লন্ডনে রাষ্ট্রদূতদের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের এখন একটি বৃহৎ এবং দক্ষ যুবশক্তি রয়েছে, যারা বিশ্ব শ্রম বাজারের চাহিদা পূরণে সক্ষম

ঢাকা অফিস ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদের রাজনৈতিক কূটনীতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর গুরুত্বারোপের আহবান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী গতকাল রোববার এই প্রথমবারের মতো আয়োজিত বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূতদের সম্মেলনে যোগ দিয়ে এ আহবান জানান। সম্মেলনের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রেস সচিব ইহসানুল করিম প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলেন, আমাদের চলমান উন্নয়ন কর্মসূচি যাতে অব্যাহত থাকে, সেজন্য রাজনৈতিক কূটনীতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিষয়ে আরো গুরুত্ব দিতে হবে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত ১৫ জন রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং স্থায়ী প্রতিনিধি এই সম্মেলনে যোগ দেন। এর শিরোনাম হচ্ছে- ‘দূত (ইউরোপ) সম্মেলন’। শনিবার বিকেলে (লন্ডন সময়) স্থানীয় একটি হোটেলে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সম্মেলনে বক্তৃতা করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এবং পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশী দূতদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন এবং প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী ও দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন, অভিবাসন ও রোহিঙ্গা সমস্যার বিষয়ও সম্মেলনে আলোচনা হয়। দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বিভিন্ন দেশের নিযুক্ত বাংলাদেশের কূটনীতিকদের একটি কার্যকরী এবং সময়োপযোগী অ্যাকশন প¬্যান গ্রহণের পরামর্শ দেন, যাতে করে বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরো গভীর ও নিবিড় হয়। তিনি বলেন, ‘এই জন্য আমাদের দেশে বিনিয়োগের আরো সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে, বিশেষ করে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসা এবং দক্ষ জনশক্তি রপ্তানী বাড়াতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের এখন একটি বৃহৎ এবং দক্ষ যুবশক্তি রয়েছে, যারা বিশ্ব শ্রম বাজারের চাহিদা পূরণে সক্ষম। একটি দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তুলতে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে এমন একটি অ্যাপ চালু করেছি যার মাধ্যমে জনগণ ৯টি ভাষা শিখতে পারছে।’ প্রধানমন্ত্রী দূতগণকে নিজ নিজ কর্মস্থলে বিভিন্ন দেশের বাজার পরীবিক্ষণ করে সে দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের বাধাগুলো চিহ্নিত করার পরামর্শ দেন। বাংলাদেশকে ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত-সমৃদ্ধ হিসেবে গড়ে তোলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়েই তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে একথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী প্রবাসে কর্মরত কূটনীতিকদের এ লক্ষ্য অনুসরণে তাদেরও নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রয়োজনে দ্রুত এবং উন্নত সেবা প্রদানের জন্যও কূটনীতিকদের প্রতি আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ৮ দশমিক ১ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি এবং চলতি ২০১৯-’২০ অর্থবছরের শেষ নাগাদ যা ৮ দশমিক ২ শতাংশে উন্নীত করা আমাদের লক্ষ্য। একইসঙ্গে ২০২০ সাল নাগাদ আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার মার্কিন ডলারে পৌঁছবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বাংলাদেশ এখন আর সাহায্য নির্ভর নয়, উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা এবারে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করেছি এবং এর ৯০ শতাংশ অর্থ আমাদের নিজস্ব উৎস থেকে যোগান দেয়া হবে। দেশের কিছু লোক এবং যারা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে তারা দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা দেশের উন্নয়নের গতিটাকে থামিয়ে দিতে চাচ্ছে।’ তিনি বিএনপি’র নাম উল্লেখ করে বলেন, ‘তারা বিগত নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলছে অথচ, তারা এই নির্বাচনে যথার্থ প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবর্তে মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে।’ শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ প্রপাগান্ডায় বিশ্বাস করেনা, বরং আর্থসামাজিক উন্নয়ন প্রচেষ্টায় আস্থা এবং আওয়ামী লীগ সরকারের অর্জনকে গুরুত্ব দেয়। “সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে শত্রুতা নয়”- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনুসৃত এই পররাষ্ট্র নীতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার এই পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের দরবারে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত। তিনি বলেন, এই নীতি অনুসরণ করে তাঁর সরকার কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে ছিটমহল বিনিময়সহ অনেক বিরোধ নিষ্পত্তি করেছে। তিনি বলেন, “আমরা আশা করি একইভাবে আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা ইস্যুরও সমাধান হবে।” বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর দেশ পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারে। সম্মেলনে অংশ নেয়া রাষ্ট্রদূতরা হলেন- আবু জাফর (অস্ট্রিয়া), মো. শাহাদৎ হোসেন (বেলজিয়াম), মুহম্মদ আবদুল মুহিত (ডেনমার্ক), কাজী ইমতিয়াজ হোসেন (ফ্রান্স), ইমতিয়াজ আহমেদ (জার্মানী), জসিম উদ্দিন (গ্রীস), আবদুস সোবহান সিকদার (ইতালি), শেখ মোহাম্মদ বেলাল (নেদারল্যান্ড) , মুহম্মদ মাহফুজুর রহমান (পোল্যান্ড), রুহুল আলম সিদ্দিক (পর্তুগাল), ড. এস এম সাইফুল হক (রাশিয়া), হাসান মাহমুদ খন্দকার (স্পেন), নাজমুল ইসলাম (সুইডেন), শামিম আহসান (সুইজারল্যান্ড) এবং সাইদা মুনা তাসনীম (যুক্তরাজ্য)। সম্মেলনে বিভিন্ন দেশে দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতগণ সংশ্লিষ্ট দেশে তাদের নিজ নিজ কার্যক্রম, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা পৃথকভাবে উপস্থাপন করেন। যুক্তরাজ্যে রাষ্ট্রদূতদের সম্মেলন এবং অন্যান্য কর্মসূচিতে অংশ নিতে এক সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার বিকেলে লন্ডন পৌঁছেন।

ধোনিকে ছাড়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ভারত

