মুশফিকের ডাবল ও মোমিনুলের সেঞ্চুরির পর নাইমের ঘুর্ণিতে ইনিংস হারের মুখে জিম্বাবুয়ে

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ মুশফিকুর রহিমের ডাবল ও অধিনায়ক মোমিনুল হকের সেঞ্চুরির পর শেষ বিকেলে স্পিনার নাইম হাসানের ঘুর্ণিতে সিরিজের একমাত্র টেস্টের তৃতীয় দিন শেষেই বাংলাদেশের কাছে ইনিংস হারের মুখে পড়ে গেছে সফরকারী জিম্বাবুয়ে। প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ের ২৬৫ রানের জবাবে ৬ উইকেটে ৫৬০ রানে নিজেদের ইনিংস ঘোষণা করে টাইগাররা। ফলে প্রথম ইনিংস থেকে ২৯৫ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। মুশফিক অপরাজিত ২০৩ রান করেন। মোমিনুল ১৩২ রানে ফিরেন। প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে থেকে নিজেদের ইনিংস শুরু করে তৃতীয় দিন শেষে ২ উইকেটে ৯ রান করেছে জিম্বাবুয়ে। ইনিংস হার এড়াতে বাকী ৮ উইকেটে আরও ২৮৬ রান করতে হবে সফরকারীদের। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের দ্বিতীয় দিন শেষে ৭১ ওভারে ৩ উইকেটে ২৪০ রান করেছিলো বাংলাদেশ। তখনও ২৫ রানে পিছিয়ে ছিলো টাইগাররা। মোমিনুল ৭৯ ও মুশফিক ৩২ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন। তৃতীয় দিনের চতুর্থ ওভারের শেষ বলে প্রথম বাউন্ডারি মারেন মুশফিক। সর্তকতার সাথে শুরু করলেও, ষষ্ঠ ওভারে আইনসলে এনডলোভুকে তিনটি চার মারেন মুশফিক- মোমিনুল। এরমধ্যে দু’টি ছিলো মুশির। ৭৯তম ওভারের জিম্বাবুয়ের রানকে টপকে লিড নেয় বাংলাদেশ। কিছুক্ষণ বাদে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২২তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিক। আর ৮৩তম ওভারের তৃতীয় বলে টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি পুর্ণ করেন অধিনায়ক মোমিনুল। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম সেঞ্চুরি তার। এই শতকে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিতে তামিম ইকবালের সমান হন মোমিনুল। এক প্রান্ত দিয়ে মোমিনুলের সেঞ্চুরি ও অন্যপ্রান্ত দিয়ে নিজের ইনিংসটি বড় করছিলেন মুশফিক। তাই প্রথম সেশনেই সেঞ্চুরির সম্ভাবনা তৈরি করে ফেলেন মুশি। ৯৯ রানে অপরাজিত থেকে মধ্যাহ্ন-বিরতিতে যান মুশফিক। তখন মোমিনুলের রান ছিলো ১১৯। বিরতি থেকে ফিরে ইনিংসের নবম বলেই টেস্ট ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মুুশফিক। আইনসলে এনডলোভুকে বাউন্ডারি মেরে তিন অংকে পা দেন তিনি। মুশফিকের সেঞ্চুরির পর প্যাভিলিয়নে ফিরেন মোমিনুল। বোলার এনডলোভুকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ১৩২ রানে আউট হন টাইগার নেতা। ১৪টি চারে ২৩৪ বলে ১৩২ রান করেন মোমিনুল। ৩৬৭ বলে মোমিনুল-মুশফিক জুটি যোগ করেন ২২২ রানে। অধিনায়কের বিদায়ে ক্রিজে মুশফিকের সঙ্গী হন মোহাম্মদ মিঠুন। কিন্তু মিঠুনকে বড় ইনিংস খেলতে দেননি এনডলোভু। ২৩ বলে ৩টি চারে ১৭ রান করেন মিঠুন। মিঠুন না পারলেও, মুশফিকের সাথে বড় জুটি গড়েছেন উইকেটরক্ষক লিটন দাস। চা-বিরতির আগে মুশফিকের সঙ্গী হয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে পঞ্চম হাফ- সেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন। তবে হাফ-সেঞ্চুরির