মাকে নিয়ে নিশিতার গান

বিনোদন বাজার ॥ ‘তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’ নামে রিয়েলিটি শো থেকে উঠে আসা সঙ্গীতশিল্পী নিশিতা বড়ুয়া। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে এখনও নিয়মিত গান করছেন। এবার মাকে নিয়ে একটি গান করেছেন এ সঙ্গীতশিল্পী।

 

‘আমার এক পাল্লাতে পৃথিবী দাও, এক পাল্লাতে মা, তবু মায়ের দামে পৃথিবীটাও কিনতে চাই না’- এমন কথার গানটি লিখেছেন এবং সুর করেছেন জাহাঙ্গীর রানা। সঙ্গীতায়োজন করেছেন জাহিদ হাসান বাবু। গানটির ভিডিও পরিচালনা করেছেন শিল্পী নিজেই। এবারই প্রথম মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছেন তিনি।

 

নিশিতা বলেন, ‘মাকে নিয়ে গাওয়া এ গানটি গেল মা দিবসে প্রকাশের ইচ্ছা ছিল। কিন্তু সে সময় প্রকাশ পেলে তা খুব তাড়াহুড়া করেই করা হতো। আমার নিজেরই ভালো লাগছিল না। যে কারণে একটু সময় নিয়ে যতœ করে গানটি প্রকাশ করেছি। মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছি আমি নিজেই। তবে এটি নিয়মিত করতে চাই না। কারণ অনেক কাজ একসঙ্গে করলে আইডিনটিটি ক্রাইসিসে পড়তে হয়। গানেই পূর্ণ মনোযোগ দিতে চাই। মা গানটি শোনার জন্য বিশেষ অনুরোধ রইলো।’

 

১১ অক্টোবর গানটি প্রকাশিত হয়েছে পরানের গান নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলে। এদিকে আরেকটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে নিশিতার নতুন গান ‘মেঘলা আকাশ’। বর্তমানে স্টেজ শো নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এ সঙ্গীতশিল্পী।

ঝিনাইদহে ভূয়া প্রকল্পের নামে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ উত্তোলন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ঝিনাইদহে ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। বিশেষ সুত্রে জানা গেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাগান্ন ইউনিয়নের সাগান্না গ্রামের ষাটতলা পাড়ার তাজুল ইসলামের মেয়ে নিপা খাতুন “জোনাকি ডেইরী অ্যান্ড এগ্রো লিঃ” নামে একটি ভূয়া প্রকল্প তৈরি করে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা ঋণ নেয়। এই প্রকল্পে দেখান হয়েছে যে ৩ একর জমির উপর ডেইরী ফার্ম ও বায় গ্যাস প্রান্ট তৈরি করবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোন এক দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করে নিপা কে এই প্রকল্পের এম ডি দেখিয়ে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার ঋণ পাস করে। এই ঋণে ৪ বছর পর মাত্র ৪% হারে সুদ দিতে হবে। সরেজমিনে গেলে দেখা যায় যে ফার্মের দেওয়ালে জোনাকি ডেইরী অ্যান্ড এগ্রো লিঃ প্রকল্পের নাম লেখা আছে আধুনিক পদ্ধতিতে দুগ্ধ খামার ও বায়োগ্যাস উৎপাদন প্রকল্প, সার্বিক তত্ত্ববধায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফার্মের মধ্যে গরুর ঘর থাকলেও এই ঘরে কোন গরু নেই এমনকি কোন দিন এখানে গরু পালন হয়েছে তার কোন নিশানা নেই। নেই বায়োগ্যাস প্রান্ট। শুধু কয়েক বিঘা জামির বাউন্ডারি ঘিরে রাখা হয়েছে তার মধ্যে করা হয়েছে কিছু ঘাসের চাষ । এই প্রকল্প দেখিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাশ করান হয়েছে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। যার প্রথম কিস্তি ৭০ লক্ষ টাকা পেয়েছে বাকি আরও ৭০ লক্ষ টাকা পাবে। নাম প্রকাশ না করার সর্তে কয়েক জন বলেন যে এই জমি নিপার না তাহলে নিপার নামে কি ভাবে ঋণ হলো। এই ভাবে ঋণ হলে সে টাকা আর বাংলাদেশ ব্যাংক পাবে না। নিপার এক প্রবাসীর সাথে বিবাহ হয়েছে, কিন্তুু সে এখন ঢাকায় থাকে। এই প্রসঙ্গে নিপা খাতুনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমার ফার্ম ২০১৮সালে মার্চ মাসে শুরু করি, কে বা কাহারা আমার ও আমার ফ্যামেলি উপর শক্রতা করে আমাদেকে ফাঁসানোর জন্য চেষ্টা করছে, মোট তিনটা কিস্তি পাব, প্রথম কিস্তি ৭০লক্ষ পেয়েছি, দ্বীতিয় কিস্তি কিছুদিনের ভিতরে পাব। পাশের বাড়ির লোক জনের সাথে কথা বলে জানা যায় যে নিপা এখানে থাকে না ঢাকায় থাকে মাঝে মাঝে আসে। তবে গরুর ফার্ম করার জন্য ঋণ নিলেও তারা কোন গরুর ফার্ম করেনি। কোন কারনে তাজুল ইসলাম অনেক ঋণ আছে এই টাকা নিয়ে সেই ঋণ পরিশোধ করেছে।

আব্দুর রব স্মৃতি পরিষদের পক্ষ থেকে মৃগী ইউপি আ’লীগের নবনির্বাচিত সভাপতি-সম্পাদককে ফুলেল শুভেচ্ছা