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ মহেন্দ্র সিং ধোনির ভবিষ্যৎ নিয়ে তুমুল জল্পনা-কল্পনার মধ্যে অভিজ্ঞ এই কিপার-ব্যাটসম্যানকে ছাড়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের দল ঘোষণা করেছে ভারত। দল ঘোষণার সময় রোববার প্রধান নির্বাচক এমএসকে প্রসাদ জানান, এই সফরে না খেলার কথা আগেই জানিয়েছিলেন ধোনি। তাই দল গঠনের সময় ৩৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারকে বিবেচনায় নেননি নির্বাচকরা। পুরো সফরেই বিশ্রামে থাকবেন অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে বিশ্রাম পেয়েছেন পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। চোট কাটিয়ে এক বছর পর টেস্ট দলে ফিরেছেন ঋদ্ধিমান সাহা। টেস্টে তার সঙ্গে উইকেটরক্ষক হিসেবে থাকা রিশাব পান্ত আছেন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলেও।  চোট কাটিয়ে ফিরেছেন অফ স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। টেস্ট দলে স্পিন আক্রমণে তার সঙ্গী রবীন্দ্র জাদেজা ও কুলদীপ যাদব। এখনও কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ না খেলা পেসার নবদীপ শাইনি আছেন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলে। লেগ স্পিনার রাহুল চাহার ডাক পেয়েছেন টি-টোয়েন্টি দলে। শ্রেয়াস আয়ার, মনিশ পান্ডে ও খলীল আহমেদ ফিরেছেন ওয়ানডে দলে। বাদ পড়েছেন দিনেশ কার্তিক। আঙুলের চোটে বিশ্বকাপের মাঝপথ থেকে দেশে ফিরে যাওয়া বাঁহাতি ওপেনার শিখর ধাওয়ান ফিরেছেন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলে। ওই টুর্নামেন্টেই পায়ের আঙুলে চোট পাওয়া বিজয় শঙ্কর এখনও পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেননি। বিশ্বকাপ থেকেই দলে ধোনির জায়গা নিয়ে বিতর্ক চলছে। তার অবসরের ব্যাপারেও চলছে জল্পনা-কল্পনা। ভারতের প্রধান নির্বাচক প্রসাদ এই ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ধোনির না খেলার কোনো নির্দিষ্ট কারণ জানাননি তিনি।  ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনটি করে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে এবং দুটি টেস্ট খেলবে ভারত। ৩ অগাস্ট ফ্লোরিডায় প্রথম টি-টোয়েন্টি দিয়ে শুরু হবে সফর। টেস্টের ভারত দল: মায়াঙ্ক আগারওয়াল, লোকেশ রাহুল, চেতেশ্বর পুজারা, বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), অজিঙ্কা রাহানে, হনুমা বিহারী, রোহিত শর্মা, রিশাব পান্ত (উইকেটরক্ষক) ঋদ্ধিমান সাহা (উইকেটরক্ষক), রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, ইশান্ত শর্মা, মোহাম্মদ শামি, জাসপ্রিত বুমরাহ, উমেশ যাদব। ওয়ানডের ভারত দল: লোকেশ রাহুল, শিখর ধাওয়ান, বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), শ্রেয়াস আয়ার, মনিশ পান্ডে, রোহিত শর্মা, রিশাব পান্ত (উইকেটরক্ষক), রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, যুজবেন্দ্র চেহেল, কেদার যাদব, মোহাম্মদ শামি, ভুবনেশ্বর কুমার, খলীল আহমেদ, নবদীপ শাইনি। টি-টোয়েন্টির ভারত দল: লোকেশ রাহুল, শিখর ধাওয়ান, বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), শ্রেয়াস আয়ার, মনিশ পান্ডে, রোহিত শর্মা, রিশাব পান্ত (উইকেটরক্ষক), ক্রুনাল পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, ওয়াশিংটন সুন্দর, রাহুল চাহার, দীপক চাহার, ভুবনেশ্বর কুমার, খলীল আহমেদ, নবদীপ শাইনি।

জনপ্রিয়তা লাভ করেছে ব্রোকোলি চাষ

কৃষি প্রতিবেদক ॥ ব্রোকোলি বা সবুজ ফুলকপি কপি পরিবারের একটি নতুন শীতকালীন সবজি। বাংলাদেশের অধিকাংশ লোকের কাছে ব্রোকোলি এখনো তেমন পরিচিত নয়। এটি ইতালি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্বাধিক জনপ্রিয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আমোদের দশে এ সবজি প্রবর্তনের প্রচেষ্টা চলছে এবং ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। পুষ্টির দিক দিয়েও ব্রোকোলি অনেক সমৃদ্ধ। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, সি এবং খনিজ পদার্থ রয়েছে এবং এর গন্ধটাও আকর্ষণীয়। ক্যানসার রোগের প্রতিষেধক হিসেবে ব্রোকোলির গুণ রয়েছে। ইদানীং ঢাকাসহ বড় বড় শহর এলাকায় ব্রোকোলি চাষ করে অনেক কৃষক প্রচুর টাকা উপার্জন করেছে। সবজির আবাদ সম্প্রসারণ করার লক্ষ্যে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন। নিম্নে ব্রোকোলির উৎপাদন কলাকৌশল বর্ণনা করা হলো।
মাটি ও জলবায়ু ঃ ফুলকপি ও ব্রোকলির জলবায়ু প্রায় একই রকম। তবে ব্রোকলির পারিপার্শ্বিক উপযোগিতার সীমা একটু বেশি বিস্তৃত। তবে ফুলকপির তুলনায় এটি উচ্চতাপমাত্রা ও খরা বেশি সহ্য করতে পারে। ব্রোকলি ১৫-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সবচেয়ে ভালো জন্মে। ব্রোকোলি এপ্রিল মাসের পরেও ভালো ফলন দিতে পারে। জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ উর্বর দো-আঁশ উঁচু জমি এবং মাটির পিএইচ মান ৬-৭ হওয়া ব্রোকলি চাষের জন্য সর্বোত্তম।
জাত ঃ আমাদের দেশে ব্রোকলির কোনো মুক্তায়িত জাত নেই। তবে বিভিন্ন বীজ কোম্পানি বিদেশ থেকে ব্রোকলির সাধারণ ও শঙ্কর উভয় প্রকার জাত আমদানি করে বাজারজাত করছে। উল্লেখযোগ্য জাতগুলো হচ্ছে- প্রিমিয়াম ক্রপ, গ্রিন কমেট, গ্রিন ডিউক, ক্রুসেডার, ডিসিক্কো, টপার-৪৩, ডান্ডি, ইতালিয়ান গ্রিণ, ¯প্রডিটিং টেক্সাস ১০৭, ওয়ালথাম ২৯, গ্রিণ মাউন্টেইল, গ্রীন বাড।
বীজ বপনের সময় ঃ আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে বর্ষার পর পরই আগাম জমি প্রস্তুত করতে হয়। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাসে (ভাদ্র থেকে কার্তিক) পর্যন্ত বীজতলায় ব্রোকলির বীজ বুনতে হয়।
বীজের পরিমাণ ঃ প্রতি হেক্টর আবাদের জন্য ১৫০ গ্রাম বীজ লাগে।
চারা উৎপাদন ঃ পাতা পচা সার বা গোবর সার ১ ভাগ, বালু ১ ভাগ ও মাটি ২ ভাগ মিশিয়ে ব্রোকলির বীজতল তৈরি করতে হয়। বীতলার মাপ হচ্ছে ১ মিটার প্রস্থ, ৩ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১৫ সেমি. উচ্চতা। ১ হেক্টর জমিতে রোপণের জন্য এরূপ ২০টি বীজতলায় চারা তৈরির প্রয়োজন হবে। বীজতলার উপরিভাগে ৫ সেমি. দূরে দূরে সারি করে ১-২ সেমি. দূরে বীজ বপন করা হয়। বীজতলায় চারাকে রোদ বৃষ্টি হতে রক্ষার জন্য আচ্ছাদন বা চাটাইয়ের ব্যবস্থা রাখা উচিত। সকালে-বিকেলে সেচ দেয়ার পর একটি শক্ত কাঠি দ্বারা বীজতলা সাবধানে খুঁচিয়ে নিড়িয়ে দিতে হয়।
জমি তৈরি ঃ সারাদিন রোদ পায় এমন জমি ব্রোকলি চাষের জন্য নির্বাচন করতে হবে। আবাদের জন্য গভীর চাষ দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে। এরপর ২ সারিতে চারা রোপণের জন্য ১ মিটার চওড়া ও ১৫-২০ সেমি. উঁচু মিড়ি বা বেড তৈরি করতে হবে। সেচ ও পানি নিষ্কাশনের সুবিধার জন্য মিড়িতে চারা রোপণ করাই ভালো। মিড়ির দৈর্ঘ্য জমির সাইজ এবং কাজের সুবিধা বিবেচনা করে যত ইচ্ছা করা যেতে পারে। পাশাপাশি দুই মিড়ির মাঝখানে ৩০ সেমি. চওড়া এবং ১৫-২০ সেমি. গভীর নালা থাকবে। নালার মাটি তুলেই মিড়ি তৈরি করা হয়। সেচ দেয়া এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য নালা অত্যন্ত জরুরি।
সার প্রয়োগ ঃ প্রতি হেক্টরে গোবর ১৫ হাজার কেজি, ইউরিয়া ২৫০ কেজি, এমপি ২০০ কেজি, টিএসপি ১৫০ কেজি এবং প্রতি চারায় পচা খৈল ৫০ গ্রাম হারে প্রয়োগ করতে হয়।
চারা রোপণ ঃ বীজতলায় চারা ৫-৬টি পাতা হলে প্রধান জমিতে রোপণ করতে হয়। সে সময় চারার উচ্চতা ৮-১০ সেমি. হয়। তবে ৪-৬ সপ্তাহ বয়সের চারা রোপণ সবচেয়ে উত্তম। ৬০ সেমি. ব্যবধানে সারি করে সারিতে ৫০ সেমি. দূরত্বে চারা লাগানো হয়। ভালা ফলনের জন্য চারার বয়স কম হওয়া বাঞ্ছনীয়।
পরবর্তী পরিচর্যা ঃ রোপণের পর প্রথম ৪-৫ দিন পর্যন্ত এক দিন পর পর সেচ দিতে হবে। পরবর্তীতে ৮-১০ দিন অন্তর বা প্রয়োজন অনুযায়ী সেচ দিলেই চলবে। সেচ পরবর্তী জমিতে ‘ জো’ আসলে ব্রোকলির বৃদ্ধির জন্য মাটির চটা ভেঙে দিতে হবে এবং জমি আগাছা মুক্ত রাখতে হবে। সারের উপরি প্রয়োগ যথাসময়ে করতে হবে। উল্লেখ্য, সারের উপরি প্রয়োগের পর অবশ্যই জমিতে সেচ দিতে হবে। এ ছাড়া পানি সেচ ও নিষ্কাশনের জন্য বেড সর্বদা পরিষ্কার রাখতে হবে।
ফসল সংগ্রহ ও ফলন ঃ ব্রোকোলি রোপণের ৬০-৭০ দিনের মধ্যে অগ্রীম পুষ্পমঞ্জরি সংগ্রহের উপযুক্ত সময়। ধারালো ছুরি দ্বারা তিন ইঞ্চি কান্ডসহ পুষ্পমঞ্জরি কেটে সংগ্রহ করতে হয়। এভাবে একই জমি থেকে ১ মাসব্যাপী কয়েকবার ব্রোকোলির উৎপাদন পাওয়া যায়। পুষ্পমঞ্জরির রঙ ফ্যাকাশে বা ঢিলা হওয়ার আগে মোটামুটি জমাটবাঁধা অবস্থায় সংগ্রহ করা উচিত। এর বর্ণ তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায় বিধায় পর্যায়ক্রমে সংগ্রহ করে খাওয়া বা দ্রুত বাজারজাত করা উচিত। এজন্য অনেক দেশে পলিথিনের প্যাকেটে একে বাজারজাত করা হয়। ব্রোকলির ফলন প্রতি হেক্টরে ১০-১৫ টন।
পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনা ঃ সরুই পোকা বা ডায়মন্ড ব্যাক মথ : এ পোকার আক্রমণে কচি পাতা, ডগা ও কপি খেয়ে নষ্ট করে। পাতার ওপরের ত্বক বা সবুজ অংশ কুরে কুরে খাওয়ার ফলে সেসব অংশ ঝাঁঝরা হয়ে যায়। আক্রান্ত পাতা সবুজ রঙবিহীন জালের মতো দেখায়। ব্যাপক আক্রমণে পাতা শুকিয়ে মরে যায়। কচি গাছের বর্ধনশীল অংশে এ পোকার আক্রমণ বেশি পরিলক্ষিত হয়। আক্রান্ত ব্রোকোলি খাওয়ার অনুপযুক্ত হয়ে যায়। এদের ব্যাপক আক্রমণে ব্রোকলি উৎপাদন ব্যাপকভাবে হ্রাস পেতে পারে।
দমন ব্যবস্থা ঃ ফসল সংগ্রহের পর ফসলের অবশিষ্টাংশ পুড়য়ে ফেলা এবং পরে জমি ভালো করে চাষ করা। আক্রান্ত পাতার পোকা ২-৩ বার হাতে ধরে মেরে ফেললে এ পোকা অনেকাংশে দমন করা যায়। পিঁপড়া এবং মাকড়সা এ পোকার কীড়া খায়। বহু রকমের বোলতা যেমন ট্রাইকোগ্রামা, কোটেসিস ইত্যাদি এ পোকার ডিম কীড়াকে ধ্বংস করে ফেলে। ব্যাসিলাস ফুরিনাজিয়েনসিস (বিটি) প্রয়োগ করে এ পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। জমি জরিপ করে যদি প্রয়োজন হয় তখন সঠিক নিয়মে অনুমোদিত কীটনাশক প্রয়োগ করা প্রয়োজন।
জাব পোকা ঃ জাব পোকা একটি অন্যতম প্রধান ক্ষতিকারক পোকা। অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং প্রাপ্তবয়স্ক উভয় অবস্থাতেই দলবদ্ধভাবে গাছের নতুন ডগা, পাতা, ফুল, ফল ইত্যাদির রস চুষে খায়। ফলে পাতা বিকৃত হয়ে যায়, বৃদ্ধি ব্যাহত হয় ও প্রায়শ নিচের দিকে কুঁকড়ানো দেখায়। জাব পোকা শরীরের পেছন দিকে অবস্থিত দুটি নল দিয়ে মধুর মতো এক প্রকার রস নিঃসৃত করে। এ রসে পাতা ও কান্ডে সুটিমোল্ড নামক এক প্রকার কলো রঙের ছত্রাক জন্মায়। এর ফলে গাছের সবুজ অংশ ঢেকে যায় এবং সালোকসংশে ষণ ক্রিয়া বিঘিœত হয়। মেঘলা, কুয়াশাচ্ছন্ন এবং ঠান্ডা আবহাওয়ায় জাব পোকার বংশ বৃদ্ধি বেশি হয়। তবে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হলে এদের সংখ্যা কমে যায়।
দমন ব্যবস্থা ঃ প্রাথমিক অবস্থায় আক্রান্ত পাতা ও ডগার জাব পোকা হাত দিয়ে পিষে মেরে ফেলা যায়। নিম বীজের দ্রবণ (১ কেজি পরিমাণ অর্ধভাঙা নিমবীজ ১০ লিটার পানিতে ১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে) বা সাবানঘোলা পানি (প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২ চা চামচ গুঁড়া সাবান মেশাতে হবে) ¯েপ্র করেও এ পোকার আক্রমণ অনেকাংশে কমানো যায়। লেডিবার্ড বিটলের পূর্ণাঙ্গ পোকা ও কীড়া এবং সিরফিড ফ্লাইয়ের কীড়া জাব পোকা খেয়ে প্রাকৃতিকভাবে দমন করে। সুতরাং উপরোক্ত বন্ধু পোকাগুলো সংরক্ষণ করলে এ পোকার আক্রমণ অনেকাংশে কম হয়। আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে শুধু আক্রান্ত স্থানগুলো কীটনাশক প্রয়োগ করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিষক্রিয়াসম্পন্ন কীটনাশক, যেমন- ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে ¯েপ্র করতে হবে।
কাটুই পোকা ঃ চারা অবস্থায় কাটুই পোকার আক্রমণে ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়ে থাকে। এ পোকা সাধারণত চারা গাছের ক্ষতি করে থাকে। দিনের বেলা কাটুই পোকার কীড়া মাটির ফাটলে, মাটির ঢেলায় এবং আবর্জনার মধ্যে লুকিয়ে থাকে। পোকা রাতের বেলা বের হয়ে ব্রোকলির চারা গাছ কেটে ফেলে। ভোর বেলা ক্ষেতে কাটা গাছের কাছে মাটি খুঁড়লে কাটুই পোকার কীড়া দেখতে পাওয়া যায়। কাটুই পোকার ব্যাপক আক্রমণে জমিতে ব্রোকলির গাছের সংখ্যা কমে যায় বলে ফলনও কম হয়।
দমন ব্যবস্থা ঃ পোকা দমনের জন্য ভোরে কাটা চারার গোড়ার মাটি খুঁড়ে কীড়াগুলো মেরে ফেলা উচিত। টর্চ বা হারিকেন নিয়ে রাতে কাটুইপোকার কীড়া সংগ্রহ করে মেরে ফেলা যায়। ক্ষেতে সেচ দিলে মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা কীড়া মাটির ওপরে উঠে আসে। ফলে সহজে পাখি এদের ধরে খায় এবং হাত দিয়ে মেরে ফেলা যায়। বিষটোপ দিয়ে এ পোকা দমন করা যায়। বিষটোপ হিসেবে শতাংশ প্রতি ২ গ্রাম সেভিন/কার্বোরিল ৮৫ ডবলিউপি অথবা পাদান ৫০ এসপি, ৪০০ গ্রাম গম বা ধানের কুঁড়ার সাথে পরিমাণমতো পানিতে মিশিয়ে এমন একটি বিষটোপ তৈরি করতে হবে যা হাত দিয়ে ছিটানো যায়। এ বিষটোপ সন্ধ্যায় আক্রান্ত ক্ষেতে চারা গাছের গোড়ায় ছিটিয়ে প্রয়োগ করলে কাটুই পোকার কীড়া দমন সহজ হয়। আক্রমণ বেশি হলে অনুমোদিত কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

দ্রুত রিয়াল ছাড়ছেন বেল – জিদান

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ রিয়াল মাদ্রিদে গ্যারেথ বেলের সময় ফুরিয়ে যাওয়াটা অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গেছে জিনেদিন জিদানের মন্তব্যে। দলটির কোচ জানিয়েছেন, এই গ্রীষ্মে ওয়েলসের ফরোয়ার্ডের ট্রান্সফার নিয়ে কাজ করছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। শনিবার ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন্স কাপে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ৩-১ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচে বেলকে খেলাননি জিদান। ম্যাচের পর ৩০ বছর বয়সী ওয়েলস ফরোয়ার্ডের না খেলা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের উত্তরে রিয়াল কোচ জানান বেলকে দলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত অনুভব করছেন তিনি। “বেল খেলেনি কারণ সে চলে যাওয়ার খুব কাছাকাছি আছে। আমরা আশা করি, সে দ্রুতই চলে যাবে। এটা সবার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে। তাকে নতুন দলে পাঠানোর জন্য আমরা কাজ করছি।” “একটা সময় আসে, যখন বিষয়গুলো শেষ হয়ে যায়; কেননা সেটা হতেই হয়। আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমাদেরকে বদলাতে হবে।” “এই চলে যাওয়াটা কোচের সিদ্ধান্ত এবং খেলোয়াড়ের সিদ্ধান্তও, যে নিজেও পরিস্থিতিটা জানে।” “পরিস্থিতি বদলাবে। আমি জানি না এটা ২৪ বা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কিনা কিন্তু বদলাবে। এটা সবার জন্যই ভালো।” সূত্রগুলো ইএসপিএনকে নিশ্চিত করেছে, বেলকে আনার ব্যাপারে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড জোর চেষ্টা করছে না। মঙ্গলবার স্পেনের  দৈনিক মার্কা জানায়, বেলের সাবেক ক্লাব টটেনহ্যাম হটস্পার তাকে ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছে। ২০২২ সালে পর্যন্ত রিয়ালের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ বেল গত মৌসুমে দলের হয়ে ৪২ ম্যাচ খেলেন। এর মধ্যে ২১ ম্যাচে ছিলেন শুরুর একাদশে। চোট সমস্যায় গত চার মৌসুমে লা লিগায় সম্ভাব্য ১৫১ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ৭৯টি ম্যাচ খেলতে পারেন তিনি।

নেইমারের কাছে ডিফেন্ডার হিসেবে রামোস সেরা

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ যাদের মুখোমুখি হয়েছেন তাদের মধ্যে ডিফেন্ডার হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদের সের্হিও রামোসকে সেরা মনে করেন পিএসজির ফরোয়ার্ড নেইমার। বার্সেলোনায় থাকার সময় বেশ কয়েকবার রামোসের বিপক্ষে খেলেছেন নেইমার। স্প্যানিশ ক্রীড়া  দৈনিক মার্কা জানায়, এক অনুষ্ঠানে নিজের মুখোমুখি হওয়া সবচেয়ে কঠিন ডিফেন্ডার হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদের অধিনায়কের নাম বলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। “যাদের বিপক্ষে আমি খেলেছি, তার মধ্যে সের্হিও রামোস সেরা।” “সে দুর্দান্ত একজন সেন্টার-ব্যাক। আরও ভালো যে সে গোলও করতে পারে।” গত বছর রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়া তরুণ ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার ভিনিসিউস জুনিয়রকে নিয়ে নিজের আশাবাদের কথাও জানান নেইমার। “সে খুবই তরুণ একজন খেলোয়াড়। সময়ের সঙ্গে সে অবিশ্বাস্য একজন খেলোয়াড় হয়ে উঠতে পারে।” “ সে অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হয়ে উঠবে এবং ব্যালন ডি’অরের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। সে যেখানে থাকতে চায় সেখানেই থাকবে।”

ঢাকা ডায়নামাইটসে ইংল্যান্ড অধিনায়ক মর্গ্যান

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ওয়েন মর্গ্যানকে দলে নিয়েছে ঢাকা ডায়নামাইটস। প্রথমবারের মতো বিপিএলে খেলবেন বাঁহাতি এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ২০১৬ সালে ঢাকায় সন্ত্রাসী হামলার পর নিরাপত্তা শঙ্কায় অ্যালেক্স হেলসের মতো দলের সঙ্গে বাংলাদেশ সফরে আসেননি ইংল্যান্ডের নিয়মিত অধিনায়ক মর্গ্যানও। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে ৩২ বছর বয়সী মর্গ্যানের ক্যারিয়ারের বেশ সমৃদ্ধ। ২৬৮ ম্যাচে ১২৮.২৫ গড়ে করেছেন সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি রান। ডাবলিন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলবেন আসন্ন ইউরো টি-টোয়েন্টি স্ল্যামে। ঢাকায় সঙ্গী হিসেবে পাবেন বিশ্বকাপের আরেক উজ্জ্বল তারকা সাকিব আল হাসানকে। সময়ের সেরা এই অলরাউন্ডার ঢাকার অধিনায়ক। প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দুই জন করে বিদেশি খেলোয়াড়কে সরাসরি দলে নিতে পারে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বিপিএলের সপ্তম আসর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। গত আসরে রানার্সআপ হয়েছিল ঢাকা।