ছাত্রলীগের পুনর্মিলনীতেও শোভন-রাব্বানী বাদ

ঢাকা অফিস ॥ বিতর্কিত হয়ে ছাত্রলীগের পদ খোয়ানো রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং গোলাম রাব্বানী সংগঠনের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান ও পুনর্মিলনীতে আমন্ত্রণ পাননি। আগামী ৪ জানুয়ারি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান করতে যাচ্ছে ছাত্রলীগ। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা, যিনি ছাত্রলীগেরও ‘সাংগঠনিক নেত্রী’। শোভন ও রাব্বানী বাদ পড়ার পর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছে। এই অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হলেও সদ্য বিদায়ী সভাপতি শোভন ও রাব্বানীর নামে কোনো আমন্ত্রণপত্র ছিল না বলে সংগঠনের এ সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাহিয়ান বৃহস্পতিবার বলেন, “দাওয়াত না দেওয়ার বিষয়ে দলের উপর থেকে নির্দেশনা আছে। এ কারণে এই মুহূর্তে আপাতত তারা দাওয়াত পাচ্ছেন না।” আমন্ত্রণ না পাওয়ার বিষয়ে শোভন কিংবা রাব্বানীর কোনো প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ২০১৭ সালে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনের পর শোভনকে সভাপতি ও রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই বছর মেয়াদি কমিটি গঠিত হয়েছিল। গত বছরের শুরুতে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্যানেলও হয়েছিল শোভন-রাব্বানীর নেতৃত্বে। রাব্বানী জিএস পদে জিতলেও হেরেছিলেন ভিপি প্রার্থী শোভন। শোভন ও রাব্বানী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ থেকে চাঁদা দাবি করেন বলে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম অভিযোগ তোলার পর ক্ষুব্ধ হন শেখ হাসিনা। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তাদের।

কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের নিজস্ব অর্থায়নে শীতবস্ত্র বিতরণ

নিজ সংবাদ ॥ র‌্যাবের নিজস্ব অর্থায়ণে কুষ্টিয়ার অসহায়- দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের পার্শ্ববর্তী এলাকার শীতার্ত মানুষের মাঝে র‌্যাবের নিজস্ব অর্থায়নে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়। র‌্যাব-১২, সিপিসি-১ কুষ্টিয়ার ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারি পুলিশ সুপার স্বজল কুমার সরকার অসহায়-দরিদ্র শীতার্ত মানুষের হাতে শীতবস্ত্র (কম্বল) তুলে দেন।

 

কুষ্টিয়া পৌরসভার আয়োজনে পুষ্টি সহায়তা ও ব্যবসা অনুদান প্রদান

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া পৌরসভার অডিটোরিয়ামে পুষ্টি সহায়তা ও ব্যবসা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুষ্টিয়া পৌরসভা উন্নয়নের রূপকার ও জননন্দিত মেয়র আনোয়ার আলী’র সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম-সচিব ও জাতীয় প্রকল্প পরিচালক প্রান্তিক জনগোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প আব্দুল মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন এই প্রকল্পের হাউজিং কো-অর্ডিনেটর এএসএম শাহারিয়ার জাহান, কুষ্টিয়া অঞ্চলের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্বাবধায়ক প্রকাশ চন্দ্র বিশ^াস, কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ রওশন আরা বেগম,  পৌরসভার প্যানেল অব মেয়র-১ মতিয়ার রহমান মজনু, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ও সদস্য সচিব টিপিবি প্রান্তীক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্প’ কুষ্টিয়া পৌরসভা। প্রধান আলোচক যুগ্ম-সচিব ও প্রকল্প পরিচালক আব্দুল মান্নান বলেন- এদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়নের লক্ষে ১২টি সিটি করপোরেশন ও ৭টি পৌরসভায় এই প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তার মধ্যে কুষ্টিয়া পৌরসভায় দীর্ঘদিন যাবৎ এই প্রকল্প চলমান আছে। এই প্রকল্পের অর্থায়ন করছে ডিএফআইডি, ইউএনডিপি ও বাংলাদেশ সরকার। তিনি পৌর পরিষদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই প্রকল্পের অর্থায়নে যে সকল উন্নয়ন হচ্ছে সেটা আপনাদের নিজস্ব কর্মকান্ড হিসেবে দেখাবেন। কেননা এই কার্যক্রম পরিচালনায় যদি কোন ঘাটতি থাকে তাহলে পুনরায় এই প্রকল্পের কার্যক্রম পেতে আপনাদের সমস্যা হবে। তিনি আরোও বলেন- এই পৌরসভার মেয়র আনোয়ার আলী সহ আপনাদের সুনাম রয়েছে। এই সুনাম যেন অক্ষুন্ন থাকে সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখার আহবান জানান। এছাড়াও বিতর্কমুক্ত জায়গায় অবকাঠামো নির্মানের অনুরোধ করেন। এছাড়াও মহিলাদের ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করে ব্যক্তি জীবন সম্পর্কে সচেতনতার বৃদ্ধি করার জন্য কাজ করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সুন্দর সমাজ বিনির্মানে সবাইকে কাজ করার আহবান জানান। সভাপতির বক্তব্যে  পৌরসভা উন্নয়নের রূপকার ও জননন্দিত মেয়র আনোয়ার আলী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিলো এদেশ হবে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ। তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রান্তীক জনগোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এদেশের মানুষের ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষাবৃত্তি, মাতৃদুগ্ধ ভাতা, অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবসা অনুদানসহ নারীর ক্ষমতায়নের জন্য বিভিন্ন  ট্রেনিং নানামুখী কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছি। আপনাদের সহযোগীতায় আগামীতে এই প্রকল্পের মাধ্যমে পৌর এলাকায় দারিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা হবে। তিনি আরোও বলেন, আজ পৌর এলাকায় ৩০০ জনকে পুষ্টি ভাতা ও ২০০ জনকে ব্যবসা ভাতা প্রদান করা হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন এই প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার সেলিম মোড়ল ও এই প্রকল্পের সুবিধা ভোগীরা। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পৌর শিল্পগোষ্ঠির পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দসহ পৌরসভা ও পৌরসভায় পরিচালিত প্রকল্পের কর্মকর্তাবৃন্দ। উল্লেখ্য সকালে এই প্রকল্পের অর্থায়নে বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড ঘুরে দেখেন প্রকল্প পরিচালক ও অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাবিনা ইসলাম। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

দলের ত্রাণ সমন্বয় টিমের সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের

বিএনপির জনপ্রিয়তা কমতে কমতে এক সময় তলানিতে গিয়ে ঠেকবে

ঢাকা অফিস ॥ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির জনপ্রিয়তা কমতে কমতে এক সময় তলানিতে গিয়ে ঠেকবে। দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ বিএনপির বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা’র রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ত্রাণ সমন্বয় টিমের সঙ্গে আয়োজিত সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ বিএনপির বিরুদ্ধে। এই ৯০ শতাংশ মানুষ এখন বিএনপিকে চায় না। এই সংখ্যা আরও বাড়বে। ৯১, ৯২, ৯৩ এভাবে কমতে কমতে এক সময় তাদের জনপ্রিয়তা তলনিতে গিয়ে ঠেকবে।’ ‘সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না’ বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে নির্বাচন সম্পর্কে বিএনপি নেতারা যে মন্তব্য করছেন তা হাস্যকর। তারা গণতন্ত্রের ভাষা বোঝে না, তারা আইন-আদালত কিছুই মানেন না। তাদের একমাত্র লক্ষ্য যে কোন উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়া এবং হত্যা, খুন এবং লুটপাটের রাজনীতি চর্চা করা। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমরা নির্বাচন কমিশনকে সব ধরণের সহযোগিতা করবো। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ওয়ার্ডে প্রার্থী উন্মুক্ত করা হয়নি জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিভিন্ন জরিপ রিপোর্টের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ড আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সব সিদ্ধান্ত ঠিক নাও হতে পারে। এ জন্য টিম ওয়ার্ক হচ্ছে। কোথায় কোথায় প্রার্থীর অবস্থা কি, কোথাও বির্তর্কিত প্রার্থী যদি থেকে থাকে সেটা আমরা খুঁজে বের করবো। এর পর যথাযথ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবো। আওয়ামী লীগ শীতার্তদের মধ্যে শীতবন্ত্র বিতরণ করবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে শীতার্ত মানুষের মধ্যে দলের পক্ষ থেকে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হবে। এ জন্য টিম গঠন করে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১১, ১২ ও ১৩ জানুয়ারি টিমগুলো ভাগ হয়ে এই কর্মসূচিতে অংশ নেবে। যে সব এলাকায় শীতের প্রকোপ বেশি সে সব এলাকায় এই শীতবন্ত্র বিতরণ করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, একটি টিম উত্তরাঞ্চলে শীতবস্ত্র বিতরণ করবে। এই টিমের নেতৃত্ব দেবেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। এই টিমে সভাপতিমন্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহ্উাদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহি সদস্য সফুরা বেগম। তারা পঞ্চগড়, ঠাকুরগাও, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারি, রংপুরে শীতবন্ত্র বিতরণ করবেন। তিন দিনব্যাপী শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু হবে ১১ জানুয়ারি থেকে। এরপর ১২ ও ১৩ জানুয়ারি পর্যায়ক্রমে জেলাগুলোতে টিম যাবে। ১১ জানুয়ারি সৈয়দপুরে টিমের সঙ্গে মিলিত হবেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। অপর আরেকটি টিম যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফের নেতৃত্বে ১১ থেকে ১৩ জানুয়ারি বিভিন্ন জেলায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন করবে। এই টিমে রয়েছেন সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন ও এডভোকেট আফজাল হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, সদস্য আমিরুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেন। এছাড়া আগামী ৬ জানুয়ারি সভারে এবং ৭ জানুয়ারি নোয়াখালীতে শীতবস্ত্র বিতরণ করবেন ওবায়দুল কাদের।

এই শীতবস্ত্র বিতরণ সমন্বয়কারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল, এস এম কামাল হোসেন ও অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ¬ব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এ বি এম রিয়াজুল কবির কাওছার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

চলতি মাসেই আসছে ৩ শৈত্যপ্রবাহ

ঢাকা অফিস ॥ জানুয়ারিতে সারা দেশে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। গতকাল বৃহস্পতিবার আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাসই দিয়েছে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি শুরু হয়েছিল  শৈত্যপ্রবাহ। সারা দেশের মানুষকে কাঁপিয়ে ছেড়েছে এই শীত। এখন অবশ্য শীতের তীব্রতা নেই। উল্টো বৃষ্টি ঝরেছে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে। তবে ৬ জানুয়ারি পর একটি এবং এ মাসের শেষ দিকে আরেকটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, আর জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতে একটি মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সামছুদ্দিন আহমেদ আরও জানান, আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা কমে যাবে। জানুয়ারি মাসে দুটি তীব্র এবং একটি মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। সে সময় কনকনে শীত অনুভূত হবে। ৩, ৪ ও ৫ জানুয়ারি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সামছুদ্দিন বলেন, এরপর তাপমাত্রা নামতে শুরু করবে, গ্রামাঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হবে। শীত ও শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে সরকারের প্রস্তুতি তুলে ধরতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন।

প্রতিমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের আগে জানুয়ারি মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাসের বিস্তারিত জানান অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন। আর সংবাদ সম্মেলনে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী শীত ও শৈত্যপ্রবাহে মানুষের যাতে কষ্ট না হয় সেজন্য সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সারা দেশে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ঢাকায় ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় শুক্রবার থেকে হালকা বা মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার কুয়াশা থাকতে পারে।

কুষ্টিয়ায় মুজিব বর্ষ বাস্তবায়নে প্রস্তুতিমুলক সভায় ডিসি আসলাম হোসেন

সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন করে মুজিব বর্ষ উদযাপন করা হবে