ফজলুল হক ॥ রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মৃগীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব স্মৃতি পরিষদের পক্ষ থেকে মৃগী ইউপি নবনির্বাচিত আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। সভাপতি হিসেবে সাবেক মৃগী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বদর উদ্দিন সরদার ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বাদশা নির্বাচিত হওয়ায় এ ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। গতকাল রবিবার সকাল ১০টায় ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান মাষ্টার, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ ওমর ফারুক, সহ-সভাপতি হিসেবে মোঃ জালাল উদ্দিন, কবি লোকমান হোসেন, মোঃ মোশারফ হোসেন, আমজাদ হোসেন, মোঃ নাদের, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইস্তিয়াক আহম্মেদ, কোষাধ্যক্ষ আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আসাফো’র কেন্দ্রীয় সভাপতির সুস্থতা কামনায় কুষ্টিয়া জেলা কমিটির দোয়া মাহফিল

বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম (আসাফো) এর কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইদুর রহমান সজল গুরুত্বর অসুস্থ হওয়ায় আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম (আসাফো) কুষ্টিয়া জেলা শাখার উদ্যোগে তার সুস্থতা কামনা করে মিলাদ ও  দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় আসাফো কুষ্টিয়া শাখার অস্থায়ী কার্যালয় বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেটের ৩য় তলায় এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ তরিকুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন আসাফো কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক হাসিবুর রহমান রিজু, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর আলী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এম সোহাগ হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক জিল্লুর রহমান, আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম (আসাফো) কুষ্টিয়া সদর উপজেলা শাখার সভাপতি জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক, জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক মাহামুদ আল হাফিজ অভি, প্রচার সম্পাদক মনির আহমেদ, উপ-প্রচার সম্পাদক আলামিন খান রাব্বী, উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সবুজ, সদস্য অনুপ কুমার প্রামাণিকসহ জেলার নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ১১ অক্টোবর কুষ্টিয়ার ৬ উপজেলা সম্মেলনে আসেন আসাফো’র কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইদুর রহমান সজল। সম্মেলন শেষে খুলনার উদ্যোশে রওনা দেওয়ার পথে যশোরে পোঁছালে বুকে ব্যাথা অনুভব করে সে। তাৎক্ষনিক যশোর সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে এয়ার এ্যাম্বুলেন্সে তাকে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে ল্যাব এইড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ সকালে সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হসপিটালের উদ্যোশে রওনা হবেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

মকবুল হোসেন কখনও নৌকায় ভোট দেয়নী, ষড়যন্ত্রকারীরা এক জায়গায় 

গাংনী প্রতিনিধি ॥ সেদিনও মকবুল সাহেব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলো। সেই নির্বাচনে আমি কারোর দয়ায় সভাপতি নির্বাচিত হইনি। ভোটারদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। গতকাল রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকনের বাসভবনস্থ কার্যালয়ে নেতা কর্মীরা সাক্ষাত করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, আজকে যারা ষড়যন্ত্র করছে তারা নির্বাচনের সময়ও মিল্টনের টাকা খেয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। তারা জীবদ্দশায় কোন দিন নৌকা মার্কায় ভোট দেয়নী। সেই লোক গুলো এক জায়গায় হয়েছে। আমি ৮ মাস এমপি হয়েছি, সরকার একটি মাত্র বরাদ্দ দিয়েছে তা হলো টিআর  কাবিখা। সেই বরাদ্দ আমি মসজিদ মাদ্রাসায়  দিয়েছি। সম্মান দেওয়ার মালিক আল্লাহ আমাকে সম্মান দিয়েছে। আমি অপকর্ম করলে আল্লাই আমাকে এখান থেকে সরিয়ে দেবে। আমি সব সময় চেয়েছি গাংনীর মানুষ শান্তিতে থাক কিন্তু সেই দুর্নীতিবাজ মোশা- খালেকের সাথে থেকে মকবুল হোসেনকে গালি দেয়। আবার মকবুলের কাছে থেকে খালেক সহ অন্য নেতাদের গালি দেয়। কাউন্সিলকে বানচাল করতেই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। মোশা স্কুল কলেজে শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগে লুটপাট করে গাড়ী বাড়ি বানিয়েছে। তার অপকর্ম আড়াল করতে অপপ্রচার করা হচ্ছে। ৭৩ থেকে ১৮ সাল পর্যন্ত ঐ মকবুল হোসেনরা কোন দিন নৌকায় ভোট দেয়নী। ২০০১, ২০০৮ আর কোন দিন শেখ হাসিনার পক্ষ কাজ করেনী। নেতা কর্মীরা না চাইলে সভাপতি প্রার্থী হবোনা। আর নেতা কর্মীরা চাইলে আগামি ২৭ তারিখে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে। এসময় গাংনী পৌর মেয়র আশরাফুল ইসলাম,জেলা পরিষদ সদস্য মজিরুল ইসলাম,বামুন্দী ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম,আওয়ামীলীগ নেতা মকলেচুর রহমান মুকুল,পৌর কাউন্সিলর নবীর উদ্দীন,পৌর কাউন্সিলর আছেল উদ্দীন,বামুন্দী ইউপি আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ওবাইদুর রহমান কমল,স্বেচ্ছা সেবকলীগের আহবায়ক আবুল বাশার,জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মুনতাছির জামান মৃদুল সহ আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 ডেঙ্গু প্রতিরোধে কুষ্টিয়া পৌরসভার কার্যক্রম অব্যাহত

