‘ভারত ছাড়’ নোটিস 

বাংলাদেশি ছাত্রীর পক্ষে লড়বেন বিশ্বভারতীর শিক্ষকরা

ঢাকা অফিস ॥ সরকারবিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অজুহাতে ভারত ছাড়ার নোটিসের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া বাংলাদেশি ছাত্রীর পক্ষে নৈতিক ও আইনি সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষকরা। নাগরিগত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) নিয়ে ক্যাম্পাসে এক বিক্ষোভের কয়েকটি ছবি সম্প্রতি ফেইসবুকে পোস্ট করার পর বুধবার ওই ছাত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিদেশি নিবন্ধকের আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে আসা নোটিসটি পান, যাতে ১৫ দিনের মধ্যে তাকে দেশ ছাড়তে বলা হয়েছে। সেখানে কারণ হিসেবে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী আফসারা আনিকা মিম স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে ভারতে পড়তে এসে ‘সরকারবিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত হয়ে ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করেছেন’ বলে উল্লেখ করা হলেও নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগের কথা নেই। গ্রাফিক ডিজাইনের প্রথম বর্ষের ছাত্রী কুষ্টিয়ার মেয়ে আফসারাও বুঝতে পারছেন না কেন তাকে এই শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। নোটিসটি পুনর্বিবেচনার জন্য বৃহস্পতিবার বন্ধুদের নিয়ে কলকাতায় বিদেশি নিবন্ধকের আঞ্চলিক কার্যালয়েও গিয়েছিলেন ২০ বছর বয়সী এই তরুণী। বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে রয়েছে জানিয়ে সেখানকার কর্মকর্তারা কিছু করার নেই জানিয়ে দিয়েছেন বলে টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এক বন্ধুকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, আফসারা নিজের বক্তব্য কয়েকটি অফিসে লিখিতভাবে জানাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা পরামর্শ দিয়েছেন। তবে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আইনি প্রতিকার খুঁজতে বৃহস্পতিবারই বিশ্বভারতীর শিক্ষকদের একটি অংশ কলকাতার জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের দ্বারস্থ হয়েছেন। জ্যেষ্ঠ এক অধ্যাপক বলেন, “মেয়েটি কয়েকটা ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিল। তার ভিত্তিতে তাকে দেশ ছাড়তে বলা হয়েছে। আমরা এর মধ্যেই কলকাতা হাই কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আমরা ওই ছাত্রীকে সব ধরনের সহায়তা দেব।” তাদের অন্যতম হাই কোর্টের আইনজীবী শামিম আহমেদ বলেন, আফসারাকে দেওয়া নোটিসকে আইনগতভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ রয়েছে। কারণ তাতে ‘সরকারবিরোধী কর্মকান্ডে’ তার জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ নেই। “ওই আদেশ ও তার ফেইসবুক পোস্ট আমি ভালভাবে খতিয়ে দেখেছি। আদেশে এমন কোনো নির্দিষ্ট কর্মকান্ডের কথা উল্লেখ নেই যা দিয়ে প্রমাণিত হয় ওই ছাত্রী সরকারের বিরুদ্ধে কিছু করেছেন। মন্তব্য করা তার অধিকার এবং এর জন্য কেন্দ্র থেকে তাকে দেশ ছাড়তে বলা খুবই অস্পষ্ট একটা কারণ। এমনকি ওই নোটিস দেওয়ার আগে তাকে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়নি।” ওই ছাত্রীকে তিনি আইনি সহায়তা দেবেন বলে জানান এই আইনজীবী। এদিকে বাংলাদেশি ছাত্রীকে ভারত ছাড়ার নোটিস দেওয়ায় সমালোচনামুখর রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ভারতের মতো মুক্ত দেশে যেখানে পাকিস্তানের সঙ্গে মধ্যস্ততার ঘোষণা দেওয়ার পরেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে আমন্ত্রণ জানানো হয়, সেখানে বাংলাদেশের মেয়ে কেন নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরুদ্ধের প্রতিবাদের ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করতে পারবে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্বভারতীর স্টুডেন্ট ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার (এসএফআই) নেতা সোমনাথ সৌ। তিনি বলেন, “ওই নোটিসের মধ্য দিয়ে তার প্রতি অবিচার হয়েছে। এঘটনার প্রতিবাদে আমরা রাজনৈতিক আদর্শ নির্বিশেষে সোমবার সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছি। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আমরা অবশ্যই প্রতিবাদ করব।” বিশ্বভারতীতে সিএএবিরোধী বিক্ষোভে যেসব শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন, আফসারা এধরণের কোন ঘটনায় জড়িত নয় বলে তারাও নিশ্চিত করেছেন। তাদের অন্যতম অর্থনীতির ছাত্র স্বপ্নীল মুখার্জী গত জানুয়ারিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে গুন্ডাদের হামলার শিকারও হন। তিনি বলেন, “বিশ্বভারতী এমন একটা জায়গা যেখানে বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা পড়তে আসে এবং আমাদের বন্ধু হয়ে যান। এদের বেশিরভাগই বাংলাদেশের। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, ওই ছাত্রী মোটেই কোনো প্রতিবাদে অংশ নেননি। আমরা তার সাথে আছি।” কর্মকর্তার নাম প্রকাশ না করে টেলিগ্রাফ বলেছে, বিশ্বভারতীতে প্রায় ১০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন, যাদের অনেকেই আফসানাকে নোটিস দেওয়ার পর ভয়ে আছেন। বাংলাদেশের এক শিক্ষার্থী বলেন, অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীই ফি বাড়ানো থেকে শুরু করে সিএএর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল দেখতে গিয়েছিলেন। আর আফসারা শুধুই কতগুলো ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করেছিলেন। এটা আমাদের জন্য ভয়ার্ত এক পরিস্থিতি। তবে বিশ্বভারতীর ক্ষমতাসীন বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপির নেতারা আফসারাকে নোটিস দেওয়ায় খুশি। কারণ তার বিরুদ্ধে তদন্ত ও পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে তারাই গত ২৩ জানুয়ারি ভিসি বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর কাছে লিখিত দাবি জানিয়েছিলেন। ওই চিঠির একটি অনুলিপি তারা দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়েও পাঠিয়েছেন। এবিভিপি নেতা অপূর্ব শারদ বলেন, “ভিসির কাছে লেখা চিঠিতে আমরা ওই মেয়ের সিএএবিরোধী ভূমিকার কথা তুলে ধরেছিলাম।

বোরন সার পরিমিত মাত্রায় ব্যবহারে যেমন ফলন বাড়ে তেমনি অতিরিক্ত ব্যবহারে ফসলের ক্ষতি হয়

