গুরুতর অসুস্থ ঢাকাই সিনেমার রাজকুমার জাভেদ

বিনোদন বাজার ॥ একজন নৃত্য পরিচালক হিসেবে যেমন সফল ছিলেন, ঠিক তেমনি একজন নায়ক হিসেবেও সফল। তিনিই জাভেদ। দেশীয় চলচ্চিত্রের রাজকুমারখ্যাত একসময়ের পর্দা কাঁপানো এই নায়ক হঠাৎ করেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। তিনি বলেন, ‘জাভেদ ভাইয়ের প্রগ্রাবের নালীতে সমস্যা হয়েছে। আগামীকাল বাংলাদেশ মেডিকেলে তার অস্ত্রোপচার করা হবে। শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। দ্রুত তার সুস্থ্যতা কামনা করছি। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’ রাজধানীর উত্তরাতেই থাকেন জাভেদ। ১৯৭০ থেকে ১৯৮৯ পর্যন্ত নায়কদের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। নিজে নাচতেন ও নায়িকাদের নাচিয়ে পর্দা কাঁপিয়ে তুলতেন। এদেশের নায়কদের কাতারে তার নাম যেমন সম্মান আর শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয় ঠিক তেমনি দেশীয় চলচ্চিত্রের নৃত্য নির্দেশনার ক্ষেত্রেও তার অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। আর এ কারণেই জাভেদ বাংলাদেশের অন্য নায়কের চেয়ে অনেক আলাদা। জাভেদ এ পর্যন্ত প্রায় দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে আছে মালকা বানু, অনেক দিন আগে, শাহাজাদা, রাজকুমারী চন্দ্রবান, সুলতানা ডাকু, আজো ভুলিনি, কাজল রেখা, সাহেব বিবি গোলাম, নিশান, বিজয়িনী সোনাভান, রূপের রানী, চোরের রাজা, তাজ ও তলোয়ার, নরমগরম, তিন বাহাদুর, জালিম, চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা, রাজিয়া সুলতানা, সতী কমলা, বাহারাম বাদশা, আলাদিন আলী বাবা, সিন্দাবাদ প্রভৃতি।

বিশ্ব শিশু বই দিবসের গান

বিনোদন বাজার ॥ ২ এপ্রিল ছিল বিশ্ব শিশু বই দিবস। ১৯৬৭ সাল থেকে রূপকথার জাদুকর হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসনের জন্মদিনে বিশ্ব শিশু বই দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। বইপড়ার প্রতি শিশুদের আগ্রহ বাড়ানোর জন্যই এ আয়োজন। শিশুদের ছোটোবেলা যাতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং নানান অভিজ্ঞতায় ভরে ওঠে, তেমন বিষয় নিয়ে গান লিখেছেন কবি, গীতিকার ও সুরকার মাহবুবুল এ খালিদ। ‘ছোটো ছোটে ছেলে মেয়ে’ শিরোনামের গানটিতে সুর দিয়েছেন প্রয়াত সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন লুইপা। গানটি মাহবুবুল এ খালিদের সঙ্গীত বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘খালিদ সঙ্গীত ডটকম’-এ প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মাহবুবুল এ খালিদ বলেন, “বই শিশুদের আনন্দের মাধ্যম। পাশাপাশি খেলাধুলা, চারপাশের প্রকৃতি থেকে শিশুরা শিক্ষা নেয়। সুস্থ্য-সবলভাবে বেড়ে ওঠে। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের শিশুরা সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা দেখেনি গোলাভরা ধান, গোয়ালভরা গরু। তারা আম কুড়াতে জানে না, নৌকা চড়া, খেজুরের রস খাওয়া থেকে বঞ্চিত। তাদের দিন কাটে বিদেশি কার্টুন দেখে আর কম্পিউটারে গেমস খেলে। ঘরেই তাদের ক্রীড়া, ঘরেই বিনোদন। তারা আসলে ভাগ্যহারা।” তিনি বলেন, “শিশুরা যেন অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের চাপে পিষ্ট না হয়। তারা যেন চারপাশের প্রকৃতি ও জীবন থেকে শিক্ষা নিতে পারে। কারণ আজকের শিশুই দেশের ভবিষ্যৎ কর্ণধার। তাদের এখন থেকেই প্রকৃত জ্ঞানের সন্ধানে বিশেষ মনোযোগী করে তুলতে হবে। তাহলেই সেই শিশু ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারবে। ‘ছোটো ছোটে ছেলে মেয়ে’ গানটির মাধ্যমে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।”