আরিফ মেহমুদ ॥ কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন বলেছেন, আর অপেক্ষা নয়। আজ থেকে শুরু হয়ে গেছে মুজিব বর্ষ উদযাপনের ক্ষণগণনা। স্মরণকালের জাকজমকভাবে সুন্দর, স্বার্থক ও দুষ্টিনন্দন করে উদযাপন করা হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মুজিব বর্ষের অনুষ্ঠান। আমাদের মনে রাখতে হবে এযাবৎ যতগুলো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান উদযাপন বা পালন করা হয়েছে সেসব অনুষ্ঠানের চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ন এই মুজিব বর্ষ অনুষ্ঠান।  সরকারী- বেসরকারী সহ জেলায় অবস্থানরত প্রত্যেকটি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, সাংবাদিক, সুধীজনদের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ ও সার্বিক সহযোগিতায় সব চেয়ে বড়, স্মরণকালের জাকজমকভাবে সুন্দর, স্বার্থক ও দৃষ্টিনন্দন করে এই অনুষ্ঠানটি পালন করা হবে। এজন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যা যা করা দরকার তা করা হবে। সকল ভবন করা হবে আলোকসজ্জা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে মুজিব বর্ষ ক্ষণগণনা কার্যক্রম বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রস্তুতিমুলক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, এই অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য ও সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতার ঘোষনা, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা লাভ, জাতিকে স্বাধীন সোনার বাংলাদেশ উপহার দেয়া, তাঁর সততা, নিরপেক্ষতা, বলিষ্ট আদর্শ, সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জনকে জাতির সামেন তুলে ধরা হবে। সেক্ষেত্রে কেউ অনুপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে অংশ নিন, স্মরণকালের জাকজমক ও বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানে আসুন এবং কালের স্বাক্ষী হয়ে থাকুন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মুজিব বর্ষের অনুষ্ঠান এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অনুষ্ঠানকে সুন্দর, স্বার্থক, দৃষ্টিনন্দন ও জাকজমকভাবে উদযাপন করতে সভায় একটি মুল কমিটি গঠনসহ বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নেয়া হয় বর্ণাঢ্য র‌্যালী, আলোচনা সভাসহ নানামুখি অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজাদ জাহান, সিভিল সার্জন ডা: রওশন আরা বেগম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলাম, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মৃনাল কান্তি দে, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ওবায়দুর রহমান, কুষ্টিয়া সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সফিকুর রহমান খান, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ নুরুন্নাহার বেগম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানিমুল হক, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম শাহেদুর রহিম, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এটিএম মারুফ আল ফারুকী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পিযুষ কৃষ্ণ কুন্ডু, জেল সুপার জাকের হোসেন, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান, কুষ্টিয়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার রফিকুল আলম টুকু, সিনিয়র তথ্য অফিসার মোঃ তৌহিদুজ্জামান, আওয়ামীলীগ নেতা শেখ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ মিন্টু, বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোকাররম হোসেন মোয়াজ্জেম,  জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জায়েদুর রহমান, ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান, পাসপোর্টের সহকারী পরিচালক মুত্তাদির মোঃ ইব্রাহিম, বিএফএ’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ, পল্লী বিদ্যুতের জিএম হারুন-অর-রশিদ,  বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক এটিএম জালাল উদ্দিন, জেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার, ড্রাগ সুপার হারুন-অর-রশিদ, কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক বিভুতি ভুষণ সরকার, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রোখসানা পারভীন, বাজার মনিটরিং অফিসার রবিউল ইসলাম, জেলা শিশু কর্মকর্তা মখলেছুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধান, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

রংপুরকে উড়িয়ে শীর্ষে রাজশাহী

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ বঙ্গবন্ধু বিপিএলে নিজেদের শুরুটা দুর্দান্তভাবে করেছিল রাজশাহী রয়্যালস। তবে মাঝপথে পথ হারিয়েছিল তারা। শেষদিকে ফের ছন্দে ফিরল বরেন্দ্রভূমির দলটি। এ অংশের ভূমিকাতে রংপুর রেঞ্জার্সকে ৩০ রানে হারাল তারা। এতে প্লে-অফের পথে একধাপ এগিয়ে গেল আন্দ্রে রাসেল বাহিনী। ৯ ম্যাচে ৬ জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে তারা। ১৮০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে সূচনালগ্নেই হোঁচট খায় রংপুর। মোহাম্মদ নওয়াজের বলে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন শেন ওয়াটশন। ওয়ানডাউনে নেমে নাঈম শেখকে নিয়ে প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠতেই বিদায় নেন ক্যামেরন ডেলপোর্ট। শোয়েব মালিকের বলে ড্রেসিংরুমে ফেরেন তিনি। সেই রেশ না কাটতেই এ বোলারের দ্বিতীয় শিকার হয়ে আসেন ইনফর্ম নাঈম। এতে চাপে পড়ে রংপুর। এ পরিস্থিতিতে ফজলে মাহমুদকে নিয়ে খেলা ধরেন টম অ্যাবল। একসময় দারুণ বন্ধন গড়ে ওঠে তাদের মধ্যে। দুজনই তান্ডব চালাতে থাকেন। তাতে খেলায় ফেরে রংপুর। তবে তারা বিচ্ছিন্ন হতেই ফের বিপাকে পড়ে দলটি। কামরুল ইসলাম রাব্বির উইকেট হয়ে ফেরেন অ্যাবল। এর আগে ২৪ বলে ৩ চারে ২৯ রান করেন তিনি। সঙ্গী হারিয়ে বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি ফজলে। ২৬ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৪ রান করে আসেন তিনি। তাকে শিকার বানান নওয়াজ। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি রংপুর। ধারাবাহিক বিরতিতে রাব্বির বলে কাটা পড়েন মোহাম্মদ নবী। খানিক বাদে মোহাম্মদ ইরফানের বলির পাঁঠা হয়ে যাওয়া-আসার মিছিলে যোগ দেন আল-আমিন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৯ রান তুলতে সক্ষম হয় তারা। টুর্নামেন্টের সিলেট পর্বের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় রাজশাহী ও রংপুর। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামে রাজশাহী। দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন লিটন দাস ও আফিফ হোসেন। তবে কেউই ব্যক্তিগত ইনিংসটাকে বড় করতে পারেননি। ব্যক্তিগত ১৯ রানের মাথায় মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার হয়ে ফেরেন লিটন দাস। তার পর দ্রুত ফেরেন আফিফ। মোহাম্মদ নবীর বলে সাজঘরের পথ ধরার আগে মাত্র ১৭ বলে ৩ ছক্কার বিপরীতে ২ চারে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। পরে ইরফান শুক্কুরকে নিয়ে খেলা ধরার চেষ্টা করেন শোয়েব মালিক। তবে তাকে খুব বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি ইরফান। ২০ রান করে আরাফাত সানির বলে আউট হন তিনি। এরপর রবি বোপরাকে নিয়ে দলের হাল ধরেন শোয়েব। একপর্যায়ে তাদের জুটি জমে ওঠে বেশ। তাতে এগোতে থাকে রাজশাহী। ক্রিজে সেট হওয়ার পর হাত খুলে মারতে থাকেন শোয়েব। অতি আগ্রাসী হতে গিয়ে মোস্তাফিজের বলে ফিনিশ হন তিনি। ফেরার আগে ৩১ বলে ৪ চারে ৩৭ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন পাকিস্তানি রিক্রুট। শোয়েব ফেরার পর রাজশাহীর রানের চাকা বাড়ানোর দায়িত্ব নেন বোপারা। তাকে যথার্থ সমর্থন দেন মোহাম্মদ নওয়াজ। দুজনই তোপ দাগাতে শুরু করেন। তাতে হু হু করে বাড়ে দলীয় রান। শেষ ওভারে মোস্তাফিজের ওপর চড়াও হন তারা। তাদের তান্ডবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৯ রান করে বরেন্দ্রভূমির দলটি। ২৯ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় কাঁটায় ফিফটি করে অপরাজিত থাকেন বোপারা। ১৫ রানে আনবিটেন থাকেন নওয়াজ।

