কাশ্মীরিদের পক্ষ নেয়ায় শেহলা রশিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা

ঢাকা অফিস ॥ কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্যের জেরে রাজনৈতিক ও সমাজকর্মী শেহলা রশিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা করেছে দিল্লি পুলিশ। কাশ্মীরে ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন’ করা হচ্ছে বলে নানা অভিযোগ তুলে সম্প্রতি সরব হয়েছিলেন শেলা। এরপরেই তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতা, দাঙ্গায় উসকানিসহ কয়েকটি ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। এত সবের পরেও এখনও নিজের অবস্থানে অনড় শেহলা। এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্য আনন্দবাজার পত্রিকা। সেনা জওয়ানরা কাশ্মীরে খেয়ালখুশি মতো বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে এবং বাসিন্দাদের তুলে নিয়ে যাচ্ছেÑ গত ১৮ আগস্ট এমনই মন্তব্য করেছিলেন শেহলা। কিন্তু সে অভিযোগ অস্বীকার করে সেনাবাহিনী দাবি করেছে, শেহলার অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ নিয়ে এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, শেহলার তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন। সত্য-মিথ্যা যাচাই না করে এ ধরনের অভিযোগ তোলে শত্রুশক্তি বা সংগঠন। এ নিয়ে সমাজকর্মী শেহলা বলেন, সেনা কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করলেই আমি তাদের হাতে প্রমাণ তুলে দেব। আমি এ কথা বলার পরও সেনা তদন্ত শুরু করেছে? তিনি বলেন, আমি যা বলেছি, পুরোটাই কাশ্মীর থেকে আসা লোকসজনের বিশ্বাসযোগ্য কথোপকথনের ভিত্তিতে। মিথ্যা বলার কোনো প্রশ্নই নেই। আমি একটা নয় অনেকগুলো অভিযোগ তুলেছি। কাশ্মীরের মানুষ গ্যাস পাচ্ছেন না, রান্না করতে পারছেন না। কাশ্মীরিদের পক্ষে টুইটে বিভিন্ন মন্তব্যের জেরে এবার তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আলাখ অলোক শ্রীবাস্তবের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই মামলা দায়ের করা হয়। শ্রীনগরের বাসিন্দা শেহলা জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) ছাত্রী। ২০১৫-১৬ সালে তিনি জেএনইউ ছাত্র ইউনিয়নের সহ সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করছেন। ২০১৬ সালের ফেব্রয়ারিতে কানাহাইয়া কুমার, উমর খালিদ গ্রেফতার হওয়ার পর তাদের মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে নেতৃত্বও দিয়েছিলেন শেহলা।

বালিতে খোঁজ মিলল দু’মুখো সাপের

ঢাকা অফিস ॥ দু’মুখো সাপ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। তবে দু’মুখো সাপের অনেক গল্প শোনা গেলেও বাস্তবে এর দেখা খুব একটা মেলে না। এছাড়া দু’মুখওয়ালা সাপ সচরাচর দেখা যায় না বলেই জানিয়ছেন বিশেষজ্ঞরা। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে দেখা মিলেছে একটি দু’মুখো সাপের। সোনালি রঙয়ের দেখতে এই সাপটি এত ক্ষুদ্র যে এটি হাতের তালুর মধ্যে বসিয়ে রাখা যায়। ইন্দোনেশিয়ার বালির ছোট্ট একটি গ্রামে থাকেন গুস্তি বাগুস একা বুদায়া। সম্প্রতি কাজ বাড়ি ফিরে তিনি বাড়ির সামনে এই সাপটি দেখতে পান।সাপটি দেখতে সোনালি রঙয়ের ও সাপটির মুখ রয়েছে দু’টি। খবর-আনন্দবাজার পত্রিকা। খবর পেয়ে আশপাশের মানুষ এই সাপ দেখতে ভিড় জমায়। বিষয়টি নিয়ে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। তবে সাপটির নাম বা প্রজাতি জানা অবশ্য সম্ভব হয়নি। সাপটির বিষ আছে কি না তাও জানা যায়নি।

ঝিনাইদহে শান্তি সমাবেশে পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান  

শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্টকারীদের স্থান হবে জেলখানায়

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ‘শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্টকারীদের কোন প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না, তাদের জায়গা হবে জেল হাজতে’। এ এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা পরিবেশ ভালো রাখতে আমার যা করার দরকার তাই করবো বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান (পিপিএম)। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ফুরসন্দি ইউনিয়নের টিকারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সদর থানা পুলিশের আয়োজনে শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমি তো জানি রাজনীতি মানুষের ভালো থাকার জন্য, অধিকার আদায়ের জন্য। কিন্তু এখানে হয়েছে অপরাজনীতি। আপনারা সঠিক নেতৃত্ব না পেয়ে মামলা, হামলা করছেন। যার পরিনতি হত্যা পর্যন্ত হয়েছে। এতে আপনার সামাজিক ও আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। এ থেকে দুরে রাখার জন্যই আজকের এই আয়োজন। আপনাদের প্রতি আহ্বান ফুরসন্দি ইউনিয়নে যেন আর কোন মারামারি, হামলা, ভাংচুর না হয়। আপনার শান্তিতে থাকুন আমরা এটাই কামনা করি। সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান খান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান (পিপিএম)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. আব্দুর রশিদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মকবুল হোসেন, সদর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম হিরণ। সদর থানার ওসি (অপারেশন) মহসীন হোসেন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফুরসন্দি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এ্যাড. আব্দুল মালেক, সাবেক চেয়ারম্যান শিকদার শহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সিদ্দিক আহম্মেদ, সিও সংস্থার নির্বাহী পরিচালক সামসুল আলমসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে এলাকার শান্তি বজায় রাখতে ঢাল, সড়কিসহ দেশীয় অস্ত্র পুলিশের কাছে জমা দেয় এলাকাবাসী। এছাড়াও এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতে কোন প্রকার মারামারি বা সংঘর্ষে লিপ্ত হবে না বলে আশ^াস প্রদাণ করেন এলাকার মানুষ।

