কুমারখালীতে আদিবাসী ও হরিজন সম্প্রদায়ের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা-স্বাস্থ্য উপকরণ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রীসহ অটোভ্যান বিতরণ

কুমারখালীতে আদিবাসী ও হরিজন সম্প্রদায়ের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা-স্বাস্থ্য উপকরণ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রীসহ অটোভ্যান বিতরণকুমারখালীতে আদিবাসী ও হরিজন সম্প্রদায়ের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা-স্বাস্থ্য উপকরণ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রীসহ অটোভ্যান বিতরণকুমারখালীতে আদিবাসী ও হরিজন সম্প্রদায়ের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা-স্বাস্থ্য উপকরণ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রীসহ অটোভ্যান বিতরণকুমারখালীতে আদিবাসী ও হরিজন সম্প্রদায়ের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা-স্বাস্থ্য উপকরণ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রীসহ অটোভ্যান বিতরণকুমারখালীতে আদিবাসী ও হরিজন সম্প্রদায়ের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা-স্বাস্থ্য উপকরণ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রীসহ অটোভ্যান বিতরণকুমারখালীতে আদিবাসী ও হরিজন সম্প্রদায়ের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা-স্বাস্থ্য উপকরণ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রীসহ অটোভ্যান বিতরণকুমারখালীতে আদিবাসী ও হরিজন সম্প্রদায়ের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা-স্বাস্থ্য উপকরণ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রীসহ অটোভ্যান বিতরণকুমারখালীতে আদিবাসী ও হরিজন সম্প্রদায়ের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা-স্বাস্থ্য উপকরণ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রীসহ অটোভ্যান বিতরণ কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আদিবাসী ও হরিজন সম্প্রদায়ের শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা-স্বাস্থ্য উপকরণ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রীসহ অটোভ্যান বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যতীত) শীর্ষক কর্মসূচীর আওতায় কুমারখালী উপজেলার আদিবাসী কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি ও বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের অনুকুলে বরাদ্দকৃত অর্থে এই শিক্ষা বৃত্তিসহ শিক্ষা-স্বাস্থ্য উপকরণ ও ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো: আসলাম হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সমাজ সেবা অধিদপ্তর কুষ্টিয়ার উপ পরিচালক রোকসানা পারভীন, সহকারি কমিশনার (ভুমি) মুহাম্মদ নূর-এ আলম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আকুল উদ্দিন। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খান। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসক আদিবাসী ও হরিজন সম্প্রদায়ের ১৩৯ জন শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের (প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা) হাতে শিক্ষাবৃত্তি’র নগদ অর্থসহ শিক্ষা উপকরণ, স্বাস্থ্য উপকরণ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সামগ্রী তুলে দেন। এ অনুষ্ঠান শেষে আদিবাসী ও হরিজন সম্প্রদায়ের কর্মজীবী সদস্যদের হাতে অটোভ্যানের (১০টি) চাবি তুলে দেন। এ ছাড়াও আদিবাসী কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতির সদস্যদের উন্নয়নে তাদের নিজস্ব জায়গায় ৫টি টিনসেড দোকান ঘর নির্মাণের জন্য ৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

দুদকের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী কারাগারে

ঢাকা অফিষ ॥ বগুড়ায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা একটি মামলায় সাবেক পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র রায় জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, টেন্ডার ছাড়াই সরকারি জমির বিক্রির অভিযোগে ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিল দুদক। পরে মামলাটিতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বৃহস্পতিবার মামলাটিতে জামিন নিতে বগুড়ার আদালতে গেলে জামিন নামঞ্জুর করে লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন বিচারক। আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সাংসদ ও সাবেক পাটমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী ২০১৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফরে গিয়ে দলীয় এক সভায় হজ নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন। তার বক্তব্য বাংলাদেশে গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে প্রথমে মন্ত্রিসভা এবং পরে দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে দেওয়া বক্তব্য প্রকাশের পর ধর্মানুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে দেশের ১৮টি জেলায় তার বিরুদ্ধে ২২টি মামলা হয়। ২০১৪ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে ধানমন্ডি থানায় আত্মসমর্পণের পর কারাগারে যান লতিফ সিদ্দিকী। এরপর জামিনে কারামুক্ত হন তিনি। একাদশ সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ আসন থেকে মনোনয়ন পেতে অনেক তোড়জোড় চালালেও তাকে মনোনয়ন দেয়নি আওয়ামী লীগ।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০২০

 ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু

ঢাকা অফিস ॥ ফ্লোরিডায় হাজারো সমর্থকের উল্লাসধ্বনির মধ্যে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে যাত্রা শুরু করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। প্রার্থীতা আগে ঘোষণা করলেও মঙ্গলবার থেকে ট্রাম্প ২০২০ সালের নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি। ২০১৬ সালের নির্বাচনে ফ্লোরিডা ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান প্রার্থীর অন্যতম প্রধান লড়াইক্ষেত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। সেবার অল্প ভোটে হিলারিকে হারিয়ে ডেমোক্রেটদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এ রাজ্যটির সব ইলেকটোরাল ভোট ছিনিয়ে নিয়েছিলেন ট্রাম্প। অরল্যান্ডোতে প্রচার সমাবেশের শুরুতে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ফ্লোরিডাকে ‘দ্বিতীয় বাড়ি’ অ্যাখ্যা দিয়ে তাকে চার বছরের জন্য ফের নির্বাচিত করতে সমর্থকদের আহ্বান জানান। ডেমোক্রেটরা ‘যুক্তরাষ্ট্রকে টুকরো টুকরো’ করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। “আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে ফের শ্রেষ্ঠ করার চেষ্টা চালিয়ে যাবো। এখানে আজ আমি আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি- দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করতে,” বলেছেন ট্রাম্প। নিজের ২০১৬-র নির্বাচনী প্রচারণাকে ‘একটি দুর্দান্ত রাজনৈতিক আন্দোলন’ হিসেবেও অভিহিত করেন তিনি। “যতদিন পর্যন্ত আপনারা এ দলকে (ট্রাম্প প্রশাসন) রাখবেন, আমাদের অনেকদূর যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের ভবিষ্যৎ আর কখনোই এতটা উজ্জ্বল কিংবা ধারাল ছিল না,” বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আগের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হওয়ার যে প্রতিশ্র“তি দিয়েছিলেন, এবারের প্রচারে তার ধারাবাহিকতা রক্ষায় জোর দেন তিনি। ডেমোক্র্যাট প্রতিদ্বন্দ্বীরা মেক্সিকো সীমান্ত অতিক্রম করা অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতা দিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন ট্রাম্প। অরল্যান্ডোর অ্যামওয়ে সেন্টারের বাইরে ট্রাম্পের অপেক্ষায় অনেক সমর্থক সোমবার সকাল থেকেই অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছে বিবিসি। সমাবেশে ঢোকার লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বেশিরভাগ রিপাবলিকান সমর্থকই অভিবাসন ও অর্থনীতি নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন, প্রতিবেদনে এমনটাই বলেছে সিবিএস নিউজ। জরিপ সংস্থা গ্যালাপ বলছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কখনোই ট্রাম্পের সমর্থন ৪৬ শতাংশের ওপরে ওঠেনি। গত মাসে এ সমর্থন নেমে এসে ৪০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ট্রাম্পের পছন্দের জরিপ প্রতিষ্ঠান রাসমুসেনের রেটিংয়েও মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতি জনসাধারণের আস্থা কখনোই ৪৮ শতাংশের ওপরে দেখা যায়নি। ফক্স নিউজের জনমত জরিপে ২০২০-র নির্বাচনে প্রার্থীতা ঘোষণা করা সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চেয়েও ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ১০ পয়েন্ট কম দেখা গেছে। আরেক জনপ্রিয় ডেমোক্র্যাট সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সের চেয়েও ট্রাম্প পিছিয়ে আছেন ৯ পয়েন্ট। জরিপে মার্কিন প্রেসিডেন্টের চেয়ে এলিজাবেথ ওয়ারেন ও কমলা হ্যারিসকেও সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। ট্রাম্প সমর্থকরা অবশ্য এসব জরিপকে মোটেও আমলে নিচ্ছেন না। তারা বলছেন, ২০১৬-র নির্বাচনের আগেও বিভিন্ন জরিপে রিপাবলিকান প্রার্থীকে ডেমোক্র্যাট প্রতিদ্বন্দ্বির পেছনেই দেখানো হয়েছিল। ফলাফলে দেখা গেছে তার উল্টোটা।  ট্রাম্পও বোধহয় একই কথা ভাবছেন। “জরিপ দেখাচ্ছে দোদুল্যমান ১৭টি অঙ্গরাজ্যে আমাদের এগিয়ে থাকার চিত্র,” বলেছেন তিনি।