দীপিকার জন্য বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ভাড়া নিলেন রণবীর

বিনোদন বাজার ॥ দীর্ঘ দিন প্রেম করে তারপর বিয়ের চুটিয়ে সংসার করছেন রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন। বিয়ের পর স্বামীকে নিয়ে নিয়মিতই মিডিয়ায় কথা বলতে দেখা যায় দীপিকাকে। তাদের নানা খুনসুটির গল্প মাঝে মধ্যেই সামনে এসে পড়ে। সব মিলিয়ে রণবীর-দীপিকাকে একে অপরের প্রতি বেশ দায়িত্বশীল মনে হয়।

সম্প্রতি দীপিকার জন্য একটি নতুন ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন রণবীর সিং। বউকে নিয়ে সেই বাড়িতেই নাকি উঠছেন তিনি। জানা গেছে, এই ফ্ল্যাটটির মাসিক ভাড়া ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা। ভারতীয় এক গণমাধ্যাম সূত্রে জানা গেছে, রেজিস্ট্রেশন দফতরের তথ্যমতে তিন বছরের জন্য এই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছেন রণবীর সিং। প্রথম দু’বছর প্রতি মাসে ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা করে ভাড়া দিতে হবে রণবীরকে। পরের ১২ মাস ভাড়া বেড়ে হবে ৭ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। তিন বছরের জন্য রণবীর সিংকে এই ফ্ল্যাটের জন্য ভাড়া গুনতে হবে প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

তাতে কী, বউকে নিয়ে সুখের সংসার করতেই এই ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন রণবীর। ২০১৮ সালে ইতালির লেক কোমোতে বিয়ে হয় রণবীর-দীপিকার। সামনেই কবীর খানের পরিচালনায় ৮৩ ছবিতে দেখা যাবে রণবীর সিং ও দীপিকাকে। এখানে ক্রিকেটার কপিল দেবের চরিত্রে অভিনয় করেছে রণবীর সিং, দীপিকা পাডুকোন অভিনয় করেছেন স্ত্রী রোমি দেবের ভূমিকায়।

অন্যদিকে দীপিকার হাতে আছে মেঘনা গুলজারের ‘ছপাক’ সিনেমাটি। অ্যাসিড আক্রান্ত লক্ষ্মী আগরওয়ালের বায়োপিক এই ছবি। ১০ জানুয়ারি মুক্তি পেতে চলেছে ছপাক। দীপিকার বিপরীতে ছবিতে রয়েছেন বিক্রান্ত মেসি।

কমেছে সারের দাম

কৃষি প্রণোদনা বেড়েছে

কৃষি প্রতিবেদক ॥ কালের চাকায় ঘুরে বিদায় নিয়েছে ২০১৯ সাল। শুরু হল নতুন বছর ২০২০। ২০১৯ সাল সরকারের অর্জনের বছর। উন্নয়ন ও জনকল্যাণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বেশ কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই কৃষি মন্ত্রণালয়। গত এক বছরে বেড়েছে কৃষি প্রণোদনা, ডিএপি সারের দাম কমানো হয়েছে, অ্যাপভিত্তিক কৃষিসেবা চালু করেছে সরকার। বেড়েছে কৃষি প্রণোদনা ঃ কৃষি উৎপাদন বাড়াতে নয়টি ফসল উৎপাদনে সারাদেশের ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে ৮০ কোটি ৭৬ লাখ ৯১ হাজার ৮০০ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হয়। অক্টোবরে দেওয়া এ প্রণোদনা সম্পর্কে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, কৃষককে প্রণোদনা হিসেবে চলতি রবি মৌসুমে গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, চীনাবাদাম, শীতকালীন মুগ, পেঁয়াজ এবং পরবর্তী খরিপ-১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ ও গ্রীষ্মকালীন তিল উৎপাদনে বীজ ও রাসায়নিক সার (ডিএপি ও এমওপি) দেওয়া হয়। রবি মৌসুমে গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, চীনাবাদাম, শীতকালীন মুগ, পেঁয়াজ এবং পরবর্তী খরিপ-১ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন মুগ ও গ্রীষ্মকালীন তিল উৎপাদন বৃদ্ধিতে ৬৪টি জেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের প্রণোদনার মাধ্যমে প্রতি কৃষক পরিবারকে সর্বোচ্চ এক বিঘা জমির জন্য বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার প্রণোদনা দেওয়া হয়। ডিএপি সারের মূল্য হ্রাস ঃ কৃষকের স্বার্থে ডিএপি (ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট) সারের দাম প্রতি কেজিতে ৯ টাকা কমানো হয়েছে। যা গত বিজয় দিবসের দিন থেকে (১৬ ডিসেম্বর) কার্যকর হয়েছে। কৃষক পর্যায়ে ডিএপি সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য হবে প্রতি কেজি ১৬ টাকা- যা আগে ছিল ২৫ টাকা। আর ডিলার পর্যায়ে প্রতি কেজি ২৩ টাকা থেকে কমিয়ে ১৪ টাকা করা হয়। বিজয় দিবসের উপহার হিসেবে ডিএপি সারের মূল্য হ্রাস করা হয়েছে। গত ৪ ডিসেম্বর সচিবালয়ে সারের মূল্য হ্রাসের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক এ ঘোষণা দেন। কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, কৃষকবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকদের জন্য উপহার অর্থাৎ হ্রাসকৃত মূলে ডিএপি সারের বিক্রি বিজয় দিবস থেকে কার্যকর হয়েছে। এর ফলে সুষম সার ব্যবহারে কৃষকরা অধিক ফলন পাবে। পরিবেশবান্ধব টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে। ডিপিতে ফসফরাসের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম ও নাইট্রোজেন যুক্ত থাকে। যেটা গাছের রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ রোধ করে। ফুল, ফল ও বীজে গুণগতমান বাড়ায়। ফলে এ সার প্রয়োগে একদিকে যেমন ইউরিয়া ও টিএসপি উভয় সারের সুফল পাওয়া যাবে আবার অর্থ ও শ্রম উভয়ের সাশ্রয় হবে। দেশে বছরে ৪ থেকে ৫ লাখ টন ডিএপি সারের চাহিদা রয়েছে। দাম কমানোর ফলে ডিএপি সারের ব্যবহার আরো বাড়বে।
বেড়েছে অ্যাপভিত্তিক সেবা ও এর ব্যবহার: আবহাওয়ার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কোন ধরনের বালাই আক্রমণ করতে পারে সে বিষয়ে ঘরে বসেই চলতি বছরে তথ্য পেয়েছে কৃষক। ফসলের উৎপাদন কখন কী পর্যায়ে রয়েছে সে নির্দেশনাও চলে যাচ্ছে কৃষকের মোবাইল ফোনে। নির্দিষ্ট সময়ে সঠিক তথ্য পাওয়ায় বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পোকার আক্রমণ থেকে ফসলের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি কমছে। এতে ফসলের উৎপাদনশীলতা ১৫ শতাংশ বেড়েছে বলে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়। সরকারি ও বেসরকারিভাবে বেশ কিছু কৃষিভিত্তিক মোবাইল অ্যাপস চালু রয়েছে। এসব অ্যাপসের মাধ্যমে দেশে চলতি বছর প্রায় ৪০ লাখের বেশি কৃষক সরাসরি সেবা নিয়েছে। এ ছাড়া পরোক্ষভাবে আরো কয়েক লাখ উপকৃত হয়েছে। চালু হয়েছে সরকারি কৃষি বাতায়ন : কৃষিসেবা কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে কৃষি বাতায়ন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) কর্মসূচির আওতায় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে গত ২৮ ফেব্র“য়ারি চালু করা হয়। কৃষি বাতায়নে নিবন্ধিত যে কোনো কৃষক ‘৩৩৩১’ নম্বরে ফোন করে তাদের সমস্যার কথা জানাতে পারছেন। বেসরকারি উদ্যোগ : ১২টি জেলার প্রায় ৯ লাখ ৭০ হাজার কৃষককে কৃষিবিষয়ক পাঁচ ধরনের তথ্য সেবা দিচ্ছে এসিআই লিমিটেডের ‘ফসলি’। এ অ্যাপসের মাধ্যমে সম্প্রসারণ কর্মীরা স্যাটেলাইট ডাটা ও আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণ করে কৃষককে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে তথ্য দিচ্ছে। কৃষক বালাই ও রোগের ক্ষেত্রে করণীয় এবং শস্য উৎপাদনে আয়-ব্যয়ের তুলনামূলক বিশ্লেষণের তথ্য পাচ্ছেন। মাঠে থাকা ফসলের উৎপাদন কোন এলাকায় কোন পর্যায়ে রয়েছে সে তথ্য দিয়েছে। নওগাঁ, রংপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, বগুড়া, দিনাজপুর, কক্সবাজার, খুলনা, যশোর ও সাতক্ষীরা জেলার কৃষকরা এ সুবিধা পেয়েছেন। কৃষি প্রযুক্তি ভান্ডার : গ্রামের কৃষকদের তথ্যপ্রাপ্তি সহজ করতে কৃষি প্রযুক্তি ভান্ডার চালু করে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বারি)। অ্যাপের মাধ্যমে উদ্ভাবিত ফসলের জাত ও উৎপাদন প্রযুক্তি, বিশেষ করে রোগবালাই, পোকামাকড় ও সার ব্যবস্থাপনাসহ যাবতীয় তথ্য পাওয়া যায়। তথ্য জানার জন্য প্রশ্ন করার সুযোগ আছে। প্রশ্ন করার পর সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। কৃষক জানালা: কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, সমস্যা ও সমাধানের উপায় বিশেষ করে রোগ-পোকামাকড়ের ছবিসহ চিকিৎসাপত্র, সার, বীজ ও বালাইনাশকের তথ্যাবলি, উপজেলার শস্যবিন্যাস, ভেজাল সার শনাক্তকরণের ভিডিওচিত্র রয়েছে অ্যাপে। ছবি দেখে কৃষক নিজেই তার সমস্যা চিহ্নিত করতে পারে। চিহ্নিত ছবিতে ক্লিক করলেই সমস্যার সমাধানের ছবি ভেসে উঠবে। প্রতিটি সমস্যার একাধিক ছবি এবং কমপক্ষে একটি প্রতিনিধিত্বপূর্ণ ছবি যুক্ত আছে। এর মাধ্যমে কৃষক সহজেই তার সমস্যা চিহ্নিত করে। এখানে ১২০টি ফসলের এক হাজারেরও বেশি সমস্যার সমাধান দেওয়া আছে।