‘টপ গান: ম্যাভরিক’ মুক্তির তারিখও পেছাল

বিনোদন বাজার ॥ সিনেমা হল খোলার ঠিক নেই ছবি মুক্তি দেওয়ারও উপায় নেই। হলিউডের ছবি মুক্তির পেছানোর তালিকায় যুক্ত হল ১৯৮৬ সালে সুপার হিট ছবি ‘টপ গান’ এর পরের ছবি ‘টপ গান: ম্যাভরিক’। প্রযোজনা সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে সিএনন জানায়, ২৪ জুনের পরিবর্তে প্যারামাউন্ট পিকচার্সের এই ছবি মুক্তির সম্ভাব্য তারিখ রাখা হয়েছে ২৩ ডিসেম্বর। করোনাভাইরাসের মহামারীতে বিশ্বব্যাপি বক্স অফিসে যে অসাড়তা দেখা দিয়েছে তা কবে কাটবে কেউ বলতে পারছে না। যুক্তরাষ্ট্রের ‘এক্সিবিটর রিলেশন্স’য়ের বিনোদন চলচ্চিত্রের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক জেফ বক মনে করেন, অপূরণীয় ক্ষতির মাধ্যমে চলচ্চিত্রের সুদিন ফিরবে। প্রতিবেদনে তিনি বলেন, “কেউ ঠিক মতো বলতে পারবে না এই পরিস্থিতি কত দিন চলবে। আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার পর সিনেমা হলগুলো খুললেও সেখানে দর্শক যেতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে কিনা সেটাও বলা যায় না।” “কারণ একটা নির্দিষ্ট জায়গায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বহু অপরিচিত মানুষের মাঝে থাকার যে অস্বস্তি সেটা কাটতেও সময় লাগবে।” তারপরও তিনি মনে করেন, ‘ব্লকবাস্টার’ ছবির ক্ষেত্রে হয়ত সুদিন ফিরবে একটু তাড়াতাড়ি। ছবি মুক্তির তারিখ পেছানোর মিছিলে প্রথম দিকে যুক্ত হয় ডিজনির ‘মুলান’ এবং জেমস বন্ডের ‘নো টাইম টু ডাই’। ‘মুলান’ মুক্তির তারিখ ঠিক করা না হলেও ‘নো টাইম টু ডাই’ মুক্তির সম্ভাব্য তারিখ রাখা হয়েছে নভেম্বরে। মার্ভেল স্টুডিওর ‘ব্ল্যাক উইডো’র মুক্তির তারিখ এখনও ঠিক হয়নি। অন্যদিকে ‘ওয়ান্ডার উইম্যান ১৯৮৪’র মুক্তির মাস জুন থেকে পিছিয়ে অগাস্টে নেওয়া হয়েছে। ইউনিভার্সেল স্টুডিওর ‘এফ৯’ এবং সনি পিকচার্সের ‘ঘোস্টবাস্টার: আফ্টার লাইফ’- দুটো ছবিই মুক্তি দেওয়া হবে সামনের বছর। মার্ভেল স্টুডিও’র আরেক ছবি ‘ইটারনাল্স’ এখনও নভেম্বরে মুক্তির কথা রয়েছে। তবে অবস্থার পরিবর্তন না হলে সেটাও পেছাবে বলে জানিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা।

করোনায় পেছালো রণবীর-আলিয়ার  বিয়ের দিনক্ষণ

বিনোদন বাজার ॥ বিশ্বজুড়ে যখন করোনা মরণ থাবা বসিয়েছে তখন রণবীর-আলিয়ার বিয়ের দিন-তারিখ পিছিয়ে দিতে বাধ্য হলেন কাপুর-ভাটরা। চলতি বছরের ডিসেম্বরেই রণবীর-আলিয়ার বিয়ের পরিকল্পনা করছেন দুই পরিবারের সদস্যরা। চারদিন ধরে হবে বিয়ের অনুষ্ঠান। ২১ ডিসেম্বর থেকেই নাকি রণবীর-আলিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠান শুরু হবে। তবে দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ের দিনক্ষণ স্থির করা হবে বলে খবর। জানা যাচ্ছে, মুম্বইয়ের ব্যান্দ্রা এবং জুহুতেই নাকি দুই তারকার বিয়ের আসর বসবে। আপাতত ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের কথা দুই পরিবার ভাবছে না বলেই পাওয়া যাচ্ছে খবর। যদিও রণবীর কাপুর কিংবা আলিয়া এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি। এদিকে লকডাউনের জেরে বন্ধ শুটিং। ফলে সঞ্জয় লীলা বনশালির গাঙ্গুবাই কাঠিওয়াড়ির শুটিং বন্ধ করে দিয়েছেন আলিয়া ভাট। অন্যদিকে শামসেরার শুটিংও বন্ধ করে দিয়েছেন রণবীর কাপুর। এই সিনেমায় বাণী কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করছেন তিনি। প্রসঙ্গত, ডিসেম্বরেই মুক্তি পাবে তাদের প্রথম একসঙ্গে অভিনয় করা সিনেমা ব্রক্ষ্মাস্ত্র। পরিচালক অয়ন মুখোপাধ্যায়ের এই সিনেমা নিয়ে দুই তারকাই বেশ উত্তেজিত। এই সিনেমায় রণবীর, আলিয়ার সঙ্গে রয়েছেন অমিতাভ বচ্চন, ডিম্পল কপাডিয়া, নাগার্জুনা এবং মৌনী রায়।