কুষ্টিয়ায় বিশ্ব পরিবেশ দিবসের আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন

বায়ুদূষনের ক্ষতিকর বিষয়গুলি নিয়ে সকলের সাথে আলোচনার মাধ্যমে আরো সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে

নিজ সংবাদ ॥ ‘বায়ুদূষন রোধ করি, বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়া কালেক্টরেট চত্বর থেকে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্দোগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে। জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আজাদ জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই বায়ুদূষন রোধে আমাদের নিজ নিজ দায়িত্ব বোধ থেকে সকলকে সচেতন হতে হবে এবং বায়ুদূষনের ক্ষতিকর বিষয়গুলি নিয়ে সকলের সাথে আলোচনার মাধ্যমে আরো সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এ সময় কুষ্টিয়া স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক মৃনাল কান্তি দে, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার তৌহিদুজ্জামান, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মখলেছুর রহমান, জেলা শিক্ষা অফিসার জায়েদুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নয়ন মিয়, সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারী প্রতিযোগিদের মাঝে বিজয়ী ১২জন প্রতিযোগির হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

নতুন প্রকল্প গ্রহণকালে জলাধার ও বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা অফিষ ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নগরায়নের সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশ সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে নতুন প্রকল্প গ্রহণকালে প্রাকৃতিক জলাধার সৃষ্টি ও তা সংরক্ষণ এবং অধিকহারে বৃক্ষরোপণের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের এটাও লক্ষ্য রাখতে হবে, যে কোন প্রকল্পের সঙ্গে বৃক্ষ রোপণ করতেই হবে এবং জলাধার সৃষ্টি এবং জলাধার সংরক্ষণ করতে হবে।’ তিনি দেশের নাগরিকদের প্রত্যেককে কর্মস্থলে ও বাসস্থানে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে সন্তানদেরও এই পরিবেশবাদী কাজ শেখানোর পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রী গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০১৯ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের বিরোধিতা করি না, সবাইকে অনুরোধ করবো আমাদের বিভিন্ন প্র্রজেক্ট নেয়ার সময় আমি দেখেছি যেখানে জলাধার রয়েছে সেটা ভরাট করেই বিল্ডিং তুলতে হবে। এই করতে করতে ঢাকা শহরে যতগুলো খাল, পুকুর ছিল এখন আর তা নেই। তিনি বলেন, একটি সংস্থার পরামর্শে পূর্বের সরকার তা শুরু করে দিল। আমাদের বক্স কালভার্ট করার কোন প্রয়োজন নেই। আমাদের খালগুলোকে ওভাবে রেখেই আমরা কিন্তু খালের দুই পার দিয়ে রাস্তা করতে পারি অথবা আমরা সেখানে এলিভেটেড রাস্তাও করে দিতে পারি। শেখ হাসিনা বলেন, খাল যেখানে খালের মতই থাকবে। সেখানে নৌ চলাচলও করতে পারে তাতে আমাদের পরিবেশও রক্ষা পাবে, বায়ু দূষণ কমবে এবং সেখানকার বাতাসটাও আরামদায়ক হবে। কিন্তু যেখানে কোন গাছ থাকে না সেখানে সেই পরিবেশটা থাকে না। সেই বিষয়ে আমাদের বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, সভ্যতা এবং তার ক্রমবিকাশ অবশ্যই অব্যাহত থাকবে। কিন্তু সাথে সাথেই আমাদের সর্বক্ষেত্রেই এই বিষয়টা লক্ষ্য রাখতে হবে যে, আমাদের পরিবেশটাকেও রক্ষা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রত্যেকেই নিজের কর্মস্থল ও বাসস্থানে গাছ লাগাবেন। অন্তত, একটি করে বনজ, ফলদ এবং ভেষজ গাছ লাগাবেন। ছেলে-মেয়েদেরও বৃক্ষরোপণ শেখাতে হবে। তিনি বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, পরিচর্যাও করতে হবে। প্রত্যেকে নিজের এলাকায় যতো ইচ্ছে গাছ লাগাবেন। এতে কয়েকবছর পর টাকাও পাওয়া যায়, বছর বছর ফল পেলেও খুশি লাগে। এসময় শেখ হাসিনা আজিমপুর গার্লস স্কুলে পড়ার সময় বান্ধবীদের সঙ্গে নিয়ে গাছ লাগানোর স্মৃতিচারণও করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী এতে বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী। অনুষ্ঠানের শুরুতে পরিবেশ ও বনের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু এওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন-২০১৯, বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার-২০১৮ ও সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশের চেক এবং একইসঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখার জন্য জাতীয় পরিবেশ পদক-২০১৯ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানস্থল থেকে গাজীপুরে ‘শেখ কামাল ওয়াইল্ড লাইফ সেন্টার’ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের জন্য নতুন ভবনও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সরকারের বিভিন্ন পদস্থ কর্মকর্তা, দফতর এবং বিভাগের প্রধানগণ, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক-রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হলেও এ বছর ঈদুল ফিতরের কারণে দিবসটি পিছিয়ে আজ উদযাপন করা হচ্ছে। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি এ বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘বায়ুদূষণ।’ বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করেন এবং বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। সুন্দরবন রক্ষণাবেক্ষণে সরকারের কর্মসূচির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন। সুন্দরবনের পরিবেশ রক্ষায় রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বড় ভূমিকা রয়েছে। কারণ বনে বেশি বাঘ থাকলে অনেকে ভেতরে গিয়ে বনের ক্ষতি করার সাহস পায় না। তিনি বলেন, সুন্দরবনকে রক্ষায় নদীর লবণাক্ততা দূর করতে হবে। লবণাক্ততা দূর হলে হোগলা বন বেড়ে যায়। আর হোগলা বন বাড়লে বাঘের ব্রিডিং পয়েন্ট বাড়ে। সেইসাথে নদীর নাব্যতা বাড়ানোরও কাজ করা হচ্ছে। সরকার প্রধান এসময় বলেন, মানবিক কারণে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হলেও ধ্বংস হয়ে গেছে পাহাড়ি বনাঞ্চল। এ সময় উখিয়া’র প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ অতীতকে স্মরণ করে বর্তমানের সঙ্গে এর বিস্তর ব্যবধানের উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরিবেশ দূষণে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা নিজেরা আর ক’দিন থাকবো। কিন্তু আমাদের বংশধররা যেন সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে, টিকে থাকতে পারে, সেজন্য শতবর্ষব্যাপী ডেল্টা প্ল্যান নিয়ে কাজ করছি। তিনি বলেন, আমরা একশটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করে যাচ্ছি