মিরপুরে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

আমলা অফিস ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুরে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে মিরপুর ফুটবল মাঠে সুপার স্টার ক্লাব ও গোল্ডেন ক্লাবের অংশ গ্রহণের এ প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বীতা পূর্ণ্য এ খেলায় নির্ধারিত সময়ে উভয় দল গোল করতে ব্যর্থ হলে অমিমাংসিত ভাবে শেষ হয়। খেলায় উভয় দলের গোল রক্ষককে ম্যাচ সেরা পুরষ্কার দেয়া হয়। খেলাটি পরিচালনা করেন মিরপুর মাহমুদা চৌধুরী কলেজের ক্রীড়া শিক্ষক শরিফুল ইসলাম। তাকে সহযোগিতা করেন সুলতানপুর সিদ্দিকীয়া মাদ্রার ক্রীড়া শিক্ষক সাইদুল ইসলাম ও মিরপুর নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতনের ক্রীড়া শিক্ষক জাহাঙ্গীর মাসুদ। খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদের সদস্য আলহাজ্ব মহাম্মদ আলী  জোয়ার্দ্দার। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি চিত্তরঞ্জন পন্ডিত, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, নির্বাহী সদস্য হীরক জোয়ার্দ্দার, আব্দুল বারী, মোহাম্মদ রফিক, উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিঠু, সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় শৈলন্দ্রনাথ পন্ডিত প্রমুখ। মিরপুর সুপার স্টার ক্লাবে সুমন, রাজন, জিসান, জাহিদ, জাকির, রাহুল, জীবন গাজী,  মেহেদী, সাকিল, সাচ্চু, হাসান শেখ, শান্ত ও গোল্ডেন ক্লাবের পক্ষে বিজয়, জাকির, মিনার, সাজু, শিপন, আশিক, মুসা, জিদান, সাগর, তোবারক, আকাশ, রাব্বী, আরিফ খেলা করেন। ধারাভাষ্যকার ছিলেন উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ আহাম্মেদ।

মাঝ আকাশে রাশিয়ায় দুই সুখোই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ

ঢাকা অফিস ॥ মাঝ আকাশে রাশিয়ার দুই সুখোই-৩৪ যুদ্ধবিমানের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে কোনো রড় ধরনের আঘাত ছাড়াই দুই পাইলট ভূমিতে নামতে সক্ষম হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে বলে জানানো হয়। শুক্রবার দেশটির লিপেটস্ক শহরে এ ঘটনা ঘটে। যুদ্ধবিমান দুটি প্রশিক্ষণে ছিল বলে জানা গেছে। এ খবর জানিয়েছে তুর্কি গণমাধ্যম ইয়েনি শাফাক। ওই অঞ্চলের সরকারি সূত্র জানায়, পাইলটদের ভুলের কারণে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এটি পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ কমিশন গঠন করা হয়েছে। যাতে প্রতিটি ক্রুর দায়বদ্ধতার সীমা নির্ধারণ করা যায়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার পরে কোনোরকম ক্ষতি ছাড়াই উভয় পাইলট ভূমিতে অবতরণ করেন।

দুর্নীতি মামলার আসামি পুলিশ কর্মকর্তা বদরুল বরখাস্ত

ঢাকা অফিস ॥ দুর্নীতি মামলায় কারাগারে থাকা হাইওয়ে পুলিশের এক সহকারী পুলিশ সুপারকে বরখাস্ত করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক আদেশে হাইওয়ে পুলিশের গাজীপুর অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার এস এম বদরুল আলমকে বরখাস্তের কথা জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, “এস এম বদরুল আলমকে বিধি মোতাবেক ১৭ জুলাই তারিখ হইতে সরকারি চাকরি হতে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।” এস এম বদনুল আলম যশোরের ঝিকরগাছা থানার ওসির দায়িত্বে থাকাকালে ২০০৯ সালের ৪ মে তার সম্পত্তির হিসাব চেয়ে নোটিস দেয় দুদক।  কিন্তু তিনি নির্ধারিত সময়ে হিসাব দাখিল না করায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সম্বন্বিত ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবুল হোসেন ওই বছর ৮ সেপ্টম্বর বদরুল আলমের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর বদরুল আলম হাই কোর্ট থেকে অন্তবর্তীকালীন জামিন নেন। এরপর ২০১৪ সালের ১৬ জুন হাই কোর্ট একটি রুল জারি করে এবং রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই মামলার কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে। সেই রুলের ওপর শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ২৬ জুলাই হাই কোর্ট তা খারিজ করে দিলে মামলার বিচার শুরুর বাধা কাটে। এরপর বদরুল আলম ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে গত ১৭ জুলাই বিচারক তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর পর থেকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে রয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা বদরুল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়, সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালে বদরুল পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত থাকবেন এবং বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন।

দৌলতপুরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে প্রাগপুর ইউনিয়ন চ্যাম্পিয়ন

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  জাতীয় গোল্ডকাপ বালক (অনুর্ধ্বো-১৭) টুর্নামেন্টে প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে দৌলতপুর কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদ চ্যাম্পিয়ন হয়। দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সভাপতি শারমিন আক্তারের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, দৌলতপুর কলেজের অধ্যক্ষ মো. ছদিকুজ্জামান খান, দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আরিফুর রহমান ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাক্কির আহমেদ। খেলায় নির্ধারিত সময়ে গোল শুন্য থাকলে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদ মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদকে ১ গোল দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলায় শ্রেষ্ঠ খেলোয়ার নির্বাচিত হয় প্রাগপুর ইউনিয়ন পরিষদের গোলক্ষক আল আমিন। খেলা শেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি, প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলের খেলোয়ারদের ট্রফি তুলে দেন। দৌলতপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  জাতীয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটি পরিচালা করেন প্রভাষক শরীফুল ইসলাম।