বাংলাদেশকে ১০০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যংক

ঢাকা অফিস ॥ করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক। এ ঋণের জরুরি সহায়তার প্রথম ধাপ অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই জরুরি সহায়তার মাধ্যমে কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস)-এর রোগী শনাক্তকরণ, মহামারিকে প্রতিরোধ, কিভাবে তারা আক্রান্ত হয়েছেন, তার অনুসন্ধান, ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি, ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী ও নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ড স্থাপনে ১০০ মিলিয়ন ডলার ব্যবহার করা হবে। বাংলাদেশ ও ভুটানের বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, করোনা ভাইরাস প্রসারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাব রোধে বাংলাদেশের জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। পাশাপাশি এটি নজরদারি এবং ডায়াগনস্টিক সিস্টেমগুলো রয়েছে কিনা তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া দেশের স্বাস্থ্যবিধি, ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম, ভেন্টিলেটর এবং হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট স্থাপনে জোরালো ভূমিকা রাখতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে করোনা ভাইরাস কঠিন আঘাত হানতে পারে। কাজেই চলমান সংকট উত্তরণে আঞ্চলিক ও দেশভিত্তিক সমাধানে জোর দেয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি দরিদ্রতম দেশগুলোর জন্য বিশ্বব্যাংকের তহবিল ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে বিশ্বব্যাংক গ্র“পের কোভিড-১৯ ফাস্ট ট্র্যাক সুবিধার মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়। পাঁচ বছর গ্রেস দিয়ে ৩০ বছরে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশকে। এদিকে, বিশ্বব্যাংক গ্র“প উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সংক্ষিপ্ত সময়ে কোভিড-১৯ মোকাবেলা জোরদার করতে ১৪ বিলিয়ন ডলার ফাস্ট-ট্র্যাক প্যাকেজ তৈরি করছে। এতে দেশগুলোতে মহামারীর সময়ে স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় সহায়তা করার জন্য অর্থায়ন, নীতি পরামর্শ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাসস

চাকরি বাঁচাতে করোনা আতংকেও ঢাকামুখী মানুষের ঢল

ঢাকা অফিস ॥ করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সারা দেশে চলছে লকডাউন। সরকারি ছুটির পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল। কিন্তু উল্টো চিত্র দেশের গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে। এখানে শনিবার দুপুরের পর থেকে কর্মমুখী মানুষের ঢল নামে। করোনা আতঙ্ক মাথায় নিয়েই সবাই ছুটছেন রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায়। সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি ছুটি বাড়িয়ে ৪ তারিখ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত করা হলেও গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কারখানার শ্রমিকের জন্য ছুটি বাড়েনি। এ জন্য রোববার কর্মস্থলে যোগ দিতে দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ করোনা আতঙ্ক নিয়েই কর্মস্থলে ছুটছেন। তাছাড়া নিম্ন আয়ের এ সব মানুষের বাড়িতে বসে থাকারও উপায় নেই। তাই তো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা কর্মের উদ্দেশে বেরিয়েছেন বলে কেউ কেউ জানান। গোয়ালন্দ বাজার এলাকার বাসিন্দা ফরিদ হোসেন জানান, তিনি ঢাকায় একটি ছোট কারখানায় কাজ করেন। সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করার পরপর তিনি বাড়িতে চলে যান। এখন কারখানার মালিক ফোন করে জানিয়ে দিয়েছেন ৫ তারিখ কাজে যোগ না দিলে চাকরি থাকবে না। তাইতো স্ত্রী-সন্তানদের বাধা ও করোনাভাইরাসের ঝুঁকি মাথায় নিয়েই অনেক ধকল সামলে ঢাকায় যেতে হচ্ছে। ফরিদপুরের মধুখালী থেকে আসা গার্মেন্টস কর্মী রিনা খাতুন, স্মৃতি আক্তার, সুইটি আক্তার, বুলবুল হোসেন, মোস্তফাসহ অনেকেই জানান, আমরা বড়ই অভাগা। তাই তো সরকার ছুটি বাড়ালেও আমাদের বাড়েনি। সময় মতো কাজে যোগ না দিলে চাকরি বাঁচানো কঠিন। বিআইডবি¬উটিসির দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, সরকারি আদেশে সারা দেশে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। নৌপথে শুধু পণ্যদ্রব্য পারাপারের জন্য সীমিত আকারে ফেরি চালু রাখা হয়েছে। যানবাহন কমে যাওয়ায় এ নৌরুটের ১৬টি ফেরির মধ্যে ১১টি বসিয়ে রেখে আমরা মাত্র ৫টি ফেরি চালু রেখেছি। কিন্তু শনিবার দুপুর থেকে মানুষের চাপে আমরা ঠিকমতো পণ্যবাহী যানবাহন পারাপার করতে পারছি না। প্রতিটি ফেরিতেই মানুষের উপচে পড়া ভিড়। এরা সবাই বিভিন্ন গার্মেন্টস ও অন্যান্য ছোট-খাটো কারখানা ও ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কর্মী। করোনা ঝুঁকি থাকলেও ফেরিতে এদের এভাবে পারাপার ঠেকানো আসলে সম্ভব নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ঝিনাইদহে নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন গান্না ইউনিয়নের বিত্তবান ব্যক্তিরা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ঝিনাইদহে করোনার প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দাদের মাঝে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন গান্না ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন মালিথা ও জে এইচ ট্রাভেসের মালিক জাহিদুল ইসলাম। এসময় ওই এলাকার ৩ শতাধিক খেটে খাওয়া পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আলু, তেল ও সাবান বিতরণ করা হয়। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে তাদের মাঝে খাবার তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতা কর্মিসহ অন্যান্যরা। কাজ না থাকায় অভাব অনটনে থাকা পরিবারগুলো এই খাবার পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

