আফ্রিদিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মালিঙ্গা

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ সেই চেনা বোলিং। সেরা সময়কে মনে করিয়ে দেওয়া বিধ্বংসী ইয়র্কার। দুজন ব্যাটসম্যান বোল্ড হলেন লাসিথ মালিঙ্গার দুর্দান্ত ইয়র্কারে। তাতে লঙ্কান পেস গ্রেট ছাড়িয়ে গেলেন শহিদ আফ্রিদিকে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে শীর্ষ উইকেট শিকারি এখন মালিঙ্গা। ৯৮ উইকেট নিয়ে এতদিন শীর্ষে ছিলেন আফ্রিদি। রোববার নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সাবেক পাকিস্তানি লেগ স্পিনারকে ছাড়িয়ে গেছেন মালিঙ্গা। পালে¬কেলেতে ৯৭ উইকেট নিয়ে ম্যাচ শুরু করেছিলেন মালিঙ্গা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কলিন মানরোকে বোল্ড করে পাশে বসে যান আফ্রিদির। পরে দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমকে বোল্ড করে গেছেন টপকে। ম্যাচ অবশ্য আফ্রিদির চেয়ে অনেক কম খেলেছেন মালিঙ্গা। ৯৯ ম্যাচে ৯৮ উইকেট নিয়ে শেষ হয় আফ্রিদির ক্যারিয়ার। মালিঙ্গা ছাড়িয়ে গেলেন ২৫ ম্যাচ কম খেলেই। উইকেট শিকারে এই দুজনের পরেই আছেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের উইকেট এখন ৭২ ম্যাচে ৮৮টি। পাকিস্তানের উমর গুল নিয়েছেন ৬০ ম্যাচে ৮৫ উইকেট। ৬৪ ম্যাচে গুলের সমান উইকেট নিয়েছেন তার স্বদেশি সাঈদ আজমল। ঘরোয়া-আন্তর্জাতিক, স্বীকৃত সব টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে উইকেট শিকারে মালিঙ্গা আছেন দুইয়ে। ২৮৩ ম্যাচে তার উইকেট ৩৭৮টি। ৪৫০ ম্যাচে ৪৯০ উইকেট নিয়ে সবার ওপরে এখানে ডোয়াইন ব্রাভো। ৩২৯ ম্যাচে ৩৭২ উইকেট নিয়ে তিনে সুনিল নারাইন।

 

