বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষ করলে একর প্রতি ১০০-১২০ টন ডাটা পাওয়া সম্ভব

কৃষি প্রতিবেদক ॥ ডাটা বাংলাদেশের অন্যতম গ্রীষ্মকালীন সবজি। ডাটায় পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-এ, বি,সি,ডি এবং ক্যালসিয়াম ও লৌহ বিদ্যমান। ডাটার কান্ডের চেয়ে পাতা বেশি পুষ্টিকর। খুব কম সবজিতে এত পরিমাণে বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন ও খনিজ লবণ থাকে। মাটির বৈশিষ্ট্য ডাটার জন্য উর্বর ও গভীর মাটি প্রয়োজন। সুনিষ্কাশিত অথচ ‘জো’ থাকে এমন মাটিতে এটি সবচেয়ে ভাল জন্মে। উৎপাদন কৌশল বাংলাদেশে ডাটার আবাদ খরা মৌসুমেই করা হয়। শীত প্রকট ও দীর্ঘস্থায়ী নয় বলে রবি মৌসুমেও এর চাষ সম্ভব, তবে সেই সময় অন্য অনেক সবজি পাওয়া যায়। জমি তৈরি ডাটার জন্য জমি গভীর করে কর্ষণ ও মিহি করে প্রস্তুত করতে হবে। জমিতে বড় ঢেলা থাকবে না। বাংলাদেশে ডাটা প্রধানত কান্ড উৎপাদনের জন্য চাষ করা হয়। আমাদের বেশি জাতসমূহ কান্ডপ্রধান, এগুলো ডালপালা খুব কম উৎপাদন করে। এসব জাত ৩০ সে.মি. দূরত্বে সারি লাগানো যেতে পারে। চারা গজানোর পর ক্রমান্বয়ে পাতলা করে দিতে হবে। যেন শেষ পর্যন্ত সারিতে পাশাপাশি দুটি গাছ ৮/১২ সে.মি. দূরত্বে থাকে। যেসব জাতের কান্ড অনেক মোটা ও দীর্ঘ হয় এবং দেরিতে ফুল উৎপাদন করে সেগুলো আরও পাতলা করা উচিত। বীজের পরিমাণ ডাটা চাষের জন্য শতাংশ প্রতি ১৫ গ্রাম বীজের প্রয়োজন হয়। বীজ বপন জমি গভীরভাবে চাষ দিয়ে বড় ঢেলা ভেঙে মাটি ঝুরঝুরে করতে হবে। সারিতে কাঠির সাহায্যে ১.০-১.৫ সে.মি. গভীর লাইন টানতে হবে। লাইনে বীজ বুনে হাত দিয়ে সমান করে দিতে হবে। ছিটিয়ে বুনলে বীজের সঙ্গে সমপরিমাণ ছাই বা পাতলা বালি মিশিয়ে নিলে সমভাবে বীজ পড়বে। বপনের পর হাল্কাভাবে মই দিয়ে বীজ ঢেকে দিতে হবে। জমিতে পর্যাপ্ত রস না থাকলে ঝাঝরি দিয়ে হাল্কা করে পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। তাহলে বীজ দ্রুত এবং সমানভাবে গজাবে। অর্ন্তবতীকালীন পরিচর্যা গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য জমিকে আগাছামুক্ত রাখা আবশ্যক। প্রয়োজনমতো জমিতে সেচ না দিলে কান্ড দ্রুত আঁশমুক্ত হয়ে ডাটার গুণগতমান ও ফলন কমে যাবে। মাটির চটা ভেঙে ঝুরঝুরে করে দিলে গাছের বৃদ্ধির সুবিধা এবং গোড়াপচা রোগও রোধ হয়। চারা গজানোর ৭ দিন পর হতে পর্যায়ক্রমে একাধিকবার গাছ পাতলাকরণের কাজ করতে হবে। জাত ভেদে ৫-১০ সে.মি. অন্তর গাছ রেখে বাকি চারা তুলে শাক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। যেহেতু দ্রুত বর্ধনশীল ফসল তাই সঠিক সময়ে ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে। ফসল তোলা কান্ড প্রধান জাতে ফসল সংগ্রহের কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। গাছে ফুল আসার পূর্ব পর্যন্ত যে কোনো সময় ফসল তোলা যেতে পারে। ফুল আসলেই কান্ড আঁশময় হয়ে যায়। ডাটার কান্ডের মাঝামাঝি ভাঙার চেষ্টা করলে যদি সহজে ভেঙে যায় তাহলে বুঝতে হবে আঁশমুক্ত অবস্থায় আছে। তখনই সংগ্রহের উপযুক্ত সময় বলে বিবেচিত হয়। জীবনকাল লাল তীর সীড লিমিটেড উদ্ভাবিত জাতসমূহের জীবনকাল বপন থেকে ৪০-৬০ দিন। ফলন ডাটা একটি উচ্চ ফলনশীল সবজি। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে উন্নত জাতের চাষ করলে প্রতি একরে ১০০-১২০ টন ডাটা পাওয়া সম্ভব।

