অভিষেকেই সেরা ফের্নান্দেস

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে অভিষেক মাসটা স্মরণীয় হয়ে রইল ব্রুনো ফের্নান্দেসের। চেলসির ডিফেন্ডার মার্কোস আলোনসো ও আর্সেনালের স্ট্রাইকার পিয়েরে-এমেরিক অবামেয়াংকে হারিয়ে লিগে ফেব্রুয়ারি মাসের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন পর্তুগিজ এই মিডফিল্ডার। গত জানুয়ারির দলবদলে স্পোর্তিং লিসবন থেকে ২৫ বছর বয়সী ফের্নান্দেসকে পাঁচ বছরের চুক্তিতে দলে টানে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সমর্থকদের ভোটে গত মাসের দলের সেরা খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন তিনি। গত মাসে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের দলে অভিষেকের পর পাঁচ ম্যাচে দুই গোল করার পাশাপাশি তিনটিতে সহায়তা করেছেন ফের্নান্দেস। ফের্নান্দেসের দারুণ পারফরম্যান্স ইউনাইটেডের সাম্প্রতিক পথচলায় বেশ প্রভাব ফেলেছে। এসময় কোনো ম্যাচে হারেনি তারা; তিন জয়ের দুটি শীর্ষ চারে থাকা চেলসি ও ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে। আর তা আসছে মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফেরার স্বপ্ন দেখাচ্ছে উলে গুনার সুলশারের দলকে। ২৯ ম্যাচে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে চারে থাকা চেলসির চেয়ে ৩ পয়েন্ট পিছনে রয়েছে ইউনাইটেড। করোনাভাইরাসের কারণে অবশ্য মৌসুম শেষ হওয়া নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। আগামী ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগসহ সব ধরনের ফুটবল নিষিদ্ধ করেছে ইংল্যান্ড।

 

নতুন চ্যালেঞ্জে ইতালির ২০০৬ বিশ্বকাপজয়ী দল

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ইতালির ২০০৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যরা। সহায়তার জন্য তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে তারা। বিশ্বজয়ী দলটির অধিনায়ক ফাবিও কানাভারো রোববার এই উদ্দ্যোগের কথা জানান। “আমি ও আমার ২০০৬ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের বাকি সতীর্থরা আবার মাঠে নেমেছি নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য: করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে জরুরি অবস্থায় আমাদের দেশকে সাহায্য করতে ইতালিয়ান রেড ক্রিসেন্টের জন্য তহবিল সংগ্রহে কাজ করছি।” “আপনিও আমাদের দলের অংশ হতে পারেন। মিলিতভাবে আমরা এখনও জিততে পারি।” নভেল করোনাভাইরাসে চীনের পর সবচেয়ে বাজে পরিস্থিতিতে আছে ইতালি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আরও ৩৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে; মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮০৯ জন।

দুরন্তের ধারাবাহিক ‘গল্প শেষে ঘুমের দেশে’

বিনোদন বাজার ॥ দুরন্ত টেলিভিশনে নিয়মিত প্রচারিত হচ্ছে ধারাবাহিক ‘গল্প শেষে ঘুমের দেশে’। গল্প বলার ধারাবাহিক এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন ফাহিমা আহমেদ চৈতী এবং নাট্যরূপ দিয়েছেন অলোক বসু।

ধারাবাহিকের বিভিন্ন চরিত্রে শিশু শিল্পীদের পাশাপাশি তারকা অভিনয়শিল্পীরা অভিনয় করেছেন। ধারাবাহিকটি সপ্তাহের প্রতিদিন রাত ৯.০০টায় প্রচার হচ্ছে।

আগামী ১৬, ১৭ ও ১৮ মার্চের পর্বে শিশুরা শুনবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সংগ্রামী জীবনের গল্প। শিশুদের এই গল্প শোনাবেন আসাদুজ্জামান নূর। বিশেষ এই পর্বগুলো দুরন্ত টেলিভিশনে প্রচারিত হবে রাত ৯ টায়। এই ধারাবাহিকটিতে শিশু সদস্যের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ফারিবদা ফাইজা, সৈয়দা আদ্রিতা হাদী স্নেহা, সিমরিন শাহিন রুপকথা, হিরণময় সাহা নক্ষত্র, তাসলিম কাদের মুনসহ অনেকে।

