ইতালি ফেরত দম্পতি পরিবারের ৬ জন ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’

ঢাকা অফিস ॥ যশোরের চৌগাছায় গত ৭ ফেব্র“য়ারি ইতালি থেকে ফেরেন স্বামী-স্ত্রী। তিনদিন শহরে ওই ব্যক্তির পিতার বাড়িতে থাকেন। এরপর সোমবার শ্বশুরবাড়ি ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর মাস্টার পাড়ায় বেড়াতে যান। সেখানে গত মঙ্গলবার (১০মার্চ) বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ওই ব্যক্তির শ্বশুরের বাড়িতে একজন স্বাস্থ্য সহকারীর তত্ত্বাবধানে তাদের ১৪ দিনের ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’ রাখা হয়। এ বিষয়টি মঙ্গলবার রাতে চৌগাছায় ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। পরে বুধবার ওই দম্পতি পরিবারের ‘ছয়’ জনকে একজন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’ রাখা হয়েছে। তবে ওই দম্পতি বা তার পরিবারের কোন ব্যক্তির শরীরে করোনার কোন লক্ষণ পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার। চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার বলেন, ‘আমি সকালেই সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে (আইইডিসিআর) ফোন করে নিশ্চিত হয়েছি ওই দম্পতির শরীরে করোনার কোন লক্ষণ পাওয়া যায়নি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, আমি নিজে গিয়ে তাদের কিভাবে থাকতে হবে সে বিষয়ে বুঝিয়ে এসেছি। তারা নিজেরদের ঘরেই থাকবেন।’ তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে সতর্ক করে মাইকিংসহ প্রচারণা চলছে। প্রচারণায় হাঁচি-কাশির সময়ে নিয়ম মেনে চলা, প্রয়োজন ছাড়া জনসমাগস্থলে না যাওয়া, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা ও খাবার পর্যাপ্ত সেদ্ধ করে খেতে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ১২টি বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। হাসপাতালে সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম, ব্যবস্থাপনা কমিটি ও র‌্যাপিড রেসপন্স কমিটি করা হয়েছে।’ এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে ওই পরিবারের প্রধান বলেন, ‘আমাদের শরীরে করোনার কোন লক্ষণ না থাকলেও যেহেতু ভাই-ভাবি ইতালি থেকে এসেছেন, সেহেতু আমাদের একজন ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে ১৪ দিনের জন্য ‘হোম কোয়ারেন্টাইনে’ থাকতে বলা হয়েছে।’

করোনা ভাইরাস

যুক্তরাজ্যে মারা যাওয়া প্রথম বাংলাদেশী মোহাম্মদ মহসিন ইসলামের বাড়ি কুষ্টিয়ায়

নিজ সংবাদ ॥ যুক্তরাজ্যের ম্যানচেষ্টার শহরে করোনা ভাইরাসে মারা গেলেন প্রথম বাংলাদেশী মোহাম্মদ মহসিন ইসলাম ওরফে টুলু। তার বাড়ি কুষ্টিয়া শহরের পুর্ব মজমপুর এলাকায়। গত ৮মার্চ বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৪টায় তিনি ম্যানচেষ্টার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। যুক্তরাজ্য প্রবাসী মহসিন ইসলামের পারিবারিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মহসিন ইসলামের মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৬বছর।

পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক মহসিনের পরিবার জানায়, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৮মার্চ ম্যানচেষ্টারের একটি হাসপাতালে মহসিন ইসলাম মারা যান। তার স্ত্রীকেও ভর্তি রাখা হয়েছিল হাসপাতালে। পরে তার অবস্থার উন্নতি হলে হাসপাতাল থেকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এদিকে মহসিন ইসলাম টুলুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত দুই ছেলে মেয়েকে বাসায় কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। দুই সন্তানের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে টুলু মিয়ার দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।

পারিবারিক সূত্রটি জানায়, নাগরিকত্ব গ্রহন করে দীর্ঘ ২৫বছর ইতালিতে বসবাস করছিলেন মহসিন ও তার পরিবার। সেখানে তিনি সরকারি চাকুরী করতেন। চাকুরী শেষে গত ৬ বছর যাবত যুক্তরাজ্যের ম্যানচেষ্টারে পরিবারসহ চলে আসেন। গত ২৩ ফেব্র“য়ারী তিনি চাকুরীর পেনশনের বিষয়ে কাজ করতে ইতালিতে যান। ৩ মার্চ তার যুক্তরাজ্যে ফেরত আসার কথা ছিল। কিন্তু ইতালিতে হঠাৎ করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় তার ছেলে তাকে বিমানের স্পেশাল টিকিটের ব্যবস্থা করে ২৯ ফেব্র“য়ারী ম্যানচেস্টারে ফেরত আনেন। ৩ মার্চ স্ত্রীকে সাথে নিয়ে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চেকআপের জন্য নিয়ে গেলে তার করোনা ভাইরাস ধরা পড়ে। এসময় চিকিৎসকেরা তাকে সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে দেন। আর স্ত্রীকে রাখা হয় কোয়ারেন্টাইনে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ মার্চ তিনি মারা যান। পরে স্ত্রীকে কাঁচের মধ্য থেকে লাশ দেখানো হয়। কিন্তু দুই ছেলেমেয়েকে পিতার লাশ দেখানো হয়নি। পরে স্ত্রী লাশের ছবি তুলতে গেলেও নিষেধ করা হয়। অনেক আকুতি মিনতি করে মোবাইলে শর্ত স্বাপেক্ষে স্বামীর লাশের ছবি তুলেছেন। এই ছবি সন্তানদের ছাড়া অন্য কাউকে দেখানো যাবে না বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মুচলেকা নিয়েছেন।