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কুষ্টিয়া পৌরসভার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। কিট “বকসার ২.৫” পৌর এলাকায় ২১টি ওয়ার্ডে ¯েপ্র মেশিনের মাধ্যমে ছেটানো হচ্ছে। এই কিট ¯েপ্র করার কারনে মশার লাভা নষ্ঠ করবে ও উড়ন্ত মশা দীর্ধস্থায়ী হবে না। তৃতীয় বারের মত কিট “বকসার ২.৫” ¯েপ্র মেশিন দিয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর হতে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত পূনরায় পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, ডোবা-নালা, ড্রেন, কালভার্ট সহ পৌর বাসিন্দাদের বসতবাড়ী ও তাদের আঙ্গিনায় ¯েপ্র করা হচ্ছে। সেইসাথে মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, গত জুলাই ২৫ তারিখ থেকে কুষ্টিয়া পৌরসভার আয়োজনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম শুরু হয়। এর পর হতে পৌরসভার মেয়রের নির্দেশনা পর্যায়ক্রমে পৌর এলাকার পূনরায় ২১টি ওয়ার্ডে স্বস্ব কাউন্সিলরের নেতৃত্বে কীটনাশকসহ ফগার মেশিন দিয়ে এই মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়াও পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা পৌর এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অব্যাহত রেখেছে । সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

 

কুষ্টিয়া পৌর বাজারের ব্যবসায়ীকে জরিমানা

আমলা অফিস ॥ কুষ্টিয়ার পৌর বাজারে অভিযান চালিয়ে প্লাস্টিকের বস্তায় মরিচ রাখার দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। গতকাল রবিবার দুপুরে কুষ্টিয়া পৌর বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তামান্না তাসনিম। ভ্রাম্যমান আদালত সুত্রে জানা যায় “পন্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক আইন-২০১০” নিশ্চিতে উক্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে আইন অমান্য করে প্লাস্টিকের বস্তায় মরিচ রাখার দায়ে শাহিন নামের এক ব্যবসায়ীকে এক হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় কুষ্টিয়ার মুখ্য পাট পরিদর্শক সোহরাব উদ্দিন উক্ত আইনটি মেনে চলার জন্য উপস্থিত সকলকে আহবান জানান। সেই সাথে আগামীতে জেলা ব্যাপি এ অভিযান অব্যহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

গাংনীর সেই আলোচিত ব্যানার অপসারন

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনীর আলোচিত ব্যানারটি সরিয়ে দেয়া হয়েছে। আজ রবিবার সকাল ১১ টায় গাংনী উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এম এ খালেক,সাবেক সংসদ সদস্য মো: মকবুল হোসেনের উপস্থিতিতে ব্যানারটি অপসারন করা হয়। এসময় সাবেক পৌর মেয়র আহমেদ আলী,গাংনী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু সহ আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ব্যানার অপসারন প্রসঙ্গে গাংনী উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এম এ খালেক বলেন, কুখ্যাত রাজাকার পুত্র দূর্নীতিবাজ সাহিদুজ্জামান খোকন সহ হাইব্রীড মুক্ত আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব চাই শিরোনাম ব্যানারটির সাথে আমরা একমত ,তবে সেটা সুষ্ঠু ভাবে হতে হবে কোন বিশৃংখলা করা যাবেনা। সুষ্ঠ ভাবে এই দাবি পুরনে দলের গঠনতন্ত্রে এ নিয়ম লেখা আছে। নেতা কর্মীদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে কেন্দ্রের নির্দেশনা মোতাবেক কমিটি উপহার দেওয়া হবে। ব্যানার নামানো প্রসঙ্গে গাংনী উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মোশাররফ হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, ব্যবসায়ীক কাজে তিনি বাইরে আছেন। ব্যানার নামানোর বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

আবরার হত্যার আসামি মোয়াজ, শামীম ৫ দিনের রিমান্ডে

ঢাকা অফিস ॥ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি শামীম বিল্লাহ ও মোয়াজ আবু হোরায়রাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি পেয়েছে পুলিশ। রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) ওয়াহিদুজ্জামান আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের হেফাজতের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ পাঁচ দিনের হেফাজত মঞ্জুর করেন বলে দুই পক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন। আদালতে রিমান্ড বাতিল চেয়ে শামীমের পক্ষে আইনজীবী ফকির আব্দুল মজিদ ও মোয়াজের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ কামরুল হোসেন জামিনের আবেদনে শুনানি করেন । রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হেমায়েত উদ্দিন খান (হিরণ) জামিন বাতিল করে রিমান্ড চান। শামীমের আইনজীবী বলেন, তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। দুর্ভাগ্যক্রমে তাকে মামলায় সম্পৃক্ত করা হয়েছে। পাশের রুম থেকে আসার পথে দ্বিতীয় ভিডিও ফুটেজে তাকে দেখা গেছে। এ মামলায় ঘটনাস্থল থেকে যারা গ্রেপ্তার হয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে শামীমের বিরুদ্ধে তারা কিছু বলে নাই। মামলাটির তদন্ত চলছে। নিরপেক্ষ তদন্ত হয়ে আসুক। এ অবস্থায় শামীমের রিমান্ড বাতিলের প্রার্থনা করছি। প্রয়োজনে তাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। আইনজীবী কামরুল শুনানিতে বলেন, মোয়াজকে হলের করিডোরে আসা যাওয়ার পথে দেখা গেছে। যে আসামিরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে, তারা কেউ তার নাম বলেনি। জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাকে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। আসামিপক্ষের আইনজীবীদের প্রতি উত্তরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, “রাত আড়াইটার সময় আসামিরা আসা-যাওয়া করছিল। তাদের এত পড়াশোনা! আসলে তারা সেখানে পাহারা দিচ্ছিল।” উভয়পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের কিছু বলার আছে কি না জানতে চাইলেও আসামিরা কোনো কথা বলেননি। এরপর আদালত আসামিদের পাঁচ দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন। সাতক্ষীরা হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় শুক্রবার বিকেলে শামীম বিল্লাহকে এবং শনিবার সকাল ১১টায় মোয়াজকে উত্তরা ১৪ নম্বরের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

