বঙ্গবন্ধু বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী রয়্যালস 

ঢাকা অফিস ॥ এবার নতুন চ্যাম্পিয়ন পাবে বিপিএল, জানা ছিল আগেই। ফাইনালের দুই দল-খুলনা টাইগার্স আর রাজশাহী রয়্যালসের মধ্যে কোনোটিই এর আগে শিরোপার স্বাদ পায়নি। তবে শেষ পর্যন্ত দুই দলের মধ্যে কারা শেষ হাসি হাসে, সেটার জন্যই ছিল সব রকম অপেক্ষা। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটলো। বিপিএলের নতুন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ট্রফি হাতে তুললো রাজশাহী রয়্যালস। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উত্তেজনাকর এক ফাইনালে মুশফিকুর রহীমের খুলনা টাইগার্সকে ২১ রানে হারিয়েছে আন্দ্রে রাসেলের রাজশাহী। ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলা খুলনা। মোহাম্মদ ইরফানের করা প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরের পথ ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত (০)। পরের ওভারে আবু জায়েদ রাহির শিকার আরেক ওপেনার মেহেদী হাসান মিরাজও (২)। ১১ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায় খুলনা। সেখান থেকে দলকে অনেকটা এগিয়ে নিয়েছেন শামসুর রহমান শুভ আর রাইলি রুশো। ইনিংসের ১১তম ওভারে রুশোকে (২৬ বলে ৩৭) ফিরিয়ে রাজশাহীর মুখে হাসি ফোটান মোহাম্মদ নওয়াজ। দুই ওভার পর খুলনাকে ম্যাচ থেকেই ছিটকে দেন কামরুল ইসলাম রাব্বি। হাফসেঞ্চুরিয়ান শুভকে (৪৩ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৫২) ফেরানোর সঙ্গে মারকুটে আরেক ব্যাটসম্যান নাজিবুল্লাহ জাদরানকেও (৪) তুলে নেন ডানহাতি এই পেসার। খুলনার শেষ ভরসা হয়ে ছিলেন মুশফিক। আন্দ্রে রাসেলের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে তিনিও শেষতক বোল্ড হয়ে গেলে শিরোপা স্বপ্ন ভেঙে যায় দলটির। ১৫ বলে ২ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় খুলনা অধিনায়ক করেন ২১। রাজশাহীর পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ ইরফান, আন্দ্রে রাসেল আর কামরুল ইসলাম রাব্বি। এর আগে ইরফান শুক্কুরের ঝড়ো হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে ৪ উইকেটে ১৭০ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি দাঁড় করায় রাজশাহী রয়্যালস। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য তেমন ভালো ছিল না তাদের। লিটন দাসের সঙ্গে আফিফ হোসেনের ১৫ বলের উদ্বোধনী জুটিতে আসে মাত্র ১৪ রান। ৮ বলে ১০ রান করে আফিফ শিকার হন মোহাম্মদ আমিরের। তবে মেহেদী হাসান মিরাজ দৌড়ে এসে যেভাবে ক্যাচটি নিয়েছেন, আসল কৃতিত্বটা দিতে হবে তাকেই। সঙ্গী হারিয়ে সাবধান হয়ে যান লিটন। খেলছিলেন দেখেশুনে, ঠিক টি-টোয়েন্টির আমেজ ছিল না তার ব্যাটে। শুক্কুরের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৪৯ রানের জুটি গড়ে লিটন সাজঘরে ফেরেন ২৮ বলে ২৫ রান করে। এরপর শোয়েব মালিকও সুবিধা করতে পারেননি। ১৩ বল খেলে মাত্র ৯ রানে রবি ফ্রাইলিংককে তুলে মারতে গিয়ে শান্তর ক্যাচ হন। তবে অপরপ্রান্তে নিজের হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন শুক্কুর। দারুণ ব্যাটিংয়ে এগিয়ে চলা এই ব্যাটসম্যানকে অবশেষে থামান আমির। ৩৫ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় শুক্কুর করেন ৫২ রান। পরের সময়টায় চালিয়ে খেলে দলের পুঁজি বড় করেছেন আন্দ্রে রাসেল আর মোহাম্মদ নওয়াজ। শহীদুলের করা ১৭তম ওভারে অবশ্য লংঅনে ক্যাচ দিয়েছিলেন রাসেল। ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার তখন মাত্র ৯ রানে। সেই ক্যাচটি দৌড়ে এসে হাতে নিয়েও ফেলে দেন শান্ত। শেষ পর্যন্ত রাসেল ১৬ বলে ৩ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ২৭ রানে। তার চেয়ে বেশি ভয়ংকর ছিলেন মোহাম্মদ নওয়াজ। পাকিস্তানি এই ব্যাটসম্যান ২০ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় খেলেন হার না মানা ৪১ রানের ইনিংস। খুলনার পক্ষে ২টি উইকেট নেন মোহাম্মদ আমির। একটি করে উইকেট রবি ফ্রাইলিংক আর শহীদুল ইসলামের।