গাংনীতে অগ্নিকান্ডে স্বামী পরিত্যক্তা দু’বোনের বাড়ি ভস্মীভূত

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার মটমুড়া ইউনিয়নের বাওট গ্রামে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় স্বামী পরিত্যক্তা দু’বোনের বাড়ি পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। গত শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে বাওট গ্রামের মৃত দছির উদ্দীনের দুই মেয়ে আরজিয়া খাতুন ও মারজিয়া খাতুনের বাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান রাতে স্বামী পরিত্যক্তা আরজিয়া ও মারজিয়া তাদের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক ১টার দিকে ঘরের মধ্যে আগুনের ঝলকানি দেখে পালিয়ে আসে। এসময় পুরো ঘরে আগুন লেগে যায়। পরে খবর পেয়ে বামন্দী ফায়ার সার্ভিসের একটিদল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনলেও ঘরের সকল আসবাবপত্র পড়ে ছাই হয়ে যায়। আরজিয়া ও মারজিয়া দু’বোন দিন মজুর। তারা দিন আনে দিন খায়। আগুনে পুড়ে যাওয়ার কারণে তাদের সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়বে।

গাংনীতে সরকারী জমিতে বালি উত্তোলন করে পুকুর খননের পাঁয়তারা 

গাংনী  প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী  উপজেলার চৌগাছা বালির মাঠ (কুলতলার মাঠ শ্মশান ঘাট) নামক মাঠে সরকারী  জমি অর্থাৎ খাস জমি ভূঁয়া কাগজপত্র দেখিয়ে অবৈধভাবে রাতের আঁধারে বালি উত্তোলন করে পুকুর খননের পাঁয়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওযা গেছে। প্রতিরাতেই প্রশাসনের দৃষ্টি আড়াল করে অবাধে ২ ও ৩ ফসলী জমিসহ সরকারী জমি জবরদখল করে পুকুর কাটার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, প্রশাসনের নাকের ডগায় উপজেলার চৌগাছা খৃষ্টানপাড়া বালির মাঠে (কুলতলার মাঠ)  গাংনী উত্তর পাড়া গ্রামের  হাজী ইদ্রিস আলীর ছেলে  ব্যবসায়ী নাজমুল হক ভূঁয়া কাগজপত্রের দোহায় দিয়ে  সরকারী  সাড়ে ১০ বিঘা জমি জবরদখল করে এসকেবেটর মেশিন দিয়ে  বালি উত্তোলনের মাধ্যমে পুকুর কাটাচ্ছে। রাতারাতি ১২ থেকে ১৪ টি ট্রাক্টর ট্রলি দিয়ে বালি ও মাটি সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। এসব বালি ও মাটি প্রভাবশালী ঠিকাদাররা গোপনে ক্রয় করে রাস্তা ও বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ করাচ্ছেন। সরকারী নিষেধাজ্ঞা  বা প্রশাসনের অনুমতি নেয়ার প্রয়োজনবোধ মনে করেনি। চৌগাছা  গ্রামের  হাজী শফিউল আলম, জালাল উদ্দীন, হযরত আলী, নজরুল ইসলাম, বেঞ্জু  সাহারবাটি গ্রামের আনছার আলী, আকরাম আলীসহ বেশ কয়েকজন অভিযোগ তুলে বলেন, সরকারী জমি ভূয়া কাগজের বিপরীতে ক্রয় দেখিয়ে দখল করে  নাজমুল হক  সরকারী আইন অমান্য করে পুকুর খনন করছে। অবৈধভাবে সরকারী জমি দখল করে পুকুর খনন  অবিলম্বে বন্ধ করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান মহোদয় বরাবর আবেদন প্রেরণ করা হয়েছ্।ে এ ব্যাপারে নাজমুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে বলেন, আমার জমিতে আমি মাটি কাটাচ্ছি। ইউএনও কে  গোনার আমার সময় নেই। কেউ পারলে আমার কাজ বন্ধ করে দেখুক। ওরকম ইউএনও আমার পকেটে থাকে। একপর্যায়ে তিনি ইউএনও সম্পর্কে আজে বাজে কথা বলেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান জানান, উপজেলার সকল ক্ষেত্রে জনগণকে সরকারী আইন সম্পর্কে অবহিত করা হলেও অনেকে এসব নিয়ম মানছেন না। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যেন এক শ্রেণির মানুষ মহোৎসব মনে করে সরকারী জমি দখল, আবাদী বা ফসলী জমিতে পুকুর খনন করছে। তবে গ্রামের লোকজন লিখিত অভিযোগ বা পার্শ্ববর্তী ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকরা অভিযোগ দিলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কোভিড-১৯