দীপন হত্যার বিচার শুরু

ঢাকা অফিস ॥ প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকসহ আট জঙ্গির বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছে আদালত। ঢাকার সন্ত্রাস দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান গতকাল রোববার এ মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৮ নভেম্বর দিন ঠিক করে দেন। অভিযুক্ত আট আসামি হলেন-  বরখাস্তকৃত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়া, আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে আবদুল্লাহ , মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান, আবদুর সবুর সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার ও শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের। তারা সবাই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য বলে পুলিশের ভাষ্য। আসামিদের মধ্যে জিয়া ও আকরাম পলাতক। কাঠগড়ায় দাঁড়ানো বাকি ছয় আসামিকে অভিযোগ পড়ে শুনিয়ে বিচারক জিজ্ঞেস করেন- তারা দোষী না নির্দোষ । উত্তরে প্রত্যেকেই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে সুবিচার চান। পরে বিচারক ওই ছয় আসামির অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। লেখক-প্রকাশক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের উপর ধারাবাহিক হামলার মধ্যে ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে নিজের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান জাগৃতির কার্যালয়ে আক্রান্ত হন দীপন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের ছেলে দীপনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। দীপনকে যে বছর হত্যা করা হয়েছিল, সেই ২০১৫ সালে বাংলা একাডেমির একুশে বইমেলা চলার সময় টিএসসিতে কুপিয়ে হত্যা করা হয় লেখক-ব্লগার অভিজিৎ রায়কে। এরপর কয়েক মাসের ব্যবধানে নিলাদ্রী চট্টোপাধ্যায় নিলয়সহ কয়েকজন ব্লগার-লেখককে হত্যা করা হয়। এরপর ৩১ অক্টোবর আজিজ সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলায় জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে দীপনকে হত্যার দিন একই সময়ে লালমাটিয়ায় আরেক প্রকাশনা সংস্থা শুদ্ধস্বরের কার্যালয়ে ঢুকে এর কর্ণধার আহমেদুর রশীদ চৌধুরী টুটুলসহ তিনজনকে একই কায়দায় কোপানো হয়েছিল। তবে টুটুলসহ তিনজন বেঁচে যান। জাগৃতি ও শুদ্ধস্বর দুই প্রকাশনা থেকেই বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায়ের বই প্রকাশিত হয়। দুটি ঘটনাতেই জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের নাম আসে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই জঙ্গি দলের সামরিক কমান্ডারের দায়িত্বে থাকা জিয়ার পরিকল্পনা এবং নির্দেশেই দীপনকে হত্যা করা হয়। ফয়সল আরেফিন দীপনকে হত্যার পর ওই দিনই তার স্ত্রী রাজিয়া রহমান শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। তিন বছর পর ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার ফজলুর রহমান। অভিযোগপত্রে রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৬ জনকে সাক্ষী করা হয়। জিয়া ও আকরাম পলাতক থাকায় গত ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করে সন্ত্রাস দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। এরপর গত ১৬ মে তাদের সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়।

 এবার মুজাহিদের স্বীকারোক্তি

ঢাকা অফিস ॥ আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় রিমান্ডে থাকা বুয়েটছাত্র মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মুজাহিদ বুয়েট ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। গত ৬ জুন আবরার খুন হওয়ার পরপরই যে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছিল, তাদের মধ্যে মুজাহিদ একজন।রোববার মুজাহিদকে ঢাকার আদালতে হাজির করা হলে মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসি তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।এ আদালতের পেশকার জাহিদ হাসান বলেন, “মুজাহিদ অপরাধে সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।”এই হত্যামামলায় এর আগে বুয়েটছাত্র ইফতি মোশাররফ সকাল, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন ও অনিক সরকার আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের একটি কক্ষে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকান্ডে জড়িত হিসেবে যাদের নাম এসেছে, তারা সবাই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী। ছাত্রলীগ ইতোমধ্যে ১১ জনকে বহিষ্কার করেছে। আর আবরারের বাবা যে ১৯ জনের নামে মামলা করেছেন, তাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। আবরার হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত কয়েক দিনে মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এ মামলা তদন্তের দায়িত্বে থাকা গোয়েন্দা পুলিশ।

সদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বাচ্চু ॥ লালু সম্পাদক

আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করতে তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে হবে

কাঞ্চন কুমার ॥ বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে কুষ্টিয়ার মিরপুরের সদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার বিকেলে সদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু বক্কর চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক ডাঃ আমিনুল হক রতন। এসময় তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের হাতকে আরো শক্তিশালী করতে হলে তৃণমুলকে শক্তিশালী করতে হবে। এজন্য আমরা প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সম্মেলন করে নতুন কমিটি গঠন করছি। তিনি আরো বলেন, অপরাজনীতি রুখতে এবং আওয়ামী লীগ থেকে হাইব্রিড খুঁজে  বের করতে হবে। প্রকৃত ও ত্যাগি আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দদের মুল্যায়ন করতে হবে। শুরুতেই এ সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন করেন এবং উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম।  অনুষ্ঠানে সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নিয়াত আলী লালুর পরিচালনায় প্রধান বক্তা হিসাবে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নানান দিকের কার্যক্রম ও স্মৃতিচারণ করে বিস্তারিত আলোচনা করেন মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিন। সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মানিক ঘোষ, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার ইকবাল মাহমুদ, সহ-প্রচার সম্পাদক আব্দুল লতিফ দিঘা, সদস্য আনোয়ারুজ্জামান বিশ্বাস মজনু, মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল হক রবি, জেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম। অনুষ্ঠানে অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক বিএম জুবাইর রিগ্যান, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান মিঠু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাহাবুব উর রহমান মামুন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কৃষ্ণপদ হালদার, মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আকরাম হোসেন, সাধারন সম্পাদক আলমগীর হোসেন, আমলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি একলেমুর রেজা সাবান জোয়ার্দ্দার, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম আজম, বহলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা বিশ্বাস, চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন পিস্তল, তালবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান, পোড়াদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল হালিম, উপজেলা মহিলা লীগের সাধারন সম্পাদক সুকিলা খাতুন, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, উপজেলা তাঁতী লীগের যুগ্ম-আহবায়ক হাবিবুর রহমান, উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আব্দুল হামিদসহ সদরপুর ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, তাঁতীলীগের নেতাকর্মী এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন সদরপুর ঈদগাহ ময়দানের পেশ ঈমাম মওলানা জমির উদ্দিন, গীতা থেকে পাঠ করেন শ্রী বলাই চন্দ্র বিশ্বাস।  সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক কামারুল আরেফিনের সঞ্চালনায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে মাজেদুর আলম বাচ্চুকে সভাপতি, রুহুল আমীনকে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও নিয়াত আলী লালুকে হাউজের সর্ব সম্মতিক্রমে সাধারন সম্পাদক করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রবিউল হক রবি নাম ঘোষনা করেন। এদিকে মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের উর্দিতি দিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক বিএম জুবায়ের রিগ্যান জানান, তালবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসাবে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান মন্ডলকে এবং তৌফিক আহম্মেদ সোহানকে সাধারন সম্পাদক করে কমিটি ঘোষনা করা হয়।