নিষিদ্ধ রাবাদা

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে উইকেট পাওয়ার পর আগ্রাসী উদযাপনের করায় শাস্তি পেয়েছেন কাগিসো রাবাদা। সিরিজের শেষ টেস্টে খেলতে পারবেন না দক্ষিণ আফ্রিকার এই পেসার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান চার ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় টেস্টের প্রথম দিনের ঘটনা। পোর্ট এলিজাবেথে বৃহস্পতিবার জো রুটকে বোল্ড করার পর রাবাদা যেভাবে উদযাপন করেন, তা আইসিসি কোড অব কন্ডাক্টে প্রথম ধাপের অপরাধ। এজন্য তাকে ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি পেয়েছেন একটি ডিমেরিট পয়েন্ট। ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটের আনা অভিযোগ রাবাদা মেনে নেওয়ায় আনুষ্ঠানিক শুনানির দরকার হয়নি। দুই বছরের মধ্যে ২৪ বছর বয়সী ডানহাতি পেসারের এটি চতুর্থ ডিমেরিট পয়েন্ট। এজন্য নিয়ম অনুযায়ী পরের টেস্টে খেলতে পারবেন না তিনি। ১-১ সমতায় থাকা সিরিজের চতুর্থ ও শেষ টেস্ট শুরু হবে ২৪ জানুয়ারি, জোহানেসবার্গে। পাঁচ ইনিংসে ২৬.৩৫ গড়ে ১৪ উইকেট নিয়ে এখন পর্যন্ত সিরিজের সেরা বোলার রাবাদা।

আরেক আফগান লেগ স্পিনারের আগমনী বার্তা

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ আফগান ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা প্রায় বলেন, আফগানিস্তানে লেগ স্পিনারের অভাব নেই। উঠে আসছে আরও অনেক। সেটির খানিকটা নমুনা দেখা গেল যুব বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে। আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের লেগ স্পিনার শফিকউল্লাহ গাফারি নিয়েছেন ৬ উইকেট। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে উড়িয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে আফগান যুবারা। কিম্বার্লিতে শুক্রবার ৯.১ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন গাফারি। দলের আরেক রিস্ট স্পিনার, ১৫ বছর বয়সী চায়নাম্যান বোলার নূর আহমাদ নিয়েছেন দুটি। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১২৯ রানে গুটিয়ে দিয়ে আফগানরা জিতেছে ৭ উইকেটে। গাফারি বল হাতে নেওয়ার আগে খুব একটা খারাপ অবস্থা ছিল না দক্ষিণ আফ্রিকার। তৃতীয় উইকেটে ব্রাইস পারসন্স ও লুক বিউফোর্টের জুটিতে তারা এগোচ্ছিল ভালোভাবেই। ৪০ রান করা প্রোটিয়া অধিনায়ক পারসন্সকে ফিরিয়ে ৫৫ রানের জুটি ভাঙেন নূর। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ৩ উইকেটে ৬২। এরপর থেকেই শুরু হয়ে যায় গাফারির বোলিং জাদু। পরের ৭ উইকেটের ৬টিই তিনি নিয়েছেন একাই। তার দারুণ সব গুগলি ও সোজা ডেলিভারিই বেশি ভুগিয়েছে প্রোটিয়াদের। তার ৬ উইকেটের ৪টিই বোল্ড, ১টি এলবিডবি¬উ। যুব বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের হয়ে সেরা বোলিং কীর্তি এটিই। পেছনে পড়ে গেছে ২০১০ আসরে আফতাব আলমের ৩৩ রানে ৬ উইকেট।

