শুরু হলো দেব-মিতুর ‘কমান্ডো’

বিনোদন বাজার ॥ ১১ মার্চ থেকে কলকাতায় শুরু হয়েছে শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত ‘কমান্ডো’ সিনেমার শুটিং। সিনেমাটিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মত বাংলাদেশী সিনেমায় অভিনয় করছেন কলকাতার অভিনেতা দেব। সিনেমায় দেবের বিপরীতে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের জাহারা মিতু। সিনেমা প্রসঙ্গে দেব বলেন, ‘বাংলাদেশের সিনেমায় এবারই প্রথম কাজ করছি। নিঃসন্দেহে ভালো লাগছে। ভালোভাবে কাজটা করতে চাই। আর আপনাদের ভালোবাসা ও প্রার্থনা সেটা সব সময়ই চাই।’

প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া জানিয়েছে, ১৯ মার্চ পর্যন্ত কলকাতার বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং চলবে। এরপর ২২ মার্চ থেকে বাংলাদেশে সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে। শামীম আহমেদ রনির পরিচালনায় সিনেমাতে দেব-মিতু ছাড়াও অভিনয় করছেন মাজনুন মিজান, ফজলুর রহমান বাবু, শিবা শানু।

আগামী ঈদুল আযহাতে সিনেমাটি মুক্তি দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানায় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া।

লাভজনক হওয়ায় অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে হাঁস চাষে এগিয়ে আসছেন