আক্রান্তের সংখ্যায় ইতালিকে ছাড়ালো স্পেন

ঢাকা অফিস ॥ গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া সাত হাজার ২৬ জন নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমিত নিয়ে স্পেন আক্রান্তের সংখ্যায় ইতালিকে ছাড়িয়ে গেছে। শনিবার দেশটিতে আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৪ হাজার ৭৩৬ জনে, যা ইতালি থেকে বেশি বলে জানিয়েছে বিবিসি। শুক্রবার নতুন আক্রান্তের সংখ্যা সাত হাজার ৪৭২ জন ছিল, কিন্তু পরববর্তী ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪৬ জন কমেছে। করোনাভাইরাস মহামারীতে বিপর্যস্ত স্পেনে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও কমেছে। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৮০৯ জনের মৃত্যুর হয়েছে যা পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৯৩২ জন থেকে ১২৩ জন কম বলে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, করোনাভাইরাসে শনিবার স্পেনে মৃত্যুর সংখ্যা আগের দিনের ১০ হাজার ৯৩৫ জন থেকে বেড়ে মোট ১১ হাজার ৭৪৪ জনে দাঁড়িয়েছে।স্পেনে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে বলে গত সপ্তাহে বলেছিলেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সালভাতোর ইয়া। এখন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমায় তার বক্তব্যের পক্ষে সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।   স্পেনজুড়ে চলা তিনি সপ্তাহের কঠোর লকডাউন শনিবার শেষ হচ্ছে। লকডাউনের এ পর্বে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের হওয়া নিষিদ্ধ ছিল এবং অধিকাংশ ব্যবসা বন্ধ ছিল। তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ লকডাউনের সময়সীমা আরও অন্তত দুই সপ্তাহ বাড়াবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আলমডাঙ্গায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান

ইটভাটা, চাউলের আড়ত, ফার্মেসি, কসমেটিকসের দোকানে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা

আলমডাঙ্গা অফিস ॥ আলমডাঙ্গায় পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দুটি ইটভাটা, চাউলের আড়ৎ, ফার্মেসি, কসমেটিস  দোকানসহ ৬টি মামলায় মোট ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। গতকাল ৪ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাঃ লিটন আলী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হুমায়ন কবীরের নেতৃত্বে  সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশ এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। জানাগেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ লিটন আলী আলমডাঙ্গা শহরে থানা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। লকডাউনের নির্দেশ উপেক্ষা করে আলমডাঙ্গা গার্মেন্সস পট্টিতে সামনে সয়াবিন তেল ও ময়দার প্যাকেট রেখে প্রশাসনকে বোকা বানিয়ে কসমেটিস বিক্রয় করার অপরাধে আব্দুল আওয়ালকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এসময় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. সালমুন আহমেদ ডন, বণিক সমিতির সভাপতি আলহাজ¦ মকবুল হোসেন, সম্পাদক আলহাজ¦ মীর শফিকুল ইসলাম ও আলমডাঙ্গা থানার এসআই  গোলাম মোস্তফা এবং এএসআই কামরুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এর আগে লকডাউনের নির্দেশ উপেক্ষা করে আলমডাঙ্গা উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের ২টি ইটভাটায় কাজ অব্যাহত রাখার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হুমায়ুন কবীর ফরিদপুরের এসএনবি ও আরএনবি ব্রিকস নামের ২টি ইটভাটা পরিদর্শনকালে বহু শ্রমিক নিয়ে কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রমাণ পান। এ সময় সহকারী কমিশনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দুটি ইটভাটাকে যথাক্রমে এসএনবি ইটভাটা মালিক হক সেলিমকে ২৫ ও আরএনবি ইটভাটা মালিক চাঁদ আলীকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এদিকে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শেষে সহকারী কমিশনার স্থান ত্যাগের পর পরই পুনরায় ইটভাটা দুটিতে কাজ পুরোদমে শুরু করার অভিযোগ উঠেছে। আলমডাঙ্গা শহরের পুরাতন বাসস্টান্ডে মন্ডল ফার্মেসিতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত না করায় মালিক আজিজুল হককে ১হাজার ৫শ টাকা জরিমানা করেন। আলমডাঙ্গা থানার এসআই আশরাফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হুমায়ন কবীরের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি টিম ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এসময় আনন্দধাম রোডের গৌতম সাহাকে তার চাউলের দোকানে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত না করায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে বেলগাছী বাজারে লকডাউনের নির্দেশ উপেক্ষা করে ওয়ার্ক চালানোর অপরাধে ৫শ টাকা জরিমানা করেন। সর্বমোট ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