পর বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তিনি। ৫৩ রানে আউট হন এই ডান-হাতি ব্যাটসম্যান। জিম্বাবুয়ের উইকেটরক্ষক রেগিস চাকাবার বুদ্ধিদীপ্ত ক্যাচে স্পিনার সিকান্দার রাজার বলে বিদায় নেন লিটন। ৯৫ বলে ৫টি চারে ৫৩ রান করেন লিটন। মুশফিকের সাথে ষষ্ঠ উইকেটে ১৭৯ বলে ১১১ রান করেন লিটন। লিটন যখন ফিরেন তখন ১৮৯ রানে দাঁড়িয়ে ডাবল-সেঞ্চুরির প্রহর গুনছিলেন মুশফিক। ইনিংসের ১০১তম ওভারে এনডলোভুকে চার মেরে সেঞ্চুরি করেছিলেন মুশি। আর ১৫৪তম ওভারে সেই এনডলোভুকে বাউন্ডারি মেরে ক্যারিয়ারের তৃতীয় ডাবল-সেঞ্চুরি পূর্ন করেন মুশফিক। মুশির এই্ কীর্তি সামনে থেকে দেখেছেন অন্যপ্রান্তের ব্যাটসম্যান তাইজুল ইসলাম। মুশফিকের ডাবল-সেঞ্চুরির ওভারেই বাংলাদেশের ইনিংস ঘোষনা করেন অধিনায়ক মোমিনুল। এ সময় ৩১৮ বলে ২৮টি চারে ২০৩ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন মুশফিক। ১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তাইজুল। জিম্বাবুয়ের এনডলোভু ১৭০ রানে ২ উইকেট নেন। বাংলাদেশ ইনিংস ঘোষনা করায় দিনের শেষভাগে ৫ ওভার ব্যাটিং করে জিম্বাবুয়ে। এই ৫ ওভাওেন দুই উইকেট হারিয়ে ইনিংস হারের মুখে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে। বল হাতে ইনিংস উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের স্পিনার নাইম হাসান। দ্বিতীয় বলে প্রিন্স মাসভাউরিকে বোল্ড করেন নাইম। নাইটওয়াচম্যান হিসেবে ক্রিজে আসেন তিরিপানো। তৃতীয় বলে উইকেটের পেছনে নাইমের বলে ক্যাচ দিয়ে শুন্য রানে আউট হন তিনি। তাই স্কোর বোর্ডে রান উঠার আগেই ২ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। প্রথম ওভারটা ভয়ানক গেলেও, পরের চার ওভারে আর কোন বিপদ হতে দেননি আরেক ওপেনার কেভিন কাসুজা ও অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেইলর। অবিচ্ছিন্ন থেকে দিন শেষ করেন কাসুজা ও টেইলর। কাসুজা ৮ ও টেইলর ১ রানে অপরাজিত থাকেন। নাইম ৪ রানে ২ উইকেট নেন। স্কোর কার্ড : জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংস : ২৬৫, ১০৬.৩ ওভার (আরভিন ১০৭, মাসভাউরি ৬৪, নাইম ৪/৭০) : বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস (আগের দিন ২৪০/৩, ৭১ ওভার, মোমিনুল ৭৯*, মুশফিক ৩২*) : তামিম ইকবাল ক চাকাবা ব ত্রিপানো ৪১, সাইফ হাসান ক চাকাবা ব নায়ুচি ৮, নাজমুল হোসেন শান্ত ক চাকাবা ব টিসুমা ৭১, মোমিনুল হক ক এন্ড ব এনডলোভ ১৩২, মুশফিকুর রহিম অপরাজিত ২০৩, মোহাম্মদ মিঠুন ক চাকাবা ব এনডলোভ ১৭, লিটন দাস ক চাকাবা ব রাজা ৫৩, তাইজুল ইসলাম অপরাজিত ১৪, অতিরিক্ত (বা-৮, লে বা-৩, নো- ৫, ও-৫) ২১, মোট (৬ উইকেট ডি, ১৫৪ ওভার) ৫৬০, উইকেট পতন : ১/১৮ (সাইফ), ২/৯৬ (তামিম), ৩/১৭২ (শান্ত), ৪/৩৯৪ (মোমিনুল), ৫/৪২১ (মিঠুন), ৬/৫৩২ (লিটন)। জিম্বাবুয়ে বোলিং : ত্রিপানো : ৩০-৬-৯৬-১ (ও-৪, নো-২), নায়ুচি : ২৭-৩-৮৭-১ (ও-১, নো-২), রাজা : ৩০-২-১১১-১ (নো-১), টিসুমা : ২৫-২-৮৫-১, এনডলোভ : ৪২-৪-১৭০-২। জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংস : প্রিন্স মাসভাউরি বোল্ড ব নাইম ০, কেভিন কাসুজা অপরাজিত ৮, ডোনাল্ড ত্রিপানো ক লিটন ব নাইম ০, ব্রেন্ডন টেলর অপরাজিত ১

