আলমডাঙ্গা উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিস পরিদর্শন করলেন যুগ্ম সচিব বেগম তসলিমা আক্তার

আলমডাঙ্গা অফিস ॥ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলা যুবউন্নয়ন অফিসের কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রানালয়ের যুগ্ম সচিব বেগম তসলিমা আক্তার। গতকাল সকাল বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে যুব উন্নয়ন অফিসে পৌছালে তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ লিটন আলী, চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবউন্নয়ন অফিসের উপ-পরিচালক মাসুম আহম্মেদ,জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আমানুল্লাহ আহম্মেদ, প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার শাহ আলম মন্টু, সম্পাদক হামিদুল ইসলাম, ক্রেডিট সুপারভাইজার আলাউদ্দিন প্রমুখ। আলমডাঙ্গা যুব উন্নয়ন অফিস পরিদর্শন করে সন্তোস প্রকাশ করেন।

আলমডাঙ্গা বেলগাছী ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আলমডাঙ্গা অফিস ॥ আলমডাঙ্গা বেলগাছী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্দোগে ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বিকালে কাশিপুর কেদারনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্তরে সম্মেলনের আলোচনা সভায় সভাপতিত্বে করেন বেলগাছী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সমীর কুমার দে। প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি প্রশান্ত অধিকারী। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ইয়াকুব মাস্টার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম মন্টু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শাহ আলম মন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিয়ার রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা মাহমুদুল হাসান চঞ্চল। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্পাদক নজরুল ইসলামের উপস্থাপনায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা রমজান আলী, আহসানউল্লাহ তোতা, সিরাজুল ইসলাম, সাহাদৎ, শফিউদ্দিন মেম্বার, কামাল হোসেন, নাজমুল হক বাবলু প্রমুখ। সম্মেলনে ৪ নং ওয়ার্ডে নাজমুল হক বাবলুকে সভাপতি ও আব্দুর রাজ্জাককে সম্পাদক এবং ৫ নং ওয়ার্ডে আলিম উদ্দিনকে সভাপতি ও আজম আলীকে সম্পাদক করে ৫১ সদস্য কমিটির নাম ঘোষনা করেন।

কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সচেতনতা সায়েন্টিফিক সেমিনার ও মতবিনিময়

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সচেতনতা সায়েন্টিফিক সেমিনার ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কুষ্টিয়া পৌর অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনারস এসোসিয়েশন কুষ্টিয়া জেলা শাখা ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কুষ্টিয়া জেলা শাখা। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মৃনাল কান্তি দে। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনারস এসোসিয়েশন কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডাঃ জামাল উদ্দিন মোল্লা। প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ এ এফ এম আমিনুল হক রতন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনারস এসোসিয়েশন কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আসমা জাহান লিজা। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, কুষ্টিয়ার জিপি এ্যাডঃ আসম আখতারুজ্জামান মাসুম, কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ রওশন আরা বেগম, কুষ্টিয়া ২৫০ শর্য্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ তাপস কুমার সরকার, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি ড. মোফাজ্জেল হক, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হক, ডাঃ মুসা কবির, ডাঃ রেজাউল ইসলাম হিটু, ডাঃ আশিষ কুমার দত্ত, ডাঃ সুকুমার সাহা প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কুষ্টিয়া জেলা শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডাঃ নওয়াব আলী। ডেঙ্গুর উপর প্রেজেনটেশন উপস্থাপন করেন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী রেজিস্টার (মেডিকেল) ডাঃ রাজীব মৈত্র।

সভাপতি করিম ॥ সম্পাদক জহুরুল

পোড়াদহ ইউনিয়ন মাদক প্রতিরোধ কমিটি গঠন

বাংলাদেশ মাদক প্রতিরোধ কমিটি কেন্দ্রীয় সংসদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার আওতাধীন পোড়াদহ ইউনিয়ন মাদক প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া জেলা মাদক প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি হাসিবুর রহমান রিজু ও সাধারণ সম্পাদক এম সোহাগ হাসান স্বাক্ষরিত  এক বছর মেয়াদী ৩১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির অনুমোদন করা হয়। কমিটিতে আব্দুল করিমকে সভাপতি ও জহুরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