এর প্রতিটি জায়গাতেই জলাধার থাকবে এবং বৃক্ষরোপণ করা হবে। এমনকি আমরা যথন হাউজিং প্ল্যান করছি সেখানেও জলাধারের ব্যবস্থা রাখছি। প্রতিটি ক্ষেত্রে এজন্য আমরা বিশেষভাবে দৃষ্টি দিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করছি যাতে করে আমাদের পরিবেশটা সুরক্ষিত থাকে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ছে, আমরা আরও আধুনিক হচ্ছি। এর সঙ্গে বাড়ছে পরিবেশ দূষণ। আমরা যত বেশি যন্ত্রের ব্যবহার করছি তত বেশি পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। রান্নার ধোঁয়া, ডিটারজেন্ট, সাবান, শ্যাম্পু, মনুষ্য বর্জ্য, ইটভাটা, বিভিন্ন কেমিক্যাল পরিবেশ দূষণ করছে। এসবের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে আমাদের সবাইকে গাছ লাগানোর পাশাপাশি তিনি গবেষকদের এই সব মনুষ্য সৃষ্ট দূষণের হাত থেকে পরিবেশকে রক্ষায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের মোট ভূমির ২০ ভাগ বনায়ন করতে হবে। এছাড়া যে বনগুলো আছে তা রক্ষা করতে হবে। নদী ড্রেজিং, নদী প্রবাহমান রাখতে হবে। বিভিন্ন দ্বীপে প্রচুর বৃক্ষরোপণ করতে হবে। জাতির পিতার পদাংক অনুসরণ করেই আওয়ামী লীগ সরকার পরিবেশ সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এ সময় প্রতি বছর ১ আষাঢ় কৃষক লীগের উদ্যোগে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালনের প্রসঙ্গও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে তৎকালীন সরকার ১৯৭৩ সালে ‘পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ’ গ্রহণ করার মাধ্যমে এদেশে পরিবেশ বিষয়ক কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করে। কালের পরিক্রমায় বর্তমানে পরিবেশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের ব্যাপ্তি বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের অবিবেচনাপ্রসূত কর্মকান্ডের ফলে প্রতিনিয়ত বায়ু দূষিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)-এর তথ্য অনুযায়ী উন্মুক্ত স্থানের বায়ু দূষণের ফলে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৪২ লাখ মানুষ মারা যায়। বিশেষ করে রান্নার এবং জ¦ালানির ধোঁয়া থেকে সৃষ্ট বায়ুদূষণের ফলে আরও প্রায় ৩৮ লাখ মানুষ মারা যায়। এ সময় তাঁর সরকারের বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপসমূহের উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের সরকার ইট নির্মাণ শিল্পকে পরিবেশসম্মতভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ প্রণয়ন করে। এটি ২০১৮ সালে আবারও সংশোধিত আকারে পাশ করা হয়। তিনি বলেন, দেশে বিদ্যমান প্রায় তিন-চতুর্থাংশ (৭১ দশমিক ৬৪ শতাংশ) ইটভাটায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিবেশসম্মত এবং জ¦ালানি-সাশ্রয়ী ইটভাটায় রূপান্তর করা হয়েছে। যানবাহনের কালো ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকাসহ সকল বড় শহরগুলোতে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি সংস্থাসমূহ সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ঝড়-জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন প্র্কৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধে সারাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বেষ্টনি গড়ে তুলতে সরকারের উদ্যোগও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, উপকূলীয় এলাকায় সবুজ বেষ্টনী সৃজন এবং বনভূমির ডিজিটাল ম্যাপ প্রস্তুত করা হচ্ছে। সুন্দরবনসহ মোট ১৫টি সংরক্ষিত এলাকার ২০০৯ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত কার্বন জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁঁকি মোকাবেলায় তাঁর সরকার নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় লাগসই প্রকল্প গ্রহণের জন্য কান্ট্রি ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান-সিআইপি ২০১৬-২০২১ প্রণয়ন করা হয়েছে।’ শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে সরকারের দারিদ্র্য বিমোচনের অন্যতম কৌশল সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির সাফল্যও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বনের পাশে এবং প্রান্তিক ভূমিতে বসবাসরত দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক বন সৃষ্টি করা হচ্ছে। যেখানে সরকারি জমিতে বৃক্ষ রোপণ ও পরিচর্যাকারী ব্যক্তি বা সংগঠনকে বনজ সম্পদ থেকে আহরিত লভ্যাংশের ৭৫ ভাগ দেয়া হয়। বাকি ২৫ ভাগ সরকারের রাজস্ব খাতে জমা হয়। তিনি বলেন, সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে সৃজিত বাগানে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬০১ জন উপকারভোগী সম্পৃক্ত রয়েছেন। যাদের মধ্যে মহিলা উপকারভোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৭ জন। এ পর্যন্ত ১ লাখ ৬৮ হাজার ৫৬৪ জন উপকারভোগীর মধ্যে ৩৫৬ কোটি ৮২ লাখ ৩৪ হাজার ৫২২ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার উপকারভোগীদের মাধ্যমে পুনঃবনায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ তহবিল গঠন করেছে। ফলে অবক্ষয়িত বনভূমি সংরক্ষণ ও জবরদখলকৃত বনভূমি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিপর্যয় মোকাবেলায় বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্রাটেজি এন্ড অ্যাকশন প্ল্যান (বিসিসিএসএপি) প্রণয়ন করেছে এবং নিজস্ব উদ্যোগে ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাষ্ট ফান্ড গড়ে তুলেছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘ইতোমধ্যে ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ডে ৩ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ইনটেনডেড ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কনট্রিবিউশন (আইএনডিসি) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যোগাযোগ, বিদ্যুৎ এবং শিল্প খাতে কৌশলপত্রসহ ন্যাশনালিটি ডিটারমাইন্ড কনট্রিবিউশন ইমপ্লিমেন্টেশন রোডম্যাপ (এনডিসি) প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় পরিবেশ সংরক্ষণ ও ওজন স্তর সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সার্টিফিকেট অব এপ্রিসিয়েশন অর্জন এবং বাংলাদেশ সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম (সাসেপ)-এর নির্বাহী বোর্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক অভিঘাত মোকাবিলায় বর্তমান সরকারের গৃহীত উদ্যোগের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৫ সালে জাতিসংঘ তাঁকে লিডারশীপ ক্যাটাগরিতে ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দি আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত করার কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আমেরিকায় আজীবন সম্মাননা পেলেন মৌসুমী