মেয়ের ফোন নম্বর চাওয়ায় যুবকের কাছে যা চাইলেন মীরাক্কেলের মীর

বিনোদন বাজার ॥ মেয়েকে নিয়ে রেস্তোরাঁয় কফি পান করছেন; এমন ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন কলকাতার জনপ্রিয় রেডিওজকি ও ‘মীরাক্কেল’খ্যাত তারকা মীর।

আর সেই ছবিতে অভব্যের মতো মীরের মেয়ের ফোন নম্বর চেয়ে কমেন্ট করেন এক ভারতীয় নেটিজেন।

মেয়ের নম্বর চাইলে সাধারণত দেখা যায়, বাবারা মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু মীর মীরাক্কেল সিরিজের মেজাজেই পাল্টা জবাব দিলেন। রিপ্লাইতে মজা করে পাল্টা কমেন্ট করলেন যা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচিত।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, গত ১৩ জানুয়ারি মেয়ের সঙ্গে কফি খাওয়ার একটি ছবি পোস্ট করেন মীর আফসার আলি। আর মীরের ছবি মানেই ভাইরাল কিছু। একাধিক কমেন্টে ভেসে যায় ছবিটি। অনেকেই মীরের মেয়ের মঙ্গল কামনা করেন। কিন্তু এরইমাঝে সায়ক গাঙ্গুলী নামের এক যুবক কমেন্ট করেন, ‘স্যার আপনার মেয়ের নম্বর টা দেবেন? একটু কথা বলব…’

এমন অভব্য আচরণে অন্য কেউ ক্ষেপে গেলেও মীর মোটেই ক্ষোভ প্রকাশ করেননি। উল্টো মজা করে বিশাল একটি কমেন্ট করেন।

মেয়ের নম্বর পেতে ওই ছেলেকে কি কি যোগ্যতা অর্জন করতে হবে তা বিস্তারিত লেখেন তিনি।

মীর লেখেন- ‘তার আগে দয়া করে নিম্মোক্ত বিষয়গুলো প্রদান করুন – জন্মসনদ, আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার আইডি, রেশন কার্ড, এ-ফোর সাইজ কাগজে বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলের ছাপ, এ-থ্রি কাগজে ডান হাতের বুড়ো আঙুলের ছাপ, সম্প্রতি জমা দেয়া বিদ্যুৎ বিলের সত্যায়িত কপি, শেষ ৩ বছরের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট, পার্সপোর্টের ফটো কপি, শেষ ৩ বছরের আইডি রিটার্ন। ব্যস, এই কয়টা ডকুমেন্ট পেলেই মেয়ের নম্বর দিয়ে দেব।’

এ বিষয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলাকে মীর বলেন, ‘এটা তো মজা করেই লিখেছি। রাগ, ক্ষোভ দেখিয়ে কি লাভ! এমন কমেন্টে আমার মেয়ের তো কোনো ক্ষতি হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনটা হরহামেশাই হয়। তাই বলে মেজাজ হারিয়ে উত্তর দেয়া ঠিক নয়। তাই ঠান্ডা মস্তিষ্কে কমেন্ট করেছি।’