অতিরিক্ত ০, মোট (২ উইকেট, ৫ ওভার) ৯, উইকেট পতন : ১/০ (মাসভাউরি), ২/০ (ত্রিপানো)। বাংলাদেশ বোলিং : নাইম হাসান : ৩-১-৪-২, তাইজুল ইসলাম : ২-০-৫-০।

কিংবদন্তিদের কাতারে মুশফিক

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ টেস্টে দুটি ডাবল সেঞ্চুরি করে আগেই বাংলাদেশের হয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চলমান মিরপুর টেস্টে নিজের সাদা পোশাকের ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মতো ডাবল সেঞ্চুরি করলেন মুশফিক। ৩১৫ বলে ২৮টি চারের সাহায্যে ডাবল (২০২) সেঞ্চুরির দেখা পান মুশফিক। দলীয় ১৫৪তম ওভারে এইন্সলে এনলোভু দ্বিতীয় বলে চার হাঁকিয়ে এমন কীর্তি গড়েন তিনি। মুশফিকের আগে টেস্টে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন সনথ জয়সুরিয়া, স্টিফেন ফ্লেমিং, ভিভ রিচার্ডস, জাস্টিন ল্যাঙ্গার, গ্যারি কারেস্টন, ক্রিস গেইল ও কেভিন পিটারসেনরা কিংবদন্তিরা। এছাড়া হালের স্টিভেন স্মিথ, জো রুট, চেতশ্বর পুজারা ও আজহার আলীদেরও ডাবল সেঞ্চুরি রয়েছে। তৃতীয়বারের মতো ডাবল সেঞ্চুরি করলেন মুশফিক। এদিকে সোমবার ৭০তম টেস্ট ম্যাচ খেলতে নেমে এর আগে সপ্তম সেঞ্চুরির দেখা পান মুশফিক। পরে নিজের সেঞ্চুরিকে ডাবলে পরিণত করেন। মুশফিক এর আগে ২০১৮ সালে মিরপুর টেস্টে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ক্যারিয়ার সেরা ২১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। আর ২০১৩ সালে গল টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথমবার ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন। ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথমবার ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন। এর আগে, ২০১৮ সালে মিরপুর টেস্টে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ক্যারিয়ার সেরা ২১৯ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক। আর ২০১৩ সালে গল টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথমবার ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন।

 

জাতীয় নাট্যোতসবে ‘ভাগের মানুষ’

বিনোদন বাজার ॥ দেশের ৬৪ জেলায় শুরু হওয়া জাতীয় নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হবে সময় নাট্যদলের নাটক ‘ভাগের মানুষ’।

‘জঙ্গি অবক্ষয় দুর্নীতি, মানবে না এ সংস্কৃতি’ এই স্লোগান নিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে হওয়া এ উৎসবে সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হবে নাটকটি; সেদিন নাটকটির ১৮৭তম প্রদর্শনী হবে।

পাকিস্তানের লেখক সাদাত হাসান মান্টো’র ছোট গল্প ‘টোবাটেক সিং’ অবলম্বনে ‘ভাগের মানুষ’ নাটকটির নাট্যরূপ দিয়েছেন মান্নান হীরা এবং নির্দেশনা দিয়েছেন বিশিষ্ট নাট্যজন আলী যাকের। এটি ‘সময়’ এর ২৬তম প্রযোজনা। ১৯৯৭ সাল থেকে সময় দেশে ও দেশের বাইরে নাটকটির প্রদর্শণী করে আসছে।আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি অনির্বাণ থিয়েটার, দর্শনা আয়োজিত আট দিনব্যাপী ‘একুশে নাট্যমেলা’র সমাপনী দিন ‘ভাগের মানুষ’ এর একটি প্রদর্শনী হবে। পরের দিন সময় নাট্যদল কলকাতা রওনা হবে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত কলকাতার অনীক নাট্যদলের আয়োজনে শুরু হচ্ছে ‘গঙ্গা-যমুনা নাট্যোৎসব’। উৎসবে আগামী ১ মার্চ তপন থিয়েটার মঞ্চ, কালিঘাটে সময় নাট্যদল ‘ভাগের মানুষ’ নাটকের একটি প্রদর্শনী করবে।

নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন- পাভেল ইসলাম, আকতারুজ্জামান, ইয়ামিন জুয়েল. রেজাউর রহমান রিজন, ফখরুল ইসলাম মিঠু, মাহমুদুল আলম, মানসুরা রশীদ লাভলী, তোফায়েল সরকার, সুনিতা বড়ুয়া, আলমগীর হোসেন, আনোয়ার, রুমা, সানী, চন্দন বোস, কবিতা প্রমূখ।

১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগের কয়েক বছর পরের ঘটনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উত্তেজনা যেমন কমেনি, সাম্প্রদায়িক বিষ বাস্পের তেজ তখনও নিভে যায়নি। কিন্তু ভৌগলিক সীমাবদ্ধতায় মানুষকে বেঁধে ফেলে এক ধরনের নাগরিক স্বস্তি দেবার প্রয়াস শুরু হয়েছে মাত্র। অথচ হতাশা, ক্ষোভ, যন্ত্রনা, প্রিয়জন হারানোর বেদনা তখনও জ্বল জ্বল করছে মানুষের বুকে।