মিরপুরে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ

আমলা অফিস ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুরে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ করা হয়েছে।  গতকাল রোববার রাতে খন্দকবাড়ীয়া মারকাজুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদ্রাসা’র হলরুমে এ পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। দৌলতপুর নূরুজ্জামান বিশ্বাস ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব মহাম্মদ আলী জোয়ার্দ্দার। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন মিরপুর মাহমুদা চৌধুরী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শফিউল আলম সান্টু, পৌর জামে  মসজিদের ঈমাম হাফেজ মাওঃ ফারুকী হোসেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রিমন, উপজেলা শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম হীরা, খন্দকবাড়ীয়া মারকাজুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদ্রাসা’র শিক্ষক হাফেজ মাওঃ মাসুম বিল্লাহ, হাফেজ মাওঃ কামাল উদ্দিন, হাফেজ আশিকুল্লাহ, ক্বারী সোহেল আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন খন্দকবাড়ীয়া মারকাজুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদ্রাসা’র পরিচালক হাফেজ মাওঃ বরকতুল্লাহ’র। এ সময়ে অতিথিবৃন্দ প্রতিযোগিতায় আমপারা গ্র“পে প্রথম নাঈম হাসান, দ্বিতীয় সাবিব হাসান ও তৃতীয় মুসা বড়, ৫ পারা গ্র“পে প্রথম নাসরুল্লাহ, দ্বিতীয় গোলাম মোস্তফা ও তৃতীয় মাহমুদ আলী, ১০ পারা গ্র“পে প্রথম নাঈম হাসান, দ্বিতীয় খালিদ হাসান ও তৃতীয় আবির হাসান, ১৫ পারা গ্র“পে প্রথম তাকিব হাসান, দ্বিতীয় উমায়ে তাওসিফ ও তৃতীয় রিয়াদ হোসেনসহ ১ থেকে ৬ গ্র“পের আরো ১৮ জন শিক্ষঅর্থীকে পুরষ্কৃত করেন।

কালুখালীতে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

ফজলুল হক ॥ রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা প্রশাসন ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা কালুখালীর আয়োজনে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালনে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। এ উপলক্ষ্যে সকাল ১০টায় র‌্যালী পরবর্তী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুন নাহারের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ডলি পারভীন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সার্জেন্ট (অব.) আকামত আলী মন্ডল, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলাম, শিক্ষা অফিসার আব্দুর রশিদ, সাওরাইল ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম আলী, কার্য সহকারী রিয়াজুল ইসলাম ও ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ, মাসুদুর রহমান হিটুসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ঝিনাইদহে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ‘নিয়ম মেনে অবকাঠামো গড়ি, জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি হ্রাস করি’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে রোববার সকালে কালেক্টরেট চত্বর থেকে একটি র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আরিফ-উজ-জামান, সেলিম রেজা,  জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা বজলুর রশিদ, ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিনসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা, দুর্যোগ মোকাবেলায় নিয়ম মেনে অবকাঠানো নির্মাণ ও সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