ভারতফেরত মোশাররফ করিম হোম কোয়ারেন্টাইনে

বিনোদন বাজার ॥ কলকাতাফেরত অভিনেতা মোশাররফ করিম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। ‘ডিকশনারি’ ছবির শুটিং করতে চলতি মাসের প্রথমে কলকাতা গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং শেষ করে গত সোমবার ঢাকায় ফেরেন। দেশে এসেই সব নাটকের শুটিং স্থগিত করে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন মোশাররফ। বৃহস্পতিবার একটি নাটকের শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় শুটিং বাতিল করেন তিনি। অভিনেতা মোশাররফ করিম বলেন, ‘আজ ও আগামীকাল শুটিং ছিল, বাতিল করেছি। এই মুহূর্তে শুটিংয়ে অংশ নেওয়া ঠিক হবে না।’ দেশে ফিরেই করোনা নিয়ে বেশ সতর্কতার মধ্যে আছেন তিনি। সতর্কতায় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঘরে থাকছি। কাজ ছাড়া বের হচ্ছি না। বের হলেও মাস্ক ব্যবহার করছি। তা ছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো মেনে চলছি।’ মোশাররফ করিম বলেন, ‘যত দূর জানি, কলকাতায় এখনো কেউ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হননি। এরপরও সেখানে সব সময় সচেতন ছিলাম। হোটেলে প্রবেশের আগে প্রতিবার শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হয়েছে। প্রতিনিয়ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেছি। সেখানে সবাই খুব সচেতন। এই সতর্কতাটা খুবই ভালো লেগেছে। আমাদেরও সচেতন হওয়া উচিত। আমরা একটু সতর্ক হয়ে এই ভাইরাসটি প্রতিরোধ করতে পারি।’ দীর্ঘ ১০ বছর পর ‘ডিকশনারি’ ছবির মাধ্যমে আবার পরিচালনায় এলেন ব্রাত্য বসু। এই ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন কলকাতার অভিনয়শিল্পী ও বশির হাটের সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, আবির চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। বুদ্ধদেব গুহর দুটি ছোটগল্প ‘বাবা হওয়া’ ও ‘স্বামী হওয়া’ অবলম্বনে ছবির চিত্রনাট্য লেখা হয়েছে। জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) দেয়া তথ্যমতে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুয়ায়ী, চীনের উহান থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত ৯ সহগ্রাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ভাইরাসটিতে ২ লাখ ২০ হাজার জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

 

