মিরপুরে উপজেলা জাসদের পক্ষ থেকে আহাম্মদ আলীকে ফুলেল গণসংবর্ধনা

মিরপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুরে জেলা জাসদের সহ-সভাপতি ও মিরপুর উপজেলা জাসদের সাধারন সম্পাদক আহাম্মদ আলীকে কেন্দ্রীয় জাসদের সদ্য কমিটিতে নির্বাহী সদস্য করায় উপজেলা জাসদের নেতৃবৃন্দ ফুলেল গণসংবর্ধান প্রদান করেছেন। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা জাসদ কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ ফুলেল গণসংবর্ধনা প্রদান করা হয়। উপজেলা জাসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাম্মদ শরীফের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, জেলা জাসদের সহ সভাপতি, মিরপুর উপজেলা জাসদের সাধারন সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় জাসদের নির্বাহী সদস্য আহাম্মদ আলী। উপজেলা জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব উদ্দিনের সঞ্চালনে বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য দেন, জেলা জাসদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কারশেদ আলম, উপজেলা জাসদের সহ-সভাপতি আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মিলন, সহ-সভাপতি ও মালিদাহ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বদর উদ্দিন বুদু, আমলা ইউনিয়ন জাসদের সভাপতি আজাম্মেল হক, বারুইপাড়া ইউনিয়ন জাসদের সাধারন সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, বহলবাড়ীয়া ইউনিয়ন জাসদের সভাপতি সাইদুর রহমান মন্টু, ছাতিয়ান ইউনিয়ন জাসদের অন্যতম নেতা আব্দুল জলিল, কুর্শা ইউনিয়ন জাসদের সভাপতি জামিরুল ইসলাম, ধুবইল ইউনিয়ন জাসদের অন্যতম নেতা জালাল উদ্দিন মেম্বর, ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন জাসদের সভাপতি আব্দুল শুকুর, পৌর জাসদের সাধারন সম্পাদক সালাউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর নাসির উদ্দিন টোকন, পৌর কাউন্সিলর আতিয়ার রহমান, ছাতিয়ান ইউনিয়ন জাসদের সাংগঠনিক সম্পাদক মিরুল হোসেন, জাতীয় যুবজোট উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি রেজাউল হক তুফান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মীর মুক্তিছুর রহমান মির্জা। এসময় অন্যান্য’র মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাগরখালী কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব রবিউর ইসলাম, হাজী নুরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম, বুরাপাড়া-মিটন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল বারেক, আশাননগর আনঝুচর মাদরাসার সুপার মাওলানা নুরুল ইসলাম সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ, জাতীয় নারী জোট, জাতীয় যুবজোট, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও জাসদের মিরপুর উপজেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে আহাম্মদ আলীর গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে প্রাণাবন্ত করে তোলেন। আহাম্মদ আলী তার বক্তব্যে বলেছেন, তার ওপর অর্পিত যে দায়িত্ব সুচারু, দক্ষতা ও সততার সাথে পালন করতে পারেন, সেজন্য উপজেলাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

 

কুষ্টিয়া জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন; কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

কুষ্টিয়া জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির ২০২০-২০২২ ইং সালের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন কার্যক্রম ও গত ০১-০৩-২০২০ ইং তারিখে নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হওয়ায় কয়েকজন চিহ্নিত জামাত-শিবির ব্যতিত আয়কর আইনজীবী ও সুধিজন অত্যন্ত সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অন্য কোন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধীতা না করায় ১১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটিকে নির্বাচন তফসীল অনুযায়ী নিম্নলিখিত সদস্যবৃন্দদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় স্ব স্ব পদে নির্বাচিত ঘোষনা করেন নির্বাচন কমিশনার আয়কর আইনজীবী জনাব আব্দুর রাজ্জাক বাদশাহ্। উক্ত কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এ্যাডঃ আহমেদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক বার বার নির্বাচিত এম. মাহফুজ হোসেন (মুকুল), সহ সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম, মোঃ রেজাউল হক ও এ্যাডঃ কাজী সাইফুদ্দিন বাপী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন আলমগীর, কোষাধ্যক্ষ মোঃ আতাউল হক (শাহীন), দপ্তর সম্পাদক, এ্যাডঃ মোঃ ইমরান হোসেন (দোলন), নির্বাহী সদস্য  মোঃ আবু জাফর, আলী আকবর (তপন) ও মোঃ রাশিদুল হক। উক্ত কমিটিকে তাৎক্ষনিকভাবে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ঝিনাইদহ জেলা আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডঃ খন্দকার মাহবুবুল আলম। এছাড়াও এই নতুন কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের সুযোগ্য চেয়ারম্যান ও কুষ্টিয়া জেলা যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক এম. শম্পা মাহমুদসহ আরো অনেকে। উক্ত কমিটি কর বান্ধব পরিবেশের মধ্যদিয়ে জাতীয় রাজস্ব আদায়ে ভূমিকা রাখার  ক্ষেত্রে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

গাংনীতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রবাসি স্বামীর অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামে স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রবাসি স্বামীর অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেয়ার পর স্বামীকে ডিভোজ (তালাক) দিয়েছেন স্ত্রী শাহানাজ খাতুন। শাহানাজ হলেন আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসি খোকন আলীর স্ত্রী ও একই গ্রামের রবিউল ইসলামের মেয়ে। খোকন আলীর বড় ভাই একই গ্রামের আব্দুল বারীর ছেলে আব্দুল হালিম লিখিত অভিযোগে জানান, আমার ৪নং ভাই খোকন ২০১৫ ইং সালে আনুষ্ঠানিকভাবে একই গ্রামের রবিউল ইসলামের মেয়ে শাহানাজ খাতুনের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করে। বিয়ের ৫ মাস পূর্বে খোকন কর্মের তাগিদে বিদেশ চলে যায় ও ছুটিতে কয়েক বার বাড়িতে এসেছিল। খোকন বিদেশ থেকে সাংসারিক ও স্ত্রী শাহানাজ খাতুনের লেখা-পড়ার টাকা পাঠায়। পাশাপাশি খোকন স্ত্রীকে সুখে-শান্তিতে রাখার জন্য স্ত্রীর শয়নকক্ষ টাইলস করেন। এছাড়াও স্ত্রীকে এপর্যন্ত ৬-৭ ভরি স্বর্ণের গহনা, শাহানাজের বাবার পাকাঘর তৈরী ও মাঠে জমি কেনার জন্য নগদ ১০ লাখ টাকা দিয়েছে। আব্দুল হালিম আরো জানান, খোকন যখন শাহানাজকে বিয়ে করে তখন শাহানাজ অষ্টম শ্রেণীতে পড়া-শোনা করতো। সে থেকে এ পর্যন্ত অর্থাৎ দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পড়া-শোনার খরচ করে আসছে স্বামী খোকন। এতো ভালোবাসার পরও খোকন বিদেশ থাকার সুযোগে রাতেই আঁধারে বাড়ির জিনিসপত্র ও অর্থ-সম্পদ নিয়ে শাহানাজ বাবার বাড়ি চলে যায়। সে সম্প্রতি বাবার বাড়িতে চলে যাওয়ার পর স্বামী খোকনকে ডিভোজ দেয়। অর্থ-সম্পদ ও বাড়ির আসবাবপত্র নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কাছে একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে। তার এ কর্মকান্ডের সুষ্ঠ বিচারের দাবি জানাচ্ছি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের কাছে।  এ ঘটনাটি মিমাংসার বিষয়ে গাংনী থানায় কয়েক বার বসা হলেও তার সুরাহ হয়নি। এদিকে অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেয়ার বিষয়ে শাহানাজ খাতুনের বাবার পরিবারের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে, শাহানাজের মা বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন এটা সাজানো নাটক। আমার মেয়েকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন জ্বালা-যন্ত্রণা দেয়। একারণে সে স্বামীকে ডিভোজ দিয়েছে।

দীর্ঘ দিন পরে ঝিনাইদহের নবগঙ্গা নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ঝিনাইদহ শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নবগঙ্গা নদী তীরের অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শহরের চাকলাপাড়ায় এ উচ্ছেদ অভিযানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ। এসময় অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সেলিম রেজাসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে সকালে মহিষাকুন্ডু ব্রীজ এলাকা থেকে এ অভিযান শুরু হয়। এসময় গুড়িয়ে দেওয়া হয় নদী পাড়ের অবৈধ টিন, আধা-পাকা ও দ্বিতল ভবন। এর আগে মহিষাকুন্ডু ব্রীজ এলাকা পবহাটি ব্রিজ পর্যন্ত ৭৩টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে নোটিশ দেয় পান্নি উন্নয়ন বোর্ড। স্বেচ্ছায় স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় আজ উচ্ছেদ অভিযান চলছে। এসময় জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ জানান,  নদীর জরিপ কাজ সম্পন্ন করে সীমানা চিহ্নিতকরণ ও অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রনয়ণ করে তাদের অবৈধ স্থাপনা স্বেচ্ছায় সড়িয়ে নিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। অনেকে স্বেচ্ছায় সড়িয়ে নিয়েছে। যার স্থাপনা সরাননি  সেইগুলো উচ্ছেদ শুরু হয়েছে। উচ্ছেদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান চলবে বলেও জানান তিনি।

কুষ্টিয়ায় তমদ্দুন মজলিশের সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও রাষ্ট্রভাষা দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ায় এক আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের থানাপাড়াস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ জয়নূল আবেদীন। আলোচনায় অংশগ্রহন করেন লেখক আমজাদ হোসেন, এ্যাড. লিয়াকত আলী, অধ্যাপক আহসান হাবিব স্বপন, এ্যাড. হাসান রাজ্জাক রাজু, অধ্যাপক শেহাব উদ্দিন আহমেদ, ইব্রাহিম খলিল, সৈয়দ মাসুদ আলম শেলী, মাহফুজুর রহমান, মহিবুল্লাহ মুহিব। সভায় আগামী ২৫ মার্চ বাদ মাগরিব মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া সংগঠনের সদস্য মোমিরুল ইসলামের মৃত্যুতে রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

পানি-বিদ্যুতের বাড়তি দাম মানুষ মানবে না – ফখরুল

ঢাকা অফিস ॥ বিদ্যুৎ-পানির দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্যথায় গণআন্দোলনের তোড়ে সরকার ভেসে যাবে। পানি-বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি বলেন, “আপনারা দেখেছেন পানির দাম কমপক্ষে দশবার বেড়েছে এবং সেই পানি মুখে দেওয়া যায় না, খাওয়া যায় না। বিদ্যুতের দাম আগে আট বার বেড়েছে। কারণ কী? এই যে কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের নামে তারা যে সমস্ত লুট করেছে, প্রতিদিন লুট করছে তার ভর্তুকি দেওয়ার জন্য জনগণের পকেট কেটে বিদ্যুতের দাম বাড়াচ্ছে। “যখন দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, চালের দাম বাড়ছে, পেঁয়াজের দাম বাড়ছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ছে, লবণের দাম বাড়ছে, কাপড়ের দাম বাড়ছে, বাড়ি ভাড়া বাড়ছে তখন বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে, পানির দাম বাড়িয়ে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত মানুষকে কটা চরম অসহায়ত্বের মধ্যে ফেলে দিয়েছে এই সরকার।” সরকারি দলের জনগণের দুঃখ-দুদর্শা বোঝার ক্ষমতা নেই মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, “তাদের সাধারণ সম্পাদক বলছেন, বিদ্যুতের দাম অতি সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি জনগণকে বলেছেন তারা যেন এটা মেনে নেয়। জনগণ মেনে নেবে না। আপনারা গত ১২ বছর ধরে জনগণের ওপর যে অত্যাচার-নিপীড়ন-নির্যাতন-হত্যার স্টিম রোলার চালাচ্ছেন জনগণ কখনই তা মেনে নেবে না।” সরকারের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, “এরা নতজানু সরকার, পুতুল সরকার। তাদেরকে দিয়ে জনগণের আশা-আকাক্সক্ষা পূরণ হবে না। আমাদের স্বাধীনতার এই মাসে আমরা বলতে চাই, এই স্বাধীনতাকে তারা (সরকার) রক্ষা করতে পারবে না, এই স্বাধীনতাকে তারা বিক্রি করে দিচ্ছে।” তিনি বলেন, “আপনারা দেখবেন আমাদের পররাষ্ট্রনীতিকে, তারা সর্বনাশ করে ফেলেছে। এই যে রোহিঙ্গা সমস্যা আজ পর্যন্ত সরকার এই সমস্যার সমাধান করতে পারে নাই, পৌনে দুই বছর হয়ে গেল। অবশ্য অনেকে বলে রোহিঙ্গা সমস্যা তারা নিজেরাই জিইয়ে রেখেছে। এটা দিয়ে তাদের লাভ হয়। পশ্চিমা বিশ্বের একটা সমর্থন পাওয়া যায়, এইড আসে, সাহায্য আসে, সেটা থেকে কিছু ভাগ-বাটোয়ারাও পাওয়া যায়।” “অন্যদিকে আজকে আমার সীমান্তে মানুষ হত্যা করা হয়, সেই হত্যা বন্ধ করবার জন্য কোনো কার্যকরী ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করেনি। সীমান্ত দিয়ে যে নদীগুলো ভারত থেকে আমাদের দেশে এসেছে সেই নদীগুলোর পানির কোনো ব্যবস্থা আমরা এখন পর্যন্ত পাইনি। তিস্তা নদীর পানির ব্যবস্থা করতে পারেনি। অথচ ফেনী নদীর পানি আমরা দিয়ে দিয়েছি, কানেকটিভি দিয়েছি, পোর্ট ব্যবহার করতে দিয়েছি। সবকিছু দিয়েছি।” এ সময় তিনি খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিও তোলেন। মানববন্ধনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, “এই সরকার বিদ্যুৎ-পানি-গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। তারা হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে, মানি লন্ডারিং করেছে, তারা দুর্নীতির মাধ্যমে দরিদ্র জনগণের ট্যাক্সের টাকা সরিয়ে নিয়েছে। যে প্রজেক্ট করতে ১০০ কোটি টাকা লাগে, মেগা প্রজেক্টের নামে সেই প্রজেক্ট তারা এক হাজার কোটি টাকার বানিয়েছে। বাকী ৯০০ কোটি টাকা কাদের পকেটে যাচ্ছে জনগণ সেটা জানতে চায়।” মানববন্ধনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা এজেডএম জাহিদ হোসেন, হাবিবুর রহমান হাবিব, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, মীর সরফত আলী সপু প্রমুখ বক্তব্য দেন।

