ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ ২ জন গ্রেফতার

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ নাশকতা পরিকল্পনার অভিযোগে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেকসহ ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে একটি রিভলবার ও ২০ রাউন্ড গুলি। গতকাল সোমবার  বিকেলে শহরের আদর্শপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। সে শহরের শের-এ বাংলা সড়কের বাসিন্দা। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে শহরের আদর্শপাড়া এলাকায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা নাশকতার পরিকল্পনা করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এসময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক ও আলী আহম্মেদ ফকর নামের এক বিএনপি কর্মীকে আটক করা হয়। এসময় উদ্ধার করা হয় রিভলবার ও ২০ রাউন্ড গুলি। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

দৌলতপুর সীমান্তে মাদক উদ্ধার

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধার হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সীমান্ত সংলগ্ন পাকুড়িয়া গ্রামে দৌলতপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। দৌলতপুর থানার এস আই গৌতম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স পাকুড়িয়া গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী ঝেলুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মাদক ব্যবসায়ী ঝেলুকে (৩০) আটক করা যায়নি। সে একই গ্রামের পটলের ছেলে। তবে এলাকাবাসী বলেছে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী ঝেলুর বাড়ি থেকে ৩ পেটি গাঁজা উদ্ধার

রোহিঙ্গাদের নিয়ে ভূয়া ছবি ছাপানোয় ক্ষমা চাইল মিয়ানমার সেনাবাহিনী

ঢাকা অফিস ॥ ভূয়া ছবি দিয়ে রোহিঙ্গাদের নিয়ে মিথ্যাচারের জন্য শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলো মিয়ানমার সেনাবাহিনী। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মুখপত্র ‘দ্য মিয়াওয়াদি ডেইলি’  সোমবার ‘মিয়ানমার পলিটিকস অ্যান্ড দ্য টাটমাডো: পার্ট ওয়ান’ শিরোনামের বইটিতে প্রকাশিত দুটি ছবির জন্য ক্ষমা চেয়েছে। খবর রয়টার্সের। ওই বইতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও রুয়ান্ডার হুতি শরণার্থীদের দুটি ছবিকে রোহিঙ্গা বিষয়ক ঐতিহাসিক ছবি হিসেবে ছাপায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর। যার একটি হলো- একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বুড়িগঙ্গা নদীতে ভাসমান লাশের ঐতিহাসিক ছবি। বইতে ওই ছবিটিকে ১৯৪০-এর দশকে বৌদ্ধদের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের হত্যাযজ্ঞের ছবি বলে উলে¬খ করা হয়েছে। আরেকটি হলো- রুয়ান্ডার হুতি শরণার্থীদের তানজানিয়া যাত্রার ছবি। ওই ছবিটিকে ব্রিটিশ উপনিবেশের পর বাঙালিদের (রোহিঙ্গা) মিয়ানমারে রাখাইনে প্রবেশের ছবি হিসেবে উলে¬খ করা হয়।  গত ২৭ আগস্ট জাতিসংঘের প্রতিবেদনে রোহিঙ্গা নিপীড়নকে মিয়ানমারের  জেনারেলদের গণহত্যা হিসেবে মন্তব্যের পরপরই এই দুটি ছবি ছাপানো হয়েছিল। পরে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রকাশিত ওই বইতে প্রকাশিত ছবিতে মিথ্যাচার সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে রয়টার্স। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেন, ‘ছবি দুটি ভুল ছাপা হয়েছে। ওই ভুলের জন্য আমরা পাঠক ও ছবির স্বত্বাধিকারীদের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি।’ গত জুলাইতে ‘মিয়ানমার পলিটিকস অ্যান্ড দ্য টাটমাডো: পার্ট ওয়ান’ শিরোনামে ১১৭-পৃষ্ঠার বইটি প্রকাশ করেছে মিয়ানমার  সেনাবাহিনীর জনসংযোগ ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ বিভাগ। মিয়ানমারের বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গুনের প্রধান বইয়ের  দোকানগুলোতে বিক্রি হচ্ছে বইটি।

ফের হুমকির মুখে কুঠিবাড়িসহ দুটি ইউনিয়নের বিস্তির্ণ জনপদ

২শ’ কোটি টাকার কাজ দুই মাসেই জলে

কুষ্টিয়ায় রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি রক্ষা বাঁধ ৩৬ মিটার নদী গর্ভে বিলীন

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ দুই মাসও হয়নি কাজ শেষ হয়েছে। এখনো নদী তীরে পড়ে আছে সব যন্ত্রপাতি ও হাজার হাজার ব্লক। এরই মধ্যে কুষ্টিয়ায় রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের ৩৬মিটার ধ্বসে পদ্মায় চলে গেছে। ব্লক ধ্বসে পড়ায় লোকালয় ভাঙ্গতে শুরু করেছে। এদিকে ভাঙ্গনের পর পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন জিও ব্যাগে বালু ভরে ভাঙ্গন কবলিত স্থানে ফেলছে। তবে এতে ভাঙ্গন রোধ হবে না বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ।

ঘটনাস্থলে গিয়ে জানাগেছে, গতকাল সোমবার সকালে বাঁধের প্রায় ৩৬ মিটার নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। কালির স্বাক্ষী এ ঐতিহ্যবাহি কুঠিবাড়ি রক্ষায় ১৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে মাত্র ২ মাস আগে এ বাঁধের নির্মাণ কাজ শেষ না হতে ভাঙ্গন শুরু হওয়ায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে সাধারন মানুষের মাঝে। তারা কাজের অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দোষারোপ করছে। বাঁধে ভাঙনের ফলে ফের হুমকির মুখে পড়লো রবীন্দ্র কুঠিবাড়িসহ দুটি ইউনিয়নের বিস্তির্ণ জনপদ।