কবি আজিজুর রহমানের ৪১তম প্রয়াণ দিবসে স্মরনসভা

একুশে পদক প্রাপ্ত কবি গীতিকার আজিজুর রহমানের (১৮অক্টোবর, ১৯১৪-১২ সেপ্টেম্বর,১৯৭৮) ৪১তম প্রয়াণ দিবস স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহষ্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর দি ওল্ড কুষ্টিয়া হাই স্কুলের কবি আজিজুর রহমান মিলনায়তনে মানবাধিকার নাট্য পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় সভপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এম মুশতাক হোসেন মাসুদ। এসময় কবি স্মরণে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক গোলাম আজম, সহকারী প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম, সাংবাদিক হাসান আলী, এম এ কাইয়ুম বজলার রহমান প্রমুখ। শেষে কবির আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, কবি আজিজুর রহমান প্রায় ৩ হাজারের অধিক গান লিখেছেন। তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ‘ভবের নাট্যশালায় মানুষ চেনা দায় রে’, ‘কারো মনে তুমি দিও না আঘাত, সে আঘাত লাগে কাবার ঘরে’, ‘আকাশের ঐ মিটি মিটি তারার সাথে কইবো কথা, নাই বা তুমি এলে’, ‘পৃথিবীর এই পান্থশালায়, হায় পথ ভোলা কবি’, ‘আমি রূপনগরের রাজকন্যা রূপের জাদু এনেছি’, ‘বুঝি না মন যে দোলে বাঁশিরও সুরে’, ‘ দেখ ভেবে তুই মন, আপন চেয়ে পর ভালো’, ‘পলাশ ঢাকা কোকিল ডাকা আমারই দেশ ভাই রে’ প্রভৃতি। এজাতীয় অসংখ্য  আধুনিক বাংলা গানের গীতিকারের যথার্থ মূল্যায়ন না থাকায় আজ চরমভাবে অবহেলিত। দেশের সর্বোচ্চ সম্মান ‘একুশে পদক’ প্রাপ্ত কবি আজিজুর রহমানের মৃত্যুর ৪১ বছর পার হলেও সরকারিভাবে তার স্মৃতি সংরক্ষণ ও স্মৃতিচারণে নেয়া হয়নি কোনো পদক্ষেপ। অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে তার বাস্তুভিটা ও সমাহিত চত্বর। নিশ্চিহ্ন হতে বসেছে তার সমাধিস্থলসহ সকল স্মৃতিময় স্থান ও কর্মকান্ড। অথচ কবির লেখা জনপ্রিয় গানগুলো আজ সংরক্ষণের অভাবে হারিয়ে যেতে বসেছে। তাই কবির গানগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়ার জন্য এবং প্রতিবছর সরকারিভাবে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে কবি আজিজুর রহমানের জন্ম ও মৃত্যু দিবস পালনের জোর দাবি জানান এলাকাবাসী। একুশে পদকধারী কবি, গীতিকার ও বেতার ব্যক্তিত্ব আজিজুর রহমান ১৯১৪ সালের ১৮ই জানুয়ারি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম বশির উদ্দিন প্রামানিক, মাতার নাম সবুরুন নেছা। গড়াই নদীর নৈসর্গিক সৌন্দর্য তাকে সব সময় মোহিত করে রাখত। ১৩ বছর বয়সে, ১৯২৭ সালে তিনি পিতাকে হারান। উচ্চশিক্ষা লাভের ভাগ্য না থাকলেও প্রবল ইচ্ছা ও অনুসন্ধিৎসার ফলে বহু বিষয়ক পুস্তকাদি স্বগৃহে পাঠ করে তিনি একজন স্বশিক্ষিত ব্যক্তিতে পরিণত হন। সাহিত্যচর্চা শুরুর আগে নাটকে অভিনয়ে তার উৎসাহ ছিল বেশি। তিনি গড়ে তোলেন একটি নাট্যদল। নাট্যদলটি নাটক মঞ্চস্থ করত শিলাইদহের ঠাকুর বাড়িতে। এ কাজের জন্য সে সময় কুষ্টিয়ার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তার সুনাম ও খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। সে কালের বিশিষ্ট অভিনেতা ধীরেন দত্ত, উপেশ ঠাকুরসহ বিভিন্ন নামিদামি অভিনেতারা অংশগ্রহণ করতেন তার নাট্যদলে। সমাজসেবায় কবি ছিলেন একজন নিবেদিত প্রাণ। ১৯৩১ সালে ১৭ বছর বয়সে কবি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার ফুলহরি গ্রামের এজহার শিকদারের মেয়ে ফজিলাতুন নেছাকে বিয়ে করেন। তিনি ৩ ছেলে ৪ মেয়ের জনক। ১৯৩৪ সালে তিনি তার পিতামহ চাঁদ প্রামানিকের নামে হরিপুর গ্রামে গড়ে তোলেন চাঁদ স্মৃতি পাঠাগার। এটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি পাঠাগার ছিল। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ বইয়ের খোঁজে আসতেন এই পাঠাগারে। তার সাংগঠনিক ক্ষমতা ছিল প্রবল। তিনি একাধারে কুষ্টিয়া হাটশ হরিপুর ইউনিয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, কুষ্টিয়া (নদীয়া) ফুড কমিটির সেক্রেটারি, বেঞ্চ অ্যান্ড কোর্ট ডিভিশনের  চেয়ারম্যান, কুষ্টিয়া জেলা বোর্ড ও ডিস্ট্রিক্ট অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্যের পদও অলঙ্কৃত করেছিলেন। ছাত্র থাকাবস্থায় মুসলিম ছাত্র আন্দোলনেও ভূমিকা  রেখেছেন এবং প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সদস্য মনোনীত হয়েছিলেন। তিনি প্রায় ৩০০-এর উপরে কবিতা রচনা করেছেন। তার মধ্যে  নৈশনগরী, মহানগরী, সান্ধ্যশহর, ফেরিওয়ালা, ফুটপাত, তেরশপঞ্চাশ, সোয়ারীঘাটের সন্ধ্যা, বুড়িগঙ্গার তীরে, পহেলা আষাঢ়, ঢাকাই রজনী,  মোয়াজ্জিন, পরানপিয়া, উল্লেখযোগ্য। এ কবিতাগুলো এক সময় নবযুগ, নবশক্তি, আনন্দবাজার পত্রিকা, শনিবারের চিঠি, সওগাত, মোহাম্মাদী, আজাদ, বুলবুল পত্রিকায় নিয়মিত ছাপা হতো। ১৯৫৪ সালে তিনি ঢাকা বেতারে প্রথমে অনিয়মিত এবং পরে নিয়মিতভাবে যোগ দেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ বেতারে চাকরীতে বহাল ছিলেন। ১৯৭৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কবি আজিজুর রহমান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।  সে সময় তাকে ভর্তি করা হয় তৎকালীন ঢাকার পিজি হাসপাতালে। এর ৩ দিন পর ১২ সেপ্টেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

 

কুমারখালীতে ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের জোতমোড়া গ্রামে এই মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। যদুবয়রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শরীফুল আলমের সভাপতিত্বে এতে গবাদিপশুর চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শমুলক বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নূরে আলম সিদ্দিকী। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে নিয়ে আসা গবাদী পশুর চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। এ সময় বিনামূল্যে কৃমিনাশক ও ভিটামিন ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে। ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্পে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপ সহকারি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা সহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