বিনোদন বাজার ॥ কয়েকদিন আগে স্বামী ওমর সানীকে নিয়ে আমেরিকায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গেছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করার পর এবার সেখানকার আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব কর্তৃক আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন এ অভিনেত্রী। ১৬ জুন সংগঠনটি মৌসুমীকে এ সম্মাননা প্রদান করে। কার্যকরী কমিটির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে সম্মাননা তুলে দেন ক্লাবের সভাপতি দর্পণ কবীর, সাবেক সভাপতি নাজমুল আহসান ও সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সাগর। এ সময় নায়ক ওমর সানী, ক্লাবের সহ-সভাপতি বেলাল আহমেদ, কলামিস্ট আবু জাফর মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আজীবন সম্মাননা দেয়ার পাশাপাশি মৌসুমীকে ক্লাবের সম্মানিত সদস্য পদও প্রদান করা হয়। এ প্রসঙ্গে আমেরিকা থেকে মুঠোফোনে মৌসুমী জানান, ‘দেশের বাইরে আমি সম্মাননা পেয়ে সত্যিই অনেক আনন্দিত, উচ্ছ্বসিত। প্রেস ক্লাবের এ সম্মাননা আমার সফলতার পালকে একটি উজ্জ্বল সংযোজন। আজ আমার নতুন পরিচয় আমি আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের একজন সম্মানিত সদস্য যা আমার জন্য অত্যন্ত গৌরবের।আগামী ২২ জুন তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। এদিকে গেল ঈদে মৌসুমী অভিনীত ‘নোলক’ নামে একটি ছবি মুক্তি পায়। এছাড়া টিভিতে রান্নাবিষয়ক একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন তিনি।

হেনস্তার শিকার মিস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স ঊষসী

বিনোদন বাজার ॥ হেনস্তার শিকার হলেন মিস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স ঊষসী সেনগুপ্ত। তাও আবার কলকাতার রাস্তায়! একটি পাঁচ তারকা হোটেল থেকে সোমবার রাতে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। পথেই একদল যুবকের হাতে হেনস্তার শিকার হন তিনি। শুধু তাই নয়, তার গাড়ির কাঁচ ভেঙে দেয়া হয়। আর এ ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঊষসীকে ধাক্কা মারার পাশাপাশি চালককে মারধর করা হয়। এমনকি বেশ কয়েক কিলোমিটার ধাওয়া করে এসে তাকে গাড়ি থেকে টেনে নামানোর চেষ্টাও করা হয়। হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় মোবাইলও। অভিযোগে ঊষসী জানিয়েছেন, সোমবার কাজ শেষ করে বাইপাসের ধারের একটি পাঁচতারা হোটেল থেকে এক সহকর্মীর সঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। রাত তখন পৌনে ১২টা। এক্সাইড মোড় থেকে গাড়ি এলগিন রোডের দিকে যেতেই একটি বাইক এসে গাড়িতে ধাক্কা মারে। গাড়ি থামতেই ওই বাইকচালক এবং তার বন্ধুরা এসে ঝামেলা শুরু করেন। তারাও অন্য কয়েকটি বাইকে যাচ্ছিলেন। চালককে গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে ঘটনাস্থলে অন্তত ১৫ জন যুবক ছিলেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন ঊষসী।

 