জয়ের পথে ভারত

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ জাসপ্রিত বুমরাহর আগুন একটি দিনের জন্য স্তিমিত থাকল। তবে প্রতিপক্ষকে পোড়াতে ভারতের খুব একটা সমস্যা হলো না। প্রথম ইনিংসে বিশাল লিডের পর দ্বিতীয় ইনিংসে লিড আরও বাড়ল অজিঙ্কা রাহানে ও হনুমা বিহারির ফিফটিতে। শেষ ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে আবার শুরুতে হোঁচট খেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারত তাই অপেক্ষায় ম্যাচ ও সিরিজ জয়ের। কিংস্টন টেস্টে জয়ের পথ তৈরি করে ফেলেছে ভারত। প্রথম ইনিংসে ২৯৯ রানের লিডের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ফলোঅন না করিয়ে আবার ব্যাটিংয়ে নামে ভারত। টপ অর্ডার সুবিধা করতে না পারলেও রাহানে ও বিহারির দারুণ ব্যাটিংয়ে তারা ইনিংস ঘোষণা করে ৪ উইকেটে ১৬৮ রানে। শেষ ইনিংসে ৪৬৮ রানের লক্ষ্যের পেছনে ছুটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ রোববার তৃতীয় দিন শেষ করেছে ২ উইকেটে ৪৫ রান নিয়ে। টেস্টের তৃতীয় দিনটি দেখেছে তিন ইনিংসের মুখ। বুমরাহর বিধ্বংসী বোলিংয়ে ৭ উইকেটে ৮৭ রান নিয়ে আগের দিনটি শেষ করেছিল ক্যারিবিয়ানরা। বাকি ৩ উইকেটে এ দিন তারা যোগ করতে পারে আর ৩০ রান। আগের ৬ উইকেটের সঙ্গে আর কোনো উইকেট যোগ করতে পারেননি বুমরাহ। একটি করে উইকেট নিয়েছেন ইশান্ত শর্মা, মোহাম্মদ শামি ও রবীন্দ্র জাদেজা। ভারত আবার ব্যাটিংয়ে নেমে পড়ে যায় কেমার রোচের তোপের সামনে। শুরুতেই এই ফাস্ট বোলার ফেরান মায়াঙ্ক আগারওয়ালকে। ৬৩ বল লড়াই করে ৬ রান করা লোকেশ রাহুলও শিকার হন রোচের। পরের বলেই ভারতকে আরেকটি বড় ধাক্কা দেন রোচ। প্রথম বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন বিরাট কোহলি। টেস্ট ক্যারিয়ারে কোহলির এটি চতুর্থ গোল্ডেন ডাক। খানিকটা লড়াইয়ের পর চেতেশ্বর পুজারা বিদায় নেন ২৭ রান করে। ভারতের রান তখন ৪ উইকেটে ৫৭। সেখান থেকে ভারতকে এগিয়ে নেন রাহানে ও বিহারি। এই সিরিজে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা দুই ব্যাটসম্যান শুধু বিপর্যয়ই এড়াননি, রান তুলেছেন দ্রুত গতিতে। ১১১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটির পথে শেষ সেশনে তারা ৯৫ রান তোলেন ওভারপ্রতি প্রায় ৬ করে। তাতে এ দিনই ইনিংস ঘোষণার সুযোগ পায় ভারত। ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৬৪ রানে অপরাজিত থেকে যান রাহানে। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরির পিঠে বিহারি অপরাজিত থাকেন ৮ চারে ৫৩ রান করে। দিনের শেষ ঘণ্টায় ব্যাটিংয়ে নেমে বুমরাহকে কোনো উইকেট দেয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে উইকেট ধরে রাখতেও পারেনি। ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটকে ৩ রানে ফিরিয়েছেন ইশান্ত। আরেক ওপেনার জন ক্যাম্পবেল ১৬ রান করে ফিরেছেন শামির বলে। দিনের শেষ সময়টুকু কাটিয়ে দিয়েছেন ড্যারেন ব্রাভো ও শামারাহ ব্র“কস। তবে চতুর্থ দিনে ক্যারিবিয়ানদের পরাজয়কে মনে হচ্ছে কেবল সময়েরই ব্যাপার। সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত ১ম ইনিংস: ৪১৬। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস: ৪৭.১ ওভারে ১১৭ (আগের দিন ৮৭/৭) (হ্যামিল্টন ৫, কর্নওয়াল ১৪, রোচ ১৭, গ্যাব্রিয়েল ০*; ইশান্ত ১০.৫-৩-২৪-১, বুমরাহ ১২.১-৩-২৭-৬, শামি ১৩-৩-৩৪-২, জাদেজা ১১.১-৭-১৯-১)।

ভারত ২য় ইনিংস: ৫৪.৪ ওভারে ১৬৮/৪ (ডি.)(রাহুল ৬, মায়াঙ্ক ৪, পুজারা ২৭, কোহলি ০, রাহানে ৬৪*, বিহারি ৫৩*; রোচ ১০-৩-২৮-৩, হোল্ডার ১১.৪-৫-২০-১, কর্নওয়াল ২৩-৭-৬৮-০, গ্যাব্রিয়েল ৭-৩-১৮-০, চেইস ৩-০-২২-০)। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ৪৬৮) ১৩ ওভারে ৪৫/২ (ব্র্যাথওয়েট ৩, ক্যাম্পবেল ১৬, ব্রাভো ১৮*, ব্র“কস ৪*; ইশান্ত ৪-১-১৩-১, বুমরাহ ৫-২-১৬-০, শামি ৪-১-১২-১)।

 

ক্যান্সার চিকিৎসায় ভারত গেলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা শহীদুল হক

বিনোদন বাজার ॥ চলচ্চিত্র পরিচালক শহীদুল হক খান লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রোববার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে ভারতে যান তিনি।

শহীদুল হকের পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, ভারতের দিল্লিতে চলবে তার চিকিৎসা। দেশ ত্যাগের আগে রোগমুক্তির জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

শহীদুল হক খান একাধারে চলচ্চিত্র পরিচালক, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত গীতিকার, নাট্যকার এবং সাংবাদিক। তিনি বাংলাদেশে প্যাকেজ নাটক নির্মাণের পুরোধা ব্যক্তি হিসেবেও সমাদৃত।

এ ছাড়া টিভিতে বেশ কয়টি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানও নির্মাণ করেছেন তিনি। শিল্পকলা একাডেমি থেকে তার নিজের রচনা করা গীতিনাট্য মঞ্চায়ন করেছেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে তার একটি বিশেষ নাটক ‘নজরুল’ বিটিভিতে প্রচার হওয়ার পর তিনি প্রশংসিত হন।

অসংখ্য টিভি নাটক নির্মাণ করেছেন তিনি। তার হাত ধরেই ‘নায়ক’ নাটক দিয়ে মিডিয়ায় প্রথম আগমন ঘটে নায়িকা পপির। পপি এ নাটকে ইলিয়াস কাঞ্চনের নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

