কালুখালীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন

ফজলুল হক ॥ গতকাল ১৭ মার্চ রাজবাড়ীর কালুখালীতে  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকাল ৯টায় চাদপুর বাসষ্টান্ড মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষ্কর্যে পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়। প্রথমে রাজবাড়ী -২ আসনের সংসদ সদস্যের পক্ষে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলীউজ্জামান চৌধুরী টিটো, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) শেখ নুরুল আলম সহ অন্যান্য নেতা কর্মী বৃন্দ। এরপর উপজেলা পরষিদের পক্ষে উপজেলা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, থানা প্রশাসনের পক্ষে অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুল হাসান এর নেতৃত্বে, ইন্সপেক্টর তদন্ত মোঃ শহিদুল ইসলাম সহ অন্যান্যরা,উপজেলা আওয়ামীলীগের পক্ষে সভাপতি  মোঃ আতিউর রহমান নবাব, সাধারন সম্পাদক খাইরুল ইসলাসম খায়ের, সহ অন্যান্যরা। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষে কমান্ডর সার্জেন্ট (অব.) আকামত আলী মন্ডল, ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল খালেক, কালুখালী সরকারি কলেজের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল হাসান রানাসহ অন্যান্য শিক্ষকমন্ডলী,  কালুখালী মহিলা কলেজের পক্ষে অধ্যক্ষ মমতাজ উদ্দিন সহ অন্যান্যরা উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ এর পক্ষে সভাপতি রেহানা পারভিনের নেতৃত্বে রতনদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর পক্ষে সভাপতি মেহেদী হাচিনা পারভীন নিলুফা, সাধারন সম্পাদক নির্মল কুমার শাহ, মদাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর পক্ষে সভাপতি এবি.এম রোকনুউজ্জামান এর নেতৃত্বে  যুব মহিলা লীগ এর পক্ষে সাবিনা ইয়াসমিন ও রুমা সহ, উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক মনিরুজ্জামান, যুগ্ন আহবায়ক মোঃ রাকিবুল ইসলাম লাবু, সোহেল আলী মোল্লা ও হাফিজুর রহমান লালটু সেলিমউর রেজা সহ অন্যান্যরা, সোনালী ব্যাংক লিঃ অগ্রণী ব্যাংক লিঃ কৃষি ব্যাংক লিঃ এর কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষে সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সুমনের নেতৃত্বে রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে  চেয়ারম্যান মেহেদী হাচিনা পারভীনসহ অন্যান্য ইউপি সদস্যগণ এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পমাল্য অর্পন করে।

কাতলামারীতে মেসার্স হক এলপিজি ফিলিং স্টেশনের উদ্বোধন

আমলা অফিস ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুরে মেসার্স হক এলপিজি ফিলিং স্টেশনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মিরপুর উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের কাতলামারীস্থ এলাকায় এ তেল পাম্পের শুভ উদ্বোধন করেন। বিএম অটোগ্যাস এর অনুমোদিত ফ্যাঞ্চইজি এ হক এলপিজি গ্যাসের ফিলিং স্টেশনের মালিক হাজ্বী আজিজুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে ফিলিং স্টেশনের শুভ উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়া জেলা সিএনজি মালিক ও চালক সমিতির সভাপতি সামসুল আরেফিন অমূল্য। এসময় তিনি বলেন, এলপিজি গ্যাস একটি পরিবেশ বান্ধব। অনান্য গ্যাসের তুলনায় এটির খরচ তুলনামূলক কম। আমরা পাবনার ঈশ্বরদী থেকে গ্যাস আনতে যেতাম। এতে নানা রকমের হয়রানির স্বীকার হতাম। এখন থেকে এই কাতলামীতেই এলপিজি গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। এতে আমাদের আর ঈশ্বরদী যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। এতে আমাদের সময় ও অর্থ দুটোই বাঁচবে। তিনি আরো বলেন, অনেক সিএনজি এলপি গ্যাস ব্যবহার করছেন। আমরা খুব শিঘ্রই এই এলপি গ্যাসের পরিবর্তে এলপিজি গ্যাসের গাড়ী নিশ্চিত করবো। সেই সাথে হাতের কাছে কাতলামারীতে আমরা এ গ্যাসের সুবিধা পাবো। এতে আমাদের অনেকটা উপকার হবে। অনুষ্ঠানে হক ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসান উল হকের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাজেদুর আলম বাচ্চু, বিএম অটোগ্যাস কোম্পানী লিমিটেডের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, আমলা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এএসআই আশরাফ,  কুষ্টিয়া সিএনজি মালিক ও চালক সমিতির লাইন সম্পাদক আব্দুল হান্নান, আমলা সিএনজি মালিক ও চালক সমিতির সভাপতি আমজাদ হোসেন, সাধারন সম্পাদক সোহেল রানা, বামুন্দি সিএনজি প্রতিনিধি রকিবুল ইসলাম, ইংরাজ আলী, মিন্টু হোসেন, জেলা কাউন্টারের প্রতিনিধি মাহাবুব আলী, মিরপুর কাউন্টার প্রতিনিধি তৈয়ব আলী, আমলা মাইক্রো স্ট্যান্ডের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম ডাকু, সাধারন সম্পাদক আব্দুর রব, লাইন সম্পাদক এনামুল হক, সদস্য রুবেল হোসেন প্রমুখ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলার প্রায় দুই শতাধিক সিএনজি চালক ও মালিক এবং মাইক্রো চালক-মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দরা, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিগণ, ফিলিং  স্টেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ, সুধিজনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন শেষে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সদরপুর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা জমির উদ্দিন।

কুষ্টিয়ায় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা

নিজ সংবাদ ॥ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশত বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে, কুষ্টিয়ার বিভিন্ন মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে এ বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। একই সাথে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির জন্যও প্রার্থনা করা হয়। ১৭ মার্চ সন্ধ্যার পর কুষ্টিয়া শহরের শ্রী শ্রী গোপীনাথ জিউর মন্দিরে, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার আয়োজনে এ বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থনা পরিচালনা করেন শ্রী শ্রী গোপীনাথ জিউর মন্দিরের পুরোহীত অনন্ত মোহন বাগচী। এ সময় পূজা উদ্যাপন পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি নরেন্দ্রনাথ সাহা, সহ-আইন সম্পাদক এ্যাডঃ শীলা বসু (এ.জি.পি), পূজা উদ্যাপন পরিষদ নেতা পরেশ রায় নাড়–, কৃষ্ণ কমল বিশ্বাস, গণেশ জোয়ার্দ্দার, তারাদাস ভৌমিক, তুহিন চাকী, প্রবীর কর্মকার, মিহির চক্রবর্তী, অসিম পাল, সন্নাসী বিশ্বাস, বাবলু সরকার সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে কুষ্টিয়া শহরের ঐতিহ্যবাহী মন্দির ‘আমলাপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির’ প্রাঙ্গনে প্রার্থনা ও আলোকসজ্জা করা হয়। এ সময় আমলাপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দিরের সভাপতি সনৎ কুমার পাল (বাবলু), সাধারণ সম্পাদক বুদ্ধাদেব কুন্ডুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে এ উপলক্ষ্যে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন মন্দিরে প্রার্থনা করা হয়।