পারিবারিক সূত্রটি আরো জানায়, টুলুর স্ত্রী ২দিন আগে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে এসেছে। ছেলেমেয়েদের ১৪দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ না হওয়া পর্যন্ত লাশের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারছে না বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। টুলুর একমাত্র ছেলে ম্যানচেষ্টার ইউনিভার্সিতে শেষ বর্ষে আর মেয়ে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার গ্রাফিক্সে অধ্যায়নরত। বর্তমানে ২ ভাইবোন একাকি ঘরে বন্দি অবস্থায় রয়েছে। তাদের বন্ধুরা বিভিন্ন সময়ে তাদের বাড়িতে খাবার দিয়ে আসছে। জানা যায়, মোহাম্মদ মহসিন ইসলাম সর্বশেষ ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে দেশে এসেছেন। তিনি নিয়মিত দেশে আসতেন এবং এলাকার মানুষদের সহযোগিতা করতেন।

আইইডিসিআরের হটলাইন ০১৯৪৪৩৩৩২২২

ঢাকা অফিস ॥ নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে সবার যোগাযোগের সুবিধার জন্য হটলাইন হিসেবে ১৩টি নম্বরের বদলে একটি নম্বর চালু করেছে বাংলাদেশ সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর। এখন থেকে ০১৯৪৪৩৩৩২২২ নম্বরে ফোন করে যে কেউ তথ্য দিতে বা নিতে পারবেন বলে  আইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানিয়েছেন। বাংলাদেশে নভেল করোনাভাইরাসের রোগী ধরা পড়ার পর মানুষের ফোন কলের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় গত ৯ মার্চ হটলাইনে নম্বর চারটি থেকে বাড়িয়ে ১৩টি করে সরকার। কিন্তু হটলাইনের নম্বরে কল করে পাওয়া যাচ্ছে না- এমন অভিযোগ পাওয়ার পর এখন একটি নম্বর চালু হয়েছে জানিয়ে অধ্যাপক ফ্লোরা বলেন, “এ নম্বরটিতে কল প্রবেশ করা মাত্র তা হান্টিং নম্বরের মাধ্যমে অন্য খোলা নম্বরগুলোতে চলে যাবে।” আপাতত হটলাইনের এ নম্বরে ফোন করলে অপরারেটরকে নির্ধারিত হারে টাকা দিতে হবে। এ নম্বটিও টোল ফ্রি করার চেষ্টা চলছে বলে জানান আইডিসিআরের পরিচালক। প্রতিরোধে পরামর্শ করোনা ভাইরাস নিয়ে ভীত না হয়ে সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দেওয়া কিছু পরামর্শ মেনে চলতে সবাইকে পরামর্শ দিয়েছে সরকার। নিয়মিত জীবণুনাশক বা সাবান বা হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে হাত ধোয়া উচিত। কাশি বা হাঁচি দিচ্ছেন এমন ব্যক্তি থেকে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা প্রয়োজন। হাত না ধুয়ে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। হাঁচি বা কাশি দেওয়ার সময় টিস্যু বা হাতের কনুই দিয়ে নাক ও মুখ ঢেকে রাখতে হবে। যেখানে সেখানে থুথু নিক্ষেপ করা যাবে না। রান্না করার আগে ভালো করে খাবার ধুয়ে নিতে হবে। যে কোনো খাবার ভালো করে সিদ্ধ করে রান্না করতে হবে। অসুস্থ ব্যক্তি বা প্রাণীর সংস্পর্শে আসা যাবে না। কাপড় একবার ব্যবহার করে ধুয়ে ফেলুন। বাড়ি এবং কর্মক্ষেত্র নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। বাইরে ব্যবহৃত জুতা ঘরে ব্যবহার করা যাবে না। খালি পায়ে হাঁটা যাবে না। পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে হাত মেলানো বা আলিঙ্গন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। অন্যের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকতে হবে। স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ অনুসরণ করে নিরাপদ থাকাই উত্তম পন্থা। অসুস্থ বোধ করলে বাড়িতে অবস্থান করা উত্তম। জনাকীর্ণ স্থানে সতর্ক থেকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। শিশু, বৃদ্ধ ও ক্রণিক রোগীদের অধিকতর সতর্ক থাকতে হবে। নিজেকে নিরাপদ রাখতে বিদেশ ভ্রমণ না করাই ভালো। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহ, লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দিলে সরাসরি জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সরকার। বরং বাড়িতে থেকে হটলাইন নম্বরে ফোন করলে তারাই বাড়িতে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করবে বলে জানানো হয়েছে।

করোনাভাইরাস 

আক্রান্তদের দুজন ‘সুস্থ হয়ে উঠেছেন’

ঢাকা অফিস ॥ বাংলাদেশে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিনজনের মধ্যে দুজন সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইডিসিআর। গতকাল বুধবার মহাখালীতে আইইডিসিআরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, দেশে নতুন করে কারও মধ্যে কভিড-১৯ ধরা পড়েনি। আইইডিসিআর রোববার এক ব্রিফিংয়ে দেশে প্রথমবারের মত তিনজনের নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করে। তাদের মধ্যে দুজন পুরুষ সম্প্রতি ইতালির দুটি শহর থেকে দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে একজনের সংস্পর্শে এসে পরিবারের আরেক নারী সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন। অধ্যাপক ফ্লোরা বলেন, “আমি আপনাদের একটু ভালো খবরই দিতে পারব। গতকাল আমরা যে পরীক্ষা করেছি তাতে তিনজনের মধ্যে দুজনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আপনারা জানেন যে পর পর দুবার নেগেটিভ এলে আমরা তাদের ডিসচার্জ করে দিতে পারি। তো তিনজনের মধ্যে দুজন অলরেডি নেগেটিভ। “আমরা আগেও বলেছি, শারীরিকভাবে তাদের মধ্যে কোনো সমস্যা ছিল না। তারা সুস্থ আছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যে প্রটোকল, সে অনুযায়ী আমরা তাদের রিলিজ করে দেব।” বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে মোট আটজনকে ‘আইসোলেশনে’ রাখা হয়েছে বলে  জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। ইনস্টিটিউটের পরিচালক বলেন, আইইডিসিআরের হটলাইনে তারা গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ২২৫টি কল পেয়েছেন, তার মধ্যে ৩ হাজার ১৪৫টি কল ছিল করোনাভাইরাস সংক্রান্ত। এই সময়ে মোট ২৪ জন আইইডিসিআরে গিয়ে সেবা নিয়েছেন এবং মোট ১০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ১৪২টি নমুনা পরীক্ষা করে ওই তিনজন ছাড়া আর কারও মধ্যে নভেল করোনাভাইরাস ধরা পড়েনি। দেশের বাইরে সিঙ্গাপুরে পাঁচজন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইতালিতে এর আগে দুজনের মধ্যে নভেল করোনাভাইরাস ধরা পড়েছিল। তাদের মধ্যে সিঙ্গাপুরের চারজন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন জানিয়ে ডা. ফ্লোরা বলেন, “যার অবস্থা ক্রিটিকাল ছিল, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।”

প্রেমিককেই বিয়ের ঘোষণা পূজার

বিনোদন বাজার ॥ কুনাল ভার্মার সঙ্গে একটানা ৯ বছর প্রেম করার পর এবার বিয়ের ঘোষণা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের চিত্রনায়িকা পূজা ব্যানার্জি।

টেলিভিশন শো ‘তুজ সাং প্রিত লাগাহি সাজনা’ দিয়ে খ্যাতি অর্জন করা এই অভিনেত্রী রোববার ইনস্টাগ্রামে বলেন, এই নারী দিবসে বড় একটি খবর দিতে যাচ্ছি। সবার সঙ্গে আমি এই তথ্য শেয়ার করতে চাই।

‘কুনাল, তুমি আমাকে পূর্ণ করে দিয়েছ। আমি এতদিন একজন কন্যা, একজন বোন, একজন বন্ধু ও একজন বান্ধবী ছিলাম। এখন চূড়ান্তভাবে একজন স্ত্রী হতে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, এখন চিরদিনের জন্য একসঙ্গে হওয়ার সময় এসেছে। সবার আশীর্বাদ কামনা করছি।

জি নিউজ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ৯ বছর ধরে কুনাল ভার্মার সঙ্গে প্রেম করছেন পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাগদানও হয়েছে। বাগদানের প্রায় তিন বছর পর এবার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন পূজা।

বাগদানপর্বে রাজস্থানি লেহেঙ্গায় সেজে কুনালের সঙ্গে আংটিবদল করেছিলেন পূজা। ওই দিন সোনা, হীরা ও মুক্তার গহনায় সেজে বাগদানের অনুষ্ঠানে হাজির হন বঙ্গললনা। তবে ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় বাগদানের পর পরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারেননি পূজা-কুনাল।

মেয়ের সঙ্গে রঙের উতসবে মাতলেন সানি

বিনোদন বাজার ॥ মহারাষ্ট্রের লাতুর থেকে দত্তক নিয়েছিলেন নিশাকে। সেই থেকে মেয়েকে সব সময় আগলে রেখে বড় করে তুলছেন সানি লিওন। খ্যাতির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে, আরও দুই সন্তানের মা হয়েও সানি যে নিজের জীবনে নিশাকে এক অন্য জায়গায় রেখে দিয়েছেন, তা বেশ স্পষ্ট।

দত্তক নেওয়ার পর নিশার প্রথম জন্মদিন পালন করেছিলেন ডিজনিল্যান্ডে গিয়ে। এরপর কখনও নোয়া ও এশারের সঙ্গে আবার কখনও অন্য কোথাও, মেয়ের জন্মদিন সব সময় একটু অন্যরকমভাবে পালন করেছেন সানি। এবার রঙের উতসবেও তার অন্যথা হয়নি।

মেয়ে নিশাকে নিয়ে এবার রঙের উতসবে মেতে উঠলেন সানি লিওন। হোলির আগেই রঙ, পিচকিরি হাতে নিয়ে মায়ের সঙ্গে মজা করতে দেখা যায় সানি লিওনের মেয়ে নিশা কউর ওয়েবারকে। সানি এবং নিশা অর্থাৎ মা-মেয়ের সেই ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তা হু হু করে ভাইরাল হয়ে যায়।

অর্ধযুগ পর বর্ষাকে নিয়ে ফিরছি : অনন্ত

বিনোদন বাজার ॥ জুটি হিসেবে শুরুতেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে অনন্ত-বর্ষা জুটি। এরপর একসঙ্গে কয়েকটি সিনেমায় দেখা গেলেও দুজনের কেউই বড়পর্দায় উপস্থিত নেই অনেকগুলো বছর। সেই অপেক্ষা শেষ হচ্ছে এবার।

এই বছর কোরবানী ঈতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘দিন:দ্য ডে’। এই সিনেমার মধ্য দিয়ে প্রায় অর্ধযুগ পর আবারো দেখা যাবে এই জুটিকে।

অনন্ত বলেন, ‘এই সিনেমাটি অনেক শ্রম ও সময় নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। দর্শকরা আন্তর্জাতিক মানের একটি সিনেমা দেখতে পাবেন। অর্ধযুগ পর বর্ষাকে নিয়ে ফিরছি। আশা করি আমাদের জুটিকে নতুনভাবে এবার দেখবেন সবাই।’

বাংলাদেশ ও ইরানের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হচ্ছে এই চলচ্চিত্র। এর বাংলাদেশ অংশের প্রযোজক অনন্ত জলিল। এটি পরিচালনা করছেন ইরানি নির্মাতা মুর্তজা অতাশ জমজম। প্রায় দুই বছর ধরে তৈরি করা হয়েছে ছবিটি।

২০১৮ সালের শেষ দিকে ইরানের ফারাবি ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ছবিটি যৌথভাবে প্রযোজনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হন অনন্ত। ছবিতে বাংলাদেশ থেকে অনন্ত ও বর্ষার সঙ্গে নবাগত সুমন ফারুকও অভিনয় করছেন। পাশাপাশি ইরান ও লেবাননের বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীও রয়েছেন।

বহুগুণে গুণান্বিত সবজির মধ্যে শীর্ষে সজিনা

কৃষি প্রতিবেদক ॥ সজিনা এক বিশেষ ধরনের সবজি। ইংরেজি নাম ড্রামস্ট্রিক। এ ছাড়া কবিরাজরা বিভিন্ন নামে একে আখ্যায়িত করেন। যেমন- সুপত্রক, সুখামোদ, রুচিরঞ্জন, শোভারঞ্জন, উপদংশ, দংশমূল, মধুশিঘ্রক এবং তীক্ষèগন্ধ। সজিনা গাছ মাঝারি ধরনের বৃক্ষ। সাধারণত ৪০-৫০ ফুট উঁচু হয়। এর কাঠ খুব নরম এবং বাকল আঠাযুক্ত। সজিনা গাছে মাঘ-ফাল্গুনে ফুল আসে। ফুল এর রঙ সাদা। চৈত্র-আষাঢ়ে ফল পাকে। ফলের বীজ ক্রিকোণাকার। আদি নিবাস ভারত ও পাকিস্তান। সজিনার ডাটা উৎকৃষ্ট সবজি আর পাতা হিতকর শাক। ডাটার তৈরি রকমারি খাবার যেমন- ডালসজনা, ভর্তা, সরিষাবাটা সজনা, পাতাভাজি, শাকবড়া এবং ফুলের সঙ্গে ডিম ভাজি দারুণ রেসিপি! সজিনার ডাঁটা খেতে সুস্বাদু, তবে পাতা ও ফুল তিতা হলেও যথেষ্ট পুষ্টিকর। শুধু কী তাই! এতে রয়েছে ভেষজগুণে ভরপুর। সজিনা মুখে রুচি বাড়ায়। তাই রোগীর পথ্য হিসেবে অনন্য। এর বীজ হতে উৎপন্ন তেলের নাম ‘বেন ওয়েল’। মানুষের খাবারের পাশাপাশি পশুখাদ্য, ঘড়ি মেরামত, পানিশোধক, রঙ ও কাগজ তৈরিতে সজিনার ব্যবহার সমাদৃত। বহুগুণে গুণান্বিত সবজির মধ্যে এর স্থান শীর্ষে। এ কারণেই দক্ষিণ আফ্রিকায় সজিনাকে বলা হয় ‘জাদুকর গাছ’। তাই এর গুণাগুণ জেনে নেয়া দরকার। পুষ্টিগুণ : সজিনা কেবল ভিটামিন সি ও ক্যারোটিন সমৃদ্ধ সবজিই নয়, এর অন্য পুষ্টি উপাদানগুলোর পরিমাণও রয়েছে বেশ। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম ডাঁটায় আহারোপযোগী আমিষ ৩.২ গ্রাম, শর্করা ১১.৪ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২১ মিলিগ্রাম,  লৌহ ৫.৩ মিলিগ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, ভিটামিন এ ৭৫০ মাইক্রোগ্রাম, ভিটামিন বি১ ০.০৪ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি২ ০.০২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৪৫ মিলিগ্রাম, খনিজ লবণ ১.৯ গ্রাম, আঁশ ৪.৮ গ্রাম এবং খাদ্যশক্তি আছে ৬০ কিলোক্যালরি। আর পাতায় রয়েছে ৬.৭ গ্রাম আমিষ, ১২.৫ গ্রাম শর্করা, ৪৪০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৭ মিলিগ্রাম লৌহ, ১.৭ গ্রাম চর্বি, ৬৭০০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন এ, ০.০১ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি১, ০.০৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি২, ২২০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ২.৩ গ্রাম খনিজ লবণ, ০.৯ গ্রাম আঁশ এবং ৯২ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি। শুকনো পাতায় এর পরিমাণ আরও অধিক। সজিনাপাতায় দুধের  চেয়েও বেশি ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও জিংক আছে। পুষ্টির পরিমাণ বেশি থাকার কারণে সজিনাকে ‘পুষ্টির ডিনামাইট’ উপাধি  দেয়া হয়। ভেষজগুণ : সজিনা প্রায় তিনশ’ রোগের প্রতিকার এবং প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কিডনি ও লিভারকে সচল রাখে। পাশাপাশি ডায়াবেটিস এবং শরীরের কোলস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। দেহের অতিরিক্ত ওজন কমানো, মায়ের দুধের পরিমাণ বাড়ানো, হজমে সহায়তাকরণ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণেও রাখে বিরাট ভূমিকা। এ ছাড়া ক্যান্সার, ব্লাডপ্রেসার, অ্যানিমিয়া, কিডনির পাথর, বন্ধ্যত্ব, হার্টের ব্যথা, জয়েন্টের ব্যথাসহ আরও নানা রোগের জন্য বেশ উপকারী। শরীরের রক্তশূন্যতা দূর করতে সজিনার ডাটা সিদ্ধ করে চিবিয়ে খেতে হয়। এ ছাড়া কৃমিনাশক ও জ্বরনাশক হিসেবে কাজ করে। ফলের নির্যাস ধনুস্টংকার, প্যারালাইসিস, যকৃত ও প্লীহাজনিত রোগের উপকার করে। সজিনার পাতা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। জ্বর ও সর্দি সারাতে সজিনাপাতার কার্যকারিতা বেশ। নিয়মিত পাতার রস  খেলে শ্বাসকষ্ট দূর হয়। পাতা বেটে টিউমার এবং ফোড়ায় ব্যবহার করলে উপকার হয়। দাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়ায় কিংবা রক্ত দেখা দিলে পরিমাণমতো পানি দিয়ে সজিনা পাতা গরম করে নিয়মিত দু’তিনবার কুলকুচা করতে হবে। এভাবে ৭-৮ দিন ব্যবহার করলে প্রতিকার পাওয়া যায়। ৮-১০ ফোঁটা পাতার রস, সেই সঙ্গে এক কাপ পরিমাণ দুধ মিশিয়ে খেলে হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়ে যাবে। পাকা পাতার ২-৩ চামচ রস খাবারের আগে খেলে উচ্চরক্তচাপ কমে যায়। তবে ডায়াবেটিস রোগীকে এ রস খাওয়ানো যাবে না। কুকুরে কামড়ালে সজিনা পাতা পিষে এর সঙ্গে পরিমাণমতো হলুদ, রসুন, গোলমরিচ ও লবণ মিশিয়ে খেলে বিষ নষ্ট হয়ে যায়। সাপেকাটা রোগীর জন্য এর মূল ও বীজ ব্যবহার হয়। কানসহ শরীরের কোনো স্থানে ব্যথা হলে কিংবা ফুলে গেলে সজিনার শিকড় বেটে রস বের করে প্রলেপ দিলে উপকার পাওয়া যায়। কুষ্ঠ  রোগ হলে বীজের তেল বা বীজ বেটে প্রলেপ দিলে ভালো কাজ করে। বাতে আক্রান্ত করলে প্রতিদিন ৪-৫ চা চামচ গাছের ছালের রস খেলে আরাম অনুভব হবে। হাঁপানির জন্য ফুলের রস বেশ উপকারী। এ ছাড়া দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে কিডনির পাথর নির্মূল করে। ফুল ও ডাটা পক্স প্রতিরোধক। মূলের ছাল বেটে প্রলেপ দিলে দাদ (দাউদ) রোগ ভালো হয়। কপালে আঠা মালিশ করলে কিংবা দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে মাথাব্যথা দূর হয়। খুসকি দূর করতে পাতার রস মাথায় ভালোভাবে ঘষতে হবে। সজিনার ফল, বিচি, পাতা, ফুল, গাছের বাকল, মূল এবং আঠা প্রতিটি মহামূল্যবান। এসব ব্যবহারে দেহে পুষ্টির অভাব পূরণ হয়। পাশাপাশি শরীরকে রাখে নীরোগ। তাই আসুন, বসতবাড়ির পতিত জায়গায় সজিনা গাছ রোপণ করি। নিজে সুস্থ থাকি। অপরকেও রাখি তরতাজা।

ভক্তদের মাথা ঘুরিয়ে দিলেন সৌন্দর্য শর্মা

বিনোদন বাজার ॥ অভিনেত্রী সৌন্দর্যা শর্মা নিজের বিউবিচিং ফটোশুট নিয়ে ইন্টারনেটে নতুন তরঙ্গ তুলছেন। গ্ল্যামারাস সৌন্দর্য তার সাহসী দিকটি দেখানো থেকে কখনই পিছপা হন না। দিল্লীতে জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠা, সৌন্দর্য তার মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্ব দিয়ে ভক্তদের উত্যক্ত করে চলেছেন।

ডেন্টাল ছাত্রী হওয়ার কারণে সৌন্দর্য নিশ্চয়ই অনেক দূর এগিয়ে এসেছেন। তিনি অডিশনের জন্য স্বপ্নের শহরে এসেছিলেন। পরে অ্যাক্ট এক থিয়েটার গ্রুপ এবং ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন। অনুপম খের প্রযোজনায় নির্মিত ‘রাঁচি ডায়েরি’ সিনেমায় মূল চরিত্রে অভিনয় করার পরে সৌন্দর্য শর্মা খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

জি সিনেমা অ্যাওয়ার্ডস এবং স্টার স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস দ্বারা অভিনেত্রী ‘সেরা মহিলা আত্মপ্রকাশের’ জন্য মনোনীত হন। এমনকি ঝাড়খ- আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘সেরা অভিষেক’ অর্জন করেছিলেন তিনি। তরুণ ডিভা সৌন্দর্য শর্মা টাইমস মিউজিকের ‘গার্মি মে চিল’ শিরোনামের একচেটিয়া প্রকাশের অংশও ছিলেন।