স্থানীয়রা জানান, বাঁধ নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারসহ ব্যাপক দুর্নীতির কারণে মাত্র ২ মাস আগে নির্মিত বাঁধে এভাবে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, সিডিউল মোতাবেক কাজ হয়নি, যে পরিমান ব্লক ও জিও ব্যাগ ফেলার কথা তাও ফেলা হয়নি। শতকোটি টাকা খরচ করে তাহলে লাভ হলো কার এমন প্রশ্ন এলাকার মানুষের।

বিকেলে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় কয়া ইউনিয়নের কালোয়া গ্রামে দক্ষিণ পাশে পদ্মা নদী ঘেঁষে সদ্য নির্মিত বাঁধের বড় একটি অংশ ভেঙ্গে নদীতে চলে গেছে। এখন দু’একটি করে ব্লক খসে খসে পড়ছে। ভাঙ্গনের খবর পেয়ে শত শত মানুষ নদী পাড়ে ভীড় জমিয়েছে। বাঁধে ভাঙ্গন শুরু হওয়ায় নদী তীরবর্তী সবার মধ্যে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানান, সকালে হঠাৎ পানিতে ঘুর্ণির মত কিছু শুরু হয়। এরপর এক সাথে বড় একটি অংশের ব্লক বসে যায়। এ সময় সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

মনিরুল ও আবুল কাসেম নামের দুই ব্যক্তি বলেন,‘ কাজের কাজ কিছুই হয়নি, সব চুরি হয়ে গেছে। দুই মাস আগে কাজ শেষ হয়েছে। কাজ যদি সঠিকভাবে হতো তাহলে পানি ঢুকে ব্লক ধ্বসে পড়তো না। আগেই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, এখন সেটা সত্য প্রমানিত হলো। এখন এর দ্বায় নেবে কে?

নাজনীন ও আসমা নামের দুই নারী বলেন,‘ বাঁধ নির্মাণ শেষ হওয়ার পর সবার মধ্যে স্বস্তি ছিল। এখন আবার ভয় কাজ করছে। সরকারের কাছে আমাদের দাবি সঠিক তদন্ত করে যেন দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়। পাশাপাশি দ্রুত বাঁধ যেন তারা ঠিক করে দেয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বেশির ভাগ অংশে কাজের মান নিম্ন হয়েছে। যেভাবে পাইলিং করে গাছের গুড়ি ফেলে তার ওপর ব্লক দেয়ার কথা ছিল। তারা তড়িঘড়ি কাজ করে চলে গেছে। কোন জবাবদিহিতা না থাকায় এখন এই অবস্থা।

২০১৫ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ির অদূরে পদ্মা নদীতে তীব্র ভাঙন শুরু হয়। এতে শঙ্কায় দিন গুনছিল স্থানীয় সচেতন মহলসহ এলাকার মানুষ। পরে পানি উন্নয়ন বোর্ড নদী তীর সংরক্ষণে প্রকল্প গ্রহণ করে।

২০১৬ সালে সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে পানি উন্নয়ন বোর্ড কুঠিবাড়ি ও আশেপাশের জনপদ রক্ষায় ১৭৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নদী তীর সংরক্ষণের কাজ শুরু করে। শিলাইদহ এলাকায় পদ্মা নদীর ডান তীর এলাকায় প্রায় ৩ হাজার ৭২০ মিটার দীর্ঘ এ বাঁধ নির্মাণে ২০১৬ সালের ১৩ আগষ্ট বাংলাদেশ ডিজেলপ্লান্ট (বিডিপি) লিমিটেড নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ পায়। তবে মূল ঠিকাদারের সহযোগি প্রতিষ্ঠান ওয়েষ্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রাইভেট লিমিটেড মূলত এ কাজ বাস্তবায়ন করে। মাত্র দুই মাস আগে এ বাঁধ নির্মাণ কাজ শেষ হয়। এতে আশার আলো দেখে স্থানীয় রবীন্দ্র প্রেমী ও সাধারণ মানুষ। সংশ্লিষ্টদের গাফিলতিতে এসব মানুষের আশা ভরসা এখন ফিকে হতে শুরু করেছে। সোমবার বিকেলে বাঁধ এলাকা গিয়ে দেখা যায়, পদ্মা নদীর প্রবল স্রোতে ইতিমধ্যে প্রায় ৩৬ মিটার বাঁধ নদীতে ভেসে গেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন বাঁধের ভাঙা অংশে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করছে। তবে এভাবে বাঁধ রক্ষা করা যাবে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। বাঁধের আরও বড় অংশ যে কোন সময় ধসে যেতে পারে বলে আশংকা করছেন তারা। তারা এ ঘটনার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দায়ী করছে। ভাঙন প্রবন শিলাইদহ ও কয়া ইউনিয়নের পদ্মা তীরবর্তী বাসিন্দারা এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।  সলেমান মিয়া বলেন, এই বাঁধ রক্ষা করা না গেলে ঐতিহ্যবাহী রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি রক্ষা করা যাবেনা। পাশাপাশি তাদের বাড়ি-ঘর ও আবাদি জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।