কৃষি প্রতিবেদক ॥ বাংলাদেশে যত ধরনের সবজি চাষ হয়, এসব সবজির মধ্যে সব সবজিরই সব ধরনের সারের প্রয়োজন সমান নয়। যেসব সার ফসলের জন্য কম লাগে কিন্তু একেবারেই ব্যবহার না করলে বা নিধাির্রত মাত্রায় ব্যবহার না করলে ফসলের জন্য সমস্যার সৃষ্টি হয়। সেই সারগুলোর মধ্যে বোরন অন্যতম। বোরন সার পরিমিত মাত্রায় ব্যবহারে যেমন ফলন বাড়ে তেমনি অতিরিক্ত ব্যবহারে ফসলের ক্ষতি হয় ও ফলন মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। তাই বোরন সার ব্যবহারে খুবই সতর্ক থাকতে হয়। তেল ফসল হিসেবে বাংলাদেশে সরিষার চাষই প্রধান। প্রতি বছর প্রায় সাড়ে তিন লাখ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়ে থাকে। যা থেকে প্রায় সাড়ে চার লাখ মে. টন সরিষা বীজ উৎপাদন হয়। যা থেকে প্রায় পৌনে দুই লাখ মে. টন ভোজ্য তেল পাওয়া যায়। পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, সরিষা চাষে বোরন সার ব্যবহার করলে শতকরা ১৯.৮-২৩.০ ভাগ পর্যন্ত ফলন বৃদ্ধি পায়। এজন্য হেক্টর প্রতি মাত্র ১৫০-২০০ টাকা খরচ করে অতিরিক্ত প্রায় ৭-৮ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। শীত মৌসুমে যেসব সবজি চাষ করা হয় সেগুলোর মধ্যে কিছু কিছু সবজির বোরনের চাহিদা লক্ষ্য করা যায়। এসব সবজির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোÑ বেগুন, টমেটো, ফুলকফি, বাঁধাকপি, শিম, বরবটি, মটরশুঁটি, মূলা, আলু, গাজর, শালগম, বীট, সরিষা শাক, পালং শাক, পেঁয়াজ ইত্যাদি। জমিতে মাটির উপরের স্তরের তুলনায় নিচের স্তরেই বোরন বেশি থাকে। বিশেষ করে বেলে বা বেলে দো-আঁশ মাটিতে সেচের পানির সঙ্গে বোরন চুঁইয়ে মাটির নিচের দিকে চলে যায়। এজন্য এধরনের মাটিতে বোরন সার প্রয়োগের চেয়ে পাতায় প্রয়োগ বেশি কার্যকর। তবে অন্য ধরনের মাটিতে বিশেষ করে ভারী মাটি বা চুন মাটিতে বোরন বেশি লাগে। বোরন সার প্রয়োগ করা যায়। পাতায় প্রয়োগ করলে প্রতি লিটার পানিতে ১.৫-২.০ গ্রাম এবং মাটিতে প্রয়োগ করলে ৩-৪ কেজি বোরন সার প্রয়োজন হয়। পাতায় ¯েপ্র করলে বীজ বোনার বা চারা রোপণের ২০-২৫ দিন এবং ৪০-৪৫ দিন পর ¯েপ্র করতে হয়। বোরন পাতায় ¯েপ্র করার অসুবিধা হলোÑ অভাবজনিত লক্ষণ দেখা দেয়ার পর এটি যখন প্রয়োগ করা হয়, তখন ফসলের বেশ কিছু ক্ষতি হয়ে যায়। একটা ফসলে বোরন ব্যবহার করার পরের ফসলে ব্যবহার করতে হয় না। তৃতীয় ফসল চাষের সময় প্রয়োজন বুঝে আবার ব্যবহার করতে হয়। বোরনের অভাবে বাড়ন্ত আলুগাছের ডগার পাতা পুরু হয় ও কিনারা বরাবর ভিতরের দিকে গুটিয়ে গিয়ে অনেকটা কাপের আকৃতি ধারণ করে। এই সব পাতা ভঙ্গুর হয়। আলুগাছের শিকড়ও গুটিয়ে যায়, গাছ দুর্বল হয়। আলু ছোট আকারের হয়, খোসা খসখসে ও তাতে ফাটা ফাটা দাগ দেখা যায়। কখনো কখনো আলুর কন্দের ভেতরে বাদামি দাগ দেখা যায়। বোরনের অভাবে টমেটোর চারা গাছে সবুজ রঙের পরিবর্তে কিছুটা বেগুনি রং লক্ষ্য করা যায়। বাড়ন্ত টমেটোগাছের ডগার কুঁড়ি শুকিয়ে মরে যায়। পাতা এবং পাতার বৃন্ত পুরু ও ভঙ্গুর হয়। কান্ড খাটো হয়ে পুরো গাছ ঝোপালো হয়ে যায়। ফল বিকৃত হয় ও খোসা খসখসে হয়ে ফেটে যায়। বোরনের অভাবে বেগুনগাছের বৃদ্ধি কমে যায়। ফুল সংখ্যায় কম আসে এবং ফুল ঝরা বৃদ্ধি পায়। ফল আকারে ছোট হয় ও ফল ফেটে যায়। কখনো কখনো কচি ফল ঝরে পড়ে। বোরনের অভাবে শিম ও বরবটির নতুন বের হওয়া পাতা কিছুটা পুরু ও ভঙ্গুর হয়। পাতার রং গাঢ় সবুজ ও শিরাগুলো হলদে হয়ে যায়। শেষে পাতা শুকাতে শুরু করে, গাছে ফুল দেরিতে আসে ও শুঁটি বীজহীন হয়। বোরনের অভাবে ফুলকপির চারার পাতা পুরু হয়ে যায় এবং চারা খাটো হয়। ফুল বা কাডের্র উপরে ভেজা ভেজা দাগ পড়ে। পরে ওই দাগ হালকা গোলাপি এবং শেষে কালচে হয়ে ফুলটিতে পচন ধরে। পাতার কিনারা নিচের দিকে বেঁকে যায় ও ভঙ্গুর প্রকৃতির হয়। পুরনো পাতা প্রথমে সাদাটে এবং পরে বাদামি হয়ে কিছুটা উঁচু খসখসে দাগে পরিণত হয়। কাটলে আক্রান্ত অংশ থেকে এবং ফুলকপি রান্নার পর এক ধরনের দুগর্ন্ধ বের হয়। বাঁধাকপির মাথা বাঁধা শুরু হওয়ার সময় দেখা যায় যে মাথা বাঁধছে না এবং ভেতরটি ফাঁপা হয়ে যায়। একেবারে ভেতরের কচি পাতাগুলো বাদামি রঙের হয় এবং পচন ধরে। কান্ডের ভেতরের মধ্যাংশ ফাঁপা হয় ও পচে যায়। বোরনের অভাবে মরিচ বা মিষ্টি মরিচের কচি পাতা হলুদ হয়ে এবং ফুল বা কচি ফলও ঝরে পড়ে। গাছের বৃদ্ধি প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বোরনের অভাবে সরিষার বীজ গঠন ঠিকভাবে হয় না। হেক্টরপ্রতি ১.৫ কেজি বোরন প্রয়োগ করলে সরিষার বীজ উৎপাদন প্রায় ৫৯% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে (হালদার ও অন্যান্য, ২০০৭)। জাত, মাটি, স্থান (কৃষি পরিবেশ অঞ্চল) ও মাটিতে রসের তারতম্য অনুসারে বোরন সার হিসেবে পানিতে গুলে নিয়ে ¯েপ্র করতে হয়। পানিতে মিশিয়ে প্রয়োগ করলে নিধাির্রত মাত্রার অধের্ক পরিমাণ সার প্রয়োজন হয়। এ জন্য ১০-১৫ দিন পর পর ২-৩ বার বোরন সার ¯েপ্র করা যেতে পারে। জমিতে সরাসরি বোরন সার প্রয়োগ করা যায়। সে ক্ষেত্রে টিএসপি, এমওপি, জিপসাম, জিংক অক্সাইড ও বোরন সারের সবটুকু এবং ইউরিয়ার অধের্ক পরিমাণ শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হয়। বাকি ইউরিয়া গাছে ফুল আসার সময় উপরি প্রয়োগ করে একবার পানি সেচ দিতে হয়। বোরন সার হিসেবে ব্যবহারের জন্য ফলিরিয়েল, সলুবোর, লিবরেল বোরন, আলফা বোরন ইত্যাদি পাওয়া যায়। এ ছাড়া দানাদার বোরিক এসিড ও বোরাক্স বা সোহাগা (সোডিয়াম টেট্রাবোরেট) বোরন সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

