এশিয়ার দেশে দেশে ডেঙ্গুর ভয়াল ছোবল

ঢাকা অফিস ॥ এ বছর এশিয়ার, বিশেষত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে দেশে ভয়াল ছোবল হেনেছে ডেঙ্গু। বাংলাদেশের পাশাপাশি থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, চীন, মিয়ানমার, সিঙ্গাপুর ও ফিলিপাইনে লাখ লাখ লোক এই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। ইতোমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন অনেকেই। তবু মিলছে না পরিত্রাণ, প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। সরকারের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু সতর্কতা জারি করা হয়েছে এসব দেশে। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, প্রতি বছর বিশ্বে ৩৯ কোটি লোক ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে থাকেন। এ ছাড়া আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন ১২৮টি দেশের প্রায় চারশ কোটি লোক। বাংলাদেশে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ হাজার। সরকারের হিসাবে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ১৪ জনের মৃত্যুর তথ্য এলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমের হিসাবে মৃতের সংখ্যা অর্ধশত ছাড়িয়েছে। চলতি মৌসুমে থাইল্যান্ডে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার লোক, যার মধ্যে মারা গেছেন ৬২ জন। সিঙ্গাপুরে আক্রান্ত ১০ হাজার রোগীর মধ্যে মারা গেছেন ৯ জন। ভিয়েতনামে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার এবং মারা গেছেন চারজন। ভারতে ৭ হাজারের বেশি আক্রান্তের মধ্যে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১৪ জন। মিয়ানমারে ডেঙ্গু আক্রান্ত চার হাজারের মধ্যে ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মালয়েশিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন চার হাজার, মারা গেছেন একজন। শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সেখানে ডেঙ্গু জ্বরে ২২ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। থাইল্যান্ডে আক্রান্তের সংখ্যা বছরশেষে লক্ষাধিক ছাড়াবে বলে আশঙ্কা করছেন কর্মকর্তারা। ফিলিপাইনে রীতিমতো মহামারি আকার ধারণ করেছে ডেঙ্গু । দেশটির লক্ষাধিক লোক আক্রান্ত হয়েছেন এ রোগে, অর্ধ সহস্র মারা গেছেন ইতোমধ্যেই। কর্মকর্তারা জানান, এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক বেড়েছে যা ২০১৮ সালের তুলনায় প্রায় ৮৫ শতাংশ বেশি। ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও কিশোররা। মোট ডেঙ্গু রোগীর ৩৯ শতাংশের বয়স পাঁচ থেকে নয় বছরের মধ্যে। সারা বছর মশাবাহিত এ রোগের আশঙ্কা থাকলেও মূলত বর্ষাকালেই ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে। বিগত কয়েক দশক ধরেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বর্ষাকালে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে ডেঙ্গুর উপদ্রব। সবচেয়ে বড় আশঙ্কার কথা, আক্রান্ত দেশগুলোতে এডিস মশা নিধনে কোনো কাজ করছে না প্রচলিত ওষুধ। এসব দেশেও মশা নিধনে বাংলাদেশের মতোই ডেল্টামেথ্রিন ও মেলাথিউন ব্যবহার করা হয়। কিন্তু গত কয়েক বছরে এসব ওষুধ-প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে এডিস মশা। ফলে মারাত্মক রূপ নিচ্ছে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা। ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস এন্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজের (আইএফআরসি) এশিয়া-প্যাসিফিকের স্বাস্থ্য সমন্বয়ক তারহি হেইনাসমাকি জানান, জলবায়ু পরিবর্তন ও ভাইরাসের কারণে মহামারী রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু । ২৫ থেকে ১৯ ডিগ্রি তাপমাত্রায় থাকা সব দেশেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।

এক কেজি চা বিক্রি হলো ৮৫ হাজার ২৭১ টাকায়!

ঢাকা অফিস ॥ এক কেজি চা বিক্রি হলো ৮৫ হাজার ২৭১ টাকায়। চায়ের ইতিহাসে এটি এযাবতকালের সর্বোচ্চ মূল্য বলে বলা হচ্ছে। এর আগে ভারতের আসাম রাজ্যের রাজধানী গুয়াহাটিতে এক চা নিলাম বাজারে এক কেজি মনোহারী স্পেশালিটি চা বিক্রি হয়েছিল ৫০ হাজার রুপিতে অর্থাৎ ৬০ হাজার ৪৭৫ টাকায়। আর এবার সে রেকর্ডকে ছাপিয়ে গেল ওই একই রাজ্যের ডিব্র“গড় জেলায় হাতে তৈরি ‘মাইজান গোল্ডেন টিপস চা’। বুধবার এ রেকর্ড ভাঙে ‘মাইজান গোল্ডেন টিপস চা’। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুয়াহাটির চা নিলাম কেন্দ্রের সম্পাদক দীনেশ বিহানি। ভারতীয় গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, বুধবার এই প্রথম ৭০ হাজার ৫০১ রুপি (৮৫ হাজার ২৭১ টাকা) কেজিতে বিক্রি হলো মাইজান গোল্ডেন চা। এটিই এযাবৎকালের সর্বোচ্চ মূল্যে বিক্রি হওয়া চা। মোট এক লাখ ৪১ হাজার টাকায় দুই কেজি মনোহারী চা কেনেন এক গুয়াহাটির মুন্দ্রা টি কোম্পানি। বেলজিয়ামের ক্রেতার জন্য কোম্পানিটি তা কিনে নেন বলে আমরা জেনেছি। এই চা ‘অর্থোডক্স’ চা বলে পরিচিত বলে জানান তিনি। তিনি যোগ করেন, এবার মাইজান গোল্ডেন টিপস চা বাগানে মাত্র ২ কেজি এই চা উৎপাদিত হয়েছে। এই চা উৎপাদনে প্রচুর সময় ও শ্রম লাগে। তাই সচরাচর তা উৎপাদন করা হয় না। জানা গেছে, মাইজান গোল্ডেন টিপস চা নামের এই মনোহরী চায়ের রং কাঁচা সোনার মতো। এটি তৈরিতে কোনো