মিরপুরে মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত

মিরপুর অফিস ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলা চত্বর বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পমাল্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময়ে উপজেলা পরিষদের পক্ষে চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিন, প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও লিংকন বিশ্বাস, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে ওসি আবুল কালাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে সভাপতি অ্যাডঃ আব্দুল হালিম ও সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফিন, উপজেলা জাসদের পক্ষে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও আহাম্মদ আলী, পৌরসভার পক্ষে মেয়র হাজী এনামুল হক, প্রেসক্লাবের পক্ষে সভাপতি মহাম্মদ আলী জোয়ার্দ্দার ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রিমন পুষ্পমাল্য অর্পন করেন। এছাড়াও কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্যের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষে থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিংকন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিল ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিন। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডঃ আব্দুল হালিম, পৌর মেয়র হাজী এনামুল হক, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জোয়ার্দ্দার, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান মর্জিনা খাতুন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রকিবুল হাসান, মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডের সাবেক কমান্ডার আফতাব উদ্দিন খান, নজরুল করিম, পোড়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুজ্জামান বিশ্বাস, সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল হক রবি, ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আব্দুস সালাম, তালবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান মন্ডল, চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন পিস্তুল, ধুবইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুর রহমান মামুন, বহলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা প্রমুখ। অন্যদিকে মিরপুর প্রেসক্লাব কার্যালয়ে কেক কাটা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসক্লাবের সভাপতি মহাম্মদ আলী জোয়ার্দ্দারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রিমনের পরিচালনায় এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি বাবলু রঞ্জন বিশ্বাস, আছাদুর রহমান বাবু, সহ-সভাপতি কাঞ্চন কুমার হালদার, সাবেক আহ্বায়ক হুমায়ূন কবির হিমু, অর্থ-সম্পাদক মজিদ জোয়ার্দ্দার, দপ্তর সম্পাদক ফিরোজ আহাম্মেদ, প্রচার সম্পাদক আহসান হাবীব উজ্জল, সদস্য অধ্যাপক আব্দুস সালাম, জমির উদ্দিন, আমলা প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি হামিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি সিদ্দিক আলী, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলাম হীরা, সাংবাদিক জাহিদ হাসান, আলম মন্ডল, হাফিজুর রহমান, মালেক জোয়ার্দ্দার প্রমুখ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক ঘোষ’র ভাতিজা গোপাল চন্দ্র ঘোষ’র মৃত্যু বার্ষিকী আজ

নিজ সংবাদ ॥ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কুষ্টিয়া জেলা সাংগঠনিক কমান্ডের কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সাবেক জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক কুমার ঘোষ এর ভাতিজা ব্যবসায়ি গোপাল চন্দ্র ঘোষ’র ১২তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ ১৮ মার্চ বুধবার। ২০০৮ সালের ১৮ মার্চ ঢাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ উপলক্ষ্যে আজ ১৮ মার্চ বুধবার স্বর্গীয় গোপাল চন্দ্র ঘোষ’র আত্মার শান্তি কামনা করে এক বিশেষ প্রার্থনা ও কীর্ত্তণ অনুষ্ঠিত হবে। কুষ্টিয়া শহরের চাউলের বর্ডার এলাকায় নিজ বাড়ীতে এ প্রার্থনা ও কীর্ত্তণ অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, গোপাল চন্দ্র ঘোষ’র বাবা স্বর্গীয় রতন কুমার ঘোষ, ভাই কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার ঘোষ, সঞ্জয় কুমার ঘোষ, দিলীপ কুমার ঘোষ, উত্তম কুমার ঘোষ ও নেপাল চন্দ্র ঘোষ।

ইবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ২০২০ বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যদিয়ে উদ্যাপন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদ।  এ  লক্ষ্যে গতকাল র‌্যালি, শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, কেক কাটা এবং আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় ক্যাম্পাসের আ¤্রকানন হতে পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুল আরফিনের নেতৃত্বে একটি আনন্দ র‌্যালি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব মুর‌্যালে সমবেত হয়। এরপর মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব মুর‌্যালে পরিষদের পক্ষ থেকে নেতা-কর্মীরা শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে অনুষদ ভবন চত্বরে ৫০ পাউন্ডের কেক কাটা হয়। কেক কাটা অনুষ্ঠান শেষে পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুল আরফিনের পরিচালনায়  অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ শামছুল ইসলাম জোহা, ইবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের মুজিববর্ষ উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন এবং সদস্য-সচিব দেওয়ান টিপু সুলতান প্রমুখ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

মুক্তিযোদ্ধা সাংগঠনিক কমান্ড কর্তৃক জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকী উদ্যাপন

নিজ সংবাদ ॥ মুক্তিযোদ্ধা সাংগঠনিক কমান্ড কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশত বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে। আনন্দ র‌্যালি, আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্যদিয়ে দিনটি উদ্যাপন করে জাতির সূর্য্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কুষ্টিয়া জেলা সাংগঠনিক কমান্ড। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কুষ্টিয়া জেলা সাংগঠনিক কমান্ডের কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সাবেক জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক কুমার ঘোষ’র নেতৃত্বে র‌্যালি করে বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ। এরপর জেলা কালেক্টরেট চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ভাস্কর্য্যে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাদ্যের তালে তালে জেলা কালেক্টরেট চত্বর থেকে আনন্দ র‌্যালিটি মজমপুর গেট হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে শহরের রাজার হাট মোড়ে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কুষ্টিয়া জেলা সাংগঠনিক কমান্ড কার্যালয়ে আসে। এ সময় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কুষ্টিয়া জেলা সাংগঠনিক কমান্ড’র ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন, সাংগঠনিক কমান্ড’র ডেপুটি কমান্ডার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকবাল মাসুদ, সদর উপজেলা কমান্ডের সাবেক উপজেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লিয়াকত আলী নীলা, সদর উপজেলা কমান্ডের সাবেক সহকারী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান, শেখ আবু হানিফ, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম নুরু, স্বপন নাগ চৌধুরী, আহসান হাবীব দুলাল, জাহিদ হোসেন, লুৎফর রহমান, দাউদ আলী, আঃ মজিদ, লিয়াকত আলী, শহিদুল ইসলাম মনি, জিল্লুর রহমান, মকবুল হোসেন, ডাঃ মতিয়ার রহমান, সাইদুল ইসলাম সিরাজুল, আক্কাস আলী, জহুরুল হক, খেদ আলী, আঃ হাকিম, সার্জেন্ট রিয়াজুল, সার্জেন্ট সোলাইমান, আবুল হোসেন, বিল্লাল মাস্টার, আঃ করিম, দৌলত খান ইয়াছিন আলী সহ দুই শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যার পর সাংগঠনিক কমান্ড কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা শেষে কেক কাটেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কুষ্টিয়া জেলা সাংগঠনিক কমান্ডের কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সাবেক জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক কুমার ঘোষ। এ সময় সাংগঠনিক কমান্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক কুমার ঘোষ বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা করোনা ভাইরাসকে ভয় পায়না। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধারা। সেদিনও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকবাহিনীদের ভয় পায়নি, তাই আজও করোনা ভায়রাসকে ভয় পায়নি। বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক কুমার ঘোষ আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মদিনে আমি তাকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। বাঙ্গালী জাতি চিরদিনই তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণে রাখবে বলে আমরা দৃঢ় বিশ্বাস।