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে হাঁস ও মাছের সমন্বিত চাষ

কৃষি প্রতিবেদক ॥ বর্তমানে পুকুর হচ্ছে মাছের অন্যতম উৎস। বাণিজ্যিকভাবে যারা আমাদের দেশে অনেকে মাছ চাষের সাথে সম্পৃক্ত। আবার অনেকের প্রধান পেশা মাছ চাষ। বর্তমানে মাছ লাভজনক একটি প্রযুক্তি। মৎস্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের মতে, পুকুরে হাঁস ও মাছের সমন্বিত চাষ পদ্ধতি অবলম্বন করলে খুব সহজে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব। ঢাকার আশপাশের এলাকা- ধামরাই, সাভার, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জসহ দেশের অনেক স্থানে হাঁস ও মাছের সমন্বিত চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ পদ্ধতিতে অনেক সুবিধা রয়েছে যেমন- এর জন্য পুকুরে তেমন বাড়তি সার ও খাদ্য দিতে হয় না। মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। একই সাথে মাছ, হাঁসও ডিম থেকে সমানে আয় করা যায়।
যেভাবে শুরু করতে পারেন ঃ- এ প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে চাইলে আপনাকে ৪০-৫০ শতাংশ আয়তনের একটি পুকুর লাগবে। ১০০- ১৫০টি হাঁস, ১৫০০-১৮০০টি মাছের পোনা, হাঁসের ঘর। এসব পরিকল্পিতভাবে করলে ভালো হয়। পাহারাদারের ঘরটি হাঁসের ঘরের দক্ষিণ পাশে হলে ভালো হয়।
পুকুর তৈরি করুন নিখুঁতভাবে ঃ- সঠিকভাবে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে হলে পুকুরের চারপাশের পাড় ভালোভাবে মাটি দিয়ে উঁচু করে বাঁধতে হবে। পুকুরের তলদেশ সংস্কার করতে হবে। পুকুরে চুন প্রয়োগ করতে হবে প্রতি শতকে ১ কেজি হারে। চুন প্রয়োগের পর পানি সরবরাহ করতে হবে। মনে রাখবেন চুন প্রয়োগের ২-৩ সপ্তাহ পর মাছ ছাড়তে হবে। পুকুরে কোনো আগাছা রাখা যাবে না, এমনকি পানা থাকলেও তা পরিষ্কার করে দিতে হবে। পুকুরে পানি কমানো বা বাড়ানোর ব্যবস্থা থাকতে হবে।
কোন জাতের মাছ নির্বাচন করবেন ঃ হাঁস চাষ করায় পুকুরে মাছের বিভিন্ন প্রকার খাবারের সৃষ্টি হয়। এজন্য ভিন্ন ভিন্ন খাদ্যাভ্যাসের বিভিন্ন জাতের মাছের চাষ করা উচিৎ। তাছাড়া বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ভিন্ন ভিন্ন স্তরের খাবার খায়। মাছের প্রজাতির মধ্যে সিলভার কার্প ও কাতলা-পানির উপরের স্তরে খাদ্য খায় গ্রাস কার্প-পুকুরের জলজ আগাছা ও ঘাস খায়, কমন কার্প- পুকুরে তলদেশের খাদ্য খায় বলে জানালেন মৎস্য বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও মৃগেল, কালিবাউশ, মিরর কার্প, সরপুঁটিসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের চাষ করতে পারেন।
মাছের সম্ভব্য সংখ্যা ঃ- প্রতি শতকের জন্য সিলভার কার্প- ১০-১৫টি, কাতলা/ব্রিগেড- ৬টি, মৃগেল ৬টি, কালিবাউশ ৩টি, গ্রাস কার্প ৩টি, সরপুঁটি ৭-১০টি।
হাঁসের ঘর তৈরি ঃ- পুকুর পাড়ে কিংবা পুকুরের ওপর ঘরটি তৈরি করতে হবে। ঘরের উচ্চতা ৫-৬ ফুট হলে ভালো হয়। ঘর তৈরিতে বাঁশ, বেত, টিন, ছন, খড় ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে। ঘরটি খোলামেলা হতে হবে এবং সাপ ও ইঁদুর থেকে মুক্ত রাখতে হবে।
উন্নত হাঁসের জাত ঃ- হাঁসের জাত নির্বাচন করার ক্ষেত্রে যে জাতের হাঁস বেশি ডিম দেয় সে জাতের হাঁস নির্বাচন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ইন্ডিয়ান রানার ও খাকি ক্যাম্পেবেল নির্বাচন করা যেতে পারে। এ জাতের হাঁস ৫ মাস বয়স থেকে ২ বছর পর্যন্ত ডিম দেয়। বছরে ২৫০- ৩০০টি ডিম দিয়ে থাকে।
হাঁসের খাদ্য ঃ- শুকনা খাদ্য না দিয়ে হাঁসকে সবসময় ভেজা খাদ্য দেয়া উচিত। খাদ্যে আমিষের পরিমাণ ডিম দেয়া হাঁসের ক্ষেত্রে ১৭-১৮ শতাংশ ও বাচ্চা হাঁসের ক্ষেত্রে ২১ শতাংশ রাখা উচিত।
সম্ভাব্য আয়-ব্যয় ঃ- ৪০-৫০ শতাংশের একটি পুকুরে ১০০টি হাঁসের জন্য এ প্রকল্প শুরু করলে সব মিলে খরচ দাঁড়াবে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা। সঠিক পরিচর্যা আর যতœ নিতে পারলে প্রথম বছরে যাবতীয় ব্যয় বাদ দিয়ে ৬০-৯০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব হতে পারে। রোগমুক্ত, উন্নত জাতের হাঁস আধুনিক পদ্ধতি ও সঠিক নিয়ম অনুযায়ী চাষ করুন। যে কোনো পরামর্শের জন্য আপনার উপজেলা বা জেলা মৎস্য ও পশুসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

সঙ্কট বাড়ছে, পাকিস্তান ক্রিকেট প্রধানের পদত্যাগ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ক্রিকেট কমিটির প্রধান মহসিন খান সরে দাঁড়িয়েছেন করেছেন। সংস্থাটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বাজে পারফরমেন্স নিয়ে সমালোচনার মধ্যে মহসিন খানের সরে দাঁড়ানোর এই ঘটনা ঘটল। এতে পাকিস্তান ক্রিকেটের সঙ্কট আরও ঘনীভূত হলো। পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানির সঙ্গে বৈঠকের পর পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানান মহসিন খান। এহসান মানিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, মহসিনের মতো একজন মেধাবী কর্মকর্তার চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা সত্যি কঠিন। তবে আমরা তার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। তার স্থলে পিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াসিম খানকে নিয়োগ দেয়া হবে। বিজ্ঞপ্তিতে মহসিন খানকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, পিসিবির চেয়ারম্যান এহসান মানির প্রতি সত্যি আমি কৃতজ্ঞ। কারণ পিসিবির ক্রিকেট কমিটির মতো প্রধানের মতো সম্মানজনক দায়িত্ব পালনের সুযোগ তিনি দিয়েছিলেন। আমার অতীত কর্মের উপর ভিত্তি করে পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য যে কোনো অবদান রাখতে আমি সবসময় প্রস্তুত। গত অক্টোবরে ক্রিকেট কমিটি গঠন করে মহসিন খানকে সেই কমিটির প্রধান করা হয়। কমিটির সদস্য হিসেবে আরও রয়েছেন পাকিস্তান দলের সাবেক অধিনায়ক ওয়াসিম আকরাম ও মিসবাহ-উল হক।

 

স্পেনের কোচের দায়িত্ব ছাড়লেন এনরিকে

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ স্পেন জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার ১১ মাস পর ব্যক্তিগত কারণে সরে দাঁড়ালেন লুইস এনরিকে। তার জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন সহকারী কোচ রবের্ত মরেনো। স্পেন রাশিয়া বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বাদ পড়ার পর ২০১৮ সালের জুলাইয়ে দুই বছরের চুক্তিতে দলটির দায়িত্ব নেন বার্সেলোনার সাবেক কোচ এনরিকে। এ বছরের মার্চ মাস থেকে পারিবারিক কারণে ৪৯ বছর বয়সী এই কোচ অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানায় স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন। ফেডারেশনের সভাপতি লুইস রুবিয়ালেস এনরিকেকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। “সিদ্ধান্তটা লুইস এনরিকে নিজেই নিয়েছেন, তার সিদ্ধান্তকে আমরা সম্মান জানাই। তাকে নিয়ে আমাদের চমৎকার একটা স্মৃতি থাকবে। এটা ব্যক্তিগত একটা ব্যাপার যা আমাদের ওপর নির্ভর করে না। আমরা মনে করি, এটাই সেরা সিদ্ধান্ত।” অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে মরেনোর অধীনে নিজেদের শেষ তিনটি ম্যাচেই জয় পেয়েছে স্পেন।