কৃষি প্রতিবেদক ॥ আমাদের দেশের আবহাওয়া হাঁস পালনে খুবই উপযোগী। সমস্যা হচ্ছে হাঁসের মাংস ও ডিম মুরগির মাংসের চেয়ে জনপ্রিয় কম। তবে বর্তমানে এটি অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এখন হাঁস চাষ লাভজনক একটি প্রযুক্তি। অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে হাঁস চাষে এগিয়ে আসছেন এবং প্রধান পেশা হিসেবে  বেছে নিচ্ছেন হাঁস চাষ। মৎস্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের মতে, পুকুরে হাঁস ও মাছের সমন্বিত চাষ পদ্ধতি অবলম্বন করলে খুব সহজে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব। হাঁস চাষে অনেক সুবিধা রয়েছে যেমন- মাছের জন্য পুকুরে তেমন বাড়তি সার ও খাদ্য দিতে হয় না । হাঁস থাকলে মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। হাঁস পালনে সুবিধা ঃ হাঁসের রোগবালাই তুলনামুলক খুবই কম। তাছাড়া খাবারের  তেমন অভাব হয় না। দেশি মুরগি যেখানে গড়ে বছরে ৫৫টি ডিম দেয়, দেশি হাঁস  সেখানে ৯০টির বেশি ডিম দিয়ে থাকে। আর উন্নত জাত হলে বছরে ২৫০-৩০০টি ডিম দিয়ে থাকে। যেভাবে শুরু করতে পারেন ঃ এ প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে চাইলে আপনার ৪০-৫০ শতাংশ আয়তনের একটি পুকুর লাগবে। ১০০-২০০টি হাঁস এবং হাঁসের ঘর তৈরি করে নিতে হবে। এসব পরিকল্পিতভাবে করলে ভালো হবে। পাহারাদারের ঘরটি হাঁসের ঘরের দক্ষিণ পাশে হলে ভালো হয়। উন্নত হাঁসের জাত ঃ হাঁসের জাত নির্বাচন করার ক্ষেত্রে যে জাতের হাঁস বেশি ডিম  দেয় সে জাতের হাঁস নির্বাচন করতে হবে। এক্ষেত্রে খাকি ক্যাম্পেবেল,  ইন্ডিয়ান রানার, সিলেট মিটি ও নাগেশ্বরী জাত নির্বাচন করা যেতে পারে। এ জাতের হাঁস ৫ মাস বয়স থেকে ২ বছর পর্যন্ত ডিম দেয়।  যেভাবে হাঁস পালন করবেন ঃ হাঁস বিভিন্ন পদ্ধতিতে পালন করা যায়। এর মধ্যে একটি হচ্ছে মুক্ত জলাশয়ে হাঁস পালন। এ পদ্ধতিতে ২৫-১০০টি হাঁস মুক্ত পুকুরে, লেকে অথবা ধান কাটার পর পরিত্যক্ত জমিতে পালন করা যায়। অপরটি হচ্ছে ইনটেনসিভ হাঁস পালন। এ পদ্ধতিতে ১-১০ লাখ হাঁস পালন করা সম্ভব। দিনের  বেলায় হাঁস পানিতে থাকতে পছন্দ করে। শুধু রাতযাপনের জন্য ঘরের প্রয়োজন। হাঁসের ঘর তৈরি ঃ পুকুরপাড়ে কিংবা পুকুরের ওপর ঘরটি তৈরি করতে হবে। ঘরের উচ্চতা ৫-৬ ফুট হলে ভালো হয়। ঘর তৈরিতে বাঁশ, বেত, টিন, ছন, খড় ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ইট দিয়ে মজবুত করে ঘর তৈরি করতে পারলে ভালো হবে। ঘরটি খোলামেলা হতে হবে এবং সাপ ও ইঁদুর থেকে মুক্ত রাখতে হবে। শহরে বিভিন্ন মাপের চৌবাচ্চায় হাঁস পালন করা হচ্ছে । এক্ষেত্রে প্রশস্ত ছাদ থাকলে সুবিধা বেশি। ছাদের একপাশে ঘর অপর পাশে চৌবাচ্চা নির্মাণ করতে হবে। প্রজননের জন্য আটটি হাঁসের সঙ্গে একটি পুরুষ হাঁস রাখা দরকার। এরপর  দেশি মুরগির সাহায্যে অথবা ইনকিউবেটরে হাঁসের ডিম ফোটানো যায়। কোথায় পাবেন হাঁসের বাচ্চা ঃ দৌলতপুর হাঁস খামার, নারাণগঞ্জ হাস প্রজনন  কেন্দ্রসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত হাঁস-মুরগির খামার ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের কাছ  থেকে হাঁস বা হাঁসের বাচ্চা সংগ্রহ করতে পারেন। হাঁসের খাদ্য ঃ হাঁস চাষে সুবিধা হলো হাঁস খাল-বিল-পুকুর থেকে তার কিছু খাবার সংগ্রহ করে নেয়। তাছাড়া বাজারে হাঁসের তৈরি খাবার কিনতে পাওয় যায়। শুকনো খাদ্য না দিয়ে হাঁসকে সবসময় ভেজা খাদ্য দেয়া উচিত। খাদ্যে আমিষের পরিমাণ ডিম দেয়া হাঁসের ক্ষেত্রে ১৭-১৮ শতাংশ ও বাচ্চা হাঁসের ক্ষেত্রে ২১ শতাংশ রাখা উচিত। হাঁস দানা, খইল, ভূষি, ঝিনুকের গুঁড়ো, ডিমের খোসা, কেঁচোসহ অন্যান্য খাবার বেশি পছন্দ করে।  মাছের পুকুরেও হাঁস পালন ঃ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মাছের পুকুরে হাঁস পালন করলে কৃষকরা বেশি লাভবান হন। এ চাষে হাঁস বেশি প্রোটিন পায়। মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। সম্ভাব্য  আয়-ব্যয় ঃ ২০-৪০ শতাংশের একটি পুকুরে ১০০-২০০টি হাঁসের জন্য এ প্রকল্প শুরু করলে সব মিলে খরচ হবে ৫০-৬০ হাজার টাকা। সঠিক পরিচর্যা আর যতœ নিতে পারলে প্রথম বছরে যাবতীয় খরচ বাদ দিয়ে ২০-৫০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। রোগমুক্ত, উন্নত জাতের হাঁস আধুনিক পদ্ধতি ও সঠিক নিয়ম অনুযায়ী চাষ করুন। যে কোনো পরামর্শের জন্য আপনার উপজেলা বা জেলা মৎস্য ও পশুসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। লেখক ঃ মু. হাসানুর রহমান খান বকুল

করোনাভাইরাস | কোয়ারেন্টিনে রোনালদো

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ সতর্কতার অংশ হিসেবে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে আছেন। ইউভেন্তুস সতীর্থ দানিয়েলে রুগানি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় দলটির তারকা ফরোয়ার্ড এই ব্যবস্থা নিয়েছেন। দর্শকশূন্য মাঠে গত রোববার ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ইউভেন্তুসের ২-০ গোলে জয়ের পর মাদেইরাতে নিজ বাড়িতে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান রোনালদো। এদিকে গত বুধবার ইতালিয়ান সেন্টার-ব্যাক রুগানির শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। ওই দিনই ইউভেন্তুস এক বিবৃতিতে জানায়, রোনালদো বুধবার দলের অনুশীলনে অংশ নেননি। তিনি তার নিজ বাড়িতে অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে আছেন। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পুরো ইউভেন্তুস দলই আগামী দুই সপ্তাহ কোয়ারেন্টিনে থাকবে। ফলে আগামী ১৭ মার্চ লিওঁর বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শেষ ষোলোর ফিরতি লেগের ম্যাচের জন্য তাদের দল গঠন করাই এখন সমস্যার মুখে পড়েছে। ইতালিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দিনকে দিন বেড়ে চলছে। ইতোমধ্যে আগামী ৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশটিতে সব ধরনের খেলা স্থগিত করা হয়েছে।