শ্রমিকলীগ নেতা পলাশ মিয়ার শাশুড়ীর ইন্তেকাল

কুষ্টিয়া জেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ পলাশ মিয়ার শাশুড়ী ও শান্তির দেশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তাফিজ বিন আজাদ (ডাবলু)’র মাতা বেগম ছালেহা আজাদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। প্রসিদ্ধ হাফিজ প্রিন্টিং প্রেসের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম হাফিজ আবুল কালাম আজাদের সহধর্মিনী বেগম ছালেহা আজাদ ব্রেন স্টোকজনিত কারনে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি ৩  ছেলে ডাবলু, লাভলু, রুনু, ৬ মেয়ে এবং ১৮ জন নাতি-নাতনি সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী ও শুভাকাঙ্খী রেখে গেছেন। কুষ্টিয়া জেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পলাশ মিয়া তার শাশুড়ীর আত্মার শান্তি কামনায় সকলের নিকট  দোয়া কামনা করেছেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশে ২০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে কোকা-কোলা

ঢাকা অফিস ॥ আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ২০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে কোমল পানীয়ের ব্র্যান্ড কোকা-কোলা। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর র‌্যাডিসন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে নতুন এই বিনিয়োগ পরিকল্পনার কথা জানান কোম্পানির চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেমস কুয়েনসি। তিনি জানান, এর আগে গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ১০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে কোম্পানিটি। “বাংলাদেশে এবং বাংলাদেশের জন্য ব্যবসা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিনিয়োগকে আমরা নিজেদের জন্য বড় সুযোগ হিসাবে দেখি। একইসঙ্গে আমরা প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের উন্নতিকেও স্বীকৃতি দিই।” সিইও কুয়েনসির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে ২০১৫ সালে চালু হওয়া উইমেন বিজনেস সেন্টার (ডব্লিউবিসি) কর্মসূচির নানা দিক তুলে ধরেন কোকা-কোলা বাংলাদেশের কর্মকর্তারা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে চলতি বছরের মধ্যে এক লাখ নারীকে অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিতে নিয়ে এসে স্বাবলম্বী করার পরিকল্পনার কথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে একটি মডেল ব্যবহার করছেন তারা। এর আওতায় পাঁচজন নারী এক হয়ে ব্যবসা কেন্দ্র চালু করবেন, যাতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ দেবে কোকা-কোলা। পরবর্তীতে এই পাঁচজন নারী তাদের কর্মকান্ডে সংযুক্ত করবেন এলাকার অন্যদের। কোকা-কোলা বাংলাদেশ বলছে, গত পাঁচ বছরে এই কর্মসূচির মাধ্যমে ২৪০টি নারী ব্যবসা কেন্দ্রে সম্পৃক্ত হয়েছেন ৭০ হাজার নারী। প্রায় পাঁচ দশক ধরে বাংলাদেশে ব্যবসা করছে কোকা-কোলা। বর্তমানে সরাসরি পাঁচ শতাধিক ও পরোক্ষভাবে পাঁচ হাজার লোক যুক্ত আছেন এই কোম্পানিতে। বাংলাদেশের সমন্বিত প্রবৃদ্ধিতে কোকা-কোলা অবদান রাখতে চায় মন্তব্য করে কুয়েনসি বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, সমন্বিত উন্নয়ন ত্বরাণ্বিত করার পাশাপাশি ব্র্যান্ডগুলো ও মানুষের স্বপ্নকে বিকশিত করতে চাই আমরা।” সরবরাহ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত হওয়ার পাশাপাশি দেশীয় অর্থনীতি মিলে চাকরির বাজার কয়েকগুণ বাড়ানোর কাজ কোকা-কোলা করছে বলে মন্তব্য করেন কোম্পানির সিইও। মঙ্গলবার একদিনের সফরে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে এসেছেন কোকা-কোলার সিইও কুয়েনসি।