শহীদুল হক খান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘কলমিলতা’ নির্মাণ করে ব্যাপক আলোচিত হন।

বিভিন্ন পত্রিকায় তিনি সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। তিনি ‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’ নামে একটি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশক। তার লেখা বেশ কটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) একজন সিনিয়র সদস্য।

পহেলা বৈশাখ রমনা বটমূলে তিনিই প্রথম ইলিশ পান্তা বিক্রি শুরু করেন, যা বর্তমানে বাংলাদেশের বৈশাখী সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।

অ্যান্ড্রু কিশোরের গানে শাহনূর

বিনোদন বাজার ॥ নন্দিত কণ্ঠশিল্পী অ্যান্ড্রু কিশোর ফিরছেন নতুন একটি গান নিয়ে। এই গানের শিরোনাম ‘ভালোবাসি ভালোবাসি’। মৌলিক গানটির কথা লিখেছেন প্রদীপ সাহা। সুর ও সংগীত করেছেন রাজেশ।

গানের কথার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে একটি মিউজিক ভিডিও। সেখানে মডেল হয়েছেন ‘হাজার বছর ধরে’ ছবির ‘আম্বিয়া’খ্যাত চিত্রনায়িকা শাহনূর। ভিডিওটি এরই মধ্যে সিডি প্লাস এন্টারটেইনম্যান্ট’র ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে।

এদিকে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কেও নাসাকলসিয়ামে শুরু হয়েছে ৩৩তম ফোবানা সম্মেলন। সম্মেলনেই সম্মানিত অতিথি হিসেবে যোগ দিতে আমেরিকায় রয়েছেন চিত্রনায়িকা শাহনূর।

এরই মধ্যে গত ২৯ আগস্ট তিনি আমেরিকায় পৌঁছেছেন। সঙ্গে ছিলেন চিত্রনায়ক ওমর সানি। শাহনূর জানান, ফোবানা সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে তিনি সেখানে চ্যারিটি শোতেও অংশ নেবেন। প্রায় ২০ দিন সময় কাটিয়ে তিনি ঢাকায় ফিরবেন।

শাহনূর বলেন, ‘দেশের বাইরে ফোবানা সম্মেলন প্রবাসী বাঙালিদের সবচেয়ে বড় আসরের একটি। এমন একটি আসরে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারাটা শিল্পী হিসেবে অবশ্যই গর্বের। এ সম্মেলন শেষে আমি চ্যারিটি শোতেও অংশ নেব। শিল্পী হিসেবে মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই আমি এতে অংশ নিতে যাচ্ছি।’

শাহনূর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মধ্যবর্তিনী’ গল্প অবলম্বনে তাজু কামরুলের পরিচালনায় ‘বেলা অবেলা’ সিনেমার কাজ শেষ করেছেন। তার বিপরীতে আছেন চিত্রনায়ক ইমন। আবার এরই মধ্যে সেন্সর সনদপত্র পেয়েছে শাহনূর অভিনীত জয় সরকার পরিচালিত ‘ইন্দুবালা’ সিনেমাটি।

এছাড়া তাজু কামরুলেরই পরিচালনায় ‘মাতৃত্ব’ নামের একটি নাটকের শুটিংও শেষ করেছেন এই নায়িকা। রাশিদ পলাশের ‘পদ্মপুরাণ’ সিনেমায়ও দেখা মিলবে তার।

প্রসঙ্গত, শাহনূর চলচ্চিত্রে ও নাটকে অভিনয়ের পাশাপাশি বর্তমানে আওয়ামী রাজনীতিতেও বেশ সক্রিয়।

৯০০ কিলোমিটার হেঁটে অক্ষয়ের দেখা পেলো ভক্ত

বিনোদন বাজার ॥ বলিউডের জনপ্রিয় নায়ক অক্ষয় কুমারের চোখও কপালে ওঠার জোগাড়। প্রিয় এই নায়কের দেখা পাওয়ার জন্য ৯০০ কিলোমিটার হেঁটেছে এক ভক্ত। দ্বারকা থেকে মুম্বাই হেঁটে এসে অক্ষয়ের দেখা পেয়েছে সে। এমন ভক্তের দেখা পেয়েও গর্বিত এই নায়ক। নানা সময় ডাই-হার্ড ফ্যানদের পাগলামি দেখেছেন অক্ষয়। কিন্তু এমন ভক্তের দেখা পেলেন এই প্রথম। তার সঙ্গে দেখা করার জন্য একজন ৯০০ কিলোমিটার হাঁটবে এ যেন তার চিন্তার বাইরে।