কয়া ইউনিযনের চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম স্বপন বলেন,‘ কাজে অনেক অনিয়ম হয়েছে। যে স্থান থেকে ব্লক সরে গেছে, সেখানে নিচে পরিমান মতো ব্লক ও জিও ব্যাগ দেয়া হয়নি। তাই পানি বাড়ার পর ব্লক বসে গেছে। অনিয়ম ও নির্মাণ ক্রটির কারনেই এমনটা হয়ে বলে মনে হচ্ছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন,‘ ঘাবড়ানোর কিছু নেই, ভাঙ্গন শুরু হওয়ার পর আমরা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আপাতত জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন রোধ করার চেষ্টা করছি। পানি কমলে তখন বাঁধ পুনরায় মেরামত করে দেয়া হবে।’

ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মনিরুজ্জামান বলেন, পদ্মা অনেক বড় এবং ভাঙন প্রবণ নদী। বর্ষায় এ নদী সর্বগ্রাসী হয়ে ওঠে। তাই হঠাৎ করে বাঁধের কিছু অংশ বিলীন হয়ে গেছে। এতে শঙ্কার কিছু নেই। তারা বিষয়টি দেখছেন।

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান বলেন,  বাঁধ নির্মাণে কোন অনিয়ম দুর্নীতি হয়নি। এ ধরণের বাঁধে ভাঙন দেখা দিতেই পারে। বাঁধ রক্ষায় ইতিমধ্যে জরুরী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তারা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিচ্ছেন। এছাড়া বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

এখনও রণবীর কাপুরের ট্যাটু নিয়ে ঘুরছেন দীপিকা!

বিনোদন বাজার ॥ দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিংয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানের সবকিছু ঠিকঠাক চললেও সম্প্রতি মুম্বাইয়ে দীপিকাকে যেভাবে দেখা গেল তা দেখে যেকেউ অবাক হবেন।বিয়ের আর মাত্র দু’মাস বাকি। জল্পনা চলছিল কাঁধে বানানো ‘সাবেক’ প্রেমিকা রণবীর কাপুরের ট্যাটু নাকি বদলে ফেলবেন দীপিকা। অথচ, সম্প্রতি তাকে দেখা গেল ‘সাবেক’ রণবীর কাপুরের নামাঙ্কিত সেই আর কে ট্যাটু নিয়েই ঘুরে বেড়াতে। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় এসেছিলেন দীপিকা, আর তার চুল উপরে খোঁপা করা থাকায়, কাঁধে জ্বলজ্বল করছিল সেই আর কে ট্যাটু।অনেকেই কটাক্ষ করে বলেন দীপিকা রণবীর কাপুরকে এখনও ভুলতে পারেননি। রণবীর সিংকে ঠকাচ্ছেন। দীপিকার কাঁধে এখনও রয়ে যাওয়া আর কে ট্যাটু নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।প্রসঙ্গত, দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর কাপুরের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল ‘বাচনা ইয়ে হাসিনো’ ছবির সেটে। দুবছর সেই সম্পর্ক টিকে থাকার পর সেটা ভেঙে যায়। দীপিকার অভিযোগ ছিল রণবীর কাপুর তাকে ঠকিয়েছেন। তবে দীপিকাকে ঠকানোর কথা স্বীকার করে নিয়ে ছিলেন রণবীর কাপুর নিজেও। দীপিকার সঙ্গে সম্পর্কে থাকতে থাকতেই ক্যাটরিনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন রণবীর। দীপিকা তা মেনে নিতে পারেননি। তবে দীপিকা যে রণবীর কাপুরকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতেন সেবিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এমনকি রণবীর কাপুরের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পর মানসিক অবসাদেও চলে যান দীপিকা। পরবর্তীকালে ‘রণবীর’ নামেই রণবীর সিংয়ের প্রেমে পড়েন দীপিকা। আর রণবীর সিংও যে দীপিকা বলতে অজ্ঞান, সেকথা আর না বললেও চলে। তাদের সেই প্রেম খুব শীঘ্রই পরিণতি পেতে চলেছে। তবে এখনও দীপিকার কাঁধ থেকে মোছে নি ‘সাবেক’-এর নাম।

ঋণে জর্জরিত প্রিয়াঙ্কার হবু শ্বশুর!

বিনোদন বাজার ॥ কয়েকদিন আগেই মার্কিন সংগীতশিল্পী নিক জোনাসের সঙ্গে বাগদান সেরেছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এ উপলক্ষে ভারতে এসেছিলেন নিকের মা ডেনিস ও বাবা পল জোনাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের আনন্দঘন মুহূর্তগুলো সবার সঙ্গে ভাগাভাগিও করেছেন তারা।নিক-প্রিয়াঙ্কার বিয়ে নিয়ে দুই পরিবার যখন খুশিতে ভাসছেন ঠিক তখনই একটি দুঃসংবাদ শুনলেন নিকের বাবা। ঋণে জর্জরিত হয়ে দেউলিয়া হতে বসেছে তার রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানটি।পশ্চিমা একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অনুযায়ী, পল জোনাসের নিউ জার্সিতে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানি রয়েছে। সব মিলিয়ে পল জোনাসের ওই কোম্পানির ঋণের পরিমাণ ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে এই কোম্পানিটি একটি মামলায় হেরে যাওয়ায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ লাখ ৬৮ হাজার মার্কিন ডলার দিতে হয়। তারপর থেকেই বিশেষ লাভজনক অবস্থাতে নেই পল জোনাসের ওই কোম্পানি। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে নিউ জার্সিতে কোম্পানির সম্পত্তি বিক্রির কথাও নাকি ভাবছেন নিকের বাবা।এদিকে বাবার এই প্রতিষ্ঠানটি বাঁচাতে নিক ও তার ভাই জো ও কেভিন জোনাস এগিয়ে আসবেন কিনা সেটিই এখন দেখার বিষয়। ২০১৩ সালে নিক ও তার ভাইদের গানের ব্যান্ড ‘জোনাস ব্রাদারস’ ভেঙে যাওয়ার আগে সারা বিশ্বে তাদের গানের প্রচুর রেকর্ড বিক্রি হয়। এই মুহূর্তে নিক জোনাসের সম্পত্তির পরিমাণ ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যার বেশিরভাগটাই নিক নিজে আয় করেছেন। পাশাপাশি নিকের ভাই জো জোনাস এবং কেভিন জোনাসের সম্পত্তির পরিমাণ যথাক্রমে ২০ মিলিয়ন ও ১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।তবে ছেলেদের পাশাপাশি শ্বশুরের সম্পত্তি বাঁচাতে জোনাস পরিবারের হবু বৌ প্রিয়াঙ্কাও এগিয়ে আসতে পারেন। এ অভিনেত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ ২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। শুধু তাই নয়, নিকের ভাই জো জোনাসের স্ত্রী ‘গেম অব থ্রোনস’ অভিনেত্রী সোফি টার্নারের সম্পত্তির পরিমাণ ১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

 

স্বমেহনের দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে যা বললেন স্বরা

বিনোদন বাজার ॥ একটি সিনেমায় স্বমেহনের দৃশ্যে অভিনয় করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন অভিনেত্রী স্বরা ভাস্বর। সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে মুখ খুলতে থাকা এই অভিনেত্রী এবার বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এতদিন জোরেসোরে কোনও কথা না বললেও ওই দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে স্বরা সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তার যুক্তি তুলে ধরেছেন বলে আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।স্বরা বলেন, যে কোনও চরিত্রে অভিনয়ের সময় অভিনেতাকে সেই চরিত্রের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হয়। যদি চরিত্রের ওপর বিশ্বাস না থাকে, তা হলে অনস্ক্রিন অভিনয় করাটা কঠিন। আমিও ওই চরিত্র বিশ্বাস করেই করেছিলাম।স্বরা মনে করেন, ছোট থেকেই যে কোনও বিষয়ে মেয়েদের বিচার করা হয়। যে কোনও ঘটনায় আঙুল ওঠে মেয়েদের দিকেই। তাদের কেমন দেখতে, কেমন ব্যবহার-সব কিছু নিয়েই যেন প্রশ্ন ওঠে।তিনি বলেন, আমি বলছি না যে, ছেলেদের বিচার করা হয় না। তবে মেয়েদের এটা অনেক বেশি ফেস করতে হয়। বিয়ের সময় আমাদের অর্থাৎ মেয়েদের কেমন দেখতে, তার গায়ের রঙ কেমন, তার ব্যবহার কেমন, সব কিছু নিয়েই প্রশ্ন ওঠেৃ।হয়তো অনেক কিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। তবে ভারতীয় মেয়েদের এখনও অনেকটা পথ চলা বাকি বলে মনে করেন স্বরা।‘ভিরে দ্য ওয়েডিং’য়ে একটি দৃশ্যে স্বমেহন করতে দেখা গেছে স্বরাকে। ওই দৃশ্য দেখেই আক্রমণের মুখে পড়েন এই অভিনেত্রী। একজন ভারতীয় নারী হয়ে তিনি কিভাবে ওই ধরনের দৃশ্যে অভিনয় করলেন, সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।অনুষ্ঠানে স্বরা বলেন, অনেকটা সময় ধরে লোকে কী বলবে, ভেবেই মেয়েরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। তাদের দমিয়ে রাখা হয়। কিন্তু সে সব অগ্রাহ্য করে মেয়েরা এগোচ্ছে…।

ঝিনাইদহে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ঝিনাইদহে উদ্বোধন করা হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের। গতকাল সোমবার বিকেলে সরকারি বালক বিদ্যালয় মাঠে এ খেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী ইসলাম এর সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র আলহাজ সাইদুল করিম মিন্টু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বাকাহীদ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খোদেজা খাতুন, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক সাইফুর রহমান খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম হিরন, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. বিকাশ কুমার ঘোষ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম। সদর উপজেলা পরিষদের আয়োজনে সোমবার থেকে শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতা চলবে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এতে সদর উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়নের ফুটবল দল অংশগ্রহন করবে। উদ্বোধানী ম্যাচে হরিশংকরপুর ও পোড়াহাটি ইউনিয়ন প্রতিযোগিতা করে। ৭০ মিনিটের খেলা শেষে ট্রাইব্রেকারে পোড়াহাটি ইউনিয়নকে ৩-২ গোলে হারিয়ে জয়লাভ করে হরিশংকরপুর ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ। এদিন বিপুল পরিমাণ দর্শক ম্যাচ উপভোগ করতে হাজির হন।

ঝিনাইদহে খুলনা বিভাগীয় পুলিশ ভলিবল চ্যাম্পিয়নশীপ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ (পুরুষ-নারী) ভলিবল চ্যাম্পিয়নশীপ খুলনা বিভাগীয় টুর্নামেন্ট। গতকাল সোমবার সকালে ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনস মাঠে এ খেলার উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কনক কুমার দাস, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) রেজানুর বেগম, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি এম রায়হান, জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি রোকনুজ্জামান রানু, সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জীবন কুমার বিশ্বাসসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতা চলবে বুধবার পর্যন্ত। এতে খুলনা বিভাগের ১০ টি জেলার ১১ টি দল নকআউট ভিত্তিতে অংশগ্রহণ করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রথম দিনে প্রতিযোগিতা করে সাতক্ষীরা জেলা বনাম কুষ্টিয়া জেলা এবং যশোর বনাম খুলনা আরআরএফ। এসময় পুলিশ সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ খেলা উপভোগ করেন।

