পাকিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৪

ঢাকা অফিস ॥ পাকিস্তানে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সড়ক থেকে একটি বাস গিরিখাতে পড়ে কমপক্ষে ২৪ জন নিহত হয়েছে। ওই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও দু’জন। শুক্রবার দেশটির খাইবার পাখতুনখোয়ার কান্দিয়া তেহসিলে একটি যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনা কবলিত হয়। সে সময় বাসটিতে মোট ৩৫ জন যাত্রী ছিল। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নারী ও শিশুও ছিল। দুর্ঘটনায় হতাহতদের সবাই একই পরিবারের সদস্য। তারা কোনো একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ওই বাসটি ভাড়া করেছিল। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই বাসটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। পাকিস্তানের চিফ সিভিল ডিফেন্স ওয়ার্ডেন আহসানুল হক বলেছেন, “একটি ব্রিজ ভেঙে পড়লে বাসের ২৪ জন ডুবে যায় এবং তারা যে বাসটিতে যাত্রা করছিল সেটিও সেসময় গ্রোতে ডুবে যায়”। হক আরও বলেন, এই ব্রিজটি জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল বাসের অতিরিক্ত ওজন বহন করতে না পারায় এই ঘটনা ঘটেছিল। কোহিস্তানের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা রাজা আবদুল সাবুর বলেন, ঘটনাস্থলে তদন্ত করা হবে। এরপরেই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে। শুক্রবার রাতে অন্ধকার এবং প্রয়োজনীয় জিনিসের স্বল্পতার কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়েছে।

আহবায়ক সুনীল চক্রবর্তী ॥ সদস্য সচিব কৃষ্ণ কোমল বিশ্বাস

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি অনুমোদন

নিজ সংবাদ ॥ বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম, কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মনোরঞ্জন ঘোষাল এবং মহাসচিব মানিক চন্দ্র সরকার যৌথ স্বাক্ষরে কুষ্টিয়া জেলা শাখার ১১ সদস্য বিশিষ্ট এ আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেন। বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম, কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দরা হলেন, আহবায়ক সুনীল কুমার চক্রবর্তী, যুগ্ম-আহবায়ক দিজেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, বুদ্ধুদেব কুন্ডু, সাংবাদিক সুজন কুমার কর্মকার, সদস্য সচিব কৃষ্ণ কোমল বিশ্বাস, সদস্য এ্যাডঃ নিত্য গোপাল সাহা, মানিক কুমার শর্মা, ডাঃ ইন্দ্রিরা বিশ্বাস, সুপ্লব কুমার ঘোষ, অসিম কুমার বিশ্বাস, প্রতাপ কুমার শর্মা।

জানাগেছে, সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বী লোকের গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও কল্যাণ নিশ্চিত করাসহ হিন্দুদের কৃষ্টি, ধর্মীয় স্বাধীনতা, হিন্দুত্ব ও ঐতিহ্য রক্ষা করা হচ্ছে এই সংগঠনের মূলনীতি। যে ৭ দফা দাবি নিয়ে সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে সেগুলো হচ্ছে-১. হিন্দু পারিবারিক আইন ও বিবাহ আইন পরিবর্তন ও সংযোজন করা চলবে না। ২. জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসন ও পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা পুনঃ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ৩. হিন্দু সম্প্রদায়ের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় সংখ্যালঘু বিষয়ক কমিশন গঠন করতে হবে। ৪. সংখ্যালঘু উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদ সৃষ্টি করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষিত করতে হবে। ৫. শক্র (অর্পিত) সম্পত্তি আইন বাতিল করে হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ি ফেরত দিতে হবে। ৬. সরকারি চাকুরিতে ২০% কোটার ব্যবস্থা করতে হবে। ৭. দুর্গাপূজায় ৩দিন ও রথযাত্রায় ১দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করতে হবে।

আসামের পর এবার বিজেপির নজর দিল্লিতে

ঢাকা অফিস ॥ ভারতের আসাম রাজ্যে ১৯ লাখ লোককে জাতীয় নাগরিকত্ব নিবন্ধনের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার পর এবার রাজধানী দিল্লিতেও নাগরিকত্ব নিবন্ধনের হুশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির দিল্লির প্রধান মনোজ তিওয়ারি। শনিবার আসামে এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরই ক্ষমতাসীন সরকারের এ সংসদ সদস্য এ দাবি তুলেছেন। খবর এনডিটিভির। সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে দিল্লি বিজেপির সভাপতি মনোজ তিওয়ারি বলেন, দিল্লির অবস্থাও ভয়াবহ, তাই এনআরসির প্রয়োজন। অবৈধ অভিবাসীরা দীর্ঘ দিন ধরে এখানে বসবাস করে পরিস্থিতি ভয়ানক করে তুলেছে। আমরা এখানে এনআরসি প্রয়োগ করব। এনডিটিভি জানায়, ২০২০ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আগে মনোজ তিওয়ারির এমন বক্তব্য বেশ ইঙ্গিতবহ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। প্রসঙ্গত, ভারতীয় আসাম রাজ্য নাগরিক নিবন্ধনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে। দেড় বছর আগে খসড়া প্রকাশের পর শনিবার সকাল ১০টায় এই চূড়ান্ত তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। আসাম সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাতীয় নাগরিকত্ব নিবন্ধনে(এনআরসি) তিন কোটি ১১ লাখ লোক আবেদন করেছিলেন। সেখান থেকে ১৯ লাখকে বাদ দেয়া হয়েছে। কাজেই এই ১৯ লাখ লোক রাষ্ট্রহীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে প্রথম খসড়া নাগরিকপঞ্জি প্রকাশ করা হয়। সেখানে মাত্র এক কোটি ৮০ লাখ মানুষের ঠাঁই হয়। অথচ আবেদন করেছিল তিন কোটি ২৯ লাখ মানুষ।

গাংনীতে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের কুলখানী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