সামিরাকেই মাফ চাইতে হবে: শাবনূর

বিনোদন বাজার ॥ সামিরাকেই সরি বলতে হবে, মাফ চাইতে হবে বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রী শাবনূর। নব্বইয়ের দশকের তুমুল জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা সালমান শাহর স্ত্রী ছিলেন সামিরা। এর আগে তিনি বলেন, কৃতকর্মের জন্য শাবনূরকে সরি বলতে হবে। সেটি এখন হোক কিংবা পরেÑ এই জীবনে কিংবা শেষ বিচারের দিনে।

জবাবে শাবনূর বলেন, আমি কেন সরি বলতে যাব। আমি কী করেছি যে সামিরা এ ধরনের কথা বলবে! এতটা ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা সামিরা কোনোভাবেই বলতে পারে না। এ ধরনের কথা বলার জন্য সামিরাকেই সরি বলতে হবে, মাফ চাইতে হবে।

সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় দুই দশক পর নতুন করে যেসব কথা উঠছে, তাতে বিরক্তির কথা জানিয়েছেন তার সহশিল্পী শাবনূর।

তিনি বলেন, শুনলাম ৫ সেপ্টেম্বর রাতে আমি সালমান শাহকে একাধিকবার ফোন করেছি। আমার ওপর রাগ করে ফোন ভেঙে ফেলেছে। আমাকে ঝাড়ি মেরেছে। বলেছে– শাবনূর, তুমি আর ফোন দিবা না। আমার উপহার দেয়া ফ্যান ভেঙে ফেলে। এত বছর তদন্তের পর এ ধরনের কথার মানে কী!

মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ঢালিউডের এক সময়কার সেরা নায়িকা শাবনূর বলেন, আমি যদি সালমানকে ফোন করে থাকি, নিশ্চয়ই কললিস্ট আছে। কথার রেকর্ডও আছে। তা হলে আমাকে শোনাক। তা হলেই তো সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে।

এই চিত্রনায়িকা আরও বলেন, সালমানের মা নীলা আন্টি ও স্ত্রী সামিরা সংবাদ সম্মেলন করে বলুক। তাদের স্বামী-স্ত্রী কী ঝগড়া হচ্ছে, তা তো আমার জানার কথা না। আমার দেখার বিষয়ও না।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তার মধ্যে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটন রোডে নিজের বাসা থেকে সালমান শাহর (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) লাশ উদ্ধার করা হয়।

তখন ঘটনাটিকে আত্মহত্যা ধরে সেই সময় অপমৃত্যু মামলা হয়। তাতে আপত্তি জানায় সালমান শাহর পরিবার। ১৯৯৭ সালে সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনাটিকে ‘আত্মহত্যা’ উল্লেখ করা হয়। এর পর ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠানো হয়।

এর প্রায় ১২ বছর পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এতেও সালমান শাহর মৃত্যুকে ‘অপমৃত্যু’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবার রিভিশন আবেদন করেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী।

২০১৬ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বিশেষ জজ ৬-এর বিচারক ইমরুল কায়েস তা মঞ্জুর করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

শাবনূর বলেন, সালমানকে যদি আমি পছন্দ করতাম, ভালোবাসতাম, তাকে তো মরতে দিতাম না। তাকে বাঁচিয়ে রাখতাম। সেও নিশ্চয়ই তার পছন্দের লোকের কাছেই চলে আসত।

‘এখন শুনছি একটা কাজের লোক কোথা থেকে এসেছে। সাক্ষী দিয়েছে। এমনও শুনছি, সালমান নাকি দুই স্ত্রী নিয়ে থাকতে চেয়েছিল।’

তার বিরুদ্ধে নানা অপবাদ দেয়া হচ্ছে জানিয়ে এই চলচ্চিত্র অভিনেত্রী জানান, আমি বলব– সালমান ও আমার যদি কোনো সম্পর্ক থাকত, তা হলে সামিরার উচিত ছিল আমাকে বলা। সে বলতে পারত, শাবনূর তুমি এটা করছ কেন? এত বছর তো সে এ ধরনের কথা বলেনি। এখন কেন এ কথা উঠছে?

‘তুমি আমার’ চলচ্চিত্রে জুটি হিসেবে অভিনয় শুরুর পর একসঙ্গে ১৪টি ছবিতে অভিনয় করেন সালমান শাবনূর।

শাবনূর বলেন, একসঙ্গে কাজ করেছি, দেখা-সাক্ষাৎ হয়েছে, আড্ডা হয়েছে। ঘোরাঘুরির সময় সামিরাও সঙ্গে থাকত। সালমানও সামিরাকে সব জায়গায় নিয়ে যেত।

আমার মাকে বলতÑ আন্টি, আমার জানটাকে একটু দেখে রাইখেন। ছবিতে কাজ করতে গিয়ে দারুণ বন্ধুত্ব হয়েছে। ভাইবোনের সম্পর্ক ছিল। সালমানের মা নীলা আন্টিও সবসময় এমনটি বলতেন।

ফ্যান উপহার দেয়ার প্রসঙ্গে শাবনূর জানান, সালমান তখন অনেক বড় শিল্পী, অনেক জনপ্রিয়। আমিও কোনো অংশে কম ছিলাম না। এত বড় একজন শিল্পীকে আমি যদি কিছু উপহারও দিই, তা হলে তো বড় ধরনের কিছু দেব। গোল্ডের কিছু কিংবা ব্র্যান্ডের দামি ঘড়ি উপহার দেব। কারণ সালমান শাহ অনেক বড় একটা ব্যাপার। সবাই যে এখন বলছে, একটা কথাই বলবÑ শুধু একটা প্রমাণ দিক, আমার সঙ্গে সালমানের সম্পর্ক ছিল? মানুষের কথায় কিংবা কাজের লোকের কথা আমি মানব না।

তবে যতদিন এই জুটি একসঙ্গে কাজ করেছেন সালমানের হাতে কোনো ফোন দেখেননি বলে জানান এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, ডাবিংয়ের সময় নাকি আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া গেছে। যখন কোনো সিনেমার ডাবিং হয়, অনেক লোক ডাবিং ফ্লোরে থাকেন। সেখানে কি আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যাবে? এটা তো কোনো কথাই হলো না। একজন সহশিল্পীর সঙ্গে কথা বললেই প্রেম হয়ে যায় নাকি। সামিরা যদি আমাকে সে রকম অবস্থায় দেখে, বলুক আমার সামনে এসে।