ঠাকুরগাঁওয়ে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ৮

ঢাকা অফিস ॥ ঠাকুরগাঁওয়ে যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৮ জন নিহত হেেয়ছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৭ জন। আহতদের ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও রংপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি আশিকুর রহমান গণমাধ্যমকে এ দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল শুক্রবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কুমিল্লাহাড়ী বলাকা উদ্যান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, ডিপজল এন্টারপ্রাইজের বাসটি ঢাকা থেকে ছেড়ে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছিল। আর নিশাত পরিবহনের বাসটি ঠাকুরগাঁও থেকে ছেড়ে দিনাজপুর যাচ্ছিল। খোঁচাবাড়ি এলাকায় পৌঁছলে বাস দুটি মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় দুই বাসের মধ্যখানে পড়ে যায় একটি মোটরসাইকেল ও একটি যাত্রীবাহী থ্রি হুইলার। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ছয়জন মারা যান। আহতদের ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান আরও একজন। এ ছাড়া রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে আবদুল মজিদ (৬১) নামে আরও একজন মারা যান। তার বাড়ি সদর উপজেলার আকচা গ্রামে। ইতিমধ্যে হতাহতদের কয়েকজনের পরিচয় জানা গেছে। নিহতের মধ্যে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বেংরোল গ্রামের দুজন ও সনগাঁও গ্রামের তিনজন এবং একজন লাহিড়ী গ্রামের। নিহতরা হলেন- বালিয়াডাঙ্গী শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের ছাত্র আবদুর রউফ ও সদর উপজেলার খোঁচাবাড়ি গ্রামের ক্ষিতিশ চন্দ্র রায় (৪৭), নিশাত নামে বাসের চালক চায়না (৩৫), ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বিপুল চন্দ্র (৩৫), আবদুর রহমান (৪৫), মোস্তফা (৪৫), তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪০), বীরগঞ্জ উপজেলার গলিরামের মঙ্গলী রানী (৭০), একই এলাকার মনেস্বরের স্ত্রী জবা (৩৫), আবদুল মজিদ (৬১) । আহতদের অনেকের বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদর ও বালিয়াডাঙ্গী এবং দুজনের বাড়ি দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায়। ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা হলেন- আনোয়ার, জিনিয়া, বেলাল, কমলা, আবুল কাশেম, বিশ্বাস রায়, অখিল চন্দ্র রায়, কার্তিক, সোহেল, ফরিদুল, রেজাউল, জেবুননেছা, সাথি, মিলন, আবদুল হামিদ, আতিকুর, একতাসহ ২২ জন। এদিকে দুঘর্টনায় পতিত বাস দুটি রাস্তায় পড়ে থাকায় বেলা ১১টা পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কে যোগাযোগ বন্ধ ছিল। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সকর্মীরা রাস্তায় থাকা নৈশ্য কোচ ও বাসটি সরিয়ে নিলে যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়। নিহতদের ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়েছে। সদর উপজেলা জগন্নাথপুর ইউপি সদস্য আনিসুর রহমান বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ডিপজল পরিবহন নামের নেশ্য কোচের চালকের অসতর্কতার জন্য এ ঘটনা ঘটে। তিনি জানান, নিশাত পরিবহন বাসের মালিক ঠাকুরগাঁওয়ের মিন্টু। তার বাড়ি আশ্রমপাড়া মহল্লায়। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক কেএম কামরুজ্জামান সেলিম, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল আল মামুন, ওসি আশিকুর রহমান ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকাজের তদারকি করেন।

খেলাঘর আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

কেন্দ্রীয় খেলাঘর আয়োজিত গতকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফিহাদ ফকরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা। বিশেষ অতিথি ছিলেন খেলাঘর আসর কুষ্টিয়ার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম সভাপতি,  কেন্দ্রীয় সদস্য হাসানুজ্জামান, অভিজিৎ বর্মন, কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের শিক্ষক মীর জাহিদ, ওয়াকিল মুজাহিদ, রফিকুল ইসলাম, ব্যাংকার আব্দুল মোমেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র এবং বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হবে আগামী ১১ আগষ্ট কুষ্টিয়া সদর উপজেলা অডিটরিয়ামে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ডেঙ্গু প্রতিরোধে আঙ্গিনা পরিস্কারে নেমে পড়লেন রতনদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নিলুফা