‘মুজিব আমার পিতা’ অ্যানিমেশন মুভি, ভিন্নভাবে বঙ্গবন্ধুকে পাওয়া

বিনোদন বাজার ॥ ‘স্কুলে পড়তে পড়তে আব্বার ব্যারিব্যারি রোগ হয়, চোখ খারাপ হয়ে যায়। চার বছর লেখাপড়া বন্ধ থাকে।’ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এভাবেই শুরু হয় ‘মুজিব আমার পিতা’ অ্যানিমেশন মুভি। মুজিববর্ষে শিশুদের কাছে আরো সজীব ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বঙ্গবন্ধুকে উপস্থাপনের জন্য আইসিটি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চলছে এই অ্যানিমেশন মুভির কাজ। মুভির প্রথম দৃশ্যে দেখা যায় বঙ্গবন্ধু উঠে এসেছেন নদীঘেষা এক গ্রাম থেকে যেখানে শোনা যাচ্ছে পাখির ডাক ও নদীর কলকল ধ্বনি। সেখানে কেটেছে তাঁর শৈশব, কৈশোর। কিন্তু ব্রিটিশ শোষণের অধীনে তৎকালীন সেই পরিবেশ সঠিকভাবে তুলে ধরতে উপস্থাপন করা হয়েছে একটি অনুন্নত, শোষিত দেশের চিত্র, যখন আমাদের গ্রামগুলোতে লাগেনি আধুনিকতার ছোঁয়া। অ্যানিমেশন মুভিতে নিজ দেশের মানুষের জন্য কিশোর মুজিবের উত্তেজিত কণ্ঠ ছিলো। সেখানে ভরাট কণ্ঠে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর কণ্ঠে ওঠা প্রশ্ন ‘তোমার নাম কী?’ এবং উত্তরে তরুণ মুজিবের আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠের উত্তর, ‘শেখ মুজিবুর রহমান’। সবখানে চেষ্টা ছিলো সেই সময়কে নিখুঁত ফ্রেমে উপস্থাপনের। এমনকি রাতের দৃশ্যে আবহ গ্রাম বাংলায় শুনতে পাওয়া ঝিঝি পোকার শব্দ ও পেঁচার ডাকও বাদ যায়নি। এই চলচ্চিত্রে ১৯২০ সালে জন্মানো শিশু মুজিব থেকে শুরু করে ১৯৫২ সালের রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত হয়ে ওঠা শেখ মুজিবুর রহমানকে তুলে ধরা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার লেখা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ বইটির ওপর ভিত্তি করেই নির্মিত হচ্ছে অ্যানিমেশন মুভিটি। কিন্তু তৎকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার জন্য প্রয়োজন ছিলো দীর্ঘদিনের গবেষণা। আর সে কারণেই এই অ্যানিমেশন মুভি নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রথম ১ বছর চলে যায় শুধু গবেষণায়। ফিল্মটির স্ক্রিপ্ট, স্টোরিবোর্ড, চরিত্র ও দৃশ্যপট কি হবে তা নিয়ে চলে এই গবেষণা। ১৯২০ থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত এই সময়কাল তুলে ধরতে আশ্রয় নেয়া হয়েছে তখনকার মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন নিয়ে লেখা বিভিন্ন বই ও প্রবন্ধের। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার লেখা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ বইটির ওপর ভিত্তি করে মুভিটি নির্মিত হলেও এর পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটির শরণাপন্নও হয়েছে নির্মাতা। দৃশ্যপট তৈরি, নকশা ইত্যাদি তৈরি করা হয় ট্র্যাডিশনাল প্রক্রিয়ায়। বাইগার নদীর তীরে টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জন্মানো খোকা কিভাবে একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্ন দেখাতে পারে সেই পথচলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিয়ে নির্মিত এই অ্যানিমেশন মুভি বঙ্গবন্ধুকে ও তৎকালীন পরিবেশ-পরিস্থিতি জানার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান এর পরিচালক সোহেল মোহাম্মদ রানা। তিনি বলেন, ‘মুজিব আমার পিতা’ অ্যানিমেশন ফিল্মটি তৈরিতে নির্ভুল গবেষণা অত্যন্ত প্রয়োজন ছিলো। কারণ এখানে যেমন জড়িত আছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার দায়িত্ব, তেমনি প্রয়োজন আছে তৎকালীন দৃশ্যপট তুলে ধরার দায়বদ্ধতা। অ্যানিমেশন ফিল্মে নির্মাতারা অনেকক্ষেত্রে নিজেদের কল্পনা বা আইডিয়াকে স্থান