 

মুজিব জন্ম শতবর্ষে কুষ্টিয়া জেলা জাসদের আলোচনা সভা

‘মুজিব শতবর্ষের অঙ্গীকার সুশাসন প্রতিষ্ঠার’ শ্লোগানকে ধারণ করে মুজিব জন্ম শতবর্ষ পালন ও জেলা জাসদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় কুষ্টিয়া জেলা জাসদ কার্যালয়ে জেলা জাসদ সভাপতি গোলাম মহসিন এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভার শুরুতে যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান জানিয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।  সভায় জেলা জাসদ সভাপতি আলহাজ্জ গোলাম মহসিন বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক দেশটি পেতাম না। আমাদের আত্বপরিচয় পৃথিবীর মানুষের কাছে বিকাশ ঘটত না। জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে মৃত বঙ্গবন্ধু অনেক শক্তিশালী। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে আমরা বাঙ্গালীরা পৃথিবীর মানচিত্রে শক্তিশালী জাতি হিসেবে স্থান পেতাম। ৭৫’র পর আমাদের ইতিহাসের চাকাকে বারবার ঘোরানোর অবকাশ হয়েছে। জিয়া এরশাদ গংরা বারবার সামরিক শাসনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর নামটি মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু বীরের জাতি বাঙ্গালীরা ঘুরে দাড়িয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আজ এশিয়ার টাইগার ও মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা জাসদের সভাপতি আমিরুল ইসলাম মকলু, সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, জাসদ নেতা শাখাওয়াৎ হোসেন পল্টু, আক্তার হোসেন, হাকীম লোকমান হোসেন, মামুনুর রশিদ সন্টু, মিজানুর রহমান মিজান, যুবজোট নেতা মাহাবুব হাসান, হরিপুর ইউপি জাসদ সভাপতি আবু তৈয়ব, একে আহাদ নান্টু, জাসদ ছাত্রলীগ নেতা আশিকুর রহমান প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধু’র জন্মশতবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু হলের সামনে মুজিব ও মুক্তির আহবান নামে মুর‌্যাল উদ্বোধন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে  জাতির  পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয়  শিশু দিবস-২০২০ উপলক্ষ্যে আয়োজিত  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষনের প্রতিকৃতি  মুক্তির আহবান ও শ^াশত মুজিব নামে দুটি মনোমুগ্ধকর মুর‌্যালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. তপন কুমার জোদ্দার এর সভাপতিত্বে  প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন,  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে আমাদের সকলের দায়িত্ব হবে বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও কর্মকে তুলে ধরা। তিনি বলেন, বাঙালী জাতির মুক্তির অংকুরগম হয়েছিল জাতির পিতা  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মের মধ্যদিয়ে। তিনি  গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহন না করলে বাঙালি জাতি তার দীর্ঘদিনের শোষন, বঞ্চনা হতে মুক্তি পেত না। তিনি পুরো জাতিকে দীর্ঘ ধারাবাহিক আন্দোলন সংগ্রামের পথ ধরে সুদীর্ঘ নয়মাস গনযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানি হানাদারমুক্ত করেছিল স্বপ্নের সোনার বাংলাকে। ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, পৃথিবীতে অনেক বড় বড় নেতা রয়েছে যেমন চীনে মাও সেতুং, জামার্নিতে বিসমার্ক, দক্ষিন আফ্রিকাই নেলসন ম্যান্ডেলা, ইন্দোনেশিয়াই মেঘবতী সুকর্ণপতি, মালোয়েশিয়ায় মাহাথির মোহাম্মদ, ভারতে মাহাত্মা গান্ধি ঠিক তেমনি আমাদের দেশে ইতিহাসের পাতায় স্বর্নাক্ষরে লেখা রয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম। তিনি নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কর্ম, আর্দশ ও চেতনাকে ধারন করে  অসাম্প্রদায়িক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের  চেতনায় উদ্ভুদ্ধ হয়ে দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় গড়ে তুলবার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। এজন্য বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, আজকের এই দিন শুধু বাঙালী জাতির জন্য নয় বরং সকল বাঙালী ভাষাভাষী মানুষের জন্য কারন বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে এই দেশ কখনোই স্বাধীন হতো না। তাই যতদিন বাংলদেশ থাকবে ততদিন বাঙালি জাতির মুক্তি দিশারী হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্মৃতি আদর্শ বংশ পরমপরায় চলে আসবে। তিনিই দেখিয়েছিলেন যে, বাঙালি জাতি বীরের জাতি। তাদেরকে শত বাধা বিপত্তি ঠেকিয়ে রাখা যায় না। প্রো ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন মানবিক গুনাবলীতে অতুলনীয়। তিনি সাম্প্রদায়িক বিষবৃক্ষ পছন্দ করতেন না এজন্য  তিনি সাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী মুসলিম লীগ থেকে বেরিয়ে এসে আওয়ামীলীগ গঠন করেছিলেন। তার দেখানো পথ ধরে বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরসূরী সুযোগ্য তনয়া জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিনত করেছে। তার বলিষ্ঠ, সাহসী ও দৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে এসেছে। তাই ভিশণ ২০-২১ এবং রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ অচিরেই পৃথিবীর কাছে উন্নত দেশ হিসাবে পরিগনিত হবে। এছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে শুধু ম্যুরালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ করলে হবে না বরং তাঁর আর্দশ, কর্ম ও চেতনাকে আমাদের সকলের মেধা ও মননে ধারন করতে হবে এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে তা ছড়িয়ে দিতে হবে। তাহলেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড.  কাজী আকতার হোসেন, প্রফেসর ড. রুহুল কে এম সালেহ, প্রক্টর প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণ,  ছাত্র- উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোহাঃ সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মোঃ জাকারিয়া রহমান, প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান, প্রফেসর ড. মোহাঃ মেহের আলী, প্রফেসর ড. সেলিনা রহমান, প্রফেসর ড. আতিকুর রহমান, প্রফেসর ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ, ড. বাকী বিল্লাহ বিকুল, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক(ভারঃ) এ এইচ এম আলী হাসান, হিসাব পরিচালক (ভারঃ) ছিদ্দিক উল্যাহ, উপ-রেজিস্ট্রার মীর মোঃ জিল্লুর রহমান, সহায়ক কর্মচারী সমিতির সভাপতি আব্রাহাম লিংকন, সাধারন কর্মচারী সমিতির সভাপতি আতিয়ার রহমানসহ সর্বস্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বঙ্গবন্ধু হলের ছাত্রবৃন্দ। এর আগে  সরকার কর্তৃক নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে জনসমাগম এড়িয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করার নিদের্শনা দেওয়ায় এ বছর স্বল্প পরিসরে মুজিব জন্মশতবার্ষিকীর আনন্দ র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল  সাড়ে ৯টায় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী এর নেতৃত্বে প্রশাসন ভবন চত্বর হতে স্বল্প পরিসরে আনন্দ র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার  প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা, ভারপ্রাপ্ত  রেজিস্ট্রার  এস এম আব্দুল লতিফ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান, প্রভোস্ট, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, বিভাগীয় প্রধানসহ সর্বস্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং ইবি শাখা ছাএলীগের সকল স্তরের নেতা কর্মী ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। পুষ্পস্তবক অর্পন শেষে “মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব মুর‌্যালে” এর পাদদেশে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা, রেজিস্ট্রার(ভারঃ) এস.এম আব্দুল লতিফ এবং “মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব মুর‌্যালে”র অর্থায়নকারী বিশ^বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সাবেক ছাত্র ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ জালাল উদ্দিন তুহিন। সংক্ষিপ্ত আলোচনা পরিচালনা করেন  ৭, ১৭ ও ২৬ মার্চ উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান। দিনের অনুষ্ঠানসূচীর মধ্যে বিশ^বিদ্যালয়ের প্রেস কর্ণারে প্রেসক্লাবের আয়োজনে “খবরের পাতায় বঙ্গবন্ধু” শীর্ষক ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ কর্মময় সময়ের অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পত্রিকার কাটিং বিলবোর্ডে স্থান পায়। উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা। এছাড়া প্রকৌশল অফিসের উদ্যোগে প্রকৌশল অফিসের সামনে বঙ্গবন্ধু উপরে লেখা বিভিন্ন ঐতিহাসিক বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেন  ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা। পরে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