২০১২ সালে সোনার্য শিরোনামে পরিণত হন যখন তিনি ‘বছরের মুখ’ হিসাবে সম্মানজনক দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেয়েছিলেন। একটি সাক্ষাৎকারে  সৌন্দর্য শর্মা বলেছিলেন, আমি একটি ফিল্ম করার পরে অনুভব করি, যা কোনো বড় প্রযোজনা ঘর বা ব্লকবাস্টার হিট নয়, তারকা হয়ে উঠতে কয়েক বছর সময় লাগে।

জুনে বাংলাদেশে আসছে অস্ট্রেলিয়া

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ আইসিসির ফিউচার ট্যুর প¬্যান অনুযায়ী চলতি বছরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে এমনিতেই আসার কথা ছিলো অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের। তবে সে সিরিজ কবে হবে কিংবা আদৌ হবে কি না, বিশেষ করে বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে অসিরা এ সফরে রাজি হবে কি না- সে ব্যাপারে সংশয়, সন্দেহ ছিলো যথেষ্ঠই। সেসব দূর করে গতকাল বুধবার অবশেষে অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক সূচি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগামী জুনের শুরুতে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে আসবে অসিরা। তবে এ দুই ম্যাচের জন্য প্রায় পুরো মাসই বাংলাদেশে অবস্থান করবেন স্টিভেন স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নাররা। বিসিবির দেয়া সূচি অনুযায়ী জুনের প্রথম সপ্তাহেই বাংলাদেশ পা রাখবে অসি ক্রিকেটাররা। পরে মূল সিরিজ শুরুর আগে একটি চারদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে তারা। সে ম্যাচের সূচি বা ভেন্যু এখনও চূড়ান্ত করেনি বিসিবি। তবে এ ম্যাচটি মাঠে গড়ালে, প্রথমবারের তো কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশ বাংলাদেশে চারদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার নজির গড়বে। এরপর আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হবে প্রথম টেস্ট ম্যাচ। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে হবে ম্যাচটি। পরে ১৬ জুন রাজধানী ঢাকায় ফিরবে দুই দল। তিনদিনের বিরতির পর আগামী ১৯ জুন মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাঠে গড়াবে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টটি। উলে¬খ্য, এ সিরিজটি আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ অসিদের বিপক্ষে একটি টেস্ট জিতলেও ৬০ পয়েন্ট পেয়ে যাবে বাংলাদেশ। আর ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতলে ঝুলিতে জমা পড়বে পুরো ১২০ পয়েন্ট। সবশেষ ২০১৭ সালে বাংলাদেশে এসেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেবার ১-১ ব্যবধানে ড্র হয়েছিল টেস্ট সিরিজ। অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সফরের সূচি। চারদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ : জুনের প্রথম সপ্তাহ (তারিখ জানানো হবে)। প্রথম টেস্ট ম্যাচ : ১১-১৫ জুন, জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম। দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ : ১৯-২৩ জুন, শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ঢাকা। এদিকে একইসঙ্গে বাংলাদেশের আয়ারল্যান্ড-ইংল্যান্ড সফরের সূচিও প্রকাশ করেছে বিসিবি। আগামী ৮ মে তিন ওয়ানডে ও চার টি-টোয়েন্টি খেলতে দেশ ছাড়বে টাইগাররা। প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড হলেও, এ সফরের টি- টোয়েন্টি সিরিজের আয়োজক ইংল্যান্ড। প্রায় তিন সপ্তাহের সফর শেষে ৩০ মে দেশে ফিরবে বাংলাদেশ।

করোনাভাইরাস | সেলফিতেও মানা ইংলিশ ক্রিকেটারদের

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বেশ সতর্ক অবস্থানে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। ক্রিকেটারদের করমর্দন এড়ানোসহ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত তারা নিয়েছে আগেই। এবার যোগ হলো আরও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ। শ্রীলঙ্কা সফরে ভক্তদের সঙ্গে সেলফি তোলা ও অটোগ্রাফ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে ইংলিশ ক্রিকেটারদের। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিনই। সুরক্ষার সম্ভাব্য সবরকম উপায়ই তাই বেছে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। দলের ক্রিকেটার ও স্টাফদের অপ্রয়োজনীয় জনসম্পৃক্ততা এড়িয়ে চলতে বলেছে ইংল্যান্ডের বোর্ড। সমর্থকদেরও তারা অনুরোধ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুসরণ করতে। সমর্থকদের জন্য এটি হতাশার হলেও তারা বাস্তবতা অনুধাবন করবেন বলে আশা ইসিবির। শ্রীলঙ্কা সফরে আসার আগেই ইংলিশ অধিনায়ক জো রুট জানান, এই সফরে তারা হাত মেলাবেন না। এর পরিবর্তে তারা করবেন ‘ফিস্ট বাম্পস’ (হাত মুষ্টিবদ্ধ করে অন্যের মুষ্টিবদ্ধ হাতে আলতো টোকা)। ‘পরিকল্পনা অনুযায়ী সফর চলবে বলে আশাবাদী’ রুট আরও জানান, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে দল এবং ‘কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী’ তারা চলবেন। আগামী ১৯ মার্চ গলে শুরু হবে দুই টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ। দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে ২৭ মার্চ, কলম্বোতে।

আর্জেন্টিনা দলে মাক আলিস্তের, নেই দি মারিয়া-ইকার্দি

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ একুয়েডর ও বলিভিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের আর্জেন্টিনা দলে ডাক পেয়েছেন ফরোয়ার্ড আলেক্সিস মাক আলিস্তের। তবে এবারও লিওনেল স্কালোনির দলে জায়গা হয়নি পিএসজির দুই তারকা ফুটবলার আনহেল দি মারিয়া ও মাউরো ইকার্দির।

আক্রমণভাগের ত্রয়ী লিওনেল মেসি, সের্হিও আগুয়েরো ও পাওলো দিবালা অনুমিতভাবেই আছেন মঙ্গলবার ঘোষিত ২৩ সদস্যের দলে। ইংলিশ ক্লাব ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়নের হয়ে খেলা আলিস্তের গত বছর জাতীয় দলের জার্সিতে খেলেছেন দুই ম্যাচ। তবে চিলি ও মেক্সিকোর বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচে ভালো করতে না পারায় দল থেকে বাদ পড়েন। ২১ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড ফিরলেন আবার। আগামী ২৬ মার্চ নিজেদের মাঠে লা বোম্বোনেরায় একুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরু করবে আর্জেন্টিনা। এরপর ৩১ মার্চ বলিভিয়ার মাঠে খেলবে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ইউরোপে খেলা ফুটবলারদের নাম আপাতত ঘোষণা করেছেন স্কালোনি। পরে লাতিন আমেরিকায় খেলা ফুটবলারদের নিয়ে পূর্ণ করবেন দল। কোপা আমেরিকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে লাল কার্ড পাওয়ায় একুয়েডরের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে খেলা হবে না মেসির। আর্জেন্টিনা দল: গোলরক্ষক: হুয়ান মুসো (উদিনেজে)। ডিফেন্ডার: নেহুয়েন পেরেস (ফামালিকাও), রেনসো সারাভিয়া (ইন্তারনাসিওনাল), নিকোলাস ওতামেন্দি (ম্যানচেস্টার সিটি), হের্মান পেস্সেইয়া (ফিওরেন্তিনা), নিকোলাস তাগলিয়াফিকো (আয়াক্স), লিওনার্দো বেলার্দি (বরুসিয়া ডর্টমুন্ড), মিডফিল্ডার: লেয়ান্দ্রো পারেদেস (পিএসজি), গিদো রদ্রিগেস (রিয়াল বেতিস), জিওভানি লো সেলসো (টটেনহ্যাম হটস্পার), নিকোলাস দোমিনগেস (বোলোনিয়া), রদ্রিগো দে পল (উদিনেজে), মার্কোস আকুনা (স্পোর্তিং লিসবন), রবের্তো পেরেইরা (ওয়াটফোর্ড), এসেকিয়েল পালাসিও (বায়ার লেভারকুজেন)। ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি (বার্সেলোনা, সের্হিও আগুয়েরো (ম্যানচেস্টার সিটি), নিকোলাস গনসালেস (স্টুর্টগার্ট) লুকাস আলারিও (বায়ার লেভারকুজেন), লাউতারো মার্তিনেস (ইন্টার মিলান), পাওলো দিবালা (ইউভেন্তুস), লুকাস ওকামপোস (সেভিয়া), আলেক্সিস মাক আলিস্তের (ব্রাইটন)।

আর্সেনালের খেলোয়াড় কোয়ারেন্টাইনে, স্থগিত প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ আর্সেনালের এক খেলোয়াড় ও চার কোচিং স্টাফ কোয়ারান্টাইনে যাওয়ায় বুধবার করোনা ভাইরাসের কারণে প্রথমবারের মতো বাতিল হয়েছে প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের ম্যাচ। ম্যাচটিতে গানার্সদের প্রতিপক্ষ ছিল ম্যানচেস্টার সিটি। আর্সেনাল জানায়, গ্রীক ক্লাব অলিম্পিয়াকোসের মালিকের সংস্পর্শে গিয়ে ওই খেলোয়াড় ও চার স্টাফ নিজ গৃহেই আইসোলেটেড হয়েছেন। পরীক্ষায় তাদের দেহে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আর্সেনাল জানায়, আমরা সরকারের নির্দেশনা শতভাগ অনুসরণ করছি। যেখানে বলা হয়েছে, কেউ যদি ভাইরাস আক্রান্ত কারো সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবে সংস্পর্শে আসে, তাহলে এরপর কমপক্ষে ১৪ দিনের জন্য তাকে নিজ উদ্যোগে বাসায় আইসোলেশনে থাকতে হবে। যে কারণে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে খেলার জন্য বুধবার সব খেলোয়াড়কে পাওয়া যায়নি। এতে ম্যাচটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় বিভিন্ন দেশে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাধুলা বন্ধ হলেও এর প্রভাবে এই প্রথম প্রিমিয়ার লিগের খেলা স্থগিতের ঘটনা ঘটল। ফেব্র“য়ারির শেষ দিকে ইউরোপা লিগের ম্যাচে অলিম্পিয়াকোসকে হারায় আর্সেনাল। এদিকে অলিম্পিয়াকোস ও নটিংহ্যাম ফরেস্টের মালিক ভাঞ্জেলিস ম্যারিনাকিসের দেহে মঙ্গলবার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। তবে এমিরেটসে ম্যাচ শেষে ম্যারিনাকিসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা খেলোয়াড় ও স্টাফরা শুক্রবার থেকে মাঠে ফিরে আসবে বলে জানিয়েছে আর্সেনাল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘এদের দেহে খুবই সামান্য মাত্রায় কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ধরা পড়েছে। ডাক্তারদের পরামর্শেই আমরা তাদের বিষয়ে কোন ঝুঁকি নিতে চাইনি।’

পহেলা বৈশাখে আসছে শাকিব-বুবলীর ‘বিদ্রোহী’