ইরফান ‘বিরল রোগে আক্রান্ত’ হওয়ায় অবাক হইনি: দীপিকা

বিনোদন বাজার ॥ বলিউড ও হলিউডের সফল অভিনেতা ইরফান খানের অসুস্থতা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করলেন অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোন। ইরফান ‘বিরল রোগে আক্রান্ত’ হওয়ায় দীপিকা নাকি আবাক হননি।ইরফান নিজেই টুইট করে ভক্তদের তার অসুস্থতার কথা জানিয়েছিলেন। মরণ রোগের পথ থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য ভক্তরা সেদিন থেকে তার আরোগ্য কামনা করছেন। বলিউডের বহু অভিনেতাও ইরফান যাতে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠেন তার জন্য প্রার্থনা করছেন। সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খানসহ অনেকে।ইরফানের এই অসুস্থতা যে তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত তা-ও জানিয়েছেন। কিন্তু দীপিকা পাডুকোন জানান, ইরফানের এই রোগের খবর তাকে মোটেই অবাক করেনি।‘পিকু’ (২০১৫) ছবিতে দীপিকা ও ইরফান খানের রসায়ন পছন্দ করেছিলেন দর্শকরা। আবারও বিশাল ভরদ্বাজের একটি ছবিতে একসঙ্গে কাজ করার কথা ছিল এই জুটির। কিন্তু তার মাঝেই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ইরফানের অসুস্থতা।অন্যদিকে একই সময়েই দীপিকাও কাঁধের ব্যথায় ভুগছিলেন। পরিচালক জানিয়ে দিয়েছিলেন দু’জন সম্পূর্ণভাবে সুস্থ হলেই ছবির কাজ শুরু হবে। কিন্তু এত কিছুর পরেও ইরফানের ‘বিরল অসুখ’-এর খবর একটুও অবাক করেনি দীপিকাকে!ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকারে দীপিকা বলেছিলেন, ‘অভিনেতা ছাড়াও ইরফানকে মানুষ হিসেবে আমি খুব পছন্দ করি। আমি বলব না যে, আমি এই খবর আশা করছিলাম। কিন্তু তার সঙ্গে এই খবর আমায় অবাকও করেনি।’কিন্তু কেন এমন মন্তব্য করেছিলেন দীপিকা? এমন প্রশ্নে নায়িকার জবাব ছিল, ‘অতীতে আমি এমন অনেক কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। আর সেই অভিজ্ঞতাই আমাকে শিখিয়েছে, জীবন খুব ভঙ্গুর। যে কোনো সময়ে যে কোনো মানুষের সঙ্গে যা কিছু হতে পারে। আমায় এখন কোনো কিছু সেভাবে শঙ্কিত করে না। আমি ওর (ইরফান) দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।’

মিরপুরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের প্রস্তুতি সভা

মিরপুর অফিস ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের (অনুর্দ্ধ-১৭) এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। টুর্ণামেন্ট কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম জামাল আহমেদ’র সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মহাম্মদ আলী জোয়ার্দ্দারের পরিচালনায় এ সময়ে উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শারমিন আক্তার নাসরিন, কমিটির পৃষ্ঠপোষক পৌর মেয়র হাজী এনামুল হক, সদস্য উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সেলিম হোসেন ফরাজী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রমেশ চন্দ্র ঘোষ, মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার হায়দার, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা এম এম বখতিয়ার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম নান্নু, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রিমন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার আফতাব উদ্দিন খান, সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল হক রবি, আমলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম মালিথা, চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন পিস্তুল, তালবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান মন্ডল, বারুইপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান, ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আব্দুস সালাম, বহলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা বিশ^াস, কুর্শা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওমর আলী, উপজেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের মনোনীত সদস্য রেজাউল করিম, সভাপতি কর্তৃক মনোনীত উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য চিত্তরঞ্জন পন্ডিত, হীরক জোয়ার্দ্দার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর আড়াইটায় স্থানীয় ফুটবল মাঠে এ টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করা হবে। পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ১৪টি দলের অংশগ্রহণে নক-আউট পদ্ধতিতে এ খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

মিরপুর উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে জনপ্রিয় হচ্ছে আলোক ফাঁদ