রোহিঙ্গাদের জন্য এ বছর ৮৭ কোটি ডলার চায় জাতিসংঘ

ঢাকা অফিস ॥ রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় চলতি বছর ৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং সহযোগী এনজিও যে যৌথ কর্মপরিকল্পনা (জেআরপি) ঘোষণা করেছে, সেখানেই উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে এই অর্থ চাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিয়ানমার থেকে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে থাকা প্রায় ৮ লাখ ৫৫ হাজার রোহিঙ্গার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সঙ্কটের কারণে দুদর্শায় পড়া ৪ লাখ ৪৪ হাজার বাংলাদেশির জন্য ব্যয় হবে এই অর্থ । ইউএনএইচসিআরের হাই কমিশনার ফিলিপো গ্র্যান্ডি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের অবস্থান এবং ভবিষ্যতে তাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন- দুই ক্ষেত্রেই তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০২০ সালের এই যৌথ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ। যতদিন না নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন সম্ভব হচ্ছে, ততদিন রোহিঙ্গাদের পাশাপশি বাংলাদেশের সঙ্গে থাকতে বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। যৌথ কর্মপরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ওই ৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারের ৫৫ শতাংশই প্রয়োজন হবে খাদ্য, আশ্রয়, সুপেয় পানি এবং পয়ঃনিষ্কাশনের মত জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে। এছাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, শিক্ষা, আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি ও পরিবেশ সংক্রান্ত কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি স্থানীয় বাংলাদেশিদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বাকি অর্থ প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে পরিকল্পনায়। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএম এর মহাপরিচালক আন্তোনিও ভিতোরিনো বলেন, ২০১৭ সালের আগস্টে এ সঙ্কটের সূচনা থেকেই আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো শরণার্থীদের জীবন রক্ষার জন্য জরুরি সহায়তা দিয়ে আসছে। ২০১৯ সালে ক্যাম্পে থাকা সব রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের কাজ শেষ হয়েছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। গতবছর যৌথ কর্মপরিকল্পনায় ৯২ কোটি ১০ লাখ ডলারের তহবিল চেয়েছিল জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও সহযোগী এনজিও। এর মধ্যে তারা হাতে পেয়েছিল ৬৫ কোটি ডলার, যা প্রত্যাশার ৭০ শতাংশের মত।

বড় পুকুরিয়া থেকে কয়লা লোপাট হয়েছে সাড়ে ৫ লাখ টন – ক্যাব

ঢাকা অফিস ॥ এতদিন দেড় লাখ টনের কথা বলা হলেও বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি (বিসিএমসিএল) থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টন কয়লা লোপাট হয়েছে বলে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) গঠিত তদন্ত কমিশনের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করে ক্যাবের ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অভিযোগ অনুসন্ধান ও গবেষণা কমিশন’র সভাপতি সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, তাদের তদন্তে কয়লা চুরি সংক্রান্ত ২৭টি অসংগতি উঠে এসেছে। “বাংলাদেশের দুর্নীতি ও জাতীয় সম্পদ নষ্ট করার বড় উদাহরণ বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি। এজন্য দোষীদের আমরা শাস্তি চাই। এই চুরির বিচার না করা আরেকটা অন্যায় হবে,” বলেন তিনি। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে কয়লা সরবরাহ না পাওয়ায় বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে কয়লা উধাওয়ের ঘটনাটি আলোচনায় আসে। সরকারের তরফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত এবং দুজনকে বদলি করা হয়। এরপর এ ঘটনায় একটি মামলা হলে তা তদন্ত করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।  এ মামলায় গত বছরের ২১ জুলাই প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন কয়লা চুরির অভিযোগে খনি কোম্পানির সাবেক সাত এমডিসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ১৯৯৪ সালে বিসিএমসিএলে উৎপাদনের শুরু থেকে ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করা হয়েছে জানিয়ে ক্যাবের তদন্ত কমিশনের সদস্য বদরুল ইমাম বলেন, বিসিএমসিএল চীনা কন্সোর্টিয়ামকে চুক্তি অনুসারে ৫ দশমিক ১ শতাংশ ‘ময়েশ্চার’ ধরে ওই সময় পর্যন্ত ১০১ দশমিক ৬৬ লাখ টন কয়লার বিল পরিশোধ করে। কিন্তু তদন্ত কমিশনের হিসাবে ময়েশ্চার ছিল ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। সেই হিসাবে কয়লার পরিমাণ হয় ১০৭ দশমিক ৩১ লাখ টন। বিসিএমসিএল কয়লা ব্যবহার ও বিক্রি করেছে ১০০ দশমিক ২২ লাখ টন। “সেই অনুযায়ী কয়লার ঘাটতি দেখানো হয়েছে এক দশমিক ৪৪ লাখ টন। আমাদের তদন্ত কমিশনের হিসাবে ঘাটতি রয়েছে ৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ, বা আত্মসাৎ করা হয়েছে। পেট্রোবাংলার প্রস্তাব মতে কয়লা সরবরাহে সিস্টেম লস গড়ে ১ দশমিক ৫ শতাংশ। সেই হিসাব ধরে নিলেও ৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ কয়লার ঘাটতি রয়েছে বা আত্মসাৎ করা হয়েছে।” তদন্ত কমিশনের আরেক সদস্য শামসুল আলম বলেন, “দুদকের অভিযোগপত্রে সাতজন এমডিসহ ২৩ জন কর্মকর্তা অভিযুক্ত। তবে আমাদের তদন্ত কমিশনের মতে কেবল ২৩ জনই নন, পরিচালনা বোর্ডের সদস্যবৃন্দ, বিসিএমসিএলের শেয়ার হোল্ডার এবং পেট্রোবাংলাসহ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে কয়লা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে।” জনস্বার্থে বিসিএমসিএলসহ সরকারি মালিকানাধীন সকল কোম্পানির পরিচালনা নীতি ও আইনী কাঠামোর সংস্কার জরুরি বলে মনে করেন তিনি। বিসিএমসিএলের কয়লা চুরির ঘটনায় ২৭টি অসংগতি পাওয়া গেছে বলে তদন্ত কমিশনের সদস্য সুশান্ত কুমার দাস জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “তদন্তে উঠে এসেছে পর্যাপ্ত কয়লা না থাকা সত্বেও এবং নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে খোলা বাজারে কয়লা বিক্রি অব্যাহত রাখা হয়। ফলে কয়লার অভাবে বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়।” এর আগে ৩০০ টন কয়লা আত্মসাতের অভিযোগ দুদকের তদন্তে প্রমাণিত হলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলাটি প্রত্যাহার করা হয় বলে জানান তিনি। লিয়াঁজো অফিসের নামে ঢাকায় অতিরিক্ত জনবল ও গাড়ি ব্যবহার করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, কয়লায় ময়েশ্চার পরিমাপে কারচুপি, একাধিক কমিটি করা হলেও সিস্টেম লস নির্ধারণ পদ্ধতি তৈরি না করা, এখতিয়ারবিহীন সুপারিশের ভিত্তিতে ডিওর মাধ্যমে কয়লা খনি এলাকায় কালোবাজার সৃষ্টি করাসহ অন্যান্য অসংগতি পাওয়া যায় বলে জানান অধ্যাপক সুশান্ত। সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিশনের সদস্য এম এম আকাশ বলেন, “এখানে রক্ষক ভক্ষক হয়েছে, এটাই মূল বিষয়। একদম ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবার দায়িত্ব ছিল এটি সঠিকভাবে দেখা, কিন্তু সেটা এখানে করা হয়নি।” সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তদন্ত কমিশনের ৭৯ পৃষ্ঠার মূল প্রতিবেদন ক্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এরপর ক্যাব সেটি তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে। পাশাপাশি সরকারের কাছে তা উপস্থাপন করা হবে।