মানুষের ভলোবাসা, বন্ধুত্ব, প্রেমকে দ্বিখন্ডিত করে উপমহাদেশের এই মাটিতে রচিত হয় পাকিস্তান ও ভারত নামের দু’টি রাষ্ট্র। অথচ দেশ ভাগ মানেই তো মানুষের ভাগ, মানচিত্রের ভাগ, ভূগোলের ভাগ। শুরু হয় দু’দেশের মধ্যে বিনিময় বিনিময় খেলা। মানুষের বিনিময়ে মানুষ, ধর্মের বিনিময়ে ধর্ম, পাগলের বিনময়ে পাগল।’ এমন গল্পই দেখা যাবে ‘ভাগের মানুষ’ নাটকে।

ইতালিতে করোনাভাইরাস পরীক্ষা হবে মেসিদের

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ খেলতে ইতালিতে পৌঁছানোর পর বার্সেলোনা খেলোয়াড়দের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করে দেখা হবে বলে সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে ইএসপিএন এফসি। ইউরোপিয়ান শীর্ষ প্রতিযোগিতায় শেষ ষোলোর প্রথমে লেগে মঙ্গলবার রাতে নাপোলির মুখোমুখি হবে স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নরা। এর এক দিন আগে নাপোলসে পৌঁছানোর কথা কাম্প নউয়ের দলটির। ইতালির উত্তরাঞ্চলে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় ইতোমধ্যে সেরি আ লিগের বেশ কয়েকটি ম্যাচ স্থগিত করা হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন, লিগের ২৬তম রাউন্ডের সব খেলা স্থগিত করতে। গূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ইএসপিএন এফসি জানায়- দেশটিতে পৌঁছানোর পর বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হবে, অসুস্থতার লক্ষণ ধরা পড়লে সেখান থেকে সরাসরি নেওয়া হবে হাসপাতালে। ইউরোপে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রুখতে ইতোমধ্যে অনেকগুলো পদক্ষেপ নিয়েছে ইতালি। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে শনিবার পর্যন্ত দেশটিতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

 

 

বিবাহবার্ষিকীতে রাভিনার চমক

বিনোদন বাজার ॥ বলিউড অভিনেত্রী রাভিনা ট্যান্ডন তার ১৬ তম বিবাহবার্ষিকীতে তার স্বামী রে অনিলের সঙ্গে একটি ঘনিষ্ঠ ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে উপহার দেন স্বামীকে। ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করার সাথে সাথে ছবিটি ভক্তদের নজর কেড়েছে। ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যাতে মিষ্টি একটি ক্যাপশন লেখা ছিলো “আমাদের ১৬ বছরের যাপিত জীবন। একসঙ্গে আরো অনেক পথ চলা বাকি। আপনাদের আশীর্বাদ চাই।” ক্যাপশন দেখে আবেগ আপ্লুত হোন ভক্ত অনুরাগীরা। সবাই আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সুখী দম্পতিকে।

অক্ষয় কুমারের সঙ্গে প্রেম ভাঙার পর ২০০৪-এ রাভিনা বিয়ে করেন ডিসট্রিবিউটর অনিলকে। তাদের দুই সন্তান, মেয়ে রাশা ও ছেলে রণবীর। নয়ের দশকে রাভিনা দুই কন্যা সন্তান দত্তক নেন। তারা পূজা আর ছায়া।

খুব শিগগিরিই রাভিনা ট্যান্ডনকে দেখা যাবে “কে.জি.এফ চ্যাপ্টার-২” ছবিতে। ছবিটি কন্নড় ছাড়াও মুক্তি পাবে তামিল, তেলেগু, মালায়ালাম এবং হিন্দি ভাষায়। অভিনেত্রী গত মাসে এই ছবিতে তাঁর কাজের কথা জানিয়েছেন। আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন পরিচালক প্রশান্ত নীলকে। এই ছবিতে তাঁর চরিত্রের নাম রমিকা সেন।

সংবাদ পাঠিকাকে বিয়ে করছেন তাহসান?

