দৌলতপুর প্রেসক্লাব সভাপতি এ্যাড. এমজি মাহমুদ মন্টুর শশুরের দাফন সম্পন্ন – সাংবাদিক মহলের শোক

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাড. এমজি মাহমুদ মন্টুর শ^শুর আবু বক্কর-এর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় খাজানগর কবরস্থানে জানাযা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়। সোমবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার বাসভবনে আবু বক্কর (৭০) ইন্তেকাল করেন (ইন্না… রাজেউন)। তিনি দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্যজনিত ও হৃদরোগে ভূগছিলেন। এদিকে দৌলতপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাড. এমজি মাহমুদ মন্টুর শ^শুরের ইন্তেকালে দৌলতপুর প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিক গভীর শোক প্রকাশ করছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। মরহুম আবু বক্কর দৌলতপুর উপজেলার চিলমারীর বাসিন্দা ছিলেন।

ঝিনাইদহ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর দুর্নীতি তদন্ত কমিটি গঠন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ঝিনাইদহ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার ইবনে শাঈখের দুর্নীতি তদন্তে হাই ভোল্টেজ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়। গত ২৪ অক্টোবর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের প্রশাসন অধিশাখা-১ এর উপ-সচিব মোসাঃ সুরাইয়া বেগম এক অফিস আদেশে উচ্চ পর্যায়ের এই কমিটিকে কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেন। মন্ত্রনালয়ের ১৫.০০.০০০০.০১৩.২৭.০০১.১০.১০৯০/১(৪) নং স্মারকে চিঠিতে বলা হয়েছে ঝিনাইদহ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে আনীত অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত পুর্বক ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। আগামী শুক্রবারের (৮ নভেম্বর) মধ্যে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দাখিলের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের প্রশাসন-২ এর অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ ইয়াকুব আলী পাটওয়ারী। সদস্য সচিব করা হয়েছে সিনিয়র সহকারী সচিব তারিক হাসান। এছাড়া তদন্ত কমিটির সদস্য করা হয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মোঃ মঈনুল ইসলাম। এর আগে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নন্দিতা রানী সাহা গত ২ অক্টোবর “ভুয়া কাজ ও বিল ভউচারে লোপাট ১০ কোটি টাকার বিষয়ে তদন্ত প্রসঙ্গে” শিরোনামে তার দপ্তরের ২৫.৩৬.০০০০.২১৩.২৭৫৫৯.১৯.১০৮৭ নং স্মারকে একটি চিঠি ইস্যু করেন। তদন্ত পুর্বক ৩ কর্মদিবসের মধ্যে সুস্পষ্ট মতামত প্রেরণ করার জন্য নির্দেশক্রমে তদন্ত দলকে নির্দেশ দেন। গত ৭ অক্টোবর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোর আঞ্চলিক অফিসের উপ-পরিচালক নাজমুস সায়াদাত ঝিনাইদহ গণপূর্ত বিভাগের ১০ কোটি টাকা লোপাটের বিষয়ে খোঁজ খবর নেন। ঝিনাইদহে অবস্থানকালে তিনি গণপূর্ত অফিসের ঠিকাদারী কাজের নথি দেখেন ও নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার ইবনে শাঈখকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। উল্লেখ্য ঝিনাইদহ গণপুর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার ইবনে শাঈখ কাজ না করেই কোটি কোটি টাকার বিল উত্তোলন করেন বলে পত্রিকা ও বেসরকারী টিভি চ্যানেলে খবর প্রচার হয়। খবর ফাঁস হয়ে পড়লে জুনের আগে কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বিল তুলে নেওয়া প্রকল্পগুলো তড়িঘড়ি করে সম্পন্ন করেন। ঝিনাইদহ শহরের চাকলাপাড়া ডরমেটরি ভবন, নন হেজেটেড ডরমেটরি ভবন, জেলা জজের বাসা, সাবডিভিশন অফিস ও গনপুর্তের উপ-বিভাগীয়ে প্রকৌশলীর বাসাসহ বিভিন্ন অফিস মেরামত ও রং করেন। অথচ কাজ দেখিয়ে জুনের আগেই তিনি ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার বিল তুলে নেন তিনি। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহ গনপুর্ত বিভাগে গত ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ই-জিপি টেন্ডারের মাধ্যমে দরপত্র আহবান করা হয়। কিন্তু বিধি ভঙ্গ করে মেন্যুয়ালি নেটিফিকেশন অফ এওয়ার্ড (নোয়া) দেওয়া হয়। যা পিপি’র বিধি বহির্ভুত। প্রশ্ন উঠেছে ই-জিপি টেন্ডার আহবান করলে একজন ঠিকাদার অর্ধশত কাজ কি ভাবে পায়। এ ভাবে তিনি ২/৩টি লাইসেন্সের বিপরীতে শত শত কাজ দিয়ে কোনটি কাজ না করে আবার আংশিক কাজ করে ৯ কোটি টাকার বেশি টাকা লোপাট করেন। এ বিষয়ে কথা বলতে ঝিনাইদহ গনপুর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার ইবনে শাঈখের মুঠোফোনে (০১৮৮২-১১৫৩৮১) মঙ্গলবার বিকালে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

মালেশিয়ায় সড়ক দূর্ঘটনায় মারাত্বক আহত মিরপুরের উজ্জল

আমলা অফিস ॥ মালেশিয়ায় সড়ক দূর্ঘটনায় মারাত্বকভাবে আহত হয়ে সেখানকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন কুষ্টিয়ার মিরপুরের বাসিন্দা উজ্জল মালিথা (২৭)। সোমবার দুপুরে মালেশিয়ায় এ দূর্ঘটনা ঘটে। আহত উজ্জল কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের মেহেরনগর গ্রামের আবুল মালিথার ছেলে। উজ্জলের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উজ্জল দেড় বছর আগে মালয়েশিয়া যান। সেখানে সোমবার সড়ক দূর্ঘটনায় মারাত্বক আহত হন। বর্তমানে তিনি সেখানকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত ২ মাস আগে উজ্জলের বাবা তার মাকে রাজশাহী চিকিৎসা করাতে গিয়ে তার সেখানে মারা যান। উজ্জলের ৪ বছরের একজন ছেলে আছে।

ইবি ভিসি’র অভিভাবক কর্ণার পরিদর্শন

২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে আগত ভর্তিচ্ছুদের অভিভাবকদের জন্য বিশ^বিদ্যালয়ের তৃতীয় ফটক সংলগ্ন স্থানে বিশ^বিদ্যালয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তাবু টানিয়ে বসার ব্যবস্থাসহ তৈরি করা হয়েছে অভিভাবক কর্ণার। ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা যেন কোন সমস্যায় না পড়েন সে দিকে লক্ষ্য রেখে কর্তৃপক্ষ এ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী গতকাল দুপুরে অভিভাবক কর্ণারে যান। তিনি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে জানতে চান।  কোন সমস্যা হলে তিনি সেখানে দায়িত্বরত বিএনসিসি ও পুলিশ সদস্যদের জানাতে পরামর্শ দেন। অভিভাবকরা ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আগত পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য গৃহীত ব্যবস্থাপনাসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। বিশ্রামের ব্যবস্থা গ্রহণ করায় তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অভিভাবক কর্ণার পরিদর্শন শেষে ভাইস চ্যান্সেলর প্রধান ফটকে স্থাপিত আর্চওয়ে গেটে যথাযথ নিরাপত্তা সতকর্তা অবলম্বন করা হয়েছে কি-না তা সরজমিনে পরিদর্শন করেন। এসময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা, থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আ. ফ. ম. আকবর হোসাইন, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এস. এম. মোস্তফা কামাল, রোভার স্কাউট গ্র“পের সম্পাদক প্রফেসর ড. রুহুল কে এম সালেহ, কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, মিরপুর সার্কেল-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফারজানা শরীফ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসি জাহাঙ্গীর আরিফ প্রমুখ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