কুষ্টিয়ায় অগ্রণী সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেডের বর্ষপূর্তিতে কর্মি সম্মেলন

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ায় অগ্রণী সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড তাদের সপ্তম বর্ষপূর্তি বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টার সময়  কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়াস্থ বজলার মোড়ে অবস্থিত সমিতির কার্যালয়ে এ উপলক্ষে এক কর্মি সম্মেলন, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন এসএম ফিরোজুর রহমান। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির  সভাপতি এসএম খাইরুল ইসলাম। সমিতির আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক আব্দুল আলিমের পরিচালনায়  সভায় বক্তব্য রাখেন, প্রোগ্রাম কর্মকর্তা  সালমা আক্তার, শাখা ব্যবস্থাপক শামিম রেজা, তসলিম হায়দার, তুহিন খান, জিম মাষ্টার আকবর আলী মন্টু প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, কুষ্টিয়ায় অগ্রণী সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড  সঞ্চয়, ঋণদান, পন্য উৎপাদন ও বিপননের ক্ষেত্রে বেশ সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। সমাজের অবহেলিত গরীব দুখিদের  কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে চলেছে সংস্থাটি। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কাজ করে সমাজের উন্নয়নে অংশিদারিত্ব পালন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত কয়েক বছরে ১০০ বেকার যুবককে অটো বাইক, ২০০ দুস্থকে ভ্যানগাড়ী এবং এক হাজার সেলাই মেশিন দিয়ে  নারীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে।

সড়কে কাঁদা-মাটি ফেলে জনদুর্ভোগ করার অভিযোগ

গাংনীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ ইটভাটা মালিককে আড়াই লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সড়কে মাটি ছিটিয়ে অপরিচ্ছন্নতা করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পাঁচ জন ইটভাটা মালিকের কাছ থেকে ২লক্ষ ৭০হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এদের মধ্যে উপজেলার বামন্দী এলাকার ইটভাটা মালিক লিটন আলীর কাছ থেকে ৬০ হাজার, আব্দুল আওয়ালের কাছ থেকে ৫০ হাজার, চঞ্চল হোসেনের কাছ থেকে ৭০ হাজার, গাংনী থানাপাড়া এলাকার স্বপন আলীর কাছ থেকে ৩০ হাজার ও রুহুল আমীনের কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জরিমানা করা হয়। আদালত পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়ানুর রহমান। এসময় গাংনী থানার পুলিশের একটিদল উপস্থিত ছিল। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, ইটভাটার মাটিবাহি ট্রাক্টরের মাধ্যমে মাটি বহন করার   সময় গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সড়কে মাটি ছিটিয়ে অপরিচ্ছন্ন করেছিল। সেই সাথে বৃষ্টির পানি হওয়ায় সড়ক পিচ্ছিল হয়ে মানুষ ও যানবাহন চলাচলে বিঘœ ঘটে এবং পথচারীরা দূর্ঘটনার শিকার হয়। ইটভাটা মালিকরা তাদের অপরাধের কথা স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।

মাজেদ সভাপতি ॥ এম এ নাছের সম্পাদক

আয়কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন

আরিফ মেহমুদ ॥ আয়কর আইনজীবী সমিতির ২০২০-২০২২ মেয়াদের নির্বাচনে আনন্দঘন পরিবেশে ১ মার্চ প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।  নির্বাচনে ১১ পদে ১৩ জন আইনজীবী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তাদের সমর্থকদের সাথে নিয়ে রবিবার মনোনয়নপত্র জমা দিলেও ২মার্চ নির্বাহী সদস্য পদের আব্দুস সালাম ও মাহফুজুর রহমান রানা নামের ২জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। ফলে নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির সম্মানিত সদস্য সিনিয়র আইনজীবী এ্যাড. আলহাজ¦ ফারুক আজম মৃধা গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাচনে অংশ নেয়া ১১ পদের প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত ঘোষনা করেছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিতরা হলেন-সভাপতি পদে এ্যাড.বরকত আলী মাজেদ। সহ-সভাপতি পদে তিনজন এরা হলেন-মাহদী হাসান মুকু, নীল রতন কুন্ডু ও সমরেন্দ্র নাথ সাহা। সাধারন সম্পাদক পদে এম এ নাছের রোটন। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে  গোলাম কিবরিয়া খান (সাগর)। কোষাধ্যাক্ষ পদে আসফ ইকবাল রানা। দপ্তর সম্পাদক পদে জীবন কুমার প্রামানিক। নির্বাহী সদস্য ৩ টি পদে এরা হলেন-আব্দুর রহিম, বিপ্রজিৎ কুমার বিশ^াস ও মনির উদ্দিন। এবারের নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির সম্মানিত সদস্য সিনিয়র আইনজীবী এ্যাড. আলহাজ¦ ফারুক আজম মৃধা জানান, ২ মার্চ সোমবার ছিলো মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন। মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই ও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিনে নির্বাহী সদস্য পদের আব্দুস সালাম ও মাহফুজুর রহমান রানা ২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় উক্ত প্রার্থীদের নির্বাচিত ঘোষনা করা হয়।

ইবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

ইবি প্রতিনিধি ॥ নোয়াখালীতে ছাত্রলীগ কর্মীদের উপর শিবিরের সশস্ত্র হামলা ও খুলনার কয়রা উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের উপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদে পৃথকভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ  নেতা-কর্মীরা। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় দলীয় টেন্ট থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। মিছিলে মিজানুর রহমান লালন, ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত, শিশির ইসলাম বাবু, তৌকির মাহফুজ মাসুদসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে একই প্রতিবাদে দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের পাদদেশে মানববন্ধন করে শাখা ছাত্রলীগের অন্য অংশের নেতা-কর্মীরা। এসময় তন্ময় শাহা টনি, সুমন আলী, বনী আমিন, মাহফুজ, সিরাজ, সাব্বিরসহ অন্যান্য কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 ভারতে মুসলমানদের ওপর সহিংসতার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় ওলামা পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশে বক্তারা

মোদি মানবতা ও ইসলামের দুশমন, তাকে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখতে দেয়া হবে না

নিজ সংবাদ ॥ ভারতের রাজধানী দিল্লিসহ বিভিন্ন স্থানে মুসলমানদের ওপর চালানো সহিংসতা, মসজিদে অগ্নিসংযোগ, মুসলমানদের বাড়ি-ঘরে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ ও বিশেষ মোনাজাত করেছে বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলা ওলামা পরিষদ। মঙ্গলবার বাদ আছর বড় বাজার মসজিদ চত্বর থেকে মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে পাঁচরাস্তা মোড় শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এতে আলেম ওলামাসহ সর্বস্তরের হাজার হাজার তৌহিদী জনতা অংশগ্রহণ করে। বৃহত্তর কুষ্টিয়া ওলামা পরিষদের সভাপতি মুফতি আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ওলামা পরিষদ নেতা মাওলানা আব্দুল খালেক, মাওলানা আব্দুল লতিফ, মাওলানা আব্দুল মতিন, মাওলানা মমিনুল ইসলাম,মাওলানা ইলিয়াস শাহ, মাওলানা আব্দুল হাকিমসহ জেলার ওলামায়ে কেরামবৃন্দ। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতের দিল্লিতে সম্পূর্ন অন্যায়ভাবে মুসলমানদের ওপর হামলা করা হচ্ছে, মসজিদে আগুন দেয়া হচ্ছে, বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে, মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে। এই নির্যাতন বিশ্বের  কোনো মুসলমান সহ্য করবে না। বক্তারা বলেন, ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদি গোষ্ঠি সে দেশের সাম্প্রদায়িক সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় মুসলমানদের উপর জুলুম নির্যাতনের যে নীল নকশা তৈরি করেছে। বক্তারা আরো বলেন, ভারতের মুসলমানদের অবস্থা এখন খুবই নাজুক, বিভিন্ন এলাকার মসজিদের মিনারে উঠে মাইক ভেঙে ফেলা হচ্ছে, হনুমানের ছবি বসিয়ে দেয়া হচ্ছে। চোখে অ্যাসিড দিয়ে মুসলমানদের পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। বক্তারা বলেন, মোদি মানবতা, ইসলাম ও বাংলাদেশের দুশমন। সারা দেশের মানুষ মোদিকে বাংলাদেশে আসতে দিতে চায় না। নির্যাতনকারী মোদিকে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখতে দেয়া হবে না। যেকোনো মূল্যে মোদিকে প্রতিহত করা হবে। জনগণ দলমত নির্বিশেষে মোদির আগমন প্রতিহত করবে। সমাবেশ থেকে মোদীকে বাংলাদেশের প্রবেশের অনুমতি না দেয়ার ন্য সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয়।

মিরপুরে বন্ধ রেলওয়ে ষ্টেশন পুনঃচালু আন্দোলনের বর্ষপুর্তি

আমলা অফিস ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুরে বন্ধ ঘোষিত রেলওয়ে ষ্টেশন চালুকরণ ও আন্তনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতি দাবী আদায়ের প্রতিশ্র“তি বাস্তবায়ন না হওয়ার বর্ষপুর্তি পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সম্মিলিত নাগরিক সমাজের উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার সকালে রেলওয়ে ষ্টেশনে মুখে কালো কাপড় বেধে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। উপজেলা সম্মিলিত নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক আফতাব উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব নজরুল করিমের পরিচালনায় এ সময়ে উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জোয়ার্দ্দার, জেলা পরিষদের সদস্য সম্মিলিত নাগরিক সমাজের যুগ্ম-সচিব আলহাজ্ব মহাম্মদ আলী জোয়ার্দ্দার, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রিমন, আলো সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ফিরোজ আহাম্মেদ, সম্মিলিত নাগরিক সমাজের প্রচার সম্পাদক হুমায়ূন কবির হিমু, অর্থ-সম্পাদক আছাদুর রহমান বাবু, মিরপুর মাহমুদা চৌধুরী কলেজের সহকারী অধ্যাপক শাহ আক্তার মামুন, সহকারী অধ্যাপক আতিয়ার রহমান, সহকারী অধ্যাপক ফারুক হোসেন, প্রভাষক আবু বক্কর সিদ্দিক, প্রভাষক আজমত আলী, লাইব্রেরিয়ান মজিদ জোয়ার্দ্দার, প্রদর্শক জিয়াউর রহমান, ক্রীড়া শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, কুরিপোল আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম মহাদ্দেস, সহকারী শিক্ষক কাদের মঞ্জুর জিলানী সুজা, প্রকৌশলী কামরুল আরেফিন, মিষ্টি মৌ খামারের স্বত্তাধিকারী মামুন-অর-রশিদ, উপজেলা শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম হীরা, পৌর যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক হীরক জোয়ার্দ্দার, সাংবাদিক আলম মন্ডল, সুমন মাহমুদ, দলিল লেখক সোহেল রানা মিলন, রফিকুল ইসলাম, উপজেলা যুবজোটের দপ্তর সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, ফজলে খোদা মুন, আইনাল হক, রাজু আহাম্মেদ, বানারুল ইসলাম, টুটুল, আব্দুল মজিদ, রাসেল আহমেদ, মতিয়ার রহমান, খাইরুল ইসলাম, রিমন, মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, আবুল কাশেম প্রমুখ উপস্থিত। উল্লেখ্য গত বছর এ দিনে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের অংশ গ্রহণে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। ওই দিন জেলা প্রশাসক রেলমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন- ৭ দিনের মধ্যে রেলমন্ত্রী সরজমিনে এসে আপাদের সাথে সাক্ষাত করে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশ্বস্ত করলে আন্দোলন শিথিল হয়। ঘটনার এক বছর অতিবাহিত হলেও মন্ত্রীর সাক্ষাত তো দূরের কথা দাবী বাস্তবায়নে কোন অগ্রগতি না হওয়ায় উপজেলাবাসী মুখে কালো কাপড় বেধে মানববন্ধন করেন।

