কালুখালীতে মৌসুমি প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত

ফজলুল হক ॥ গতকাল বুধবার রাজবাড়ীর কালুখালীতে মৌসুমি প্রতিযোগীতা ২০১৮ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলগত পরিবেশনা জ্ঞান-জিজ্ঞাসা ৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণী, উপস্থিত বিতর্ক প্রতিযোগীতা ৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণী এবং দলীয় নৃত্য (আঞ্চলিক) ও ৮-১২ বছরের শিশু দল দেয়ালিকা ৬ষ্ঠ থেকে ১০ শ্রেণী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত প্রতিযোগীতায় সামগ্রিক বিষয়ের তত্ত্বাবধানসহ প্রধান বিচারকের ভূমিকায় ছিলেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সেলিনা খাতুন, উপস্থাপক ও বিচারক মন্ডলী হিসেবে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আবুল বাসার চৌধুরী ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ আমজাদ হোসেন সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক সাগরের মায়ের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

আমলা অফিস ॥ বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের সাংবাদিক হোসাইন মহাম্মদ সাগরের মায়ের আত্মার মাগফিরাত কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার বিকেলে ভাজপত্র তিথিয়া’র উদ্যোগে কুষ্টিয়ার মিরপুরের আমলা গণগ্রন্থাগারে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় তিথিয়া’র সহকারী সম্পাদক, কবি ও কথাসাহিত্যিক হাসমত আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখে আমলাসদরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মকবুল হোসেন বিশ্বাস, আমলা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সিদ্দিক আলী, আমলা গণগ্রন্থাগারের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মারফত আলী মাস্টার, মিরপুর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কাঞ্চন কুমার, সাংবাদিক হোসাইন মহাম্মদ সাগরের পিতা সামমুল আলম, মামা রোকনুজ্জামান, আমলা প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান, বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক জসীম উল্লাহ আল হামিদ, নাজির উদ্দিন, গোলাবাড়ীয়া শিশু একাডেমির প্রধান শিক্ষক বিশারত আলী, বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের কুষ্টিয়া ডিষ্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট জাহিদ হাসান, এসটিভি বাংলা’র উপজেলা প্রতিনিধি রুবেল আহম্মেদ নান্নু প্রমুখ।  আলোচনা শেষে সাংবাদিক হোসাইন মহাম্মদ সাগরের মায়ের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। গত ২৯ অক্টোবর দিবাগত রাত ২টার দিকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে হোসাইন মহাম্মদ সাগরের মা মাহফুজা বেগম তার নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।

আলমডাঙ্গায় খামারীদের মাঝে উপকরণ বিতরন

আলমডাঙ্গা অফিস ॥ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের আয়োজনে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রানী সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খামারীদের মাঝে উপকরণ বিতরন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী খালেদুর রহমান অরুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীম আরা, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডা. মিজানুর রহমান। উপজেলা  ভেটেরিনারী সার্জন ডা. আব্দুল্লাহিল কাফির উপস্থাপনায় খামারীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিনারুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, শামিম আরা,  রবিউল ইসলাম, নাসির উদ্দিন, রনজু, জাভেদ, শাহানাজ বেগম, গোলাম নাজমুল আলম, দিপংকর অধিকারী প্রমুখ। পরে বাছুর পালন খামারীদের মাঝে বাছুরের খাদ্যসহ বাছুর পালনের উপকরন এবং মুরগি খামারীদের মুরগীর বাচ্চা, মুরগি ঘর তুলে দেন।

কালুখালীতে কারেন্ট জাল বিক্রি দায়ে ২ জনকে জরিমানা

কালুখালী প্রতিনিধি ॥ গতকাল বুধবার রাজবাড়ীর কালুখালীতে রতনদিয়া (অরুণগঞ্জ) বাজারে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি করায় ২জনকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সকাল ১১টায়  বাজারে জাল বিক্রয় সময় পাংশা যশাই ইউনিয়নের মৃত ইয়াকুব মন্ডলের ছেলে মোঃ আব্দুল মোতালেব (৫৫) কে ১হাজার মিটার কারেন্ট জালসহ ও একই উপজেলার মনিরামপুর গ্রামের চন্দন প্রামানিকের ছেলে লালন প্রামানিক (৩৫) কে  ৪হাজার মিটার জালসহ আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে  উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া ইসলাম লুনা বিক্রেতা আব্দুল মোতালেব কে ১ হাজার টাকা ও লালন প্রামানিক কে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা শাহরিয়ার জামান সাবু, কালুখালী থানা এসআই খায়রুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা পরিষদের সামনে এনে আটককৃত জাল অগ্নিসংযোগ করা হয়।

মালিহাদে কোরআন প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ

মিলন আলী ॥ গতকাল কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের মালিহাদ, কাকিলাদহ, আবরী মরহুম ইসমাইল হোসেন মল্লিক হাফেজিয়া মাদরাসার হল রুমে পবিত্র কুরআন প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে সনদ বিতরন করা হয়েছে। মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ডা: নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ইমামদের মাঝে সনদ বিতরন করেন সদরপুর ইউপির চেয়ারম্যান, মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রবিউল হক রবি।

তিনি বলেন বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রাম-গঞ্জ, মহল্লার সকল মসজিদের ইমামদের সহি, শুদ্ধ, নির্ভূলভাবে কুরআন পাঠ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। বিশেষ অতিথির ছিলেন কারী মোহাম্মদ শাইখ, নিজাম উদ্দীন আনছার, জাসদ নেতা আনোয়ারুল, কারী আব্দুস সাত্তার, ড: বিচারপতি রাধা বিনোদ পাল কেজি স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, প্রবীন ব্যক্তিত্ব আব্দল্লাহ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওলানা নাসির উদ্দীন।

সরকার অজানা আশঙ্কায় বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করে কারাগার ভরে ফেলেছে – রিজভী

ঢাকা অফিস ॥ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, রাজধানীসহ সারাদেশেই চলছে মামলার ছড়াছড়ি, গ্রেপ্তার ও আসামি করার হিড়িক। এমনকি যেসব বিএনপি নেতা দেশে নেই বা অনেকে হজ পালন করতে মক্কায় অবস্থান করছেন, তাদের নামেও মামলা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার অজানা আশঙ্কায় বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করে কারাগার ভরে ফেলেছে। সারা দেশে কোনো ঘটনা না ঘটলেও বিভিন্ন থানায় অগ্রিম মামলা করে রেখেছে পুলিশ। এসব মামলায় হাজার হাজার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে রাখা হয়েছে। এতে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় সরকারবিরোধী দলের বিরুদ্ধে বিনাকারণে দমননীতির অংশ হিসেবে মামলা দায়ের ও সে মামলায় গ্রেপ্তার করে। গতকাল বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ৭১ এর ২৫ শে মার্চ ইয়াহিয়া খানের অপারেশন সার্চলাইটের মতো আওয়ামী সরকারের বাহিনীরা দেশজুড়ে চালাচ্ছে জনগণের ওপর অন্যায় আগ্রাসন। গত ৫-৬ দিনে গ্রেফতার এখন অর্ধ সহগ্রের কাছাকাছি। বর্তমান ভোটারবিহীন সরকার সম্পূর্ণ অধঃপতিত ও গণবিরোধী। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে আবারও ভোটারবিহীন একতরফা করা যায় সেজন্য বিনা কারণে নানাধরণের হিংসা প্রতিহিংসায় মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে, নানাভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য ও পুলিশি শক্তির যথেচ্ছ ব্যবহারে রাজনৈতিক পরিবেশ সংঘাতময় করার চেষ্টা করছে। সরকার মনে করে, তার বিরুদ্ধে যাতে কোনো দিক থেকে কোনোভাবেই কেউ যেন টুঁ শব্দ না করতে পারে, সে জন্যই পুলিশ গ্রেফতার ও মিথ্যা মামলায় সয়লাব করে দিয়েছে সারা দেশকে। সরকার দিয়ে মামলা-হামলা গ্রেপ্তারের মাধ্যমে বেআইনিভাবে ক্ষমতায় চিরকালীন থাকাটা নিশ্চিত করতে চাচ্ছে। রিজভী বলেন, নজিরিবিহীন ও বেআইনিভাবে মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কারাগারে আদালত বসিয়ে সরকারের আক্রোশের সর্বশেষ খেলায় মেতে উঠেছে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ তাঁকে চিকিৎসা পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। সরকারি ও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিসৎসকরাা তাঁকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার যে পরামর্শ দিয়েছেন তা বার বার অগ্রাহ্য করেছে সরকার। বেগম জিয়াকে মিথ্যা সাজানো মামলায় জড়িয়ে দিয়ে নিয়ে আদালতকে ব্যবহার করে সাজা দিয়েও মনের ঝাল মিটছে না। নিম্ন আদালতকে ব্যবহার করে আবারও গোপন বিচার প্রক্রিয়ায় তাঁকে হয়রানি করতে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি নেতা আবদুস সালাম, এমরান সালেহ প্রিন্স, এবিএম মোশররফ হোসেন প্রমুখ।

আমবাড়ীয়ায় যুব লীগের কর্মী সভা

মিলন আলী ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন যুবলীগকে গতিশীল ও যুগপোযোগি করার জন্য সুকচা ওয়াপদা মাঠে নান্দিয়া সুতাইল সুকচার গ্রামের যুবলীগ নেতা-কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মত বিনিময়সভা  অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রাকিব আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মিরপুর উপজেলা যুব লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান মোরশেদ। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আশরাফুল আলম মিলন চৌধুরী। মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক আহবায়ক, বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা চিকিৎসক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ডা: রাশেদুজ্জামান পলাশ, মিরপুর উপজেলা যুবলীগ নেতা মিঠুন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জিয়াউল হক জজ মালিথা, উপজেলা যুব লীগের সদস্য আশরাফ পারভেজ, আওয়ামী লীগ  নেতা আনারুল মেম্বর, কুর্শা ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা মাহবুব মাস্টার, বদরুজ্জামান টোটন, আ’লীগ নেতা সাবেক মেম্বর হানিফ আলী। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুবলীগের রাজিবুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক হিরো মাস্টার, শ্রী বিরাজ কুমার, আব্দুল লতিফ, মিঠু, সিদ্দিক, সুবাহান, লাল্টু ও মমতাজ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মুকেষ কুমার।