গাংনীর ইউএনও’র বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ইউপি চেয়ারম্যানদের সংবাদ সম্মেলন

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) দিলারা রহমানের বিরুদ্ধে উদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। গাংনী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বিশ্বাস। সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যানদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে  গত ৮ আগষ্ট দিলারা রহমান গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে উদ্ধত্যপূর্ণ (খারাপ) আচরণ করে আসছিলেন। এ কারণে সবার মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি সম্প্রতি উপজেলা মাসিক সভায় উপস্থিত গাংনী থানার অফিসার ইনর্চাজকে অপমান স্বরুপ  আচরণ করেন। এতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলারা রহমান জানান, আমি কোন অনিয়ম করিনা। এবং কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না। তবে চেয়ারম্যানবৃন্দ আমাকে একটি ফাইলে স্বাক্ষর করার জন্য অনুরোধ করেন। আমি নীতিমালা অনুযায়ী ফাইলটি স্বাক্ষর করবো এ জন্য একদিন সময় চাওয়া হয়।  যে কারণে চেয়ারম্যানবৃন্দ হয়তো আমার প্রতি খুশি হতে পারেননি। তবে আমি কর্মজীবনে কারোর সাথে অসদাচরণ করেছি বলে মনে পড়েনা।

জাহাঙ্গীরনগর পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণে – কাদের

ঢাকা অফিস ॥ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি বুঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার বনানীর সেতু ভবনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নে একথা জানান তিনি।কাদের বলেন, “এটা প্রধানমন্ত্রীর নজরে আছে, এর সর্বশেষ খবর প্রধানমন্ত্রী জানেন। কোনো ব্যবস্থা নিতে হলে তিনি খোঁজ-খবর নিয়ে নেবেন। সরকার প্রধান এ ব্যাপারে খুব সজাগ। তিনি বিষয়টা পর্যবেক্ষণ করছেন, অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেবেন।”উপাচার্য ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগের দাবিতে একদল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে এক সপ্তাহ ধরে অচল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।দুপুরে কাদের যখন কথা বলছিলেন, তখন সাভারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছিল আন্দোলনকারীরা।পরে ছাত্রলীগ ও উপাচার্য সমর্থক শিক্ষকরা চড়াও হয় আন্দোলনকারীদের উপর; ছাত্রলীগ পিটিয়ে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেয়।

এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে মঙ্গলবার বিকালের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা চালায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরামঙ্গলবার আন্দোলনকারীদের উপর হামলা চালায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা

আহবায়ক রফিকুল ইসলাম ॥ সদস্য সচিব নুরুন্নবী

বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতি কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন

নিজ সংবাদ ॥ বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতি কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহবায়ক হয়েছেন ইসলাম ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসের রফিকুল ইসলাম ও সদস্য সচিব হয়েছেন কুষ্টিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসের এস, এম নুরুন্নবী। গতকাল দুপুরে স্থানীয় চিলিস রেষ্টুরেন্টে এ লক্ষে হালকা প্রকৌশল শিল্প মালিক কুষ্টিয়া শাখার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিকদার ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসের মালিক  জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসুচী প্রোগ্রেস প্রকল্পের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক আতিয়ার রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্র্যাকের বাইওয়া প্রোগ্রেস অফিসার  আলী আহমেদ বাচ্চু। বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসুচী প্রোগ্রেস প্রকল্পের ফিল্ড টেকনিক্যাল অফিসার আলাউদ্দিন আল আজাদ ও হারুন অর রশিদ, কুষ্টিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসের এস,এম নুরুন্নবী, কসবা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস এর মালিক মিজানুর রহমান, বিশ্বাস ষ্ট্রীল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসের মালিক আহসান হাবিব হাসান, আযম ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপের মালিক রুহুল আযম প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্র্যাকের দকষতা উন্নয়ন কর্মসুচী প্রোগেস প্রকল্পের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক আতিয়ার রহমান বলেন- ব্র্যাক আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছে। ব্র্যাকের সকল কার্যক্রম অত্যন্ত সুচারুভাবে এবং মানসম্পন্নভাবে সম্পন্ন হয়ে আসছে যাতে দেশের ভাবমুর্তি উজ্জলতর হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের হালকা প্রকৌশল শিল্প মালিকেরা দীর্ঘ দিন থেকে অবহেলিত। সমাজের গুরুত্বপুর্ন এই শিল্প প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব অনেক বেশি কিন্তু এর মর্যাদা দেয়া হয়নি। কারন একটি যে, আপনারা সুসংগঠিত নয় আর সংগঠিত হওয়ার মাধ্যমেই আপনাদের পরিচিতি যেমন বাড়বে ঠিক মর্যাদাও  বৃদ্ধি পাবে। ব্র্যাকের মাধ্যমে আপনাদের মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষে কাজ করা হচ্ছে যাতে আপনারা উপকৃত হবেন। তিনি বলেন, কুষ্টিয়ার মালিকেরা অনেক সুসংগঠিত হয়ে দেশের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে আশা রাখি। পরে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতি কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির আহবায়ক রফিকুল ইসলাম-ইসলাম ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, যুগ্ম আহবায়ক ইউনুস খান-ইউনুস ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস ও মিজানুর রহমান মজনু-কসবা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস। নির্বাহী সদস্য মিরাজুল ইসলাম রঞ্জু- জোয়ার্দার ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, মিজানুর রহমান -ন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, জালাল উদ্দিন সিকদার- সিকদার ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, রহমত আলী রঞ্জু- ভাই ভাই ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, আহসান হাবিব হাসান-বিশ্বাস ইঞ্জিনিয়ারিং ষ্টীল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, রুহুল আজম-আজম ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস,আল হেলাল-আল হেলাল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, সোহেল শেখ- সোহেল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, মিজানুর রহমান মধু-আশা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস এবং সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন কুষ্টিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসের এস,এম নুরুন্নবী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল মান্নান- খোকসা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, আবুল কালাম আজাদ-একে আজাদ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, রকিবুল ইসলাম-রফিক ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, হেলাল উদ্দিন- হেলাল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, সোহেল শেখ- সোহেল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, নজরুল ইসলাম-কাদের ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস,  মোক্তার হোসেন- মোক্তার মেশিনারিজ এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, আব্দুস সালাম- সালাম ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস।

 

মিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে সিএনজি চালক ও মালিক সমিতির মতবিনিময়

আমলা অফিস ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক কামারুল আরেফিনের সাথে এক সৌজন্য স্বাক্ষাত ও মতবিনিময় করেছেন আমলা সিএনজি মালিক ও চালক সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দরা। এসময় কামারুল আরেফিনকে সিএনজি মালিক সমিতির উদ্যোগে গোপালগঞ্জের টুংগি পাড়াস্থ জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের সমাধিস্থল ও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ভ্রমনের জন্য আমন্ত্রন জানান নেতৃবৃন্দরা। গতকাল মঙ্গলবার সকালে কামারুল আরেফিনের নিজ বাসভবনে এ সৌজন্য স্বাক্ষাত করেন এবং কার্ডের মাধ্যমে সিএনজি মালিক ও চালক সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে ভ্রমণের জন্য আমন্ত্রন জানানো হয়। আমলা সিএনজি চালক ও মালিক সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে কামারুল আরেফিনের হাতে এ কার্ড দিয়ে ভ্রমণে আমন্ত্রন জানান আমজাদ হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সিএনজি চালক ও মালিক সমিতির লাইন সম্পাদক আব্দুল হান্নান, সিএনজি চালকদের প্রতিনিধি আব্দুল খালেক, মিজানুর রহমান, রেজাউল ইসলাম বাবু, আব্দুল খালেক ওরফে গুরু, আব্দুস সালাম, শিপন আলী-১, সুজন-১০সহ আমলা সিএনজি চালক ও মালিক সমিতির সদস্যগণ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন আমলা সিএনজি কাউন্টারের পরিচালক সোহেল রানা। আগামী ৯ নভেম্বর শনিবার সকালে তারা সিএনজি মালিক সমিতির উদ্যোগে গোপালগঞ্জের টুংগি পাড়াস্থ জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের সমাধিস্থল ও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ভ্রমনের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন বলে জানা গেছে।

আমলাপাড়া স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে মরহুম আব্দুল খালেক মন্ডল স্মৃতি আন্তর্জাতিক রেটিং দাবা টুর্ণামেন্ট

নিজ সংবাদ ॥ আমলাপাড়া স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে মরহুম আব্দুল খালেক মন্ডল স্মৃতি আন্তর্জাতিক রেটিং দাবা টুর্ণামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত দাবা টুর্ণামেন্টটি পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করছেন খালেক ব্রিকস্, কুষ্টিয়া। আগামী ৯ নভেম্বর দাবা টুর্ণামেন্টটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন জেলা পরিষদ’র চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলাম। সভাপতিত্ব করবেন ক্লাবের সভাপতি (পি.পি) এ্যডঃ অনুপ কুমার নন্দী। বিশেষ অতিথি থাকবেন জেলা ক্রীড়া সংস্থা দাবা উপপর্ষদের সভাপতি লিয়াকত আলী খাঁন এবং সাধারন সম্পাদক ডাঃ রতন কুমার পাল, মরহুম আব্দুল খালেক মন্ডল’র পুত্র খালেক ব্রিকস্, কুষ্টিয়া’র স্বত্তাধিকার আব্দুল কাদের জুয়েল। টুর্ণামেন্ট এর বিস্তারিত ধসষধঢ়ধৎধংঢ়ড়ৎঃরহমপষঁন ভধপবনড়ড়শ এ পাওয়া যাবে।

খোকসায় প্রাথমিক শিক্ষকদের মার্কিং স্কিম বিষয়ক প্রশিক্ষণ

খোকসা প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার খোকসায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মাকিং স্কিম সম্পর্কিত তিন দিনের প্রশিক্ষন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। জানা গেছে, পিডিপি ৪ এর অধিনে শিক্ষানীতির আলোকে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে যোগ্যতা ভিত্তিক প্রশ্ন প্রণয়ন, মার্কিং স্কিম ও খাতা মূল্যায়ন বিষয়ে শিক্ষকদের অধিকতর প্রশিক্ষিত করতে ৩০ জন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে তিন দিনের প্রশিক্ষন প্রদান করা হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের হল রুমে দ্বিতীয় ধাপের এ প্রশিক্ষন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমি জেরিন কান্তা। এ সময় বক্তব্য রাখেন প্রশিক্ষক ও সহকারী শিক্ষা অফিসার সুপ্রিয়া রানী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর আহমদ আলী মিঞা। দুপুরে প্রশিক্ষন অনুষ্ঠানে বিভাগী উপ-পরিচালক ডিডি মেহেরুন নেছা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার  মোঃ তবিবর রহমান ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার মির্জা গোলাম মহম্মদ বেগ প্রমুখ। শিক্ষা বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা প্রশিক্ষন গ্রহনকারিদের সাথে শিক্ষার মান উন্নয়নে করণীয় সম্পর্কে আলোচনায় মিলিত হন। চলতি মাসের ২য় দিন থেকে শুরু হওয়া প্রশিক্ষন কর্মসূচি চলবে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিটি ব্যাচে ৩০ শিক্ষক প্রশিক্ষন নিচ্ছেন। এ বছর সব ব্যাচ মিলিয়ে ৯০ জন শিক্ষককে প্রশিক্ষন দেওয়া হবে। গত অর্থবছরে ৯০ জন সাধারণ শিক্ষক ও ২৫ জন শিশু শ্রেণির শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় বলে অফিস সূত্র জানিয়েছে।

দৌলতপুর কলেজ বিজয় ফুল উৎসবে জেলা পর্যায়ে কবিতা আবৃত্তি ও জাতীয় সংগীতে প্রথম

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর কলেজ বিজয় ফুল উৎসব-২০১৯ এ জেলা পর্যায়ে কবিতা আবৃত্তি ও জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে। গতকাল মঙ্গলবার কুষ্টিয়া কালেক্টরেট স্কুল চত্বরে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। গ-বিভাগে কবিতা আবৃত্তিতে দৌলতপুর কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী তাসনিম তাবাসুম সঞ্চারী প্রথম হয়েছে। জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে দৌলতপুর কলেজ। প্রতিযোগিতা শেষে জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা অফিসার জায়েদুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে বিশ্বমানের দক্ষত অর্জন করতে হবে – রাষ্ট্রপতি