দেন। কিন্তু ইতিহাসভিত্তিক নির্মাণে সেই সুযোগ থাকে না। এখানেই আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমরা আমাদের মূল উৎস ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ বইটিতেই সীমাবদ্ধ থাকিনি, বরং সেখানে উল্লেখিত ঘটনাবলীকে নিরীক্ষার জন্য অন্যান্য স্বীকৃত বইয়ের সাহায্যও নিয়েছি। তিনি আরো বলেন, ব্যাকগ্রাউন্ড বা দৃশ্যপট নির্মাণের ক্ষেত্রে মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বাস্তবিক দৃশ্য তৈরি যাতে দর্শকেরা সেই সময়ের পরিবেশকে দৃশ্যপট দেখে অনুভব করতে পারেন। কিন্তু তৎকালীন সময়ের দৃশ্যপটের বিবরণ খুবই সীমিত পর্যায়ে পাওয়া যায় ঐতিহাসিক বই বা চলচ্চিত্রে। আর সে কারণেই আমাদের এত সময় লেগেছে। ফিল্মটির চরিত্র চিত্রায়নের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে বঙ্গবন্ধু, তার কন্যা শেখ হাসিনা ও অন্যান্য চরিত্রের পুরোনো ছবি। এ ছাড়াও পোশাক, বাচনভঙ্গি, চলাফেরা ইত্যাদি নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুরনো ভিডিও, তথ্যচিত্র, সাক্ষাতকারের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। ‘নকশা ও প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে আমরা বিখ্যাত কিছু অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র থেকে অনুপ্রাণিত যার ফলে ঐতিহাসিক বিবরণ থাকলেও আধুনিক অ্যানিমেশন ফিল্মের গঠন প্রক্রিয়া এই ফিল্মে পাওয়া যাবে।’-বলেন মুভিটির পরিচালক সোহেল মোহাম্মদ রানা। এ সময় বেশ উচ্ছ্বাস নিয়ে তিনি বলেন, সবচাইতে আকর্ষণীয় বিষয় হলো ট্র্যাডিশনাল অ্যানিমেশন পদ্ধতি ব্যবহারের কারণে ‘টু-ডি’ বা দ্বিমাত্রিক এই মুভির জন্য প্রায় ৩০ হাজারের বেশি ছবি আঁকতে হচ্ছে। কেননা প্রতি সেকেন্ডে এখানে ১২টি করে ফ্রেম থাকে। আর বাংলাদেশে নির্মিত এমন অ্যানিমেশন মুভি এটাই প্রথম। যেখানে আইসিটি মন্ত্রণালয়, প্রোল্যান্সার স্টুডিও এবং বিএমআইটি স্যলুশন লিমিটেড একত্রে কাজ করছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক চর্চা, সংস্কৃতি ও আদর্শ নির্মাণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৈশোরে রাজনীতিতে হাতেখড়ি, যৌবনে স্বাধিকার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে শাসকশ্রেণীর চক্ষুশূল হয়ে জেল-জুলুম সহ্য করা, এর মাঝেও দলের প্রতি দেশের নিপীড়িত মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ ও কর্তব্য পালনের যে তাড়না বঙ্গবন্ধু অনুভব করেছেন এবং বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন তার কথা আমরা জানতে পারি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন বই ও প্রবন্ধে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে প্রোল্যান্সার স্টুডিও এর নির্মাণ ‘মুজিব আমার পিতা’ নামক দ্বিমাত্রিক অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রটি। ২০২০ সালের মুজিববর্ষকে সামনে রেখে নির্মিত হচ্ছে ‘মুজিব আমার পিতা’ নামে একটি অ্যানিমেশন ফিল্ম। শহীদ সোহরাওয়ার্দির সঙ্গে প্রথম কথোপকথন থেকেই শুরু হয় মুজিবের রাজনৈতিক পথচলা। এখানে মুলত প্রাধান্য পাচ্ছে তাঁর শৈশব থেকে ৫২’র ভাষা আন্দোলন পর্যন্ত সময়কাল। আইসিটি মন্ত্রণালয়ের গেম অ্যান্ড অ্যাপ প্রজেক্টের আওতায় বিএমআইটি সল্যুশনের সহযোগিতায় প্রোল্যান্সার স্টুডিওতে ৪০ জনেরও বেশি চারুশিল্পী নিরলস কাজ করে যাচ্ছে ‘মুজিব আমার পিতা’ নামক দ্বিমাত্রিক অ্যানিমেশনটি দর্শকদের কাছে তুলে ধরতে। অ্যানিমেশনটির পরিচালনা করছেন সোহেল মোহাম্মদ রানা, লিড ক্যারেক্টার ডিজাইনার আরাফাত করিম, লিড ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজাইনার পল্লব কুমার মোহন্ত ও চিত্রনাট্য লিখেছেন ফাহাদ ইবনে কবির ও চিশতি কানন।