মুজিব বর্ষের প্রথম দিনে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস সারা দিন ছিল মুখোরিত

নিজ সংবাদ ॥ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শত বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসে ‘মুজিব শতবর্ষ’ উপলক্ষে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসুচী যথাযথভাবে পালিত হয়েছে। সকালে বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমানের মুর‌্যালে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। কলেজের লাইব্রেরীতে বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন করেন মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডাঃ আশরাফুল হক দারা। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডাঃ ইফতেখার মাহমুদ, কলেজের সাবেক প্রিন্স্পিাল ডাঃ জামাল উদ্দিন মোল্লা, সাবেক প্রিন্সিপাল অধ্যাক এস,এম মোস্তানজিদ, কলেজের প্রকল্প পরিচালক ডাঃ আমিরুল ইসলাম, বিএমএ কুষ্টিয়ার সাধারন সম্পাদক ডাঃ আমিনুল হক রতন, ডাঃ লিজা-রতন ম্যাটস এর প্রিন্সিপাল ডাঃ আসমা জাহান লিজা, কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ নুরুন্নাহার, ম্যাটস এর অধ্যক্ষ ডাঃ মোতাহারুল ইসলাম, আরএমও ডাঃ তাপস কুমার পাল, গাইনী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ মনোরমা, ডাঃ সুরেশ তুলসান, ডাঃ রতন কুমার পাল, ডাঃ চৌধূরী সারওয়ার জাহান, ডাঃ নাজনীন আরা, ডাঃ সিরাজুম মনির, ডাঃ দেবাশীষ পাল, ডাঃ আক্রামুজ্জামান মিন্টু। পরে সন্ধানী ডোনার ক্লাবের উদ্যোগে রক্তদান কর্মসুচীর উদ্বোধন করা হয়। এদিকে  কলেজের মুল ক্যাম্পাস এবং বর্তমান ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপন করা হয়। কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে  হলে মাঠে ফুটবল খেরা অনুষ্ঠিত হয়। ফুটবল খেলায় কেএমসি-৭ বনাম কেএমসি-৯ এর মধ্যকার এ্ খেরায় কেএমসি-৭ ৪-১গোলে জয়ী হয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। দলের সবুজ টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়েরর পুরস্কার লাভ করেন। এদিকে প্রমিলা ক্রিকেটে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করা হয়। কলেজের প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডাঃ আশরাফুল হক দারার সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে  বক্তব্য রাখেন কলেজের প্রকল্প পরিচালক ডাঃ আমিরুল ইসলাম ক্রীড়া কমিটির আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মালেক। অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ছিলেন ডাঃ শামীম আহমেদ। বাদ জোহর মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিকে ২৫০শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের উদ্যোগে হাসপাতালের শিশু কর্নার উদ্বোধন করা হয়। সেখানে শিশু রোগীরা বঙ্গবন্ধুর উপর বক্তব্য রাখেন এবং গান পরিবেশন ও আবৃত্তি করা হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডাঃ আশরাফুল হক দারা, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডাঃ ইফতেখার মাহমুদ, কলেজের সাবেক প্রিন্স্পিাল ডাঃ জামাল উদ্দিন মোল্লা, সাবেক প্রিন্সিপাল অধ্যাক এস,এম মোস্তানজিদ, কলেজের প্রকল্প পরিচালক ডাঃ আমিরুল ইসলাম, বিএমএ কুষ্টিয়ার সাধারন সম্পাদক ডাঃ আমিনুল  হক রতন, শিশু বিভাগের প্রধান  ডাঃ এবি সিদ্দিক। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিশু বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ আয়ুব আলী, ডাঃ নাজিম উদ্দিন, ডাঃ ফিরোজ, ডাঃ ফারহানাসহ আরো অনেকে। এছাড়া কুষ্টিয়া ২৫০শয্যা হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে আলোচনা সভা , বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন করা হয়। সন্ধানীর উদ্যোগে রক্ত দান কর্মসুচী ও ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপন কর্মসুচী পালিত হয়। জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া হাসপাতালে রোগীদের  মাঝে উন্নতমানের খাবার বিতরন করা হয়।

মেহেরপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মুজিববর্ষ পালন

মেহেরপুর প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশত বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। ৩১ বার তোপধ্বনি ও পুস্পমাল্য অর্পনের মধ্যদিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী পালনের সূত্র হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সুর্যোদয়ের সাথে-সাথে মেহেরপুর সদর, গাংনী ও মুজিবনগরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়। এর আগে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্ব-স্ব উপজেলায় ৩১বার তোপধ্বনির আয়োজন করা হয়। মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়। পুস্পমাল্য অর্পন করেন জেলা প্রশাসক আতাউল গনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এসএম মোরাদ আলীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও গাংনী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়। এতে নেতৃত্ব প্রদান করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেহেরপুর জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক। এসময় উপস্থিত ছিলেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান, মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন, গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। অন্যদিকে মুজিবনগর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক মুজিবনগর কমপ্লেক্সে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়েছে। এতে নেতৃত্ব প্রদান করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আ.লীগ নেতা জিয়াউদ্দীন বিশ্বাস। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওসমান গনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। মুজিববর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন করেছেন যুবলীগ,স্বেচ্ছাবেসকলীগ ও ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের  নেতা-কর্মীবৃন্দ। জন্মশত বার্ষিকী  বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী পালন করেছে মেহেরপুর সদর উপজেলা আ.লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগ। গাংনী উপজেলা আ.লীগ ও গাংনী পৌর আ.লীগসহ তার অঙ্গসংগঠন জন্মশত পালন করে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে গাংনী পৌরসভার পক্ষ থেকে পুস্পমাল্য অর্পন করেন পৌরসভার মেয়র ও যুবলীগ নেতা আশরাফুল ইসলাম। এছাড়াও মুজিববর্ষ উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিভিন্ন সংগঠন আতশবাতি প্রদর্শন করে। অন্যদিকে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে মুজিববর্ষ পালন করেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