বিনোদন বাজার ॥ আসছে পহেলা বৈশাখে মুক্তি পেতে পারে শাকিব অভিনীত সিনেমা ‘বিদ্রোহী’। এটি ‘একটু প্রেম দরকার’ নামে নির্মাণ করা হয়। এরপর এই নাম পরিবর্তন করা হয়। শাহীন সুমন পরিচালিত ‘বিদ্রোহী’ তে শাকিব খানের সঙ্গে অভিনয় করেছেন শবনম বুবলী ও নবাগত মৃদুলা।

জানা যায়, ইতোমধ্যে এর শুটিং, ডাবিং এবং এডিটিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। গত ৫ মার্চ সেন্সরেও জমা দেয়া হয়েছে সিনেমাটি। চলতি সপ্তাহেই ছবিটি সেন্সরে প্রদর্শিত হবে। ছাড়পত্র পেলেই পহেলা বৈশাখে প্রেক্ষাগৃহে যাবে ‘বিদ্রোহী’।

এ প্রসঙ্গে শাপলা মিডিয়ার চেয়ারম্যান সেলিম খান বলেন, ‘পরিকল্পনা আছে। তবে চূড়ান্ত নয়। ‘শাহেনশাহ’ মুক্তি পেল মাত্র। আপাতত এই ছবিটি নিয়েই সব চিন্তা। ‘বিদ্রোহী’ নিয়ে আগামী ১৭ মার্চ সংবাদ সম্মেলন করা হবে। সেখানে জানাবো ছবিটি কবে মুক্তি পাবে।’

উল্লেখ্য, গত ৬ মার্চ মুক্তি পেয়েছিল শাকিব খান অভিনীত ‘শাহেনশাহ’। আর ‘বিদ্রোহী’ সিনেমায় শাকিব-বুবলী ও মৃদুলা ছাড়াও অভিনয় করেছেন সাদেক বাচ্চু, মিশা সওদাগর, অমিত হাসান, শিবা সানু, ডন, সাবেরী আলম প্রমুখ।

বিয়ের কিছুদিন পরই মনে হয়েছে, ভুল করেছি : শাবনূর

বিনোদন বাজার ॥ শাবনূরের তালাকনামা পাঠানোর ১৫ মাস আগে আয়েশা আকতার নামে এক নারীকে বিয়ে করেন অনিক মাহমুদ। গণমাধ্যমকে এমন তথ্য দিয়ে ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী বলেন, আমি আসলে এসব নিয়ে কথা বলতে চাইনি। অনিক আমাকে বাধ্য করেছে।

তিনি বলেন, আমি অনেক ভেবেচিন্তে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। ভাবছিলাম, বিষয়টা চুপচাপ শেষ হয়ে যাক, কিন্তু অনিকের কথাবার্তা একেবারে অগ্রহণযোগ্য। উল্টাপাল্টা কথা বলে দেশের মানুষ ও ভক্তদের কাছে আমার ইমেজ নষ্ট করতে চাইছিল, এমনটা তো হতে দিতে পারি না।

এমনকি তাকে নিয়ে কথা বলে বিভ্রান্তি ছড়াতে চাইলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও হুশিয়ারি করেন এই চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

তবে এর আগে শাবনূর ছাড়া কাউকে বিয়ে করেননি বলে জানিয়েছিলেন অনিক মাহমুদ। শারমীন নাহিদ নূপুর ওরফে শাবনূর জানান, তিনি বিয়ে করে ভুল করেছেন। পরিবারের সবাই বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন, তাই তিনি বিয়ে করেছেন।

শাবনূর বললেন, আমারও বিয়ে করার ঝোঁক তৈরি হয়। এরপর বিয়ে করেছি। বিয়ের কিছুদিন পরই মনে হয়েছে, বিয়ে করে ভুল করেছি।

অনিকের ব্যাপারে যেসব তথ্য গণমাধ্যমে শাবনূর পাঠান তাতে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে পাসপোর্টে দেয়া তথ্য যাছাই করে দেখা গেছে, আয়েশা আকতার নামের একজন অনিক মাহমুদের স্ত্রী।

অবশেষে ভেঙেই গেল এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূরের সংসার। গত কয়েক বছর ধরেই অবশ্য গুঞ্জন ছিল, স্বামী অনিকের সঙ্গে থাকছেন না তিনি। অনেকে বলেছেন, সংসার ভেঙে গেছে। তবে সেসব গুঞ্জন বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন এ নায়িকা।

এবার সেসব গুঞ্জন নিজেই সত্যি প্রমাণ করলেন শাবনূর। বনিবনা না হওয়ায় স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয়কে তালাক দিয়েছেন তিনি।

২৬ জানুয়ারি এ নায়িকার স্বাক্ষর করা একটি তালাক নোটিশ অ্যাডভোকেট কাওসার আহমেদের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে স্বামীর ঠিকানায়। তালাক নোটিশের অনুলিপি অনিকের এলাকার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান এবং কাজী অফিস বরাবরও পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে সাক্ষী হিসেবে নুরুল ইসলাম ও শামীম আহম্মদ নামে দুজনের নাম উল্লেখ রয়েছে।

নব্বই দশকের শুরুতে পরিচালক ইহতেশামের হাত ধরে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে শাবনূরের। এর পর সালমান শাহর সঙ্গে জুটি গড়ে তুমুল আলোচনার জন্ম দেন। গত ২৬ বছর ধরেই নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছেন শাবনূর।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিক মাহমুদ হৃদয় নামের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে আংটি বদল করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর। এরপর ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর তারা বিয়ে করেন।

সেই সংসারে ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। এ সন্তানকে নিয়ে বছরের বেশিরভাগ সময় অস্ট্রেলিয়ায় কাটান এ চিত্রনায়িকা। দেশটির নাগরিকত্বও পেয়েছেন বলে তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন।