সিদ্ধান্তে অটল মুশফিক

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ কঠোর নিরাপত্তায় দুই দফায় পাকিস্তান সফর করে এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এমনকি পাকিস্তানের নিরাপত্তার বিষয়টিতেও বেশ সন্তুষ্ট দেখা গেছে বিসিবিকে। তবে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে প্রথম দুই দফায় পাকিস্তান সফরে যাননি বাংলাদেশ দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। তাই এ সফরে তার অনুপস্থিতি ভালোই টের পেয়েছেন টাইগাররা। মুশফিক দলে থাকলে আরও ভালো কিছু উপহার দিতে পারতেন এমটাই ভাবছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। এদিকে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে জ্বলজ্বল করছে মুশফিকের ব্যাট। তার নটআউট ডাবল সেঞ্চুরি জানান দিচ্ছে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে কতটা প্রয়োজনীয় হয়ে উঠতে পারতেন। এমন ফর্মের তুঙ্গে থেকে তৃতীয় দফায় সিদ্ধান্ত বদলে পাক সফরে মুশফিক যাবেন কি? এমন প্রশ্ন উঠেছিল ক্রীড়াঙ্গনে। মুশফিক নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন এমন আশা করেছিলেন টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক এবং বিসিবি প্রধান পাপনও। তবে সবাইকে হতাশ করে দিয়ে আগের সিদ্ধান্তেই অটল রইলেন মুশফিক। তিনি এর আগে পাকিস্তান না যাওয়ার ব্যাপারে মৌখিকভাবে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। এবার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেকে সরিয়ে নিলেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। ইতোমধ্যে বিসিবি কাছে চিঠি পাঠিয়েছে মুশফিক। তৃতীয় ধাপে একটি ওয়ানডে ও সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলবে টাইগাররা। ওয়ানডে মাঠে গড়াবে ৩ এপ্রিল আর টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে ৫ এপ্রিল থেকে। তাই ক্রিকেটপ্রেমীরা আশায় বুক বেধে ছিল তৃতীয় ধাপে হয়ত পাকিস্তান সফরে যাবেন মুশফিক। কিন্তু তিনি পাকিস্তানে যেতে মোটেও আগ্রহী নন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুশফিক নিজেই। দেশের বেসরকারি এক টিভি চ্যানেলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তান সফর নিয়ে কথা বলেন তিনি। নিরাপত্তা ইস্যুতে পিএসএলের প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছেন জাতীয় দলের এ অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। মুশফিক বলেন, ‘পাকিস্তানে যাওয়া, না যাওয়ার বিষয়টি আমি আগেই জানিয়েছি, তারাও কিন্তু এটা মেনে নিয়েছে। পিএসএলেরও একটা প্রস্তাব ছিল নাম দিব কী, দিব না। যেখানে তখনকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমি নাম দেইনি, সেখানে তারা আমার সিদ্ধান্তকে আরও সম্মান জানানো উচিত ছিল যে তখনকার পরিস্থিতি জেনেও নাম দেইনি। বিষয়টা পুরো পরিষ্কার, ভবিষ্যতেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হওয়ার কোনো সম্ভবনা নেই। যারা যাবে তাদের জন্য শুভকামনা।

আরো খবর...