গাংনী প্রতিনিধি ॥  মেহেরপুরের গাংনীতে জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি  হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের কুলখানী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।গাংনী উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে  কুলখানী ও দোয়া মাহফিল  অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে গাংনী উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে অনুষ্ঠিত কুলখানী ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জাতীয় পাটির আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি  হিসাবে বক্তব্য রাখেন, মেহেরপুর জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য  সাইফুল  ইসলাম সেলিম। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন গাংনী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রাশেদুল হক জুয়েল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি খায়রুল ইসলাম, জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাদি, জেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি সানোয়ার হোসেন, জেলা জাতীয় যুব সংহতির সাধারণ সম্পাদক  মিলন হোসেন, মেহেরপুর সদর উপজেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক সুমন পারভেজ, গাংনী উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে  দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মওলানা হাবিবুর রহমান সাইফুল। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক আনছারুল হক, উপজেলা জাতীয় পার্টির  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিলন হোসেন, গাংনী উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, গাংনী পৌর জাতীয় পার্টির আহবায়ক ডাঃ কামরুজ্জামান, পৌর জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক কামরুজ্জামান, রাইপুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি ছানোয়ার হোসেন, ধানখোলা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি রতন আহমেদ, কাজিপুর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন, বামন্দী ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি মহাসিন আলী, ষোলটাকা ইউনিয়ন জাতীয় পাটির সভাপতি ফারুক হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সাবেক প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও কাঙালী ভোজের আয়োজন করা হয়। এসময়  জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

কুষ্টিয়ায় সেভেন রিংস সিমেন্টের টেকনিক্যাল সেমিনার অনুষ্ঠিত

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ার দিশা টাওয়ারে সেভেন রিংস সিমেন্টের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এন্ড টেকনিক্যাল সাপোর্ট বিভাগের উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান।  সেভেন রিংস সিমেন্টের কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ অঞ্চলের ম্যানেজার আসাদুজ্জামান প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন সেভেন রিংস সিমেন্টের এ্যাসিসট্যান্ট ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল লতিফ। পরে তিনি উপস্থিত সেভেন রিংস সিমেন্টের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং পরিবেশকবৃন্দের মাঝে সিমেন্ট কংক্রিট টেকনোলজির ওপর  প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন। এসময় কোম্পানির কুষ্টিয়া এরিয়া সেল্স ম্যানেজার  আনজারুল হক অনিক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সেভেন রিংস  সিমেন্টের সকল কর্মকর্তা ও পরিবেশকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ভারতে কেমিক্যাল কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ১৩

ঢাকা অফিস ॥ ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে একটি কেমিক্যাল কারখানায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১৩ জন নিহত ও ৫৮ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকালে মহারাষ্ট্রের দুলে জেলার ওই কারখানায় ধারাবাহিকভাবে নাইট্রোজেন গ্যাস সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে পুলিশের বরাতে জানিয়েছে এনডিটিভি। বার্তা সংস্থা পিটিআইকে ঊর্ধ্বতন এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে ব্যারেল থেকে চুইয়ে পড়া কেমিক্যালে আগুন লেগে ছড়িয়ে পড়ার পর একের পর এক গ্যাস সিরিন্ডারের বিস্ফোরণ ঘটে।  ঘটনার সময় কারখানাটিতে অন্তত ১০০ জন কর্মী উপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। পুলিশ কর্মকর্তা সঞ্জয় আহিরে বলেন, “প্রথমে ২০০ লিটারের একটি কেমিক্যাল ব্যারেল বিস্ফোরিত হয়, এতে আগুন কারখানার অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়লে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে।” আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। দমকল বাহিনী, পুলিশ ও রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ) উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। বিস্ফোরণের প্রচন্ড শব্দে ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অনেক বাড়ির বাইরে এসে ঘটনা বোঝার চেষ্টা করেন। দুর্ঘটনায় পড়া কারখানাটিতে ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত এক ধরনের কেমিক্যাল তৈরি করা হতো বলে জানা গেছে।  আহতদের দুলে সিভিল হাসপাতাল ও শিরপুর কটেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমে আসা ভিডিওতে কারখানাটি থেকে ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। নিহতদের পরিবার ও আহতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার।