 

 

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত স্কটল্যান্ডের ক্রিকেটার মাজিদ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ স্কটল্যান্ডের সাবেক অফ স্পিনার মাজিদ হক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এখন সেরে ওঠার পথে আছেন বলে নিজেই জানিয়েছেন তিনি। ৩৭ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার শুক্রবার টুইটারে জানান, কভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার পর থেকে গ্লাসগোর রয়্যাল অ্যালেক্সান্দার হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন। “করোনাভাইরাস পরীক্ষায় পজিটিভ হওয়ার পর আজ সম্ভবত বাসায় ফিরতে পারি। হাসপাতালের স্টাফরা আমাকে সারিয়ে তুলতে খুব ভালো কাজ করেছে। যারা সহমর্মিতা জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন তাদের ধন্যবাদ। ইনশাআল্লাহ খুব শিগগির পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ফিরব।” যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্কটল্যান্ডে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২৬৬ জন নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। পুরো যুক্তরাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা তিন হাজার ২৬৯ জন। মাজিদ স্কটল্যান্ডের হয়ে ৫৪ ওয়ানডের পাশাপাশি ২১টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। সবশেষ তিনি দেশের হয়ে খেলেন ২০১৫ বিশ্বকাপে। ৬০ উইকেট নিয়ে একসময় তিনি ওয়ানডেতে দেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ছিলেন। ২০১৯ সালে তাকে ছাড়িয়ে যান ফাস্ট বোলার সাফিয়ান শরিফ। মাজিদ এখনো অবশ্য স্কটল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলে যাচ্ছেন।

‘দা হানড্রেড’ থেকে সরে গেলেন ওয়ার্নার

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ইংল্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘দা হানড্রেড’ এর উদ্বোধনী আসর থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। একশ বলের এই টুর্নামেন্টে ড্রাফট থেকে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনারকে দলে নিয়েছিল সাউথ্যাম্পটন ভিত্তিক দল সাউদার্ন ব্রেভ। করোনাভাইরাসের কারণে আরও অনেকেই এই টুর্নামেন্ট থেকে নিজেদের সরিয়ে নেবেন বলে গুঞ্জন আছে। তবে ওয়ার্নারের সরে যাওয়া করোনাভাইরাসের কারণে নয়, অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে নিশ্চিত করেছেন তার ম্যানেজার জেমস এর্সকিন। আগামী ১৭ জুলাই শুরু হয়ে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত চলার কথা এই টুর্নামেন্ট। করোনাভাইরাসের কারণে যদিও টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। তবে ওয়ার্নার আগেই নিজেকে মুক্ত করে নিয়েছেন জাতীয় দলে খেলার তাগিদে। অগাস্টে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলার কথা অস্ট্রেলিয়ার। প্রায় আড়াই লাখ ডলার পরিশ্রমিকে ওয়ার্নারকে এই টুর্নামেন্টের জন্য দলে নিয়েছিল সাউদার্ন ব্রেভ। অস্ট্রেলিয়া থেকে ওয়ার্নারের পাশাপাশি স্টিভেন স্মিথ, গে¬ন ম্যাক্সওয়েল, অ্যারন ফিঞ্চ, মিচেল স্টার্ক, ডার্সি শর্ট, ক্রিস লিন, ন্যাথান কোল্টার-নাইল, ড্যান ক্রিস্টিয়ান, অ্যাডাম জ্যাম্পাও নাম লিখিয়েছেন ‘দা হানড্রেড’ টুর্নামেন্টে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে চলছে এখন অচলাবস্থা। বন্ধ রয়েছে প্রায় সব খেলা। আন্তর্জাতিক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে অনেক দেশ।

আজীবন নিষিদ্ধ হওয়ার শঙ্কায় আকমল

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ উমর আকমলের বিরুদ্ধে ভিন্ন ঘটনায় বোর্ডের দুর্নীতি বিরোধী দুটি ধারা ভাঙার অভিযোগ এনেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। দোষী প্রমাণিত হলে ছয় মাস থেকে আজীবন নিষিদ্ধ হতে পারেন এই কিপার-ব্যাটসম্যান।  পিসিবি গত মঙ্গলবার তাকে নোটিশ দিয়েছে। ১৪ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জবাব দিতে হবে এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানকে। গত ২০ ফেব্র“য়ারি সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ২৯ বছর বয়সী আকমলকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করে পিসিবি। তাই খেলতে পারেননি পিএসএলে। দোষী প্রমাণিত হলে পেতে পারেন বড় শাস্তি।