আলমডাঙ্গার আইলহাঁস ইউপি আ’লীগের কর্মী সমাবেশে হুইপ ছেলুন

জনতাই গণতান্ত্রিক দেশের সকল ক্ষমতার উতস

আলমডাঙ্গা অফিস ॥ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আইলহাঁস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের তৃণমূল নেতাকর্মীদের এক কর্মীসমাবেশ গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র হাসান কাদির গনুর সভাপতিত্বে কর্মীসমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ বীরমুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার  ছেলুন এমপি। তিনি তার বক্তব্যে বলেন দেশ ও জাতির স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তৃণমূল নেতা-কর্মীরাই দলের মূল শক্তি। আওয়ামী লীগ সব সময় দলের কথা বলে। কেননা জনতাই গণতান্ত্রিক দেশের সকল ক্ষমতার উৎস। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি প্রশান্ত অধিকারী, যুগ্ম সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমঙ্গীর হান্নান, মাসুদুজ্জামান লিটু বিশ্বাস, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী খালেদুর রহমান অরুন, এ্যাড. বেলাল হোসেন, হারদী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, জেলা কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি আজিজুল হক, জেলা যুবলীগের আহবায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার, যুগ্ম আহবায়ক শামসুজ্জোহা মল্লিক হাসু, সদস্য হাফিজুর রহমান হাফু, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু মুছা, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শিক্ষানুরাগী আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকত আলী লিপু মোল্লা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মজিবর রহমান। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী মাষ্টারের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতিয়ার রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা ইন্দ্রজিত দেব শর্মা, বিআরডিবির চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম মোহিদ, উপপ্রচার সম্পাদক মাসুদ রানা তুহিন, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আহসান উল্লাহ, জেলা যুবলীগের সদস্য পৌর কাউন্সিলার মতিয়ার রহমান ফারুন, সাইফুর রহমান পিন্টু, পৌর যুবলীগের সভাপতি আব্দুল গাফ্ফার, সম্পাদক সোনাহার মন্ডল, আইলহাঁস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. আব্দুল মালেক, আইলহাঁস ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি  তোফাজ্জেল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাইদুল ইসলাম বাদল, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম লাটিম, মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ছকিনা খাতুন, সাধারণ সম্পাদক রুশিয়া খাতুন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালমন আহমেদ ডন, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আশরাফুল হক, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি নয়ন সরকার। এছাড়াও  ১নং ওয়ার্ড সভাপতি আফিজ উদ্দিন, সম্পাদক আকরাম হোসেন, ২নং ওয়ার্ড সভাপতি ফকির মোহাম্মদ, সম্পাদক আশাবুল হক চুন্নু, ৩নং ওয়ার্ড সভাপতি সাবান আলী, সম্পাদক লিটন আলী, ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুস সামাদ, সম্পাদক রানা আহমেদ, ৫নং ওয়ার্ড সভাপতি সাবান আলী, সম্পাদক হাফিজুর রহমান, ৬নং ওয়ার্ড সভাপতি সাহাবুল হক, সম্পাদক রুমন উজ্জামান, ৭নং ওয়ার্ড সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সম্পাদক আমজাদ হোসেন, ৮নং ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুল মজিদ, সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, ৯নং ওয়ার্ড সভাপতি নজরুল ইসলাম, সম্পাদক মফিজ উদ্দিন প্রমুখ।

কুষ্টিয়ায় জাতীয়তাবাদী গণন্ত্রাতিক যুব আন্দোলনের চার শতাধিক নেতা-কর্মীর পদত্যাগ

আল-মাহাদী ॥ জাতীয়তাবাদী গণন্ত্রাতিক যুব আন্দোলন (এন.ডি.এম) কুষ্টিয়া জেলা কমিটিসহ কুষ্টিয়ার সকল উপজেলা কমিটি’র প্রায় চার শতাধিক নেতা-কর্মীরা একযোগে পদত্যাগ করায় তারা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা মধ্যবাজারের পসাস্যাল মিডিয়া জোন’র সংবাদ প্রতিক্ষণ’র কুষ্টিয়া অফিসে উক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয়তাবাদী গণন্ত্রাতিক যুব আন্দোলন (এন.ডি.এম) এর কুষ্টিয়া জেলা আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি’র যুগ্ম বিভাগীয় সম্পাদক মোঃ শাহিনুর ইসলাম শাহিন সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ আমার দলীয় দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে আসছি। তারপরেও আমি আমার যথাযথ সম্মান না পাওয়ায় এবং দলীয় শৃঙ্খলা ও সিষ্টেমকে ভাল না লাগায়, যে স্বপ্ন নিয়ে এন.ডি.এম এ যোগদান করেছিলাম, সে স্বপ্নের সাথে বাস্তবের মিল খুজে না পাওয়ায়, অতি দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমি ও আমার জেলা ও সকল উপজেলার প্রায় চার শতাধিক নেতা-কর্মীদের নিয়ে এন.ডি.এম থেকে পদত্যাগ করলাম। সেই সাথে আমার তৈরি সকল উপজেলা ও জেলা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করিলাম। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ সহ দৌলতপুর থানা আহবায়ক মোঃ রতন মোল্লা, মিরপুর থানা আহবায়ক মোঃ সোহাগুর রহমান পাপ্পু, ভেড়ামারা থানা আহবায়ক মোঃ শাহিনুর ইসলাম শাহিন, কুষ্টিয়া সদর থানা আহবায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম টুটুল, কুমারখালী থানা আহবায়ক মোঃ আকছেদ আলী, খোকসা থানা আহবায়ক মোঃ রাসেল আহম্মেদ, দৌলতপুর থানা সদস্য সচিব রনি আহম্মেদ, জহির রায়হান, সনি বারী, সুমন, সামসুল ইসলাম, মইনউদ্দিন, নিজামুদ্দিন, উজ্জল হোসেন, তারেক রহমান, মিলন আহম্মেদ, সমির মন্ডল, রাকিব হোসেন, তনু আহম্মেদ,  একলাস হোসেন, সাইফুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, মমিন, সরোয়ার জাহান ভুইয়া, রিপন আহম্মেদ, সাইদুল, জাহাঙ্গীর আলম, টুটুল, আসিক আহম্মেদ, মাসুম বিশ^াস, মাসুদ রানা, সুকুর আলী, তোফাজ্জেল হোসেন, তরিকুল ইসলাম, সোহাগ, জনি প্রমূখ।