একসাথে ৪০ ব্লকে ধানের পোকা শনাক্ত, ব্যবস্থাপনা প্রদান

কাঞ্চন কুমার ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুরে কৃষকদের কাছে ধানে আক্রান্ত  পোকামাকড় চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করার এখন জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো আলোক ফাঁদ। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে কৃষি বান্ধব এ পদ্ধতিকে স্বাগত জানিয়ে ব্যবহার করছেন মাঝারি-ক্ষুদ্র থেকে প্রান্তিক কৃষকরা। কৃষকরা নিজেই জমিতে পোকাগুলোর উপস্থিতি  দেখতে পারছে। কখন কোন পোকার আক্রমন বেশি হতে পারে বা  পোকার উপদ্রব দেখতে পারছে। সে অনুযায়ী কৃষি অফিসের দেওয়া ব্যবস্থা পত্রের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহন করছে। এতে কৃষকরা ধান ক্ষেতে পোকার আক্রমণের আগেই কোন ওষুধ প্রয়োগ করতে সক্ষম হচ্ছে। ফলে খুব সহজেই পোকা দমন করছে কৃষকরা। আর কৃষকদের এ পদ্ধতি ব্যবহারে এবং সার্বিক নিদের্শনা দিয়ে যাচ্ছে উপজেলা কৃষি অফিস এবং কৃষি কর্মকর্তারা। চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় ২১ হাজার ৭’শ ৫ হেক্টর রোপা আমন জমিতে ফসলের পোকা শনাক্ত এবং আলোক ফাঁদ পদ্ধতি কৃষকদের মাঝে ব্যাপক বিস্তারের লক্ষ্যে উপজেলা কৃষি অফিস নিয়েছে বিশেষ কর্মসূচি। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বিভক্ত ৪০টি কৃষি ব্লকে একযোগে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়। ক্ষতিকর পোকা দেখে ব্যবস্থাপনা পত্র প্রদান করে কৃষি কর্মকর্তাগণ। এসময় প্রায় ৫ শতাধিক কৃষক এ পদ্ধতির ব্যবহার এবং সুফল সম্পর্কে জানতে পারে। ফসলের ক্ষতিকর ও পোকা মাকড় সম্পর্কে জানতে পেরেছে। উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, আমরা মনে করতাম ফসলে পোকা থাকলেই তা ক্ষতি করে। তাদের মেরে ফেলতে হবে। তবে আজকে এই আলোক ফাঁদের মাধ্যমে জানতে পারলাম জমিতে উপকারী পোকাও থাকে। কখন পোকা দমন করতে হবে। আমার জমিতে কোন পোকা বেশি (উপকারী না অপকারী) তা আমি নিজেই পরীক্ষা করতে পারবো। একই এলাকার কৃষক জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমরা খুব সহজেই বুঝতে পারবো কোন প্রকার উপদ্রব বেশি। এতে সে অনুযায়ী আমরা ওষুধ দিতে পারবো। তিনি আরো জানান, এর খরচও কম। আর বাড়ীতেই তৈরী করা যায়। তিনটা খুটি একসাথে বেধে হ্যারিকেনের মতো করে সাবান গুড়া মিশ্রিত পানির পাত্রের উপর আলোর উৎস হিসাবে  বৈদ্যুতিক বাল্ব স্থাপন করে ধান ক্ষেতের চার পাশে আইল হতে একটু দূরে স্থাপন করে পোকা আলোতে আকর্ষিত হয়ে সাবান গুলা পানিতে আটকে যায়। যার ফলে  পোকার উপপস্থিতি জানা যায় এভাবেই আলোক ফাঁদের মাধ্যমে পোকা জরিপ করা হয় বলে জানায় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন। মিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রমেশ চন্দ্র ঘোষ জানান, আমরা সোমবার উপজেলার ৪০ টি ব্লকে একযোগে এ আলোক ফাঁদ স্থাপন করি। এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় কৃষকদের নিয়ে আমরা সরেজমিনে তা পরিদর্শন করি। এসময় ধানের জমিতে উপকারী ও ক্ষতিকর পোকা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে ক্ষতিকর পোকার ব্যবস্থাপনায় কৃষকদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়। তিনি আরো জানান, আলোক ফাঁদে আকর্ষিত হয়ে  যে সকল পোকা এসেছে তার মধ্যে ধানের শক্র পোকা। এছাড়া সবুজ পাতা ফড়িং, সাদা পাতা ফড়িং উপস্থিতি পাওয়া  গেছে যেটি নিয়ন্ত্রনের মধ্যে রয়েছে। এটি একটি সহজলভ্য পদ্ধতি। কৃষকরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করে খুব সহজেই ধানের ক্ষেতে  পোকা মাকড়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে। এছাড়া মিরপুরে আলোক ফাঁদ ব্যবহারে কৃষকরা বেশ আগ্রহ দেখিয়েছে। ইতি মধ্যেই বেশ কিছু ব্লকে কৃষকরা এ আলোক ফাঁদ ব্যবহার করছে।

অভিনয়ে ফিরেছেন চাঁদনী

বিনোদন বাজার ॥ দীর্ঘ সময় বিরতির পর মডেল, নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী চাঁদনী আবার অভিনয়ে নিয়মিত হয়েছেন। ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানীর উত্তরায় একটি একখ-ের নাটকের শুটিং করছেন। ‘শূন্যতায় পূর্ণতা’ শিরোনামের নাটকটি রচনা করেছেন আহসান হাবিব সকাল ও পরিচালনা করছেন তুষার খান।

এ নাটকটিতে চাঁদনী একজন প্রতিবন্ধীর চরিত্রে অভিনয় করছেন। নাটকটি শিগগিরই একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচার হবে। অভিনয়ে নিয়মিত হওয়া প্রসঙ্গে চাঁদনী বলেন, ‘আসলে ছোটবেলা থেকেই মিডিয়ার কাজে যোগ দিয়েছি। তখন অভিনয়ের পাশাপাশি নৃত্য চর্চাও করেছি।দীর্ঘ একটা সময় আমি নিয়মিত ছিলাম অভিনয়ে। তবে ব্যক্তিগত কিছু কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে মাঝে কিছু সময় মিডিয়ার কাজ থেকে দূরে ছিলাম। এখন সেই ব্যস্ততা কমে আসায় আবার অভিনয়ে নিয়মিত হয়েছি।