‘সামিরার কথা অনুসারে, সালমান মৃত্যুর আগে আরও দুবার আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন, তখনও কি সেটি আমার জন্য হয়েছিল?’ প্রশ্ন রাখেন শাবনূর। তিনি বলেন, আসলে সালমানের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা আমরা কেউই জানি না। আমি তো এখন বলব, আমাকে ফাঁসানোর জন্য ষড়যন্ত্র হচ্ছে। অন্য মানুষদের বাঁচাতে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।

প্রসঙ্গত রুপালি পর্দার সালমান শাহর আনুষ্ঠানিক নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। সিলেটের জকিগঞ্জে নানাবাড়িতে ১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর তার জন্ম।

আদমজি ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ড. মালেকা সায়েন্স ইনস্টিটিউট থেকে গ্র্যাজুয়েশন করা ইমন ১৯৯২ সালে বিয়ে করেন বিউটি পার্লার ব্যবসায়ীর মেয়ে সামিরাকে। তখন তার বয়স ২২ বছর।

মঈনুল আহসান সাবেরের লেখা ধারাবাহিক নাটক ‘পাথর সময়’-এর একটি চরিত্র দিয়ে ইমনের অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু। মাত্র সাড়ে পাঁচ বছরের চলচ্চিত্র-জীবনে ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করা সালমান শাহ ঢাকাই সিনেমার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন।

নব্বইয়ের দশকে যারা বয়সে ছিলেন কিশোর-তরুণ, তাদের অনেকের হৃদয়েই সালমান শাহ বাংলাদেশের ‘সেরা রোমান্টিক অভিনেতা’ হয়ে থাকবেন।

দেশ জ্বলছে, ঘৃণা ছড়াবেন না: নুসরাত

বিনোদন বাজার ॥ দিল্লিতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ৩৪ জন নিহত হয়েছেন। অশান্ত দিল্লিতে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মুখ খুলতে দেখা গেছে দেশটির অভিনেতা-অভিনেত্রীদেরও।

সৃজিত মুখার্জি থেকে পরমব্রত কিংবা নুসরাত কেউ এই কঠিন সময়ে নীরব থাকেননি।-খবর জি নিউজ

এই কঠিন সময়ে শান্তির বাণী ছড়ালেন ভারতীয় বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। সামাজিকমাধ্যমে তিনি বলেন, আমি দুঃখভারাক্রান্ত, মর্মাহত, ব্যথিত। আমার দেশ জ্বলছে। সবার আগে আমরা যে মানুষ এটা ভুলে যাওয়া চলবে না। কাজেই দয়া করে কেউ গুজব, ভুয়া খবর ও ঘৃণা ছড়াবেন না।

দাঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষুব্ধ দিল্লি হাইকোর্ট পুলিশকে ঘৃণা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে বলেছে।

চার বিজেপি নেতার বক্ততৃার ভিডিও দেখার পর আদালত এমন নির্দেশনা দেয়। ওই বিজেপি নেতাদের মধ্যে কেন্দ্রের মোদীর সরকারের মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর ও স্থানীয় নেতা কপিল মিশ্রও আছেন।

রোববার বিকালে এই কপিল মিশ্রের সমাবেশ থেকেই সহিংসতা শুরু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

দাঙ্গা থামিয়ে দিল্লিতে শান্তি ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে নিরাপত্তা উপদেষ্টা অভিত দোভালকে। বুধবার সন্ধ্যায় তিনি দ্বিতীয়বারের মতো নগরীর দাঙ্গা কবলিত এলাকাগুলোতে যান। দাঙ্গায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি জাফরাবাদ এলাকায় পুলিশের গাড়িবহর নিয়ে হাঁটার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ, এখানে শান্তি ফিরে আসবে।

 

তৃষার শেষটা একটু ভিন্নরকম

বিনোদন বাজার ॥ সম্প্রতি নির্মিত হয়েছে টেলিফিল্ম ‘শেষটা একটু ভিন্নরকম’। প্রভাত আহমেদ এর রচনায় টেলিফিল্মটি পরিচালনা করেছেন সুজন বড়ুয়া। এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা, পূণ্য রহমান, সমাপ্তী মাসুক, জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল, সোহেল রানা, সাজ্জাদ ভূইয়া, রাজা হাসান প্রমূখ। এই টেলিফিল্ম মাধ্যমে প্রথমবার নুসরাত ইমরোজ তিশার সাথে জুটি হলেন মডেল পূণ্য রহমান।

টেলিফিল্ম এর গল্পে দেখা যাবে, রফিক শীর্ষস্থানীয় একটি ডেভেলপার কোম্পানির শীর্ষ প্রকৌশলী। সুন্দরী স্ত্রী ও আধুনিক সচ্ছল জীবনের সুখের প্রতিচ্ছবি দেখে স্ত্রী লীনা সহ সবাই। কিন্তু বন্ধু রবিনের সাফল্য দেখে ছাইচাপা আগুনের দহনে পুড়ে মরছে রফিক। তার চেয়ে খারাপ রেজাল্ট করেও রবিন আজ একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির মালিক, আর রফিক অন্যের কর্মচারী। এরইমধ্যে কোম্পানির এমডি হিসাবে দায়িত্ব নেয় চেয়ারম্যান কন্যা ফারজানা জেরিন। জেরিন রফিকের কর্মদক্ষতায় মুগ্ধ। কর্মক্ষেত্রে জেরিন এর আচরনে রফিক ধরে নেয় এমডি তার উপর বিশেষ দূর্বল। চোখের সামনে উপরে ওঠার সিড়ি নয় স্বয়ংক্রিয় লিফট দেখতে পায় সে। জেরিনের সাথে বিয়ে হলে নিমিষেই সে তার কাংক্ষিত লক্ষ্যে পৌছে যাবে। কিন্তু এ লিফটের সামনে বিশাল দেয়াল তার স্ত্রী লীনা। ‘কিছু পেতে হলে কিছু ত্যাগ করতে হয়’ বন্ধু রবিনের এই যুক্তিকে মুক্তির পথ মনে করে লীনাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় সে এবং

বিটিভি’তে মিউজিক্যাল লাইভ শো “নিশি গুনগুন”

বিনোদন বাজার ॥ বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু হচ্ছে সাপ্তাহিক মিউজিক্যাল লাইভ শো “নিশি গুনগুন”। প্রতি বৃহস্পতিবার ফেব্রুয়ারি রাত দশটার ইংরেজি সংবাদের পর অনুষ্ঠিত হবে সরাসরি গানের এই অনুষ্ঠানটি।