বিনোদন বাজার ॥ জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তাহসানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর গত ডিসেম্বরে কলকতার পরিচালক সৃজিত মুখার্জিকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা।

মিথিলার দ্বিতীয় বিয়ের ৭৫দিন পর এবার তাহসানেরও বিয়ের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

এ নিয়ে বাংলাদেশের কয়েকটি মিডিয়াসহ কলকাতার প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

জানা গেছে, নতুন ভাবে জীবন শুরু করার কথা শোনা যাচ্ছে সঙ্গীতশিল্পী তাহসান রহমান খানের।

মিথিলার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর আবার নতুন করে নাকি পথ চলা শুরু করতে চলেছেন তিনি।

বাংলাদেশের মিডিয়ার বরাতে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, কিছু দিন আগে ঢাকার বনানী অঞ্চলের এক রেস্তরাঁয় জনৈক সংবাদ পাঠিকার সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটাতে দেখা যায় তাহসানকে। সে কথা প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ওই মানুষটিই যে তাহসানের জীবনের ‘স্পেশাল পার্সন’-দাবি করছেন অনেকেই।

তবে বাকিদের মতে, এ নেহাতই গুঞ্জন, উড়ো গসিপ। কাজের জন্যই সেই সংবাদ পাঠিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি।

তারপরও অনুরাগীদের মধ্যে জল্পনা থামছেই না…যদিও পুরো ঘটনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি তাহসান।

দীর্ঘ ১১ বছর মিথিলার সঙ্গে সংসারের পর ২০১৭ সালে যৌথভাবে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা করেন তাহসান-মিথিলা জুটি।

এরপর ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বরে পরিচালক সৃজিত মুখার্জিকে বিয়ে করেন মিথিলা।

বিয়ের ৬ বছর পর স্ত্রী-সন্তান নিয়ে প্রকাশ্যে সাইমন

বিনোদন বাজার ॥ বিয়ের ৬ বছর পর স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে প্রকাশ্যে এনে চমকে দিলে সাইমন সাদিক। এই নায়ক বিয়ে করেছেন খবরটাই জানা ছিল না তার ভক্ত-অনুরাগীদের। কিন্তু পুত্র সন্তানও আছে তার সেটি ছিল আরও চমকপ্রদ। সবাই জানতেন সাইমন অবিবাহিত। শনিবার ফেসবুকে স্ত্রী ও সন্তানের ছবি প্রকাশ করে সবার কাছে দোওয়া চেয়েছেন ‘পোড়ামন’ খ্যাত এই নায়ক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন নিজের পুত্রের ছবি। জানালেন তার নাম সাদিক মো. সাইয়্যান। ডাক নাম টুকটুক। বয়স ৪ বছর ৪ মাস।

ফেসবুকে সাইমন লিখেছেন, বাবা-মা পৃথিবীর সবচেয়ে অমূল্য রতন। যা কিনা অনেকের মতো আমিও ভাষায় প্রকাশ করতে পারি না! আমার আব্বুকে কখনো বলিনি তুমি আমাদের কতো বড় শক্তি, ছায়া, ভালোবাসা, আরো কতো কি যে আমরা উপলব্ধি করি, তুমি আছো বলে। কোনো দিন আপনাদেরও বলিনি আমিও বাবা হয়েছি। আমার বড় ধন, আমার জীবন, আমার সন্তান, সাদিক মো. সাইয়্যান (৪ বছর ৪ মাস) আমার বড় ছেলে। ও তার বিদ্যালয় জীবনের প্রথম পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে। একজন বাবা হিসেবে এটাই আমার সেরা মুহূর্ত। আমার টুকটুকের জন্য দোয়া করবেন যেন মানুষের মতো মানুষ হয়। বাংলাদেশকে যেন অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।

এতোদিন সন্তানকে প্রকাশ্যকে না আনার জন্যও ফেসবুক স্ট্যাটাসে ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন পোড়ামন খ্যাত এই চিত্রনায়ক। তিনি বলেন, আমাকে ক্ষমা করবেন ওকে এতো দিন পর আপনাদের সামনে আনার জন্য। এ বিষয়ে জানতে সাইমন সাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হ্যাঁ, আমি বিয়ে করেছি। আমার দুই পুত্র সন্তানও আছে। দীর্ঘ ৯ বছর প্রেম করার পর দুই পরিবারের সম্মতিতে ২০১৪ সালে ঢাকার মেয়ে দীপাকে বিয়ে করেন সাইমন। সাইমন-দীপা দম্পতির রয়েছে দুই ছেলে সন্তান। বড় ছেলের নাম সাদিক মো. সাইয়্যান। তার বয়স চার বছর চার মাস। সে এখন প্রথম শ্রেণিতে পড়াশোনা করেছেন। আর ছোট ছেলের নাম সাদিক মো. সাইয়্যার। তার বয়স পাঁচ মাস।

সাইমন বলেন, আমার বিয়ের বিষয়টা অনেকেই জানতো না, শুধু কাছের কয়েকজন ছাড়া। ভালোবেসে বিয়ে করেছি। দীপার সঙ্গে আমার প্রেম ছিল নয় বছরের। দুজন দুজনকে খুব ভালবাসি আর সেই ভালবাসাকে পূর্ণতা দিতেই আমরা বিয়ে করি। কিন্তু এই বিষয়টা এতদিন প্রকাশ্যে আনিনি। আজ ছেলের আনন্দে বিষয়টি সবার সামনে নিয়ে এসেছি।