সেই ভক্তের দেখা পেয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন বলিউডের খিলাড়ি অক্ষয় কুমার। ১৮ দিন ধরে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার হেঁটে আসা সেই অনুরাগীকে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার লাখ লাখ ফ্যানেদের সামনে তুলে ধরেছেন অক্ষয়।

ভিডিওটির ক্যাপশনে অক্ষয় লিখেছেন, ‘আজ পর্বতের সঙ্গে দেখা হলো। দ্বারকা থেকে ৯০০ কিমি হেঁটে আমার কাছে এসেছে সে। আমাদের তরুণ প্রজন্ম তাদের লক্ষ্যে পৌঁছনোর জন্য যদি এই পরিকল্পনা ও একাগ্রতা দেখায়, তাহলে আমাদের কেউ আটকাতে পারবে না।’

‘মিশন মঙ্গল’ ছবির সফলতায় বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন অক্ষয়। সামনে তাকে ‘গুড নিউজ’ ও ‘হাউসফুল ফোর’ সিনেমায় দেখা যাবে। বর্তমানে কিয়ারা আদভাণীর বিপরীতে ‘লক্ষ্মী বম্বে’ সিনেমায় অভিনয় করছেন অক্ষয়।

আনুশকাকে সরিয়ে বৌ সাজলেন আলিয়া

বিনোদন বাজার ॥ বৌয়ের সাজে বেশ খুশি খুশি লাগছে আলিয়াকে। লাল রঙের লেহেঙ্গা পরেছেন তিনি। গলায় দেখা যাচ্ছে ভারি সোনার গয়না। একরাশ হাসি ছড়িয়ে দিয়ে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন আলিয়া ভাট। বিয়ের সাজে নিজের ছবি পোস্ট করেছেন নিজেই। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘দুলহানওয়ালিফিলিং’।

হঠাৎ আলিয়ার বৌ সাজার রহস্য কী? শিরোনাম দেখেও চমকেছেন হয় তো। আলিয়া কী বিয়ে করছেন। না, তেমন কিছুই নয়। রহস্য উম্মোচন হবে খুলে বললেই।

এথনিক ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসিডর ছিলেন আনুশকা শর্মা। ওই প্রতিষ্ঠানের ছেলেদের পোশাকের অ্যাম্বাসেডর ছিলেন তার স্বামী বিরাট কোহলি। এবার আনুশকাকে সরিয়ে এথনিক ব্র্যান্ডের মহিলাদের পোশাকের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসিডর হলেন আলিয়া ভাট।

এই প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের ফটোশুটও করেছেন আলিয়া। সেই ফটোশুটের কিছু ছবিও দিয়েছে ইনস্টাগ্রামে। তার ভক্তরাও দারুণ খুশি আলিয়ার এই নতুন জার্নির খবর পেয়ে। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ক্যারিয়ারে আলিয়া ভাট গালি বয়, রাজি ২, স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ারসহ আরো বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করে সমালোচকদের নজর কেড়েছেন।

অন্দরকাহিনীর ট্রেলারে নজর কাড়লেন প্রিয়াঙ্কা

বিনোদন বাজার ॥ কখনো বন্ধু, কখনো বোন, স্ত্রী, আবার কখনো প্রেমিকা। চার জন মহিলা ও তাদের জীবনের ৪টি আলাদা আলাদা সম্পর্ক ও গল্প নিয়েই এগিয়েছে পরিচালক অর্ণব মিদ্যার ছবি ‘অন্দরকাহিনী’র গল্প। আর এই প্রত্যেকটা নারী চরিত্র ও সম্পর্কের কেন্দ্রীয় ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার।

ইতিমধ্যেই ছবিটি ৪৯টি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ৩৬টিরও বেশি পুরস্কার জিতে ফেলেছে। তবে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে এখনো মুক্তি পায়নি। অবশেষে ৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে অর্ণব মিদ্যার এই ছবি।

ছবির ট্রেলারে প্রত্যেকটি নারী চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গেছে প্রিয়াঙ্কা সরকারকে। নারী চরিত্রের এতগুলো পর্যায়ে প্রিয়াঙ্কার অভিনয় মন কেড়েছে দর্শকদের।

ছবির কেন্দ্রীয় ভূমিকায় প্রিয়াঙ্কার পাশাপাশি ‘অন্দরকাহিনী’তে রয়েছেন সায়নি ঘোষ, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়সহ অন্যরা। অন্দরকাহিনীর গল্প, চিত্রনাট্য, লিখেছেন পরিচালক অর্ণব মিদ্যা নিজেই। ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছে রাজা নারায়ণ দেব, সম্পদনা করেছেন সুপ্রিয় দত্ত। ছবির আর্ট ডিরেকশন তপন শেঠের করা।

