সুস্থ্য থাকতে প্রতিদিন ক্রীড়া চর্চা করতে হবে

কুষ্টিয়া প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধনীতে কারা ডিআইজি ছগির মিয়া

নিজ সংবাদ ॥ খুলনা বিভাগ সদর দপ্তর যশোরের কারা উপ মহাপরিদর্শক (কারা ডিআইজি) ছগির মিয়া বলেছেন, বাংলা ঐতিহ্যবাহী ফুটবল খেলা সহ প্রত্যেকটি খেলাই আমাদের শরীর মন দুটোই ভাল রাখে। আমাদের সুস্থ্য থাকতে হলে প্রতিদিন নিয়মিত ক্রীড়া চর্চা করতে হবে। আমাদের কর্মব্যস্ততা ও দায়িত্ব পালন যেন ভুলিয়ে ফেলছে একদিন নিজেরা পুরোদস্ত একজন খেলোয়াড় ছিলাম। বাংলার ঐতিহ্যবাহী ফুটবল খেলা সহ কাবাডির মত অনেক খেলার স্মৃতি আমরা ভুলতে বসেছি। ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ম্যাচ আর আগের মত অনুষ্ঠিত হয়না। মনে রাখবেন নিজেকে সুস্থ্য সবল রাখতে হলে প্রতিদিন ক্রীড়া চর্চা করতে হবে। গতকাল রবিবার বিকেলে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারের আয়োজনে জেলা কারাগার প্যারেড মাঠে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, কুষ্টিয়া জেলা কারাগার ছোট্ট পরিসরে হলেও প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করেছে এজন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানায়। কারারক্ষীরা যে নিজের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন শেষে সামান্য সময় পেলেই খেলাধুলার প্রতি মনোযোগি হয়ে প্রতিদিন অনুশীলন করে জেনে সুখি হলাম। আগামীতে আরো বেশি বেশি করে ক্রীড়া চর্চা করতে হবে। প্রীতি ফুটবল ম্যাচে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারের হলুদ দল বনাম লাল দলের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ দুটির দলের খেলা উপভোগ করেন। দুর্দান্ত দাপটের সাথে দুই দলের খেলোয়াড়রা তাদের খেলায় নৈপুন্য দেখান। কে কাকে আগে গোল দিয়ে হারিয়ে দিবেন সেই প্রতিযোগিতা চলে প্রচন্ডভাবে। দর্শক তাদের এই মুখোমুখি লড়াই মন প্রাণ দিয়ে উপভোগ করনে এবং করতালি দিয়ে তাদেও উৎসাহ যোগান। প্রায় ৯০ মিনিটের শ^াসরুদ্ধকর খেলার শেষ ভাগে জমে উঠে খেলা লালদল পর পর ২টি গোল দেন হলুদকে। জবাবে হলুদ বসে থাকেনি। তারাও লাল দলকে ১ গোল দেন। শেষ পর্যন্ত লাল দলই ২-১ গোলে বিজয় ছিনিয়ে নেন। কুষ্টিয়া জেলা কারাগারের জেল সুপার জাকের হোসেনের সভাপতিত্বে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা কারাগারের জেল সুপার গোলাম হোসেন, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবু তালেব। প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ শেষে বিজয়ী লাল দলের দলনেতার হাতে এবং পরাজিত হলুদ দলের দলনেতার হাতে ট্রফি তুলে দেন। দুই দলের খেলোয়াড়কে উৎসাহ ও বিনোদন দেয়ার জন্য সন্ধ্যায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। চলে গভীর রাত পর্যন্ত। প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন কুষ্টিয়া জেলা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার আমিরুল ইসলাম।

আরো খবর...