নতুন বছরকে যেভাবে স্বাগত জানালেন জনি লিভার

বিনোদন বাজার ॥ বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় এক কমেডিয়ানের নাম জনি লিভার। গেল বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরেও ভক্তদের তার হাস্যরস কর্মকা- থেকে বঞ্চিত রাখলেন না জনি।

নিজের টুইটার একাউন্টে এক ভিডিও বার্তায় গান গেয়ে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান তিনি। শুধু গান গাইলে কি চলে! তাই গানের পাশাপাশি ছিলো জনি লিভারের নিজস্ব কায়দায় নেচে ওঠা। কমেডি ধাঁচের সেই নাচে দারুণ সাড়া ফেলেছেন তিনি ভক্তকুলের মাঝে।

ভিডিওতে জনির কর্মকা-ে আনন্দিত হয়ে হাততালি ও উচ্ছ্বাসের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। বছরের প্রাক্কালে ঘরোয়া কোনো এক অনুষ্ঠানে সবাই আনন্দে যখন মেতে উঠেছেন তার ভিডিও ধারণ করা হয়।

গায়ে লাল রঙের গোল গলা টি-শার্ট, হাতে সোনালি রঙের মাইক্রোফোন ধরা। আর জনি লিভার গাইছেন, ১৯৬৫ সালের সাসপেন্স-থ্রিলার ‘গুমনাম’-এ মেহমুদের উপর চিত্রিত “হাম কালে হ্যায় তো ক্যায়া হুয়া দিলওয়ালে হ্যায়…”। ভাইরাল হওয়া এই ভিডিও এখনও পর্যন্ত দেখা হয়েছে প্রায় ৩৪ হাজার বার।

জনি লিভার ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা যিনি হিন্দি চলচ্চিত্রে কৌতুক অভিনেতা হিসাবে বেশি পরিচিত। তিনি ভারতে প্রথম স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান হিসাবে পারফম করেন। ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ কমেডিয়ান পুরস্কারের জন্য ১৩ বার মনোনীত হন তিনি এবং দিওয়ানা মাস্তানা (১৯৯৭) ও দুলহে রাজা (১৯৯৮) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য দুবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।

বছরের শেষটা ভালোই গেল কারিনার

বিনোদন বাজার ॥ বছরের শেষটা ভালোই গেল বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের। ভালো বলতে, একেবারে সব দিক দিয়েই। তার অভিনীত সিনেমা ‘গুড নিউজ’ ৮৮ লাখ রুপি আয় করলো মাত্র ৪ দিনেই, সাইফ-তৈমুরের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডে কাটিয়েছেন কয়েকদিন, নতুন এক সিনেমার অফারও পেয়েছেন—আর কী লাগে! এ কারণেই বোধহয় নতুন বছরে বেশ উচ্ছ্বসিত কারিনা কাপুর। বলা চলে, শেষ ভালো যার সব ভালো তার।