এর আগে বেঙ্গালুরু আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, গোয়া ফিল্ম বাজার, হায়দরবাদ বেঙ্গলি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, জয়পুর আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, লস অ্যাঞ্জেলস সিনে ফেস্ট, সাউথ ফ্লোরিডা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, পন্ডিচেরি আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্য়াল, দাদাসাহেব ফালকে ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, সিলেট চলচ্চিত্র উৎসব সহ আরও অনেক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত হয়েছে অর্ণব মিদ্যার অন্দরকাহিনী।

ছত্রপতি শিবাজী আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আন্দরকাহিনীর জন্য সেরা পরিচালকের পুরস্কার পান অর্ণব মিদ্যা। এছাড়াও আররো অনেক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অসংখ্য পুরস্কার জিতে নেয় অন্দরকাহিনী। পরিচালকের আসা ছবিটি মুক্তির পর সিনেমাপ্রেমীদের মন জয় করে নেবে।

‘রানু মন্ডল’ যেন সিনেমার গল্প

বিনোদন বাজার ॥ রানু মন্ডল। ৬০ বছর আগে জন্মেছিলেন কলকাতার এক অবস্থাসম্পন্ন পরিবারে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে ছোট বেলাতেই মা-বাবাকে হারান। শুরু হয় দাদীকে নিয়ে তার একাকী জীবনযুদ্ধ। এই একাকিত্বই জাগিয়ে তোলে তার হৃদয়ে গানের জন্য অকৃত্রিম ভালোবাসা। চলে গানকে সঙ্গী করে টিকে থাকা।এরপর একদিন তার বিয়ে হয় বলিউডের উজ্জ্বল তারা ফিরোজ খানের ব্যক্তিগত পাচকের সাথে। কলকাতা থেকে চলে আসেন মুম্বাইয়ে। সিনেমার পরিবেশে সিনেমার গান নিয়ে বয়ে চলে তার লাল-নীল সংসার। প্রেমে পড়ে যান নামকরা বলিউড গায়িকা লতা মঙ্গেশকারের সুরের। মজে যান তার গানে। এরপরই আবার তার জীবনে ভাগ্যের নির্মম থাবা। হারিয়ে ফেলেন প্রিয় স্বামীকে। জীবনে আবার একাকিত্ব, আবার ঝড়।ভাগ্যের ফেরে আজ তিনি রেলস্টেশনের গায়িকা। সম্প্রতি লতা মাঙ্গেশকারের চিরসবুজ ‘এক পেয়ার কা নাগমা হে’ গান গাওয়ারত তার একটি ভিডিও ইন্টারনেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়। জীবন যেন পালটে যেতে শুরু করে আরেকবার রেললাইনের মত। বলিউডের নামকরা মিউজিক ডিরেক্টর হিমেশ রেশমিয়া তাকে নিয়ে আসেন জনপ্রিয় টিভি রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’ তে।রানু মন্ডল সাম্প্রতিক সময়ে এক আলোচিত নাম। বলা যায়, এই সময়ের একজন অনলাইন সেলিব্রিটি। এরই মধ্যে খ্যতির স্বাদ পেতে শুরু করেছেন। পাঁচ-ছয়টি গানে সুরও দিয়েছেন। খ্যাতি আসতে না আসতে বিতর্কও নিয়ে এসেছে সাথে করে। শোনা যাচ্ছে, দানবীর বলে খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খান তাকে বাড়ি কিনে দিয়েছেন।রানু অবশ্য বলছেন, সালমান খানের সাথে তার এখনও দেখা হয় নি। তবে তার ‘তেরে নাম’ খুব ভালো লেগেছে। রানু তার জীবন সম্পর্কে বলেন, পেছন ফিরে তাকালে তার নিজের জীবনকে কোনো সিনেমার গল্প থেকে কোনো অংশে কম মনে হয় না। আসলেই এত চড়াই-উতরাই পেরিয়ে জীবন তো আর কোন সিনেমার গল্প থেকে কম না!

বসতবাড়ির আঙ্গিনায় লেটুস চাষ

কৃষি প্রতিবেদক ॥ শাকসবজি রান্না করতে গিয়ে আমরা এর পুষ্টি উপাদান নষ্ট করে  ফেলি। তবে কোনো কোনো শাকসবজি রয়েছে সেগুলো কাঁচা খাওয়া সম্ভব। লেটুস এমনি একটি শাক, যা সালাদ হিসেবে টমেটো, পেঁয়াজ, মরিচ এসবের সঙ্গে ব্যবহার হয়। ফলে এর পুষ্টি থাকে অটুট। লেটুস বেশ পুষ্টিকর। মুখে রুচিও বাড়ায়। এর প্রতি ১০০ গ্রাম পাতায় ৯৯০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন বিদ্যমান। এ ছাড়া ভিটামিন-বি ০.২২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-সি ১০ মিলিগ্রাম, শর্করা ২.৫ গ্রাম, আমিষ-২.১ গ্রাম, চর্বি ০.৩ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিলিগ্রাম এবং লৌহ আছে ২৪ মিলিগ্রাম। এ সত্ত্বেও এ  দেশে এর আবাদ খুবই সীমিত। অথচ প্রতিটি বসতবাড়ির আঙ্গিনায় লেটুস চাষের রয়েছে যথেষ্ট সুযোগ। এতে পারিবারিক চাহিদা পূরণ হবে। পাশাপাশি বিক্রি করে পাওয়া যাবে নগদ অর্থ। চাষের সময় ঃ শীতপ্রধান দেশে সারা বছর এর চাষ হলেও এ দেশে কেবল রবি  মৌসুমে অক্টোবর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত দফায় দফায় বীজ বোনা যেতে পারে। জাত ঃ লেটুসের বিভিন্ন জাত রয়েছে। এসবের মধ্যে বারি লেটুস-১, বিগ বোস্টন,  হোয়াইট বোস্টন, প্যারিস হোয়াইট, গ্র্যান্ড ব্যাপিড, নিউইয়র্ক-৫১৫, ইম্পিরিয়াল-৫৪, সিম্পসন, কিং ক্রাউন, কুইন ক্রাউন, ডার্ক, গ্রিন, গ্রেটলেক উল্লেখযোগ্য। চাষের নিয়ম ঃ চাষের জন্য জমি ভালোভাবে প্রস্তুত করে নিতে হবে। এসব জমিতে সরাসরি বীজ বোনা যায়। আবার বীজতলায় বপন করে উপযুক্ত বয়সের চারা (এক মাস বয়সের) মূল জমিতে রোপণ করতে হয়। এক্ষেত্রে লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব ১২ ইঞ্চি এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব রাখতে হবে ৮ ইঞ্চি। এজন্য শতাংশপ্রতি বীজ দরকার ৪ গ্রাম করে। তবে বীজতলায় বীজ প্রয়োজন হয় ২০ গ্রাম। লেটুসের বীজ খুব ছোট। তাই বপনের সময় বীজের সঙ্গে মাটির কণা বা ছাই ব্যবহার করা উচিত।

সার প্রয়োগ ঃ  লেটুস চাষে শতাংশ প্রতি যে পরিমাণ সার প্রয়োজন তা হচ্ছে- গোবর ২০ কেজি খৈল ৮০০ গ্রাম, ইউরিয়া ৪০০ গ্রাম, টিএসপি ১০০ গ্রাম, পটাশ ১০০ গ্রাম। এগুলোর মধ্যে গোবর চাষের প্রথম দিকে এবং শেষ চাষের সময় টিএসপি ও পটাশ সার মাটির সঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে দিতে হয়। তবে ইউরিয়াকে সমান দু’ভাবে ভাগ করে দু’কিস্তিতে (চারার বয়স ১০ দিন এবং বয়স ২০ দিন) উপরিপ্রয়োগ করে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে।

পরিচর্যা ঃ আশানুরূপ ফলন পেতে জমিকে সর্বদাই আগাছামুক্ত রাখতে হবে। মাটিতে রস না থাকলে সেচ দেয়া জরুরি। তেমনিভাবে পানি জমে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে নিকাশের ব্যবস্থা করতে হবে। গাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে এর গোড়ায় মাটি তুলে দিতে হয়। প্রয়োজনে চারা পাতলা করা বাঞ্ছনীয়। এতে একদিকে যেমন গাছ ঠিকভাবে বেড়ে উঠবে, পক্ষান্তরে উত্তোলিত সবজি ব্যবহার করা যাবে।

বালাই ব্যবস্থাপনা ঃ লেটুসের পাতায় কখনো কখনো ‘ছাতা’ রোগ দেখা দিতে পারে। এ রোগের লক্ষণ হচ্ছে- গাছের পাতা নুইয়ে পড়া এবং পাতার অগ্রভাগ পুড়ে যাওয়া। এমন হলে আক্রান্ত গাছ অবশ্যই ধ্বংস করে ফেলতে হবে। তবে বীজ ও মাটি শোধন করে এ রোগ থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। পোকার মধ্যে জাবপোকা খুব ক্ষতিকর। এরা গাছের পাতার রস চুষে খেয়ে ফেলে। এ ছাড় পোকার মলদ্বার থেকে এক ধরনের তরল পদার্থ বের হয়ে, যা পাতায় আটকে ‘সুটি মোল্ড’ নামে এক প্রকার কালো বর্ণের ছত্রাক জন্মায়। ফলে আক্রান্ত অংশের সালোকসংশ্লেষণ ক্রিয়া বিঘিœত হয়। তাই এদের দমন করতেই হবে। তবে পোকার সংখ্যা কম হলে হাত দিয়ে ধরে  মেরে ফেলা উত্তম। আক্রমণ বেশি হলে অনুমোদিত কীটনাশক সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ওষুধ ছিটানোর ১৫ দিনের মধ্য সবজি খাওয়া উচিত নয়। এজন্য পারতপক্ষে কীটনাশক ব্যবহার না করাই উচিত।