দৌলতপুরে ডেঙ্গু আক্রান্ত এলাকায় সাংসদ বাদশাহ্’র পক্ষ থেকে স্প্রেয়ার মেশিনসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের ছাতারপাড়ার দাড়পাড়াসহ ডেঙ্গু আক্রান্ত এলাকায় কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. আ.ক.ম সারওয়ার জাহান বাদশাহ’র পক্ষ থেকে মশা নিধনের জন্য ১৫টি স্প্রেয়ার মেশিন, ধুপ ও বিষ বিতরন করা হয়েছে। সাংসদের পক্ষে বুধবার দুপুরে এসব সামগ্রী বিতরন করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার মো. তৌহিদুল ইসলাম। এ সময় তার সাথে ছিলেন আড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাঈদ আনছারী বিপ্লব, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি ডাক্তার শরীফ উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা হাসিনুর রহমান, যুবলীগ নেতা এস এ সঞ্চয়সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী। এরপর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা কয়েকটি গ্রামে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন এবং এলাকাবাসীদের আতংকিত না হয়ে বাড়িঘর ও এর আশপাশ পরিস্কার রাখার পরামর্শ দেন। পরামর্শ প্রদানকালে সরদার তৌহিদুল ইসলাম  বলেন, জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলায় দৌলতপুরের জনমানুষের নেতা এ্যাড. আ.ক.ম সারওয়ার জাহান বাদশাহ ঢাকায় অবস্থান করছেন। ডেঙ্গু আক্রান্ত মানুষের কথা চিন্তা করে তিনি মশা নিধনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন ও আক্রান্ত এলাকার মানুষের পাশে থাকার জন্য প্রশাসনসহ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন। সাংসদের নির্দেশ মোতাবেক তার পক্ষ থেকে ১৫টি স্প্রেয়ার মেশিন, ধুপ ও বিষ বিতরণ করা হয়।

এফএম রেডিওর মাধ্যমে কাশ্মীরে সংকেত পাঠাচ্ছে পাকিস্তান

ঢাকা অফিস ॥ অবরুদ্ধ কাশ্মীরে এফএম রেডিওর মাধ্যমে সংকেত পাঠিয়ে যোগাযোগ করছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। কাশ্মীরের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে এর মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য তৈরি করছে তারা। সম্প্রতি ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনীর দেয়া এক রিপোর্টে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, আজাদ কাশ্মীরের কাছে লাইন অব কন্ট্রোলে (এলওসি) এফএম স্টেশন স্থাপন করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত ‘কওমী তারানা’র মাধ্যমেই সংকেতগুলো পাঠানো হচ্ছে জইশ-ই-মুহম্মদ, লস্কর-ই-তাইয়্যেবা এবং আল বদর নামক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর কাছে। এই সংগঠনগুলোর মাধ্যমে পাকিস্তান জম্মু-কাশ্মীরে নাশকতা সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ৩৭০ ধারা বিলুপ্তিকে কেন্দ্র করে কাশ্মীরের টেলিফোন, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেয়ার সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়। জম্মু-কাশ্মীরে সহযোগীদের কাছে বার্তা পাঠাতে পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতটি এমএফ রেডিওর মাধ্যমে খুব সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করছে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ভারতীয় গোয়েন্দাদের ধারণা, উচ্চ ক্ষমতার কম্পাংকের (ভিএইচএফ) রেডিং স্টেশন থেকে সংকেতগুলো ভারতের দিকের লাইন অব কন্ট্রোল’র কাছে পাঠানো হচ্ছিল। যে সংকেতগুলোই জইশ-ই-মুহাম্মদ, লস্কর-ই-তাইয়্যেবা এবং আল বদর ব্যবহার করে তাদের জম্মু-কাশ্মীরে যোগাযোগ করছিল।

কুষ্টিয়া স্টেডিয়ামে ফুটবল টুর্নামেন্ট সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আতাউর রহমান আতা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে সকলকে কাজ করতে হবে

সুজন কর্মকার ॥ কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কুষ্টিয়া শহর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। তাই আমাদেরও উচিত সোনার বাংলা বাস্তবায়নে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা।  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক (অনুধর্ব-১৭) ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালিকা (অনুধর্ব-১৭) ২০১৯ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখ বৃহস্পতিবার বিকেলে কুষ্টিয়া জেলা স্টেডিয়ামে এ জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’র সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জিপি এ্যাডঃ আ স ম আখতারুজ্জামান মাসুম, কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ইকবাল মাহমুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন প্রমুখ। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কুষ্টিয়া শহর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা আরো বলেন, খেলাধুলা মানুষের শরীর ও মন সতেজ করে। বলা হয়ে থাকে স্বাস্থ্যই সম্পদ। আর সুস্থ শরীরই মানুষকে করতে পারে তেজস্বিতা ও উদ্যম উদ্দীপনা। সুস্থ শরীররে অধিকারীরাই পারে সুন্দর কিছু করতে ও লেখাপড়ায় আরও আগ্রহী হতে। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা আরো বলেন, খলোধূলার মাধ্যমে জাতীয়তাবোধ গড়ে ওঠে। এক রাজ্যের সঙ্গে অন্য রাজ্যের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক খেলাধু হয়। সেখান থেকে ছাত্র-ছাত্রীদরে জাতীয়তা বোধের জন্ম নেয় ।

কুষ্টিয়ার নাজমা হার্ডওয়্যারের মালিক শেখ নওশের আলীর প্রথম মৃত্ব্যবার্ষিকী আজ

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া বড় বাজারের সাবেক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বর্তমানে শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ের নাজমা হার্ডওয়্যারের মালিক, সদর উপজেলা হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের পুরাতন কুষ্টিয়া ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি মেম্বার, জাতীয় দৈনিক ভোরের কাগজ’র কাগজ প্রতিবেদক কুষ্টিয়ার নুর আলম দুলালের শ্বশুর নওশের আলী শেখ’র আজ প্রথম মৃত্ব্যবার্ষিকী। ২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে কুষ্টিয়া ২শ ৫০ শর্য্যা হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন। মৃত্ব্যকালে তিনি ৪ কন্যা ৩ পুত্র, নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান। মরহুমের প্রথম মৃত্ব্যবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ বাদ জুম্মা হাটশ হরিপুর পুরাতন কুষ্টিয়াস্থ নিজ বাসভবনে এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত দোয়া মাহফিলে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত হয়ে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় শরীক হতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আলমডাঙ্গায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মানের লক্ষ্যে মাঠ পরিদর্শন করলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব

আলমডাঙ্গা অফিস ॥ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মান করার লক্ষ্যে  ফুটবল মাঠ পরিদর্শনে আসেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব বেগম তাসলিমা আক্তার।  গতকাল বেলা ১২টার দিকে আলমডাঙ্গা সররকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এটিম ফুটবল মাঠ পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ লিটন আলী, চুয়াডাঙ্গা যুব উন্নয়ন অফিসের উপ-পরিচালক মাসুুুম আহম্মদ , জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রকৌশলী আমিনুুুল ইসলাম, আলমডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ সালমুন আহম্মেদ ডন, সরকারি উচ্চচবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম খান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মারজাহান নিতু, জেলা ক্রীড়া অফিসার আমানুল্লাহ আহম্মেদ, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারী খন্দকার জিহাদ-ই-জুলফিকার টুটুল, প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার শাহ আলম মন্টু, সম্পাদক হামিদুল ইসলাম আজম, সমাজ সেবা কর্মকর্তা আফাজ উদ্দিন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, বিটু মিয়া, সাবেক ফুটবলার শেখ শরিফুল ইসলাম, সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম প্রমুখ। যুগ্ম সচিব মাঠ পরিদর্শন করে জমির পরিমান, মাপজোপ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আলমডাঙ্গায় একটি শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মানের সবরকম ব্যবস্থা করবেন বলে জানান। তবে সরকারি স্কুলের কাছে আপত্তি নেই মর্মে লিখিত আবেদন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে অনতিবিলম্বে একটি লিখিত দরখাস্ত প্রেসক্রাইব ফর্মে আহবান করতে বলেন। তখন মন্ত্রনালয়ের সভায় দ্রুত আলমডাঙ্গা উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম নির্মানের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে গ্রহন করা হবে।

মিরপুরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের সেমি ফাইনালের দু’টি খেলা অনুষ্ঠিত

আমলা অফিস ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট অনুর্ধ্ব-১৭ এর সেমি ফাইনালের দু’টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার পরিচালনায় স্থানীয় ফুটবল মাঠে এ খেলা দু’টি অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টের প্রথম সেমি ফাইনাল খেলায় আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন ট্রাইবেকারে ৪-৩ গোলের ব্যবধানে চিথলিয়া ইউনিয়নকে পরাজিত করে চুড়ান্ত পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেন। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বীতা পূর্ণ এ খেলার প্রধমার্দ্ধের ৬ মিনিটে আমবাড়ীয়া ইউনিয়নের পক্ষে জহুরুল ইসলাম গোল করে দলকে এগিয়ে নেয়। ১৭ মিনিটের সময় চিথলিয়া ইউনিয়নের পেনাল্টি সাজ্জাদ গোল করে সমতা ফিরিয়ে আনে। নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে অমিমাংসিত হলে সরাসরি টাইব্রেকারের মাধ্যমে খেলা নিষ্পত্তি হয়। বিজয়ী দলের জহুরুল ইসলাম ম্যাচ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়। খেলাটি পরিচালনা করেন মিরপুর মাহমুদা চৌধুরী কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক শরিফুল ইসলাম। তাকে সহযোগিতা করেন নওপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক মাহাবুল ইসলাম ও মিরপুর নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যানিকেতনের ক্রীড়া শিক্ষক জাহাঙ্গীর মাসুদ। অপর সেমিফাইনালে পোড়াদহ ইউনিয়ন টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলের ব্যবধানে আমলা ইউনিয়নকে পরাজিত করে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ন এ খেলার নির্ধারিত সময় ০-০ গোলে অমিমাংসিত হলে সরাসরি টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হয়। আমলা ইউনিয়নের জীবন ম্যাচ সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। খেলাটি পরিচালনা করেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ রফিক। তাকে সহযোগিতা করেন মিরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক শফিউল ইসলাম শফি ও সুলতানপুর সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসার ক্রীড়া শিক্ষক সাইদুল ইসলাম। এ সময়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিন, ভাইস- চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জোয়ার্দ্দার,  টুর্ণামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মহাম্মদ আলী জোয়ার্দ্দার, পোড়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুজ্জামান বিশ্বাস মজনু, আমলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম মালিথা, মালিহাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন পিস্তুল, আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মিলন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আজ শুক্রবার বিকেলে সাড়ে ৩টায় টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

কুষ্টিয়া জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামানের বড় ছেলে জামান মাহামুদকে কৃতি ছাত্র হিসাবে সংবর্ধনা

গত শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মামুন টিউটরিয়াল বন্ক্স শাখা থেকে ৫ম গ্রেডের সিটির স্টেট টেস্ট রেজাল্টে অনেকেই ভাল করেছেন, তাদের মধ্য থেকে বিগত বছরগুলোসহ এবারো সর্বোচ্চ স্কোর পাওয়ায় জামান মাহামুদ ও এলহাম বিন মামুনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। জামান মাহামুদ বিগত বছরগুলোর মতো এবারও স্টেট টেস্ট রেজাল্টে সর্বোচ্চ গ্রেডসহ ম্যাথমেটিক্সে ৬৪৯ এর মধ্যে ৬৪৯  পেয়েছেন , উল্লেখ্য যে গত বছরেও ম্যাথমেটিক্সে ৬৫০ এর মধ্য ৬৫০ পেয়েছেন। বিগত বছরগুলোতে মামুন  টিউটরিয়াল থেকে ভালো স্কুল ও হাইস্কুলে অনেকেই ভর্তি হচ্ছেন। জামান এবার ৬তম গ্রেডে বন্ক্সের ভাল স্কুল পেচ একাডেমিতে ভর্তি হয়েছেন, তার ইচ্ছা ভালো হাইস্কুল স্কাইভার্শন বা বন্ক্স সায়েন্স হাইস্কুলের মতো ভাল হাইস্কুলে ভর্তি হয়ে পরবর্তীতে হার্ভাড বা কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। তার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য সকলের দোয়া কামনা করেছেন পিতা কুষ্টিয়া জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