এরপর তিনি বলেন, ‘মেয়ে বড় হয়েছে। এরপর থেকে ছবি আপলোড করার সময় বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। আমি একজন বাবা। সব সময় সর্তক থাকতে হবে।’

অভিনেত্রী নুসরাতের টিকটক ভিডিও ভাইরাল

বিনোদন বাজার ॥ অভিনেত্রী নুসরাত জাহানের টিকটক ভিডিও বানানোয় বেশ খ্যাতি রয়েছে।

সম্প্রতি ফের একবার টিকটক ভিডিওতে ভাইরাল হলেন এ অভিনেত্রী।

তার পোস্ট করা ভিডিওতে ‘মেরি পিয়াকে ইয়াদ আনে লাগি’ গানের সঙ্গে নাচতে দেখা যাচ্ছে নুসরাতকে। অভিনেত্রী নুসরাত জাহান এবছরই ১৯ জুন ব্যবসায়ী নিখিল জৈনের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন। তুরস্কের বোদরুম শহরে ঘটা করে বসেছিল নুসরত-নিখিলের বিয়ের আসর।

উবার চালকের হাতে হেনস্থার শিকার সোনম

বিনোদন বাজার ॥ উবারে কিংবা ট্যাক্সিতে উঠে হেনস্থার শিকার হয়েছেন অনেকেই। দেশে বিদেশে এমন ভয়ংকর ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়তই। এবার উবারে উঠে বিপদে পড়েছেন জনপ্রিয় এক চিত্র নায়িকা। অপ্রকৃতস্থ উবার চালকের খপ্পরে পড়েছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় নায়িকা সোনম কাপুর। নায়িকার সঙ্গে এ ঘটনাটি ঘটে লন্ডনের রাস্তায়।

সোনম কাপুর নিজেই তার টুইটারে সেই ভয়ংকর ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। সোনম কাপুর লিখেছেন, ‘লন্ডনের রাস্তায় উবারে উঠে আমায় ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা হলো। এখন মনে হচ্ছে এর চেয়ে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট কিংবা ক্যাব (ট্যাক্সি) বেশি নিরাপদ। সবাই সাবধানে পথে চলাচল করুন।’

নায়িকার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বর্ণানা দিয়ে সোনম লিখেছেন, ‘উবারে উঠে যখন গাড়ি চলতে শুরু করলো আমি খেয়াল করে দেখলাম চালক সুস্থ অবস্থায় নেই। উনি অদ্ভুতভাবে চিৎকার, চেঁচামিচি করছিলেন, আমি তখন ভয়ে কাঁপছিলাম।’

সোনম আরও বলেন, ‘আমি অ্যাপের মাধ্যমেই অভিযোগ জানানোর চেষ্টা করি। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। বারবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হচ্ছিল। এ সিস্টেমটাকে আরও অনেক আপডেট করা প্রয়োজন।’

এদিকে সোনমের এই টুইট দেখে ভয় পেয়েছেন তার ভক্তরাও। অনেক দিন ধরেই সোনম কাপুর স্বামী আনন্দ আহুজার সঙ্গে লন্ডনে বসবাস করছেন। এই মুহূর্তে তিনি সেখানেই আছেন। মাঝে মধ্যে কর্মসূত্রে তিনি মুম্বাইয়ে আসেন।

‘ক্যাসিনো’ ছবির প্রচারে নতুন আইডিয়া সাজাচ্ছি আমরা : নিরব

বিনোদন বাজার ॥ নিরব ও বুবলী জুটি গড়ে ‘ক্যাসিনো’ ছবির ঘোষণা দিয়েই চমকে দিয়েছিলেন। নিন্দুকেরা অনেকেই তখন বলেছিল, ছবিটি শেষ পর্যন্ত আটকে থাকবে আর শেষ হবে না। মুক্তিও পাবে না। এরপর ছবির ফার্স্টলুক মুক্তির পর কিছুটা নতুন গুঞ্জন তৈরি হলো—শাকিব খানের কাছ থেকে কি তবে বুবলী চলে এলেন? কেউ কেউ আবার এমনটাও ছড়ালেন, বুবলী নাকি আর শাকিবের বিপরীতে কাজ করবেন না। পরে ‘ক্যাসিনো’ ছবির ফাঁকে যখন ‘বীর’ ছবির বাকি অংশও সারলেন বুবলী, তখন এসব গুঞ্জনের শেষ পর্যন্ত যা হয়, তা-ই হলো। আর এদিকে ‘ক্যাসিনো’ ছবিটি দর্শকদের মনে দারুণ এক কৌতূহল তৈরি করেছে।