২৭ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে কমেডি রোমান্টিক ধাঁচের সিনেমার নাম গুড নিউজ। এতে রিনা কাপুর, অক্ষয় কুমার, কিয়ারা ও দিলজিৎ অভিনয় করেছেন। ছবিটির গল্পে দেখা যায়, বর্তমান সময়ে শারীরিক নানা ত্রুটির কারণে অনেক বিবাহিত দম্পতি সন্তানের মা-বাবা হতে পারছেন না। তারা বাধ্য হয়ে চিকিৎসকের শরণাপণœ হন। বাত্রা নামের দুই দম্পতি তেমনি সমস্যার কারণে সন্তানের আশায় চিকিত্সকের কাছে গেলে তাদের ভাটো ফার্টিলাইজেশনের পরামর্শ দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী বরুণ বাত্রা-দীপ্তি বাত্রা এবং হানি বাত্রা-মনিকা বাত্রা দম্পতি সন্তান লাভের আশায় ভাটো ফার্টিলাইজেশনের আশ্রয় নেয়। কিন্তু গোল বাঁধে যখন তাদের চিকিত্সক জানান ভুলক্রমে দুই দম্পতির স্পার্ম অদল বদল হয়ে গেছে।

স্বাভাবিকভাবে বরুণ-দীপ্তি দম্পতি এবং হানি দম্পতির ব্যাপারটি মেনে নিতে পারে না। ভীষণভাবে রি-অ্যাক্ট করে উভয় দম্পতি। জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এ নিয়ে। এ রকম মারাত্মক ভুল দুটি পরিবারে এক ধরনের চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতির জন্ম দেয়। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের উপায় খুঁজতে তারা মরিয়া হয়ে ওঠে।

 

পার্বতীর অপেক্ষায় পপি

বিনোদন বাজার ॥ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা পপি গত বছরের মাঝামাঝিতে আরিফ পরিচালিত ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’ সিনেমার কাজ শুরু করেছিলেন। এই সিনেমায় তিনি তার স্বপ্নের চরিত্র ‘পার্বতী’ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন। কিন্তু মাঝপথে এসে সিনেমাটি নির্মাণের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। অথচ এই চরিত্রটি নিয়েই পপি দারুণ আশাবাদী ছিলেন। কারণ পার্বতী তার স্বপ্নের একটি চরিত্র। যদিও শরৎচন্দ্রের ‘দেবদাস’ অবলম্বনে নির্মিত ‘দেবদাস’ সিনেমার পাবর্তীর মতো নয় এই পার্বতী। তবে ‘দেবদাস’-এর পার্বতীর ছায়া আছে এই পার্বতীতে।

কেন পার্বতীকে পার্বতী হতে হলো, তার জন্যই তাকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে। আর তা কেমন রূপে দর্শক দেখতে পাবেন, সেটাই হলো ‘কাঠগড়ায় শরত্চন্দ্র’ সিনেমার মূল চমক। গত বছরেই সিনেমাটির কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে আশা করা যাচ্ছে, চলতি বছরের শুরুতেই শেষ হয়ে যাবে পপি অভিনীত সিনেমাটি।

এ প্রসঙ্গে পপি বলেন, ‘আমার অনেক স্বপ্নের চরিত্র পার্বতী। নামটি শুনলেই যেন নিজের ভেতরে কেমন শিহরিত হই। পার্বতী একটি ঐতিহাসিক চরিত্র। মনে আছে, এই চরিত্র নিজেকে যথাযথভাবে উপস্থাপনের জন্য অনেক কষ্ট করে গেটআপ নিয়েছিলাম। বেশ কিছুদিন শুটিংও করেছি, কিন্তু সিনেমাটি শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না। আমি চাই, এই সিনেমাটি দ্রুত শেষ হোক। কারণ নিজেকে পার্বতীরূপে পর্দায় দেখার জন্য আমি মুখিয়ে আছি। আমার বিশ্বাস নির্মাতা ও প্রযোজক দ্রুত এই সিনেমার কাজ শেষ করবেন। দর্শকও তাদের প্রতীক্ষার প্রহর শেষে সিনেমাটি দেখতে হলে যাবেন।’

উল্লেখ্য, এই সিনেমায় দেবদাসের চরিত্রে অভিনয় করছেন ফেরদৌস। এদিকে প্রায় শেষ হয়ে এসেছে পপি অভিনীত সাদেক সিদ্দিকী পরিচালিত ‘সাহসী যোদ্ধা’ সিনেমার কাজ। কিছুদিন আগে ‘ইয়েস ম্যাডাম’ সিনেমাতেও তার নাম ভূমিকায় অভিনয় করার কথা ছিল। গত ১০ সেপ্টেম্বর নিজের জন্মদিনে সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন পপি। কিন্তু শেষপর্যন্ত সিনেমাটিতে কাজ করা থেকে তিনি নিজেই সরে দাঁড়ান। গল্প পপির মনের মতো হয়নি এবং সবকিছু ব্যাটে বলে মিলেনি বিধায় এই সিনেমার কাজ থেকে সরে দাঁড়ান। অপরদিকে পপি এই বছরের শুরু থেকে নিজেকে নতুন করে দর্শকের সামনে উপস্থাপন করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘সিনেমা বা নাটক যেখানেই কাজ করি, নিজেকে ভালো ভালো গল্পের সিনেমা ও নাটকে উপস্থাপনের চেষ্টা করব। ২০২০ হবে আমার জন্য অন্য রকম এক চ্যালেঞ্জের বছর। আমার বিশ্বাস, আমার ভক্ত ও দর্শকেরা সব সময়ের মতো আমার পাশেই থাকবেন।’