স্ত্রী মীরার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন শাহিদ

বিনোদন বাজার ॥ মীরা-শাহিদের বয়সের পার্থক্য অনেকটা। কিন্তু বলিউডে তাদের জুটি হট ফেভারিট। সেই শাহিদ কাপুর আর মীরা রাজপুতের ঝগড়ার তেজ কিন্তু বেশ ঝাঁঝালো। এ কথা নিজের মুখেই শেয়ার করলেন শাহিদ। সম্প্রতি এই ছবির প্রমোশনে এসেছিলেন নেহা ধুপিয়ার জনপ্রিয় টক শোয়ে। কিয়ারা আডবাণীর সঙ্গে সেই শোয়ে এসে স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেন শাহিদ। ২০১৫ সালে মীরা রাজপুতের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন শহীদ। সম্প্রতি দ্বিতীয়বার বাবা হয়েছেন শাহিদ। মেয়ে মিশার বয়স ২ বছর। ছেলে জৈনের জন্ম সেপ্টেম্বরে। এক ছেলে-মেয়ে নিয়ে সুখের সংসার মীরা-শাহিদের। কিন্তু যখন মান-অভিমান হয় তখন তার রেশ চলে অনেকদিন ধরে। শাহিদ জানান, ‘মতানৈক্য হলে কথা বন্ধ হয়ে যায় তাদের। এমনকি তা ১৫ দিন অবধিও স্থায়ী হয়। তবে সম্পর্কের জন্য কখনও কখনও মতের পার্থক্য হওয়া, ঝগড়া করা, আবার সেগুলো মিটিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।’ প্রসঙ্গত, পরিচালক ইমতিয়াজ আলির রোম্যান্টিক কমেডি ছবি ‘জব উই মেট’ এ এক দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ব্যবসায়ীর চরিত্রে অভিনয় করে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার বিভাগে মনোনয়ন পান শাহিদ কাপুর। এরপর বিশাল ভরদ্বাজের ক্যাপার থ্রিলার ‘কামিনে’ ছবিতে যমজ ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করেও তিনি উক্ত বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছিলেন।

দিশার উদ্ধারকারী স্বয়ং প্রেমিক

বিনোদন বাজার ॥ এ প্রজন্মের বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানি মুম্বাইয়ের রাস্তায় বিড়ম্বনায় পড়েছিলেন। আর সেখানে প্রেমিকার বিপদ দেখে উদ্ধারে এগিয়ে এলেন টাইগার শ্রফ। তারকাদের বিভিন্ন সময়ে ভক্তদের মাঝে ঘেরাও হওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়। ঠিক এমনই পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন তিনি। একটি রেস্তোরাঁর বাইরে দিশাকে দেখে ঘিরে ধরে উপস্থিত ভক্তরা। গত রোববার দুপুরে তারা একটি রেস্তোরাঁয় যান। সেখান থেকে বেরোতেই দিশাকে ঘিরে ধরেন ভক্তরা। এ সময় তারকাকে চোখের সামনে দেখেই হইচই শুরু করেন। যদিও দিশা-টাইগারের দুজনের ব্যক্তিগত দেহরক্ষীরা ছিলেন। তবুও দিশাকে উদ্ধার করতে তৎপর হন এই নায়ক। চেষ্টা করেন ভক্তদের সঙ্গে দিশার যাতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় থাকে। ঘটনার এক পর্যায়ে দিশাকে গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেন টাইগার। দীর্ঘদিন ধরে প্রেম করছেন ‘বাঘি টু’ জুটি টাইগার-দিশা। প্রায় তাদের একসঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও রেস্টুরেন্টে দেখা যায়। প্রেমিকার বিপদে পর্দার নায়কের মতোই আবির্ভূত হয়ে প্রশংসিত হয়েছেন টাইগার।

মেসির গোলে হার এড়াল আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ প্যারাগুয়ের বিপক্ষে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ে আবারও হারের শঙ্কায় পড়েছিল আর্জেন্টিনা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি থেকে লিওনেল মেসির গোলে আর গোলরক্ষক ফ্রাঙ্কো আরমানির পেনাল্টি সেভে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। বেলো হরিজন্তেতে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে কোপা আমেরিকায় ‘বি’ গ্র“পের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। নিজেদের প্রথম ম্যাচে কলম্বিয়ার কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল আর্জেন্টিনা। আগের ম্যাচের মতো অতটা বাজে না হলেও আর্জেন্টিনার মাঝমাঠ এই ম্যাচের প্রথমার্ধেও ছিল অনুজ্জ্বল। তবে দলটি সবচেয়ে বেশি ভুগেছে তাদের ভঙ্গুর রক্ষণে, সঙ্গে ভুল পাসের ছড়াছড়ি ছিল ম্যাচ জুড়ে। ম্যাচে অবশ্য আক্রমণাত্মক শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। প্রথম ২০ মিনিটে দুবার ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন মেসি, তবে শেষ শটটা নিতে পারেননি বার্সেলোনার তারকা এই ফরোয়ার্ড। শুরুর ছন্দ হারিয়ে ফেলা আর্জেন্টিনার রক্ষণে ২৮তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণে ভীতি ছড়ান প্রথম ম্যাচে গোল করা আলবের্তো গনসালেস। ডান দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে তার নেওয়া কোনাকুনি শট ডিফেন্ডার নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর পায়ে লেগে বাইরে চলে যায়। নয় মিনিট পর প্রতিপক্ষের আরেকটি পাল্টা আক্রমণে আর জাল অক্ষত রাখতে পারেনি দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। বাঁ দিক দিয়ে বল পায়ে দারুণ ক্ষিপ্রতায় ছুটে গিয়ে বাইলাইন থেকে পেনাল্টি স্পটের কাছে কাটব্যাক করেন মিডফিল্ডার মিগেল আলমিরোন। ফাঁকায় বল পেয়ে জোরালো নিচু শটে প্যারাগুয়েকে এগিয়ে দেন মিডফিল্ডার রিচার্দ সানচেস। বিরতির খানিক আগে বড় বিপদে পড়তে পারতো আর্জেন্টিনা। পাল্টা আক্রমণে ছুটে যাওয়া গনসালেসের পা থেকে বল বিপদমুক্ত করতে ডি-বক্সের বাইরে গিয়ে তাকে মারাত্মক ফাউল করে বসেন গোলরক্ষক ফ্রাঙ্কো আরমানি। তবে সে যাত্রায় হলুদ কার্ডে পার পান রিভার পে¬টের এই গোলরক্ষক। অবশেষে ৫৭তম মিনিটে মেসির স্পট কিকে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। বদলি হিসেবে নামা সের্হিও আগুয়েরোর ক্রসে লাউতারো মার্তিনেসের ভলি ক্রসবারে লেগে ফেরার পর মেসির শট কোনোমতে ফিরিয়েছিলেন গোলরক্ষক রবের্তো ফের্নান্দেস। মেসি যখন কর্নার নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, রেফারি তখন ভিএআর প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। দেখা যায় মার্তিনেসের শট প্যারাগুয়ের ডি-বক্সে ডিফেন্ডার ইভান পিরিসের হাতে লেগেছিল। এ নিয়ে আর্জেন্টিনার সর্বোচ্চ গোলদাতার মেসির দেশের হয়ে গোল হলো ৬৮টি। চার মিনিট পর আর্জেন্টিনার ডি-বক্সে ঢুকে পড়া গনসালেসকে পেছন থেকে ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দি ফাউল করলে পেনাল্টি পায় প্যারাগুয়েও। গনসালেসের নিজেই নেওয়া নিচু শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন আরমানি। সাও পাওলোয় দিনের প্রথম ম্যাচে দুভান সাপাতার একমাত্র গোলে কাতারকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে কোয়ার্টার-ফাইনাল নিশ্চিত করেছে কলম্বিয়া। নিজেদের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ২-০ গোলে হারানো কলম্বিয়া দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্র“পের শীর্ষে আছে। দুই ড্রয়ে ২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে প্যারাগুয়ে। কাতার ও আর্জেন্টিনার পয়েন্ট সমান ১ করে, তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে সবার নিচে আছে মেসিরা। পোর্তো আলেগ্রেতে বাংলাদেশ সময় আগামী রোববার রাত ১টায় গ্র“প পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে কাতারের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। কোপা আমেরিকার তিন গ্র“পের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপের সঙ্গে সেরা দুই তৃতীয় স্থানের দলও কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠবে। তাই শেষ ম্যাচ জিতলে শেষ আটে যাওয়ার ভালো সম্ভাবনা আছে প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ বারের চ্যাম্পিয়নদের।