চিত্রনায়ক নিরব বলেন, ‘আমার কাছে যেকোনো আলোচনাই ইতিবাচক মনে হয়। আর শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্কটা একেবারেই বড়োভাই-ছোটভাইয়ের মতো। এটা এই ইন্ডাস্ট্রির সবাই জানে। তাই এই সম্পর্কের ভেতরে অন্য কোনো গন্ধ খুঁজতে যাওয়াটা বৃথা সময় নষ্ট বলেই আমি মনে করি। আশার কথা হলো, তাসকিন ও বুবলীর কাজগুলো পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে। তাই ‘ক্যাসিনো’ ছবির আমার বাকি কাজগুলো শেষ হলেই ছবিটির প্রচারে নতুন আইডিয়া সাজাব আমরা।’

উল্লেখ্য, সৈকত নাসিরের পরিচালনায় বুবলী এই প্রথম শাকিবের বাইরে কারো সঙ্গে কাজ করলেন। তাই ছবিটি নিয়ে ভিন্ন মাত্রার একটি চাহিদা থাকবে এমনটাই সকলের বিশ্বাস। বুবলী বলেন, ‘নিরবের সঙ্গে পরিচয় দীর্ঘদিনের। একসঙ্গে একটা দারুণ কাজ শেষ করলাম। এখন দর্শকদের ভালোবাসাটাই আমাদের একান্ত কাম্য।

আর সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির এই মন্দা বাজারে আমরা প্রত্যেক শিল্পীই এখন চাই যেকোনো ছবির সাফল্য। আমাদের দুজনার এই নতুন জুটি দর্শকেরা দারুণভাবে গ্রহণ করবে বলে আমার বিশ্বাস।’

মুক্তির অনুমতি পেল বাপ্পি-অপুর ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’

বিনোদন বাজার ॥ প্রায় সতের বছর আগে দেবাশীষ বিশ্বাস নির্মাণ করেছিলেন ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’ সিনেমাটি। রিয়াজ-শাবনূর অভিনীত সিনেমাটি সেই সময় সুপার ডুপার হিট হয়েছিল। এরপর অনেক সময় গড়িয়েছে। এবারও ছবিটির সিক্যুয়াল নির্মাণ করেছেন দেবাশীষ। ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’ এর নায়ক-নায়িকা হিসেবে দেবাশীষ বেছে নিয়েছেন সময়ের জনপ্রিয় নায়ক বাপ্পি চৌধুরী ও নায়িকা অপু বিশ্বাসকে।

সিনেমাটির শুটিং শেষ হয়েছে অনেকদিন আগেই। বাপ্পি-অপুর ভক্তদের জন্য সুখবর হলো ‘শ্বশুর বাড়ি জিন্দাবাদ-২’ সম্প্রতি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। শিগগিরই মুক্তির আলোই আসবে সিনেমাটি।

ছবিটিতে বাপ্পি-অপু ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন সাদেক বাচ্চু, এনায়েত চৌধুরী, আফজাল শরীফ, রেবেকা, রাজন, চিকন আলী, কাবিলা, শাহীন খান, সুব্রত, বি এম আজাদসহ অনেকে। ছবির গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কুমার শানু, ইমরান, লিজা, আকাশ সেন।

শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ-২ ছবির কাহিনি লিখেছেন আব্দুল্লাহ জহির বাবু। চিত্রনাট্য, সংলাপ ও পরিচালনা করেছেন পরিচালক নিজেই। দেবাশীষের ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ২০০১ সালে। রিয়াজ-শাবনূর জুটির ছবিটি ব্যবসা সফল হয়। পরের বছরই কলকাতায় ছবির রিমেক করেন হরনাথ চক্রবর্তী। ওই ছবিতে ছিলেন প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণা।

ফেসবুকে পরিচয় ও প্রেম, এবার বিয়ে হচ্ছে সুমিত-নীলাঞ্জনার

বিনোদন বাজার ॥ তাদের ফেসবুকে পরিচয়। সেখান থেকে বন্ধুত্ব ও প্রেম। ৮ মাস প্রেমজীবন শেষে এবার বিয়ের ছাদনাতলায় বসতে চলেছেন অভিনেতা সুমিত সেনগুপ্ত ও মডেল নীলাঞ্জনা ঘোষ। এমন খবরই নিশ্চিত করলেন সুমিত।

তিনি জানান, গত মাসে নীলাঞ্জনার আশীর্বাদ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার রংপুরে হচ্ছে সুমিতের আশীর্বাদ। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে হবে গায়ে হলুদ। তার দুইদিন পর সাত পাঁকে বাঁধা পরবেন তারা।

আশীর্বাদের অনুষ্ঠান থেকে সুখবরটি জানিয়ে সুমিত বলেন, ‘আমরা নিজেরা নিজেদের সম্পর্কে জেনেছি, শুনেছি। মনে হয়েছে আমাদের মধ্যে অনেক মিল আছে। একটা জীবন ভালোবেসে কাটিয়ে দিতে পারবো। সেজন্যই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।

তবে বিয়ের সকল আনুষ্ঠানিকতা পারিবারিকভাবেই হচ্ছে। আমরা দু’জন অনেক আনন্দিত। সবাই আমাদের নতুন জীবনের জন্য আশীর্বাদ করবেন, এটাই চাওয়া।’

সুমিতের গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামে। ২০১২ সালে একটি মোবাইল অপারেটরের বিজ্ঞাপন দিয়ে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন তিনি। কাজ করেছেন ছোট ও বড় পর্দায়। তার অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘সেদিন বৃষ্টি ছিল’, ‘মিয়া বিবি রাজি’, ‘মহুয়া সুন্দরী’ ও ‘পদ্মার প্রেম’ ইত্যাদি। এছাড়া তার বেশকিছু সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

বর্তমানে আলোচিত সিনেমা ‘মিশন এক্সট্রিম’ দুই পর্বেই গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করছেন সুমিত। প্রথম পর্ব মুক্তি পাবে আসন্ন ঈদুল ফিতরে।

পিরোজপুরের মেয়ে নীলাঞ্জনা ঘোষ। দুই বছর আগে তারও বিজ্ঞাপনে কাজ করে শোবিজে যাত্রা শুরু। গত বছর হাবিব ওয়াহিদের ‘ডুবে যাই’ গানচিত্রের মডেল হয়ে সবার নজর কেড়েছেন তিনি।