ছেলেকে নিয়ে তিনি বলেন, বাবা হওয়ার অনুভূতি আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মত না। আমার কাছে আমার ছেলেই সবকিছু। আমি ওর জন্য সবার কাছে দোয়া চাই। আজকে আমার বড় ছেলে তার জীবনের প্রথম পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে। এটা আমার জন্য অতি আনন্দের। আর তাই আজকে এই খুশিতে আত্মহারা হয়ে ছেলের ছবি প্রকাশ করি।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে ৬ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে ‘চল যাই’

বিনোদন বাজার ॥ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আগামী ৬ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে চলচ্চিত্র ‘চল যাই’। মহান এই ব্যক্তিত্বের একটি উক্তিকে উপজীব্য করে নির্মিত এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন ও একঝাঁক তরুণ অভিনয়শিল্পী।

এ প্রসঙ্গে অভিনেতা মিলন জানান, কয়েকজন তরুণ-তরুণীর দিশা খুঁজে পাওয়ার গল্প ‘চল যাই’। যে গল্পে নিবিড়ভাবে এসেছে মুক্তিযুদ্ধ, যে যুদ্ধের বাতিঘর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। চলচ্চিত্রে মিলন অভিনয় করেছেন গুরুত্বপূর্ণ এক চরিত্রে।

মিলনের মতে, এই চরিত্রটি দর্শককে ভাবাবে। খালিদ মাহবুব তূর্যর গল্প ও চিত্রনাট্যে ‘চল যাই’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন মাসুমা রহমান তানি। এন ইনিশিয়েটিভ মাল্টিমিডিয়া নির্মিত ছবিটি প্রযোজনা করেছেন রাসেল মাহমুদ। এর এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট পার্টনার হিসেবে রয়েছে বাংলাঢোল।

’চল যাই’ ছবিটি গত বছরের ১৫ আগস্ট মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা ছিলো। কিছু বিশেষ কারণে মুক্তির তারিখ পিছিয়ে ৬ মার্চ চূড়ান্ত করা হয়েছে। মিলনের পাশাপাশি ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন তাসনুভা তিশা, লুসি তৃপ্তি গোমেজ, হুমায়রা হিমু, সাব্বির হাসান, হৃতিকা ইসলাম, নাভিদ মুনতাসির, শিশুশিল্পী শরীফুলসহ আরও অনেকে।

নির্মাতা জানান, ২২ ফেব্রুয়ারি ‘চল যাই’ চলচ্চিত্রের ট্রেলার উন্মুক্ত করা হয়েছে বাংলাঢোলের ইউটিউব চ্যানেলে। একই চ্যানেলে পাওয়া যাচ্ছে ছবির গানচিত্রগুলো।