সনাক কুষ্টিয়ার মানববন্ধনে বক্তারা

আবরারের নৃশংস হত্যাকান্ড বাক্স্বাধীনতার ওপর নিষ্ঠুরতম আঘাত 

বুয়েটের ছাত্র আবরারের নৃশংস হত্যাকান্ডকে একদিকে বাক্স্বাধীনতার ওপর নিষ্ঠুরতম আঘাত, অন্যদিকে আবরার হত্যায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতকরণ এবং মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করণের মাধ্যমে অতিদ্রুত শাস্তি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) কুষ্টিয়া।  গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে  ৯টায় কুষ্টিয়া বকচত্বরে, সনাক, কুষ্টিয়া’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশের বিশ^বিদ্যালয়গুলোতে একের পর এক রক্তক্ষয়ী ছাত্র সহিংসতা, ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়ম, দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবদুষ্ট বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পৃষ্ঠপোষকতা এবং একই কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যত নিষ্ক্রিয়তার ফলে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী আদর্শিক ছাত্র আন্দোলনের অস্তিত্ব সংকটের মুখোমুখি। আবরার হত্যাকান্ডের দৃষ্টান্তমূলক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং ছাত্র আন্দোলনের গৌরবময় ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সকল ছাত্রসংগঠনসহ শিক্ষাঙ্গণকে সম্পূর্ণ দলীয় রাজনীতিমুক্ত করা এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় বলীয়ান করার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন তাঁরা। মানবাধিকার কর্মী তাজনিহার বেগম বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থী ও মুক্তমত প্রকাশকারীদের হত্যার মাধ্যমে দেশকে মেধাশুণ্য করার চেষ্টা রুখে দাঁড়াতে হবে। খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও কুষ্টিয়া রবীন্দ্র সম্মেলন পরিষদ এর সভাপতি আলম আরা জুই বলেন, বুয়েটের ভিসি’র অবস্থান প্রশ্নসাপেক্ষ। তার এবং সমসাময়িক অন্যান্য বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসিদের প্রশাসনিক অদক্ষতা, দলীয় আনুগত্য প্রভৃতির কারণেই অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে চলেছে। মুক্ত মত প্রকাশকারীদের প্রাণনাশ করার মাধ্যমে রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে যা সাংস্কৃতিক কর্মীসহ নাগরিকদের ব্যথিত করছে। সমাজকর্মী কারসেদ আলম বলেন, আবরারের হত্যাকারীদের বিচারের রায় প্রলম্বিত করা যাবে না। হত্যাকারীদের পিছন থেকে শক্তিদাতাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। আবরারের শিক্ষক, কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও স্বজন সমন্বয়ক খোন্দকার আমানুল্লাহ বলেন, অত্যন্ত বিনয়ী, সদালাপী, নিরহংকারী এবং দেশভক্তি ছিলো আবরারের চরিত্রের প্রধান দিক। একজন শিক্ষক হিসেবে ওর হত্যাকারীদের ফাঁসি কার্যকর দেখতে চাই।

ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও সহ-সভাপতি, সনাক ড. সরওয়ার মুর্শেদ বলেন, বাকস্বাধীনতা এবং মুক্তমত প্রকাশের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরীতে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন এবং রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিতে হবে। বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনের যে গৌরবোজ্জ্বল অতীত ও  অবিস্মরণীয় ভূমিকা তাকে ম্লান করে দিচ্ছে ছাত্রসংগঠনের ওপর দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতির নিষ্ঠুর প্রভাব। আর কোন আবরার যেন মত প্রকাশ করতে যেয়ে প্রাণ না হারায় সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দলীয় রাজনীতি নিষিদ্ধি করতে হবে। হত্যায় জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সনাক সদস্য রফিকুল আলম টুকু বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে মুক্তমত প্রকাশ করায় কেউ খুন হবে তা অভাবিত। হত্যাকারীদের দ্রুততর সময়ে গ্রেফতার করে প্রশাসনকে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে কিন্তু নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিচারের রায় বাস্তবায়নে কোনভাবেই যেন দায়মুক্তির ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হয় সেদিকে সরকারকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সনাক সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, সরকারের প্রতি দাবি, তাঁরা যেন উপলব্ধি করেন যে, আবরার হত্যা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি রাজনৈতিক অঙ্গণে দীর্ঘদিনের লালিত মরণব্যাধির লক্ষণ মাত্র। এর প্রতিকার সরকারেরই হাতে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের হাতে। আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি, ছাত্র রাজনীতির নামে শিক্ষাঙ্গণে দুর্বৃত্তায়ন থেকে যারা লাভবান হয়েছেন তাদের চিহ্নিত করুন এবং বিচারের মুখোমুখি করুন। কারণ তারা দেশের যে ক্ষতি করছেন, তা অপূরণীয় ও দীর্ঘমেয়াদি, গণতন্ত্রের জন্য ও মেধাভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যাশার পথে ভয়ংকর প্রতিরোধক। টিআইবি’র এরিয়া ম্যানেজার মো: আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী জেসমিন হোসেন মিনি, সনাক সদস্য আক্তারী সুলতানা প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়ার বীরমুক্তিযোদ্ধা, সমাজকর্মী, মানবাধিকার ও উন্নয়নকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, সাংস্কৃতিক কর্মী, নানা শ্রেণী পেশার মানুষ টিআইবি’র ইয়েস, ইয়েস-ফ্রেন্ডস, স্বজন, সনাক সদস্যবৃন্দ এবং টিআইবি কুষ্টিয়া অফিসের কর্মীবৃন্দ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

চুক্তির বিষয়ে কণ্ঠ স্তব্ধ করতে হাফিজকে গ্রেফতার – রিজভী

ঢাকা অফিস ॥ তিস্তাসহ ভারতের সঙ্গে অভিন্ন নদীর পানির চুক্তির বিষয়ে দেশে ফিরে যেন কথা না বলতে পারে এ জন্যই সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রমকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রোববার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। রিজভী বলেন, গতকাল চিকিৎসা শেষে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার সাথে সাথেই সাজানো মিথ্যা মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী, খ্যাতিমান মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ-বীরবিক্রমকে গ্রেফতার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। প্রথমে বিমানবন্দর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে পরে পল্লবী থানায় হস্তান্তর করে। তিনি বলেন, এ গ্রেফতার সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানুষের চোখকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার অপকৌশলমাত্র। সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী হিসেবে তিনি পানির ন্যায্য হিস্যা ও দেশের স্বার্থের পক্ষে একজন নির্ভীক ভাষ্যকার। পানি চুক্তির চক্রান্তের নানাদিক তুলে ধরতে পারতেন সাবেক এ পানিসম্পদ মন্ত্রী। এ কারণেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশবিরোধী চুক্তি করে দেশের সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করার বিরুদ্ধে সোচ্চার হাফিজের কণ্ঠকে স্তব্ধ করানোর জন্যই এ গ্রেফতার। চিকিৎসা শেষে অসুস্থ মেজর হাফিজ নিস্তার পেলেন না। কীর্তিমান দেশপ্রেমিক এ মুক্তিযোদ্ধাকে গ্রেফতার করে সরকার তার প্রভুদের সন্তুষ্ট করতে চাচ্ছে। তার গ্রেফতার সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। আমরা এ মুহূর্তে তার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। এ সময় বুয়েটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, গতকাল নিশিরাতের সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হুমকি দিয়ে বলেছেন, ছাত্রদের ১০ দফা মেনে নেয়া হয়েছে আবার কিসের আন্দোলন?’ প্রথম কথা হচ্ছে, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ১০ দফা শেখ হাসিনা কিংবা তাদের নিয়োগকৃত উপাচার্য এমনিতেই মেনে নেয়নি, তাদেরকে ১০ দফা দাবি মেনে নিতে বাধ্য করা হয়েছে। আবরার ফাহাদের মতো আর কোনো অসীম সম্ভাবনাময় জীবন যাতে ঝরে না যায় সেইজন্য বুয়েটের শিক্ষার্থীদের এই ১০ দফা। সুতরাং, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের এই ১০ দফা মানার ঘোষণা দিলেই সরকারের সব অপরাধ মাফ হয়ে যায় না। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে অসম এবং অধীনতামূলক চুক্তির বিরুদ্ধে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার কারণে আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে বন্যপ্রাণির মতো পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে ছাত্রলীগ। কী অপরাধ ছিল শহীদ আবরার ফাহাদের? সে তো বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলেছিল। লিখেছিল বাংলাদেশের স্বার্থের পক্ষে। ‘শেখ হাসিনা যাতে নোবেল পুরস্কার না পান, সেই ষড়যন্ত্রের অংশ’ চট্টগ্রামের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছিরের এমন বক্তব্য উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘পাগলরা এখন আওয়ামী লীগ করে নাকি আওয়ামী লীগ করলে মানুষ পাগল হয়ে যায়!’ তিনি বলেন, পাগলে কি-না বলে ছাগলে কি-না খায়। মেয়র নাছিরের এই বক্তব্যে প্রমাণিত হয়, তিনি আসলেই আওয়ামী লীগ। অন্যথায় তার বোঝা দরকার ছিল, নোবেল পুরস্কার র‌্যাব-পুলিশের হাতে নয় যে চাইলেই শেখ হাসিনাকে দেয়া সম্ভব। কিংবা অনুগত দলদাস সাংবাদিক দিয়ে প্রচারণা চালিয়েও নোবেল পাওয়া সম্ভব নয়।

রিজভী আরো বলেন, প্রতিবেশী বন্ধুদের ফেনী নদীর পানি, চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দর, বঙ্গোপসাগরের উপকূল পর্যবেক্ষণে রাডার স্থাপনের অধিকার, আমদানিকৃত এলজিপি দিয়ে আসার এক সপ্তাহ না যেতেই সেই বন্ধুরাই আমাদের কয়েকজন র‌্যাব সদস্যকে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে বেধড়ক পিটিয়ে ফেরত পাঠিয়েছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এতো বড় অন্যায়ের খবর পত্রপত্রিকায় দেখে মানুষ ক্ষুব্ধ হয়েছে। এত বড় ঘটনার পরও সামান্য প্রতিবাদ পর্যন্ত করলো না এই নিশুতি সরকার।

দ্রুততম সময়ে মামলা নিষ্পত্তি করার নজির স্থাপন সরকারের বড় সাফল্য -আইনমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সিলেটের শিশু রাজন ও খুলনার শিশু রাকিব হত্যার বিচার দ্রুততম সময়ে শেষ করে সরকার বিচার ব্যবস্থায় নজির স্থাপন করেছেন। “আজকের শিশু আনবে আলো, বিশ্বটাকে রাখবে ভালো’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে শিশু অধিকার সপ্তাহ ও শিশু অধিকার সনদের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে শিশু সংলাপ ২০১৯ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গতকাল রোববার এ কথা বলেন। জাতীয় শিশু একাডেমীতের অনুষ্ঠিত এ সংলাপে তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা শিশু প্রতিনিধিদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন- সেফ দ্য চিলড্রেনের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং বিশেষ অতিথির হিসেবে বক্তৃতা করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামরুন নাহার। আইনমন্ত্রী বলেন, আইনের লক্ষ্য হলো অপরাধীকে শাস্তি দেয়া। সব ধরণের আইনি সুযোগ দিয়ে দ্রুততম সময়ে মামলা নিষ্পত্তি ও বিচার শেষ করার নজির শেখ হাসিনার সরকার স্থাপন করেছে।তিনি বলেন, বুয়েটের আববার হত্যার ঘটনায় জড়িতদের আইনী ব্যবস্থায় কোন ক্ষমা নেই। বিদ্যমান আইনেই দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হবে। ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান হত্যা মামলায়ও দ্রুত সময়ে শেষ হতে যাচ্ছে। মামলা সাক্ষ্য-যুক্তিতর্ক শেষে এখন রায়ের জন্য ধার্য রয়েছে।র‌্যাগিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি একটি অপরাধ। র‌্যাগিং এর শিকার হলে শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকের কাছে নালিশ করার পরামর্শ দেন তিনি ।প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ ওই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামি নূর চৌধুরীকে কানাডা থেকে ফেরত আনার ক্ষেত্রে মৃত্যুদন্ডের রায় অসুবিধার বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ আসামী আত্মস্বীকৃত খুনী। এ আসামী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন-নেছা মুজিব, শিশু রাসেলসহ ১৮ জনকে গুলি করে হত্যার সঙ্গে জড়িত। আদালত তাকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে। এখানে তার একমাত্র শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদন্ড। এ আসামী যড়যন্ত্র ও হত্যায় জড়িত। আমরা তাদের বলেছি। এখানে দন্ড মওকুফে আমাদের কোন সুযোগ নেই। মৃত্যুদন্ডই এখানে একমাত্র সাজা। আইনমন্ত্রী আরো বলেন, অপরাধীকে সাজা দেয়া হচ্ছে আইনের কাজ। এটা সমাজেরও চাহিদা। যদি কোনো অপরাধে মৃত্যুদন্ড কাউকে দেয়া হয় এবং সে আসামী বিদেশে পলায়ন করলে অনেক ক্ষেত্রে তাকে দেশে ফিরে আনা যায় না। সে জন্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে মৃত্যুদন্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন সাজার বিধান রাখা হচ্ছে। এক্ষেত্রেও আসামী মনে করবে অপরাধ করলে আমাকে যাবজ্জীবন জেলে থাকতে হবে এটাও বড় শাস্তি।

 

মিরপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের সংঘর্ষে আহত ১০

আমলা অফিস ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দু’ক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০জন আহত হয়েছে। গতকাল রোববার  সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বলিদাপাড়া এলাকায় সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- হায়দার আলী (৫৫), শাজাহান খান (৩৫), শহিদুল ইসলাম (৪২) সেকেন আলী ৩৫), দাউদ আলী (৩০) ইনু (২০) সহ দুই গ্র“পের ১০জন। পুলিশ এবং প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, মিরপুর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের বলিদাপাড়া গ্রামের ইব্রাহিম আলী প্রামানিকের সাথে একই এলাকার হায়দার আলীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। এরই জের ধরে সকালে হায়দার আলীর লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে মশান বাজারে ইব্রাহিম প্রামানিক গ্র“পে  সেকেন আলীর উপর হামলা চালায়। এসময় দু’পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয়পক্ষের লোকজন একে অপরের উপর হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। সংঘর্ষে হায়দার আলী গ্র“পের বলিদাপাড়া গ্রামের মৃত আশরাফ খানের ছেলে হায়দার আলী (৫৫), শাজাহান খান (৩৫), হায়দার আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম (৪২) এবং ইব্রাহিম গ্র“পের আকমল মালিথার ছেলে সেকেন আলী ৩৫), দাউদ আলী (৩০) ও ইছাহকের ছেলে ইনু (২০) সহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় সাতজনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে মিরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠনো হয়।

দৌলতপুরে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় মামলা : গ্রেফতার-৩

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় গতকাল রবিবার দুপুরে দৌলতপুর থানায় একপক্ষের মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ৩জনকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের কান্দিরপাড়া গ্রামে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালালে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত: ১৫জন আহত হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকার অধিপত্য বিস্তার ও বিয়ে সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে শুক্রবার রশিদ মুন্সির লোকজন প্রতিপক্ষ মিরাজ প্রমানিককে মারপিট করে। এরই জের ধরে শনিবার সন্ধ্যায় মিরাজ প্রমানিকের নেতৃত্বে ১৫-১৬জন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রশিদ মুন্সির বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে রশিদ মুন্সি (৬০), পচাই মুন্সি (৫৫), বোরহান আলী (২০), আলামীন (২২), শ্যামল (২৪), নুরু মুন্সি (৫৫), আতর মুন্সি (২৭), শামীম (১৭), আখলিমা খাতুন (৪২) এবং মিরাজ প্রামানিক (৪৮) ও লেবু প্রামানিক (৩৭) সহ উভয় পক্ষের অন্তত: ১৫জন আহত হয়। আহতদের দৌলতপুর ও কুষ্টিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। আহতদের মধ্যে রশিদ মুন্সি ও পচাই মুন্সি’র আশংকজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত রশিদ মুন্সির ভাই হামিদুর মুন্সি বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় মামলা দিয়েছে। মামলার পর দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত ৩জনকে গ্রেফতার করেছে। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি এস এম আরিফুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

কুষ্টিয়া হাটশ হরিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা মুরাদ

নিজ সংবাদ ॥ ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন। এ সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন কুষ্টিয়া সদর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওয়াহেদ মুরাদ। অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে তিনি সততা ও যোগ্যতার দিক দিয়ে এগিয়ে আছেন। ওয়াহেদ মুরাদ ১৯৯৫ সালে কুষ্টিয়া সদর থানা ছাত্রলীগের সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচিত হন। সততা ও দক্ষতার সাথে তিনি ২০০৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এর আগেও তিনি সদর থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনকালে তিনি এবং তার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশিদুজ্জামান খান টুটুল এক এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে সদর থানা ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করেন। তৎকালীন সদর থানাভূক্ত ১৪টি ইউনিয়নের প্রায় সবকটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটির সম্মেলন শেষে থানা ছাত্রলীগের সফল সম্মেলন আয়োজনের মধ্যদিয়ে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। এ দায়িত্ব পালনকালে তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলা বা কোন প্রকার দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়নি। যা আজও সর্বমহলে প্রসংশিত এবং উদাহরণ হয়ে আছে। মুরাদ কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। কর্মজীবনে তিনি ঠিকাদারী পেশার সাথে জড়িত। আর্থিক সংকটের কারনে মুরাদ এক সময় রাজনীতি থেকে কিছুটা দুরে থাকলেও বর্তমানে তিনি আবারও রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। তিনি হরিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন এবং দি ওল্ড কুষ্টিয়া হাই স্কুল পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিষয়ে হাটশ হরিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কর্মীদের সাথে কথা হলে তারা জানান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মুল্যায়ন করার ঘোষণা দিয়েছেন। সেই ঘোষণা অনুযায়ী ওয়াহেদ মুরাদকে যদি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয় তাহলে হাটশ হরিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের রাজনীতি আরও সুসংগঠিত হবে এবং  সুনাম ও ঐতিহ্য বৃদ্ধি পাবে।