জেসুসের জোড়া গোলে জয়ে বছর শুরু সিটির

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গাব্রিয়েল জেসুসের জোড়া গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিল ম্যানচেস্টার সিটি। তাদের গোলরক্ষক ক্লাওদিও ব্রাভোর ভুলে এক গোল ফিরিয়ে দিল এভারটন। বাকি সময়ে ব্যবধান ধরে রেখে জয় দিয়ে নতুন বছর শুরু করল পেপ গুয়ার্দিওলার দল। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বুধবার ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ২-১ গোলে জিতেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। সিটির এটি টানা দ্বিতীয় জয়। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর সাত মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করেন জেসুস। এক গোল শোধ করেন এভারটনের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রিশার্লিসন। ম্যাচের শুরুতেই অবশ্য এগিয়ে যেতে পারত স্বাগতিকরা। দ্বাদশ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর পাস পেয়ে বল জালে জড়িয়েছিলেন ফিল ফোডেন। তবে ভিএআর প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে কানসেলো অফ-সাইডে থাকায় গোল দেননি রেফারি। প্রথমার্ধের বাকিটা সময়ে বল দখলে অনেক এগিয়ে থাকলেও জালের দেখা পায়নি সিটি। এ নিয়ে ঘরের মাঠে লিগে শেষ আট ম্যাচের ছয়টিতেই বিরতির আগে গোল করতে ব্যর্থ হলো সিটি। ৫১তম মিনিটে সিটিকে এগিয়ে নেন জেসুস। ইলকাই গিনদোয়ানের পাস পেয়ে ডি-বক্সের ভেতর থেকে দারুণ এক বাঁকানো শটে লক্ষ্যভেদ করেন ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড। গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড বলে হাত ছোঁয়ালেও রুখতে পারেননি। সাত মিনিট পর রিয়াদ মাহরেজের দারুণ এক ডিফেন্স চেরা পাস ধরে প্লেসিং শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জেসুস। আসরে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের এটি অষ্টম গোল। ৭১তম মিনিটে খেলার ধারার বিপরীতে ব্যবধান কমায় এভারটন। সতীর্থকে পাস দিতে গিয়ে তালগোল পাকান সিটির গোলরক্ষক ব্রাভো। তার ভুল পাসে সতীর্থদের পা ঘুরে বল পেয়ে খুব কাছ থেকে ব্যবধান কমান রিশার্লিসন। আট মিনিট পর ভাগ্য সহায় না হওয়ায় হ্যাটট্রিকের সুযোগ হারান জেসুস; তার শট ফেরে পোস্টে লেগে। ২১ ম্যাচে ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে আছে সিটি। দিনের আরেক ম্যাচে সাউথ্যাম্পটনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরেছে টটেনহ্যাম হটস্পার। অন্য ম্যাচে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়নের মাঠে ১-১ গোলে ড্র করে চেলসি।

চোখ মেরে বিখ্যাত প্রিয়াকে  চ্যালেঞ্জ দীপিকার

বিনোদন বাজার ॥ অভিনব চোখের ইশারায় কেড়ে নিয়েছিলেন নিযুত তরুণের মন। মিষ্টি হাসিতে মাত করেছিলেন সবাইকে। সেই ভ্রু নাচানো প্রিয়া প্রকাশকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন বলিউড সেনসেশন দীপিকা পাডুকোন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, বলিউড অভিনেত্রীর কাছ থেকে চ্যালেঞ্জ পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত ‘ইশারাকন্যা’খ্যাত প্রিয়া প্রকাশ। দীপিকার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়া ভিডিওতে প্রিয়ার মন্তব্যÑ ‘এ বছর এর চেয়ে ভালোভাবে শেষ হতো না! গডেস নিজেই চোখের ইশারা করেছেন?’

দীপিকার চ্যালেঞ্জটা তা হলে কী? আগামী সপ্তাহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে মেঘনা গুলজার পরিচালিত ‘ছপাক’। চলচ্চিত্রে অ্যাসিড আক্রান্ত চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে দীপিকাকে। মুক্তি পেতে যাওয়া ছবিটির শুটিংয়ের বিভিন্ন মুহূর্তের ভিডিও পোস্ট করেছেন দীপিকা। এমনই এক ভিডিওতে প্রিয়া প্রকাশের মতো করে চোখ টিপ দেন দীপিকা এবং ভিডিওতে লেখা রয়েছেÑ প্রিয়া প্রকাশ ভ্যারিয়ারকে চ্যালেঞ্জ।

এই ভিডিও এরই মধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে। অনেকেই মন্তব্য করছেন। দীপিকার অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা নেটিজনদের।

বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে মিমির নতুন বছরের শুভেচ্ছা

বিনোদন বাজার ॥ দেখতে দেখতে একটি বছরের সমাপ্তি হয়ে গেল। সেই সঙ্গে নতুন বছরকে স্বাগত জানাচ্ছে যে যার মতো। যার ফলস্বরূপ নতুন বছরের শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসছে সোশ্যাল মিডিয়া। তারকারাও তাদের ভক্তদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে নিজেদের মতো করে। কলকাতার অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীও তার ভক্তদের লন্ডন থেকে ইংরেজি নববর্ষ ২০২০-এর শুভেচ্ছা জানিয়েছে। লন্ডনের এক ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে একটি ভিডিওর মাধ্যমে ভক্তদের শুভেচ্ছা জানালেন মিমি। লন্ডনের বৃষ্টি ও কনকনে ঠান্ডায় দাঁড়িয়ে শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমায় ভালোবাসার জন্য। বৃষ্টি পড়ছে, তার সঙ্গে ঠান্ডা হাওয়া বইছে। সবাইকে অনেক ভালোবাসা ও অভিনন্দন। প্রত্যেকের ২০২০ ভালো ও সমৃদ্ধ হোক।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে বদলে গেছে মিমি চক্রবর্তীর জীবন। লোকসভা ভোটে দাঁড়ানোর জন্য তৃণমূলের থেকে টিকিট পেয়েছেন। প্রথমবারেই বেশ ভালো সংখ্যক ভোটে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি। গত বছর নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলেছেন। সেখানে নিজের গাওয়া মিউজিক ভিডিও-ও পোস্ট করে আলোচিত হন।

এন্ড্রু কিশোরের পাশে লন্ডনের সঙ্গীতশিল্পীরা

বিনোদন বাজার ॥ প্রায় ৪ মাস ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন সঙ্গীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। ক্যান্সারের ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাতে ফ্ল্যাটও বিক্রি করতে হয়েছে তাকে। এন্ড্রু কিশোরের পাশে দাঁড়াতে গত ১০ ডিসেম্বর লন্ডনের সঙ্গীতশিল্পী এবং যন্ত্রশিল্পীরা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। লন্ডনের সেই অনুষ্ঠান থেকে গত ২৪ এবং ২৬ ডিসেম্বর দুই দফায় মোট ৪ লাখ টাকা পৌঁছে দেয়া হয়েছে এন্ড্রু কিশোরের কাছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এন্ড্রু কিশোরের ঘনিষ্ঠজন ও শিষ্য কণ্ঠশিল্পী মোমিন বিশ্বাস।

তিনি জানান, গত ২০ ডিসেম্বর আমেরিকায় বসবাসরত সঙ্গীতশিল্পী, যন্ত্রশিল্পী ও বেশ কয়েকজন আয়োজকের উদ্যোগে তার চিকিৎসা সহায়তায় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং অনুষ্ঠান শেষে তাকে গত ২৪ ডিসেম্বর ৪৬৮২ মার্কিন ডলার প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশের টাকার হিসাবে যা প্রায় ৪ লাখ টাকা। আয়োজকদের পক্ষ থেকে আরো কিছু টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে।

