। বাকিটা সে সাজিয়েছে।’ আয়নাবাজি সিরিজের চরিত্রগুলো প্রসঙ্গে চঞ্চল বলেন, ‘প্রতিটা পর্ব হয়তো ৫ মিনিট দৈর্ঘ্যরে হবে। এখানে হাজির হবে আয়নাবাজি সিনেমার চরিত্র ‘আয়না’। যে চরিত্রটিতে আমি অভিনয় করেছি। ‘হৃদি’ চরিত্রটিতে নাবিলা অভিনয় করেছেন ও ক্রাইম রিপোর্টার সাবের চরিত্রে পার্থ বড়ুয়া অভিনয় করেছেন। আয়নাবাজি সিনেমার জনপ্রিয় এই তিনটি চরিত্র মূলত করোনা থেকে মানুষদের সচেতন করবে এই পর্বগুলোতে।’ চঞ্চল চৌধুরী জানালেন, আয়নাবাজি টিমের পক্ষ থেকে করোনাকালীন সময়ে এটা একটা উদ্যোগ। ব্যাকের ব্যানারে এটা প্রচার হবে। পরবর্তীতে এটা থেকে যা আয় হবে, সেটা করোনা আক্রান্ত রোগী কিংবা যারা অসহায় দিনযাপন করছেন তাদের সহযোগিতা জন্য ব্যয় করা হবে।

স্পোর্টস থ্রি সিক্সটি’র সর্বকালের সেরা একাদশে সাকিব

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ গত ১৫ বছরে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট টি-টোয়েন্টিতে যারা অংশ নিয়েছেন তাদের মধ্য থেকে বাছাই করেই সর্বকালের সেরা একাদশ সাজিয়েছে ফিলিপাইনের ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম স্পোর্টস থ্রি সিক্সটি। পারফরম্যান্সের সাথে জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে সাজানো সেই সেরা একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। ফিলিপাইনের এ সংবাদ মাধ্যমটির টি-টোয়েন্টির সর্বকালের সেরা একাদশের অধিনায়ক করা হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। এদিকে সুরেশ রায়না, মারলন স্যামুয়েলস, শেন ওয়াটসন ও ডুয়েন ব্রাভোদের পেছনে ফেলে অলরাউন্ডারদের তালিকার শীর্ষে আছেন সাকিব আল হাসান। সর্বকালের সেরা একাদশের বাকিরা হলেন- অ্যারন ফিঞ্চ, রোহিত শর্মা, জেপি ডুমিনি, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, শোয়েব মালিক, শহীদ আফ্রিদি, রশিদ খান, উমর গুল ও লাসিথ মালিঙ্গা।

এবার আসছে ‘এক্সট্রাকশন’র সিক্যুয়েল

বিনোদন বাজার ॥ এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী ঝড় তুলেছে ক্রিস হেমসওয়ার্থ অভিনীত ‘এক্সট্রাকশন’ ছবিটি। তারপরই নেটফ্লিক্সের এই সিনেমাটির সিক্যুয়েলের জন্য দাবি উঠেছিল দর্শকমহল থেকে। আর এবার তাদের জন্য এসেছে সুখবর। ছবিটির চিত্রনাট্যকার জো রুশোর ‘এক্সট্রাকশন’-এর পরবর্তী পর্বের জন্য চিত্রনাট্য লেখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্যাম হারগ্রেভের পরিচালনায় এতে ক্রিস হেমসওয়ার্থ অভিনয় করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন রুশো। তিনি বলেন,  ‘এক্সট্রাকশন টু’ লেখার ক্ষেত্রে আমার সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। গল্পটি কেমন হতে পারে, সে বিষয়ে আমরা গঠনমুলক পর্যায়ে আছি। সময়ের দিক দিয়ে গল্পটি সামনের দিকে যাবে নাকি পেছনের দিকে যাবে, এ ব্যাপারে আমরা এখনো সিদ্ধান্তে আসিনি।  তিনি আরো জানান, চিত্রনাট্যের শুরুতেই তিনি হেমসওয়ার্থকে রাখবেন। এ অভিনেতা সম্প্রতি ‘এক্সট্রাকশন’-এর পরবর্তী পর্বে যেকোনো উপায়ে অভিনয়ের ব্যাপারে নিজের রোমাঞ্চকর আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। মুক্তির চার সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী নয় কোটি দর্শক দেখেছেন ছবিটি। এর মাধ্যমে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া ছবিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দর্শক টানার রেকর্ড গড়েছে ছবিটি। ‘এক্সট্রাকশন’ প্রযোজনা করেছেন জো ও অ্যান্থনি রুশো। তারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে পোস্টের মাধ্যমে ‘এক্সট্রাকশন’ টিমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। ‘এক্সট্রাকশন’ পরিচালনা করেছেন স্যাম হারগ্রেভ। এতে অভিনয় করেছেন ক্রিস হেমসওয়ার্থ, অভি, ডেভিড হার্বার, পঙ্কজ ত্রিপাঠি, রণদীপ হুদা, মার্ক ডোনাটো, ফে মাস্টারসন, ডেরেক লুক প্রমুখ। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন মার্ভেলের ‘অ্যাভেঞ্জার্স : ইনফিনিটি ওয়ার’ ও ‘এন্ডগেম’ সিনেমার পরিচালক জো ও অ্যান্থনি রুশো। ২৪শে এপ্রিল নেটফ্লিক্সে মুক্তি পায় ব্যয়বহুল ও আলোচিত ছবিটি। মুক্তির পর থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে ছবিটি।

১ হাজার ক্রীড়াবিদের প্রত্যেকে পাবেন ১০ হাজার টাকা

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ করোনাভাইরাসের প্রকোপে ক্রীড়াবিদদের অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত। ফেডারেশন কিংবা ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনেকেই সেই সব অসহায় ক্রীড়াবিদের সহায়তা করে আসছেন। এবার তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে ২৭টি ফেডারেশনের ১ হাজার ক্রীড়াবিদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে সভায় বসেছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে ক্রীড়াবিদদের আর্থিকভাবে সাহায্য করার ব্যাপারে। সভা শেষে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘এই দুর্যোগে খেলা বন্ধ হওয়ার কারণে ক্রীড়াবিদরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রথম ধাপে আমরা বিভিন্ন ফেডারেশন থেকে প্রায় ১ হাজার অসহায় ক্রীড়াবিদকে সহায়তা দেবো। প্রথম ধাপে ২৭ ফেডারেশন থেকে যাদের সহায়তা না দিলেই নয় তাদের তালিকা এনেছি। আমরা তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও ক্রীড়াবিদদের সহযোগিতা করবেন। কয়েকজনকে বলে দেবেন যারা খেলোয়াড়দের মানবিক সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসেন। সেই সঙ্গে আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে আমরা সহায়তা করব।’ এছাড়া ঈদের পর ৬৪টি জেলার ক্রীড়াবিদদের সম্মানী ভাতাও দেবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।