আওয়ামী লীগকে অভিযুক্ত করার আগে বিএনপি’র ক্ষমা চাওয়া উচিত – তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ শনিবার বলেছেন, আওয়ামী লীগের দিকে আঙুল তোলার আগে বিএনপিকে তাদের আমলে হাজার হাজার মানুষ হত্যার জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ। জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াসহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মূল হোতাদের বিচারের মুখোমুখি করা উচিৎ। তিনি বলেন, ‘বিএনপি দেশব্যাপী গ্রেনেড ও পেট্রোল বোমা হামলা এবং আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। তাই হত্যাকান্ডের ইস্যুতে কথা বলার কোন অধিকার তাদের নেই। বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ (বিএসপি) এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। বিএসপি’র উপদেষ্টা জাকির আহমেদের সভাপতিত্বে এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম ও শামসুল হক টুকু এমপি, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রয় নন্দী। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি’র ১০ বছরের শাসনামলে কয়েকশ’ লোককে হত্যা করা হয়। তারা গ্রেনেড হামলা চালিয়ে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাণনাশের চেষ্টা চালায়। এখনো তাদের হাত রক্তে রঞ্জিত।’ মন্ত্রী বলেন, বিএনপি বাংলাদেশে হত্যার রাজনীতি শুরু করে এবং জিয়াউর রহমান ক্ষমতা গ্রহণের জন্য সশস্ত্র বাহিনীতে নির্বিচারে হত্যাকান্ড চালান। ২০১৩ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতের পেট্রোল বোমা ও অগ্নি সন্ত্রাসের কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এই ধরনের বর্বরোচিত ও জঘন্য হামলার হোতাদের আইনের আওতায় আনা উচিৎ। অনুষ্ঠানে ঢাকা নগর আওয়ামী লীগের নেতা আখতার হোসেন, বলরাম পোদ্দার, এম এ করীম, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, বিএসপি সভাপতি জিন্নাত আলি জিন্নাহ্ ও সাধান সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন তোয়েল বক্তব্য রাখেন। আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী হাছান বর্তমান সরকারের আমলে শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিএনপি যে অভিযোগ করেছে, তা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, বিএনপি জামায়াত সন্ত্রাসীরা ইজতেমার মুসল্লীদের পুড়িয়ে মারে। হাছান বলেন, ইজতেমার মুসল্লীকে পুড়িয়ে হত্যাসহ দু’বারের শাসনামলে বিএনপি সহস্রাধিক মানুষকে হত্যা করে। তারা চার হাজার গাড়ি ও ত্রিশটি লঞ্চ পোড়ায়, ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় তারা কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের বইসমেত ৫০০ স্কুলঘর পুড়িয়ে দেয়। পোড়া মানুষ আর পোড়া বইয়ের জন্য আহাজারিতে বাতাস ভারি হয়েছিল। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়া অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেই প্রায় ১ হাজার ৬শ’ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করেন এবং তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে হাজার হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে হত্যা করেন।’ তিনি আরো বলেন, বিএনপি পেট্রোল বোমা ছুঁড়ে প্রায় ১ হাজার লোককে হত্যা করে। এই আগুন সন্ত্রাস থেকে তারা শিশু, অন্তঃস্বত্ত্বা নারী, পরিবহন চালক ও হেল্পারদেরও রেহাই দেয়নি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, তারা আন্দোলনের নামে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও পবিত্র কুরআনের কপিসহ নির্বিচারে হাজার হাজার যানবাহন, স্থাপনা ও সরকারি অফিসে অগ্নিসংযোগ করে। ড. হাছান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে হত্যাকান্ড জাতির জন্য একটি লজ্জা। এ ব্যাপারে তিনি আরো বলেন, এ ব্যাপারে একটি কমিশন গঠন করে এই হত্যাকান্ডের নেপথ্যের কুশিলবদের সনাক্ত করতে হবে। হাছান বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের সাথে জিয়ার সম্পৃক্ততা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত। বিএনপি’র রাজনৈতিক প্লাটফমর্কে হত্যাকান্ডের প্লাটফর্ম উল্লেখ করে এডভোকেট কামরুল বলেন, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যার মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার পরও হত্যাকান্ড অব্যহত রাখেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের মতো তার স্ত্রী খালেদা জিয়াও নির্বিচারে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের হত্যার মাধ্যমে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন।

ছিনতাইয়ের সাজা ৩৬ বছরের কারাদন্ড!

ঢাকা অফিস ॥ যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামার বাসিন্দা আলভিন কেনার্ড একটি বেকারিতে ঢুকে ছুরি দেখিয়ে ছিনতাই করেছিলেন। সেই অপরাধে আজীবন কারাদন্ড দেয়া হয়েছে তাকে। কিন্তু ছিনতাইয়ের সময় তিনি কাউকে আঘাত পর্যন্ত করেননি। ঘটনাটা ১৯৮৩ সালের। তখন কেনার্ডের বয়স ছিল ২২ বছর। মাত্র ৫০ দশমিক ৭৫ ডলার ছিনিয়ে নেয়ার দায়ে তাকে এই সাজা দেয়া হয়েছে তখন। দেশটিতে বারবার একই ব্যক্তির ছিনতাই করা আটকাতে ১৯৭০র দশকে কঠোর এ আইন জারি করা হয়েছিল।-খবর বিবিসির

এতে দায়ী ব্যক্তিকে আজীবন কারাদন্ড দেয়ার পর তার প্যারলে মুক্তিরও সুযোগ ছিল না। বর্তমানে আইনটির সংশোধন করে প্যারলে মুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইনে ৩৬ বছর পর কারাগার থেকে ছাড়া পান কেনার্ড। তার বয়স এখন ৫৮ বছর। তার আইনজীবী কার্লা ক্রোডার বলেন, প্যারলে মুক্তির সুযোগ পেয়ে তিনি উদ্বেলিত। এখন তার পরিবার তার দেখাশোনা করবে। তিনি বলেন, জেলে যাওয়ার আগে তিনি কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। তিনি তার পুরাতন পেশায় ফিরে যেতে চান। প্যারল শুনানির জন্য কারাগারের লাল ডোরা পোশাক পরেই কেনার্ড বিচারকের সামনে আসেন। এসময় নিজের কৃতকর্মের পুরো দায়ভার গ্রহণ করেন।

 

শফিকুল ইসলাম ঢাকা ডিএমপি কমিশনার হিসেবে যোগদানে সহপাঠি বন্ধু সংগঠনের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

আলমডাঙ্গা অফিস ॥ আলমডাঙ্গার কৃতিসন্তান শফিকুল ইসলাম  ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায়   আলমডাঙ্গায় তার নিজ স্কুল জীবনের বন্ধু সংগঠন মহনা বন্ধু সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় আলমডাঙ্গা মহনা বন্ধু সমিতির উদ্যোগে শফিকুল ইসলাম ঢাকা ডিএমপি কমিশনার হওয়ায় তার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহনা বন্ধু সমিতির সভাপতি মাহমুদুল কাউনাইনের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামান মুন্সি, সাবেক চেয়ারম্যান ফাদার অব মহনা সাবেক বেলগাছী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব মিয়া, পাইলট স্কুলের সাবেক সিনিয়র  শিক্ষক আফিল উদ্দিন, সাবেক পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম সবেদ আলী, সাবেক ওসি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার ইসমাইল হেসেন, সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক সিরাজুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান, সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস হোসেন, সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোলাম সরোয়ার, প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান। মহনা বন্ধু সমিতির সাধারন সম্পাদক শামসুজ্জোহা সাবুর উপস্থাপনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শফিকুলের সহদর এনামুল হক, ভগ্নপতি তাইজেল হোসেন, সরকারি কলেজের প্রভাষক জামাল হোসেন, খলিলুর রহমান, আলহাজ্ব মীর মনিরুজ্জামান, সাবেক পৌর কাউন্সিলর শরিফুল ইসলাম, সৈয়দ সাজেদুল হক, আবুল কালাম আজাদ, মুকিত হোসেন, ইউপি সচিব সোহরাব হোসেনসহ মহনা বন্ধু সমিতির সকল সদস্যবৃন্দ সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন মহনা বন্ধু সমিতির ধর্মীয় সম্পাদক আব্দুর রহমান। শেষে সকলের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। শফিকুল ইসলাম সর্বশেষ সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিসে যোগদান করেন।

আসামের নাগরিক তালিকা থেকে এমএলএও বাদ!