ঢাকা অফিস ॥ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর (বিএএফ) মর্যাদা সমুন্নত রাখতে এই বাহিনীর সদস্যদের দক্ষ ও আদর্শবান হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা সেনানিবাসস্থ বঙ্গবন্ধু ঘাঁটিতে বিএএফ’র ১, ৩, ৫, ৮, ৯ ও ৭১ নম্বর স্কোয়াড্রনকে ন্যাশনাল স্টান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে ভাষণদানকালে বলেন, ‘দেশের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে বিমান বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে বিশ্বমানের দক্ষতা অর্জন করতে হবে।’ সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি হামিদ বিএএফ’র অর্জন নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য এই বাহিনীর সদস্যদের আধুনিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং কঠোর পরিশ্রম করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘আপনাদের জন্য পেশাগত দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং একই সঙ্গে এই বাহিনীর সুনাম ও মর্যাদা বৃদ্ধি করে। সুতরাং আপনাকে আরো দক্ষ ও আদর্শ বিমানবাহিনীর সদস্য হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির উন্নয়ন কার্যক্রমে বিমান বাহিনীর জওয়ানরা আরো সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। দেশের ভৌগোলিক অবস্থান সামরিক কৌশলগত দিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সম্ভাবনার দিকসমূহ বিবেচনায় রেখে বর্তমান সরকার বিমান বাহিনীকে ২০৩০ সালের মধ্যে একটি আধুনিক, শক্তিশালী ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত আন্তরিক। রাষ্ট্রপতি বিএএফ বাহিনীর সদস্যদের প্রতি যুদ্ধ বিমানসহ সকল ধরনের আধুনিক ও মূল্যবান অস্ত্র সংরক্ষণে যতœশীল ও মনযোগী হওয়ারও আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে। উন্নয়নের জন্য নিরাপত্তা অপরিহার্য। অতএব আমাদের আকাশসীমার নিরাপত্তাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’ বিমানবাহিনীর সামগ্রিক কর্মকান্ডের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের আকাশসীমার সার্বভৌমত্ব রক্ষার নৈমিত্তিক কাজ ছাড়াও বিমান বাহিনীর সদস্যরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, উদ্ধার অভিযান এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে বিরাট দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তাছাড়া বিমান বাহিনীর সদস্যরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। এর আগে তিনি সেখানে পৌঁছলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (বিএএফ) প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মশিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত এবং বিএএফ বঙ্গবন্ধু ঘাঁটির কমান্ডেন্ট এয়ার ভাইস মার্শাল মো. সৈয়দ হোসেন রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান। সৈয়দ হোসেন ও উইং কমান্ডার মাসুদুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রপতি একটি খোলা জীপে করে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় এমপি, বিদেশী কূটনৈতিকবৃন্দ, বেসামরিক ও সামরিক উচ্চ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ এবং রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি সেখানে মধ্যাহ্নভোজ করেন এবং ফটোসেশনে অংশ নেন। তিনি সেখানে একটি পরিদর্শক বইয়েও স্বাক্ষর করেন।

কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রায়

মাদকসহ পৃথক মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া মডেল থানায় নিজ নিয়ন্ত্রণে মাদকদ্রব্য  ফেন্সিডিল ও ইয়াবা রাখার অভিযোগে দায়ের করা মাদক সহ দৌলতপুর থানার নারী পাচার মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ১লাখ টাকা জরিমানার কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে কুষ্টিয়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী এক জনাকীর্ণ আদালতে আসামীদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন-কুষ্টিয়া শহরের পূর্ব মজমপুর (ঝাউতলা গলি) এলাকার আজাহার আলীর ছেলে মহিরুল ওরফে মহিদুল, মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার কাজীপুর গ্রামের ফজলের ছেলে কাজল ও একই গ্রামের বিল্লাল হোসেনের ছেলে শিশির ওরফে নাহিদ। দৌলতপুর থানার নারী পাচার মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত আসামী হলেন- উপজেলার চামনাই আল্লারদর্গা গ্রামের বাদল মন্ডলের ছেলে মো: সেলিম রেজা (৩৮)। এছাড়াও এমামলায় আসামী মহিদুলের স্ত্রী রানী খাতুন(৩০) এবং পলাতক আসামী কাজীপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে হাসানকে পাঁচ বছরের কারাদন্ডসহ অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার এজাহার ও আদালত সুত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৮ ফেব্র“য়ারী কুষ্টিয়া র‌্যাব-১২-এর কর্মকর্তারা টহল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, কুষ্টিয়া শহরের পূর্ব মজমপুর (ঝাউতলা গলি) এলাকার  আসামী মহিরুল ও তার স্ত্রী নিজে এবং অন্যান্য আসামীদের সহায়তায় ফেনসিডিল ও ইয়াবা নিজ নিজ হেফাজতে রেখে বিক্রি করছে। উক্ত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে ফেনসিডিল ও ইয়াবা ব্যবসায়ীকে ধরার জন্য মহিরুল ওরফে মহিদুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দু’জনকে আটক করে এবং ৩ জন পালিয়ে যায়। আটকৃকত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, পলাতক আসামীর নাম মহিদুল, মহিদুলের স্ত্রী রানী ও হাসান। আসামী হাসানের ফেলে যাওয়া ১৫০ বোতল ফেনসিডিল ও ২০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট আটককৃত আসামী শিশির ওরফে নাহিদের ডান হাতে থাকা ব্যাগ থেকে ৯২ বোতল ফেনসিডিল ও ১০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও পলাতক আসামী মহিরুল ওরফে মহিদুল ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল ও ৭০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত মালামাল সহ আসামীদের কুষ্টিয়া সদর মডেল থানায় সোপর্দ করা হলে মাদকদ্রব্য আইনে আসামীদের বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়। থানার মামলা নং-৯, তারিখ-০৮-০২-২০১৭ইং। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি ও কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি অ্যাড.অনুপ কুমার নন্দী জানান, পুলিশ তদন্তপূর্বক আদালতে প্রতিবেদন জমা দিলে  সেশন ৮১৭/২০১৭ নং-মামলায়  নথিভূক্ত হয়ে বিচার কাজ শুরু হয়। দীর্ঘ স্বাক্ষ্য ও শুনানি শেষে ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ (১) ধারার টেবিলের ৩(খ) ক্রমিকে আসামী মহিরুল ওরফে মহিদুলকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ১ এক লাখ টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ২ বছরের সশ্রম কারাদন্ড এবং আসামী কাজল ও শিশির ওরফে নাহিদকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড, অনাদায়ে আরো ১ বছর করে সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করেন। এছাড়াও এ মামলায় আসামী মহিদুলের স্ত্রী রানী খাতুন(৩০) এবং পলাতক আসামী কাজীপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে হাসানকে পাচঁ বছরের কারাদন্ডসহ অর্থ দন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এদিকে ২০১৫ সালের ১২ এপ্রিল সন্ধা ৭টায় দৌলতপুর উপজেলার আল্লারদর্গা গ্রামের দিনমজুর আব্দুল করিমের কন্যা রিতা আক্তার ১৯ কে চাকুরী দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আসামী সেলিম রেজা ওই তরুনীকে ভারতে পাচার করেন। এ ঘটনায় ওই তরুণীর পিতা বাদি হয়ে দৌলতপুর থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ আইন ২০১২র ৬(২) ধারায় মামলা করেন দৌলতপুর থানায়। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পুলিশ। পৃথক নারী পাচার মামলায় আসামী সেলিম রেজার যাবজ্জীবনসহ একলক্ষ টাকা জরিমানা ধার্যসহ তা আসামীর স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম থেকে পাওয়া টাকা বাদির পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রদানে বিজ্ঞ আদালত  নির্দেশ দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন ভারপ্রাপ্ত সরকারী কৌশুলী সাইফুল  ইসলাম বাপ্পী।