এর আগে তার চিকিৎসা সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি সঙ্গীতশিল্পী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং বেশকিছু প্রতিষ্ঠান এবং প্রবাসীরাও এগিয়ে এসেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় তার শারীরিক অবনতির কারণে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এই সমস্যা কাটিয়ে উঠলে পুনরায় তাকে কেমোথেরাপি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। দেশবরেণ্য এই জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পীর সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছে তার পরিবার।

জেসুস দুর্দান্ত, আগুয়েরোর বিকল্প নেই ঃ গুয়ার্দিওলা

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ এভারটনের বিপক্ষে জোড়া গোল করে দলকে জেতানো গাব্রিয়েল জেসুসের খেলায় মুগ্ধ পেপ গুয়ার্দিওলা। তবে দলে সের্হিও আগুয়েরোর বিকল্প নেই বলেও জানিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটি কোচ। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বুধবার নিজেদের মাঠে ২-১ ব্যবধানে জেতে সিটি। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে সাত মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করেন জেসুস। অন্যদিকে, চোট কাটিয়ে দলে ফিরে প্রথম ম্যাচেই জালের দেখা পান আগুয়েরো। গত রোববারের সেই ম্যাচে শেফিল্ড ইউনাইটেডকে ২-০ গোলে হারায় লিগ চ্যাম্পিয়নরা। এভারটনের বিপক্ষে পুরো সময়ই অবশ্য বেঞ্চে ছিলেন এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। ম্যাচ শেষে দলের দুই ফরোয়ার্ডকে প্রসংশায় ভাসান গুয়ার্দিওলা। “গাব্রিয়েল দুর্দান্ত করছে, তবে সের্হিওর বিকল্প নেই।” আগুয়েরোকে মূল্যায়ন করতে গিয়ে ২০১২ সালে কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সের (কিউপিআর) বিপক্ষে যোগ করা সময়ে সেই গোলের স্মৃতি টেনে আনেন গুয়ার্দিওলা। আগুয়োরোর যে গোলে ৪৪ বছর পর লিগ শিরোপা জিতেছিল সিটি। “সে যা করেছে, সেজন্য আমাদের সমর্থকদের কাছে সে বিশেষ কিছু। যেমন কিউপিআরের বিপক্ষে তার সেই গোল। সব খেলোয়াড়ের জন্যই আমাদের বিকল্প দরকার এবং সের্হিওর মতো গাব্রিয়েলের খেলাও প্রসংশাযোগ্য। তাদের মধ্যে দারুণ একটা সম্পর্ক আছে। আগের ম্যাচে সের্হিও দলকে জেতাতে সাহায্য করেছিল, আজ (বুধবার) করল গাব্রিয়েল।” মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলে জেসুসের গোল ১৩টি। সব মিলে দলের ১৭টি গোলের সঙ্গে জড়িয়ে ২২ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ডের নাম। সময়ের সঙ্গে তার উন্নতিতে অভিভূত কোচ। “ভুলে গেলে চলবে না, সে এখনও তরুণ। কিন্তু সে যেভাবে লড়াই করে তা দারুণ এবং অবশ্যই তাকে আরও উন্নতি করতে হবে। অবশ্য প্রতি দিনই সে আরও ভালো করছে।” শিরোপা ধরে রাখার আশা অনেকটাই ফিকে হয়ে গেছে গুয়ার্দিওলার দলের। ২০ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে রয়েছে সিটি। তাদের চেয়ে ২ ম্যাচ কম খেলে ১৪ পয়েন্টে এগিয়ে শীর্ষে লিভারপুল।

ইসলাম-ক্রিকেটকে একসঙ্গে মেলাবেন না ঃ আমলা

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ক্রিকেট বিশ্বে যেসব ধর্মভীরু মুসলিম ক্রিকেটার রয়েছেন তন্মধ্যে অন্যতম দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ক্রিকেটার হাশিম আমলা। মাঠে ও মাঠের বাইরে যথাযথভাবে ইসলামের নিয়ম কানুন পালন করেন তিনি। যে কারণে প্রায়ই তাকে বাঁকা কথা শুনতে হয়। নিজের খেলায় ইসলামের প্রভাব নিয়েও একাধিকবার প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে ৩৬ বছর বয়সী ব্যাটসম্যানকে। প্রথমবারের মতো বিপিএলে খেলতে এসেছেন আমলা। খুলনা টাইগার্সের হয়ে মাঠ মাতাবেন তিনি। দলটির পক্ষে বঙ্গবন্ধু বিপিএলে খেলতে এসেও এ নিয়ে প্রশ্নের সম্মুক্ষীণ হতে হলো তাকে। সাবলীলভাবে সরল-সহজ ভাষায় এর উত্তর দিয়েছেন তিনি। প্রথমেই ইসলামের সঙ্গে ক্রিকেটকে মেলাতে নিষেধ করেন প্রোটিয়া ক্রিকেটার। আমলা বলেন, ক্রিকেট খেলায় ধর্ম কিভাবে সহায়তা করে এ বিষয়ে আমাকে অসংখ্যবার প্রশ্ন করা হয়েছে। ইসলাম খুবই সহজ। এর মূল বিষয়গুলো কমবেশি প্রতিটি মুসলিম জানেন। তবে এগুলো ব্যাখ্যা করা কঠিন। ক্রিকেটের সঙ্গে একে মেলানো উচিত নয়। ইসলাম-ক্রিকেটের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নকে অদ্ভুত আখ্যা দেন আমলা। খেলার সঙ্গে ধর্মকে মেশাতে চান না তিনি। বরং এ নিয়ে কথা না বলে অনুশীলনে বেশি জোর দেয়ার পক্ষে ডানহাতি ব্যাটার। আমলার কথায়, কিছু মানুষ জিজ্ঞেস করে ইসলাম কিভাবে ক্রিকেটকে সাহায্য করে। আমার মতে, এটা অদ্ভুত প্রশ্ন। খেলায় নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করি। মাঠে ইসলাম আমাকে সাহায্য করল কি-না, তা নিয়ে মাথা ঘামাই না। যতটা সম্ভব একজন ক্রিকেটারকে অনুশীলন করতে হয়। বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিয়েছেন আমলা। বিশেষত দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ও ওয়ানডে দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। টি-টোয়েন্টিতেও ব্যাট হাতে নিজের সামর্থ্যরে জানান দিয়েছেন মুসলিম বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার। এখন পর্যন্ত ১৫৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১২৬ স্ট্রাইক রেটে ৪২৮৪ রান করেছেন আমলা। তার নামের পাশে রয়েছে ২৭টি হাফসেঞ্চুরি ও ২টি সেঞ্চুরি। তাকে নিয়ে নিজেদের ব্যাটিং শক্তি ও গভীরতা বাড়িয়েছে মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বাধীন খুলনা।