কুষ্টিয়া পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান ম. আ রহিম’র ৩১ তম মৃত্যুবার্ষিকী কাল

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান ম.আ রহিম’র ৩১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল ৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার। দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য পারিবারিক উদ্যোগে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাদ আসর কুষ্টিয়া শহরস্থ আড়–য়াপাড়া ছাখাবী মসজিদে মিলাদ মাহফিলের আয়োজান করা হয়েছে। উক্ত মিলাদ মাহ্ফিলে উপস্থিত থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনার জন্য পৌরবাসী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ব্যক্তি জীবনে অমায়িক সজ্জন ও সদালাপী ম. আ রহিম ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জন নির্বাচিত পৌর চেয়ারম্যান। ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দের ৮ জানুয়ারি তিনি কুষ্টিয়া শহরের আড়–য়াপাড়ার বিশিষ্ট সমাজসেবক জেহের আলী মন্ডল ও ময়জান নেছার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোট বেলা থেকেই তিনি সমাজ সেবামূলক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে সক্ষম হন। পঞ্চাশ থেকে ষাটের দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত তিনি মোহিনী মিল রঙ্গমঞ্চ ও পরিমল থিয়েটারের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। এ দু’টি প্রতিষ্ঠানের বেশ কিছু নাটকেও তিনি সফলভাবে অভিনয় করেন। ষাটের দশকের প্রথম দিকে তিনি “পাকিস্তান যাদুকর পরিষদ” এর রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধি ছিলেন (কুষ্টিয়া তখন রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত ছিল)। সে সময় পাকিস্তানের খ্যাতনামা যাদুশিল্পী আলাদীনের ছাত্র হিসাবে তিনি কুষ্টিয়ার বিভিন্ন মঞ্চে ম্যাজিক প্রদর্শন করেন। ১৯৬০-৬১ সময়ে তিনি পাঠাগার, সাংস্কৃতি ও সমাজ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসাবে “মিতালী পরিষদ” প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া তিনি ১৯৬৪ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত কুষ্টিয়া ট্রান্সপোর্ট সিন্ডিকেট এর সাধারণ স¤পাদক এবং ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত বিআরটিসি-র খুলনা বিভাগীয় পাবলিক ডাইরেক্টর ছিলেন। সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনে জড়িত থাকার পাশাপাশি তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হন। ১৯৫২ সাল থেকে তিনি একাধিক মেয়াদে পৌরসভার ওয়ার্ড কমিশনারে ছিলেন। এছাড়াও ১৯৬৪’র ফেব্র“য়ারি থেকে ১৯৭১ এর মার্চ পর্যন্ত তিনি মিলপাড়া ওয়ার্ড চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন এবং দুই দফায় ১৯৭৪ থেকে ১৯৮২ পর্যন্তকুষ্টিয়া পৌরসভার নির্বাচিত পৌর চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৮৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর তিনি চিকিৎসারত অবস্থায় ঢাকার পি.জি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই পুত্র, দুই কন্যা রেখে যান। তার জ্যেষ্ঠ পুত্র  মোঃ আখতারুজ্জামান ব্যবসায়ী ও পরিচালক, দি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এবং মন্ডল ফিলিং স্টেশন এর মালিক। কনিষ্ট পুত্র হাসান জামান লালন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের সাবেক জি.এস ছিলেন এবং তিনি ১৯৯৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ভারতের দার্জিলিংয়ের এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। দি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর সাবেক পরিচালক মোঃ রাকিবুজ্জামান সেতুর দাদা।

দৌলতপুর উপজেলার সাধারণ জনগণের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের বার্তা লিফলেট বিতরণ করছেন ড. মোফাজ্জেল হক

নিজ সংবাদ ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়নের বার্তা দৌলতপুর উপজেলার সাধারণ জনগণের মাঝে তুলে ধরে চলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ খুলনা বিভাগীয় শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. মোফাজ্জেল হক। ড. মোফাজ্জেল হক ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখ বুধবার বিকেল ৪ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সংগ্রামপুর, ঝাইদিয়া ও কামালপুর এলাকার সাধারণ জনগণের মাঝে “যে কারণে দরকার শেখ হাসিনার সরকার” শিরোনামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের বার্তা লিফলেট বিতরণ করেন। উন্নয়নের বার্তা লিফলেটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের শিক্ষা খাত, পদ্মা সেতু তৈরী, বাজেট, স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন তুলে ধরা হয়। ড. মোফাজ্জেল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়নের বার্তা দৌলতপুর উপজেলার সাধারণ জনগণের মাঝে। সরকারের উন্নয়ন সাধারণ জনগণের মাঝে তুলে ধরাই এর উদ্দেশ্য। এ সময় যুবলীগ নেতা স্বপন আলী, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কাজী আলাউদ্দিন মিল্টন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক জহুরুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা নাসির উদ্দিন, আব্দুলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখ মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বড়গাংদিয়া, রেফায়েতপুর, আল্লারদর্গাসহ দৌলতপুরের বিভিন্ন এলাকার  সাধারণ জনগণের মাঝে “যে কারণে দরকার শেখ হাসিনার সরকার” শিরোনামে সরকারের উন্নয়নের বার্তা লিফলেট বিতরণ করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির সদস্য ড. মোফাজ্জেল হক।