দৌলতপুরে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলার ডিজিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ডিজিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় অংশ নেয়। বিতর্কের বিষয় ছিল ‘দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থান বিকাশের ক্ষেত্রে দুর্নীতিই প্রধান অন্তরায়’। বিষয়ের পক্ষে ছিল ডিজিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বিপক্ষে ছিল প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয় প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দৌলতপুর উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মথুরাপুর পিপলস ডিগ্রী কলেজের উপাধ্যক্ষ আবু সাঈদ মোঃ আজমল হোসেন, মো. ওয়াজেদ আলী, সদস্য সাংবাদিক রাজু আহমেদ, জুলহাস উদ্দিন ও শিক্ষক মোতাছিন বিল্লাহ। বিতর্ক প্রতিযোগিতার মডারেটর ছিলেন ডিজিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুল আমিন। প্রতিযোগিতা শেষে উভয় প্রতিযোগিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

মিরপুরে মশক নিধনে স্প্রে মেশিন ও ঔষধ বিতরণ

আছাদুর রহমান ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুরে মশক নিধনে স্প্রে মেশিন ও ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদের ২০১৯-২০ অর্থ বছরের উন্নয়ন তহবিল হতে ডেঙ্গু মশা নিধনের লক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌরসভাসহ সকল ইউনিয়নে এ মেশিন ও ঔষধ বিতরণ করা হয়। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিন বলেন ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত জ্বর যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। বর্ষার সময় এ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। এডিস মশার বংশ বৃদ্ধি রোধের মাধ্যমে ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ করা সম্ভব। তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি বাসস্থান, কর্মস্থল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান। এ সময়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সেলিম হোসেন ফরাজী, মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম, পোড়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আনোয়ারুজ্জামান বিশ্বাস মজনু, সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল হক রবি, আমলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম মালিথা, তালবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান মন্ডল, মালিহাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন পিস্তুল, ধুবইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুর রহমান মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আদালতের সব রায় খোকার পক্ষে

জামাল ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ভুল তথ্য দেয়ার অভিযোগ

কুষ্টিয়া শহরের কমলাপুরে আবারো ব্যক্তিগত জমি দখলের  পাঁয়তারা করছে জামাল গংরা

নিজ সংবাদ ॥ আদালতের সব রায় পক্ষে থাকার পরও কুষ্টিয়া শহরের কমলাপুরে নিজের জমিতে কোন কিছু করতে পারছে না এক ভুক্তভোগী পরিবার। অন্যদিকে আদালতের রায়কে উপেক্ষা করে জাল কাগজপত্র তৈরি করে স্থানীয় জামাল গংরা বারবার এ জমি দখলের পাঁয়তারা করছে। তারা তথ্য গোপন করে প্রশাসনকে বারবার ভুল বুঝিয়ে জামালরা হয়রানী করছে বলেও এলাকাবাসী জানিয়েছে।

খোকা, তার পরিবার এবং এলাকাবাসী সুত্রে জানাগেছে, ১৯৪৯ সাল থেকে পৌর এলাকার কমলাপুরের গির্জানাথ মজুমদার সড়ক লেনে ২১নং হোল্ডিংয়ে বংশ পরম্পরায় শাহাবুদ্দিন তার পরিবারকে নিয়ে বসবাস করে আসছেন। এ সংক্রান্ত সকল দলিলাদি তাদের রয়েছে। এলাকার একটি কুচক্রি মহল জামাল ও তার ভাইকে দিয়ে এ জমি দখলের পাঁয়তারা করে আসছে দীর্ঘদিন।

শাহাবুদ্দিনের পুত্র খোকা জানান, জমি নিয়ে একটি চক্র আদালতে  মামলা করে। এরপর আমরা আমাদের যাবতীয় রেকর্ডপত্র আদালতে দাখিল করি। এরপর থেকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ২৫১/৯৩ ও ৬৬/৯৫ নং মামলায় রায় ডিগ্রীর মাধ্যমে আমাদের জমি দখলে আছে। ২০১০/১২ সাল পর্যন্ত সকল খাজনা পরিশোধ আছে। বর্তমানে ভূমি অফিসকে বারবার অনুরোধ করার পরও খাজনা না নেওয়ায় এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছি। যার নম্বর দেং ২৪/২০১৩। এ মামলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও সহকারি কমিশনার ভূমিকে বিবাদী করা হয়েছে। এ মামলাটি চলমান রয়েছে। উক্ত আদালতের মামলা নং ২৫১/৯৩ ও ৬৬/৯৫ নং মামলায় রায় ও ডিগ্রী বহাল থাকার পর তারা কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে না। জানা গেছে, মৃত আব্দুল ওহাব ও তার স্ত্রী জাহানার বেগমের নামে লীজ নেয়া ছিল সের আলী নামে একজনের বাড়ি। আব্দুল ওহাবের ছেলে জামাল ও তার ভাই জাল দলিল করে লিজ নেয়া বাড়িটি বিক্রি করে দেয়। এরপর তারা অন্য স্থানে চলে গেছে। বাড়ির ভুয়া দলিল ৭২৮১/০১ তারা তৈরি করে। এরপর আমাদের জমির ওপর নজর পড়ে তার। জামাল বারবার সের আলীর লীজকৃত কাগজপত্র জাল করে বরকত হোসেনের নাম ব্যবহার করে খোকা ও তার পরিবারের লোকজনকে হয়রানী করে আসছে। জামাল উদ্দিন ও তার ভাই সহকারি কমিশনার ভূমির (সদর) কাছে আবেদন করে আমাদের নামপত্তন ও জমি খারিজ বাতিল করিলে পরবর্তিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শাখায় মিস আপীল নং ১০/২০০৭  দায়ের করা হয়। পরবর্তিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাম খারিজ বাতিল আদেশ স্থগিত করে, মামলাটি চলমান রয়েছে।