 

এনার্জি ও আইসিটি খাতে উরুগুয়ের বিনিয়োগ আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ঢাকা অফিস ॥ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এনার্জি, আইসিটি এবং অবকাঠামোসহ বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করতে উরুগুয়ের বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরে উরুগুয়ের মন্টিভিডিওর প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে উরুগুয়ের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠককালে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় সুযোগ সুবিধাসহ ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে উল্লেখ করে বৈঠকে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করতে পারে। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন ব্রিফিংয়ে জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং উরুগুয়ের প্রেসিডেন্ট দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে সামিল হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে তৈরি পোশাক, ঔষধ এবং সিরামিকসহ আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন পণ্য উৎপাদিত হয়। রাষ্ট্রপতি দু’দেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দু’দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে সংসদ সদস্যদের বা জনপ্রতিনিধিদের পারস্পরিক সফর বাড়ানোর ওপর জোর দেন। কূটনীতিক এবং অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের ভিসা সহজীকরণের কথাও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে প্রশিক্ষিত জনশক্তি রয়েছে যারা উরুগুয়ের উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ উরুগুয়ের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি মো আবদুল হামিদ উরুগুয়ের নতুন প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়। উরুগুয়ের প্রেসিডেন্ট লুই পো তার শপথ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বাংলাদেশে উরুগুয়ের বিনিয়োগের ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন।রোহিঙ্গা ইস্যুতে উরুগুয়ের প্রেসিডেন্ট তার দেশের অব্যাহত সহযোগিতার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি আশা করেন ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সাথে উরুগুয়ের সম্পর্ক বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরো সম্প্রসারিত হবে।দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আমেরিকান বাণিজ্য সংস্থা মেরকোসুর-এর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন উরুগুয়ের প্রেসিডেন্ট লুই পো। দক্ষিণ আমেরিকার চারটি দেশ ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে ও উরুগুয়ে এই সংস্থার স্থায়ী সদস্য।এসময় উরুগুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. জুলফিকার রহমান এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ উরুগুয়ের রাজধানী মন্টিভিডিওতে পার্লামেন্ট ভবনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্টের কমান্ড হস্তান্তর অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ন্যাশনাল পার্টির (এনপি) নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট লুইস আলবার্তো লাকাল পু রোববার ২০২০-২০২৫ মেয়াদের জন্য শপথ গ্রহন করেন।পেশায় রাজনীতিক ও সাবেক প্রেসিডেন্টের পুত্র লুইস আলবার্তো লাকাল পু বামপন্থী ব্রড ফ্রন্টের (এফএ) ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘাটিয়ে উরুগুয়ের প্রশাসনের প্রধান হিসেবে শপথ নিয়েছেন।বাংলাদেশ-সহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং প্রতিনিধিরা শপথ অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। রাষ্ট্রপতি হামিদ ১১ দিনের সফরে গত বুধবার সকালে লন্ডন এবং উরুগুয়ের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।

মাধ্যমিকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা

ঢাকা অফিস ॥ কারিগরি শিক্ষা এ বছর ৬৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুরু করেছি। তবে আগামী বছর থেকে সেটা মাধ্যামিক হোক আর মাদ্রাসা হোক কিংবা সাধারন হোক ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা কারিগরি শিক্ষা পাবে বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি । মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুরের কালকিনির ঐতিহ্যবাহী বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন । তিনি আরও বলেন, নবম ও দশম শ্রেণীতে দুটি কারিগরি বিষয় পড়ানো হবে তবে বাধ্যতামূলক অত্যন্ত একটি বিষয় কারিগরি পড়তে হবে। এর পর যদি কেউ পড়তে চায় বা না চায় সেও কিন্ত নিজের আত্মকর্মংস্থান করতে পারবে। আমার সেই ব্যবস্থা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে করছি। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি আরো বলেন, বিদ্যালয়ের বাহিরে বসে কোন শিক্ষক কোচিং করাতে পারবেন না। যেমন অনেক শিক্ষক আছেন বিদ্যালয়ে বসে শিক্ষার্থীদের না পড়িয়ে নিজেস্ব বাসা-বাড়িতে বসে কোচিং করিয়ে থাকেন। এবং তাদের কাছে কোচিং না করলে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেন বলে আমাদের কাছে অভিযোগ রয়েছে। এসব কাজ শিক্ষকদের করা যাবে না। যে সকল বিদ্যালয়ের অসহায় শিক্ষার্থীরা আছে যারা অর্থের অভাবে পড়ালেখা করতে পারেনা, তাদেরকে বিদ্যালয়ে বসে বিনামুল্যে আলাদাভাবে পড়া-লেখা করিয়ে এগিয়ে নিতে হবে। যাতে করে সে সকল নিম্নবিত্ত শিক্ষার্থীরা সুশিক্ষার সুযোগ পায়। তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন ডিজিটাল বাংলাদেশ, তার অনেক অনেক বছর পর আমাদের পাশ্ববর্তী দেশগুলো এখন তারা বলছে তাদের দেশকে ডিজিটাল দেশ করার কথা। আমাদের এখন প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডিজিটাল বাংলাদেশের সেবা পৌঁছে গেছে। মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের সকল পর্যায় শিক্ষাকে বিশ্বমানে উন্নত করতে হবে। আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব। পূর্বের যে তিনটি শিল্প বিপ্লব হয়েছে তা থেকে আমার পিছিয়ে ছিলাম। কিন্তু চতুর্থ শিল্প বিপ্লব যেটা অটোমেশিনে, রোবোটিক্সে সে দিক থেকে আমরা পাশ্ববর্তী অনেক দেশ থেকে এগিয়ে আছি। আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও প্রযুক্তি বান্ধব। তারা সহজেই প্রযুক্তি গ্রহণ করে ও ব্যবহার করতে পারে। প্রযুক্তির প্রতি আমাদের এই যে আগ্রহ তাই আমাদেরকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে সফল হতে সহযোগিতা করছে। কিন্তু চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যদি আমাদের সফল হতে চাই তাহলে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করতে হবে শিক্ষায়। শতবর্ষ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা তাহমিনা সিদ্দিকী, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বকুল হোসেন। শতবর্ষ উদযাপন কমিটির আহবায়ক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শেখ মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেব উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হোসেন, কালকিনি উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক ও সাবেক চেয়ারম্যান তৌফিকুজ্জামান শাহীন। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এডভোকেট মো. মনিরউজ্জামান চৌধুরী সোহাগ, প্রধান শিক্ষক মো. সালাহ্ উদ্দিন আকনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিত ছিলেন।