মুজিব শতবর্ষে কুষ্টিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা সভা

নিজ সংবাদ ॥ বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার উদ্যোগে  মুজিব শত বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল দুপুরে স্থানীয় কিছুক্ষন অফিসে এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুষ্টিয়ার যুগ্ম সম্পাদক ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক ডঃ আমানুর আমান। প্রধান বক্তা ছিলেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহসভাপতি এ্যাড, নজরুল ইসলাম সরকার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ সোনালাী ব্যাংক শাখার সাধারন সম্পাদক আবুল কাশেম, অগ্রণী ব্যাংক শাখার সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সমুন। এসময় উপস্থিত ছিলেন অগ্রনী ব্যাংক অফিসার্স সমিতির সভাপতি এনামুল হক, যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুষ্টিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক  ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ল‘ অফিসার শামসুর রহমান বাবু। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ সোনালী ব্যাংক কুষ্টিয়া শাখার সভাপতি মুুকল হোসেন। সভাপতির বক্তব্যে শামসুর রহমান বাবু বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাংলাদেশের স্থপতি। তিনি দেশে মানুষের কল্যানে কাজ করেছেন। তাঁর ত্যাগের বিনিময়ে আমার পেয়েছি লাল সবুজের পতাকার বাংলাদেশ। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী বাঙ্গালী জাতিকে  জাগ্রত করেছে। বর্তমান প্রজম্মের মাঝে দেশমাতৃকায় উদ্বুদ্ধ হতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ দেশের পেশাজীবি মানুষের সংগঠন। কুষ্টিয়ার ব্যাংক সেক্টরে এই পরিষদের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা  হবে। তিনি আরো বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদেও লড়ে যেতে হবে।

ভেড়ামারায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী পালন

আল-মাহাদী ॥ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা বলেছেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম হতো না। বাঙ্গালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চেয়েছিলেন ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত সুখী সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে। কিন্তু ঘাতকরা তাকে স্ব-পরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করেছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে খুনিরা চেয়েছিল বাংলাদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলে দিতে কিন্তু বাংলার মানুষ তা কখনো মেনে নেয় নি। বঙ্গবন্ধু বেচে আছে কোটি মানুষের হৃদয়ে। যতদিন রবে পদ্মা মেঘনা যমুনা বহমান ততোদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ভেড়ামারা পৌরসভার আয়োজনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল, কেক কাটা অনুষ্ঠান, মিষ্টি বিতরণ ও ২২০ জন প্রতিবন্ধীদের ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে কাজ করছে তারই কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। খুনিরা তাকে ও একাধিক বার হত্যা করতে চেয়েছিল কিন্তু পারেনি। রাখে আল্লাহ মারে কে! মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। শুধু বাংলাদেশ নয় সারা বিশ্বব্যাপি আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। এসময় ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফ, জেলা পরিষদের প্যানেল মেয়র আবু হেনা মোস্তফা কামাল মুকুল, আওয়ামীলীগের অন্যতম নেতা এ্যাডঃ সাইফুল ইসলাম রানা, উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এ্যাডঃ আলম জাকারিয়া টিপু, প্যানেল মেয়র আলহাজ¦ মাহাবুল আলম বিশ^াস, প্যানেল মেয়র (২) খসরুজ্জামান ফারুক, কমিশনার সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, ফিরোজ আলী মৃধা, সোলাইমান মাষ্টার, মিজানুর রহমান ডাবলু ও খাইরুল ইসলামসহ উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আলমডাঙ্গায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত

আলমডাঙ্গা অফিস ॥ আলমডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস যথাযথভাবে পালিত হয়েছে। গতকাল সকাল ৯টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করেন উপজেলা পরিষদের পক্ষ  থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আইয়ুব হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ লিটন আলী, ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডঃ সালমুন আহম্মেদ ডন, থানা অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন, উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আলী জিন্নাসহ কর্মকর্তাবৃন্দ। এরপর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মোঃ লিটন আলীসহ কর্মকর্তাবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ লিটন আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ শাহাবুদ্দিন শাবু,বীর মুক্তিযোদ্ধা  আলহাজ্ব  শেখ নুর মোহাম্মদ জকু, সাবেক কমান্ডার শফিউর রহমান  জোয়ার্দার সুলতান, সাবেক কমান্ডার আব্দুল কুদ্দুস, মইনদ্দিন, নাজিমুদ্দিন, ওয়াজেদ আলী মাষ্টার, ফজলুল হকসহ মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ। থানার পক্ষ থেকে অফিসার ইনচার্জ আলমগীর  হোসেন, ওসি তদন্ত গাজী শামিম, ওসি অপারেশন স্বপন কুমার দাসসহ সকল কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ, আলমডাঙ্গা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বালিকা বিদ্যালয়, আলমডাঙ্গা মহিলা ডিগ্রী কলেজ, আল-ইকরা ক্যাডেট একাডেমী, এম. সবেদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জেএন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্টান। সকাল ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ হলরুমে কেক  কেটে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী আনুষ্ঠানিক ভাবে উদযাপিত হয়। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ লিটন আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডঃ সালমুন আহম্মেদ ডন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মারজাহান নিতু, থানা অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন, উপজেলা কৃষি অফিসার  মোহাম্মদ আলী জিন্না, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল্লাহিল কাফি, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী মাষ্টার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ  মোহাম্মদ জকু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মজিবর রহমান, প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার শাহ্ আলম মন্টু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হামিদুল ইসলাম আজম।