মিরপুরে বাল্যবিবাহের কুফল বিষয়ক প্রশিক্ষণ

মিরপুর অফিস ॥  কুষ্টিয়ার মিরপুরে বাল্য বিবাহের মত সামাজিক ব্যাধির কুফল বিষয়ক জনপ্রতিনিধি, কাজী, ইমাম, পুরোহিত ও গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণে এক  প্রশিক্ষণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে মিরপুর উপজেলা অডিটোরিয়ামে উপজেলা পরিষদের আয়োজনে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের বাস্তবায়নে এবং উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সীর (জাইকা) সহযোগিতায় দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম জামাল আহমেদ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রমেশ চন্দ্র ঘোষের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র হাজী এনামুল হক, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান বাহাদুর শেখ, মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু রায়হান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দার, কুর্শা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওমর আলী, আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মিলন, বহলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা বিশ^াস, চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন পিস্তল, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তমান্নাজ খন্দকার, উপজেলা ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর উত্তম কুমার বিশ^াস প্রমুখ।

আমলায় জাসদের নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা

আমলা অফিস ॥ আগামী জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষ্যে কুষ্টিয়ার মিরপুরে জাসদ নেতৃবৃন্দের নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার আমলা ইউনিয়ন জাসদের উদ্যোগে আমলা সরকারী ডিগ্রি কলেজ চত্ত্বরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে আমলা ইউনিয়ন জাসদের সভাপতি আজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরপুর উপজেলা জাসদের সাধারন সম্পাদক আহাম্মদ আলী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরপুর উপজেলা জাসদের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক কারশেদ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব উদ্দিন, আমলা ইউনিয়ন জাসদের সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সেন্টু, জাসদ নেতা হামিদুল ইসলাম, রেজাউল করীম তুফান, একরামুল হক ফকু, ইউনুস আলী, ফরিদ আহম্মেদ, জিয়াউর রহমান, কাজী নুরুন্নবী শুকুল, রফিকুল ইসলাম নেন্টু, হাজ্বী নুরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম, বুরাপাড়া-মিটন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল বারীসহ আমলা ইউনিয়ন জাসদের নেতৃবৃন্দরা। আলোচনা সভায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা গ্রহন করা এবং সাধারন নেতা কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে আবারো জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে জয়ী করার আহবান জানানো হয়।

কুষ্টিয়া আদ্ দ্বীন হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

সুজন কর্মকার ॥ কুষ্টিয়ার বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ভারপ্রাপ্ত) মোস্তাক আহমেদ এর নির্দেশনা মোতাবেক, কুষ্টিয়া আদ্ দ্বীন হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখ বুধবার কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এ.বি.এম আরিফুল ইসলাম এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।  জানাগেছে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে আদ্ দ্বীন হাসপাতাল, কুষ্টিয়ায় অস্ত্রোপচার কক্ষসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা হয় এবং অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ৫০,০০০/- টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। একইসাথে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। জনকল্যাণে ও জনসচেতনতায় চলমান প্রক্রিয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসময় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের একজন চিকিৎসক, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, পরিবেশ কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ, বেঞ্চ সহকারী ও অন্যান্য সহকারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি – স্পিকার

ঢাকা অফিস ॥ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের মূলভিত্তি। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা অন্যতম প্রধান শর্ত। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করাই ‘ফোরাম অব ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিস অব সাউথ এশিয়া’র (এফইএমবিওএসএ) মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চার কেন্দ্রবিন্দু সংসদ। তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের আস্থা অর্জন জরুরী। গতকাল বুধবার রাজধানীতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আয়োজিত ‘ফোরাম অব ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিস অব সাউথ এশিয়া’ (এফইএমবিওএসএ)-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্পিকার এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং ফেমবোসা’র (এফইএমবিওএসএ) সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রতিনিধিবর্গকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ। আফগানিস্তান নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান ও ফেমবোসার বর্তমান চেয়ারম্যান ডা. গোলাজান এ. বাদি সাইদ এবং বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বক্তব্য রাখেন। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নবম ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিস অব সাউথ এশিয়া’র উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরে তিনি ফেমবোসার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটটির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে ভূটানের নির্বাচন কমিশন সচিব দাউয়া তানজিন, ভারতের নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা, মালদ্বীপের এম্বাসেডর এশাথ শান শাকির, নেপালের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডা. আইয়োদী প্রাশাদ জাদেভ, পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার শাহ ফয়সাল কাকার, শ্রীলংকার নির্বাচন কমিশন চেয়ারম্যান মাহিন্দ্রা দেশাপ্রিয়াসহ বাংলাদেশের সাবেক ও বর্তমান নির্বাচন কমিশনারগণ এবং দেশি-বিদেশী প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। স্পিকার বলেন, সংবিধান অনুযায়ী সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। সেই কারণে কিনি জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কারিগরী উদ্ভাবন, ওয়েরসাইট ডিজাইন, নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে আলোকপাত করার জন্য গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন খুব নিকটে উল্লেখ করে বলেন, ইতোমধ্যে কমিশন স্মার্ট কার্ডসহ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। ফেমবোসার এ ধরনের সম্মেলন দক্ষিণ এশিয়া দেশসমূহের মাঝে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক জ্ঞান লাভে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে এবং এর মাধ্যমে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসযোগ্যতা ও আস্থা আনয়নে ফেমবোসা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্পিকার আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ও ২লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাংলাদেশের জনগণ বিজয় ছিনিয়ে আনে। এখন তাঁরই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণ করেছে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে।

