সিলেটে দুই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৫

ঢাকা অফিস ॥ সিলেটের সড়কে দুই মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত হয়েছেন; এছাড়া আহত হয়েছেন আরও আটজন। হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় এই দুই দুর্ঘটনা ঘটে। একটি দল কনে দেখতে যাচ্ছিল আর অন্য দলটি মাজার জিয়ারতে যাচ্ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহতদের মধ্যে চারজনের নাম পাওয়া গেছে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল ও সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হবিগঞ্জের শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি মো. এরশাদুল হক ভূঁইয়া বলেন, একটি মাইক্রোবাসে করে যাত্রীরা ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জে কনে দেখতে যাচ্ছিলেন। শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কান্দিগাঁও এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। “মাইক্রোবাসটি রাস্তার পাশে গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। তাতে ঘটনাস্থলেই নয়জন নিহত হন।” খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে আরও পাঁচজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় বলে জানান ওসি এরশাদুল। তিনি বলেন, নিহতদের মধ্যে সাতজন পুরুষ ও একজন নারী। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। এছাড়া বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয় যাত্রী নিহত হয়েছেন। এই মাইক্রোবাসের যাত্রীরাও সিলেটে মাজার জিয়ারত করতে যাচ্ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাইওয়ে থানার ওসি মাইনুল ইসলাম বলেন, যাত্রীরা মাইক্রোবাসে করে নারায়ণগঞ্জ থেকে সিলেটে যাচ্ছিলেন মাজার জিয়ারত করতে।  এ সময় লিমন পরিবহনের একটি বাস সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ভাটি কালিসীমা এলাকায় দুই বাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষে হলে মাইক্রোবাসে আগুন ধরে যায়। তাতে ছয়জন ঘটনাস্থলেই নিহত হন।” নিহতদের মধ্যে চারজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- সোহান (২০), সাগর (২২), রিফাত (১৬) ও ইমন (১৯)।

খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা গিয়ে মাইক্রোবাসের আরও চার আরোহীকে উদ্ধার করে। তাদের জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তারা হলেন শাহিন (৩০), বিজয় (১৯), আবীর (১৯) ও জিসান (২৪)। কিভাবে আগুন ধরল সে বিষয়ে ওসি মাইনুল বলেন, মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটেনি। দুর্ঘটনায় গ্যাস লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সেখান থেকেই আগুন লাগে বলে তারা ধারণা করছেন।

 

আরো খবর...