 

উইলিয়ামসনের ইনিংস পার্থক্য গড়ে দিয়েছে – দু পেসি

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ বিশ্বকাপ সবে পেরিয়েছে অর্ধেকটা পথ। নিউ জিল্যান্ডের কাছে হেরে এরই মধ্যে সেমি-ফাইনালের আশা প্রায় শেষ হয়ে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকার। স্বাভাবিকভাবেই এতে ভীষণ হতাশ ফাফ দু পে¬সি। প্রোটিয়া অধিনায়ক মনে করেন, খুব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রতিপক্ষ অধিনায়কের অসাধারণ ইনিংস পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। বার্মিংহ্যামের এজবাস্টনে বুধবার ৪ উইকেটে হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই ম্যাচকে তারা দেখছিল কোয়ার্টার-ফাইনাল হিসেবে। আগের আসরে সেমি-ফাইনালে নিউ জিল্যান্ডের কাছে হেরে ছিটকে গিয়েছিল তারা। এবারের হারের পর সেই ম্যাচের কথা মনে পড়ছে দু পে¬সির। মাঠ ভেজা থাকায় এজবাস্টনে খেলা শুরু হয় দেরিতে। টস হারায় নিতে হয় আগে ব্যাটিংয়ের চ্যালেঞ্জ। আকাশ ছিল মেঘে ঢাকা। কন্ডিশন ছিল পেসারদের জন্য দারুণ সহায়ক। নিউ জিল্যান্ডের পেসাররা এই সুবিধা নিয়েছে পুরোপুরি। সুইং করিয়ে পরীক্ষা নিয়েছে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের। হাশিম আমলা ও রাসি ফন ডার ডাসেনের ফিফটিতে ৬ উইকেটে ২৪২ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক মনে করেন, আর ২০ রান বেশি করতে পারলে খেলার চিত্রটা ভিন্ন হতে পারতো। “খুব হতাশ।… আজকে যেমন খেলেছি তাতে কাউকে দোষ দিতে পারি না। আমরা আমাদের সর্বস্ব দিয়েছি। সম্ভবত ২০ রান কম করেছি। তবে এটা খুব কঠিন উইকেট ছিল। মাঠে ছেলেরা শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেছে। আমি ওদের কাছ থেকে এটাই চাইতে পারি। কেন অসাধারণ একটা ইনিংস খেলেছে। সম্ভবত এটাই ছিল দুই দলের মধ্যে পার্থক্য। স্রেফ একজন ওদের জিতিয়ে দিল।” ১০৬ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন নিউ জিল্যান্ড অধিনায়ক। ৭৬ রানে কট বিহাইন্ড হতে পারতেন। তবে ইমরান তাহিরের বল তার ব্যাট ছুঁয়ে এলেও ক্যাচ যে হয়েছে বুঝতে পারেননি কিপার কুইন্টন ডি কক। দু পে¬সি অবশ্য মনে করেন, ওই মুহূর্তটা ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়নি। “না, ব্যাপারটা আমরা জানতাম না। আমার মনে হয়, সেই সময়ে আমি লং অনে ছিলাম। আর কুইনি (ডি কক) ছিল ঘটনার সবচেয়ে কাছে। এই ধরনের ক্ষেত্রে আমি তার দিকেই তাকিয়ে থাকি।… আমার মনে হয় এটা স্রেফ একটা ভুল। কিছুক্ষণ আগেই আমি এটা প্রথম শুনলাম। তখন কেনও ছিল পাশে। জানালো সেও টের পায়নি। আম্পায়ার আউট দিলে রিভিউ নিতো। কিন্তু এটা সেই মুহূর্ত নয় যেখানে জয়-পরাজয় নির্ধারণ হয়েছে। আমার মনে হয়, আমরা ২০ রান কম করেছি। একটা বা দুইটা খুব কঠিন হাফ-চান্স হাতছাড়া করেছি।” ২০০৩ আসরের আগে ও পরে কখনও বিশ্বকাপের প্রাথমিক পর্ব থেকে বিদায় নেয়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার ছয় ম্যাচের মাত্র একটি জেতা দলটির সামনে ১৬ বছর আগের ঘটনার পুনরাবৃত্তির শঙ্কা। দু পে¬সি এবারের ব্যর্থতার জন্য দায় নিজেদের কাঁধে নিলেন। “আমি দক্ষিণ আফ্রিকার সমর্থকদের শুধু এটুকুই বলতে পারি, ছেলেরা লড়াই করেছে। আমি জানি, দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষ- এই মুহূর্তে কিছুটা ক্ষুব্ধ, সেটা ঠিকও। দল হিসেবে আমরা এটা মেনে নিচ্ছি। আমি যেমন বলেছি, দল হিসেবে অন্যদের মতো এই মুহূর্তে আমরা অতোটা ভালো নই। আর এটা আমাদের ভুল। আমরা এর দায় নিচ্ছি।”