ফসল সংগ্রহ ঃ চারা লাগানোর এক মাস পর লেটুস পাতা খাওয়ার উপযুক্ত হয়। ওই সময় সম্পূর্ণ গাছ তোলাই উত্তম, তবুও বসতবাড়ির এক একটি গাছ থেকে প্রয়োজনীয় পাতা সংগ্রহ করে ব্যবহার করা যেতে পারে। শতাংশ প্রতি এর গড় ফলন ৪০ কেজি।

যে কারণে এত ভয়ঙ্কর বুমরাহ, জানালেন ইরফান

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ভারতের টেস্ট ইতিহাসে বিদেশে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড এতদিন ছিল ইরফান পাঠানের দখলে। গেল শনিবার স্যাবাইনা পার্কে টানা তিন বলে ড্যারেন ব্রাভো, শামার ব্র“কস ও রোস্টন চেজকে ফিরিয়ে তার রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে তরুণ পেসারের দাপট দেখে বিস্মিত ও মুগ্ধ পাঠান। তার মতে, ভারতীয় টেস্ট ইতিহাসের সেরা পেসার হয়ে ওঠার সব রকম ক্ষমতা রয়েছে বুমরাহর মধ্যে। ২০০১ সালে কলকাতায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেন হরভজন সিং। এর পর অনেকেই বলেছিলেন, এ রেকর্ড ভাঙা অসম্ভব। ঠিক পাঁচ বছর পর করাচিতে তা সম্ভব করে দেখান পাঠান। তার বিষাক্ত সুইং সামলাতে না পেরে পর পর তিন বলে প্যাভিলিয়নমুখী হন সালমান বাট, ইউনিস খান ও মোহম্মদ ইউসুফ। বুমরাহও ক্যারিবিয়ান শিবিরে কাঁপন ধরিয়েছেন সেই সুইং দিয়ে। রোববার বিশাখাপত্তম থেকে মোবাইল ফোনে পাঠান বলেন, ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়া সফরে বুমরাহকে দেখেছি সুইংয়ের চেয়ে ‘সিম মুভমেন্টের’ ওপর বেশি নির্ভর করতে। উইন্ডিজ সফরে দেখছি উইকেটের দুদিকে সমানতালে সুইং করাচ্ছে সে। তার অ্যাকশন দেখে বোঝার উপায় নেই বল কোন দিকে যাবে। কব্জির অপূর্ব ব্যবহার করতে দেখছি ওকে। গতির সঙ্গে সর্পিল সুইং মিশিয়েই এত ভয়ঙ্কর ও। কেন বুমরাহকে ভারতীয় টেস্ট ইতিহাসের সেরা পেসার হওয়ার দাবিদার হিসেবে দেখছেন? জবাবে জম্মু-কাশ্মীরের কোচ বলেন, একজন পেসার তখনই বেশি সাফল্য পান, যখন প্রতিপক্ষ তাকে ভয় পেতে শুরু করে। ধীরে ধীরে বুমরাহ বিশ্ব ক্রিকেটে ত্রাস হয়ে উঠছে। ওয়ানডে বিশ্বকাপেও দেখেছি, সে বল করলে ব্যাটসম্যানরা আক্রমণ করার সাহস পাননি। দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে রান করার তাড়া থাকে না। এ ফরম্যাটেও তার বিপক্ষে কেউ খেলতে চাচ্ছেন না। ব্রাভো যে ভঙ্গিতে আউট হয়েছেন, তা দেখলেই বোঝা যায়, সে ভয় পেয়েছিল। বাইরে বেরিয়ে যাওয়া বল ডিফেন্ড করার সময় পা বাড়াতেই দ্বিধায় পড়ে যায় ও।’ টেস্ট হ্যাটট্রিকের সঙ্গে ওয়ানডে হ্যাটট্রিকের আদৌ কোনো পার্থক্য রয়েছে? সাবেক বাঁহাতি পেসার ইরফানের উত্তর, যেকোনো সংস্করণে হ্যাটট্রিকের অনুভূতি অসাধারণ। তবে টেস্টে হ্যাটট্রিক করা কিছুটা হলেও কঠিন। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রান করার কোনো তাড়না থাকে না। সুতরাং ব্যাটসম্যানকে প্রথম বলে ফেরাতে বোলারের কারিকুরি লাগবেই। একদিনের ক্রিকেটে রান করার চাপ থাকে। ফলে ব্যাটসম্যানদের ভুল করার সম্ভাবনা থাকে বেশি।