প্রতি পর্বে আমন্ত্রিত শিল্পী তার নিজের গান সহ গুনি শিল্পীদের গাওয়া গান এবং পাশাপাশি জনপ্রিয় গান পরিবেশন করবেন। গানের পাশাপাশি মূলশিল্পী বা গীতিকবি, সুরকারে সাথে টেলিফোন আলাপনের মাধ্যমে জানাবে গানের অন্তরালের নানান অজানা গল্প। পাশাপাশি দর্শকরাও সরাসরি টেলিফোনে অংশ নিতে পারেন অনুষ্ঠানে। আমন্ত্রিত শিল্পী বা গান সম্পর্কে কোন তথ্য জানতে চাইলে ফোনে প্রশ্ন করতে পারবেন। এস. কে. সাহার গ্রন্থনা, গবেষণা ও পরিকল্পনা “নিশি গুনগুন” প্রযোজনা করবেন আল মামুন ও অনুষ্ঠানটি সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন বিটিভি’র পরিচালক (অনুষ্ঠান ও পরিকল্পনা) জগদীস এষ।

প্রথম পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী দেবলীনা সুর ও সন্দীপন দাস। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করবেন কুহু মান্নান।

সিদ্ধান্তে অটল মুশফিক

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ কঠোর নিরাপত্তায় দুই দফায় পাকিস্তান সফর করে এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এমনকি পাকিস্তানের নিরাপত্তার বিষয়টিতেও বেশ সন্তুষ্ট দেখা গেছে বিসিবিকে। তবে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে প্রথম দুই দফায় পাকিস্তান সফরে যাননি বাংলাদেশ দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। তাই এ সফরে তার অনুপস্থিতি ভালোই টের পেয়েছেন টাইগাররা। মুশফিক দলে থাকলে আরও ভালো কিছু উপহার দিতে পারতেন এমটাই ভাবছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। এদিকে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে জ্বলজ্বল করছে মুশফিকের ব্যাট। তার নটআউট ডাবল সেঞ্চুরি জানান দিচ্ছে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে কতটা প্রয়োজনীয় হয়ে উঠতে পারতেন। এমন ফর্মের তুঙ্গে থেকে তৃতীয় দফায় সিদ্ধান্ত বদলে পাক সফরে মুশফিক যাবেন কি? এমন প্রশ্ন উঠেছিল ক্রীড়াঙ্গনে। মুশফিক নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন এমন আশা করেছিলেন টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক এবং বিসিবি প্রধান পাপনও। তবে সবাইকে হতাশ করে দিয়ে আগের সিদ্ধান্তেই অটল রইলেন মুশফিক। তিনি এর আগে পাকিস্তান না যাওয়ার ব্যাপারে মৌখিকভাবে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। এবার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেকে সরিয়ে নিলেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। ইতোমধ্যে বিসিবি কাছে চিঠি পাঠিয়েছে মুশফিক। তৃতীয় ধাপে একটি ওয়ানডে ও সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলবে টাইগাররা। ওয়ানডে মাঠে গড়াবে ৩ এপ্রিল আর টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে ৫ এপ্রিল থেকে। তাই ক্রিকেটপ্রেমীরা আশায় বুক বেধে ছিল তৃতীয় ধাপে হয়ত পাকিস্তান সফরে যাবেন মুশফিক। কিন্তু তিনি পাকিস্তানে যেতে মোটেও আগ্রহী নন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুশফিক নিজেই। দেশের বেসরকারি এক টিভি চ্যানেলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তান সফর নিয়ে কথা বলেন তিনি। নিরাপত্তা ইস্যুতে পিএসএলের প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছেন জাতীয় দলের এ অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। মুশফিক বলেন, ‘পাকিস্তানে যাওয়া, না যাওয়ার বিষয়টি আমি আগেই জানিয়েছি, তারাও কিন্তু এটা মেনে নিয়েছে। পিএসএলেরও একটা প্রস্তাব ছিল নাম দিব কী, দিব না। যেখানে তখনকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমি নাম দেইনি, সেখানে তারা আমার সিদ্ধান্তকে আরও সম্মান জানানো উচিত ছিল যে তখনকার পরিস্থিতি জেনেও নাম দেইনি। বিষয়টা পুরো পরিষ্কার, ভবিষ্যতেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হওয়ার কোনো সম্ভবনা নেই। যারা যাবে তাদের জন্য শুভকামনা।

শ্রীলঙ্কা সফর থেকে ছিটকে গেলেন উড

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ চোটজর্জর ক্যারিয়ারে আরেকবার ধাক্কা খেলেন মার্ক উড। সাইড স্ট্রেইনের জন্য শ্রীলঙ্কা সফর থেকে ছিটকে গেছেন ইংল্যান্ডের গতিময় এই পেসার। আগামী মাসে হতে যাওয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য উডের বদলি হিসেবে ডাক পেয়েছেন এই সংস্করণে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা পেসার সাকিব মাহমুদ। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজের সময় চোট পান উড। দেশে ফেরার পর লন্ডনে একাধিক স্ক্যান করানো হয়। তাতে তার বাম পাশে ছোট চিড় ধরা পড়ে। সেরে ওঠার জন্য ইংল্যান্ড ও ডারহামের চিকিৎসক দলের সঙ্গে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করবেন তিনি। গত বিশ্বকাপ ফাইনালেও একই জায়গায় চোট পেয়েছিলেন উড। এতে দেশের মাটিতে অ্যাশেজ সিরিজে খেলতে পারেননি। ২০১৫ সালে টেস্ট অভিষেকের পর থেকে একাধিক চোট ভুগিয়েছে তাকে। গোড়ালিতে অস্ত্রোপচার হয়েছে তিনবার। গত পাঁচ বছরে টেস্ট খেলতে পেরেছেন কেবল ১৫টি। উডের ছিটকে যাওয়াটা ইংল্যান্ডের জন্য বড় ধাক্কা বটে। চোটের জন্য আগেই জফ্রা আর্চার ও জেমস অ্যান্ডারসনকে এই সফর থেকে হারিয়েছে তারা। আগামী সোমবার শ্রীলঙ্কা উড়াল দেবে ইংল্যান্ড দল। ১৯ মার্চ গল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে প্রথম টেস্ট।

 

নিষেধাজ্ঞা থেকে ‘মুক্তি’ পেলেন শাহজাদ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ হওয়া মোহাম্মদ শাহজাদের খেলার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। আফগান এই ওপেনারের ক্ষমার আবেদন মঞ্জুর করেছে তারা। টুইটের মাধ্যমে শাহজাদের শাস্তি কমানোর ব্যাপারটি জানিয়েছে আফগান বোর্ড। এখন থেকে দেশের হয়ে খেলা চালিয়ে যেতে পারলেও কেন্দ্রীয় চুক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকছেই শাহজাদের। আগামী আগস্ট পর্যন্ত এটি বহাল থাকবে। গত বছরের আগস্টে শাহজাদকে নিষিদ্ধ করেছিল এসিবি। দেশের বাইরে ভ্রমণের জন্য আফগান ক্রিকেটারদের বোর্ডের অনুমতি নিতে হয়, যা শাহজাদ নেননি বলে সে সময় জানিয়েছিল এসিবি। ২০১৯ বিশ্বকাপ চলার সময়ের শৃঙ্খলাজনিত বিষয়ে কথা বলতে শৃঙ্খলা কমিটির সামনে শাহজাদকে হাজির হতে বলেছিল এসিবি। তাতেও সাড়া দেননি ৩৩ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান।

 