ফজলুল হক ॥ কয়েকদিন ধরে সারা দেশে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের হার ভয়াবহ অবস্থায় বেড়ে চলেছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে নানা কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। রাজবাড়ী জেলার কালুখালীতে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা আওয়ামীলীগ বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল বিকেলে উপজেলার ১নং রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের আশপাশ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা করতে ইউপি চেয়ারম্যান মেহেদী হাচিনা পারভীন নিলুফা নিজ হাতে এ কাজ করতে দেখা যায়। এছাড়াও তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আঙ্গীনা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করতে সকলকে উদ্বুদ্ধ করেন। এ ব্যাপারে তার সাথে কথা হলে তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে ডেঙ্গু একটি ভয়বহ রূপ নিয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের সকলকে কাজ করতে হবে। সরকার বা প্রশাসন একা এই কাজ সaম্পন্ন করতে পারে না। আমাদের নিজেদের বাড়ীর আশপাশ আমাদের নিজেদের সুবিধার্থে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করতে হবে। যাতে করে ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে না পারে। সর্বশেষ তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।

বিরোধী দলীয় রাজনীতি অনৈক্যের চোরাবালিতে আটকা – মান্না

ঢাকা অফিস ॥ বাংলাদেশের বিরোধী দলীয় রাজনীতি অনৈক্য ও আপসকামিতার চোরাবালিতে আটকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন সরকারবিরোধী জোটের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জোটের শরিক দল নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক একথা বলেন। তিনি বলেন, “আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, রুখে দাঁড়াবার এখনই সময়। একথা সত্য, বিরোধী দলীয় রাজনীতি আজ অনৈক্যের কানা গলিতে আর আপসকামিতার চোরাবালিতে আটকে গেছে। রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকলে এবং নিয়মিত গণতন্ত্রের চর্চা থাকলে সরকার আজ এতখানি স্বৈরাতান্ত্রিক আচরণ করতে পারত না।” জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট কার্যকর আছে কিনা এবং থাকলে অনৈক্যের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন,  “জোট তো আছে। ঐক্যে ফাটল ধরেছে, বলিনি। বলেছি যে, রাজনৈতিক দলগুলো অনৈক্যের চোরাবালিতে আটকে গেছে, আপসকামিতার ইয়েতে ঢুকে গেছে। আপসকামিতা একটা ব্যাপক শব্দ। এটা সরকারের সাথে হতে পারে, অন্যদের সাথে হতে পারে, নিজেদের মধ্যে হতে পারে, কিন্তু সেটা খুবই দরকার ছিল সম্ভবত ৩০ ডিসেম্বরের ঘটনার পর আন্দোলনের মাঠে থাকা। সেটা তো আমরা আসলে থাকতে পারিনি-এটাই বুঝাতে চেয়েছি।” বিএনপি বিরুদ্ধে সরকারের সঙ্গে আপস করার অভিযোগ তুলছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মান্না বলেন, “এরকম কোনো প্রমাণ নিয়ে কথা বলছি না। আমি বলছি যে, স্বাভাবিকভাবে বিষয়টা কী হয়- ধরেন যা অন্যায় হচ্ছে সবকিছুর বিরুদ্ধে যে লড়াইটা করবার কথা সেটা যখন আপনি করছেন না। তার মানে ওই নীতির জায়গায় তো আপনি আপস করছেন। এখন কোনো মন্ত্রীর সাথে কথা বললেন, না কার সাথে কথা বললেন- এটা দেখছি না। সার্বিকভাবে পরিস্থিতিটা হচ্ছে, এটা একধরনের সমর্পণবাদিতা, একধরনের আপসকামিতা।“ জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মানিক মিয়া হলে সংবাদ সম্মেলনে দলের উপদেষ্টা এস এম আকরাম, কেন্দ্রীয় নেতা মোমিনুল ইসলাম, মোফাখারুল ইসলাম নবাব, শহীদুল্লাহ কায়সার, জাহিদ-উর রহমান ও জিল্লুর চৌধুরী দিপু উপস্থিত ছিলেন।

 

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির

ঢাকা অফিস ॥ সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টায় রাজধানীর ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ প্রচার: অবিলম্বে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ণ করুন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবির কথা জানান কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই লিখিত বক্তব্য পাঠকালে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে ধর্মীয় সহিংসতা সৃষ্টি করে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকেও তারা যথেষ্ট সুরক্ষা পাচ্ছে না। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত সম্প্রীতির বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন বন্ধে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন। বর্তমানে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার ও তাদের বাড়িঘর দখলের সঙ্গে সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা জড়িত কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে শাহরিয়ার কবির বলেন, সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন ও তাদের জমিজমা, ঘরবাড়ি দখলে এক নম্বরে রয়েছে বিএনপি-জামায়াত, এ কাজ করেছে জাতীয় পার্টিও। পাশাপাশি সরকারদলীয় লোকজনও জড়িত বলে আমরা ইতোপূর্বে বিভিন্ন সেমিনারে বিষয়টি তুলে ধরেছি। ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন বলেন, ইতোপূর্বে একটি অনলাইন পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন করা হয়। তখন আমি ও দৈনিক জনকন্ঠের সম্পাদক স্বদেশ রায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যানের কাছে এর প্রতিকার চেয়ে পাইনি। আমি যদি প্রতিকার না পাই, তাহলে একজন প্রান্তিক জনগোষ্ঠী কিভাবে এর প্রতিকার পাবে? তাহলে ধরে নিতে হবে যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হয়তো এর প্রতিকার করতে ব্যর্থ, না হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তাদের পক্ষেই কাজ করছে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহ-সভাপতি শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাদিয়া চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মান্নান প্রমুখ।

 

দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবি’র মৎস্য চাষ ও গরু মোটাতাজাকরণ প্রশিক্ষন কর্মশালার উদ্বোধন

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবি’র ব্যবস্থাপনায় মৎস্য চাষ ও গরু মোটাতাজাকরণ প্রশিক্ষন কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪টায় উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ভাগজোত বাজারে সপ্তাহব্যাপী এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. রফিকুল আলম (পিএসসি)। এসময় উপস্থিত ছিলেন, দৌলতপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আজগর আলী, রামকৃষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন মাষ্টার, মহিষকুন্ডি বিজিবি কোম্পানী কমান্ডার জাহাঙ্গীর আলম ও ইনসাফনগর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক রেজাউল হক।

শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে ৭নং ওয়ার্ড আ’লীগের প্রস্তুতি সভা

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের অফিসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মো: আবুল কাশেম মৃধার সভাপতিত্বে প্রস্তুতিমুলক সভায় বক্তব্যে রাখেন এ,এস,এম সামসুর জোহা, শেখ আনোয়ার হোসেন, পিয়ার আলী জোমারত, গোলাম সারোয়ার, শেখ জামাল উদ্দিন হায়দারী, শেখ গোলাম মোহাম্মদ মুনি,এ্যাড. আতিয়ার রহমান, বিশ্বজিৎ ঘোষ, হাজী সিরাজুল ইসলাম, শেখ আব্দুল হালিম, বাবলু মোল্লা, আব্দুল কাদের আইনুদ্দিন, ফজলুর রহমান তালুকদার, মাজেদুল ইসলাম লতিফ, আলিফ। বক্তাগন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন উপলক্ষে সকলকে একত্রে শ্রদ্ধার সাথে দিনটি পালনে আহবান জানান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে – মমতা

ঢাকা অফিস ॥ ভারতের পশ্চিবঙ্গে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের মশা রাজ্যে ডেঙ্গু ছড়ানোয় সক্রিয় ভূমিকা রাখছে বলে আশঙ্কা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আনন্দবাজার জানায়, বৃহস্পতিবার ‘সবুজ বাঁচাও’ অভিযানের ডাক দিয়ে বিড়লা তারামন্ডল থেকে নজরুল মঞ্চ পর্যন্ত পদযাত্রা করেন মমতা। মিছিল শেষে দেওয়া বক্তৃতায় নানা বিষয় নিয়ে কথা বলার সময় তিনি রাজ্যে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “বাংলাদেশে খুব ডেঙ্গু হচ্ছে। আমাদের বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। “সীমান্ত এলাকায় ওপার থেকে মশা এপারে আসে, আবার এপার থেকে ওপারে যায়। এছাড়া দুই দেশের অনেক লোকও যাতায়াত করে। তাই বাংলাদেশে কিছু হলে এখানে তার প্রভাব পড়ে। এজন্য সীমান্ত এলাকাগুলোতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে।’’ ডেঙ্গু মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন হওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন মমতা। আনন্দবাজারের তথ্যানুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা সাতশ ছাড়িয়েছে। তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী এসেছে  উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হাবড়া থেকে। সরকারি তথ্যানুযায়ী, মোট ডেঙ্গু রোগীর ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ হাবড়ার বাসিন্দা। এছাড়া, জেলার ব্যারাকপুরে ৫৬, অশোকনগর-কল্যাণগড়ে ৫৬, টিটাগড়ে ৫৩, পানিহাটিতে ৪০, ভাটপাড়ায় ৩৮, খড়দায় ৩৬ এবং বিধাননগরে ৩০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় এবার তুলনমূলক ভাবে ভালো অবস্থায় রয়েছে দমদম, দক্ষিণ ও উত্তর দমদমপুর এলাকা। বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছর এ পর্যন্ত সেখানে ১৯ হাজার ৫১৩ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যুর তথ্য দিলেও গণমাধ্যমে মৃতের সংখ্যা অর্ধশত ছাড়ানোর খবর আসছে। রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি।  বিভিন্ন জেলাও যা ছড়িয়ে পড়েছে।

দিল্লিতে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যু বিনামূল্যে

ঢাকা অফিস ॥ দুইশ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী বাসিন্দাদের এখন থেকে এক পয়সাও বিল গুনতে হবে না বলে জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কারও মাসিক বিল ২০১ থেকে ৪০০ ইউনিটের মধ্যে থাকলে তার মিলবে ৫০ শতাংশ ছাড়। এজন্য দিল্লি সরকারকে বছরে এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার কোটি রুপি ভর্তুকি দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন আম আদমি পার্টির এ প্রধান। বৃহস্পতিবার তিনি দিল্লির স্বল্প পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য তার সরকারের তরফ থেকে ভর্তুকির এ ঘোষণা দেন, জানিয়েছে এনডিটিভি, আনন্দবাজার। “বৃহস্পতিবার থেকে দিল্লিতেই বিদ্যুতের দাম দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম। ভিআইপি কিংবা বড় বড় রাজনীতিবিদদের যখন বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়া হয়, তখন কেউই কিছু বলেন না। তাহলে সাধারণ মানুষকে কেন বঞ্চিত করা হবে? যে সাধারণ মানুষরা ২৪ ঘণ্টাই কাজ করেন, আমি তাদেরকে একই ধরনের সুবিধা দিতে চাই,” বলেন দিল্লি মুখ্যমন্ত্রী। নতুন এ পদক্ষেপের ফলে দিল্লির ৩৩ শতাংশ বাসিন্দা সরাসরি উপকৃত হবেন; শীতকালে উপকারভোগীদের সংখ্যা গিয়ে পৌঁছাবে প্রায় ৭০ শতাংশে, বলেন কেজরিওয়াল। “শীতকালে দিল্লির প্রায় ৭০ শতাংশ বাসিন্দা ২০০ ইউনিটের কম বিদ্যুৎ খরচ করেন,” বলেছেন তিনি। এনডিটিভি বলছে, ২০১৫ সালে দিল্লিতে আম আদমি সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই বিদ্যুৎ বিলে নানা ধরনের ভর্তুকি দেয়ার প্রকল্প চালু হয়। কেজরিওয়ালের সরকার এ বছরের জুন থেকে দিল্লিতে সরকারি বাস ও মেট্রোতে দরিদ্র নারীদের বিনামূল্যে চলাচলেরও ব্যবস্থা করে দিয়েছে।

হালসা ও কুর্শায় আইন শৃংখলা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সভা

মিলন আলী ॥ ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে আইন শৃংখলার উন্নয়ন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালামের উদ্যোগে হালসা বাজার, ইশালমারী বাজার, আলমা বাজারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমবাড়ীয়া ইউপির চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মিলনের সভাপতিত্বে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, মাদক বিরোধী ও আইন শৃংখলা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম। হালসা পুলিশ ফাঁড়ি টুআইসি সৌমেন কুমারের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সুরঞ্জন কুমার, আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মুকেশ কুমার, যুব লীগের সাবেক আহবায়ক ডা: রাশেদুজ্জামান পলাশ।

জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে ফুলবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রস্ততি সভা

মিরপুর প্রতিনিধি ॥ স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকীতে “জাতীয় শোক দিবস” উদযাপন উপলক্ষে কুষ্টিয়ার মিরপুরে ফুলবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয় হলরুমে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি চিত্ত রঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস কিভাবে পালন করা যায় সে ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনায় সভার প্রধান অতিথি উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও অত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি আতাহার আলী বলেন, যেকোন সময়ের চেয়ে আমাদের মধ্যে দেশপ্রেম ও নিজস্ব সংস্কৃতির প্রতি আন্তরিকতা ও ভালবাসা বহুগুনে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা আমাদের জন্য অনেকটা প্রাপ্তির বিষয়। একটা সময় মাদরাসা সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জাতির পিতার শোক দিবস পালন করা হতো না। সে প্রেক্ষাপট এখন আর নেই। এখন অনেকটাই এ বিষয়ে আমরা এগিয়ে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যাদের জন্য আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি সে সব বীর এবং তাদের পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করা হবে। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পন করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করা হবে। ফুলবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের সঞ্চালনে প্রস্তুতি সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য জাহিদ সর্দার, আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নুরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি জহির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সাদমী ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোর্শেদ আলী। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা শহীদুল ইসলাম, শহিদ মেম্বার, আমিরুল ইসলাম, কুতুব উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, মারজুল মন্ডল, হান্নান মালিথা, আব্দুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম, আব্দুল গণি, ইসমাইল গাজী, আবুল কাসেমসহ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী আটক

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে মনিরুল ইসলাম (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী আটক হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেল পৌনে ৬টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের সীমান্ত সংলগ্ন জামালপুর গ্রামের বাঁশবাগানে জামালপুর বিওপি’র টহল দল অভিযান চালিয়ে মাত্র ৪পিস ইয়াবাসহ তাকে আটক করে। সে একই গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে। পরে তাকে দৌলতপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