লাইভ উইথ ন্যান্সি

বিনোদন বাজার ॥ এদেশে আধুনিক গানে এই প্রজন্মের সবচেয়ে ইউনিক ভয়েসের অধিকারী শিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি এখন নিয়মিতই গান উপহার দিচ্ছেন। একইসঙ্গে স্টেজ অডিও গানের পাশাপাশি তার সরব উপস্থিতি তার ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছে। দেশ-বিদেশে স্টেজ শো করেছেন গত কয়েকমাস। তবে বর্তমানে করোনা আতঙ্কে একাধিক স্টেজ শো বাতিল হওয়ার ধারাবাহিকতায় ন্যান্সিরও বেশকিছু কনসার্ট বাতিল হয়েছে। ন্যান্সি বলেন, ‘আমাদের এখন আরও সচেতন থাকা উচিত। চারদিকে যে খবরগুলো শুনছি সত্যিই আঁতকে উঠতে হয়। তাই এই সময়টাই রেকর্ডিংয়ে মনোযোগ দিচ্ছি।’ তবে ন্যান্সি ভক্তদের জন্য দারুণ খবর হলো প্রথমবারের মতো রেডিও জকি হিসেবে আসছেন তিনি। সম্প্রতি ক্যাপিটাল এফএম-এর সঙ্গে ২ বছরের জন্য আরজে হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হলেন তিনি। উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিক কণ্ঠশিল্পী এফএম স্টেশনে আরজে হিসেবে চুক্তি গড়েছেন। একাধিক শো উপস্থাপনা করেছেন। তবে এই প্রথম ন্যান্সি আরজে হিসেবে হাজির হবেন। সপ্তাহের প্রতি বুধবার রাত ৯টা থেকে ১১টা অবধি ২ ঘণ্টা চলবে এই অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের নাম ‘লাইভ উইথ ন্যান্সি’।

ন্যান্সি বলেন, ‘এটা কাকতালীয়ই বলবো। ক্যাপিটাল এফএম-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নঈম নিজাম ভাই প্রস্তাব দেওয়াতে রাজি হয়ে যাই। আমি যদিও কথা বলতে পারি কম। কিন্তু আবার মনে হলো একটু নতুনভাবেই ভাবি না কেন নিজেকে নিয়ে। তাই রাজি হলাম। এছাড়া আমি সাধারণত খুব কমই আসি ফেসবুক লাইভে। কিন্তু আমার শ্রোতা-দর্শকরা খুব করে চায় যেন আমি নিয়মিত আসি। সেটাও আমি মনে করি আমার এই লাইভ অনুষ্ঠান দিয়ে পূরণ করা যাবে। কারণ এটি একইসঙ্গে ডিজিটাল প্লাটফর্মেও লাইভ দেখা যাবে। আশা করছি শ্রোতা ও আমার অতিথির সঙ্গে দারুণ কিছু সময় কাটবে প্রতি সপ্তাহে।’

 

‘নিরাপদ থাকো, সতর্ক থাকো’, ক্রিকেটারদের প্রতি ডমিঙ্গোর বার্তা

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ সব ঠিকঠাক থাকলে ছুটি কাটিয়ে দু-একদিনের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল রাসেল ডমিঙ্গোর। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়ে গেছে সেই ছুটি। দেশে সব ধরনের ক্রিকেট বন্ধ, কোচের করার আর কী থাকবে! বাড়তি এই ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন ডমিঙ্গো। ক্রিকেটারদের প্রতি বাংলাদেশ কোচের বার্তা, ‘নিরাপদ থাকো, সতর্ক থাকো।’ করোনাভাইরাসের বিস্তার এড়াতে স্থগিত করা হয়েছে দেশের সব ধরনের ক্রিকেট। জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর ছুটিতে যাওয়া জাতীয় দলের কোচিং স্টাফের সবার অবসর তাই দীর্ঘায়িত হয়েছে আরও। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে শুক্র ও শনিবারের মধ্যে চলে আসার কথা ছিল সবার। কিন্তু বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির প্রধান আকরাম খান জানালেন, কোচদের সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আপাতত ফেরার প্রয়োজন নেই। অবস্থা বুঝে সবাইকে জানানো হবে কখন ফিরতে হবে বাংলাদেশে। বিসিবির হেড অব ফিজিক্যাল পারফরম্যান্স পদে কদিন আগে নিয়োগ পাওয়া নিক লি যোগ দিয়েছিলেন কাজে। কিন্তু সাবেক এই ইংলিশ ক্রিকেটারও ফিরে গেছেন দেশে। যে পরিস্থিতিতে এই ছুটি, সেটি চাননি ডমিঙ্গো। তবে পেশাদারী ব্যস্ততার কারণে পরিবার থেকে অনেকটা সময় দূরে থাকতে হয় তাদের। বাংলাদেশের প্রধান কোচ জানালেন, বাড়তি ছুটি কাজে লাগাচ্ছেন পারিবারিক সময় কাটিয়ে। “এভাবে ছুটি কাম্য নয় কখনোই। তবে বাস্তবতা মানতেই হবে। পুরো সময় পরিবারের সঙ্গে কাটাচ্ছি। আশা করছি, বিশ্বজুড়ে এই দুর্যোগ দ্রুত কেটে যাবে।” জিম্বাবুয়ে সিরিজ শেষ হওয়ার পর গত রোববার থেকে শুরু হয়েছিল ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। কিন্তু পরিস্থিতি গুরুতর হতে থাকায় লিগ তো বটেই, স্থগিত করা হয়েছে সব ধরনের ক্রিকেট। এই অবসর সময়ে ক্রিকেটারদের জন্য ছোট্ট বার্তা দিয়েছেন কোচ। “বিসিবি সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে (খেলা স্থগিত করে)। ক্রিকেটারদের বলব, সবার আগে হলো নিরাপত্তা। ঘরে থাকো, সতর্ক থাকো, নিরাপদ থাকো। সরকারী নির্দেশনা যা আছে, চিকিৎসকেরা যা বলছেন, সব মেনে চলো।”