মেয়েকে নিয়ে ট্রলের কড়া জবাব দিলেন কাজল

বিনোদন বাজার ॥ কখনো পোষাক নিয়ে আবার কখনো গায়ের রং নিয়ে ট্রলের শিকার হতে হয়েছে বলিউডের তারকা দম্পতি অজয় দেবগন ও কাজলের মেয়ে নাইসাকে। সম্প্রতি নাইসাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল করা হয়। আর এসব ট্রলের কড়া জবাব দিলেন নাইসার মা বলিউড অভিনেত্রী কাজল।

সংবাদমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কাজল বলেন, এক কথায় ভয়াবহ। বাবা-মা হিসেবে আপনি সব সময় আপনার সন্তানকে রক্ষা করতে চাইবেন। তার সঙ্গেই যদি এমনি কিছু ঘটে তা হলে তা একজন মায়ের জন্য খুবই কষ্টের।

গত বছর মে মাসে অজয় দেবগণের বাবা বীরু দেবগণ মারা যান। তার মৃত্যুর ঠিক পরদিন নাইসার পার্লারে যাওয়ার একটি ছবি রাতারাতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

সেই প্রসঙ্গে কাজল বলেন, ছোট থেকেই ছেলে মেয়েদের বোঝানো উচিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সমাজের একটি সামান্য অংশ মাত্র যা এড়িয়ে চলাই ভালো। ছেলেকে বলেছি মেয়েদের সম্মান করতে। মেয়েকেও বলেছি আত্মসম্মান সবচেয়ে বড়।

শুধু কাজলই নন, কিছু দিন আগে মেয়ের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বাবা অজয় দেবগণও। তিনি বলেছিলেন, প্রত্যকের ব্যক্তিগত জীবন রয়েছে। বাইরে থেকে দেখে কাউকে বিচার করা সহজ। আদপে কয়জনের সত্যিটা জানার ইচ্ছে রয়েছে? সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

গোলরক্ষকদের ‘মেসি’ ওবলাক

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে লিভারপুলকে হারানোর পথে দুর্দান্ত সব সেভ করা গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাককে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন আতলেতিকো মাদ্রিদের কোচ দিয়েগো সিমেওনে। ¯ে¬াভেনিয়ার এই গোলরক্ষককে তিনি তুলনা করেছেন বার্সেলোনার লিওনেল মেসির সঙ্গে। অ্যানফিল্ডে বুধবার অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো ম্যাচে ৩-২ গোলের জয় পায় আতলেতিকো। ম্যাচটিতে মোহামেদ সালাহ, রবের্তো ফিরমিনো ও সাদিও মানেদের মোট ৯টি প্রচেষ্টা প্রতিহত করেন ওবলাক। জর্জিনিয়ো ভেইনালডামের হেডে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ালেও নির্ধারিত সময়ে লিভারপুলের মুহুর্মুহু আক্রমণ ঠেকাতে ওবলাকের ভূমিকা ছিল অসামান্য। অতিরিক্ত সময়ের চতুর্থ মিনিটে লিভারপুলকে ২-০ গোলে এগিয়ে নেন ফিরমিনো। প্রথম লেগে ১-০ গোলে জেতা আতলেতিকো তখন দুই লেগ মিলে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে। পরে দুটি দারুণ ফিনিশিংয়ে সফরকারীদের এগিয়ে নেন মার্কোস লরেন্তে। আর শেষ দিকে আলভারো মোরাতার গোলে দুই লেগ মিলে ৪-২ গোলের অগ্রগামিতায় পরের ধাপে ওঠে মাদ্রিদের দলটি। রোমাঞ্চকর ম্যাচে অসাধারণ জয়ের পর ম্যাচ সেরা হওয়া ওবলাককে বিশ্বের সেরা গোলরক্ষকের তকমা দিয়েছেন সিমেওনে।

“আমাদের একজন গোলরক্ষক আছে যে বিশ্বসেরা, এতে কোনো সন্দেহ নেই। বেশ কিছুদিন ধরে আমি এটা বলে আসছি।” “এটা বার্সেলোনার মত, যাদের মেসি আছে। সে যেমন তার আক্রমণাত্মক খেলা দিয়ে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়, ওবলাক তার সেভ দিয়ে সেসব আক্রমণ রুখে দেয়।”

 

২২