পর্দা কাহিনীতে হেরে গেছে বালিশ কান্ড – বিএনপি মহাসচিব

ঢাকা অফিস ॥ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ব্যাঙের ছাতার মতো ব্যাংক দিয়ে সরকার লুটপাট চালাচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেছে। চতুর্দিকে চলছে শুধু লুট আর লুট। সরকার সবকিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দেশ চালাচ্ছে। ফলে কোন সত্যিই আজ উচ্চারিত হচ্ছে না। সরকারের বিভিন্ন দুর্নীতির চিত্র ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, বই আর পর্দা কাহিনীতে হেরে গেছে বালিশ কান্ড। সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম সাইফুর রহমানের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সাইফুর রহমান স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব। অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও মরহুম সাইফুর রহমানের জ্যেষ্ঠ ছেলে এম নাসের রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন। সাইফুর রহমানের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সাইফুর রহমান বাংলাদেশের অর্থনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। দেশের সম্ভাবনাময় অর্থনীতির মূল ভিত্তি স্থাপন করে দিয়েছিলেন মরহুম সাইফুর রহমান। অথচ সরকার তার এসব অবদানকে অস্বীকার করছে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সাইফুর রহমানের অবদান দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে জড়িয়ে আছে। তার অবদান অনস্বীকার্য। সাইফুর রহমানের দুরদর্শিতার ফসল আজকের বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি। বাংলদেশের স্বাধীনতার পর অর্থমন্ত্রী হিসেবে একজনই সফল, তার সাথে কারো তুলনা চলেনা। বাংলাদেশের ভ্যাট ও রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা সাইফুর রহমানই চালু করেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই সময় আওয়ামী লীগ এর বিরোধীতা করেছিল, হরতাল দিয়েছিল। অথচ আজকের বাংলাদেশের অর্থনীতি টিকে আছে ভ্যাট এবং রেমিট্যান্সের উপর। বর্তমানে একের পর এক ব্যাংক লুট করে নিয়ে যাচ্ছে, অথচ কোনো শব্দ নেই। আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়েছে উল্লেখ করে মোশাররফ হোসেন বলেন, আজ মানুষের ভোটের অধিকার নেই। কথা বলার স্বাধীনতা নেই। আজ দেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব হুমকীর মুখে।

কাশ্মীর নিয়ে ‘সম্ভাব্য সর্বোচ্চ প্রতিক্রিয়া’ দেখানোর হুমকি পাকিস্তানের

ঢাকা অফিস ॥ ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর নিয়ে নয়া দিল্লির অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় ইসলামাবাদ ‘সম্ভাব্য সর্বোচ্চ প্রতিক্রিয়া’ দেখাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। কাশ্মীর নিয়ে কোনো ‘বিপর্যয়কর পরিস্থিতি’ তৈরি হলে তার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দায়ী থাকবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষা দিবসে দেওয়া বিবৃতিতে ইমরান এসব বলেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ১৯৬৫ সালে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে অংশ নেওয়া পাকিস্তানি সেনাসদস্যদের স্মরণে ইসলামাবাদ প্রতিবছর এ দিবসটি পালন করে। ভারত ও পাকিস্তান উভয়ই সমগ্র কাশ্মীরের মালিকানা দাবি করলেও, দুটো দেশই এর পৃথক দুটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। নয়া দিল্লি সম্প্রতি তাদের সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদে কাশ্মীরকে দেওয়া বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে উপত্যকাটিকে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে রূপান্তরিত করার ঘোষণা দেয়ার পর পাকিস্তান এর কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। “পাকিস্তান যে যুদ্ধ চায় না, বিশ্বকে সে কথা জানিয়েছিলাম আমি। একই সঙ্গে পাকিস্তান তার নিরাপত্তা ও অখন্ডতার ওপর চলে আসা প্রতিবন্ধকতায় মুখ বুজে থাকবে না। শত্রুকে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ প্রতিক্রিয়া দেখাতে প্রস্তুত আমরা। এর পরবর্তীতে যে কোনো বিপর্যয়কর পরিণতির জন্য ব্যর্থ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ই দায়ী থাকবে,” রাষ্ট্র পরিচালিত রেডিওতে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছেন ইমরান। এর আগে গত সপ্তাহে পাকিস্তানের এ প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন। পাকিস্তান প্রথমে এ ধরনের কোনো পদক্ষেপে জড়াবে না বলেও আশ্বাস ছিল তার। রয়টার্স বলছে, হিমালয় অঞ্চলের কাশ্মীর নিয়ে নয়া দিল্লির ওপর চাপ বাড়াতে ইমরান যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় কথা বললেও কাজ হয়নি। এদিকে রাওয়ালপিন্ডিতে প্রতিরক্ষা দিবসের এক আয়োজনে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল কামার আহমেদ বাজওয়া বলেছেন, পাকিস্তান কখনোই কাশ্মীরকে ত্যাগ করবে না। “কাশ্মীরি ভাইদের জন্য আত্মত্যাগে, শেষ বুলেট, শেষ সৈন্য ও শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত; এ জন্য যতখানি যেতে হয় আমরা প্রস্তুত,” বলেছেন তিনি।

রংপুরে মহিলা পার্টির ঝাড়ু মিছিল

ঢাকা অফিস ॥ জাতীয় পার্টিতে চেয়ারম্যান পদ নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দ্বে বেগম রওশন এরশাদের ভূমিকায় ফুঁসে উঠেছে রংপুর জাতীয় পার্টি। শুক্রবার বিকেলে স্বঘোষিত চেয়ারম্যান রওশন এরশাদকে প্রত্যাখান করে তার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করেছে দলের রংপুর জেলা মহিলা পার্টির নেতা-কর্মীরা। বিকেলে রংপুর মহানগরীর সেন্ট্রাল রোডস্থ জাতীয় পাটির্র দলীয় কার্যালয় থেকে ঝাড়ু মিছিল বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় মিছিল থেকে রওশনের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করে বিদ্রƒপ স্লোাগান দেয় মহিলা পার্টির নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা। মিছিল শেষে দলীয় কার্যালয়ে অনু্ষ্িঠত সমাবেশে পার্টির নেতারা দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এরশাদ ঘোষিত বর্তমান চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে দলের ভিতরে কোন্দল, বিশৃঙ্খলা, দ্বন্দ ও ভাঙন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকায় অভিযোগ বেগম রওশন এরশাদ ও আনিসুল ইসলাম মাহমুদ আনিসকে বহিষ্কারের দাবি জানান। এ সময় রংপুর মহানগর মহিলা পার্টির আহ্বায়ক জেসমিন আকতারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সদস্য সচিব জোৎসনা বেগম, যুগ্ম আহবায়ক হালিমা বেগম, সুলতানা প্রমুখ। জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে স্পিকারকে জিএম কাদের চিঠি দেওয়ায় বিপত্তি আনেন রওশন এরশাদ। এ দ্বন্দ্ব থেকে দলীয় চেয়ারম্যান পদ নিয়ে নতুন করে পাল্টাপাল্টি দাবি করছেন জিএম কাদের ও রওশন এরশাদ।