২২

৮ বছর নিষিদ্ধ চীনের অলিম্পিকজয়ী সাঁতারু সুন

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে ডোপ পরীক্ষা না দেওয়ায় ৮ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন সুন ইয়াং। চীনের তিনবারের অলিম্পিকজয়ী এই সাঁতারু জানিয়েছেন, আপিল করবেন তিনি। ২৮ বছর বয়সী সুন ডোপিং-বিরোধী কোনো নিয়ম ভাঙেননি বলে গত মাসে জানিয়েছিল আন্তর্জাতিক সুইমিং ফেডারেশন বা ফিনা। পরে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতে আপিল করে বিশ্ব ডোপিং-বিরোধী সংস্থা বা ওয়াডা। সেখানে পাল্টেছে সিদ্ধান্ত। শুক্রবার সুনকে নিষিদ্ধ করার কথা জানানো হয়। এটি তার দ্বিতীয় অপরাধ। সে কারণেই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ৮ বছর। এর আগে নিষিদ্ধ উপাদান নেওয়ায় ২০১৪ সালে তিন মাস নিষিদ্ধ ছিলেন তিনি। নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন সুন, “এটি অন্যায়। দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমি নিরপরাধ।” আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুইস ফেডেরাল ট্রাইব্যুনালে চ্যালেঞ্জ করা যাবে বলে জানায় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালত। গত নভেম্বরে আপিল শুনানিতে সুন বলেছিলেন, পরীক্ষাকারীরা তার বাড়িতে যাওয়ার পর তাদের পরিচয়ের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি তখন ডোপ পরীক্ষা দেননি। তার রক্তের নমুনা ছিল এমন একটি বোতল হাতুড়ি দিয়ে ভাঙার কথাও অস্বীকার করেন তিনি। চীনের ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাঁতারু সুন ২০১৬ রিও অলিম্পিকে ২০০ মিটার ফ্রিস্টাইলে সোনা জিতেছিলেন। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে সোনা জেতেন ৪০০ মিটার ফ্রিস্টাইল ও ১৫০০ মিটার ফ্রিস্টাইলে।

অবশেষে বিচ্ছেদের পথে কঙ্কনা-রনবীর

বিনোদন বাজার ॥ কঙ্কনা সেনশর্মা এবং রনবীর শোরে ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন ২০১০ সালে। আর ২০২০ এ এসে বেছে নিলেন আলাদা পথ।

‘ট্রাফিক সিগনাল’, ‘আজা নাচলে’ সিনেমায় তাদের দেখা গেছে একসঙ্গে। দুইজনেই অভিনয়ে রেখে চলেছেন মুন্সিয়ানার ছাপ।

২০১০ সালে সন্তান ধারণ করে হুট করেই বিয়ের ঘোষণা দেন কঙ্কনা সেন শর্মা। ততদিনে তার অভিনয়ের খ্যাতি বলিউডে গমগম করছে। ’ওয়েক আপ সিড’, ‘লাইফ ইন আ মেট্রো’ সিনেমা দিয়ে লাইম লাইটে তিনি। ওদিকে রনবীরও কম নয়। ভালো অভিনয় দিয়ে বলিউডে যারা টিকে আছেন তাদের মাঝে রনবীর শোরে নিঃসন্দেহে অন্যতম।

তাদের বিয়ে নিয়ে তাই বলিউডে আলোচনাও কম হয়নি। বিশেষ করে কলকাতার বিখ্যাত পরিবার তথা অপর্ণা সেনের কন্যা হওয়াতে টালিগঞ্জ- বলিউডে সবদিকেই সাড়া পড়ে যায়।

সে ২০১০ সালের কথা। অন্তঃসত্বা হয়েছিলেন আগেই। বিয়ের সময় অকপটে তা স্বীকার করেনও এই দম্পতি।

তবে বিয়ে ও সন্তান জন্ম দেওয়ার পর ২০১৫ সাল নাগাদ নানা রকমের জটিলতার মুখ দেখা শুরু করেন এই দম্পতি। ফলাফল, আলাদা থাকা।

দির্ঘ পাঁচ বছর পর এবার তারা আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদের পথই বেছে নিলেন। এর মাঝে তারা একাধিকবার পরমর্শকের দ্বারস্থ হয়েছেন। কিন্তু তারা এই বিয়েকে দ্বিতীয় সুযোগ দিতে সম্মত হননি। তবে ছেলের  ব্যাপারে তারা দুজনই একমতে আসতে পেরেছেন। কঙ্কনা সম্প্রতি তার সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন এই লিখে যে, “আমরা অবশ্যই ভালো বন্ধু এবং আমাদের সন্তানের মাতা পিতা। এই বিষয়টিতে আমাদের কোনও বিভেদ থাকবে না। “

মার্চে মুক্তি পাবে শাহেনশাহ

বিনোদন বাজার ॥ কয়েক দফা মুক্তির তারিখ পেছানো হয়েছে শাহেনশাহ সিনেমা। অবশেষে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিনেমাটি ৬ মার্চ মুক্তি দেওয়া হবে। এ চলচ্চিত্রে দুই নায়িকার সঙ্গে হাজির হবেন শাকিব খান; তারা হলেনÑ নুসরাত ফারিয়া ও রোদেলা জান্নাত। শামীম আহমেদ রনি পরিচালিত শাহেনশাহ ছবিটি কয়েক দফা মুক্তির তারিখ নির্ধারণ হবার পরও আলোর মুখ দেখেনি। গত বছরের পহেলা বৈশাখে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্যে শুটিং শুরু হয়েছিল ছবিটির। এরপর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ঘোষণা দেয় রোজার ঈদে মুক্তি পাবে শাহেনশাহ। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে স্থগিত করা হয় মুক্তি।

বলা হয়, কোরবানির ঈদে বড় পরিসরে ছবিটি মুক্তি পাবে। কিন্তু সে সময়ও মুক্তি পায়নি। অবশেষে ছবিটি মুক্তির লক্ষ্যে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সোমবার প্রযোজক পরিবেশক সমিতি বরাবর একটি আবেদন করা হয়েছে। আগামী ৬ মার্চ ছবিটি মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া।

এ বিষয়ে শাপলা মিডিয়ার চেয়ারম্যান সেলিম খান বলেন, ‘শুধুমাত্র উৎসবে মুক্তির জন্য ছবিটি আটকে রেখেছি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছিল ঈদুল ফিতরে মুক্তি দেব। কিন্তু বেশ কয়েকজন হল মালিকের অনুরোধে ৬ মার্চ মুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

২০১৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে জমকালো আয়োজনে হয় শাহেনশাহ ছবির মহরত। এরপর একই বছরের ২৩ অক্টোবররে এফডিসিতে শুরু হয় শাহেনশাহ শুটিং। ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশে টানা শুটিংয়ের ফলে দ্রুত শেষ হয় ছবির কাজ।

এ ছবিতে শাকিবের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন নুসরাত ফারিয়া। পাশাপাশি আরেক নবাগতা নায়িকা রোদেলা জান্নাতও। ছবিটিতে লায়লা ও প্রিয়া চরিত্রে দেখা যাবে এই দুই নায়িকাকে।