গ্রীষ্মকালীন জনপ্রিয় ফল তরমুজ লাভজনক কৃষিপণ্য

কৃষি প্রতিবেদক ॥ তরমুজ গ্রীষ্মকালীন একটি জনপ্রিয় ফল। গরমে তরমুজ দেহ ও মনে শুধু প্রশান্তিই আনে না এর পুষ্টি ও ভেষজগুণ রয়েছে অনেক। প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও অন্যান্য খাদ্য উপাদান রয়েছে তরমুজে। রাতকানা, কোষ্ঠ-কাঠিন্য, অন্ত্রীয় ক্ষত, রক্তচাপ, কিডনিসহ নানা ধরনের অসুখ প্রতিরোধ করে। গরমের দিনে ঘামের সাথে প্রচুর লবণ ও জল বেরিয়ে যায়। তরমুজে প্রায় ৯৬ ভাগই জল এবং প্রচুর খনিজ লবণ থাকায় দেহে লবণ ও জলের ঘাটতি পূরণ করে। আসুন, আমরা জেনে নেই কীভাবে এই উপকারী ফলটি চাষ করতে হয়। মাঘ-ফাল্গুন হচ্ছে তরমুজ চাষের সময়। তবে হাইব্রিড জাতের বীজ গোটা ফাল্গুন মাস ধরে লাগানো যায়। আমাদের দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় জাত হল সুগার বেবি। ওপেন পলিনেটেড গোলাকার সমান আকৃতির ঘন সবুজ আবরণের ঘন লাল অভ্যন্তর জাতটি  বেশি চাষ হয়। চাষের পর তরমুজ সাধারণত আড়াই মাসের মাথায় ফলন দিয়ে থাকে। অন্যান্য যে জাতগুলো আছে তা হল আসাহি ইয়ামাতো, আধারি, পুষা  বেদানা ইত্যাদি। হাইব্রিড জাতের মধ্যে সুগার এম্পায়ার, অমৃত, মিলন মধু, সুগার  বেলে, ক্রিমসন সুইট, ক্রিমসন গ্লোরি, মোহিনী, আমরুদ ইত্যাদি। তবে সাগর এলাকায় পাটনাগরা এবং মধু এফ ওয়ান হাইব্রিড জাতটির চাষ বেশি হচ্ছে। পাটনাগরা জাতটি গোলাকৃতি সবুজ আবরণীর শাঁসালো লাল রঙের অভ্যন্তর। আকারে বড়, ৬ থেকে ৭ কেজি পর্যন্ত হয়। তিন মাসে ফলন ওঠে। মধু জাতটি একটু লম্বাটে গোলাকার মাঝারি সবুজ আবরণে লম্বা দাগযুক্ত, মধ্যে গাঢ় লাল রঙের, মাঝে সরু বীজযুক্ত ফল। এই দু’টি জাতই জলদি, মাঝারি ও নাবি চাষের জন্য উপযুক্ত। উন্নতজাত কাঠাপ্রতি ১৫ গ্রাম ও হাইব্রিড জাত চাষের জন্য ৫ গ্রাম বীজ লাগবে। বিঘাপ্রতি মূল সার হিসেবে গোবর বা আবর্জনা পচা সার ৩০ ক্যুইন্টাল বা নিম  খোল ২ ক্যুইন্টাল, সুজলা ২০ : ২০ : ২০ কেজি এবং মিউরেট অব পটাশ ৭ কেজি শেষ চাষের সময় জমির মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। পরিবর্তে ইপকো এনপিবে ১০ : ২৬ : ২৬ বিঘাপ্রতি ১৫ কেজি ইউরিয়া ৫ কেজি এবং আগে বলা গোবর সার বা নিম  খোল দিতে হবে। তবে হাইব্রিড জাত চাষের জন্য মাদা  তৈরির সময় সুফলা (১৫ : ১৫ : ১৫) বিঘাপ্রতি ৪৫ কেজি ও মিউরেট অব পটাশ ৩ কেজি মূল সার হিসেবে প্রয়োগ করা দরকার। ওই একই পরিমাণ সার বীজ বসানোর ২৫ থেকে ৩০ দিন পরে প্রয়োগ করতে হবে। তরমুজ চাষে ভাল ফলন পেতে হলে প্রথম থেকেই কয়েকটি বিষয়ের প্রতি নজর  দেয়া দরকার। চাষের এলাকার উপযোগী এবং বাজারের চাহিদা অনুযায়ী জাত নির্বাচন করতে হবে। শীত শীত থাকলে কম তাপমাত্রার জন্য মাদায় বীজ বুনে ফল আসা পর্যন্ত খড় চাপা দিয়ে মাচা গরম রাখতে হবে। প্রতি মাদায় ৩টি সমান চারা  রেখে বাকি চারা তুলে দিতে হবে। মাদা থেকে মাদার দূরত্ব আড়াাই ফুট এবং লাইন  থেকে লাইন ৫ ফুট রাখা দরকার। তবে হাইব্রিড জাতের জন্য ৬ ফুট থেকে ৩ ফুট রাখা ভাল। চারা বের হওয়ার ২৫ ও ৪৫ দিনের মাথায় ফুল/ফল বৃদ্ধিকারক ¯েপ্র করলে ভাল হয়। উন্নতজাতের বীজ কাঠাপ্রতি দেড় ক্যুইন্টাল এবং হাইব্রিড জাতের চাষে ৩ থেকে ৪ ক্যুইন্টাল ফলন হবে। ভাল বীজের অভাব এবং নানা ধরনের পোকা-মাকড়ের আক্রমণের কারণে তরমুজ চাষ দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে। পোকা-মাকড়ের আক্রমণেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অনেক কৃষক। তরমুজ চাষে পোকা-মাকড়ের আক্রমণ হলে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার সাথে পরামর্শ করে ক্ষেতে ওষুধ দিতে হবে। তরমুজ গাছ নোনাজল সহনশীল হওয়ার কারণে দক্ষিণাঞ্চলে তরমুজের আবাদ ব্যাপকভাবে করা যেতে পারে। বাজারে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে এখনই আগাম তরমুজ উঠে গেছে। দামও খুব চড়া। আগাম তরমুজ চাষ করলে কৃষক দারুণভাবে লাভবান হতে পারেন। কিন্তু এখনই চলছে তরমুজ চাষের সঠিক সময়। মৌসুমী ফল হিসেবে তরমুজ একটি লাভজনক কৃষিপণ্য হিসেবে বিবেচিত আমাদের দেশে।