মুজিব বর্ষ উপলক্ষে কুষ্টিয়া বাস-মিনিবাস মালিক গ্রপের আলোচনা সভা

নিজ সংবাদ ॥ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শত বার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল সন্ধ্যায়য় কুষ্টিয়া বাস-মিনিবাস মালিক গ্র“পের অফিসে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গ্রপের সভাপতি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আসগর আলীর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন গ্রেেপর কার্যকরি সভাপতি আতাহার আলী, সিনিয়র সহসভাপতি আকিল উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক এমদাদুল হক নান্টু প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাস-মিনিবাস মালিক গ্র“পের সহসভাপতি মাসুদুজ্জামান, সহকারী সম্পাদক আমজাদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক সাহেদুল ইসলাম কোষাধ্যক্ষ এস,এম রেজাউল করিম, নির্বাহী সদস্য হাফিজুর রহমান, আইয়ুব আলী, শেখ আহমদ আল আবদী, আতিয়ার রহমান, কুষ্টিয়া মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাহাববুল আলম। সভাপতির বক্তব্যে আসগর আলী বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মহানায়ক। তিনি ছিলেন আপোষহীন সংগ্রামী নেতা। আমরা জাতি হিসেবে সৌভাগ্যবান যে তাঁর মত একজন মহা নেতা পেয়েছিলাম। তিনি মুত্যুর আগ পর্যন্ত অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, শান্তির পথে নিজেকে আষ্টে পিষ্টে রেখেছিলেন। স্মরনীয় ও বরণীয় গুনের সমন্বয়ে তিনি ছিলেন একজন প্রকৃত মানব দরদী। নিজের সকল স্বার্থকে দেশের মানুষের শান্তি ও কল্যানের কথা চিন্তা করে দিয়েছিলেন বিসর্জন। আসগর আলী বলেন, তৎকালীন বিশ্বের নেতারা বঙ্গবন্ধুকে  ভালবাসতেন তাঁর কাজ ও ত্যাগের কারনে। তিনি দেশকে নিয়ে যেই স্বপ্ন লালিত করেছিলেন তা আজ তাঁর কন্যা প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। তিনি বর্তমান প্রজম্মের প্রতি বঙ্গবন্ধুকে জানার আগ্রহ করে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের করনীয় বিষয়ে বলেন-প্রজম্মকে সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। বঙ্গবন্ধুর হত্যার মধ্যে দিয়ে দেশ একটি গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে চলছে। ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে। আজ বঙ্গবন্ধুর  আদর্শকে হৃদয়ে ধারন করে চলার সুযোগ হয়েছে আর সেই লক্ষে দেশ আজ উন্নয়নের মহা সড়কে অবস্থান করছে। ২০৪১সাল দেশ উন্নত দেশে রূপান্তরিত হবে যা বাঙ্গালী জাতি হিসেবে আমরা গর্ব করতে পারি। পরে কেক কেটে বঙ্গবন্ধুর জম্ম শতবার্ষিকী উদযাপন করেন। এদিনটিকে আকর্ষনীয় করে রাখতে রাতে আতশ বাজি ফোটানো হয়।

যুদ্ধাপরাধী আজহারকে মৃত্যুপরোয়ানা শুনিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ

ঢাকা অফিস ॥ একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে একাত্তরের বদর নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদন্ড বহাল রেখে দেওয়া সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর তার মৃত্যু পরোয়ানা কারাগারে পৌঁছেছে। লাল কাপড়ে মোড়ানো মৃত্যু পরোয়ানাটি আগের দিন মধ্য রাতে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছার পর মঙ্গলবার সকালে তাকে পড়ে শুনানো হয় বলে কারাগারের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এটিএম আজহারুল ইসলামের আইনজীবীরা সাক্ষাৎ করে তার সিদ্ধান্ত জানতে পারবেন। নিয়ম অনুযায়ী, জামায়াতের সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আজহার এখন ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবেন। তবে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন না করলে যে কোনো দিন রায় কার্যকর হতে পারে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউয়ের আবেদন করে সাজা কমানোর নজিরবিহীন। এর আগে ফাঁসি কার্যকর হওয়া সব যুদ্ধাপরাধী রিভিউ আবেদন করেও সর্বোচ্চ সাজার রায় বদলাতে পারেনি। রিভিউ আবেদন খারিজ হলেও অপরাধ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন আজহারুল। তিনি যদি প্রাণভিক্ষা না চান এবং চেয়েও যদি ক্ষমা না পান তাহলে রায় কার্যকরের ক্ষণগণনা শুরু হবে। রায় কার্যকরের আগে তিনি শেষবারের মতো পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন। ২০১২ সালের ২২ আগস্ট মগবাজারের বাসা থেকে এটিএম আজহারকে গ্রেপ্তার করার পরের বছর ১২ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে তার বিচার শুরু হয়। ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আজহারের মৃত্যুদন্ডের রায় ঘোষণা করে। একই সঙ্গে তাকে ৩০ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়। গত বছরের ৩১ অক্টোবর তার সেই সাজা বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায় রোববার (১৫ মার্চ) প্রকাশিত হয়। রায়ের অনুলিপি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পৌঁছানোর পর তার বিরুদ্ধে মৃত্যুপরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। এরপরই মৃত্যুপরোয়ানা কারাগারে পাঠানো হয়।

দৌলতপুরে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকী পালন

শরীফুল ইসলাম ॥ সারা দেশের ন্যায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরেও যথাযোগ্য মর্যদায় বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৬.১১টায় ৩১বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের সুচনা হয়। এরপর কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের এমপি এ্যাড. সরওয়ার জাহান বাদশা, দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুনের নেতৃত্বে উপজেলা পরিষদ, দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার ও দৌলতপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আজগর আলীর নেতৃত্ব উপজেলা প্রশাসন, দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তারের নেতৃত্বে দৌলতপুর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, দৌলতপুর থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে দৌলতপুর থানা পুলিশ, দৌলতপুর শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি ও দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার এবং সাধারণ সম্পাদক সরকার আমিরুল ইসলামের নেতৃত্বে দৌলতপুর শিল্পকলা একাডেমি, দৌলতপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাড. এমজি মাহমুদ মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলামের নেতৃত্বে দৌলতপুর প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ, বাংলাদেশ স্কাউটস দৌলতপুর শাখা ও দৌলতপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। পুষ্পস্তবক অর্পন শেষে ১মিনিট নীরবতা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের এমপি এ্যাড. সরওয়ার জাহান বাদশা, দৌলতপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক এমপি আফাজ উদ্দিন আহমেদ, সহ-সভাপতি সাবেক এমপি আলহাজ¦ রেজাউল হক চৌধুরী, দৌলতপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. শরীফ উদ্দিন রিমন, সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার তৌহিদুল ইসলাম, দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুনের নেতৃত্বে দৌলতপুর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। এছাড়াও দৌলতপুর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদেরের নেতৃত্বে যুবলীগ নেতৃবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। দৌলতপুর কলেজের অধ্যক্ষ মো. ছাদিকুজ্জামানের নেতৃত্বে দৌলতপুর কলেজের শিক্ষকবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন ও দৌলতপুর কলেজ চত্বরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন করেন। শেষে দৌলতপুর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকীর কেক কাটা হয়। রাত সাড়ে ৭টায় দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুন, দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার ও দৌলতপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আজগর আলীসহ উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবার্ষিকীর কেক কাটেন। এরপর বর্নাঢ্য আতোশবাজির আয়োজন করা হলে তা উপভোগ করে শিশুসহ সর্বস্তরের মানুষ। এছাড়ও দৌলতপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে।

কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে মুজিব কর্ণার ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক মঞ্চের উদ্বোধন