এছাড়াও ছবিটিতে বেশ ক’জন নামকরা অভিনেতা অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন তারিক আনাম খান, চিত্রনায়ক উজ্জল, মিশা সওদাগর ও আহমেদ শরিফ। আরো রয়েছেন অনুভব মাহবুব, লিটন হাসমিসহ অনেকেই।

ঝিনাইদহে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ঝিনাইদহে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার রাতে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ইনসেপ্টা কোম্পানীর প্যান্টোনিক্সের সহযোগিতায় এ বিজ্ঞান বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ) জেলা শাখা। বিএমএ জেলা শাখার সভাপতি ডা: এবিএম সিদ্দিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা: সেলিনা বেগম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএমএ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা: রাশেদ আল মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএমএ জেলা শাখার সহ-সভাপতি ডা: নুরুন নবী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা: দুলাল কুমার চক্রবর্তী, সহ-সভাপতি ডা: মুন্সী রেজা সেকেন্দার, সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা: আইয়ুব আলী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, ইনসেপ্টা গ্র“পের ডেপুটি সেলস ম্যানেজার আবুল হোসেন, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মতিয়ার রহমান, এরিয়া ম্যানেজার আলমগীর হোসেন,  এম এন নুরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম গনেশ কুমার দাস প্রমুখ। পরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বিভিন্ন চিকিৎসকদের করনীয় বিষয়ে আলোচনা ও বিভিন্ন গবেষনা তুলে ধরে একাধিক চিকিৎসক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা: প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থ। সেমিনারে ঝিনাইদহে কর্মকর্তা ১৫৫ জন চিকিৎসক অংশগ্রহণ করেন। পরে জেলা পদায়নকৃত ৩৭ ও ৩৯তম বিসিএস’এ নিয়োগ প্রাপ্ত ৮৭ জন চিকিৎসককে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

 

গাংনীতে সড়ক দূর্ঘটনায় ২জন আহত

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গোপালনগর গ্রামের অদূরে মোটরসাইকেল ও আলগামন গাড়ীর মুখোমখি ধাক্কায় ২জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন-মেহেরপুর সদর উপজেলার বর্শিবাড়িয়া গ্রামের নুর আলমের ছেলে মোটরসাইকেল আরোহী হুসাইন কবির (২৭) ও গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামের  নুরুল ইসলামের ছেলে আলগামন চালক পালান হোসেন (৪৬)। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গাংনী-হাটবোয়ালিয়া সড়কের গোপালনগর গ্রামের অদূরে এ দূর্ঘটনা ঘটনা। গোপালনগর গ্রামের যুবক সজল হোসেন জানান, পালান হোসেন তার আলগামন গাড়ী নিয়ে গাংনী উপজেলা শহরের দিক থেকে দ্রুতগতিতে বাড়ি যাচ্ছিলেন। সে গোপালনগর গ্রামের অদূরে একটি ব্রিজের নিকট পৌঁছালে,হাটবোয়ালিয়া বাজারের দিক  থেকে মোটরসাইকেলযোগে দ্রুতগতিতে  আসা হুসাইন কবির আলগামনকে মুখোমুখি ধাক্কা দেয়। ওই ধাক্কায় দু’জনই মারাত্বকভাবে আহত হন। পথচারীরা তাদের উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

মিরপুরে দারুস সালাম একাডেমীতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ

আমলা অফিস ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুরে দারুস সালাম একাডেমীর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পৌর মেয়র হাজী এনামুল হক বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে দেশ ও জাতি বিশ্ববাসীর কাছে সহজেই পরিচিতি লাভ করে। যুব সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে ক্রীড়া চর্চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সুষ্ঠু ও সুন্দর জাতি গঠনে লেখাপড়ার পাশাপশি খেলাধুলার বিকল্প নেই।  খেলাধুলায় শরীর ও মন সুস্থ থাকে। খেলাধুলা বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। তিনি শিক্ষার্থীদেরকে সৎ যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। দারুস সালাম একাডেমীর সভাপতি অধ্যাপক জোমারত আলীর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর, দারুস সালাম একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শাহজাহান আলী মোল্লা, পৌর কাউন্সিলর জমির উদ্দিন, আব্দুস সালাম, পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আলী মন্ডল। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দারুস সালাম একাডেমীর অধ্যক্ষ ইব্রাহীম খলিল। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাওঃ গোলাম মুস্তফার পরিচালনায় এ সময়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমির হামজা, ওসমান গণি, আবু তাহের, হালিমা খাতুন, প্রিয়াংকা খাতুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের প্রধান মিত্র দেশ হিসেবে ভারতকে মুজিববর্ষে আমন্ত্রণ – কাদের

ঢাকা অফিস ॥ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সাহায্যকারী ও মিত্র দেশ হিসেবে ভারতকে মুজিববর্ষে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, “তাদের দেশের অভ্যন্তরের বিষয়ে যে সংঘাত, সংঘর্ষ, এটা চিন্তা করে আমরা তাদের আমন্ত্রণ জানাইনি। মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সাহায্যকারী ও সবচেয়ে বড় মিত্র দেশ ভারত।” ওবায়দুল কাদের গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে সমসাময়িক ইস্যুতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্বকে আমরা বাদ দেবো এটাতো চিন্তাও করা যায় না। ওবায়দুল কাদের বলেন, “মুজিববর্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানানোর মূল কারণ তারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় সহযোগিতা করেছে। আমাদের শরণার্থীদের সাহায্য করেছে। ভারতই আমাদের অস্ত্র ও ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করেছে। মিত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর যৌথ কমান্ডে আমরা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলাম। আমাদের রক্তের সঙ্গে ভারতের রক্ত মিশে আছে। কাজেই ভারতকে এই মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না জানানো অকৃতজ্ঞতার পরিচয়। ” সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলা ২০০ কোটি না ২ কোটি এটা বিষয় না। দুর্নীতি হয়েছে কিনা সেটা দেখার বিষয়। তিনি বলেন, দুদক স্বাধীন না হলে সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা টার্গেটে কেন। ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মুজিববর্ষে বিদেশি অতিথিরাও আসবেন। এ জন্য যাবতীয় প্রস্তুতির কাজ এগিয়ে চলছে। মন্ত্রী বলেন, এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন আমাদের খুব জরুরি বিষয়। এটা যোগযোগের জন্যও খুব প্রয়োজন। মুজিববর্ষে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থলে অনেকেই যাবেন।