চেষ্টা করছি ভালো গল্প ও চরিত্র নিয়ে নিয়মিত কাজ করে যাওয়ার। দর্শক উৎসাহ দিলে এখন থেকে আমাকে নিয়মিতই অভিনয়ে দেখা যাবে। এছাড়া এখন নাচটাও বেশি করা হচ্ছে। বিভিন্ন কর্পোরেট শোয়ের পাশাপাশি স্টেজেও এখন নিয়মিত নাচ করছি।’চলচ্চিত্র অভিনয় করবেন কী না- এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রেও অভিনয় করার ইচ্ছা আছে। কারণ চলচ্চিত্র দিয়েই আমার অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল।সবার সহযোগিতা পেলে এখন থেকে অভিনয়, মডেলিং এবং নাচে আমাকে নিয়মিত পাওয়া যাবে।’ মোরশেদুল ইসলামের পরিচালনায় ‘দুখাই’ ছবি দিয়ে অভিনয় শুরু করেছিলেন চাঁদনী। তার অভিনীত সর্বশেষ চলচ্চিত্র তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘জয়যাত্রা’। অন্যদিকে খ- নাটক ও টেলিফিল্মে কাজ করলেও আপাতত ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন না তিনি।

মইনের স্পিনে দারুণ জয়ে সিরিজ ইংল্যান্ডের

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ বিরাট কোহলি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আবারও। প্রতিরোধ গড়েছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। কিন্তু এই দুজনের লড়াই শেষ হতেই যেন শেষ ভারতীয় ব্যাটিংয়ের দম। মইন আলির স্পিন ভেঙে দিল প্রতিপক্ষের মেরুদন্ড। সঙ্গত ধরলেন পেসাররাও। দুর্দান্ত এক জয়ে ইংল্যান্ড নিশ্চিত করল সিরিজ জয়ও। সাউথ্যাম্পটন টেস্টে ভারতকে ৬০ রানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের চারটি শেষেই ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে জিতে নিয়েছে সিরিজও। টেস্টের চতুর্থ দিনে রোববার জয়ের জন্য ভারতকে ২৪৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল ইংলিশরা। কোহলিরা থমকে যান ১৮৪ রানেই। ভারতের এই রানেও শতরানের জুটি গড়েছেন কোহলি ও রাহানে। কিন্তু বাকিরা হতাশ করেছেন দলকে। ইংল্যান্ড দিন শুরু করেছিল দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেটে ২৬০ রান নিয়ে। শেষ দুই উইকেটে যোগ করতে পারে তারা আর কেবল ১১ রান। শুরুতেই স্টুয়ার্ট ব্রডকে ফিরিয়ে মোহাম্মদ শামি ধরেন চতুর্থ শিকার। ৪৬ রানে স্যাম কারানের রান আউটে শেষ হয় ইনিংস। লক্ষ্য আড়াইশর নিচে। কিন্তু উইকেটের অবস্থা আর শেষ ইনিংসের চাপ মিলিয়ে কাজটা ছিল কঠিন। সেটি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে ভারতের রান তাড়ার শুরুতেই। ইংলিশদের দারুণ বোলিংয়ে এলোমেলো হয়ে যায় টপ অর্ডার। স্টুয়ার্ট ব্রডের নিচু হওয়া বলে শূন্য রানেই বোল্ড ওপেনার লোকেশ রাহুল। জেমস অ্যান্ডারসনের দারুণ ডেলিভারি ফেরায় প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান চেতেশ্বর পুজারাকে। আরেক ওপেনার শিখর ধাওয়ানও অ্যান্ডারসনের শিকার। ভারতের রান তখন ৩ উইকেটে ২২। সেই বিপর্যয় থেকেই দারুণ ব্যাটিংয়ে জয়ের আশা জাগান কোহলি ও রাহানে। জুটির শুরুতে দুজনই বেশ ভুগেছেন। তবে হাল না ছেড়ে লড়াই করেছেন। সময়ের সঙ্গে নিয়েছেন নিয়ন্ত্রণ। ভারত তখন ছিল জয়ের পথে। জুটির রান ছাড়িয়ে যায় একশ। কোহলি পেরিয়ে যান সিরিজে ৫০০ রান। প্রথম ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে স্পর্শ করেন ৪ হাজার টেস্ট রানও। দৃশপটে মইনের আবির্ভাব তখনই। ইংল্যান্ড ও জয়ের মাঝে সবচেয়ে শক্ত দেয়াল হয়ে থাকা কোহলিকে ফেরান ৫৮ রানে। ইংলিশদের উল¬াস বলে দিচ্ছিল, তাদের জয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গেছে ওই উইকেটেই। সময়ে সেটিই সত্যি প্রমাণ হয়। ১৫৯ বলে মাত্র ১ চারে ৫১ রানের ইনিংস খেলা রাহানের প্রতিরোধও ভাঙেন মইন। প্রথম ইনিংসে ২৯ বলে শূন্য করা রিশাভ পান্ত এবার ছিলেন ভিন্ন রূপে। শুরু থেকেই চেষ্টা করেছেন আক্রমণের। তার ১২ বলে ১৮ রানের ইনিংসও থামিয়েছেন মইন। ৪০ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে ভারত চলে যায় পরাজয়ের কিনারে। শেষ দিকে ২৫ রানের ইনিংসে ব্যবধান কিছুটা কমান রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ছোট স্কোরের ম্যাচে ইংল্যান্ডের জয়ের ব্যবধানকে তবুও বলতে হবে যথেষ্টই বড়। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৪টি নিয়ে ম্যাচের সেরা এই টেস্টে দলে ফেরা মইন আলি। তবে ম্যাচের প্রেক্ষাপটে কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল না স্যাম কারানের অবদান। প্রথম ইনিংস দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলা ৭৮ রানের ইনিংস, বল হাতে প্রথম ইনিংসে কোহলির উইকেট, দ্বিতীয় ইনিংসে আবারও ৪৬ রানের ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস, আর বল হাতে ভারতের শেষ উইকেট নিয়ে ম্যাচের যবানিকা, তরুণ অলরাউন্ডার কাটিয়েছেন অসাধারণ এক ম্যাচ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ২৪৬। ভারত ১ম ইনিংস: ২৭৩। ইংল্যান্ড ২য় ইনিংস: ২৭১। ভারত ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ২৪৫) ৬৯.৪ ওভারে ১৮৪ (ধাওয়ান ১৭, রাহুল ০, পুজারা ৫, কোহলি ৫৮, রাহানে ৫১, পান্ডিয়া ০, পান্ত ১৮, অশ্বিন ২৫, ইশান্ত ০, শামি ৮, বুমরাহ ০*; অ্যান্ডারসন ২/৩৩, ব্রড ১/২৩, মইন ৪/৭১, স্টোকস ২/৩৪, কারান ১/১, রশিদ ০/২১)। ফল: ইংল্যান্ড ৬০ রানে জয়ী। সিরিজ: ৫ ম্যাচের সিরিজের ৪টি শেষে ইংল্যান্ড ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে। ম্যান অব দা ম্যাচ: মইন আলি।