কুমারখালীতে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট উদ্বোধন

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুমারখালীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট (অনুর্ধ্ব-১৭) উদ্বোধন করা হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কুমারখালী উপজেলা প্রশাসন এই ফুটবল টুর্ণামেন্টের আয়োজন করেছে। গতকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় কুমারখালীর ঐতিহ্যবাহী এম এন পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এই টুর্ণামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষনা করেন পৌর সভার মেয়র মো. সামছুজ্জামান অরুণ। টুর্ণামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খান। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারি কমিশনার (ভুমি) মুহাম্মদ নূর- এ আলম, উপজেলা কৃষি অফিসার দেবাশিষ কুমার দাস, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান, নাগরিক পরিষদের সভাপতি মো. আকরাম হোসেন, নন্দলালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নওশের আলী বিশ্বাস, সদকী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মজিদ। এ টুর্ণামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল দল ও সদকী ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল দল অংশগ্রহণ করে। খেলা পরিচালনা করেন, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক মো. রেজাউর রহমান। তাঁর সহযোগীতায় ছিলেন, চঞ্চল কুমার কর্মকার ও আরিফুল ইসলাম।

 

খোকসার ওসমানপুর ইউনিয়নের মঞ্জুরুল মেম্বার এর উপর হামলা  ও বসতবাডিতে গোলাগুলি

খোকসা প্রতিবেদক ॥ কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মঞ্জুরুল কবির এর উপর আলম বাহিনীর প্রধান আলম সহ তার সঙ্গীরা গত মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে  ইউনিয়নের হিজলা বট বাজার এর উপর থেকে মঞ্জুরুল মেম্বার ও তার ব্যবসায়িক কর্মচারীর ওমর ফারুক এর উপর এই হামলা চালানো হয়। এসময় ঞ্জুরুল মেম্বার ও তার সহকর্মী কোন রকম প্রানে পালিয়ে আসে বাড়িতে। কিন্তু সেই সন্ত্রাসী বাহিনীরা তাদের বাড়ির উপর এসে বাড়ির দিকে লক্ষ্য করে গুলি করতে থাকে।  এ সময়ে মেম্বার মনজুরুল ইসলামের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলাকায় আমার একটা  ডিস লাইনের ব্যবসা আছে, কিন্তু দীর্ঘদিন স্থানীয় প্রভাবশালীদের দ্বারাই সন্ত্রাসী আলম বাহিনীর প্রধান আলম দখল করে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছিলো। এ বিষয়ে আমি খোকসা থানায় একটি অভিযোগপত্র দায়ের করি।

আলমডাঙ্গার জেহালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রী-বার্ষিক সম্মেলনে ছেলুন এমপি

হাসানুজ্জামান সভাপতি-হান্নান মাষ্টার সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত

আলমডাঙ্গা অফিস ॥  আলমডাঙ্গা জেহালা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জেহালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রী-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে মুন্সিগজ্ঞ টাউন ফুটবল মাঠে জেহাল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম-আহবায়ক হেলাল উদ্দিনের  সভাপতিত্বে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দান ছেলুন এমপি। এ সময় প্রধান অতিথি বলেন আওয়ামীলীগ একটি বৃহত রাজনৈতিক দল,এই সংগঠনের মাধ্যমে ৬দফা১১দফা সহ পাকিস্থানের বিরুদ্ধে ২৩ বছর আন্দোলন সংগ্রাম করে টিকে আছে,এই দলের মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়,বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে,সেই দলের, ৭০ বছর অতিবাহিত হয়েছে, জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে স্বাধীনতা বিরোধী জামাত, বিএনপি মনে করেছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনা চিরতরে মুছে ফেলব,কিন্ত তাদের সেই আসা পুর্ন হয়নি।বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তার পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে বদ্ধপরিকর।সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হতে চলেছে।জামাত, বিএনপির উদ্যশ্যে বলেন আওয়ামীলীগ একটি পোড় খাওয়া রাজনৈতিক দল,এই দলে সকলেই আসতে চাইবে,মনে রাখবেন বঙ্গবন্ধুর খুনিরা ১৯ বার তার সুযোগ্য কন্য প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করার স্বড়যন্ত্র করেছে,কিন্ত সফল হয়নি,২১ শে আগষ্টে গ্রেনেড হামলা করে হত্যা করতে চেয়েছে,শেখ হাসিনা কে হত্যা করতে না পারলেও অসংখ্য নেতা কর্মিকে হত্যা করেছিল।জামাত বিএনপিকে বলি যতই রাজনীতি করেন,মনে রাখবেন বঙ্গবন্ধুকে জাতীর পিতা মানতে হবে,এবং ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জাতীয় পতাকাতে ছালাম দিতে হবে,নইলে আপনাদের স্বাধের পাকিস্থানে চলে যান। অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি খুস্তার জামিল, সাংগাঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান, মাসুদুজ্জামান লিটু বিশ্বাস,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সহিদুল ইসলাম খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র হাসান কাদির  গনু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ইয়কুব আলী মাস্টার,জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শওকত আলী,এ্যাডঃ বিল্লাল হোসেন,এ্যাডঃ তালিম হোসেন,,পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু মুছা,সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হামিদুল আজম,খন্দকার শাহ আলম মন্টু,উপজেলা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এ্যাডঃ মালমুন আহম্মেদ ডন,জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিক জোয়ার্দার,।জেহাল্ ইউনিয়নের যুগ্ম আহবায়ক হান্নান মাষ্টারের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি মজিবর রহমান,সোনা জর্দার,বুদু মিয়া,ফজলুল হক,আব্দুল আজিজ,মতিয়ার মেম্বার,হাসানুজ্জামান,মাসুদ রানা তুহিন,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল কাদের,হাজী আবু তাহের,যুবলীগ নেতা মইন,ছাত্রলীগ নেতা রিমন,  জেলা যুব লীগ নেতা পৌর কাউন্সিলর মতিয়ার রহমান ফারুক,সাইফুর রহমান পিন্টু,আসাবুল হক ঠান্ডু,রাহাব আলী প্রমুখ,।সভায় হাসানুজ্জামান হান্নান সভাপতি পদে প্রার্থী হলে আর কেউ প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদন্দিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন,সম্পাদক পদে হেলাল উদ্দিন,আব্দুল হান্নান মাষ্টার,শহিদুল ইসলাম ও লাভলু প্রার্থী হলে নেতৃবৃন্দ ৪ জন প্রার্থীকে নিয়ে বসেন,এর পর তাদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে হান্নান মাষ্টার কে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করেন।পরে জেলা নেতৃবৃন্দ সভাপতি, সম্পাদক কে সকলের সামনে হাত উচু করে পরিচয় করে দেন।