ঢাকা অফিস ॥ ‘অবৈধ অভিবাসী’ বাছতে আসাম সরকার নাগরিকদের যে তালিকা প্রকাশ করেছে তা দেখে বিধায়ক অনন্ত কুমার মালো নির্ঘাত চমকে উঠেছেন। কারণ, চূড়ান্ত তালিকায় তার নাম নেই। অনন্ত আসামের বিধানসভার দ্বিতীয় প্রভাবশালী বিরোধীদল অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (এআইইউডিএফ) নেতা। শনিবার আসামের ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেন্স (এনআরসি) এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। চূড়ান্ত তালিকায় আসামের নাগরিক হিসাবে ৩ কোটি ১১ লাখ ২১ হাজার ৪ জনের আবেদন গৃহীত হয়েছে; বাদ পড়েছেন ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন। যারা বাদ পড়েছেন তারা মূলত দরিদ্র এবং বেশিরভাগই মুসলমান বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে। রাজ্য বিজিপি নেতারাও অনেক প্রকৃত নাগরিকের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার কথা বলছেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের আগে শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীদের। রাজ্যের মন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বাস শর্মা বলেন, “তারা ১৯৭১ সালের আগে শরণার্থী হিসেবে এলেও কর্তৃপক্ষ তাদের শরণার্থী সনদ নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেনি।” বিজেপি নেতা হেমন্ত বিশ্বাস এর আগেই এনআরসি’র উপর তার আস্থা নেই বলে জানিয়েছিলেন। আরেক বিজেপি নেতা এমএলএ শিলাদিত্য দেব আরেক কাঠি বাড়িয়ে বলেন, নাগরিকপঞ্জি ‘হিন্দুদের বের করার এবং মুসলমানদের সাহায্য করার চক্রান্ত’। তবে তালিকায় নাম না থাকলেই বিদেশি বলে চিহ্নিত কিংবা বন্দিশিবিরে নেওয়া হবে না বলে ইতোমধ্যে আশ্বস্ত করেছে আসাম রাজ্য সরকার।

তালিকায় যাদের নাম নেই, তাদের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে বলা হয়েছে ১২০ দিনের মধ্যে। এই বিষয়ে শুনানির জন্য রাজ্যজুড়ে ১ হাজার ট্রাইব্যুনাল গড়ে তোলা হবে বলে জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যেই ১০০ ট্রাইব্যুনাল খোলা হয়েছে। আরও ২০০টি ট্রাইব্যুনাল সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই খোলার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে মামলায় হেরে গেলে হাই কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সুযোগও রয়েছে।

সিডিএল ট্রাস্টের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের সাথে সৃজনশীল বই বিষয়ে আলোচনা ও নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের সাথে বহিপীর ও কাকতারুয়া বইটির উপর পাঠচক্র

গতকাল ৩১ আগষ্ট শনিবার  সি.ডি.এল. ট্রাস্ট এর  উদ্যোগে এবং দিশা স্বেচ্ছাসেবী আর্থ সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় কুমারখালি বুজরুক বাঁখই কুষ্টিয়া হাইস্কুলে সকাল ১১টায় নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের সাথে সৃজনশীল  বই এর বিভিন্ন দিক  এবং কৌশল তুলে ধরে আলোচনা করেন ঝিনাইদহ নুরুন্নাহার মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অজয় কুমার বিশ^াস ও ১২টায় সেলিনা হোসেনের কাকতারুয়া উপন্যাসটির উপর পাঠচক্র  অনুষ্ঠিত হয়। স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী কাকতারুয়া বইটি নিয়ে এক অধ্যায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে দ্বিতীয় ও তৃতীয়  অধ্যায় নিয়ে আলোচনা করে  যথাক্রমে ইতি খাতুন ও শিউলী খাতুন। তিনি  শিক্ষার  বিভিন্œ কৌশল  সুন্দর উপস্থাপনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বই পাঠ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করেছেন। হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোনায়েম খান, সহকারী প্রধান শিক্ষক স্কুলের শিক্ষকমন্ডলীর আন্তরিকতা আমাদের অনুপ্রাণীত করেছে। ক্লাশের বই এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ভান্ডার কে সমৃদ্ধ করতে বই পাঠের বিকল্প নেই বলে বলা হয় এবং তাদের বেশী বেশী বই পড়ায় উৎসাহিত করা হয়। সৃজনশীল বই ও পাঠচক্র অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিডিএল ট্রাস্টের নির্র্বাহী পরিচালক আক্তারী সুলতানা। তিনি আর ও জানান এভাবে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে দিশা  সংস্থার  সহযোগিতায় সি ডি এল ট্রাস্ট শিক্ষার্থীদের সাথে  নিয়ে পাঠচক্র ও সৃজনশীল বই পরিচিতি সভা করতে আগ্রহী এবং সকল স্কুল কলেজের সহযোগিতা আশা করেন। এবং বলেন প্রতিটি স্কুলের আন্তরিকতা সহযোগিতায় আমরা মুগ্ধ। অনুষ্ঠানে   সিডিএল ট্রাস্ট নারী ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আজীবন সদস্য সাবিনা আক্তার ও সিডিএল ট্রাস্ট নারী ফোরাম সদস্য ও আজীবন সদস্য সাবেরা খানম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রত্যেক বক্তার পক্ষ থেকে একটি কথাই উচ্চারিত হয়েছে  পড়ার কোন বিকল্প নেই। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জানার শেষ নেই। অতএব জ্ঞান অণে¦ষনের জন্য বই এর বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের বেশী বেশী বই পড়া বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ঝিনাইদহে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ‘মানবতার জয়গানে স্বপ্ন আঁকি সকল প্রাণে’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে ৫০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার শহরের শিশুকল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের মাঝে এ শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন ‘আশ্রয়’ নামের একটি সমাজ কল্যাণ সংগঠন। ‘আশ্রয়’ এর সভাপতি শুভ কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র আলহাজ সাইদুল করিম মিন্টু, নিশচা জেলা শাখার সভাপতি সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এ্যাড. মনোয়ারুল হক লাল, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে সনাকের সহ-সভাপতি এম সাইফুল মাবুদ, সদস্য সুরাইয়া পারভীন মলি, যমুনা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি আহমেদ নাসিম আনসারী, ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর জুনিয়র ইনসটেক্টর পবিত্র কুমার বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে বিদ্যালয়ের ৫০ জন সুবিধা বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস, জুতা, স্কুল ব্যাগ, জ্যামিতি বক্স, পেন্সিল বক্স খাতা ও কলম বিতরণ করা হয়।

হিলারির প্রেসিডেন্ট দৌড়ের কাহিনী নিয়ে সিরিজ বানাচ্ছে নেটফ্লিক্স

ঢাকা অফিস ॥ মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে হিলারি ক্লিনটনের ব্যর্থতার কাহিনী অবলম্বনে সিরিজ বানানোর ঘোষণা দিয়েছে ভিডিও স্ট্রিমিং জায়ান্ট নেটফ্লিক্স। সাংবাদিক অ্যামি চোজিকের স্মৃতিকথামূলক বই ‘চেজিং হিলারির’ একটি অধ্যায়ের ওপর ভিত্তি করে নতুন এ সিরিজটি নির্মিত হবে, বলেছে তারা। চোজিক নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদক হিসেবে ২০১৬-র নির্বাচন কভার করেছিলেন, জানিয়েছে বিবিসি। নেটফ্লিক্স বলছে, হিলারির প্রেসিডেন্ট দৌড়ের ওপর ভিত্তি করে বানানো এ সিরিজটির নাম হবে ‘গার্লস অন দ্য বাস’; এতে এক প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে ৪ নারী সাংবাদিকের অনুসরণের কাহিনী দেখানো হবে। তুমুল লড়াইয়ের পরই ভিডিও স্ট্রিমিং প্রতিষ্ঠানটি চোজিকের বইয়ের স্বত্ব জিতে নেয়। নিউ ইয়র্ক টাইমস বইটির সঙ্গে হেলেন ফিল্ডিংয়ের জনপ্রিয় উপন্যাস ‘ব্রিজেট জোনসের ডায়েরি’র তুলনা করেছিল। নেটফ্লিক্স জানিয়েছে, চোজিক ‘গার্লস অন দ্য বাস’ সিরিজের নির্বাহী প্রযোজকের দায়িত্বে থাকবেন; তার সঙ্গে ‘দ্য ভ্যাম্পায়ার ডায়েরিজ’ এর নির্বাহী প্রযোজক জুলি প্যালেকও সিরিজটির চিত্রনাট্য লিখবেন। বিবিসি বলছে, ১৯৭২ সালে প্রকাশিত বই ‘দ্য বয়েজ অন দ্য বাস’ অনুকরণে নেটফ্লিক্সের এ সিরিজটির নাম নেওয়া হয়েছে। টিমোথি ক্রৌজের বইটি ১৯৭২ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুরুষ সাংবাদিকদের ভূমিকা অবলম্বনে লেখা হয়েছিল।

আগষ্ট মাসব্যাপী বঙ্গবন্ধু পরিষদের কর্মসুচীর সমাপনীতে নাসির উদ্দিন মৃধা

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও এফবিসিসিআইএর সাবেক পরিচালক যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ নাসির উদ্দিন মৃধা বলেছেন-বঙ্গবন্ধু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন আর এই ঐক্যবদ্ধের ফল হিসেবে আমরা লাল সবুজের বাংলাদেশ পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে, এই অর্জিত ফসলকে ধরে রাখতে হলে আমাদের সকলকে বঙ্গবন্ধুর  আদর্শের সৈনিক হতে হবে। তাঁর চেতনাকে আমাদের ধারন করতে হবে। বর্তমান প্রজম্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের শিক্ষায় গড়ে তুলতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ  মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত মাসব্যাপী কর্মসুচীর সমাপনী অনুষ্ঠান গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় কিছুক্ষন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সমাপনী দিনে বঙ্গবন্ধু পরিষদ সোনালী ব্যাংক ইউনিটের উদ্যোগে এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ সোনালী ব্যাংক ইউনিটের সভাপতি মুকুল হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুষ্টিয়া শাখার প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক, ইবি‘র ডেপুটি রেজিষ্ট্রার (আইন) ও ইসলামীয়া কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি শামসুর রহমান বাবু। বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুষ্টিয়ার সহসভাপতি এ্যাড, নজরুল ইসলাম,  বঙ্গবন্ধু পরিষদ অগ্রনী ব্যাংক ইউনিটের প্রধান উপদেষ্টা, ইসলামীয়া কলেজের সাবেক ভিপি ও শ্রমিক লীগ কুষ্টিয়া শাখার সাবেক সভাপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ সোনালী ব্যাংক ইউনিটের সহ-সভাপতি আব্দুল আজিজ শেখ, সহ-সভাপতি শামসুল আলম, সহসাধারন সম্পাদক আনিসুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অনুপম কুমার দাস, সহ-সম্পাদক শাহিনুর রহমান, সহ-সম্পাদক সানোয়ার হোসেন, সহ-সম্পাদক নুরুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক শাহাজাহান আলী, অগ্রনী ব্যাংক সিবিএ সভাপতি লুৎফর রহমান, সাধারন সম্পাদক শিহাবউদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ সোনালী ব্যাংক ইউনিটের সাধারন সম্পাদক আবুল কাশেম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ¦ নাসির উদ্দিন মৃধা বলেন, একজন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক তারা বীরের জাতি তারা কখন মাতা নত করেন না।  তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা দেশকে আজ এগিয়ে নিতে অগ্রনী ভুমিকা রেখে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বঙ্গবন্ধু পরিষদের মাসব্যাপী অনুষ্ঠানের ভুয়সী প্রশংসা করেন এবং এর নেপথ্যে থেকে যারা সব কর্মসুচী সফল করছেন তাদের প্রশংসা করেন।  তিনি নতুন প্রজম্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার আহবান জানান। মাসব্যাপী অনুষ্ঠানে শোক র‌্যালী, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

দৌলতপুরে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট এরশাদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রয়াত সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসাইন মহম্মদ এরশাদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে আল্লারদর্গায় উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক শাহরিয়ার জামিল জুয়েল। সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দৌলতপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপিত আলী আকবর, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন পিয়ার, দৌলতপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব নুর আলম প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে দলের সাবেক চেয়ারম্যান সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসাইন মহম্মদ এরশাদের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা ও উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করছে সরকার – গয়েশ্বর

ঢাকা অফিস ॥ আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক স্বার্থে রোহিঙ্গা সঙ্কট জিইয়ে রাখতে চাইছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি। নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানোর দ্বিতীয় দফা উদ্যোগ গত সপ্তাহে ভেস্তে যাওয়ার পর তা নিয়ে চলছে আলোচনা। বাংলাদেশে আগে থেকে চার লাখের মতো রোহিঙ্গা ছিল। দুই বছর আগে মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা অভিযানের পর সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে আসে। প্রাণ বাঁচাতে ছুটে আসা এই রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক কারণে সীমান্ত খুলে দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসা কুড়ায় বাংলাদেশ সরকার। তবে অনির্দিষ্টকালের জন্য এত শরণার্থী রাখা সম্ভবপর নয় বলে প্রত্যাবাসনে জোর দেওয়া হচ্ছে এখন। গয়েশ্বর বলেন, “আজকে বুঝতে হবে রোহিঙ্গারা যেতে চায় না কেন? তারা (রোহিঙ্গা) গেলে সেখানে আপনি (সরকার) কোনো রাজনৈতিক পুঁজি ব্যবহার করতে পারবেন না, এই ভয় থেকে তাদেরকে স্থায়ীভাবে এখানে রেখে জাতীয় সংকট সৃষ্টি করতে চান। সেই ধরনের কথা আছে।” রোহিঙ্গা সঙ্কট জটিল করার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যের পাল্টায় ইন্ধনদাতা হিসেবে সরকারকেই দায়ী করেন গয়েশ্বর। কক্সবাজারে শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গাদের সাম্প্রতিক সমাবেশের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “রোহিঙ্গাদের ইন্ধন দিচ্ছে স্বয়ং সরকার। যদি ইন্ধন না দেয়, তাহলে তারা লক্ষ লক্ষ লোক সমবেত হয়ে সমাবেশ করে কীভাবে? তারা মিছিল করে কীভাবে? “বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে অনুমতি দেয় না পুলিশ সভা-সমাবেশ করতে, অথচ রোহিঙ্গাদেরকে যখন সমাবেশ করতে দেন, আমি তো মনে করি এর পেছনে সরকারেরই ইন্ধন আছে অন্য কোনো কল-কাঠি নাড়ার।” রোহিঙ্গা সমস্যাটিকে ‘জাতীয় সঙ্কট’ আখ্যায়িত করে গয়েশ্বর বলেন, “সরকার যদি মনে করে এটা তার সমস্যা তাহলে বোকামি করবে। এই সমস্যাটা জাতীয় সমস্যা, এটা সমাধানের ক্ষেত্রে একটা কালেকটিভ লিডারশিপ দরকার।” তিনি বলেন, “ রোহিঙ্গারা ভিন দেশের লোক, তাদেরকে আশ্রয় দিতে হবে আবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তাদেরকে দেশে ফেরত পাঠাতে হবে। সেজন্য বিশ্বের যত বড় বড় শক্তিধর দেশ রয়েছে, তাদেরকে সাথে নিতে হবে এবং জাতিসংঘের মাধ্যমে সকল রাষ্ট্রকে সক্রিয় করেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান আমাদেরকে করতে হবে।” বিএনপিকে নিয়ে গড়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে বেরিয়ে যাওয়া আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর বক্তব্যের জবাবে গয়েশ্বর বলেন, “আপনার প্রতি সম্মান রেখে বলতে চাই, তারেক রহমানকে নেতা বানানোর জন্য আপনি ফ্রন্টে আসেন নাই, এটা আমরা জানি।আপনি আপনার রাজনৈতিক স্বার্থের বিবেচনায় এসেছিলেন, স্বার্থ বিবেচিত হয়নি। আপনি সেখান থেকে ব্যাক করবেন বা ফেরত যাবেন, এটা বুঝবার মতো সক্ষমতা আপামর জনগণের আছে।” তারেককে নিয়ে প্রশ্ন তোলার প্রতিক্রিয়ায় গয়েশ্বর বলেন, “আপনাকে (কাদের সিদ্দিকী) একটা কথা বলতে চাই, তারেক রহমানকে আপনি নেতা বানাবেন কেন? আপনার ঐক্যফ্রন্ট প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দেড় যুগ আগেই তারেক রহমান বাংলাদেশের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। “তিনি নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত বলেই তো পত্র-পত্রিকায় তাকে নিয়ে আলোচনা হয়, তার পক্ষে যেমন কথা হয়, তার বিপক্ষেও কথা হয়।” গয়েশ্বর বলেন, “বাংলাদেশে আজকে এইটুকু বুঝতে হবে তারেক রহমানের প্রতি যে দলের নেতা-কর্মীদের যে আস্থা এই আস্থা কেবল আবেগনির্ভর নয়, এই আস্থা বাস্তবতানির্ভর। তারেক রহমানকে নেতা আপনাকেবানাতে হবে না। নেতা তৈরি হয় জনগণের ইচ্ছার উপর, জনগণ যার উপর আস্থা পায়, তিনিই নেতা হন।” বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম ’৭১ এর চতুর্দশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে এই আলোচনা অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) আহসান হাবিব লিংকন, বিএনপির আবদুস সালাম আজাদ, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, কৃষক দলের খলিলুর রহমান, মৎস্যজীবী দলের রফিক উল্লাহ ভুঁইয়া, সংগঠনের সভাপতি ঢালী আমিনুল ইসলাম রিপন ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জিয়া বক্তব্য রাখেন।

বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে – কৃষিমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে নানাভাবে ষড়যন্ত্র চলছে। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য নানা দিক থেকে চক্রান্ত চালানো হচ্ছে। আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, স্বাধীনতা বিরোধীদের মোকাবিলা করতে হবে। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে পৃথিবীর কোনো শক্তি নেই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র এখনো হচ্ছে, দল যদি সুসংহত থাকে পৃথিবীর কোনো শক্তি নাই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে নামাতে পারবে। ২০২১ সালে আমরা নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ-২০৩০ সালে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ হবে। শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা ইন্দিরা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত, সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। ফজিলাতুন্নেছা ইন্দিরা বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার বন্ধ করে জিয়াউর রহমান প্রমাণ করেছিলেন তিনি এই হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সময় খালেদা জিয়া ক্ষমতায় ছিল। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এই হামলা চালানো হয়। এই গ্রেনেড হামলার দায়ে খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনা হোক।

ডেঙ্গু – এক মাসে সবচেয়ে কম রোগী

ঢাকা অফিস ॥ সারাদেশে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা কমার তথ্য দিয়েছে সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্যানুযায়ী, গতকাল শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৬০ জন ডেঙ্গু নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা গত এক মাসে সবচেয়ে কম। নতুন ভর্তি এই রোগীদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৪৯ জন এবং ঢাকার বাইরে ৪১১ জন। ঠিক এক মাস আগে ৩১ জুলাই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১৫৬২ জন। আর এই এক মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুই হাজার ৪২৮ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন গত ৭ আগস্ট। ২১ আগস্টের পর থেকে হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। সরকারি হিসাবে, চলতি বছর এপ্রিলে ৫৮ জন, মে মাসে ১৯৩ জন, জুনে ১৮৮৪ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। জুলাই মাসে তা এক লাফে ১৬ হাজার ২৫৩ জনে পৌঁছায়। অগাস্টে রোগীর সংখ্যা জুলাইয়ের তিন গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ৫১ হাজার ৭৩৪ জন হয়েছে। ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমতে থাকার এই প্রবণতার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, “হাসপতালে নতুন করে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা তো বেশ কমে আসছে। ডেঙ্গুতে আক্রান্তের ট্রেন্ড এখন কমার দিকে।” তবে গত শনিবারও নতুন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কম ছিল। ওইদিন এক হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তার আগের দিন ভর্তি হন ১৪৪৬ জন। গত শনিবারের পর রোগী ভর্তির সংখ্যা কিছুটা বেড়ে রোববার ভর্তি হয়েছিলেন ১২৯৯ জন, সোমবার ১২৫১ জন এবং মঙ্গলবার ১২৯৯ জন। অধ্যাপক আবদুল্লাহ বলেন, “সেটাও ঠিক। তুলনামূলক তো কমছে। অবশ্যই কমছে। অস্বীকার করার উপায় নাই। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি। এখন এমন তো নয় যে, হাসপাতালে সিট খালি নেই।” এ বছর ডেঙ্গু জ্বরে এখন পর্যন্ত ৯৬টি মৃত্যুর ঘটনার মধ্যে ৫৭ জনের মৃত্যু স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের ‘ডেথ রিভিউ’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে। চলতি বছর এ পর্যন্ত মোট ৭০ হাজার ১৯৫ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে অগাস্টেই ভর্তি হয়েছেন ৬৫ হাজার ১৫০ জন। হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম বলছে, বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত যারা ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৯৩ শতাংশই সুস্থ হয়েছেন। এখন সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে ৪৮৬০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন।

 

দুই পুলিশ সদস্য আহত

মন্ত্রীর গাড়ী বহরে বোমা হামলা

ঢাকা অফিস ॥ রাজধানীর সাইন্স ল্যাবের এলাকায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামের গাড়ী বহরে বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে মন্ত্রী অক্ষত থাকলেও আহত হয়েছে গাড়ীবহরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুই পুলিশ সদস্য। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে হামলার ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে, পরে ঢাকা  মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তারা হলেন- এএসআই শাহাবুদ্দিন (৩৫) ও কনেষ্টেবল আমিনুল (৪০)। ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া চিকিৎসকের বরাতে জানান, এএসআই শাহাবুদ্দিনের দু’পায়ে ও কনুই এবং কনেষ্টেবল আমিনুলের হাতে বোমার আঘাত লেগেছে।

রোগ নির্ণয়ে নমুনা সংগ্রহ

দৌলতপুরে ছাতারপাড়ার দাঁড়পাড়া গ্রামে আইইডিসিআর’র প্রতিনিধি দল

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের আলোচিত ছাতারপাড়ার দাঁড়পাড়া গ্রামে শিশুসহ ৪০ জন নারী-পুরুষ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রন ও গবেষণা ইনষ্টিটিউট (আইইডিসিআর) এর ৪ সদস্যের বিশেষজ্ঞ একটি প্রতিনিধি দল ওই গ্রামে গিয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে তারা ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ায় পৌঁছান। গতকাল শনিবার সকালে টীমের সদস্যরা উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের ছাড়ারপাড়ার দাঁড়পাড়া গ্রামের এতো মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্তের ঘটনার কারণ, এডিস মশা ও লার্ভা অনুসন্ধনের জন্য দিনভর আলামত সংগ্রহ করছেন। আজ রবিবারও ওই গ্রামে আলামত সংগ্রহের কাজ করবেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আক্রান্ত রোগীদের কাছ থেকে তথ্য অনসুন্ধান করছেন। আইইডিসিআর এর এপিডেমিওলজি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডাঃ অনুপম সরকারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন, মেডিকেল এপিডেমিওলজি ডাঃ দীপংকর দাস, স্যাম্পল কালেক্টর মাহবুব আলম খান ও ডাটা কালেক্টর শাহাদত হোসেন। ডাঃ অনুপম সরকার বলেন, এই গ্রামে কেন এতো বেশি সংখ্যাক রোগী সে বিষয়ে অনুসন্ধান ও কীটতত্ত্ব বিষয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হবে। পরবর্তীতে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার মাধ্যমে এর সঠিক কারন জানা যাবে। এদিকে শনিবার দাঁড়পাড়া গ্রাম থেকে আরো ১০ জনকে ডেঙ্গু সন্দেহে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। শনিবারও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছাড়ারপাড়া ও এর আশপাশের গ্রামে পরিস্কার পরিচ্ছনতা অভিযান, এডিস মশা ও তার লার্ভা নিধনে ঔষধ স্প্রে এবং জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম চালানো হয়েছে। রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ডেঙ্গু রোগী শনাক্তে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে টিম কাজ করছেন।

শিশু নির্যাতনে বাবা-মাকেও আইনের অধীনে আনার সময় হয়েছে – বিচারপতি

ঢাকা অফিস ॥ শিশু নির্যাতনের জন্য বাবা-মাকেও আইনের অধীনে আনার পক্ষে মত জানিয়েছেন উচ্চ আদালতের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ। শিশু সুরক্ষায় উন্নত বিশ্বে এই ধরনের আইন থাকলেও বাংলাদেশে নেই; এখন তা প্রণয়নের সময় এসেছে বলে গতকাল শনিবার শিশু আইন নিয়ে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে মত প্রকাশ করেন এই বিচারপতি। শিশু সন্তান নিয়ে মা-বাবার প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাই কোর্টের এই বিচারক বলেন, “অনেক মা-বাবাই তার শিশু সন্তানটিকে সম্পত্তি মনে করেন। শাসনের নামে নির্যাতন করেন। কিন্তু সন্তান কখনও সম্পত্তি নয়। বিশ্বের অনেক দেশেই অভিভাবকদের এমন নির্যাতন আইন করে বন্ধ করা হয়েছে। আমাদের দেশের প্রচলিত আইনে শিশুর নিজেরই সুরক্ষা পাবার আইনগত অধিকার রয়েছে। এখন সময় এসেছে মা-বাবাকে আইনের মধ্যে নিয়ে আসার।” সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে ‘ডাইভারশন ফ্রম দ্য পুলিশ স্টেশন আন্ডার দ্য চিলড্রেন অ্যাক্ট ২০১৩’ শিরোনমে এ কর্মশালার আয়োজন করে শিশু অধিকার বিষয়ক সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ কমিটি ও ইউনিসেফ। শিশুরা অপরাধ করলে তার বিচারের ক্ষেত্রেও প্রচলিত পদ্ধতি পরিবর্তনের উপর জোর দেন বিচারপতি হাসান আরিফ। তিনি বলেন, ‘শিশুদের ক্ষেত্রে রেস্টিটিউটিভ জাস্টিসকে (সংশোধনমূলক বিচার) বিবেচনায় নিতে হবে। অর্থাৎ শাস্তি না দিয়ে তাদের সংশোধনমূলক পন্থায় নিতে হবে।” কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্ট স্পেশাল কমিটি ফর চাইল্ড রাইটস (এসসিএসসিসিআর)’র চেয়ারপারসন মোহাম্মদ ইমান আলী। তিনি বলেন, “শিশুরা ক্রাইম করার প্রবণতা নিয়ে জন্মায় না। ক্রিমিনাল (অপরাধী) হয়ে জন্মায় না। পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে তারা ক্রাইমে জড়িয়ে যায়। এর জন্য দায়ী কে, সেটাও আমাদের চিন্তা করতে হবে। “অনেক সময় মা-বাবার সঠিক পরিচর্যার অভাবে শিশু খারাপ পথে চলে যায়। তাই শিশুকে কোর্ট-কাচারিতে পাঠানো সমীচীন নয়, বিকল্প পন্থায় তাদের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ।” নিউজিল্যান্ডের শিশু আদালতে বিচার পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আপিল বিভাগের এ বিচারক বলেন, সে দেশে থানা থেকেই ৭০-৭৫ শতাংশ শিশুকে  মামলা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। আর যে  ২৫ শতাংশ থাকে তাদের থেকে আবার ১০-১৫ শতাংশ শিশুকে ডাইভারশনের (বিকল্প পন্থায়) মাধ্যমে অব্যাহতি দেওয়া হয়। শিশুদের নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে সংবেদনশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরে পুলিশ ও সমাজসেবা কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন বিচারপতি ঈমান আলী। তিনি বলেন, “আমরা সবাই জানি শিশুরা নিষ্পাপ হয়, অবুঝ হয়। সবসময় ঠিক চিন্তাভাবনা করে কোনো কাজ তারা করে না। এই কথাগুলো আমাদের মনে রাখতে হবে। খারাপ পথে গেলে শিশুদেরকে কিভাবে ভাল পথে নিয়ে আসা যায়, সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে। আর প্রবেশন অফিসার ও শিশুদের নিয়ে কাজ করা পুলিশ সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে হবে।” কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী, ঢাকা মহানগর পুলিশের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ফরিদা ইয়াসমিন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (ইনস্টিটিউশন) মো. আবু মাসুদ, ইউনিসেফ বাংলাদেশের শিশু সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ শাবনাজ জাহেরীন।