 

দৌলতপুরে সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ’র মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলার প্রাগপুর সীমান্তে নিয়মিত সৌজন্য স্বাক্ষাতের অংশ হিসেবে এ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ১৪৯ সীমান্ত পিলার সংলগ্ন নোম্যান্স ল্যান্ডে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে বিজিবি’র পক্ষে নেতৃত্ব দেন ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনস্থ প্রাগপুর কোম্পানী কমান্ডার এসকে সুবোদ পাল এবং বিএসএফ’র পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের নদীয়া জেলার রানীনগর বিএসএফ ক্যাম্পের অধিনায়ক ইন্সপেক্টর যমুনা। ৩০ মিনিটব্যাপী চলা বৈঠকে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত সুরক্ষাসহ সীমান্ত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

গাংনীতে বিএনপি-জামায়াতের ২৩ নেতা-কর্মী আটক – বোমা উদ্ধার

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনীতে পুলিশের অভিযানে বিএনপি-জামায়াতের ২৩জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন-গাংনী উপজেলার কাজীপুর ওয়ার্ড জামায়াতের আমিন খবির উদ্দীন (৫৬)। এছাড়াও বিএনপি-জামায়াতের আটককৃত কর্মীরা হলেন-গাংনী পৌর এলাকার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মৃত খয়ের উদ্দীনের ছেলে আক্তার হোসেন (৪৬), গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের গাঁড়াডোব গ্রামের পুকুরপাড়ার আজগর আলীর ছেলে আহসানুল হক আমিনুল (৩১), জলিবিলপাড়ার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মিন্টু মিয়া (২৬),কসবা গ্রামের মাঝেরপাড়ার আজমত আলীর ছেলে আব্দুল মজিদ (৫৫), জালশুকা গ্রামের স্কুলপাড়ার শুকুর আলীর ছেলে সোনাহার আলী (৪৬), রাইপুর ইউনিয়নের এলাঙ্গী গ্রামের মৃত রাহাতুল্লাহর ছেলে  সের আলী (৫৩) ও একইপাড়ার মৃত জমির উদ্দীনের ছেলে নজরুল ইসলাম (৫০), গজারিয়া-হেমায়েতপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে জাফর ইকবাল তরুন (৩৫), শালদহ গ্রামের মৃত আনিছ উদ্দীনের ছেলে মহিউদ্দীন (৪৫), কাজীপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে রায়হান কবির (২৫), বেতবাড়িয়া গ্রামের আব্দুর রশীদের ছেলে রাশেদুজ্জামান রনি (২৮), সাহারবাটি ইউনিয়নের দুলর্ভপুর গ্রামের মৃত কমর আলীর ছেলে ইলিয়াস হোসেন (৩৮), সাহারবাটি গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে আব্দুল খালেক (৩৮), কাথুলী ইউনিয়নের রাধাগোবিন্দপুর-ধলা গ্রামের মৃত আতর আলীর ছেলে বাবুল হোসেন (৪৫), গফুর বিশ্বাসের ছেলে রেজাউল হক (৫৬), তেঁতুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের করমদী গ্রামের বহালপাড়ার আকবর আলীর ছেলে আব্দুল হামিদ (৪২), তেঁতুলবাড়ীয়া গ্রামের কারিগর পাড়ার মৃত হাজী সেকেন্দার আলীর ছেলে জুলফিকার আলী যদু (৪০), একই পাড়ার মৃত মোতালেব হোসেনের ছেলে মোশাররফ হোসেন (৩৫), মটমুড়া ইউনিয়নের বাওট গ্রামের স্কুলপাড়ার আবুল কাশেম-এর ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৫),বামন্দী ইউনিয়নের নিশিপুর গ্রামের মৃত আইজুদ্দীনের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪৮) ও দেবীপুর গ্রামের মৃত রহিম বকসের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪৫) ও ষোলটাকা ইউনিয়নের কোদাইলকাটি-রাজাপুর গ্রামের হাউস আলীর ছেলে জাকারিয়া (৪৫)। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে গাংনী থানা পুলিশের কয়েকটি দল গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের পাকুড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অদূরে অভিযান পরিচালনা করে। গাংনী থানার ওসি হরেন্দ্রনাথ সরকার (পিপিএম)-এর নেতৃত্বে পুলিশের কয়েকটি দল ২৩জনকে আটক করেন। এ সময় ঘটনাস্থল  থেকে ১৩টি হাত বোমা ও ৬০টি চকলেট বোমা (পট) উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। গাংনী থানার ওসি হরেন্দ্রনাথ সরকার (পিপিএম) জানান, নাশকতার লক্ষে রাতে বিএনপি-জামায়াতের এ সব নেতা-কর্মীরা পাকুড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে গোপন বৈঠক করছিল। খবর পেয়ে পুলিশের কয়েকটি দল নিয়ে ওই স্থানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ২৩জনকে আটক করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ১৩টি হাত বোমা ও ৬০টি পটকা উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের নামে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দিয়ে  গতকাল বুধবার  সকাল ১০টার দিকে আদালতে মাধ্যমে মেহেরপুর জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনও ‘নিয়ন্ত্রিতভাবে’ করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে – সুজন