পরিবারের বড় সদস্যদের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আসাদুজ্জামান নূর, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, শিল্পী সরকার অপু, ডা. এজাজ, ত্রপা মজুমদার, অপর্না ঘোষ, মনোজ প্রামাণিক, আহসান হাবীব নাসিম, শতাব্দী ওয়াদুদ, মৌটুসী বিশ্বাস, কাজী নওশাবা আহমেদ ও মোমেনা চৌধুরী।

রাসায়নিক সার ব্যবহারে উতপাদন বাড়লেও এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবে মাটির উতপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়

কৃষি প্রতিবেদক ॥ রাসায়নিক সার সাশ্রয়ী বায়ো-অর্গানিক সার উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের বিজ্ঞানীরা। রাসায়নিক সার ব্যবহারে উৎপাদন বাড়লেও এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবে মাটির উৎপাদনক্ষমতা হ্রাস পায়। তাই কৃষি বিজ্ঞানীরা মাটির গুণাগুণ ঠিক রাখতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমানো ও জৈব সারের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। আদর্শ ও উর্বর মাটিতে শতকরা ৫ শতাংশ জৈব পদার্থ থাকার কথা থাকলেও বাংলাদেশের মাটিতে বর্তমানে  জৈব পদার্থের পরিমাণ ১ শতাংশ বা তারও কম। তাই মাটির জৈব পদার্থের পরিমাণ কিভাবে ২% বা তারও বেশি পর্যায়ে উন্নীত করা যায় এ ব্যাপারে বাস্তবসম্মত গবেষণা কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন ব্রির মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের বিজ্ঞানীরা। এ জন্য ইতিমধ্যে তারা গৃহস্থলীর আবর্জনা সংগ্রহ ও রিসাইক্লিং করে বায়ো-অর্গানিক সার ও কম্পোস্ট সার তৈরির পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ কর্তৃক উদ্ভাবিত বায়ো-অর্গানিক ফার্টিলাইজার মাঠ পর্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারণ ও উপযোগিতা যাচাইয়ের পাশাপাশি কৃষক পর্যায়ে এই সার সহজলভ্য করতে উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন ব্রির মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের বিজ্ঞানীরা। জানা গেছে, ব্রি নতুন উদ্ভাবিত এবং ধান চাষে ব্যবহারযোগ্য বায়ো-অর্গানিক ফার্টিলাইজার এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে আউশ, বোরো ও আমন মৌসুমে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। আউশ মৌসুমে এ সার হেক্টরপ্রতি এক টন এবং বোরো ও আমন মৌসুমে দুই টন হারে ব্যবহার করা হয়। ফলাফলে দেখা গেছে, এ সার ব্যবহার করলে ধানের জমিতে টিএসপি পূর্ণমাত্রায় ও ইউরিয়া শতকরা প্রায় ৩০ ভাগ সাশ্রয় করা যায়। এটি ব্যবহার করলে ফলনেও কোনো তারতম্য হয় না। এই সার উদ্ভাবক দলের একজন অন্যতম বিজ্ঞানী ও মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. উম্মে আমিনুন নাহার জানান, পরিবেশবান্ধব ১০টি ব্যাকটেরিয়া, বাজারের কাঁচা শাক সবজির অবশিষ্টাংশ, রান্না ঘরের পচনশীল বর্জ্য পদার্থ, রক ফসফেট (শতকরা ৫ ভাগ) ও বায়োচার (শতকরা ১৫ ভাগ) মিশিয়ে বায়ো-অর্গানিক সার উদ্ভাবন করেছেন। বায়ো-অর্গানিক সারের উদ্ভাবক দলের অন্য সদস্যরা হলেন, ড. যতীশ চন্দ্র বিশ্বাস, মো. ইমরান উল্লাহ সরকার ও আফসানা জাহান। ইউরিয়া ও টিএসপি সারের জন্য সরকারকে প্রতি বছরে বিপুল পরিমাণে অর্থ ভর্তুকি দিতে হয়। তাছাড়া সার উৎপাদনে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক গ্রিনহাউস গ্যাস  তৈরি হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি  কেজি ইউরিয়া ও টিএসপি উৎপাদনে প্রায় সাড়ে ছয় কেজি কার্বন-ডাই-অক্সাইড বাতাসে যুক্ত হয়। টিএসপি অথবা ডিএপি সার তৈরীর প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে রক ফসফেট, যার বাজার মূল্য কেজি প্রতি মাত্র পাঁচ টাকা। রক ফসফেট সহজে দ্রবীভূত হয় না বিধায় এটিকে ধানসহ বিভিন্ন স্বল্প মেয়াদি ফসলে সরাসরি ব্যবহার করা যায় না। মাটিতে বসবাসকারী এক শ্রেণির পরিবেশবান্ধব ব্যাকটেরিয়া যা ফসফেট দ্রবণকারী ব্যাকটেরিয়া নামে পরিচিত এবং খুব সহজেই রক ফসফেটকে স্বল্প সময়ে দ্রবীভূত করে উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য করে তোলে। তাই বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত সার অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে। উদ্ভাবিত বায়ো-অর্গানিক সার ধান চাষে ব্যবহারে একদিকে যেমন শতকরা ৩০ ভাগ ইউরিয়া সার ও পূর্ণ মাত্রার টিএসপি সারের ব্যবহার কমাবে, অন্যদিকে কাঁচা বাজারসহ রান্নাঘরের বর্জ্য দ্রব্যকে ধান চাষে জৈব সার রূপে ব্যবহার করে পরিবেশ দূষণ কমিয়ে আনা যাবে। তদুপরি মাটিতে জৈব পদার্থ যোগ করে মাটির স্বাস্থ্য বজায় রাখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। এই উদ্ভাবিত সারটির সঙ্গে শতকরা ১৫ ভাগ বায়োচার আছে বিধায় মাটিতে সরাসরি কার্বন যোগ করে মাটির গুণাগুণ বৃদ্ধি করবে।