আইসোলেশন থেকে কোয়ারেন্টাইনে টম হ্যাংকস ও তার স্ত্রী রিটা উইলসন

বিনোদন বাজার ॥ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে ছিলেন হলিউড অভিনেতা টম হ্যাংকস ও তার স্ত্রী রিটা উইলসন। চিকিৎসা নেওয়ার পর শঙ্কামুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন এ হলিউড দম্পত্তি। টম হ্যাংকসের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, চিকিৎসার জন্য টম হ্যাংকস ও তার স্ত্রী রিটা উইলসনকে অস্ট্রেলিয়ার পূর্বাঞ্চলের একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছিল। এখন তারা কুইন্সল্যান্ডের একটি বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে আছেন।

এর আগে রিটা উইলসন নিজের অভিজ্ঞতা থেকে একটি গানের তালিকা শেয়ার করেছেন টুইটারে, যা কোয়ারেন্টাইনে থাকা বা আইসোলেশনে থাকা মানুষেরা মানসিক চাপ কমাতে শুনতে পারেন।

শুক্রবার রিটা টুইটারে ভক্তদের অনুরোধ করেছিলেন এমন কিছু গানের তালিকা দেওয়ার জন্য যেগুলো আইসোলেশন বা কোয়ারেন্টাইন সম্পর্কিত। অনেকেই অনেক গানের নাম বলেছেন। সব মিলিয়ে মোট ৩২টি গানের একটি তালিকা পেয়েছেন রিটা। একসঙ্গে সবগুলো গান শুনতে ২ ঘণ্টা সময় লাগবে।

এসব গানের মাঝে আছে এরিক কারমেনের ‘অল বাই মাইসেলফ’, বিটলসের ‘আই অ্যাম সো টায়ার্ড’, মাইলি সাইরাসের ‘দ্য ক্লাইম্ব’, ডেসটিনি চাইল্ডের ‘সারভাইবার’ ও এমসি হ্যামারের ‘ইউ কান্ট টাচ দিস’-এর মতো জনপ্রিয় সব গান।

 

টি সিরিজে আমিন রাজার দুইটি গান

বিনোদন বাজার ॥ এই প্রথমবার টি সিরিজ প্রকাশ করলো বাংলাদেশি কোনও শিল্পীর গানের ভিডিও। শিল্পীর নাম আমিন রাজা।

আমিন রাজার এই দুইটি গানের একটি গান বাংলা আর অন্যটি হিন্দি। গান দুটি হলো ‘পেয়ার হো গায়া’ ও ‘মন শুধু মন’। এই দুটি গানে কন্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি দুটি গানের কথা ও সুর করেছেন আমিন রাজা। আর সংগীতায়োজন করেছেন বলিউডের জনপ্রিয় মিউজিসিয়ান রাজা কাশেফ।

বাংলা গানের ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন ভিকি জাহেদ ও হিন্দি গানের ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন শাহরিয়ার পলক। এই দুটি গানের মিউজিক ভিডিওতে অভিনয়ও করেছেন আমিন রাজা আর তার সঙ্গে ছিলেন বাংলা ভিডিওতে শাকিলা পারভিন আর হিন্দি ভিডিওতে লিয়ানা।

এই প্রসঙ্গে আমিন রাজা বলেন,”আমার সত্যিই ভালো লাগছে টি সিরিজ এর মতো এতো বড় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আমার দুটি গানের ভিডিও প্রকাশ করেছে। একই মিউজিকের উপর দুটি ভাষার এই গানটি সকলের ভালো লাগবে। গানের মিউজিক ভিডিও দুটি সাজানো হয়েছে সুন্দর দুটি গল্পের মধ্য দিয়ে। আশা করছি গানের ভিডিও দুটি ভালো লাগবে।”

 

হঠাত করেই বিয়ে করলেন পরীমনি

বিনোদন বাজার ॥ হঠাৎ করেই পরীমনির টাইমলাইনে ভেসে ওঠে ‘গট ম্যারিড’ শব্দটি। ভক্তদের চমকে দিয়ে সত্যিই বিয়েটা সেরে ফেলেছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি। তার বরের নাম কামরুজ্জামান রনি। থিয়েটার দল নাগরিক নাট্যাঙ্গণের সঙ্গে যুক্ত আছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি ছোটপর্দার নির্মাতা হিসেবেও কাজ করছেন।

বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পরীমনির ফোন বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার সাড়া মেলেনি। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে যোগাযোগ করা হয় কামরুজ্জামান রনির সঙ্গে। ফোন রিসিভ হওয়া সাথে সাথে ওপার থেকে শোনা গেল পরীমনির কণ্ঠ।

স্বপ্নজাল খ্যাত এই নায়িকা জানালেন, গত ১০ মার্চ রাতে রাজারবাগ কাজি অফিসে বিয়ে করেন তারা। এরপর শুটিং নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন পরী। বর্তমানে সুন্দরবনে ‘অপারেশন সুন্দরবন’ সিনেমার শুটিং করছেন তিনি।

পরীমনি বলেন, ‘বিয়ে হঠাৎ করেই করে ফেললাম। আমি এখন অপারেশন সুন্দরবন সিনেমার শুটিং করছি। কয়েকদিন পরেই ঢাকায় ফিরব। আমার সঙ্গে এখানে এসেছিল রনি। আজ ঢাকায় ফিরে যাচ্ছে সে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

অভিনেত্রী ও নির্মাতা হৃদি হকের ‘১৯৭১: সেই সব দিন’ ছবির সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন রনি। ছবিটিতে অভিনয় করছেন পরীমনি। এই ছবির গল্প শুনতে গিয়ে পাঁচ মাস আগে রনির সঙ্গে পরীর পরিচয়। এরপর একে অপরকে জানা। ৯ মার্চ রনি পরীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। হঠাৎ করেই ওই দিনই রাতে বিয়ে করে ফেলেন তারা।

রনি বলেন, ‘পরীর শুটিং শেষ হলে আমরা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করব। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

করোনা সচেতনতায় হাত ধোয়া দেখিয়ে ট্রোলের শিকার নুসরাত

বিনোদন বাজার ॥ করোনাভাইরাস নিয়ে ভক্তদের মাঝে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে গিয়ে উল্টো ট্রোলের শিকার হলেন টলিউড অভিনেত্রী ও বশির হাটের সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে ‘সেফ হ্যান্ডস চ্যালেঞ্জ’ -এ অংশ নিয়ে তিনি হাত ধোয়ার ভিডিও পোস্ট করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরপরই তিনি ট্রোল হতে থাকেন। বুধবার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেন এ অভিনেত্রী। ভিডিওতে দেখা গেছে, কীভাবে করোনা আতংকের সময় সাবান হাতে মেখে পরিষ্কার করতে হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন এ অভিনেত্রী। কিন্তু হাতে সাবান লাগানোর সময় বেসিনের কল বন্ধ না করায় তার উপর অসন্তোষ প্রকাশ করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের একংশ। কলকাতার প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারী কয়েকজনের মন্তব্য প্রকাশ করে। এতে একজন লেখেন, উনি কি ভুলে গিয়েছেন যে পানি বাঁচানোও দরকারি? আর একজন লেখেন, উনি যে বার্তা দিতে চেয়েছেন তা নিঃসন্দেহে ভালো। কিন্তু এভাবে পানি নষ্ট করে ভিডিও করে কী লাভ? প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদিও গোটা ঘটনায় এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি নুসরাত জাহান। শুধু নুসরাতই নন। সচেতনতা বাড়াতে এই ‘সেফ হ্যান্ডস চ্যালেঞ্জে অংশ নিয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন থেকে অনুষ্কা শর্মাসহ বলি অভিনেত্রীরাও।