ঢাকা অফিস ॥ একাদশ সংসদ নির্বাচন বর্তমান ইসি গ্রহণযোগ্য করতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে নাগরিক সংগঠন সুজন। সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত ই ভোট নিয়ে তারা বলেছে, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনেও (ইভিএম) কারচুপি অসম্ভব নয়। সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও ‘নিয়ন্ত্রিতভাবে’ করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে তার চোখে ধরা পড়েছে। তিনি বলেন, “আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে বিরোধী দলগুলোর নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার এরই মধ্যে বোধহয় শুরু হয়ে গেছে। নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। অথচ পুরো প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশন নির্বিকার, তারা যেন দর্শক।” আগামী ডিসেম্বরে একাদশ সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন বর্তমান ইসির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন তুলেছে বিএনপি। সংবাদ সম্মেলনে সুজনের পক্ষ থেকে বলা হয়, রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ক্ষমতাসীনদের প্রধান প্রতিপক্ষকে মাঠছাড়া করা, বিএনপি প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করা, নির্বাচনের দিন জোর-জবরদস্তি করা এবং এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্বিকার ভূমিকা দেখা গেছে। বদিউল আলম বলেন, “তাদের (ইসি) কার্যক্রম এরই মধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। পাঁচ সিটি নির্বাচন তারা সুষ্ঠুভাবে করতে পারেনি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে অনিয়ম হবে না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। অর্থাৎ অনিয়ম হবেই এমন একটি স্ট্যান্ডার্ড সৃষ্টি হয়েছে।” ইভিএম নিয়ে সুজন সম্পাদক বলেন, “আমরা প্রযুক্তির বিরুদ্ধে নই, কিন্তু প্রযুক্তির ব্যবহার হতে হবে নির্ভরযোগ্য, সবার মতামতের ভিত্তিতে। ইভিএম সম্পর্কে জনসচেতনতা  সৃষ্টি ও এটি ব্যবহারে দক্ষ জনগোষ্ঠী সৃষ্টির করতে বছরের পর বছর সময় লাগবে, অথচ নির্বাচনের জন্য চার মাসেরও কম সময় রয়েছে।” সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার বলেন, “যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত তারা যদি নিরপেক্ষ না হন, তাহলে ইভিএম দিয়েও কারচুপি করা সম্ভব।” বদিউল আলম বলেন, “নির্বাচন কমিশনের এখন দৃঢ় ও সাহসী পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, যাতে নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন না হয়।” সংবিধানে নির্বাচন কমিশনকে যে ‘অগাধ ক্ষমতা’ দেওয়া হয়েছে, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে তা প্রয়োগ করার উপর জোর দেন তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের

কারাগারে আদালত বসানো যাবে না সংবিধানের কোথাও লেখা নেই

ঢাকা অফিস ॥ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংবিধানের কোথাও লেখা নেই যে কারাগারে আদালত বসানো যাবে না। তিনি বলেন, বিএনপির আইনজীবীরা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার কাজ শেষ করতে ১০ বছর সময় পার করেছে। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার বিচার কার্যক্রমকে বিলম্বিত করতেই তারা কারাগারে আদালত বসানোকে সংবিধান লংঘন হিসেবে দাবী করছে। এ ধরনের দাবিকে ছলনা ও কৌশল হিসেবে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী কাদের আরো বলেন, বিএনপির নেতারাই এ ধরনের কথা বলে সংবিধান লংঘন করছেন। ওবায়দুল কাদের গতকাল বুধবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে যৌথসভার সূচনা বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল-আলম হানিফ, ডা. দীপুমণি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বিজ্ঞাণ ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এডভোকেট মোল্লা মো. আবু কাওছার, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম, কৃষক লীগের সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন মোল্লা এবং যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার উপস্থিত ছিলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কারাগারে আদালত বসানো সংবিধানের সুস্পষ্ট লংঘন। কিন্তু আদালত বসানো যাবে না সে কথা সংবিধানের কোথাও লেখা নেই।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান কারাগারের ভেতর কর্ণেল (অব.) তাহেরের বিচার কিভাবে করেছিলেন তা দেশের মানুষ জানে। সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে বয়স তাতে তার চলাফেরা করা কষ্টকর। আদালতে তার হাজিরার সুবিধার জন্যই সাবেক কারাগারে এ মামলার বিচারের জন্য আদালত বসানো হয়েছে। তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার কাজ আরো অনেক আগে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিএনপির আইনজীবীরা এ মামলার বিচার কার্যক্রমে ১০ বছর সময় পার করেছেন। কাদের বলেন, ওই মামলার মত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার কার্যক্রমকে বিলমম্বিত করতেই কারাগারে বিশেষ আদালত স্থাপনে সংবিধান লংঘনের দাবি তুলছে। এটা তাদের রাজনৈতিক ছলনা ও কৌশল। অপর এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, আদালতে কে হাজিরা দিতে গেল, আর না গেল তা দেখার বিষয় আদালতের। সেটা দেখার বিষয় সরকারের নয়। তিনি বলেন, সংবিধান, আইন, নিয়ম ও আদালত না মানাই হলো বিএনপির  বৈশিষ্ট্য ও চরিত্র। তারা আদালত না মানলে তাদের বিরুদ্ধে আদালত ব্যবস্থা নেবে। এটা আমাদের বিষয় নয়। আদালতের বিষয়। ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরো জোরদার করতে দলের সঙ্গে সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি বলেন, সাংগঠনিক ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়ে সহযোগী সংগঠনগুলো আওয়ামী লীগের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার জন্যই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