বেলের জোড়া গোলে হার এড়াল রিয়াল

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে দুবার পিছিয়ে পড়ে হারের শঙ্কায় পড়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে প্রথমার্ধে দলকে সমতায় ফেরানো গ্যারেথ বেল শেষ দিকে করলেন আরেকটি গোল। তাতে স্বস্তির এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়লো জিনেদিন জিদানের দল। ভিয়ারিয়ালের মাঠে রোববার রাতে লা লিগার ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে। জানুয়ারিতে গত আসরের প্রথম দেখায় দলটির সঙ্গে একই স্কোরে ড্র করেছিল প্রতিযোগিতার সফলতম দলটি। লিগে টানা দুই ম্যাচ জয়শূন্য রইলো রিয়াল। সেল্তা ভিগোকে ৩-১ গোলে হারিয়ে লিগ শুরু করা জিদানের দল গত সপ্তাহে রিয়াল ভাইয়াদলিদের সঙ্গে ঘরের মাঠে ১-১ ড্র করেছিল। রক্ষণের দুর্বলতায় ম্যাচের শুরুতেই গোল খেয়ে বসে রিয়াল। মাঝমাঠে সের্হিও রামোসের ভুলে বল পেয়ে জেরার্দ মোরেনো এগিয়ে গিয়ে ডিফেন্ডার রাফায়েল ভারানের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে ডি-বক্সে সতীর্থকে পাস দেন। ক্যামেরুনের ফরোয়ার্ড তোকো একাম্বির দুর্বল শট গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ঠেকালেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। আলগা বল সহজেই জালে পাঠান স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড মোরেনো। ৩২তম মিনিটে লুকাস ভাসকেসের ক্রসে ফাঁকায় বল পেয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হেড করেন কাসেমিরো। তিন মিনিট পর পাসিং ফুটবলে দারুণ একটি আক্রমণ শানায় রিয়াল; কিন্তু শেষটায় পাশের জালে মেরে হতাশা বাড়ান ভাসকেস। ৪৫তম মিনিটে করিম বেনজেমার জোরালো শট পোস্টে লাগলে আবারও গোলবঞ্চিত হয় অতিথিরা। বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে সমতায় ফেরে রিয়াল। ডান দিকে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে দানি কারভাহালের বাড়ানো বল গোলমুখে ফাঁকায় পেয়ে অনায়াসে লক্ষ্যে পাঠান ওয়েলসের ফরোয়ার্ড বেল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে মুহূর্তের ব্যবধানে দুটি ভালো সুযোগ পায় রিয়াল। দুটি প্রচেষ্টাই রুখে দেন গোলরক্ষক আন্দ্রেস ফের্নান্দেস। ৬০তম মিনিটে জালে বল পাঠিয়েছিলেন বেনজেমা। কিন্তু ভিএআরের সাহায্যে অফসাইডের বাঁশি বাজান রেফারি।

৭৫তম মিনিটে আবারও গোল খেয়ে বসে রিয়াল। হাভিয়েরের গোলমুখে বাড়ানো বল টোকা দিয়ে ঠিকানায় পাঠান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মোই গোমেস। ৮৬তম মিনিটে হার এড়ানো গোলের দেখা পায় রিয়াল। লুকা মদ্রিচের পাস ডি-বক্সে পেয়ে এক জনকে কাটিয়ে নিচু শটে কাছের পোস্ট দিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন বেল। কদিন আগেও বেলের রিয়াল ছেড়ে যাওয়া অনেকটা নিশ্চিত ছিল। কোচ জিদান নিজেও তা জানিয়েছিলেন। ৩০ বছর বয়সী এই উইঙ্গারই ভিয়ারিয়াল ম্যাচে দলের নায়ক। অবশ্য ম্যাচে তার শেষটা হয়েছে হতাশায়। যোগ করা সময়ে দুই মিনিটের মধ্যে দুবার ফাউল করে দুটি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বেল। তিন ম্যাচে এক জয় ও দুই ড্রয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। দিনের আরেক ম্যাচে এইবারকে ৩-২ গোলে হারানো আতলেতিকো মাদ্রিদ তিন জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে আছে শীর্ষে। শনিবার ওসাসুনার মাঠে ২-২ ড্র করা বার্সেলোনার পয়েন্ট ৪।