ভারতফেরত ৫ বাংলাদেশি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে

ঢাকা অফিস ॥ করোনাভাইরাসের কারণে ভারতে আটকে থাকা আরও ৬০ জন বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রী দেশে ফিরেছেন। শনিবার বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তারা ফিরেছেন বলে ইমিগ্রেশনের ওসি আহসান হাবীব জানিয়েছেন। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক জাহিদুল ইসলাম বলেন, শনিবার ভারত থেকে ফেরা ৬০ বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচ জনের শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হওয়ায় তাদেরকে বাসায় না পাঠিয়ে তাদেরকে হাসপাতালে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, ভারত থেকে ফিরে আসাদের মধ্যে পাঁচ জন বাংলাদেশির শরীরের তাপমাত্রা বেশি পাওয়া গেছে। “তাদের মধ্যে চারজনকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে; আরেকজনকে মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে উপরের নির্দেশে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহিন বলেন, ভারতফেরত পাঁচ জনের শরীরে অতিরিক্ত তাপমাত্রা থাকায় তাদের রাখা হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে। হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে তাদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ১৪ দিন কাটাতে হবে। বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি আহসান হাবীব জানান, গত ৩১ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল দুপুর পর্যন্ত ভারতের বিভিন্ন স্থানে আটকে থাকা ২২৩ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। আহসান হাবীব আরও জানান, যাদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে তাদের রেখে বাকিদের হাতে সিল মেরে মেডিকেল টিমের সদস্যরা হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দিয়ে ছেড়ে দিচ্ছেন।

দৌলতপুরে দূবৃর্ত্তদের হামলায় মহিলাসহ আহত-২ – বাড়ি-ঘর ভাংচুর

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দূবৃর্ত্তদের হামলায় মহিলাসহ ২জন আহত হয়েছে। হামলাকারীরা বাড়ি-ঘর ভাংচুর করেছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মরিচা ইউপির মাজদিয়াড় গ্রামে হামলার এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, মাজদিয়াড় গ্রামের কছিম উদ্দীন ও বিলাইত হোসেনের মধ্যে বাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ওইদিন রাতে কছিম উদ্দীনের ছেলে আনারুল (৪৫), মজনু (৩৪), মঈনুল (৪০), মনির (২৫), মাসুম (২২) সহ ১০-১২ জনের একটি দৃবৃর্ত্তচক্র বিলাইত হোসেনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লোহার রড ও রামদা দিয়ে ঘরের টিনের চাল ও বেড়া  ভেঙ্গে ফেলে। এসময় বাড়ির মালিক বিলাইত হোসেন ও তার প্রতিবেশি নুরু ফরাজির স্ত্রী লালিমা খাতুন (৬০) কে কুপিয়ে জখম করে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা লালিমা খাতুনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দৌলতপুর হাসপাতালে ভর্তি করে। এঘটনায় গতকাল শনিবার দুপুরে বিলাইতের ছেলে মিজানুর রহমান মজনু বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

বীজ বিস্তার ফাউন্ডেশনের সহযোগীতায় কুমারখালীতে মুরগীর বাজারে হাত ধৌতকরণে ড্রাম-ট্যাপ প্রদান

কুমারখালীপ্রতিনিধি ॥ করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে বাজারে আগত ক্রেতা ও বিক্রেতাদেরকে হাত ধৌতকরণে উদ্বুদ্ধ করণে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বীজ বিস্তার ফাউন্ডেশন ও ভোক্তা কমিটির সহযোগীতায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী মুরগী বিক্রয় কেন্দ্রে সাবান সহ ড্রাম-ট্যাপ প্রদান করা হয়েছে। গতকাল বেলা ১১টায় পৌর বাজারের মুরগী বিক্রয় কেন্দ্রসহ তিনটি ড্রাম-ট্যাপ প্রদান করা হয়। এ সময় ব্যবসায়ী ও বাজারে আগত ক্রেতা সাধারনকে হাত ধৌতকরণে উদ্বুদ্ধ করেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র এস, এম রফিকুল ইসলাম, পৌর আওয়ামী লীগ নেতা মাহফুজ করিম রকেট, ভোক্তা কমিটির সদস্য সাংবাদিক হাবীব চৌহান ও বীজ বিস্তার ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী ডলি ভদ্র। ট্যাপযুক্ত ড্রাম প্রদানের সময় ব্যবসায়ীসহ বাজারে আগত ক্রেতা সাধারনকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বেশি বেশি সাবান দিয়ে হাত ধৌত করার আহবান জানানো হয়।

 

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মুনলাটই গ্রপের উদ্যোগে প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মালয়শিয়ার জহুরবাড়– প্রদেশে অবস্থিত বাংলাদেশীদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশীর প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘‘মুন লাইট গ্র“প’’। শুক্রবার দুপুরে প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোগে সেখানে অবস্থিত কারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমিকরা যারা করোনা ভাইরাসের কারনে মালয়েশিয়া সরকার ঘোষিত লক আউটের কারনে ঘরে বন্দি থেকে নিদারুন কষ্টে আছেন তাদের মাঝে শুকনা খাবার, পরিস্কারক উপকরণ, চাল, ডাল, আটা, আলু, সাবান হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ মাস্ক বিতরণ করা হয়। কুষ্টিয়ার কৃতিসন্তান মুনলাইট গ্র“প অফ কোম্পানীর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কে এম মোহাইমিনুর রাফী, কোম্পানীর ম্যানেজিং ডিরেক্টর কুমিল্লার কৃতিসন্তান আশরাফুল আল আমিন উপস্থিত থেকে সামাজিক নিরাপত্তা মেনে এসব সামগ্রী বিতরণ করেন। জহুরবাড়–র সেনাই, ইদামান, তামপাই, গেলানপাতা এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।  মোহাইমিনুর রাফী দৈনিক সংবাদ এর কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য মিজানুর রহমান লাকীর বড় ছেলে। বিতরণকালে মোহাইমিনুর রাফী প্রবাসী বাংলদেশীদের করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে সরকার ঘোষিত নিয়ম কানুন মেনে ঘরে থাকার আহবান জানান। তিনি বলেন-বাংলাদেশী শ্রমিক যাঁরা এ এলাকায় অবস্থান করছেন তাদের সাধ্যমত সহায়তা দিতে তিনি স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, লকডাউনের সময় তাঁর প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সাধ্যমত সহায়তা করে যাবেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় প্রতিনিধিসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

শবে বরাতের নামাজ ঘরে পড়ার আহ্বান

ঢাকা অফিস ॥ প্রাণ সংহারী নভেল করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে দেশে লকডাউনের মধ্যে শবে বরাতের নামাজ মসজিদে না গিয়ে ঘরে পড়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। আগামী ৯ এপ্রিল রাতে শবে বরাত পালন করবে বাংলাদেশের মুসলমানরা। ইসলামের দৃষ্টিতে পবিত্র এই রজনীতে মসজিদে গিয়ে ইবাদতে করে থাকেন মুসলমানরা। নভেল করোনাভাইরাস মহামারীতে ছোঁয়াচে এই রোগের বিস্তার ঠেকাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই মসজিদ বন্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশে মসজিদ বন্ধ না হলেও উপস্থিতি সীমিত রাখার আহ্বান জানিয়ে আসছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শনিবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশে মহামারী ঠেকাতে সরকারের ঘরে থাকার নির্দেশনার উল্লেখ করে বলা হয়েছে, “এই সঙ্কটকালীন পরিস্থিতিতে দেশের নাগরিকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে নিজ নিজ বাসস্থানে বসে পবিত্র শবে বরাতের ইবাদত যথাযথ মর্যাদায় আদায় করার জন্য সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।”

কুমারখালীতে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের জন্য পিপিই হস্তান্তরকালে মান্নান খান

প্রয়োজনে এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের ব্যবস্থা করবো মানুষকে সর্বোচ্চ চিকিসা সেবা নিশ্চিত করুন 

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের সুরক্ষায় নিজস্ব অর্থায়নে ৫০ সেট পিপিই প্রদান করেছেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান খান। গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নিজ বাসভবন থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আকুল উদ্দিনের কাছে পিপিই হস্তান্তর করেন তিনি। এ সময় কুমারখালী উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান খান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার নিকট থেকে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সার্বিক প্রস্তুতির খোঁজ-খবর নেন এবং বলেন, ডাক্তার সহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের প্রয়োজনে জরুরী এ্যাম্বুলেন্স (অস্থায়ী) সার্ভিসের ব্যবস্থা করা হবে। আপনারা (চিকিৎসক) এই চরম দু:সময়ে মানুষকে সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করুন। করোনার লক্ষণ দেখা দিলে তাদের কাছে জরুরী ভিত্তিতে ছুটে যান এবং নমুনা সংগ্রহসহ যা যা করণীয় আন্তরিকভাবে তা করুণ। আপনাদের যে কোন প্রয়োজনে পাশে থাকবো ইনশাল্লাহ্। তিনি আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতিকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ধরে নিয়ে সেবাদানের ব্রত নিয়ে মাঠে এবং মানুষের পাশে থাকুন। মানুষ চিকিৎসা নিতে আপনাদের কাছে আসবেই। তাদেরকে দুরে ঠেলে দেবেন না, রোগীরা যেন প্রত্যাশিত সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়। সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠবোই। অন্যদিকে, সমাজের বিশিষ্ট ও বিত্তবান ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে আব্দুল মান্নান খান বলেছেন, আপনারা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ মানুষ। আপনারা প্রতিনিয়তই মানুষের কল্যাণে নিজের অর্থায়ণে নানা উদ্যোগ নিয়ে থাকেন। এই দু:সময়েও মানুষের পাশে দাঁড়ান। তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। আপনারা সর্বপ্রথম নিজেদের আশেপাশের নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের খোঁজ-খবর নেন। সামর্থ্যবান সকলেই যদি নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াই তাহলে কেউই অনাহারে থাকবে না।