চট্টগ্রামে এবার নির্মিত হচ্ছে আইয়ুব বাচ্চু চত্বর

বিনোদন বাজার ॥ প্রয়াত ব্যান্ড তারকা ও গিটার লিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চুর নামে চট্টগ্রামের প্রবর্তক মোড়ে হতে যাচ্ছে আইয়ুব বাচ্চু চত্বর। এমনটাই জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুর পর চট্টগ্রামে তার নামাজের জানাজায় অংশ নিয়ে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন আইয়ুব বাচ্চুর স্মৃতি সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার অংশ হিসেবে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবর্তক মোড়কে আইয়ুব বাচ্চু চত্বর হিসেবে গড়ে তোলা হবে। গত বছরের ১৮ আগস্ট চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের গোলপাহাড় মোড় থেকে প্রবর্তক মোড় পর্যন্ত চার লেন বিশিষ্ট সড়কটির সৌন্দর্যবর্ধন, সবুজায়ন ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে। সেই চুক্তি মোতাবেক সৌন্দর্যবর্ধনের আওতায় প্রবর্তক মোড়ে বসানো হচ্ছে আইয়ুব বাচ্চুর সেই রূপালি গিটারের আদলে একটি গিটার। এরই মধ্যে অধিকাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, আইয়ুব বাচ্চু আমাদের গর্ব। তার স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য প্রবর্তক মোড়কে আইয়ুব বাচ্চু চত্বর করা এবং তার বিখ্যাত গান রূপালি গিটারের সেই গিটার স্থাপন করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। সৌন্দর্যবর্ধনের আওতায় এ স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে।

সাত পাকে বাঁধা পড়লেন নুসরাত

বিনোদন বাজার ॥ অবশেষে অপেক্ষার অবসান। তুরস্কের রোমান্টিক বন্দর শহর বোদরুমে বুধবার সাত পাকে বাঁধা পড়লেন অভিনেত্রী ও বসিরহাটের সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান। লাল লেহেঙ্গা, গলায় বরমালা, হাতে চূড়া। চিরাচরিত কনে সাজে বিবাহ বাসরে নুসরত। পাশে সহাস্য বদনে দীর্ঘদিনের প্রেমিক নিখিল জৈন। হালকা গোলাপি রঙের ডিজাইনার শেরওয়ানি। মাথায় সেহরা। গলায় রতœখচিত মালা। এক্কেবারে রাজপুত বর বেশে নিখিল জৈন।

অগ্নিসাক্ষী করে নিখিলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন নুসরত। বিয়ে হয়েছে বর এবং কনেÑ দুই পক্ষের প্রথা মেনেই। টলিউড থেকে উপস্থিত ছিলেন সতীর্থ তথা প্রিয় বান্ধবী মিমি চক্রবর্তী। কলকাতায় ফিরে আইনি মতে বিয়ে সারবেন দম্পতি। টলিউডের বন্ধুদের জন্য কলকাতার আইটিসি রয়েল বেঙ্গলে ৪ জুলাই রিসেপশন পার্টি হবে। বোদরুমে উপস্থিত ছিলেন নিখিল-নুসরতের ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজন। বিয়ের জন্য নিখিলের কোম্পানি থেকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা পোশাক গিয়েছিল নুসরাতের জন্য। নুসরতের জুতার ডিজাইন করেছেন কলকাতার বিশিষ্ট শু ডিজাইনার রোহন অরোরা। তুরস্কের উদ্দেশে উড়ে যাওয়ার আগের দিনই গায়ে হলুদের ছবি শেয়ার করেছিলেন নুসরত। ‘ফাদারস ডে’উপলক্ষে বাবার জন্য আবেগঘন বার্তাও ছিল সেই ছবির ক্যাপশনে। নিখিলের সঙ্গে শহর ছাড়ার আগের দিন গায়ে হলুদের আসরে বাবাকে জড়িয়ে ধরে শিশুসুলভ কান্নায় ভেঙে পড়েন নুসরত।

 

রুনা লায়লায় অনুপ্রাণিত নাঈম-শাবনাজ কন্যা

বিনোদন বাজার ॥ দেশের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী রুনা লায়লা। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও রয়েছে যার পরিচিতি। দেশ-বিদেশে তার অসংখ্য ভক্ত রয়েছেন। যার তালিকায় এবার খুঁজে পাওয়া গেল ঢাকাই ছবির তারকা দম্পতি ও তার সন্তানকে। সিনেপর্দা ও পারিবারিক জীবনের সফল জুটি নাঈম ও শাবনাজ এবং তাদের কন্যাসন্তান মাহদিয়া। নাঈম-শাবনাজের ছোট মেয়ে মাহদিয়া গান করেন। ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতে তার অনুপ্রেরণার নাম রুনা লায়লা। ক্লাস থ্রিতে থাকতেই রুনা লায়লার ‘আল্লাহ মেঘ দে পানি দে’ গানটি গেয়ে সবাইকে মুগ্ধ করেছিলেন। মাহদিয়ার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রকাশ হবে ‘অনেক বৃষ্টি ঝরে তুমি এলে’ গানটি। এটিও রুনা লায়লার প্রতি অনুপ্রাণিত হয়েই মাহদিয়া গেয়েছেন। গানটির সুর ঠিক রেখে নতুন করে সঙ্গীতায়োজন করেছেন সাঈদ সুজন। সম্প্রতি মাহদিয়া বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে নতুন সঙ্গীতায়োজনের গানটি রুনা লায়লাকে শুনিয়ে আশীর্বাদ নিতে তার বাসায় গিয়েছিলেন।

মাহদিয়ার কণ্ঠে নিজের গাওয়া গান শুনে মুগ্ধ হয়েছেন রুনা। নিজের মেয়ে প্রসঙ্গে নাঈম বলেন, ‘পড়াশোনার চাপে মাহদিয়া গানের চর্চা সঠিকভাবে করতে পারছে না। তা না হলে গানে সে আরও অনেক ভালো করতে পারত।’ মাহদিয়া বলেন, ‘রুনা ম্যাডাম যখন আমার গায়কীর প্রশংসা করলেন তখন আমি বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলাম। এত বড় মাপের একজন শিল্পী হয়েও সাধারণ তিনি।’