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু কর্ণার’ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। কালেক্টরেট ভবনের নীচ তলায় সুন্দর নয়াভিরাম ও মনোরম পরিবেশে এবং নান্দনিক কারুকার্যে বঙ্গবন্ধু কর্ণার যে কারোর মন কেড়ে নেবে প্রথম দর্শনে। গতকাল সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন ও মিসেস আসলাম এই বঙ্গবন্ধু কর্ণানের উদ্বোধন করেন। তিনি ফিটা কেটে উদ্বোধনের পর বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে জেলা প্রশাসক এবং অতিথিরা বঙ্গবন্ধু কর্নার ঘুরে ঘুরে দেখেন। সেখানে বঙ্গবন্ধুর সাথে বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহের সচিত্র রয়েছে। রয়েছে কম্পিউটারের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে যে কোন তথ্য জানান সুযোগ। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপচিালক মৃনাল কান্তি দে, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওবায়দুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোবায়ের হাসান, এনডিসি মুসাব্বিুরল, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটগন, মুক্তিযোদ্ধা হাজী রফিকুল ইসলাম, বাসস প্রতিনিধি নুর আলম দুলাল, দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি আ,ফ,ম নুরুল কাদের। পরে জেলা প্রশাসক এবং তাঁর পতœী বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক মঞ্চের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। জেলা প্রশাসক ও তাঁর পতœী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত ‘ধন ধান্য পুস্প ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা’ গানটি সমবেত কন্ঠে গায়। পরে মুজিব শত বর্ষ উপলক্ষে আতশবাজি  ফুটানো হয়। কালেক্টরেট ভবন এবং আশেপাশের আলোক ঝলমলে পরিবেশে নানান বয়সের শত শত মানুষ তা উপভোগ করেন।

চাকুরি থেকে রিজাইন দিয়ে প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীকে সব কিছু জানাব: টুটুল

গভীর রাতে টুটুলের ফ্ল্যাটে সাবেক প্রক্টর মাহবুবর ও বর্তমান প্রক্টর পরেশ চন্দ্র

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাকে মেগা প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দিতে ইবির প্রধান প্রকৌশলীকে হুমকি

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) মেগা প্রকল্পের ৫৩ কোটি টাকার একটি কাজ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এক নেতাকে পাইয়ে দিতে ইবির প্রধান প্রকৌশলীকে কয়েক দফায় হুমকি দেয়া হয়েছে। চলমান মেগা প্রকল্পের টেন্ডার ঘিরে পছন্দের লোককে কাজ দিতে বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও প্রধান প্রকৌশলীর ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর সেই ক্ষোভে চাকুরি ছাড়ার মত সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে সোমবার রাতে একটি স্ট্যাস্টাস দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আলীমুজ্জামান টুটুল। এরপর তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ইবির কয়েকজন শিক্ষক-কর্মকর্তা এ ঘটনার সাথে জড়িত বলে জানান প্রকৌশলী টুটুল। তবে তাদের নাম তিনি বলেনননি। চাকুরি থেকে ইস্তফা দিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে সব তুলে ধরবেন বলে জানান। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর পর্যন্ত যাওয়ার ঘোষনা দেন তিনি।

জানা গেছে, ইবিতে প্রায় ৫৩৭ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। সম্প্রতি কয়েকটি কাজের টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। ৩০ মার্চ ৬ এপ্রিল ৫৩ কোটি ও ১০৬ কোটি টাকার দুটি কাজের দরপত্র খোলা হবে। এসব কাজের জন্য ঠিকাদার নির্ধারণ বা লটারি হবে। তার আগেই ইবির একটি চক্র ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন শীর্ষ নেতাকে একটি কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য প্রধান প্রকৌশলী টুটুলের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। ৫৩ কোটি টাকার একটি কাজ ওই নেতাকে দেয়ার জন্য টুটুলের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। প্রকৌশলী টুটুল বিষয়টি নিয়ে অপারগতা প্রকাশ করলে তার ক্ষতি করার হুমকি দেয়া হয়। এ নিয়ে গত সোমবার রাতে তিনি তার ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাস্টাস দেন। স্ট্যাস্টাসে তিনি লিখেন‘ ইবিতে আর চাকুরি করা হলো না আমার, কালকে রিজাইন করব, ইনশাআল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ার টুটুল’।

ইবির প্রকৌশল অফিসের একাধিক কর্মকর্তা জানান, মেগা প্রকল্পের চলমান কাজকে ঘিরে এর আগে স্যারের ওপর (আলিমুজ্জামান টুটুল) চাপ সৃষ্টি করা হয়। তার কাছ থেকে কয়েক দফায় টাকাও নেয় প্রভাবশালী চক্রটি। এর মধ্যে ইবি ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির বিতর্কিত দুই নেতা পলাশ ও রাকিবও রয়েছে।

ইবির একটি সূত্র জানায়, গত বছর ছাত্রলীগের দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করা হয় কেন্দ্র থেকে। রবিউল ইসলাম পলাশকে সভাপতি ও রাকিবুর রহমান রাকিবকে সাধারন সম্পাদক করা হয়। তবে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মিদের বাধায় এই দুই নেতা ক্যাম্পাস ছাড়া। রাকিব কয়েকদফা জেলেও গেছেন। নানা অপকর্ম করেও কমিটির দুই নেতা বহাল আছে। তাদের কমিটি বাতিলসহ শাস্তির দাবিতে লাগাতর আন্দোলন হলেও কোন ফল আসেনি। কেন্দ্র থেকে তদন্ত টিম করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমান হওয়ার পর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এসবের পিছনে রয়েছে অর্থ ও মেগা প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেয়ার প্রতিশ্র“তি।

এর আগে ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক রাকিব প্রকৌশলী আলিমুজ্জামানকে হুমকি ও ব্লাক মেইলিং করে ফায়দা লোটেন। এবারও টেন্ডার ঘিরে কমিটি বঁাঁচিয়ে রাখতে তারা প্রকৌশলী অফিসের এ শীর্ষ কর্মকর্তাকে ম্যাসেঞ্জারে হুমকি দিয়ে আসছে। এর পিছনে ইবির বহুল অলোচিত এক শিক্ষক রয়েছে। যিনি পিছন থেকে সব কলকাঠি নাড়ছেন বলে মনে করছেন প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল।

এদিকে গত সোমবার ফেসবুকে স্ট্যাস্টাস দেয়ার পর শহরের ছয় রাস্তায় মোড়ে অবস্থিত প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুলের ফ্ল্যাটে আসেন আলোচিত ও বিতর্কিত শিক্ষক সাবেক প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমান। সাবেক প্রক্টর মাহবুবর রহমান দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য। তিনি রাত ১০টার পরে টুটুলের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন। সেখানে কয়েক ঘন্টা অবস্থান করেন। এ ঘটনা জানাজানি হলে সেখানে সাংবাদিকদের একটি দলও অবস্থান নেয়। সাংবাদিকদের অবস্থান জানতে পেরে শিক্ষক মাহবুবর রহমান ইবির বর্তমান প্রক্টর পরেশ চন্দ্র বর্মনকে ডাকেন। তিনি আসেন রাত ১২টার পরে। এরপর ফ্ল্যাট থেকে নেমে আসেন শিক্ষক মাহবুবর রহমান।