ভেড়ামারা উপজেলা আ’লীগের সম্মেলনে এমপি হানিফ

সভাপতি চুনু ॥ সম্পাদক ছানা

কোন বিতর্কিতকে দলে ঠাঁই দেয়া হবে না

ভেড়ামারা প্রতিনিধি ॥ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি বলেন, ‘আওয়ামী লীগে কোন অনুপ্রবেশকারী ও পরগাছার জায়গা হবে না। কোন বিতর্কিতকে দলে ঠাঁই দেয়া হবে না। দলকে তৃণমূল থেকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। তাই শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।  তিনি বলেন-বাংলাদেশের জনগণ যতদিন আছে এই আওয়ামী লীগকে কেউ ক্ষমতচ্যুত করতে পারবে না। খালেদা জিয়াসহ বিএনপি নেতারা তাদের কৃতকর্মের জন্য জেল খাটছেন। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা, জ্বালাও পোড়াও রাজনীতি, দুর্নীতি ও অপ-রাজনীতির জন্য তারা এখন তাদের পাপের সাজা ভোগ করছেন। তারেক রহমানের হাওয়া ভবনে বসে চক্রান্ত করেছে। সে সময় তারেক জিয়ার পরিকল্পনায় কিবরিয়া, আহসান উল¬াহ মাস্টারসহ ২৬ হাজার আওয়ামী লীগ  নেতাকে হত্যা করা হয়েছিল।

হানিফ আরো বলেন, আওয়ামী লীগ কচুপাতার পানি নয় যে টলমল করে পড়ে যাবে। আওয়ামী লীগের শেকড় বাংলাদেশের গভীরে আছে। দেশকে উন্নয়নের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দেশের মানুষের কল্যাণ ও ভাগ্য পরিবর্তনে নিজের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে মাহবুবউল  আলম হানিফ আরও বলেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। জাতির পিতা এদেশ স্বাধীন করে গেছেন। এদেশ কখনও পিছিয়ে থাকতে পারে না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সেই গতিটা যেন অব্যাহত থাকে।

গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১২টায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা কলেজ মাঠে ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি  এসব কথা বলেন।

ভেড়ামারা  উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ  চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান মিঠুর সভাপতিত্বে সম্মেলন উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান।

ভেড়ামারা  উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র শামিমুল ইসলাম ছানার সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন  আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন  আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধান সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন,  কেন্দ্রীয় সদস্য পারভীন জামান কল্পনা, কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডঃ সরোয়ার জাহান বাদশা, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক আসগর আলী, কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ আমিনুল হক রতন।

সম্মেলন শেষে দ্বিতীয় অধিবেশনে পুর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম চুনুকে সভাপতি ও বর্তমান কমিটির সাধারন সম্পাদক শামীমুল ইসলাম ছানাকে একই পদে রেখে কমিটি ঘোষনা করা হয়।

আজ ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ইবি-তে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ইবি প্রতিনিধি ॥ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে গতকাল মঙ্গলবার ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৯টা ৩০মিনিট থেকে সকাল ১০ টা ৩০মিনিট পর্যন্ত, বেলা ১১টা ৩০মিনিট থেকে দুপুর ১২ টা ৩০মিনিট পর্যন্ত, দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এবং বিকাল ৪টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মোট চার শিফটে  ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় উপস্থিতি ছিলো প্রায় শতভাগ। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রক্টরিয়াল বডির ব্যাপক তৎপরতা এবং গোয়েন্দা বাহিনীর সার্বক্ষণিক নজরদারির মধ্যদিয়ে আজও সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা চলাকালে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বিভিন্ন পরীক্ষা হল পরিদর্শন করেন। এসময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা, থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আ. ফ. ম. আকবর হোসাইন, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ সরওয়ার মুর্শেদ, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এস. এম. মোস্তফা কামাল, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মমতাজুল ইসলাম, বায়োলজিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মহাঃ আনোয়ারুল হক, প্রফেসর ড. মোহাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ নওয়াব আলী খান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম প্রমুখ। আজ (৬ নভেম্বর) ভর্তি পরীক্ষার শেষ দিন সকাল ৯টা ৩০মিনিট থেকে সকাল ১০ টা ৩০মিনিট পর্যন্ত (রোল নম্বর ০০০০১ থেকে ০৬৯১০), বেলা ১১টা ৩০মিনিট থেকে দুপুর ১২ টা ৩০মিনিট পর্যন্ত (রোল নম্বর ০৬৯১১ থেকে ১৩৮২০), দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত (রোল নম্বর ১৩৮২১ থেকে ২০৭৩০) এবং বিকাল ৪টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত (রোল নম্বর ২০৭৩১ থেকে অবশিষ্ট) ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

 

বীমা সংক্রান্ত ১৫তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা

মানব কল্যাণে বীমা শিল্পকে ব্যবহারের আহবান প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা অফিস ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানব কল্যাণে বীমা শিল্পকে ব্যবহার করার জন্য বীমা কোম্পানিগুলোর প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন, প্রতারণা থেকে বীমা গ্রাহকদের রক্ষা করতে একটি ঐক্যবদ্ধ বার্তা প্রদান প্লাটফর্ম চালু করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বীমা কোম্পানিগুলো মানব কল্যাণে এবং উৎপাদন ও ঝুঁকিমুক্ত অর্থনীতি গড়ে তুলতে তাদের বীমা কোম্পানি ব্যবহার করবে বলে আশা প্রকাশ করেন। শেখ হাসিনা গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত বীমা সংক্রান্ত ১৫তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, তথ্যের অপ্রাপ্যতা বীমা গ্রাহকদের জন্য বড় সমস্যা। তিনি বলেন, বীমা শিল্পে গ্রাহকদের আস্থার অভাব রয়েছে। কারণ তারা যতো গুলো বীমা কিস্তি জমা দিয়েছে, তার সবগুলো কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আদৌ জমা হয়েছে কি-না, সে ব্যাপরে অন্ধকারেই থেকে যায়। তিনি বলেন, ‘এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে একটি ঐক্যবদ্ধ বার্তা প্রদান প্লাটফর্ম চালুর প্রক্রিয়া চলছে।’ মিউনিক রি ইন্স্যুরেন্স এবং মাইক্রোইন্স্যুরেন্স নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশন তিনদিন ব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। ৪২টি দেশের প্রায় চার শতাধিক বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিনিধিগণ এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স ডেভেলপমেন্ট রেগুলেটরি অথরিটির চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। মিউনিখ রি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান টমাস লোস্টার এবং মাইক্রোইন্সুরেন্স নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান ডবল চেম্বারলিনও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। বিআইএ সভাপতি শেখ কবির হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সংগঠনের সহসভাপতি রুবানা হামিদ স্বাগত বক্তৃতা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদিও ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য আমরা কর্মসূচি হাতে নিয়েছি এবং আপনারা জানেন আমরা বাংলাদেশের জন্য ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। বাংলাদেশকে জলবায়ু ঝুঁকির থেকে মুক্ত করে মানুষের জীবন-মান যাতে উন্নত হয় সেই লক্ষ্যকে সামনে নিয়েই আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আমাদের যারা স্বল্প আয়ের মানুষ, যারা এসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করেন তাঁদের অর্থিক ক্ষতি কিভাবে মেটানো যায় এবং তাঁদের জীবনকে কিভাবে নিরাপদ করা যায়। আর বিশেষকরে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য তাঁদের জন্য বিশেষ বীমা স্কীম যদি করে দেওয়া হয় তাহলে তাঁরা অনেকটাই নিশ্চিত থাকতে পারে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই ধরনের যদি বীমা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তাহলে সেটা একটা নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যেটা জলবায়ু পরিবর্তন জনিত যে সমস্ত ঝুঁকি শুধু বাংলাদেশে নয়, বিভিন্ন ব-দীপ অঞ্চল বা অন্যান্য দেশগুলোতে রয়েছে সেদেশের জনগণও লাভবান হবে।’ সম্প্রতি কিছু দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে সে ব্যবস্থা বাংলাদেশেও নেওয়া যেতে পারে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। অন্তর্ভুক্তিমূলক বীমা নিশ্চিতের জন্য বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণে তাঁর সরকারের উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। ‘সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা অনুযায়ী প্রাকৃতিক ঝুঁকিপ্রবণ দেশ হিসাবে বাংলাদেশের অবস্থান ৭ম’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর সরকার হাওড় অঞ্চলে আকষ্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের আর্থিক ক্ষতি নিরসনের জন্য ‘কৃষি বীমা’ চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রবাসী কর্মীদের জন্য বীমা প্রবর্তনের লক্ষ্যে ‘প্রবাসী কর্মী বীমা নীতিমালা’ জারি করা হয়েছে। এতে প্রায় ১২ মিলিয়ন কর্মীর বীমা ঝুঁঁকি গ্রহণ সম্ভব হবে। এ বীমার আওতায় একজন প্রবাসী কর্মী সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকার বীমা সুবিধা পাবেন,বলেন তিনি। বীমা দাবি নিষ্পত্তি বীমা শিল্পের একটি পুঞ্জিভূত সমস্যা উল্লেখ করে এ সমস্যা থেকে বীমা শিল্পকে বের করে আনা এবং গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ও উল্লেখ করেন সরকার প্রধান। তিনি বলেন, ‘বীমা শিল্পে বিগত ২ বছরে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। দাবি নিষ্পত্তিতে কর্তৃপক্ষের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় থাকায় দাবি নিষ্পত্তির হার পূর্বের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।’ জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে বীমা মেলার আয়োজন, উন্নয়ন মেলায় বীমা কোম্পানিগুলো অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ এবং ইতোমধ্যে দেশের কয়েকটি বিভাগীয় শহরে জনসচেতনতা বাড়োনোর উদ্দ্যেশ্যে দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, উঁচু ভবনে অগ্নিকা- থেকে সৃষ্ট ঝুঁঁকির আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ভবন বীমা প্রচলন এবং বেসরকারি কোম্পানিগুলোর মধ্যে যে সকল কোম্পানি এখন পর্যন্ত পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি এমন ২৭টি বীমা কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বীমা শিল্পে লেনদেনে স্বচ্ছতা আনার জন্য ১০ হাজার টাকার উর্ধ্বে সকল লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পাদনের নির্দেশনা জারি এবং সকল বীমা কোম্পানির নিজস্ব ওয়েবসাইট হালনাগাদ করে অনিষ্পন্ন বীমা দাবির তালিকা প্রদর্শন করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সেইসাথে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, জীবন বীমা কর্পোরেশন, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমির সক্ষমতা বৃদ্ধি, অটোমেশন ও মানব সম্পদ উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে ৬৩২ কোটি টাকার প্রকল্পের কার্যক্রম ২০১৮ সাল থেকে চলমান রয়েছে,বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিতা-মাতার অবর্তমানে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার জন্য ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা’ প্রবর্তনের কাজ চলমান রয়েছে। একইসঙ্গে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তৎকালীন আলফা ইন্স্যুরেন্সে আঞ্চলিক প্রধান হিসেবে যোগদানের তারিখ ১লা মার্চকে ‘জাতীয় বীমা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাবটি বিবেচনাধীন রয়েছে,জানান তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আশা করি, এ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিশেষজ্ঞগণ পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ে ভূমিকা রাখবেন যা মূলত অন্তর্ভুক্তিমূলক বীমার মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও ফলপ্রসু এবং বাস্তবমুখী কর্মসূচি প্রণয়নে সহায়তা করবে।’ বীমাশিল্পের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক সংম্লিষ্টতার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ভাষণে বীমা শিল্পের উন্নয়নে জাতির পিতা গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপেরও উল্লেখ করেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘আমাদের পারিবারিক সংশ্লিষ্টতা বেশ পুরানো। আমার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একসময় বীমা কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।’ ‘এজন্য স্বাধীনতার পর সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে তিনি বীমাশিল্পের উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু উপলদ্ধি করতে পেরেছিলেন বীমাশিল্পের জন্য এ্যাকচুয়ারির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ,’ যোগ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনকালে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে দেশের একমাত্র এ্যাকচুয়ারি শাফাত আহমেদ চৌধুরীকে লন্ডন থেকে দেশে ডেকে আনেন এবং কন্ট্রোলার অব ইন্সুরেন্স পদে নিয়োগ দান করেন। ‘ব্যক্তি, পরিবার এবং প্রাতিষ্ঠানিক খাতের অদৃশ্য ঝুঁকি হ্রাসে বীমাশিল্প সহায়তা করে’ উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘পাশাপাশি দেশের পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগ খাতের জন্য তহবিল সৃষ্টিতে সহায়তা করে।’ ‘কাজেই ধনী, দরিদ্র নির্বিশেষে সবার জন্য বীমা প্রয়োজন,’ বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৩৮ সালে প্রণীত বীমা আইনকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে তাঁর সরকার ‘বীমা আইন ২০১০’ চালু করেছে এবং পূর্বের কন্ট্রোলার অব ইন্স্যুরেন্স অধিদপ্তর অবলুপ্ত করে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বা আইডিআরএ আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে। তাঁর সরকারের দারিদ্র হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির পেছনে বীমা খাতের অবদান রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বীমা খাত সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের নিকট থেকে সঞ্চয় সংগ্রহের মাধ্যমে বিনিয়োগ সৃষ্টিতে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে কর্মক্ষেত্র তৈরি হয় এবং দারিদ্র্যে দূর হয়।’ ‘টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে (এসডিজি) অর্থনৈতিক কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে উল্লেখ করে এর মাধ্যমে দেশের নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর উন্নতি সাধন সম্ভব হবে’, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

কুষ্টিয়া পৌরসভার ১২নং ওয়ার্ডের মন্ডলপাড়া সিডিসি’র উন্নয়ন  কাজের উদ্বোধন করলেন মেয়র আনোয়ার আলী

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কুষ্টিয়া পৌরসভার ১২নং ওয়ার্ডের মন্ডলপাড়া সিডিসি’র উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন কুষ্টিয়া পৌরসভার জননন্দিত মেয়র আনোয়ার আলী। উদ্বোধনকালে মেয়র আনোয়ার আলী বলেন, তৃতীয় নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ (সেক্টর) প্রকল্পের (ইউজিআইআইপি-৩) মাধ্যমে উত্তর লাহিনীপাড়া সিডিসি নেতৃত্বে এই অঞ্চলে ৩৩৭.৮ মিটার রাস্তা, ১২০.৪ মিটার ড্রেন, ১২১.২৫ মিটার স্লাব, ৫টি টয়লেট সহ ৩টি টিউবয়েল প্লাটফর্ম নির্মান করা হবে।  এই কাজ শেষ হলে এই মহল্লার মানুষের সমস্যা কিছুটা লাঘব হবে। এছাড়াও পৌর এলাকায় ৩১ সিডিসির মাধ্যমে প্রান্তীক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে পর্যায়ক্রমে  নাগরিদেরকে সকল সুবিধা প্রদান করা হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্যানেল অব মেয়র-০১ মতিয়ার রহমান মজনু, নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা একেএম মঞ্জুরুল ইসলাম, প্রান্তীক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন  প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার সেলিম মোড়ল, জিএন্ডএইচপি  কহিনুর খান, আই এন্ড এইচপি ঈমাম হোসেন, সিডিসি ফেডারেশনের সভাপতি আহমেদ আলী মন্টু, ১২ নং ওয়ার্ডের সিডিসির নেতৃবৃন্দ, শহর আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান তোতাসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উল্লেখ্য পৌর এলাকার প্রান্তীক জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়নের জন্য এই প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমান ৩১ টি সিডিসির মাধ্যমে ৯৪টি টুইন পিট ল্যাটিন, ডিপ টিউবয়েল ৬টি, ফুটপাত ১০,৩৩৮ মিটার,  ড্রেন ২৮৪৯ মিটার, ড্রেন স্ল্যাব ২৫৪১ মিটার নির্মান করা হবে।  এছাড়াও দারিদ্র জনগোষ্ঠীর মেয়েদের লেখাপাড়ার জন্য শিক্ষাভাতা, মায়েদের পুষ্টিভাতা সহ আর্থিক স্বনির্ভরতার জন্য হাতের কাজ শেখানো ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

কুষ্টিয়ায় বিজয় ফুল উৎসবে জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন

শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকা অগ্নিশিখা ভালো কাজে লাগাতে হবে

সুজন কর্মকার ॥ কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকা অগ্নিশিখা ভালো কাজে লাগাতে হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, উপলব্ধি ও সংগ্রামী ইতিহাস জানানোর লক্ষ্যে, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘বিজয় ফুল উৎসবে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গতকাল মঙ্গলবার কুষ্টিয়া কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে জেলা পর্যায়ে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শিক্ষা ও আইসিটি আজাদ জাহান। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুহাম্মদ ওবায়দুর রহমান ও জেলা শিক্ষা অফিসার জায়েদুর রহমান। এ সময় জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার তৌহিদুজ্জামান, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এন.ডি.সি) এ.বি.এম. আরিফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তাইফুর রহমান, সবুজ কুমার বসাক, আহমেদ সাদাত, মোছাঃ খাদিজা খাতুন, কুষ্টিয়া কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মৃনাল কান্তি সাহা সহ জেলা প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিচারক মন্ডলী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোছাঃ মুনিরা সুলতানা।

নতুন সড়ক আইন ২০১৮

অর্থ ও কারাদন্ডের ভয়ে সেবা নিতে কুষ্টিয়া বিআরটিএ অফিসে উপচে পড়া ভীড়

যানবাহন মালিক ও চালকদের সচেতন করতে লিফলেট বিতরণ করলেন পুলিশ সুপার 

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ নতুন সড়ক পরিবহন আইনে জরিমানা ও শাস্তির বিধান বাড়ায় রেজিষ্ট্রেশন, লাইসেন্স ও ফিটনেস সনদ নিতে কুষ্টিয়া বিআরটিএ অফিসে প্রতিদিন ভীড় করছে সেবা প্রত্যাশী শতশত মানুষ। আগের তুলনায় কাজ প্রায় দুই থেকে তিনগুন বেড়েছে। আর চালকসহ যানবাহন মালিকদের সচেতন করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সকালে মজমপুর গেটে লিফলেট বিতরণ করেন পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত।

আগের তুলনায় নতুন সড়ক আইন ২০১৮ তে জরিমানা ও শাস্তি বাড়ানো হয়েছে। হেলমেড ব্যবহার না করলে ১০ হাজার, রেজিষ্ট্রেশনসহ অন্যান্য জরিমানা ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে। এছাড়া শাস্তি অনুযায়ী রয়েছে কারাদন্ড।  এদিকে নতুন আইন কার্যকর হওয়ার পর কুষ্টিয়া বিআরটিএ অফিসে প্রতিদিন নতুন লাইসেন্স, লাইসেন্স নবায়ন, রেজিষ্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদের জন্য ভীড় করছে শতশত মানুষ। দীর্ঘদিন যারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া গাড়ি চালাচ্ছিলেন তারাও এখন ধর্ণা দিচ্ছে অফিসে। আগের তুলনায় সব ধরনের আবেদনের সংখ্যা কয়েকগুন বেড়েছে।

সেবা প্রত্যাশী ফারুক হোসেন বলেন, অনেক বছর ধরেই মটর সাইকেল চালাচ্ছি। ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। আগে ম্যানেজ করে চলা যেত। এখনতো জরিমানা বেড়েছে। তাই লার্ণার করে নিচ্ছি।

কথা হলে অন্য দুই সেবা প্রত্যাশী বলেন, নতুন আইনকে তারা সাধুবাদ জানাচ্ছে। তবে প্রচারনা অনেক কম। প্রচারনা বাড়াতে হবে। অযথা কেউ যেন হয়রানী না হয়। তবে ভয়ে হলেও এবার সবাই আইন মানবে বলে জানান তারা। আবেদন বাড়ার পাশাপাশি বিআরটিএ অফিসের কর্মব্যস্ততা বেড়েছে। লোকবল সংকট নিয়ে সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। লাইন দিয়ে টাকা জমা দিচ্ছে সেবা প্রত্যাশীরা।

মটরযান পরিদর্শক ওমর ফারুক বলেন, নতুন আইন কার্যকর হওয়ার চাপ বেড়েছে। বিশেষ করে মটর সাইকেল চালক ভীড় জমাচ্ছে। লাইসেন্স নিতে আবেদন জমা পড়ছে বেশি। আগে দিনে ৫০টির মত আবেদন পড়লেও এখন দিনে প্রায় শতাধিক জমা পড়ছে। অন্যান্য কাজও বেড়েছে।

বিআরটিএ কুষ্টিয়া অফিসের সহকারি পরিচালক এটিএম জালাল উদ্দিন বলেন, বিআরটিএ অফিসে লোকবল সংকট রয়েছে। তারপরও সেবা প্রত্যাশীদের দ্রুত সেবা দেয়ার  চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে হঠাৎ চাপ বেড়েছে নতুন আইনের কারনেই। সবাই ছুটছে কাগজপাতি ঠিক করতে।’

তবে নতুন এ আইনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন চালকরা। এসবি পরিবহনের একজন চালক বলেন, নতুন আইন ভাল হয়েছে। সড়কে শৃংখলা ফিরবে এবার। সবাইকে সচেতন হয়ে আ্ইন মানতে হবে।’

শহরের মজমপুর গেটে দাঁড়িয়ে পর্যবেক্ষন করে দেখা গেছে, আগের তুলনায় আইন মানার প্রবনতা বেড়েছে। বিশেষ করে মটর সাইকেল চালকরা হেলমেড ছাড়া বাইরে বের হচ্ছে না। সবাই আইন মেনে মটর সাইকেল চালাচ্ছে। তবে দু’একজন এখনো হেলমেড ব্যবহার করছে না। এ জন্য ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের সচেতন করা হচ্ছে।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সকল যানবাহন মালিক ও চালকদের সচেতন করতে শহরে মাইকিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি ২০ হাজারের বেশি লিফলেট ছাপানো হয়েছে। এসব লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর (টিআই প্রশাসন) ফকরুল ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহ সচেতনতামূলক কর্মকান্ড চালানো হবে। সবাইকে সচেতন করা হচ্ছে। মটর সাইকেল চালকরা ইতিমধ্যে সচেতন হয়েছে। তারা হেলমেট ব্যবহার করছে। এছাড়া সব যানবাহন মালিকদের সচেতন করা হচ্ছে।

এদিকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত নিজেই নামেন লিফলেট বিতরনে। তিনি প্রায় আধাঘন্টা মজমপুর গেটে লিফলেট বিতরণ করে মটর সাইকেল, বাস ও মাইক্রো চালকদের মাঝে। তিনি সবাইকে আইনে মেনে চলার আহবান জানান। সচেতন করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার বিষয় তুলে ধরে বলেন, সবাইকে আইন মানতে হবে। আইন না মানলে আইনের কঠোর প্রয়োগ করা হবে। আগে নিজের ঘর থেকে শুরু করবো। পুলিশের কোন সদস্য আইন না মানলে তাকে আগে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজাদ রহমান, নুরানী ফেরদৌস দিশা, কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক আনিসুজ্জামান ডাবলু, ট্রাফিকের টিআই ফকরুল ইসলাম, ডিএসবির পরিদর্শক ফয়সাল হোসেনসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অতিরিক্তি জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বেগম লুৎফুন্নাহার বলেন- আইন প্রয়োগের আগে সকলকে সচেতন করা হচ্ছে। সচেতন হলেই সড়কে শৃংখলা ফিরে আসবে। আমরা সকলকে নিয়ে কাজ করছি। মানুষের ভিতর পরিবর্তন শুরু হয়েছে। আর বিআরটিএতে অনেকে আসছে তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র করতে। আশা করছি সবাই আইন মেনে চলবে।’

 

এক ঠিকাদার যেন বারবার কাজ না পায় – প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ জি কে শামীম ফেঁসে গিয়ে তার হাতে থাকা সরকারি অনেক প্রকল্পের কাজ আটকে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নতুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজ পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে তিনি নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, টেন্ডার ডকুমেন্ট এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে নির্দিষ্ট কোম্পানি বারবার কাজ না পায়, নতুন ঠিকাদাররা যাতে কাজ পায়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, নতুনদের কাজ করার সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে।” এক জিকে শামীমের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিকে বি অ্যান্ড কোম্পানির হাতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার কাজ ছিল। অভিযোগ রয়েছে, যুবলীগ নেতা পরিচয়ে প্রভাব খাটিয়ে জিকে শামীম সরকারি বিভিন্ন কাজ বাগিয়ে নিতেন। জিকে বিল্ডার্সের হাতে থাকা ৫৩ সরকারি প্রকল্পের মধ্যে ২৫টির কাজই সময়মতো শেষ হয়নি। এর মধ্যে শূন্য অগ্রগতির প্রকল্পও রয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে জি কে শামীম গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার ব্যাংক হিসাবও জব্দ করা হয়েছে, ফলে এই প্রকল্পগুলো নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে সরকারকে। একনেক সভার পর পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, “প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে, অথচ লোকবলের অভাবে বা অন্য কোনও কারণে প্রকল্প অপারেশন করা যাচ্ছে না, এরকম প্রকল্প চিহ্নিত করার নির্দেশও প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন।”

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তায় একনেকে ৩,৪৪৯ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

ঢাকা অফিস ॥ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৩ হাজার ৪৪৯.০৫ কোটি টাকার ফিজিক্যাল প্রটেকশন সিস্টেম (পিপিএস) প্রকল্প অনুমোদন করেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের বলেন, আজ ৬টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে, এতে অনুমিত মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৪৪৭.৭৬ কোটি টাকা। এরমধ্যে ৪ হাজার ৪৩৯.৮৬ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এবং বাকী ৭.৯০ কোটি টাকা সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে সরবরাহ করা হবে। অনুমোদিত ৬টি প্রকল্পের মধ্যে ৫টি নতুন এবং ১ টি সংশোধিত প্রকল্প। পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, নিউক্লিয়ার সিকিউরিটি এন্ড ফিজিক্যাল প্রটেকশন সিস্টেম সেল এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, আর্মি হেডকোয়াটারস, জিএস সেকশন (কোঅর্ডিনেশন) ২০২৩ সালের মার্চ মাসের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য নিরাপদ ও সুরক্ষিত পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনে ধাপে ধাপে সহায়ক পরিবেশ তৈরির জন্য পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ডিজাইন বেসিস থ্রেট (ডিবিটি) অথবা ডিবিটি’র বাইরে থেকে আসা ঝুঁকি মোকাবেলা করাও এই প্রকল্পের লক্ষ্য।পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, রাশিয়ান ফেডারেশনের বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রটোকলের অধীনে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুততার সাথে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট নির্বাহী সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন।প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, পাশপাশি প্রধানমন্ত্রী পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর) এর সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছেন, ‘যাতে করে বড় ঠিকাদাররা বারবার সরকারি কাজ না পায়, বরং অন্যান্য ঠিকাদাররাও যাতে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে বিডিংএ অংশ নিতে পারে এবং সুস্থ প্রতিযোগিতা করতে পারে।’প্রধানমন্ত্রী জরুরি প্রয়োজন ছাড়া গ্রামীণ এলাকায় সেতু নির্মাণ না করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দেশ দেন। কারণ, এই সেতুগুলো পানি প্রবাহের স্বাভাবিক গতিকে বাধাগ্রস্ত করে।প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে মন্ত্রী বলেন, সতর্কতার সাথে নতুন নতুন সড়কগুলো নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেন। কারণ, বর্তমান সরকার সকল আন্তঃজেলা সড়ক ও আঞ্চলিক মহাসড়ককে চার-লেনে উন্নীত করতে আগ্রহী। অন্যান্য যে প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়েছে সেগুলো হলো-৩৬৬ দশমিক ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে যশোর (রাজারহাট)-মনিরামপুর-কেশবপুর-চুকনগর আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, ৭১ দশমিক ৩৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৯১ দশমিক ৩৪ মিটার মুহুরী সেতু ও ৫০ দশমিক ১২ মিটার ফজিলাঘাট সেতু নির্মাণ প্রকল্প, ৩৬১ দশমিক ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজারের একতাবাজার থেকে বিএনএস শেখ হাসিনা পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, প্রথম সংশোধিত ৭৯ দশমিক ০১ কোটি টাকা ব্যয়ে আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবন নির্মাণ প্রকল্প এবং ১২০ দশমিক ৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিলেট জেলার সিলেট সদর ও বিশ্বনাথ উপজেলায় দশগ্রাম, মাহতাবপুর ও রাজাপুর পরগণা বাজার এলাকা সুরমা নদীর উভয় তীরের ভাঙ্গন হতে রক্ষা প্রকল্প।