কৃষিযন্ত্র কিনতে সুদবিহীন ঋণ

কৃষি প্রতিবেদক ॥ কৃষকদের জন্য আরো একটি সুখবর এসেছে। সরকার কৃষকদের নানা ধরনের ভর্তুকি দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে সাশ্রয়ী মূল্যে কৃষিযন্ত্র পাচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা। এবার সহজ শর্ত ও ন্যূনতম সুদ বা সুদবিহীন ঋণ দিতে একটি নীতিমালা করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গত ৮ জানুয়ারি তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘জাতীয় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নীতিমালা ২০১৯’-এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভা শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। বৈঠকে ১ মার্চকে বীমা দিবস ঘোষণা এবং দিবসটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ-সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’ ক্রমিকে অন্তর্ভুক্তের প্রস্তাব অনুমোদন এবং ভোটার তালিকা (সংশোধন) আইনের খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। জাতীয় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নীতিমালার কার্যকর হলে দেশে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের পরিধি আরো সম্প্রসারিত হবে এবং শ্রমিকের ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়া যাবে। এই নীতিমালার আওতায় কৃষকরা সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন ধরনের কৃষিযন্ত্র কেনার সুযোগ ও সহজশর্তে ন্যূনতম সুদ বা সুদবিহীন ঋণ সুবিধা পাবেন। তিনি বলেন, মন্ত্রিসভা নীতিমালাটি অনুমোদন দিয়ে অনুশাসন দিয়েছে ব্যক্তি পর্যায়ের বাইরে সমবায় পদ্ধতিতেও যেন এসব যন্ত্রপাতি কেনা ও ব্যবহারের বিষয়টা নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যখন আপনি কৃষিযন্ত্র ব্যবহার করবেন ফসল রোপণ, কর্তন, মাড়াইয়ে শ্রমিক অনেক কম লাগবে। ফলে কৃষি শ্রমিকের অপ্রতুলতা মোকাবেলা করে কৃষি উন্নয়নের গতি বৃদ্ধি পাবে, ফসলের অপচয় রোধ হবে, শ্রমিক খরচ কম হওয়ার ফলে উৎপাদন খরচ কমে আসবে, কৃষকরা লাভবান হবেন এবং দেশের যুবসমাজ কৃষিকাজে উদ্বুদ্ধ হবে। অপরপক্ষে বাণিজ্যিক কৃষিব্যবস্থারও প্রসার হবে। অন্যদিকে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বীমা কোম্পানির চাকরিতে যোগদানের তারিখ, অর্থাৎ ১ মার্চকে ‘বীমা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১ মার্চকে বীমা দিবস ঘোষণা এবং দিবসটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ-সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’ ক্রমিকে অন্তর্ভুক্তের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বীমা দেশের একটি ‘সম্ভাবনাময় ও গুরুত্বপর্ণ’ আর্থিক খাত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতার পর দেশীয় বীমা শিল্প সৃষ্টি হয় এবং বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স ন্যাশনালাইজেশন অর্ডার ১৯৭২, দ্য ইনস্যুরেন্স কো-অপারেশন অ্যাক্ট ১৯৭৩-এর মতো বীমা সংশ্লিষ্ট মৌলিক আইন প্রণীত হয়। এ খাতের ব্যপ্তি বৃদ্ধি এবং জনগণের মধ্যে বীমা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করতে বর্তমান সরকারও এর আগে বীমা মেলার আয়োজন, দেশব্যাপী বীমা-সম্পর্কিত সভা, সেমিনার, শোভাযাত্রার মতো আয়োজন করেছে। এ কার্যক্রমকে আরো বেগবান করতে বীমার বিস্তৃতি, জনসম্পৃক্ততা তথা জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ২০১৪ সালের জাতীয় বীমা নীতিতেও জাতীয় বীমা দিবস পালনের কথা বলা হয়েছে। প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে পালনের জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বিশেষ অনুরোধ করেছিল জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রস্তাব ছিল ২ বা ৩ মার্চ (বীমা দিবস) করার, কিন্তু আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বলেছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ তৎকালীন আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগদান করেছিলেন। এটার সঙ্গে একটা ঐতিহাসিক দিনের সংযোগ আছে। পহেলা মার্চ অন্য কোনো দিবস থাকলে সেটি শিফট করে দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে এবং তা করেও দেওয়া হয়েছে। এতদিন ১ মার্চ ভোটার দিবস হিসেবে পালন করা হলেও গতকাল বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে তা ২ মার্চে স্থানান্তর করা হয়েছে। ভোটার তালিকা (সংশোধন) আইনের খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রতি বছর ২ মার্চ জাতীয় ভোটার দিবস পালন করা হবে। এর আগে ২ জানুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত কম্পিউটার ডেটাবেজে থাকা বিদ্যমান সব ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হবে। বর্তমান আইনে কম্পিউটার ডেটাবেজে থাকা ভোটার তালিকা প্রতিবছর ২ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে হালনাগাদ করার বিধান রয়েছে।