উন্নত চিকিৎসায় ‘সম্মতি দেননি’ খালেদা

ঢাকা অফিস ॥ দুর্নীতি মামলায় দ-িত খালেদা জিয়া মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী ‘অ্যাডভানসড ট্রিটমেন্ট’ নিতে সম্মতি দেননি বলে আদালতকে জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের এই প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বৃহস্পতিবার নাকচ করেদেয় বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কেএম জহিরুল হকের হাই কোর্ট বেঞ্চ। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এবং দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান। জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট মামলায় খালেদার জামিন আবেদন নাকচ করে গত ১২ ডিসেম্বর এক আদেশে আপিল বিভাগ বলেছিল, বিএনপি চেয়ারপারসনের সম্মতি থাকলে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে দ্রুত ‘অ্যাডভানসড ট্রিটমেন্ট’ দেওয়ার পদক্ষেপ নিতে হবে। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা দুই মাসের মাথায় নতুন করে জামিন আবেদন করার পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসনের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার প্রতিবেদন দিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতি নির্দেশনা চান হাই কোর্টের কাছে। এই প্রেক্ষাপটে গত ২৩ ফেব্র“য়ারি শুনানি করে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের উপাচার্যকে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট। আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসা নিতে খালেদা জিয়া সম্মতি দিয়েছেন কি না, দিয়ে থাকলে তার চিকিৎসা শুরু হয়েছে কি না, শুরু হয়ে থাকলে সর্বশেষ কী অবস্থা- তা সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের জেনারেলের মাধ্যমে আদালতকে জানাতে বলা হয়। সে অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের পাঠানো প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার আদালতে উপস্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল। পরে বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক তা পড়ে শোনান। সেখানে বলা হয়, খালেদা জিয়া উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও প্রতিস্থাপনজনিত হাঁটুর ব্যথায় (অস্টিও-আরথ্রাইটিস) ভুগছেন। অন্য সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকালেও অস্টিও-আরথ্রাইটিসের ‘অ্যাডভানসড ট্রিটমেন্ট’ শুরুর বিষয়ে তিনি সম্মতি দেননি। এমনকি সেই চিকিৎসকার জন্য যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা দরকার, সেগুলোও করা যাচ্ছে না। খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন আদালতেকে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন কেন সম্মতি দেননি, সেটা জানতে তার সঙ্গে কথা বলতে চান তিনি। সেজন্য সময়ের আবেদন করে তিনি জামিন প্রশ্নে আদেশের বিষয়টি রোববার পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেন। তবে তাতে সাড়া না দিয়ে বিচারক বলেন, খালেদা জিয়া কেন সম্মতি দেননি, সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। তার জামিনের বিষয়ে বেলা ২টায় আদেশ দেওয়া হবে।

মেধা কুষ্টিয়ার উপদেষ্টা এ্যাড. অনুপ কুমার নন্দী কুষ্টিয়া বারের ২য় বার সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় মেধার পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন এম এ শামীম, এম. আলমগীর হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ ডেকেছে বিএনপি

ঢাকা অফিস ॥ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ হওয়ার প্রতিবাদে শনিবার ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশের বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরে বিক্ষোভ ডেকেছে বিএনপি। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে নয়াপল্টনের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী এ ঘোষণা দেন। রিজভী বলেন, শনিবার ঢাকাসহ সারা দেশের বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। এছাড়া শনিবার দুপুর ২টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, এই খারিজ আদেশের মধ্য দিয়ে সরকারের হিংসাশ্রয়ী নীতিরই প্রকাশ হয়েছে। এ সময় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। বিএনপির এই সিনিয়র নেতা অভিযোগ করে বলেন, এই সরকার দেশনেত্রীকে অন্যায়ভাবে সব ধরনের আইনি অধিকার হরণ করে কারারুদ্ধ করে রেখেছে। প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের দন্ড মাথায় নিয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্র“য়ারি থেকে কারাবন্দি খালেদা জিয়া ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দল ও পরিবারের সদস্যরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে অন্য হাসপাতালে নিতে চাইলে তাতে অনুমতি মেলেনি। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় জামিন চেয়ে এর আগেও হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। কিন্তু অপরাধের গুরুত্ব, সংশ্লিষ্ট আইনের সর্বোচ্চ সাজা এবং বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়াসহ অন্য আসামিদের করা আপিল শুনানির জন্য প্রস্তুত- এমন তিন বিবেচনায় হাইকোর্ট বেঞ্চ ৩১ জুলাই সেই আবেদন খারিজ করে দেন। এর পর খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আপিল বিভাগে যান। কিন্তু খালেদা জিয়া জামিন পাননি। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়ে জামিন আবেদনটি খারিজ করে দেন। আপিল বিভাগের ওই রায়ে বলা হয়, বিএনপি চেয়ারপারসনের সম্মতি থাকলে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে দ্রুত ‘অ্যাডভান্সড ট্রিটমেন্ট’ দেয়ার পদক্ষেপ নিতে। সেই রায় ১৯ জানুয়ারি প্রকাশিত হওয়ার পর হাইকোর্টে নতুন করে জামিন আবেদন করার উদ্যোগ নেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। ৩৬টি মামলার মধ্যে ৩৪টি মামলায় খালেদা জিয়া জামিনে আছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।

করোনা রোধে সৌদিতে ওমরাহ ও ভিজিট ভিসা স্থগিত

ঢাকা অফিস ॥ ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে বিশ্বের সব দেশের নাগরিকদের জন্য আপাতত ওমরাহ হজ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। এছাড়াও করোনা সংক্রমিত দেশের মানুষকে সৌদিতে ভ্রমণ নিষিদ্ধ করেছে সৌদি কৃর্তপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সৌদি জনগণের নিরপত্তার কথা চিন্তা করে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সৌদি আরবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের বিষয়টি পুরোপুরি তাদের নজরদারিতে রায়েছে। এরই মধ্যে করোনা আক্রান্ত যেসব দেশের মানুষ সৌদি আরবের পর্যটক ভিসা পেয়েছেন, উচ্চমাত্রার ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে তাদের ভিসাও বাতিল করা হয়েছে। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে দেশ ইরান, বাহরাইন, ইরাক, সংযুক্ত আবর আমিরাতসহ কয়েকটি দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে । গত বছরের শেষের দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস। এখন পুরো চীন থেকে পুরোপুরি অবরুদ্ধ অবস্থায় আছে উহান। এই ভাইরাসে শুধুমাত্র চীনেই প্রাণ হারিয়েছে ২ হাজার ৮০৪ জন। আক্রান্ত হয়েছে ৮২ হাজার ১৬৬ জন। এখন পর্যন্ত ৩৩ হাজার ২০৬ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। চীনের বাইরে ইরান, ইটালি, সাউথ কোরিয়া, জাপানসহ কয়েকটি দেশে প্রাণ হারিয়েছে আরও অর্ধশতাধিক মানুষ।

দৌলতপুরের আল্লারদর্গায় যমুনা ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের আল্লারদর্গায় যমুনা ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় আল্লারদর্গা বাজারে যমুনা ব্যাংকের এ শাখার উদ্বোধন করা হয়। যমুনা ব্যাংক কুষ্টিয়া শাখার ব্যবস্থাপক মো. বদরুল আলমের সভাপতিত্বে যমুনা ব্যাংকের ব্যাংক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, যমুনা ব্যাংক খুলনা জোনাল অফিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সাব্বির আহম্মেদ খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন যমুনা ব্যাংক যশোর ব্রাঞ্চের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রশান্ত কুমার দাস ও কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ¦ রেজাউল হক চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, আল্লারদর্গা বাজার কমিটির সভাপতি হবিবর রহমান লস্কর ও জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার জামিল জুয়েলসহ স্থানীয় সুধীজন। পরে অতিথিবৃন্দ ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে যমুনা ব্যাংকের আল্লারদর্গা শাখার উদ্বোধন করেন।