সাংবাদিকরা এ সময় তার কাছে জানতে চান এতরাতে প্রকৌশলী টুটুলের বাসায় কেন এসেছেন? তিনি বলেন, আলিমুজ্জামান আমার ঘনিষ্ট মানুষ। ব্যক্তি মাহবুব হিসেবে তার কাছে এসেছি। তাকে হুমকি দিচ্ছে কে বা কারা, তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তিনি সৎ ও সাহসী মানুষ। সততার জায়গা থেকে তিনি যেন একচুলও বিচ্যুত না হন।

আপনার বিরুদ্ধেই অভিযোগের তীর এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন,‘ সততার জায়গা থেকে আমি এক চুলও সরিনা। আমার বিরুদ্ধে কেউ কোন অভিযোগ প্রমান করতে পারবে না।’ এরপর তিনি প্রক্টর পরেশ চন্দ্র বর্মনের গাড়িতে করে দ্রুত সটকে পড়েন।

ফেসবুকে স্ট্যাস্টাসের বিষয়ে প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য আমাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে। আমার ম্যাসেঞ্জারে তারা ম্যাসেজ পাঠিয়ে হুমকি দিচ্ছে। তারা জোর করে কাজ নিতে চাই। এর আগেও তারা আমার কাছ থেকে অর্থ নিয়েছে। সব ডকুমেন্ট আছে। আমি আর চাকুরি করব না। প্রয়োজনে সংবাদ সম্মেলন করে সব বলব। প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাব। তিনি থানায় জিডি করবেন বলেও জানান। এর আগেও জিডি করেন তিনি।’ এ ঘটনার পর অনেকটা ভেঙ্গে পড়েছেন তিনি। ভিসি তার ফোনে রিং দিলেও তিনি কথা বলেননি। এছাড়া বাড়ি থেকেও বের হননি। নিজের বাড়িতে অবস্থান করছেন। টুটুল আশঙ্কা করছেন তার ক্ষতি করা হতে পারে।

ইবি প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,‘ মেগা প্রকল্পের যে কাজ চলছে, তা থেকে একটি চক্র নিয়মিত কমিশন নেন। প্রকৌশলী টুটুল নিজে কোন কমিশন নেন না। তারপরও ওই চত্রে“র চাপে তিনি কমিশন নিতে বাধ্য হন। সেই অর্থ যায় কয়েকজন শিক্ষক ও ছাত্রলীগ নেতা পলাশ ও রাকিবের পকেটে। কেন্দ্রীয় নেতাদের ৪০ লাখ টাকায় ম্যানেজ করে কমিটির নেতা হন পলাশ ও রাকিব। এরপর শোভন ও রাব্বানির কমিটি বাতিল করা হলে চাপে পড়ে পলাশ ও রাকিব। তবে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদেরও তারা নানাভাবে ম্যানেজ করে আসছেন। আর এসব কাজে তাদের সকল সহযোগিতা দিয়ে আসছেন সাবেক প্রক্টর প্রফেসর মাহবুবর রহমান। এবারো তারা টুটুলকে ট্যাপে ফেলে একটি কাজ এক নেতাকে দেয়ার জন্য চেষ্টা করছেন। এর পিছনে জেলা ও উপজেলা যুবলীগের কয়েকজন নেতার হাতও রয়েছে।

এর আগেও চাপের কারনে চাকুরি ছেড়ে দেয়ার জন্য রিজাইন দেন। তবে সে যাত্রায় ভিসির অনুরোধে তিনি বহাল থাকেন। তবে এবার চাকুরি ছাড়ার ব্যাপারে অনড় আছেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আশকারী বলেন,‘ টুটুল অনেক ভাল ছেলে। কোন চাপের কাছে নতি স্বীকার করে মেগা প্রকল্পের কাজ হবে না। প্রয়োজন কাজ বাতিল হবে। কারা চাপ সৃষ্টি করছে আমি জানি না। তবে টুটুল যে কোন সহযোগিতা চাইলে আমি করতে প্রস্তুত আছি।

টুটুলের পরিবারের এক সদস্য বলেন, ইবির উন্নয়নে তার অনেক ভূমিকা। যে ভালভাবে কাজ করতে চাই। তবে একটি মহল বারবার তাকে চাপ সৃষ্টি করছে। তার কাছ থেকে অর্থ নিচ্ছে। আবার কাজও জোর করে নিতে চাই। তাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে। তিনি অনেকটা ভেঙ্গে পড়েছেন। ভিসি যদি ওই শিক্ষকসহ ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেন তাহলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এ চক্রের কাছে ভিসিও অসহায়।

কুষ্টিয়া পৌরসভার উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান’র জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুৃ শেখ মুজিবর রহমান’র জন্মশত বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে কুষ্টিয়া পৌরসভার জননন্দিত মেয়র আনোয়ার আলী’র নেতৃত্বে মজমপুরস্থ বঙ্গবন্ধু মুড়ালে পুষ্পস্তপক অর্পন করা হয়। সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় জননন্দিত মেয়র আনোয়ার আলী বলেন, মুজিব বর্ষের অঙ্গিকার পরিচ্ছন্ন ও আলোকিত শহর পৌরবাসীকে উপহার। এই শ্লোগানকে সামনে রেখে  দৈনন্দিন রুটিন কাজের পাশাপাশি  ১৭ মার্চ হতে বছর ব্যাপি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন অভিযান শুরু হয়েছে। এছাড়াও পৌরবাসীকে আলোকিত শহর উপহার দেওয়ার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মেয়র আরোও বলেন, বিশ^ব্যাপি করোনা ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মুজিব বর্ষের অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করণ ও জনসমাগম নিষেধ করার কারণে আমরা এই নির্দেশনা মেনে চলছি। পরে পৌর চত্তরে বৃক্ষ রোপন করা হয়। সন্ধ্যায় মেয়র কার্যালয়ে কেক কেটে, একশত মোমবাতি প্রজ¦লন ও আতসবাজির মধ্যদিয়ে জন্মদিন পালন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরপরিষদের সদস্যগনসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়াও পৌরসভাকে দৃষ্টি নন্দন করার জন্য  বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও আলোক সজ্জাায় সজ্জিত করা হয়েছে পৌরসভার আঙ্গিনা। সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার পূর্বে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের  বিদেহী আতœার মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন ও মোনাজাত করা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

মেহেরপুরে ২০ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে

গাংনী প্রতিনিধি ॥ বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে ফিরে আসা মেহেরপুরের বিভিন্ন গ্রামের ২০জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে হাসপাতাল থেকে কোন তালিকা দেয়া হয়নি। এদের মধ্য গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ১৬জন, মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ২জন ও মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ২জন ভর্তি রয়েছেন। গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডাক্তার রিয়াজুল ইসলাম জানান- সম্প্রতি সিঙ্গাপুর থেকে ৭জন, মালয়েশিয়া থেকে ৪জন, সৌদি আরব  থেকে ১জন, কাতার থেকে ১জন, পর্তুগাল থেকে ১জন, ইটালী থেকে ১ ও বাহারাইন থেকে ১জন ফেরত আসা ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।