তাবিথের পর ইশরাকও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে

ঢাকা অফিস ॥ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে পরাজিত বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন ফলাফলের গেজেট বাতিল চেয়ে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন। তার পক্ষে আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ  মঙ্গলবার সকালে ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ উৎপল ভট্টাচার্য্যের আদালতে এ আবেদন করেন। আগের দিন ঢাকা উত্তরে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়ালও একই আদালতে গেজেট বাতিলের আবেদন করেন। তাবিথের মত ইশরাকের আবেদনেও প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিবসহ আটজনকে বিবাদী করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ‘অনিয়ম ও কারচুপির’ অভিযোগ করা হয়েছে সেখানে। আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ বলেন, “ফলাফলের গেজেট বাতিল করে নতুন নির্বাচনের নির্দেশনা চেয়ে আমরা এই মামলা করেছি।” গত ১ ফেব্র“য়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেনকে পৌনে ২ লাখ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। নৌকায় তার ৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৯৫ ভোটের বিপরীতে ইশরাক ধানের শীষে পান ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫১২ ভোট। নির্বাচন কমিশন ৪ ফেব্র“য়ারি তাপসকে দক্ষিণ সিটির মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।

এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেকের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

১০ হাজার ৪৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮ প্রকল্প অনুমোদন

ঢাকা অফিস ॥ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণে অতিরিক্ত ৭ হাজার ৪৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকার অনুমোদনসহ মোট ৮ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১০ হাজার ৪৬৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে পাওয়া যাবে ৫ হাজার ৯৬৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকা, বৈদেশিক সহায়তা হিসেবে প্রকল্প সাহায্য ৪ হাজার ৪২৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় হবে ৭৮ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। পরে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রকল্পের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুটি ডুয়েল লাইন সেতু হবে। বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে ৩০০ মিটার উজানে এই সেতু নির্মাণ করা হবে। সেতুটি দিয়ে সিরাজগঞ্জসহ উত্তর অঞ্চলের জেলা গুলোতে ট্রেন চলাচল করবে। তিনি জানান, অতিরিক্ত ৭ হাজার ৪৬ কোটি ৮৮ লাখ খরচের অনুমোদন দেয়ার প্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় দাঁড়াবে ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে জাপান সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগি সংস্থা জাইকা ১২ হাজার ১৪৯ কোটি ১৯ লাখ টাকার প্রকল্প সহায়তা প্রদান করছে। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন,এই রেলওয়ে সেতুটি নির্মিত হলে প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য আরো সহজ হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২৫ সাল মেয়াদে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করবে বলে তিনি জানান। একনেকে অনুমোদিত অন্য প্রকল্পসমূহ হলো-জরুরি পানি সরবরাহ প্রকল্প, এর খরচ ধরা হয়েছে ৭৩২ কোটি টাকা। আমিন বাজার ল্যান্ডফিল সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৭৮৬ কোটি, শেখপাড়া (ঝিনাইদহ)-শৈলকুপা লাঙ্গলবাঁধ-ওয়াপদা মোড় জেলা মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও মজবুতিকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ২৬৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, রাজশাহী বিসিক শিল্পনগরী-২ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৪০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এছাড়া পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার মুন্সিগঞ্জ থেকে খানপুরা এবং কাজিরহাট থেকে রাজধরদিয়া পর্যন্ত যমুনা নদীর ডানতীর সংরক্ষণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৪৩৩ কোটি টাকা, কুড়িগ্রাম জেলার সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ী উপজেলাধীন ধরলা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণসহ বাম ও ডানতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায় ব্যয় হবে ৫৯৫ কোটি এবং পদ্মা নদীর ভাঙ্গন থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ও শাজাহানপুর এলাকা রক্ষা প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৬৬ কোটি টাকা।

ইবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দিনব্যাপী লোকপ্রশাসন দিবস পালিত

ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের টিএসসিসি’র বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে মঙ্গলবার দিনব্যাপী লোকপ্রশাসন বিভাগের আয়োজনে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। লোকপ্রশাসন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ জুলফিকার হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, দুর্নীতিমুক্ত দেশ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় লোকপ্রশাসন বিভাগের ভূমিকা অপরিসীম। কারন লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানে কিভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হয়। তিনি বলেন, লোকপ্রশাসন বিভাগের স্নাতকরা দেশের প্রতিটি অঙ্গনে নিজেদের দক্ষতা,  একাগ্রতা ও মেধার স্বাক্ষর রেখে দেশ পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। তিনি আরো বলেন,  লোকপ্রশাসন বিভাগ শুধু বৈচিত্রময় পিঠা উৎসব করেই আমাদের চমক দেয়নি বরং আজকের এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে লোকপ্রশাসন বিভাগ আরেকবার আমাদের চমক দিল। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা বলেন, লোকপ্রশাসন বিভাগ শুধুমাত্র একটি বিভাগই নয় বরং এটি একটি সরকারী পলিসি বাস্তবায়নের প্রশিক্ষন কেন্দ্র। সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এই বিভাগটির গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের ন্যায়পরায়নতা  সাথে সমাজ ও দেশের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করবার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. নাসিম বানু এবং লোকপ্রশাসন দিবস-২০২০ উদযাপন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর ড. রাকিবা ইয়াসমীন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর  প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণ, প্রফেসর ড. রাকিবা ইয়াসমীন, প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, প্রফেসর ড. বেগম রোকসানা মিলি, প্রফেসর মোঃ গিয়াস উদ্দিন, প্রফেসর ড.মুন্সী মর্তুজা আলী, প্রফেসর ড. মোঃ ফকরুল ইসলামসহ বিভাগের সকল স্তরের শিক্ষক কর্মকর্তা ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ সাদিকুর রহমান ও শাম্মী আক্তার অন্তরা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি