সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন করে মুজিব বর্ষ উদযাপন করা হবে

কুষ্টিয়ায় মুজিব বর্ষ বাস্তবায়নে প্রস্তুতিমুলক সভায় ডিসি আসলাম হোসেন

আরিফ মেহমুদ ॥ কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন বলেছেন, আর অপেক্ষা নয়। আজ থেকে শুরু হয়ে গেছে মুজিব বর্ষ উদযাপনের ক্ষণগণনা। স্মরণকালের জাকজমকভাবে সুন্দর, স্বার্থক ও দুষ্টিনন্দন করে উদযাপন করা হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মুজিব বর্ষের অনুষ্ঠান। আমাদের মনে রাখতে হবে এযাবৎ যতগুলো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান উদযাপন বা পালন করা হয়েছে সেসব অনুষ্ঠানের চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ন এই মুজিব বর্ষ অনুষ্ঠান।  সরকারী- বেসরকারী সহ জেলায় অবস্থানরত প্রত্যেকটি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, সাংবাদিক, সুধীজনদের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ ও সার্বিক সহযোগিতায় সব চেয়ে বড়, স্মরণকালের জাকজমকভাবে সুন্দর, স্বার্থক ও দৃষ্টিনন্দন করে এই অনুষ্ঠানটি পালন করা হবে। এজন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যা যা করা দরকার তা করা হবে। সকল ভবন করা হবে আলোকসজ্জা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে মুজিব বর্ষ ক্ষণগণনা কার্যক্রম বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রস্তুতিমুলক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, এই অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য ও সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতার ঘোষনা, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা লাভ, জাতিকে স্বাধীন সোনার বাংলাদেশ উপহার দেয়া, তাঁর সততা, নিরপেক্ষতা, বলিষ্ট আদর্শ, সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জনকে জাতির সামেন তুলে ধরা হবে। সেক্ষেত্রে কেউ অনুপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে অংশ নিন, স্মরণকালের জাকজমক ও বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানে আসুন এবং কালের স্বাক্ষী হয়ে থাকুন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মুজিব বর্ষের অনুষ্ঠান এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অনুষ্ঠানকে সুন্দর, স্বার্থক, দৃষ্টিনন্দন ও জাকজমকভাবে উদযাপন করতে সভায় একটি মুল কমিটি গঠনসহ বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নেয়া হয় বর্ণাঢ্য র‌্যালী, আলোচনা সভাসহ নানামুখি অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজাদ জাহান, সিভিল সার্জন ডা: রওশন আরা বেগম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলাম, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মৃনাল কান্তি দে, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ওবায়দুর রহমান, কুষ্টিয়া সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সফিকুর রহমান খান, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ নুরুন্নাহার বেগম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানিমুল হক, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম শাহেদুর রহিম, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এটিএম মারুফ আল ফারুকী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পিযুষ কৃষ্ণ কুন্ডু, জেল সুপার জাকের হোসেন, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান, কুষ্টিয়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার রফিকুল আলম টুকু, সিনিয়র তথ্য অফিসার মোঃ তৌহিদুজ্জামান, আওয়ামীলীগ নেতা শেখ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ মিন্টু, বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোকাররম হোসেন মোয়াজ্জেম,  জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জায়েদুর রহমান, ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান, পাসপোর্টের সহকারী পরিচালক মুত্তাদির মোঃ ইব্রাহিম, বিএফএ’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ, পল্লী বিদ্যুতের জিএম হারুন-অর-রশিদ,  বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক এটিএম জালাল উদ্দিন, জেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার, ড্রাগ সুপার হারুন-অর-রশিদ, কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক বিভুতি ভুষণ সরকার, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রোখসানা পারভীন, বাজার মনিটরিং অফিসার রবিউল ইসলাম, জেলা শিশু কর্মকর্তা মখলেছুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধান, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আরো খবর...