খোকা জানান, জামাল উদ্দিনের ভাই কামাল উদ্দিন পুনরায় আরেকটি আবদনের মাধ্যমে আবদনের নাম খারিজ বাতিল করলে বাধ্য হয়ে কুষ্টিয়া জেলা ও জজ ১ম আদালতে মামলা করি। বর্তমানে আমাকে ভূমি সহকারি কর্মকর্তা ও জামালরা আমার ঘর  ভেঙ্গে দেবে বলে হুমকি দিচ্ছে। আমার বৃদ্ধ পিতা-মাতাসহ পরিবার নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে আছি। আমার পরিবার ও আমরা আওয়ামী রাজনীতি করার পরও হয়রানী করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমার জমির ওপর জাল কাগজ তৈরি করে দুইবার মামলা করে। যার নং ১৬১/১২। আমরা আপিল করলে আদালত ১৪৪ ধারা বাতিল করে দেয়। এরপর তারা নতুন করে কাগজপত্র জাল করে, আগের তথ্য গোপন করাসহ ভুল তথ্য দিয়ে সহকারি কমিশনার ভুমিসহ প্রশাসনের লোকজনকে হয়রানী করছে। আমার বিরুদ্ধে জামালরা ভুয়া তথ্য দিয়ে নিউজ করাচ্ছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। তারা মনগড়া যে তথ্য দিয়ে আমার ও আমার পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেছে তার কোন ভিত্তি নেই। আমরা ন্যায় বিচার আশা করছি।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবী

অনুমতি না পাওয়াতে কুষ্টিয়াতে মানববন্ধন হয়নি

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচি পালনে অনুমতি না পাওয়াতে কুষ্টিয়া মানববন্ধন করতে পারিনি জেলা বিএনপির। এর আগে শান্তিপুর্ণ ভাবে মানববন্ধন কর্মসুচি পালনের জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনে প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়াতে শেষ পর্যন্ত কর্মসুচি পালন হয়নি। এদিকে মানববন্ধনের মত শান্তিপুর্ণ কর্মসুচিতে প্রশাসন এমন আচরনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। অন্যদিকে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন। নেতৃদ্বয় বলেন, পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি নির্দিষ্ট স্থানে করার অনুমতি না দেওয়ায় বাধ্য হয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে পারিনি। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।  নেতৃদ্বয় বলেন ‘গণতন্ত্র নিজস্ব পথে চলছে না। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতার উচ্চ বলয়  থেকে পতন হওয়ার আশঙ্কায় বিরোধী দলের সভা-সমাবেশ করার সব গণতান্ত্রিক অধিকারকে লোহার খাঁচায় বন্দি করে রেখেছে। গণতন্ত্রকে তারা পুলিশের ইচ্ছাধীন করেছে, গণতন্ত্রের পরিসর তাদের অনুমতি দ্বারা নির্ধারিত হয়। গণবিচ্ছিন্ন সরকার মানববন্ধনের মত কর্মসুচিকেও ভয় পায়। বিএনপিকে মানববন্ধন করতে না দেওয়া সরকারের কুশাসনের পরিণতি। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি  বেগম খালেদা জিয়াকে হয়রানি মূলক মামলা থেকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে সরকারের কাছে আহবান জানাই। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

খোকসায় ৪৮তম জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীস্মকালীন ক্রীড়া প্রতিয়োগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী

খোকসা প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার খোকসায় ৪৮তম জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীস্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে খোকসা জানিপুর সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় স্কুল মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীস্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা কমিটির আয়োজনে সমাপণী অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও  খোকসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সদর উদ্দিন খান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাঈদ মোমেন মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খোকসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র প্রভাষক তারিকুর ইসলাম তারিক, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম রেজা, থানা অফিসার ইনচার্জ এবিএম মেহেদী মাসুদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাজমুল হক। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সোহেল, উপজেলা কৃষি অফিসার সবুজ কুমার সাহা, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর  রহমান, একাডেমিক সুপারভাইজার মিলন হোসেন, খোকসা জানিপুর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহম্মদ আলী, শোমসপুর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আয়েন উদ্দিন, শিমুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুজ্জামান, বনগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, শোমসপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফুজ্জামান বিল্ল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফুল আলম তশর, জয়ন্তীহাজরা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, জানিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হবিবুর রহমান হবি, ওসমানপুর ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুল ইসলাম বাবলু, গোপগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন আলম, খোকসা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাইদুল ইসলাম প্রবীন প্রমুখ। এ ছাড়াও উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, সুধী, সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন। এ বছর মোট ৮টি ইভেনটে উপজেলা ২৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন করে। ফুটবলে বালিকাদের খেলায় খোকসা জানিপুর সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বালকদের ফুটবলে খেলায় পাইকপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। প্রধান অতিথি আলহাজ্ব সদর উদ্দিন খান গ্রীস্মকালীন ক্রীড়া প্রতিয়োগিতার সমাপনী দিনে মাঠে উপস্থিত থেকে খেলা দেখেন এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

বিতর্কিত অঞ্চলে ভারতীয় সেনাদের আটকে দিল চীন

ঢাকা অফিস ॥ লাদাখে টহল দেয়ার সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আটকে দিয়েছে চীনা বাহিনী। এ নিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। পরে দুই দেশের প্রতিনিধির মধ্যে আলোচনা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বুধবার লাদাখের প্যাংগং লেকের উত্তর দিকে টহল দেয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে কলকাতার প্রভাবশালী গণমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, লাদাখের প্যাংগং লেকের উত্তর দিকে বুধবার সকালে টহল দিচ্ছিল ভারতীয় সেনা। ওই সময় তাদের রাস্তা আটকে দাঁড়ায় চীনা সেনাবাহিনী। দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ বাক্যবিনিময় হয়। দিনের প্রায় সবটুকু সময় এভাবেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকে। পরে সন্ধ্যার দিকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। গণমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিব্বত থেকে লাদাখ পর্যন্ত বিস্তৃত লেকটির দুই-তৃতীয়াংশ চীনের নিয়ন্ত্রণে। এ অঞ্চলে আগেও একাধিকবার ভারত-চীন সেনাবাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা হয়েছিল। গত বছর নরেন্দ্র মোদি-শি চিনপিং ওয়াহান বৈঠকের আগে অন্তত ২৮বার চীনা সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়েছে। এর আগে ২০১৭ সালে এ অঞ্চলেই ভারত ও চীন সেনাবাহিনীর মুখোমুখি হওয়ার একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। এতে দেখা গেছে, দুই দেশেরই সেনা সদস্যরা একে অপরের দিকে পাথর ছুড়েছে। পরবর্তী সময়ে তারা মারামারিতে লিপ্ত হয়েছিল। জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল করার পর থেকে ভারত ও চীনের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল ঘোষণা করার পর দিনই এর বিরোধিতা করে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কড়া বার্তা দিয়েছিল। তারপর থেকে এর বিরোধিতা করার জন্য পাকিস্তানকে সমর্থনও দিয়ে আসছিল। বুধবারের পরিস্থিতি নিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দেশের প্রতিনিধির মধ্যে আলোচনার পর উত্তেজনা পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালে দেশ

ইবিতে দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় আন্তর্জাতিক জোট-আইসিএসডিএপির সম্মেলন 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের  মতো  অনুষ্ঠিত  হতে  যাচ্ছে  সামাজিক  উন্নয়ন  বিষয়ক  এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় আন্তর্জাতিক জোট (আইসিএসডিএপি’র) সম্মেলন। সংস্থাটির সপ্তম  দ্বি-বার্ষিক এ সম্মেলনের  আয়োজক  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও আইসিএসডি, অস্ট্রেলিয়া। এ সম্মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি ভেন্যুতে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে অংশ নেবেন এশিয়া, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের আটটি দেশের শতাধিক সামাজিক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ও গবেষক। দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ে  এ ধরনের সর্ববৃহৎ আয়োজন এটিই  প্রথম। আন্তর্জাতিক এ  সম্মেলন সফল  করতে  ব্যাপক  প্রস্তুতি  গ্রহণ করেছে  ইসলামী  বিশ্ববিদ্যালয়  কর্তৃপক্ষ। এ উপলক্ষে গতকাল প্রশাসন ভবনের তৃতীয়তলায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. হারুন উর রশিদ আসকারী (ড. রাশিদ আসকারী) সম্মেলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ড. মো. শাহিনুর রহমান এবং আইসিএসডি সভাপতি ও অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টুয়ার্ট ইউনিভার্সিটির সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক মনোহর পাওয়ার আয়োজনের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক হিসাবে উপস্থিত সাংবাদিকদের নিকট সম্মেলনের বিভিন্নদিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন এবং তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