কুষ্টিয়া পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান ম.আ রহিমের ৩২ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান ম. আ রহিমের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৭ সেপ্টেম্বর শনিবার। দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য পারিবারিক উদ্যোগে আজ ৭ সেপ্টেম্বর শনিবার বাদ আসর কুষ্টিয়া শহরস্থ আড়–য়াপাড়া ছাখাবী মসজিদে মিলাদ মাহ্ফিলের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত মিলাদ মাহ্ফলে উপস্থিত থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনার জন্য পৌরবাসী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ব্যক্তি জীবনে অমায়িক সজ্জন ও সদালাপী ম. আ রহিম ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জন নির্বাচিত পৌর চেয়ারম্যান। ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দের ৮ জানুয়ারি তিনি আড়–য়াপাড়ার বিশিষ্ট সমাজসেবক জেহের আলী মন্ডল ও ময়জান নেছার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোট বেলা থেকেই তিনি সমাজ সেবামূলক ও সাংস্কৃতি কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হন। পঞ্চাশ থেকে ষাটের দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত তিনি মোহিনী মিল রঙ্গমঞ্চ ও পরিমল থিয়েটারের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। এ দু’টি প্রতিষ্ঠানের বেশ কিছু নাটকেও তিনি সফল ভাবে অভিনয় করেন। ষাটের দশকের প্রথম দিকে তিনি “পাকিস্থান যাদুকর পরিষদ” এর রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধি ছিলেন (কুষ্টিয়া তখন রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত ছিল)। সে সময় পাকিস্থানের খ্যাতনামা যাদুশিল্পী আলাদীনের ছাত্র হিসেবে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন মঞ্চে ম্যাজিক প্রদর্শন করেন। ১৯৬০-১৯৬১ সময়ে তিনি পাঠাগার, সংস্কৃতি ও সমাজ সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান হিসাবে “মিতালী পরিষদ” প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া তিনি ১৯৬৪ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত কুষ্টিয়া ট্রান্সপোর্ট সিন্ডিকেট এর সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত বিআরটিসি’র খুলনা বিভাগীয় পাবলিক ডাইরেক্টর ছিলেন। সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনে জড়িত থাকার পাশাপাশি তিনি জনপ্রতিনিধি হিসাবে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হন। ১৯৫২ সাল থেকে তিনি প্রকাধিক মেয়াদে পৌরসভার ওয়ার্ড কমিশনারে ছিলেন। এছাড়াও ১৯৬৪’র ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯৭১ এর মার্চ পর্যন্ত তিনি মিলপাড়া ওয়ার্ড চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন এবং দুই দফায় ১৯৭৪ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত কুষ্টিয়া পৌরসভার নির্বাচিত পৌর চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৮৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর তিনি চিকিৎসারত অবস্থায় ঢাকার পি.জি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য, তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই পুত্র, দুই কন্যা রেখে যান। তার জ্যেষ্ঠ পুত্র মোঃ আখতারুজ্জামান ব্যবসায়ী ও পরিচালক দি কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এবং মন্ডল ফিলিং স্টেশন এর মালিক। কনিষ্ট পুত্র হাসান জামান লালন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক জি.এস ছিলেন তিনি ১৯৯৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ভারতের দার্জিলিংয়ের এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। ম. আ রহিম দি কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর সাবেক পরিচালক মোঃ রাকিবুজ্জামান সেতুর দাদা।

মহাসড়কে টোল আদায় হবে গণবিরোধী ঃ বিএনপি

ঢাকা অফিস ॥ মহাসড়কে টোল আদায়ের সিদ্ধান্তকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যায়িত করে এর বিরোধিতা করেছে বিএনপি। দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, “আমরা মনে করি, জনগণের পকেট কাটতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আমি বিএনপির পক্ষ থেকে এই ধরনের গণবিরোধী কর্মকা- থেকে সরকারকে সরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।” মঙ্গলবার একনেক সভার পর পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জাতীয় মহাসড়কগুলোকে টোলের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন। “টোল থেকে আদায়কৃত অর্থ একটা অ্যাকাউন্টে জমা রাখতে হবে। পরবর্তীতে ওই অর্থ দিয়ে সংশি¬ষ্ট মহাসড়কগুলোর মেনটেইনেন্স ব্যায় নির্বাহ করতে হবে।” এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বিএনপির প্রেস ব্রিফিংয়ে রিজভী বলেন, “সারাদেশে অধিকাংশ রাস্তা খানাখন্দে ভরা, বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে মহাসড়কগুলোতে। এসবের কারণে প্রতিনিয়ত সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে, সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামছে না। এছাড়া সকল সড়কে যানজট লেগেই আছে। এর মধ্যে টোলঘর বসালে প্রতিবন্ধকতা আরও বাড়বে।” সেইসঙ্গে জনগণের খরচ বাড়বে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “টোলের খড়্গ নেমে আসবে জনগণের কাঁধে, টোলের অতিরিক্ত সকল খরচের মাশুল দিতে হবে জনগণকেই। টোল ব্যবস্থা চালু হলে মহাসড়কে যানজটের তীব্রতা বাড়বে এবং নষ্ট হবে যাত্রীদের সময়।” সরকারের করনীতির সমালোচনা করে এই বিএনপি নেতা বলেন, “মু্খে টাইটানিক মার্কা উন্নয়নের বুলি কপচালেও মূলত লুটপাটের নীতিতে তারা জনগণকে ট্যাক্সের মধ্যে বন্দি করে ফেলেছে। আপনারা দেখেছেন সিটি ও পৌর কর কীভাবে বাড়ানো হয়েছে। বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়িয়েছে বহুগুণ। গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির বিল কয়েক বছরে বাড়িয়েছে ১০ গুণ। “শুধু তাই নয়, মানুষ মোবাইলে কথা বললে সেখান থেকেও টাকা কেটে নিচ্ছে সরকার। সত্যিকার অর্থে সরকার দেশকে ফোকলা করে ফেলেছে।” রুহুল কবির রিজভী বলেন, সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি হত্যা ও নির্যাতন ‘আরও বেড়ে গেছে’, সেই সঙ্গে বেড়েছে বিএসএফের ‘নৃশংসতার ধরন’। “বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনায় আটক বাংলাদেশিদের প্রতি ভয়ঙ্কর নৃশংস আচরণ করছে বিএসএফ, যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। আটক বাংলাদেশিদের বিষয়ে আইন প্রয়োগের সুযোগ থাকলেও তাদের নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে, সুযোগ পেলেই দেশের নিরহ মানুষদের ধরে নিয়ে নির্মম নির্যাতন করা হচ্ছে।” কোনো একটি মানবাধিকার সংস্থা পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে রিজভী বলেন, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই বিএসএফের হাতে নিহত হয়েছে ১৮ জন বাংলাদেশি। “গত তিন দিনে নিহত হয়েছে দুই জন। গতকালও চুয়াডাঙ্গার নিমতলা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তার লাশ নিয়ে গেছে বিএসএফ।” সীমান্তে হত্যা না থামায় সরকারের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, “বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি হত্যা বাড়লেও নীরবতা পালন করে আসছে সরকার। সীমান্ত হত্যার ঘটনায় রাষ্ট্র একেবারে চুপ করে বসে আছে কিংবা কোনো কোনো সময়ে প্রতিবাদের পরিবর্তে বিএসএফের পক্ষ নিয়ে কথা বলছেন সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা। “দুনিয়ার কোনো দেশের সীমান্তে এত হত্যা ও রক্তপাতের একতরফা ঘটনা ঘটে নাই। বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিবাদ হলে এসব ঘটনা কমতে পারত। কিন্তু সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে সীমান্ত নিরাপদ হচ্ছে না। আমরা সরকারের এহেন নীতির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।” নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা বিলকিস জাহান শিরিন, আবদুস সালাম আজাদ, আসাদুল করীম শাহিন, মাহবুবুল হক নান্নু উপস্থিত ছিলেন।

দেশপ্রেমিক প্রজন্মই উন্নত দেশ গড়তে পারে – তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ দেশপ্রেমিক প্রজন্ম সৃষ্টির জন্য দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিশু-কিশোর সংগঠন ‘খেলাঘর’-এর অবদানের প্রশংসা করে বলেছেন, একটি উন্নত জাতি গঠনের জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অবশ্যই দেশপ্রেমিক ও মেধাবী হতে হবে এবং অন্যের প্রতি ভালবাসা থাকতে হবে। তিনি বলেন, ‘২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করতে হলে নতুন প্রজন্মকে অবশ্যই দেশপ্রেমের চেতনা ও আধুনিক জ্ঞান সম্বলিত শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরো বলেন, নিকট ভবিষ্যতে বিশ্ব বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নতি প্রত্যক্ষ করবে। মন্ত্রী গতকাল শুক্রবার শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সম্মেলন হলে খেলাঘর, ঢাকা মহানগর উত্তর ইউনিটের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ইউনিট সভাপতি আরিফুর রহমান। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ড. সেলু বাসিত, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা মো. শফিকুল শফিক ও খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রুনু আলী। তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত ৬৭ বছর ধরে খেলাঘর শিশুদের মধ্যে প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনা জাগিয়ে তোলার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ড. হাছান বলেন, ‘২০৪১ সালের মধ্যে যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে আজকের এই শিশু-কিশোরদের সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠতে হবে। তাদের হাত ধরেই বাংলাদেশ তার স্বপ্নের ঠিকানায় শুধু পৌঁছেই যাবে না, সেই ঠিকানা অতিক্রম করতে পারবে। আজ পাকিস্তান বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে আক্ষেপ করে, আর ভবিষ্যতের সেদিন সমগ্র বিশ্ব অবাক তাকিয়ে দেখবে এদেশের বিস্ময়কর অগ্রগতি।’ তিনি বলেন, ‘আর এজন্য প্রয়োজন আমাদের শিশু-কিশোরদের জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, মাদক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আসক্তি থেকে মুক্ত রেখে দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত করা, যে কাজকে খেলাঘর ও এ ধরণের উদ্যোগ অনেক এগিয়ে নিতে পারে’। নিজের জীবন দর্শনকে সহজে ব্যাখ্যা করে ড. হাছান বলেন, ‘সময় জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান। আর মানুষ আলোর বেগে ছূটতে না পারলেও প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগাতে পারে। আর শৈশব-কৈশোরই হচ্ছে জীবনকে গড়ে তোলার শ্রেষ্ঠ সময়।’ হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জীবন মানেই যুদ্ধ। আমি পারবোই- এমন প্রত্যয়ে বুক বেঁধে এগিয়ে চলতে হবে লক্ষ্যের দিকে। জয় আসবেই।’