শ্রীলেখার প্রথম পাঁচ

বিনোদন বাজার ॥  ৩০ আগস্ট ছিল কলকাতার অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের জন্মদিন। এবার তিনি পা রাখলেন ৪৩-এ। বয়স বাড়ছে বটে। কিন্তু সে তো নিতান্ত এক সংখ্যা মাত্র। অন্তত অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের কাছে বয়স নিতান্তই এক সংখ্যা। জীবনের প্রথম পাঁচ অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন আনন্দবাজার ডিজিটালের সঙ্গে। তারই চুম্বকাংশ তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্য প্রথম মিথ্যে : অত মনে নেই। আমি অক্সিলিয়াম কনভেন্টে পড়তাম। একদম ছোটবেলায় স্কুলে ওরকম হতো না, তোদের বাড়িতে ১০টা টিভি, আমাদের বাড়িতে ৫০টা টিভি। ওই বোকা বোকা মিথ্যে বলেছি। তারপর স্কুলে দেরি করে পৌঁছেছি, সুতরাং জানি পানিশমেন্ট হবে। সেখানে কোনো সিমপ্যাথি গ্রাউন্ডে যদি পানিশমেন্ট কাটানো যায় তার জন্য কোনো একটা অজুহাত। কিন্তু বড় হয়ে খুব একটা আর মিথ্যে বলতে পারিনি। আমার মিথ্যেগুলো খুব হার্মলেস মিথ্যে। কারো ক্ষতি করা মিথ্যে কোনোদিন বলিনি।প্রথম চুমু : কলেজে। জয়পুরিয়া কলেজ। ক্লাস টুয়েলভে পড়তাম। প্রথম প্রেম তখন। তার সঙ্গে ক্যাডবেরি শেয়ার করতে করতে চুমু খাওয়া। একটা গোটা ক্যাডবেরি শেয়ার করতে করতে একটা কিউব শেষ হতে হতে চুমুৃ। সেটা মারাত্মক চুমু ছিল। কী করে খেতে হয় জানতাম না। সেটার রেশ বোধহয় পরের এক বছর ছিল।প্রথম পুরস্কার : ঠিক মনে নেই। তবে স্কুলে কোনো পারফরম্যান্স করে বোধহয় পুরস্কার পেয়েছিলাম। সেভাবে বড় কোনো পুরস্কার তো পাইনি। কিন্তু অভিনয় করার পরে রাস্তায় মানুষ আমাকে চিনতে পারছে, সেটাই আমার কাছে প্রথম পুরস্কার ছিল বলতে পারেন।প্রথম রোজগার : ক্লাস টুয়েলভের পর টিউশন দিয়ে আমার প্রথম রোজগার। কত টাকা পেতাম আর? ৫০০ হবে ম্যাক্সিমাম। আর প্রথম শুটিংয়ের রোজগার ছিল তিনদিন কাজ করে ৯০০ টাকা। বুঝেই উঠতে পারছিলাম না, এত টাকা নিয়ে কী করব..।প্রথম অপমান : প্রথম অপমান আমার বাবাই করেছিল। তখন আমার আইসিএসসি। তার আগে ডন বক্সো ফেস্টে নাচব। একমাত্র ক্লাস টেন থেকে আমাকেই নিয়েছিল। কারণ জানত, পড়াশোনায় ভালো ছিলাম। ম্যানেজ করে নিতে পারব। তখন আর এক মাস বাকি ছিল বোধহয় পরীক্ষার। আর আমার বাবা জানতে পেরে সিস্টারকে বলেছিল, আমার মেয়ে নাচবে না। সে জন্য আমি মারও খেয়েছিলাম। সেটা আমার কাছে ভীষণ অপমানজনক ছিল। তারপর শুটিংয়েও একবার হয়েছিল। ওই ঘটনাটার পরেই মাথা গরম তকমাটা আমার নামের সঙ্গে লেগে যায়। ডিরেক্টর বা প্রোডিউসার আমার নামে মিথ্যে কথা বলেছিল সে সময়। আমি রাগে সেটের চেয়ার ভেঙে দিয়েছিলাম। ঘটনাটা আমার ক্যারিয়ারের একদম শুরুর দিকে। শান্ত ভালো মেয়ে, সবার কথা শোনে, সে সব আমি ছিলাম না মোটেই। মিথ্যেটা খুব খারাপ লাগে আমার। নিজের পিঠ বাঁচাতে অন্যের ঘাড়ে বন্দুক রাখার কোনো মানে নেই।