দোলন সভাপতি ॥ সাধারণ সম্পাদক তোতা

কুষ্টিয়ায় রেস্তোরা মালিক সমিতির সভা

বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি কুষ্টিয়া জেলা শাখার নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের চিলিস ফুড পার্কে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ¦ কুতুব উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক দারা উদ্দিন তোতা, সহ-সভাপতি বাদশাহ, সহ-সাধারণ সম্পাদক রাশেদ আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম জুয়েল, ধর্ম সম্পাদক চয়ন, ক্রিড়া সম্পাদক শ্যাম কুমার ঘোষ, সদস্য আলতাব হোসেন, কামরুল ইসলাম, হিরক, আব্দুর রহমান প্রমুখ। এদিকে অসুস্থতার কারণে জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ¦ কুতুব উদ্দিন পদত্যাগ করলে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে চিলিস ফুড পার্কের স্বত্ত্বাধীকারী শফিকুজ্জামান দোলনকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সভাপতি  অমর কুন্ডু ॥ সাধারণ সম্পাদক  কার্তিক কুন্ডু

ভেড়ামারায় বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আল-মাহাদী ॥ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় গতকাল শুক্রবার সকালে ভেড়ামারা শ্রী শ্রী জগৎ জননী মাতৃমন্দির প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ ভেড়ামারা উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন-১৯। উক্ত সম্মেলনে শ্রী অমর কুন্ডুকে সভাপতি, শ্রী কার্তিক কুমার কুন্ডুকে সাধারণ সম্পাদক, শ্রী প্রদীপ সরকার ও শ্রী উত্তম দেবনাথকে যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে কার্যকরী কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটি ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানটির উদ্বোধক ও বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি শ্রী নরেন্দ্র নাথ সাহা। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন, কুষ্টিয়া আইনজীবি সমিতি’র সভাপতি ও কুষ্টিয়া জজ কোটের পি.পি এ্যাড. অনুপ কুমার নন্দী। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. জয়দেব বিশ^াস। বিশেষ অতিথি ছিলেন এ্যাড. সুধির কুমার শর্মা, স্বপন কুমার ঘোষ, বিশ^জিৎ বিশ^াস, দুলাল দেবনাথ, নিলয় কুমার সরকার, গৌতম চাকী, বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিন্দ্রনাথ সেন, অসিত সিংহ রায় ও এ্যাড. শীলা বসু। এ সময় উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

দৌলতপুরে পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার : ৪৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পুলিশের পৃথক অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার হয়েছে এবং উদ্ধার হয়েছে ৪৪ বোতল ফেনসিডিল। গতকাল শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের সীমান্ত সংলগ্ন জামালপুর নতুন মসজিদপাড়া এলাকার মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল কুদ্দুস ওরফে কুদুর বাড়িতে দৌলতপুর থানার এস আই প্রকাশ ও এস আই আজাদ অভিযান চালিয়ে গরুর গোরা বা নান্দার ভেতর থেকে ৪৪ বোতল ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী কুদু (৪৮) কে গ্রেফতার করেছে। সে একই এলাকার মৃত মোমবারী মন্ডলের ছেলে। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা জানিয়েছে মাদক ব্যবসায়ী কুদুর বাড়ির আঙিনায় গরুর গোরা বা নান্দার ভেতর থেকে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার হলে সেখান থেকে পুলিশের সোর্সের মাধ্যমে বাঁকী ফেনসিডিল গায়েব করা হয়। তবে ফেনসিডিল গায়েবের বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযানে থাকা দৌলতপুর থানার এস আই আজাদ বলেন, স্থানীয় বিজিবি ও মসজিদের মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ফেনসিডিল উদ্ধার ও গণনা করা হয়েছে। অপরদিকে দৌলতপুর থানার এস আই আজাদ দৌলতপুর থানার ওসি মো. আজম খানের নির্দেশে বৃহস্পতিবার উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ভাগজোত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১বছর ২মাসের সাজাপ্রাপ্ত গ্রেফতারী পরোয়ানার আসামী পিন্টু গাইন (৩৮) কে গ্রেফতার করেছে। সে ভাগজোত এলাকার বাগু গাইনের ছেলে।

কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

ডেঙ্গু মোকাবেলায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান আতা’র 

সুজন কর্মকার ॥ কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কুষ্টিয়া শহর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা এডিস মশা নির্মূল ও ডেঙ্গু মোকাবেলায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন। আতাউর রহমান আতা বলেন সমন্বিতভাবে এই ডেঙ্গু এবং এডিস মশা যাতে বংশ বিস্তার করতে না পারে এর জন্য আসুন সকলে মিলে কাজ করি। কুষ্টিয়া শহর ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আয়োজনে গতকাল শুক্রবার বেলা ১১ টায় বঙ্গবন্ধু দাতব্য চিকিৎসালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আতাউর রহমান আতা এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া শহর ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বদরুল ইসলাম বাদল। কুষ্টিয়া শহর ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি’র সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক হাজী তরিকুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষনা পরিষদ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুনীল কুমার চক্রবর্তী, ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আফিল উদ্দিন প্রমুখ। এ সময় ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবু, আওয়ামীলীগ নেতা তিতাস, সোহেল, সাংবাদিক টুটুল, কুষ্টিয়া বড় বাজার ব্যবসায়ি সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান বিশ্বাস জনি, কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক সুজন কুমার কর্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্মকার, শহর যুবলীগের সদস্য মেহেদী হাসান বাবু, কানাই কর্মকার, বাচ্চু কর্মকার, যুবলীগ নেতা মানিক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

২০১৮-১৯ অর্থবছর সেবা রপ্তানিতে ৬৩৪ কোটি ডলার আয়

ঢাকা অফিস ॥ ২০১৮-১৯ অর্থবছর সেবা রপ্তানিতে বাংলাদেশ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৬৩৫ কোটি (৬.৩৫ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে। এক মাস আগে অর্থবছর শেষ হলেও বৃহস্পতিবার গত অর্থবছরের সেবা খাতের রপ্তানির তথ্য প্রকাশ করেছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো-ইপিবি। এই অংক ২০১৭-১৮ অর্থবছরের চেয়ে ৪৬ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আয় হয়েছে ২৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ। গত অর্থবছরে সেবা খাতের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্র ধরা ছিল ৫০০ কোটি ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের আয় হয়েছিল ৪৩৪ কোটি ডলার। সর্বশেষ জুন মাসে সেবা রপ্তানিতে উল্লম্ফন হয়েছে। এই মাসে ৯২ কোটি ডলারের সেবা রপ্তানি হয়েছে। যা লক্ষ্যের চেয়ে প্রায় দ্বিগুন এবং গত বছরের জুন মাসের চেয়ে ৯১ শতাংশ বেশি। জুন মাসে লক্ষ্যমাত্রা ধরা ছিল ৪১ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। আর গত বছরের জুনে সেবা রপ্তানি থেকে এসছিল ৪৮ কোটি ১৬ লাখ ডলার। সেবা খাতের রপ্তানি বৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আগামী দিনগুলোতে এ খাতের রপ্তানি আরও বাড়বে বলে আশার কথা শুনিয়েছেন মন্ত্রী। ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সেবা খাতের রপ্তানি আয়ের মধ্যে ৬২২ কোটি ১৯ লাখ ডলারই এসেছে সরাসরি সেবা খাত থেকে। অর্থাৎ মোট রপ্তানির ৯৮ শতাংশই এসেছে সরাসরি সেবা খাত থেকে। বাকিটা দেশের বন্দরগুলোতে পণ্যবাহী জাহাজগুলোর কেনা পণ্য ও সেবা এবং মার্চেন্টিংয়ের অধীনে পণ্য বিক্রির আয়। কোনো অনাবাসীর কাছ থেকে পণ্য কিনে একই পণ্য কোনো অনাবাসীর কাছে বিক্রি করাকে মার্চেন্টিং বলে। এই প্রক্রিয়ায় মোট বিক্রি থেকে মোট ক্রয় বাদ দিয়ে নিট মার্চেন্টিং রপ্তানি আয় হিসাব করা হয়। দেশের স্থল, সমুদ্র বা বিমান বন্দরে বিদেশি পরিবহনগুলো সেসব পণ্য ও সেবা- যেমন জ্বালানি তেল ও মেরামত সেবা-কিনে থাকে সেগুলোকে সেবা খাতের আওতায় ধরা হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সেবা খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে সরকারি পণ্য ও সেবা রপ্তানি থেকে। এ উপখাত থেকে এসেছে ২৮৮ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। অন্য উপখাতগুলোর মধ্যে অন্যান্য ব্যবসায় সেবা থেকে এসেছে ৯৮ কোটি  ডলার। টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি থেকে আয় হয়েছে ৫৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার। বিভিন্ন ধরণের পরিবহন সেবা (সমুদ্র, বিমান, রেল এবং সড়ক) থেকে ৬৬ কোটি ২৭ লাখ ডলার আয় হয়েছে। আর্থিক সেবা খাত থেকে ১৩ কোটি ৪ লাখ ডলার এবং ভ্রমণ সেবা উপখাত থেকে ৩৬ কোটি ৭৮ লাখ ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে। নির্মাণ সেবা থেকে এসেছে ৪৩ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ চার হাজার ৫৩ কোটি ৫০ লাখ (৪০.৫৩ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে। এই অংক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি। আর আগের অর্থবছরের চেয়ে আয় বেশি এসেছে ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ। পণ্য ও সেবা খাত মিলে গত অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ৪ হাজার ৬৮৭ কোটি ৩৫ লাখ (৪৬.৮৭ বিলিয়ন) ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য ধরা ছিল ৩ হাজার ৯০০ কোটি (৩৯ বিলিয়ন) ডলার। আর সেবা রপ্তানির লক্ষ্য ছিল ৫০০ কোটি (৫ বিলিয়ন) ডলার। দুইটা মিলিয়ে মোট লক্ষ্য ছিল ৪ হাজার ৪০০ কোটি (৪৪ বিলিয়ন) ডলার।