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে অস্ট্রেলিয়া – ড. মোমেন

ঢাকা অফিস ॥ রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্থায়ীভাবে প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরির জন্য মিয়ানমারকে চাপ প্রয়োগে অস্ট্রেলিয়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত থাকবে বলে বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করেছে। এছাড়াও অস্ট্রেলিয়া রোহিঙ্গা সংকট পরিস্থিতির ব্যাপারে মিয়ানমারের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত কক্সবাজারে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহযোগিতা বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেরিস পেইনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মেরিস এ আশ্বাস দেন। গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। ঢাকায় অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান ওশান রিম এসোসিয়েশনের (আইওআরএ) ব্লু-ইকোনমি বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের দুইদিনব্যাপী সম্মেলন ২০১৯ এ যোগদানের জন্য তিনদিনের সফরে ঢাকায় আসেন।৪ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশে আসার আগে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন পরিস্থিতি পরিদর্শনে মেরিস পেইন মিয়ানমার সফর করেন। বৈঠককালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের প্রত্যাবাসনে অস্ট্রেলিয়ার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করায় অস্ট্রেলিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, আস্থার অভাবে রোহিঙ্গারা রাখাইন রাজ্যে ফিরে যেতে ভয় পাচ্ছে। তিনি আন্তর্জাতিক তদারকিতে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জবাবে পেইন বলেন,কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করে তিনি বাস্তব ও মাঠ পর্যায়ের পরিস্থিতি অনুধাবন করেছেন। রোহিঙ্গা পরিস্থিতি ছাড়াও দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি,স্থিতি ও সমৃদ্ধি জোরদারে একত্রে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মোমেন বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক জোনে বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার প্রতি আহবান জানান। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে বোঝাপাড়া ক্রমশ বাড়ছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশীদের অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণের নির্দেশনা রিভিউ করার জন্য অস্ট্রেলিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান। তিনি ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনে ভিসা অফিস পুনরায় চালুর অনুরোধ জানান। সম্প্রতি এই অফিস দিল্লীতে স্থানান্তর করা হয়েছে। মোমেন ঢাকা বিমান বন্দরের এভিয়েশন নিরাপত্তার মান উন্নয়ন করায় এয়ার কার্গো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য অস্ট্রেলিয়ান মন্ত্রীর প্রতি আহবান জানান। পেইন বলেন, অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ এসব অনুরোধ বিবেচনা করবে এবং এ বিষয় বাংলাদেশকে জানাবে। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভুয়সী প্রশংসা করেন।

উখিয়ায় এনজিওদের কৃষি সরঞ্জামকে ‘দেশীয় অস্ত্র’ হিসেবে দেখানো হয়েছে – জাতিসংঘ

ঢাকা অফিস ॥ কক্সবাজারের উখিয়ায় একটি এনজিওর গুদামে রাখা কৃষি সরঞ্জামকে ‘দেশীয় অস্ত্র’ হিসেবে দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএম। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএম এ তথ্য জানায়।তাদের দাবি, এসব গৃহস্থালী ও কৃষি উপকরণকে ভুলভাবে উপস্থাপন করায় ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দুটি স্থানীয় এনজিওকে স্থানীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে কৃষিকাজসহ নানা দৈনন্দিন কাজের জন্য সহায়তার অংশ হিসেবে দিতে কিছু গৃহস্থালি সরঞ্জাম দেয়া হয়েছিল।আইওএম বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানায়, ‘এসব সরঞ্জাম শুধুমাত্র স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য এবং এগুলো কোনোভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য নয়। কিন্তু বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুলভাবে উপস্থাপিত হওয়ায় এটি নিয়ে প্রশাসন, গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ’‘প্রকৃতপক্ষে এসব সরঞ্জাম ছিল কৃষিকাজে ব্যবহারের এবং এগুলো শুধুমাত্র স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে দেয়ার জন্য স্থানীয় এনজিওটিকে দেয়া হয়েছিল।’আইওএম আরও জানায়, বিষয়টি উখিয়া উপজেলা ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসন খতিয়ে দেখেছে এবং পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া সাপেক্ষে জব্দ করা সরঞ্জাম পুনরায় এনজিওটিকে ফেরত দিয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বিকালে উখিয়ার মালভিটা এলাকায় বেসরকারি সংস্থা শেড’র কার্যালয় সংলগ্ন গুদামে অভিযান চালিয়ে আলোচিত ওই সরঞ্জাম জব্দ করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফখরুল ইসলাম। দা, ছুরি, করাত এবং প্লায়ার্স মিলিয়ে প্রায় ৫ হাজার সরঞ্জাম ছিল। এগুলো ২০-২৫টি বড় আকারের বস্তায় রাখা ছিল এবং বস্তাগুলোতে আইওএমের লোগো ছিল।

 

শেখ হাসিনার উন্নয়ন বিএনপিকে সংকটে ফেলে দিয়েছে – সেতুমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন বিএনপিকে সংকটে ফেলে দিয়েছে। ‘তারা এ থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি দিশেহারা হয়ে বিদেশীদের কাছে ধর্না দিয়ে দেউলিয়া ও হীনমন্যতার পরিচয় দিয়েছে। শেখ হাসিনার সুশাসন তাঁর সাহসী নেতৃত্ব, রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা বিশ্বব্যাপী প্রশংসনীয়। বিএনপি যতই বিরোধীতা আর চেচামেচি করুক লাভ হবে না। ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্ব এবং উন্নয়ন ম্যাজিকের মতো। তার জুড়ি বিশ্বে নেই। একজন রাজনীতিকের চিন্তা থাকে পরবর্তী নির্বাচন আর শেখ হাসিনার চিন্তা পরবর্তী জেনারেশনের উন্নয়ন।’ ওবায়দুল কাদের গতকাল শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার জন্মদিন জনগণের ক্ষমতায়ন দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি উদযাপন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী। সেতুমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা অসাধারণ নেতৃত্বের অধিকারী। ১৭ কোটি মানুষের জন্য শেখ হাসিনার যে মমতা তা অন্য কোনো নেতার মধ্যে নেই। তিনি জেগে আছেন বলে মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারছে। দেশ জেগে আছে। কাদের বলেন, জাতীয় পার্টিতে যে টানাপোড়েন চলছে তা তাদের নিজস্ব ব্যাপার, আমাদের নয়। নিয়ম অনুযায়ী স্পিকার বিরোধী দল নির্বাচন করবেন। রংপুর নির্বাচনে ৭ সেপ্টেম্বর দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান তিনি। শেখ হাসিনার উন্নয়ন এবং তার ভাবমূর্তি মানুষের কাছে তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব এবং আওয়ামী যুবলীগ সেটি করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন যুবলীগ আদর্শভিত্তিক রাজনীতি করে। যুবলীগের রাজনীতি অস্ত্রবাজি নয়, লেখা-পড়া শিখানোর রাজনীতি। ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুশাসনে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছে। তিনি বলেন, বিএনপির আন্দোলন এখন বোতলবন্দী হয়ে আছে। তারা আন্দোলনের কথা বলে নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা করছে। তাঁরা মাঠে নেই। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ, ঢাকার ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সরকারের সাফল্য তুলে ধরা, আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজার পরিচালনায় এতে প্রধান বক্তা ছিলেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ। প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবর রহমান চৌধুরী, আব্দুস সাত্তার মাসুদ, আতাউর রহমান আতা, মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি সারোয়ার হোসেন মনা, আনোয়ার ইকবাল সান্ঠু, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বকুল, মাকসুদুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