লেখক ঃ এম এ মোমিন।

মুজিববর্ষের উদ্বোধনী আয়োজনের সাংস্কৃতিক মহড়া

বিনোদন বাজার ॥ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার চূড়ান্ত মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে ১৭ মার্চ আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘শতাব্দীর মহানায়ক’ শিরোনামে ৪৫মিনিটের থিয়েট্রিকাল কোরিওগ্রাফি পরিবেশিত হবে।

সহ¯্রাধিক শিল্পী ও কলাকুশলীর অংশগ্রহণে প্রযোজনাটির গবেষণা, গ্রন্থনা ও নিদের্শনা দিচ্ছেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ঋত্বিক নাট্যপ্রাণ লিয়াকত আলী লাকী। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় খ্যাতিমান দেশী-বিদেশি শিল্পীদের নির্দেশনায় থিয়েট্রিক্যাল কোরিওগ্রাফীটি নির্মাণের জন্য দুইমাস মহড়া করছে প্রায় এক হাজার শিল্পী ও কলাকুশলী। প্রযোজনাটির উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর এবং ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

প্রযোজনাটিতে খোকা থেকে বঙ্গবন্ধু, নেতা থেকে জাতির পিতা, কর্মী থেকে রাজনীতির কবি, জননেতা থেকে বিশ্বনেতা, শৈশব-কৈশোর যৌবনের সংগ্রামী ও প্রতিবাদী মুজিব, তেইশ বছরের করুণ ইতিহাস: ৩০৫৩ দিনের কারাবাস এবং স্বাধীনতার স্বপ্ন, দেশ গড়ার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর চেতনাদীপ্ত সুর, বাণী ও ছন্দের নিখুত গাঁথুনিতে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও আদর্শকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্যে আরো থাকছে শত শিল্পীর যন্ত্রসংগীত পরিবেশনা, শত শিশুর কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত, শিশুসঙ্গীত ‘ধন্য মুজিব ধন্য’ গান শত শিল্পীর কণ্ঠে জন্মশতবর্ষের থিম সং সহ বর্ণাঢ্য আয়োজন।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অনুষ্ঠানে নুজহাত চৌধুরী

বিনোদন বাজার ॥ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে দুরন্ত টেলিভিশনে প্রচারিত হবে দুই পর্বের বিশেষ অনুষ্ঠান ‘বঙ্গবন্ধু নানা বর্ণে নানা রেখায়’। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন ডাঃ নুজহাত চৌধুরী।

বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে দুই পর্বের এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে মাশরুর মাহতাব সূর্য, মনফুল চন্দ্রবতী, অহনা অনুপমা চৌধুরী, আর্য মেঘদূত, মাহী রহমান ধ্রুব, সাবাব বিন মাহদী স্পন্দন। প্রচারিত হবে ১৮ ও ১৯ মার্চ, বুধবার ও বৃহ¯পতিবার, বিকাল ৫.০০টায় ।

শিশুদের জন্য বঙ্গবন্ধুর ছিল গভীর মমতা। ছোটদের ভালবাসতেন, স্নেহ করতেন। শশিুদরে সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করতেন। শিশুদের সবকিছুকে সহজে বুঝতে পারতেন। ‘বঙ্গবন্ধু নানা বর্ণে নানা রেখায়’ অনুষ্ঠানে ডাঃ নুজহাত চৌধুরী অংশগ্রহণকারী শিশুদের নিয়ে ঘুরে বেড়াবেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর । আলোচনা করবেন বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। ঘুরতে ঘুরতে গল্পে গল্পে শোনাবেন বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস এবং ১৫ আগস্টের কালোরাতের ইতিহাস।

ঘর-সংসার সামলানো শুধু নারীদের কাজ নয় : কাজল

বিনোদন বাজার ॥ বলিউডের সুপারস্টার কাজল। নব্বই দশক মাতানো এই অভিনেত্রী গেল কয়েক বছর ধরে খুব একটা নিয়মিত নন সিনেমায়। তবে মাঝেমধ্যেই হাজির হয়ে চমকে দেন। সর্বশেষ ‘তানাজি’ সিনেমায় অজয় দেবগণের বিপরীতে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। তার সেই ছবি ব্যবসা করেছে ৩০০ কোটিরও বেশি।

সম্প্রতি তিনি ‘দেবী’ নামের একটি শর্টফিল্মে কাজ করেছেন। সেটি বেশ প্রশংসিত হয়েছে সবখানে। সেটি নিয়ে একটি সাক্ষাতকারে মুখ খুলেছেন কাজল।

স্পটবয় ই-কে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ‘ঘর-সংসার সামলানো শুধু নারীদের কাজ নয়। আবার নারীরাই শুধু বাড়িতে রোজগার করে আনবে তেমনটাও নয়।’

নারীদের ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে মুখ খুলতে গিয়ে অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘ক্ষমতায়ন বিষয়টা নিজের মধ্যে থেকেই আসে। আপনি কোনো পুরুষের কাছে নিজের ক্ষমতায়নের আর্জি করতে পারেন না। আপনাকে নিজেকেই এটা অর্জন করতে হবে। পরিবারে তাদের কোনো ভূমিকা নেই এই ভাবনাটা ভাবা নারীদেরকেই বন্ধ করতে হবে। আমরা এই সমাজে একেবারেই পরজীবী সদস্য নই।’

কাজল বলেন, ‘এই নারী-পুরুষের পার্থক্য না করার শিক্ষাটা আমাদের সন্তানদের থেকেই শুরু করা উচিত। যেমন প্রথমে আমি আমার ছেলেকে শেখাবো যে তার মাকেও কাজের জন্য বাইরে যেতে হয়। যাতে পরবর্তীকালে ও যখন বড় হবে, তখন ওর স্ত্রীকেও ওই একইভাবে দেখতে ওর কোনো সমস্যা হবে না। ও যেন ছোট থেকেই বুঝতে শেখে যে এটাই স্বাভাবিক। আর তাতে ওর মনের মধ্যে কোনো বাধা-নিষেধ তৈরি হবে না।’

কনার গানে ন্যান্সি

বিনোদন বাজার ॥ দেশের জনপ্রিয় দুই কণ্ঠশিল্পী নাজমুস মুনীরা ন্যান্সি ও দিলশাদ নাহার কনা। অডিও কিংবা চলচ্চিত্র; গানে গানে মুখরিত করে রেখেছেন তারা শ্রোতাদের মন প্রাণ। এরইমধ্যে বেশ কিছু শ্রোতানন্দিত গানও তারা উপহার দিয়েছেন। কনকাচাঁপা পরবর্তী এই দুই তারকাকে বলা হয় দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দুই গায়িকা। দুজনের মধ্যে সম্পর্কটাও বেশ চমৎকার।