বাংলাদেশে আসছেন ব্রাজিলের সাবেক তারকা গোলরক্ষক জুলিও সিজার

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের জৌলুস বাড়াতে কিংবদন্তি খেলোয়াড় আনার পরিকল্পনা আগেই জানিয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। সংস্থাটির সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন শুক্রবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে জানালেন ব্রাজিলের সাবেক তারকা গোলরক্ষক জুলিও সিজার এ মাসেই আসছেন। ব্রাজিলের হয়ে দুটি ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ ও একটি কোপা আমেরিকা জেতা সিজার আগামী ২২ জানুয়ারি বিকালে ঢাকায় পা রাখবেন বলে জানিয়েছেন সালাউদ্দিন। “বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপকে আমরা ভিন্ন মাত্রা দিতে চাইছি। এ কারণে প্রথমবারের মতো এ প্রতিযোগিতায় ফিফা ঘোষিত তারকা খেলোয়াড় আনতে যাচ্ছি আমরা। তিনি হলেন ব্রাজিলের জুলিও সিজার। তিনি ২২ জানুয়ারি আসবেন। তিনি আমাদের বিশেষ অতিথি।” ২২ তারিখে এসে ২৩ তারিখে বাফুফের ট্রেনিং অ্যাকাডেমি ফর্টিস গ্রাউন্ড পরিদর্শন করবেন। সেখানে গোলরক্ষকদের টিপস দিবেন। মেয়েদের ফুটবল অনুশীলনেও থাকবেন তিনি। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অপর্ণ করার কথা রয়েছে তার। ক্লাব ক্যারিয়ারে ফ্লামেঙ্গো, ইন্টার মিলান ও বেনফিকার গোলপোস্ট আগলানো সিজার ২০০৯-১০ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা, প্রিমেরা লিগের ট্রফি, ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপসহ জিতেছেন অসংখ্য শিরোপা। ব্রাজিলের হয়ে ৮৭ ম্যাচ খেলা সিজারের সবচেয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয় ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে। বেলো হরিজন্তের সেই ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে উড়িয়ে গিয়েছিল ব্রাজিল।

ভারতীয় দলে ভারত

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে থেকে ছিটকে যাওয়া উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান রিশাভ পান্তের সম্ভাব্য বদলি হিসেবে শ্রীকার ভারতকে দলে ডেকেছে ভারত। মুম্বাইয়ে গত মঙ্গলবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ব্যাটিংয়ের সময় প্যাট কামিন্সের বল লেগেছিল পান্তের হেলমেটে। শর্ট বলে পুল করতে চেয়েছিলেন পান্ত, বল তার ব্যাটের কানায় লেগে আঘাত হানে হেলমেটে। তখন ব্যাটিং চালিয়ে গেলেও পরে ফিল্ডিংয়ে নামেননি তরুণ এই ক্রিকেটার। তার পরিবর্তে উইকেটের পেছনে দাঁড়ান লোকেশ রাহুল। পরে এক বিবৃতিতে দ্বিতীয় ম্যাচে পান্তের না খেলার খবর নিশ্চিত করে বিসিসিআই। শুক্রবার দ্বিতীয় ম্যাচের ঠিক আগে দলে যোগ দেন ভারত। এই ম্যাচেও উইকেটকিপার হিসেবে একাদশে আছেন রাহুল। তবে সম্ভাব্য প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে স্কোয়াডে রাখা হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনও অভিষেক না হওয়া এই কিপার-ব্যাটসম্যানকে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ভালো করে দলে এসেছেন ভারত। ৭৪টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে চার হাজার ১৪৩ রান করেছেন তিনি। রোববার সিরিজের শেষ ম্যাচ ব্যাঙ্গালুরুতে।