সার্বক্ষণিক ডেঙ্গু রোগীদের পাশে থাকার জন্য চিকিৎসকদের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর আহ্বান

ঢাকা অফিস ॥ তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ মানবিক বিবেচনায় সার্বক্ষণিক ডেঙ্গু রোগীদের পাশে থাকার জন্য চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কতিপয় চিকিৎসক ডেঙ্গুকে মহামারি হিসেবে ব্যবহার করে ব্যবসার চেষ্টা করছে। মন্ত্রী গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) চত্বরে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান উদ্বোধনকালে বলেন, ‘বেশীর ভাগ চিকিৎসক মানবিক বিবেচনায় ডেঙ্গু রোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তবে চিকিৎসকদের একটি মহল ডেঙ্গুকে মহামারি হিসেবে ব্যবহার করে ব্যবসার চেষ্টা করছে।’ তথ্য সচিব আব্দুল মালেক, বিএফডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল করিম এবং চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও শিল্পীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। হাছান বলেন, চিকিৎসক নেতাদের অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে কেউ ডেঙ্গুকে মহামারি হিসেবে ব্যবহার করে ব্যবসা করতে না পারে। তিনি বলেন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ ইতোমধ্যেই জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তাদের সদস্যদের নির্দেশনা দিয়েছে, প্রয়োজনে তারা বিনা ফি’তে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেবে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, এডিস মশার কারণে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে বহু লোক হাসপাতালে ভর্তি হয়ে অথবা তাদের বাসায় চিকিৎসা গ্রহণ করছে।

ড.হাছান বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার ইতোমধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছে, তবে প্রত্যেককেই নিজ নিজ বসতবাড়ির চত্বর এবং আশপাশ এলাকা পরিচ্ছন্ন করতে হবে । পাশাপাশি মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করতে হবে যাতে ভয়ঙ্কর এডিস মশার বিস্তার না ঘটে। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যেই সকলে মিলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছেন। এ কারনে সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগও ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে চলচ্চিত্র শিল্পীদের অংশগ্রহণে আজকের এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধকরণে সহায়ক হবে। আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান বলেন, প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছেন এডিস মশা আর থাকবে না। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমরা যদি একত্রে ডেঙ্গুর মোকাবেলায় কাজ করি তাহলে ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধে সক্ষম হবো।’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার বিষয় গুজব ছড়ানো হচ্ছে এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহল ভবিষ্যতেও গুজব ছড়ানোর চেষ্টা চালাবে এ কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী কোন গুজবে কান না দেয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

মায়ের অপমানের প্রতিবাদ করতে গিয়ে

কুমারখালীতে জামাইয়ে সাথে শ্বশুর বাড়ীর লোকদের সংঘর্ষে আহত ৯ জন কুমারখালী

প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মায়ের অপমানের প্রতিবাদ করতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ীর লোকদের সাথে জামাইয়ের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত  হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার পুরাতন চড়াইকোল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো- কাজীপাড়া দুর্গাপুরের এছের আলী ছেলে সবুজ (২৩), এলঙ্গী পাড়ার আজিম কসাই এর ছেলে রেজা (২২), কাজীপাড়ার মোতালেবের স্ত্রী রোজিনা (৩৪) ছেলে জামাই বাপ্পী (১৮) ও স্ত্রী সুমী (১৮) এছাড়া প্রতিপক্ষ পুরাতন চড়াকোলের ইছাহক এর ছেলে হামিদুল (৪৫), শওকতের ছেলে জুয়েল (২৪) ও একই এলাকার একেন এর ছেলে লিটন (২৮) এবং সুমন (২৬)। এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, আহত সুমন ও লিটনকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় তাদেরকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে বলে জানাগেছে। অন্যান্য আহতরা কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। জানাগেছে, বাপ্পী ও পুরাতন চড়াইকোল গ্রামের একেন সেখের মেয়ে সুমি প্রায় দুই বছর আগে স্বেচ্ছায় বিয়ে করে। সেই থেকে সুমি বাবা মাকে ছেড়ে স্বামী বাপ্পীর বাড়িতে থাকে। শুক্রবার বাপ্পীর মা একেন সেখের বাড়িতে গেলে বাড়ির লোকজন তার সাথে অসৌজন্যমুলক আচরণ করে। বাপ্পীর মা বাড়ি ফিরে এসে বিষয়টি ছেলে ও বউকে জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাপ্পী তার মা সহ বাহিরাগত ৮/১০ জনকে নিয়ে শশুড়বাড়িতে গেলে সে সময় উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শশুড় বাড়ির লোকজনের সাথে জামাইয়ের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৯জন আহত হয়েছে। খবর কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।