অপরাধের মামলাকে রাজনৈতিক রূপ দেয়ার চক্রান্ত রুখবে গণমাধ্যম ঃ তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘দুর্নীতি, মানুষ পোড়ানো, হত্যা-খুনের অপরাধের মামলাকে রাজনৈতিক মামলা বলে চালিয়ে অপরাধীদের রক্ষা বা হালাল করার চক্রান্তে বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকে সোচ্চার হতে হবে । তথ্যমন্ত্রী গতকাল বুধবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) সেমিনার হলে পিআইবি-সোহেল সামাদ স্মৃতি পুরস্কার-২০১৮ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় গণমাধ্যমের প্রতি এ আহ্বান জানান। গণমাধ্যমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে অবদানের জন্য এ বছর একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই)-এর মুক্তপাঠ এ পুরস্কার লাভ করে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যম ও তথ্য-প্রযুক্তি উভয়েই সমাজকে স্বচ্ছ করে। সেকারণে গুজব, মিথ্যাচার, চরিত্র হনন ও তথ্যবিকৃতির কোনো স্থান সাইবারজগত ও গণমাধ্যমে নেই।’ ‘প্রশাসনের ভুল-ত্রটির বিষয়ে যেমন গণমাধ্যম সোচ্চার, তেমনি রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীর পদস্খলনের বিষয়েও গণমাধ্যমের সোচ্চার হওয়া উচিত। ভারসাম্য রক্ষার নীতির দোহাই দিয়ে অপরাধী নেতা-নেত্রীকে কোনো ছাড় দেয়া গণমাধ্যমের কাজ নয়’, বলেন হাসানুল হক ইনু। পিআইবি পরিচালনা বোর্ড ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’র গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত আলী খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান কাবেরী গায়েন, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত ও পিআইবি’র মহাপরিচালক মো. শাহ আলমগীর সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। পুরস্কার বিজয়ী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন এটুআই পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী ।

৩০০ আসনেই নির্বাচন করার প্রস্তুতি জাতীয় পার্টির

ঢাকা অফিস ॥ জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম এবং সংসদ সদস্যদের যৌথসভায় এখন থেকেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৩০০ আসনেই নির্বাচন করার প্রস্তুতি নেয়ারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় বলা হয়েছে, নির্বাচনে কোনো দল অংশগ্রহণ করুক বা না করুক সে দিকে জাতীয় পার্টি ফিরে তাকাবে না। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের নিশ্চয়তা থাকতে হবে। সভায় বলা হয়- জাতীয় পার্টি অন্য কোনো দলের ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে আর ব্যবহৃত হবে না। আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয় পার্টি নিজেরাই ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে। তার জন্য সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। সভায় যেসব জেলা কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে সেখানে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই সম্মেলন সমাপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় আরও বলা হয়, নির্বাচনের জন্য উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায় কমিটি গঠন বাদেও ভোটকেন্দ্রভিত্তিক কমিটিও গঠন করতে হবে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে জাতীয় পার্টির বর্ধিত সভায় পার্টির কর্মসূচি অবহিত করা হবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়ের মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সভাপতিত্বে প্রেসিডিয়াম এবং সংসদ সদস্যদের এই যৌথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সাইফুল্লাহ আল মুনিরের উপস্থাপনায় “পল্লীবন্ধুর হাত ধরে আর একবার” শিরোনামে নির্বাচনে জাতীয় পার্টির করণীয় ও কর্মকৌশল সম্পর্কিত তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন- পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ এমপি, কো-চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, মহাসচিব-এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য- ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, এমএ সাত্তার, কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, মো. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া টিপু, আলহাজ সাহিদুর রহমান টেপা, অ্যাডভোকেট শেখ মুহম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ফখরুল ইমাম এমপি, মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, নুর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরী এমপি, অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি। এছাড়াও সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা, হাবিবুর রহমান, সুনীল শুভরায়, এসএম ফয়সল চিশতী, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, মো. আজম খান, মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, সোলায়মান আলম শেঠ, আতিকুর রহমান আতিক, নাসরিন জাহান রতনা এমপি, আব্দুর রশীদ সরকার, মেজর মো. খালেদ আখতার (অব.), মুজিবুর রহমান সেন্টু, আলহাজ সফিকুল ইসলাম সেন্টু, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি উপস্থিত ছিলেন। সংসদ সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এমপি, লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এমপি, একেএম মোস্তাফিজুর রহমান এমপি, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মিলন এমপি, মো. নোমান মিয়া এমপি, আলহাজ শওকত চৌধুরী এমপি, নুরুল ইসলাম ওমর এমপি, সালাউদ্দিন মুক্তি এমপি, ইয়াইয়াহ চৌধুরী এমপি, মুনিম চৌধুরী বাবু এমপি, পীর ফজলুর রহমান এমপি, অ্যাডভোকেট মো. আলতাফ আলী এমপি, মো. আমির হোসেন ভূঁইয়া এমপি, হাজী মো. ইলিয়াস এমপি, সেলিম ওসমান এমপি, মো. রুস্তম আলী ফরাজী এমপি, অধ্যাপক ডা. মো. আক্কাছ আলী সরকার এমপি, মেহজাবিন মোর্শেদ এমপি, মেরিনা রহমান এমপি, খোরশেদ আরা হক এমপি, সাহানারা বেগম এমপি উপস্থিত ছিলেন।