সম্প্রতি সেই সম্পর্কের দারুণ এক দৃষ্টান্ত দেখালেন গায়িকা ন্যান্সি। কনার গাওয়া একটি আনরিলিজড ট্র্যাকে ঠোঁট মিলিয়েছেন তিনি। ফ্যাশন ডিজাইনার ও উদ্যোক্তা ‘বিশ্বরঙ’র কর্ণধার বিপ্লব সাহার সঙ্গে ঠোঁট মিলিয়েছেন ন্যান্সি।

কনা সম্প্রতি ‘মন’ শিরোনামে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন। অপ্রকাশিত এই গানটিতে দ্বৈতকণ্ঠ দিয়েছেন বিপ্লব সাহা। গানটি লিখেছেন ও সুর করেছেন জিয়াউদ্দিন আলম। সংগীতায়োজনে ছিলেন ইয়াসিন হোসেন।

কনার গানে কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সির ঠোঁট মেলানোর গল্প বলতে গিয়ে বিপ্লব সাহা বলেন, ‘আজকাল তো প্রায়ই শুনি তারকায় তারকায় দ্বন্দ্ব। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি ন্যান্সি ও কনাকে দেখেছি অন্য অনেকের চেয়ে ব্যতিক্রম। তারা যেমন সুকণ্ঠী তেমনি শিল্প ও শিল্পীদের প্রতি তাদের ভালোবাসাটাও মুগ্ধ করার মতো।

সেদিন ন্যান্সিকে নিয়ে একটি ফটোশুট করছিলাম। হঠাৎই ‘মন’ গানটির প্রসঙ্গ আসে। পরে মজা করে আমরা একটি ভিডিও করেছি যেখানে আমার কণ্ঠে আমি নিজেই আর কনার কণ্ঠে ন্যান্সি ঠোঁট মিলিয়েছে। ন্যান্সির সঙ্গে আমার খুব শিগগিরই গান আসবে। তার আগেই দারুণ একটি অভিজ্ঞতা হলো। গানটি খুব পছন্দ করেছেন ন্যান্সি।’

বিপ্লব সাহা জানান, আসছে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গানটি প্রকাশ হবে।

করোনাভাইরাস ঃ দেশের সব খেলাধুলা বন্ধ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ করোনাভাইরাসের আতঙ্কে গোটা বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বাংলাদেশের ঘরোয়া সব খেলাধুলা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফুটবলের চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, ক্রিকেটের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগসহ দেশের সব খেলা তাই বন্ধ থাকবে আপাতত। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে সোমবার সভা শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল জানান, অন্তত ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের সব খেলা বন্ধ থাকবে। সন্ধ্যায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে প্রিমিয়ার লিগের খেলা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অবশ্য আপাতত কেবল ১৮ ও ১৯ মার্চের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের খেলা স্থগিত করেছে। করোনাভাইরাসের কারণে মুজিববর্ষের জাতীয় ও ক্রীড়াঙ্গনের নানা আয়োজন স্থগিত করার ধারাবাহিকতায়ই সব খেলা বন্ধ করার এই সিদ্ধান্ত, জানালেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। “করোনাভাইরাসের কারণে বৈশ্বিকভাবে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। সমস্যার কারণে আমরা জাতীয় ইভেন্টগুলো সব স্থগিত করেছি। মুজিববর্ষের জাতীয় আয়োজনগুলো পুনর্বিন্যাস করেছি আমরা। সেখানে ক্রীড়াঙ্গনের যে কর্মসূচি ছিল, বাংলাদেশ গেমস ছিল, ক্রিকেট বোর্ডের কনসার্ট ছিল, টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছিল এশিয়া একাদশ ও অবশিষ্ট বিশ্ব একাদশের, বার্সেলোনার ক্লাব পর্যায়ে একটি ম্যাচ ছিল। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ ছিল। সবই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা স্থানান্তর করেছি।” “এখন ঘরোয়া যে খেলাগুলি আছে, ৩১ মার্চ পর্যন্ত সেসব বন্ধ থাকবে। পরবর্তীতে অবস্থা দেখে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এপ্রিল মাসে ফেডারেশনগুলো এসব আয়োজন করার চেষ্টা করবে। পরিস্থিতি ভালো না হলে পরে সেগুলি মে, জুন বা জুলাই মাসে নিয়ে যাবে।”