মামলা দিয়ে বিরোধী রাজনীতিকদের ঘায়েল করা হচ্ছে – ফখরুল

ঢাকা অফিস ॥ বিএনপি মহসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গ্রামের ‘দুষ্ট মোড়লদের’ মতো মামলা দিয়ে বিরোধী রাজনীতিকদের ঘায়েল করা হচ্ছে। ক্ষমতাসীনদের এই কৌশলের কারণে এখন দেশ থেকে ভালোবাসা, মানুষের প্রতি মানুষের মমত্ব তিরোহিত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার নয়া পল্টনে দলীয় এক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে ফখুরুল আগের দিন সংসদে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নাকচ করে সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের বিলীন করে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়ার অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “গতকাল প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেছেন যে, আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না, করলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকত না। এই কথাটা বলতে উনি (প্রধানমন্ত্রী) কী এটাই বুঝাতে চেয়েছেন যে, আসলে তারা অস্তিত্ব না রক্ষা করবার জন্যই কাজ করে যাচ্ছেন। শুধু বিএনপি নয়, বাংলাদেশে যাতে বিরোধী দল না থাকে, ভিন্নমত না থাকে, বিলীন হয়ে যায় তারই জন্য অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করছেন।” এ প্রসঙ্গে ইতিহাসের স্মরণ নেন সত্তরোর্ধ্ব ফখরুল: “যারা আমরা বয়স্ক মানুষ এদেশের ইতিহাস প্রথম থেকে দেখে এসেছি যে, ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। একইভাবে আজকে ভিন্ন কায়দায় একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠা করা হয়ে যাচ্ছে।” খালেদা জিয়ার জামিন না হওয়ার জন্য সরকারকে দায়ী করে বিএনপি মহাসচিব অন্যান্য বিভাগের মতো বিচার বিভাগের ওপরও সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “এখানে রাষ্ট্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে তারা দলীয়করণ করেছে, করে ফেলা হয়েছে। এই যে আদালতের কথা বলা হচ্ছে- নিম্ন আদালতে কোনো সিদ্ধান্ত হয় না আইন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত ছাড়া। এখন উপরের দিকে আমাদের আস্থা ছিল এভাবে যদি আমরা একটা একটা ঘটনা দেখি জনগণের আস্থা সেখান থেকে আস্তে আস্তে কমে আসছে, আসা শুরু করেছে।” বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মামলার পরিসংখ্যান তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, “দুই মাস আগের একটা পরিসংখ্যান দিচ্ছি- ২৬ লক্ষ আসামি করা হয়েছে, এক লক্ষের উপরে মামলা, ৫০০-এর উপরে নেতা-কর্মী গুম, তার মধ্যে এমপি, কমিশনার থেকে শুরু করে সবাই আছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। “আজকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি থেকে শুরু করে একজনও নেই যাদের বিরুদ্ধে ৪০-৫০-১০০টা মামলা নেই। আমরা ঠিক বুঝি না- এটাকে কীভাবে আপনি গণতান্ত্রিক স্টেট বলবেন? কোনো সুযোগ নেই কথা বলার। পৃথিবীর ইতিহাসে কী এমন কোনো গণতান্ত্রিক দেশ আছে যেখানে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ৫০-৬০-১০০টা মামলা এবং দলের চেয়ারপারসন তার বিরুদ্ধে ৩৬টা মিথ্যা মামলা। “গ্রামের দুষ্ট মোড়ল থাকে কিছু, যারা কোনো দিনও জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান-টেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারে না, তাদের একটাই কাজ হচ্ছে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে মিথ্যা মামলা দিয়ে, এতো সুন্দর করে সাজিয়ে টাজিয়ে দেয় যেটাকে উল্টানো খুব কঠিন হয়ে পড়ে। আজকে এখান থেকে শান্তি তিরোহিত হচ্ছে, ভালোবাসা তিরোহিত হচ্ছে, মানুষের প্রতি যে মমত্ববোধ সেটা তিরোহিত হচ্ছে।” রাজনৈতিক বিভাজনের তীব্রতা সামাজিক সম্পর্কেও প্রভাব ফেলছে বলে মনে করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, “আমরা ছাত্র জীবনে আমি এক রাজনীতি করেছি আর আমার বাবা আরেক রাজনীতি করেছেন। কখনো সমস্যা হয়নি, না আমার বাবার হয়েছে, না আমার হয়েছে। এখন তো আপনার ছেলে তো বিপদে পড়ে যাবে তার বাবা যদি আওয়ামী লীগ করে থাকেন, আর যদি ছেলে বিএনপি অথবা ছাত্র দল করে থাকে তাহলে বাবার বিপদ হবে। “আজকে গোটা বাংলাদেশ ও সমাজকে বিভক্ত করে ফেলা হয়েছে। ডিভাইডেড সোসাইটি। দেখবেন যে, এমন একটা অবস্থা হয়েছে যে, এখন কেউ কারও বাসায় যেতে চায় না একজন আরেক ভিন্ন দল করলে। ছেলে-মেয়েদের বিয়ে তো দূরের কথা। দাওয়াত-টাওয়াত দিলে যেতে চায় না এবং গেলে ভাবে যে, কী যেন আবার দেখে ফেলবে তার আবার চাকুরি-টাকরি চলে যায় সম্ভাবনা থাকে। “একই ভীতি সরকারি কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সব জায়গায়। এভাবে একটা রাষ্ট্রকে ভীতি ও ত্রাসের মধ্যে নিয়ে যাওয়া-এটা হচ্ছে ফ্যাসিস্টদের কাজ, এই ফ্যাসিবাদ তারা চালু করেছে।” সড়ক দুর্ঘটনার লাগাম টানতে না পারার জন্য সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সমালোচনা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “আমাদের সেতু ও সড়ক মন্ত্রী মহোদয় খুব সুন্দর সুন্দর কথা বলেন। তিনি বলেন যে, এখন সড়ক খুব নিয়ন্ত্রণে আছে। প্রতিদিন আপনার ১০ এর নিচে বোধ হয় নেই যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ যাচ্ছে। কারণটা কি কেউ খেয়াল করে দেখেছেন? বেশিরভাগ বলা হয়-চালকদের সমস্যা। কেন? “আমি যেটা জানি, দূরপাল্লার যে কোচগুলো যায় নিয়ম হচ্ছে একটা গাড়িতে দুইজন ড্রাইভার থাকবে। ১০ ঘণ্টার পথ হলে একজন ৫ ঘণ্টা, আরেকজন ৫ ঘণ্টা চালাবে। এখন ঢাকা-ঠাকুরগাঁও রোডে যদি যায় এক ড্রাইইভারই যাচ্ছে এবং সে আবার ওই রাতে ফেরত আসে। অর্থাৎ নির্ঘুম। এটা নিয়ে এখন পর্যন্ত সরকারের তরফ থেকে কোনো কিছু করা হয়নি। সরকারের তরফ থেকে এই সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনার কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। “কয়েক দিন আগে একটি পরিবারের তিনজন দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। প্রথম দিন একজন, পরেরদিন দুইজন। মা-মেয়ে একসাথে দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে। ফুটপাতের ওপর দাঁড়িয়ে আছে ওখানে গিয়ে মেরে দিচ্ছে। খোঁজ নিয়ে দেখেন এই গাড়ির মালিকানা সমস্ত সরকার দলীয় লোকজনদের অথবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজনের।” ফখরুল বলেন, “এই একটা অবস্থা চলছে- কোথাও কোনো আইন নেই, কোথাও কোনো বিচার নেই, কোথাও কোনো গভার্নেন্স নেই। সব কলাপস হয়ে গেছে। সেই কারণে তারা (সরকার) আজকে যতই চিৎকার করুক, উন্নয়ন, উন্নয়ন উন্নয়ন। এই উন্নয়ন একটা জোকস। এটা একটা গল্প। রূপকথার গল্প তৈরি করে করে ছাড়ে তারা। ভেতরে সত্যিকার অর্থে তারা জানেন, এটা কখনোই এভাবে হতে পারে না।” বুধবার মহিলা দলের নেত্রী রাজিয়া আলীমকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানান বিএনপি মহাসচিব। সংবাদ ব্রিফিংয়ে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, কেন্দ্রীয় নেতা তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, অঙ্গ সংগঠনের সালাউদ্দিন টুকু, হারুনুর রশীদ, আবদুস সালাম, রিয়াজুল ইসলাম রিজু, হাছিন আহমেদ, সুলতান সাদেক আহমেদ খান, আবদুল হালিম, সুলতানা আহমেদ, রফিকুল ইসলাম মাহতাব, শাহ নেছারুল হক, নজরুল ইসলাম মজুমদার, মোস্তাফিজুল করীম মজুমদার, আবুল কালাম আজাদ, মজিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা

ঢাকা অফিস ॥ ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কায় সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক গতকাল বৃহস্পতিবার জানান, উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় ‘বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য’ বিরাজ করছে। এর প্রভাবে উপকূলীয়, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সমুদ্রবন্দরে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। এদিকে মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় দেশের সব বিভাগেই কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। বুধবার টেকনাফে দেশের সর্বোচ্চ ১৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগের দিনও এখানে ৪২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। বৃহস্পতিবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে,  রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।