পিএসজির রোমাঞ্চকর জয়ের ম্যাচে নেইমারের লাল কার্ড

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ম্যাচ জুড়ে একের পর এক গোলের দেখা মিলল, তাতে লড়াইটা হলো বেশ জমজমাট। তবে এবার আর পা হড়কায়নি পিএসজির। বোর্দোকে হারিয়ে জয়ের দেখা পেয়েছে টমাস টুখেলের দল। ঘরের মাঠে লিগ ওয়ানে গোলবন্যার ম্যাচে ৪-৩ গোলে জিতেছে পিএসজি। দুই ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল তারা। গত সপ্তাহে লিগে আমিয়াঁর মাঠে ৪-৪ গোলে ড্রয়ের তিন দিন পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মাঠে ২-১ গোলে হেরেছিল পিএসজি। জয়ে ফেরার লক্ষ্যে রোববার রাতে মাঠে নামা বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা ম্যাচের অষ্টাদশ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে। হেডে গোলটি করেন দক্ষিণ কোরিয়ার ফরোয়ার্ড উই-জো। সাত মিনিট পর আনহেল দি মারিয়ার ক্রসে হেডে সমতা টানেন কাভানি। ২৯তম মিনিটে এগিয়েও যেতে পারত দলটি; তবে উরুগুয়ের এই ফরোয়ার্ডের ফ্লিক পোস্টে বাধা পায়। ম্যাচের অধিকাংশ সময় বল দখলে রাখা পিএসজি প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে এগিয়ে যায়। দি মারিয়ার ক্রসে কাছ থেকে কাঁধ দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন মার্কিনিয়োস। তবে এগিয়ে যাওয়ার স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি তাদের। সাত মিনিট যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে সফরকারীদের সমতায় ফেরান পাবলো। ৬৩তম মিনিটে মার্কিনিয়োসের দ্বিতীয় গোলে আবারও এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। কাভানির হেড গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দেওয়ার পর ফিরতি বল জালে জড়ান ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার। ছয় মিনিট পর কাভানির পাস পেয়ে ডান পায়ের শটে স্কোরলাইন ৪-২ করেন এমবাপে। ৮৩তম মিনিটে রুবেন পার্দো ব্যবধান কমালে আগের রাউন্ডের মত হোঁচট খাওয়ার শঙ্কা জাগে পিএসজির। খানিক পর মাউরো ইকার্দি জালে বল পাঠালে জয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার হাসি ফোটে দলটির মুখে। তবে ভিএআরের সাহায্যে অফসাইডের বাঁশি বাজান রেফারি। যোগ করা সময়ে নেইমার দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখলে উল্টো শঙ্কাটা আরও জোরালো হয় পিএসজির। শেষ পর্যন্ত অবশ্য বিপদে পড়তে হয়নি তাদের। ২৬ ম্যাচে ২১ জয় ও দুই ড্রয়ে ৬৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে পিএসজি। দুইয়ে থাকা মার্সেইয়ের পয়েন্ট ৫২।

ট্রেলারে প্রশংসিত ঊনপঞ্চাশ বাতাস

বিনোদন বাজার ॥ চলতি বছরেই আগামী ১৩ মার্চ মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ সিনেমাটি। এটি পরিচালনা করেছেন ছোট পর্দার নির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জল। আর এ ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী শার্লিন ফারজানা ও ইমতিয়াজ বর্ষণ। ছবিটির ফার্স্ট লুক অফিশিয়াল পোস্টার, টিজার প্রকাশিত হয়েছে অনেক আগেই। এবার প্রকাশ হলো সিনেমাটির ট্রেলার।

শনিবার সন্ধ্যায় সিনেমাটির তিন মিনিটের ট্রেলার প্রকাশ করা হয়। ট্রেলারের সংলাপ, সিনেমাটোগ্রাফি, সংগীত সিনেমাটির প্রতি অন্যরকম আগ্রহ তৈরি করেছে। সব মিলিয়ে আলোচনায় ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ সিনেমার ট্রেলার।

ভালোলাগা থেকেই অনেকে শেয়ার করছেন ট্রেলারটি। পাশাপাশি প্রশংসা করছেন সিনেমাপ্রেমীরা। ট্রেলারে দেখা যাচ্ছে শার্লিন ফারজানা ও ইমতিয়াজ বর্ষণসহ আরও কয়েজনকে। তাদের অভিনয়ও মুগ্ধতা ছড়িয়ে চলেছে।

‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’-এর কাহিনি, সংলাপ, চিত্রনাট্য, শিল্প নির্দেশনা, ফটোগ্রাফি, সংগীত পরিচালনা, গান রচনা, এমনকি পোস্টার ডিজাইনও করেছেন নির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। রেড অক্টোবরের ব্যানারে ছবিটি প্রযোজনা করেছেন আসিফ হানিফ, নির্বাহী প্রযোজকের দায়িত্বে আছেন সৈয়দা শাওন।