আবারও ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স, কী করবেন?

ঢাকা অফিস ॥ সম্প্রতি বাংলাদেশের কয়েকটি জেলায় অ্যানথ্রাক্স রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। অ্যানথ্রাক্স ছড়িয়ে পড়ায় এসব এলাকায় মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মানুষের অ্যানথ্রাক্স মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি অ্যানথ্রাক্স হয় পরিপাকতন্ত্রে, আরেক ধরণের অ্যানথ্রাক্স শরীরের বাইরের অংশে সংক্রমণ ঘটায়। খবর-বিবিসি বাংলা। পরিপাকতন্ত্রে অ্যানথ্রাক্স জীবাণুর সংক্রমণ হলে কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন- হালকা জ্বর, মাংসপেশীতে ব্যথা ও গলা ব্যথা। আর বাংলাদেশে যে অ্যানথ্রাক্স দেখা যায় তা শরীরের বাইরের অংশে প্রভাব ফেলে। শরীরের বাইরের অংশে অ্যানথ্রাক্স হলে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফোঁড়া বা গোটা হয়ে থাকে। এছাড়া ফোঁড়া ভালো হয়ে গেলে হাতে, মুখে বা কাঁধের চামড়ায় দাগ দেখা যেতে পারে। সাধারণত যেসব এলাকায় গবাদি পশু পালন করা হয় সেখানে অ্যানথ্রাক্সের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। এ বিষয়ে বাংলাদেশের রোগতত্ব, নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মেহেরজাদী সাবরিনা ফ্লোরা জানান, বাংলাদেশে সাধারণত কয়েকটি নির্দিষ্ট এলাকাতেই অ্যানথ্রাক্স হয়ে থাকে। এই রোগ গরু, ছাগল, মহিষের মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। কীভাবে অ্যানথ্রাক্স মানুষের মধ্যে ছড়ায়? মূলত অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত পশুর মাংস কাটার সময় মানুষের মধ্যে অ্যানথ্রাক্স ছড়ানোর সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। ফ্লোরা বলেন, পশু জবাই করা, মাংস কাটা, মাংস ধোয়া ও রান্নার সময় অনেকক্ষণ মাংস,রক্ত-হাড্ডির সংস্পর্শে থাকলে এই রোগ হতে পারে। এছাড়া মাংস কাটাকাটির সময় শরীরের চামড়ায় ক্ষত থাকলে দেহে অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু প্রবেশ করার সম্ভাবনা বেশি। তিনি বলেন, পশু থেকে মানুষের মধ্যে অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণ হলেও মানুষ থেকে অন্য মানুষের মধ্যে অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণ হয় না।

কী করবেন?

অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে মূলত দুই ধরণের পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন মিজ. ফ্লোরা।

১. যাদের গরু, মহিষ, ছাগলের মত গবাদি পশু রয়েছে তারা অবশ্যই নিয়মিত অ্যানথ্রাক্সের টিকা দেবেন।

২. পশুর যদি অ্যানথ্রাক্স হয় তবে অবশ্যই দ্রুত মাটির নীচে পুঁতে ফেলতে হবে।

রংপুর-৩ উপ-নির্বাচন

বিএনপির মনোনয়ন পেতে ৫ আবেদন

ঢাকা অফিস ॥ রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে আবেদন ফরম জমা দিয়েছেন পাঁচজন। তাদের মধ্যে আছেন রংপুর মহানগর বিএনপির সদ্য প্রয়াত সভাপতি মোজাফফর হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া হোসেন, যিনি রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য। এছাড়া জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভার সদস্য মসিউর রহমান যাদু মিয়ার বড় মেয়ে রিটা রহমানও ফরম জমা দিয়েছেন। রিটা ২০ দলীয় জোটের শরিক পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশের (পিপিবি) সভাপতি। অন্য তিনজন হলেন- রংপুর মহানগর বিএনপির সহসভাপতি কাওসার জামান বাবলা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রইসউদ্দিন। সুফিয়া হোসেনের পক্ষে তার ভাই রায়হানুল কবির রনি এবং রিটা রহমানের পক্ষে পিপিবি নেতা আমিনুল ইসলাম শুক্রবার দুপুরে ঢাকার নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম জমা দেন। ২৫ হাজার টাকা জামানতসহ দলীয় মনোনয়ন ফরম গ্রহণ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, “আজ ৭ সেপ্টম্বর বিকাল ৫টায় গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে প্রার্থীদের সাক্ষাতকার হবে।” একাদশ সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এইচএম এরশাদের মৃত্যুর পর রংপুর-৩ আসন শূণ্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। এরপর ৫ অক্টোবর ভোটের দিন রেখে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে তফসিল অনুযায়ী ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। ১১ সেপ্টেম্বর বাছাইয়ের পর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরশাদের দল জাতীয় পার্টির পাশাপাশি তাদের জোটশরিক আওয়ামী লীগও এ নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার কথা জানিয়েছে।