দৌলতপুরে অগ্নিকান্ডে ৯টি বাড়ি ভষ্মিভূত – ব্যাপক ক্ষতি

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অগ্নিকান্ড ঘটে ৯টি বাড়ি ভষ্মিভূত হয়েছে। আগুনে ৯পরিবারের অন্তত ২০টি ঘর পুড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সোনাতলা সাহেবনগর গ্রামে অগ্নিকান্ডের এ ঘটনা ঘটে। রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল জানান, সোনাতলা সাহেবনগর গ্রামের নজরুল ইসলামের রান্না ঘরের চুলা থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হলে মুহুর্তের মধ্যে আগুন নিজ বাড়িসহ আশপাশের বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রন হলেও আগুনে পুড়ে ভষ্মিভূত হয় তুজাম মন্ডল, ছাত্তার মন্ডল, রিয়াজুল, স্বাধীন, হেলাল, কালু, হযরত আলী ও রবিউলের বাড়ির সব ঘর। এসময় আগুন নিয়ন্ত্রন করতে গিয়ে রফিকুল ইসলামের বাড়িটি ভাঙ্গা পড়ে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারদের নগদ টাকা, খাদ্য শস্য. আসবাবপত্রসহ প্রায় ২০লক্ষ টাকার সম্পদ ভষ্মিভূত হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে। এদিকে খবর পেয়ে তৎক্ষনাত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ ৯টি পরিবারকে এক হাজার করে টাকা দিয়েছেন রামকৃষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল।

জনম দুঃখী ওরা ৪জন 

সাহাজুল সাজু  ॥ করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সরকারীভাবে সকল মানুষকে যখন লকডাউনে থাকার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ওই ঘোষণার বাইরে এতিম আশিক ও তার ভাই-বোনরাও নয়। এতিম কিশোর আশিকসহ ৪ ভাই-বোন দিনরাত চা বিক্রির পাশাপাশি স্কুলে লেখাপড়া চালিয়ে আসছিল। লকডাউনের কারণে তাদের চা বিক্রি বন্ধ হয়েছে। কিন্তু পেট তো আর থেমে থাকে না। জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে একদিন কয়েক কেজি চাউল আর সামান্য সবজি পাওয়া গেলেও তাতে তো আর ৪ ভাই-বোনের সংসার চলবে না। তাই কিভাবে ৪ ভাই-বোনের পেট চালাবে এমনই চিন্তিত কিশোর আশিক। মায়ের পরপারে যাওয়া আর বাবার অন্য সংসার জীবন গড়ার কারণেই তাদের এমন হাল। যে বয়সে লেখাপড়া ও খেলাধুলা আর ছোটাছুটি করার কথা। সে বয়সে লেখাপড়া করলেও সংসার চালানোর মতো সংগ্রামী জীবন নিয়ে বেঁচে আছি  অশ্র“ঝরা চোখে এমনটি বলছিল এতিম আশিক। আশিক সাংবাদিকদের সাথে সাক্ষাতের বলে, আমাদের মতো এমন এতিম যেনো কেউ না হয়। প্রিয় পাঠক, এতোক্ষণ বলছিলাম। কিলোর আশিক ও তার ছোট ভাই- বোনের সংগ্রামী জীবনের কথা। মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের কসবা গ্রামে (তাদের) আশিকদের বাড়ি। বাবার নাম রাশিদুল ইসলাম। সে পেশায় দিন মজুর। আশিকদের মা গত ৪ বছর আগে স্ট্রোকে মারা যান। মা মারা যাওয়ার পর বাবা রাশিদুল বিয়ে করে অন্যত্রে চলে যান। আশিক বাবা-মায়ের বড় ছেলে। তার বয়স সবে মাত্র ১৩ বছর। মেজো ভাই মোস্তাকিনের বয়স ৯ বছর।  সেজো কুলছুম খাতুনের বয়স ৮বছর ও ছোট ভাই রিয়াজের বয়স ৭ বছর। বড় ভাই আশিক তৃতীয় শ্রেণীতে লেখাপড়া করে। মোস্তাকিন ও কুলছুম প্রথম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত। ছোট ভাই রিয়াজ শিশু শ্রেণীর ছাত্র। তারা সবাই কসবা ডিপিবি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আশিকদের নানা বাড়ি একই উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়নের পীরতলা গ্রামে। আশিকসহ ৪ভাই-বোন এখন দাদার বাড়ি কসবা গ্রামে থাকে। দিন মজুর দাদা-ও গৃহিনী দাদি বেঁচে থাকলেও তারা বয়সের ভারে কাজ করতে পারে না। স্থানীয়রা জানান, গ্রামের লোকজন আশিককে কিছু টাকা দিয়ে বাড়ির পাশে একটি চায়ের দোকান দিয়ে দেয়। আশিক চা বিক্রির পাশাপাশি স্কুলেও যায়। তার চা বিক্রির কাজে আরো তিন ভাই-বোন সহযোগিতা করে। দাদা বৃদ্ধ তাই তাদের পাশে বসে মানসিক শক্তি যোগায়। ইতোপূর্বে তাদের এ কষ্টের কথা শুনে কয়েকটি সংগঠন ও ব্যক্তি সহযোগিতাও করেছিল।  বর্তমান করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউনে থেকে তাদের সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। প্রিয় পাঠক, মানুষ মানুষের জন্য এ শ্লোগানকে বুকে ধারণ করে এ সংগ্রামী জীবনে একটু সফলতার মুখ দেখাতে আপনিও পারেন এতিম শিশুর পাশে দাঁড়াতে।