সাংবাদিক গড়ার কারিগর ওয়ালিউল বারী চৌধুরী

তারিকুল হক তারিক

১৯৮৫ সালের কোন এক সময়। আমি তখন ক্লাস সেভেন-এ পড়ি। থাকি নানান বাড়িতে। শাহানা খালাও তখন সবে চাকরী শুরু করেছেন। খালা অফিস থেকে বাড়ি ফেরার সময় প্রায়ই দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা নিয়ে আসতেন। আমি রাতে বা পরদিন সকালে ওই পত্রিকা পড়তাম। তখন ইত্তেফাকে দুই পাতা বা কখনো তিনপাতা জুড়ে সিনেমার বিজ্ঞাপন থাকতো। একদিন রেহানা খালা বললেন, সিনেমার পাতায় চোখ দেয়া যাবে না। কিন্তু শাহানা খালা বললেন, কোন সমস্যা নেই তোর যা ভাল লাগে তাই পড়। আমার শুরু হল ইত্তেফাক পড়া। এখনকার মতো তখন পত্রিকায়  কোন সাংবাদিকের বাইনেইমে কোন নিউজ দেখতাম না। তারমধ্যেও মতিউর রহমান চৌধুরী বা আবুল খায়ের এরখম দুএকটি নাম মাঝে মধ্যে দেখতাম। তাদের নিউজ পড়তাম আর ভাবতাম কি করে সাংবাদিক হওয়া যায়। সেসময় নানা বাড়িতে আসা আমাদেরই আতœীয় নীদু নানাকে আমার ভাবনার কথা বললাম। তিনিই আমাকে সাপ্তাহিক ইস্পাত-এ যোগাযোগের পরামর্শ দিলেন এবং সম্পাদক ওয়ালিউল বারী চৌধুরী সম্পর্কে একটু ধারনা দিয়ে বললেন, লম্বা ওই মানুষটার কথাবার্তা কিন্তু গম্ভির। আর তার ছোট ফ্রেমের চশমার উপর দিয়ে তাকানো দেখে তুমি যদি ভয় পেয়ে চলে আসো তাহলে কিন্তু সাংবাদিক হতে পারবা না। লেগে থাকতে হবে। যে কথা সেই কাজ। একদিন দুপুরে নানার হাম্বার বাই সাইকেল চালিয়ে গ্রাম থেকে ৪ কিলোমিটার দুরের কুষ্টিয়া শহরের মজমপুরে ইস্পাত অফিসের সামনে হাজির হলাম। কিন্তু ভয়ে উনার সামনে যেতে পারলাম না। পরপর কয়েকদিন এভাবে ইস্পাত অফিসের সামনে যায় আর ঘুরে ফিরে চলে আমি। এরই মধ্যে একদিন যেয়ে দেখি উনি নেই। তখন সাহস করে অফিসের বারান্দায় উঠে ভেতরে উকি ঝুঁকি দিচ্ছিলাম। তখন ভেতরে দেখি দুজন লোক সামনে কাগজে লিখার দিকে চোখ রেখে ছোট ছোট খোপ খোপ এক ধরনের র‌্যাক থেকে শিশার অক্ষর নিয়ে একটার পাশে একটা লাগাচ্ছে। তো ভয়ে ভয়ে তাদের সাথে কথা বলতে চাইলাম। তারা বললেন, কয়দিন দেখছি এখানে ঘুরঘুর করছেন। ব্যাপার কি? সাংবাদিক হবেন? না কি কোন সংবাদ দেবেন? আমি বললাম সাংবাদিকই তো হওয়ার ইচ্ছা। জানলাম তাদের একজন শামসুল আরেকজন সুজিত বাবু। তারা কম্পজিটর। কাগজে লেখা নিউজ তারা শিশার অক্ষরে উল্টা করে সাজান। যেটি ছাপার পরে সোজা দেখায়। শামসুল ভাই ও সুজিত বাবু বললেন, এলাকার দুএকটি ঘটনার খবর লিখে হাতে করে নিয়ে আসেন সাহেবের সাথে কথা বলায়ে দেব। কোন সমস্যা নেই। তারা আরো বললেন, প্রথম প্রথম সবাই এখানে আসতে ভয় পায়। কিন্তু সাহেব খুবই ভাল মানুষ। পরে দেখবেন একদিন তিনি আপনার বন্ধু হয়ে গেছেন। ইস্পাত প্রতি বৃহস্পতিবার প্রকাশ হতো। আমি এরপর কয়েক সপ্তাহ ইস্পাত কিনে পড়তে থাকলাম আর বিভিন্ন সংবাদ পড়ে পড়ে ভাবতে থাকলাম তাহলে আমার এলাকায় এই রকম কিছু হলে আমি সংবাদ লিখে নিয়ে যাবো। এর কিছুদিন পরে এলাকার একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের এবং আমার বাড়ির পাশেই গড়াই নদীর ভাংনের একটি সংবাদ লিখে বুকভরা ভয় নিয়ে ইস্পাত অফিসের সামনে বাইসাইকেল ইটের পিলারে হেলান দিয়ে রেখে অফিসের ভেতরে ঢুকলাম। পেছনে সারি সারি পুরোনো পত্রিকার স্তুুপের সামনে বিশাল টেবিলের সামনে বসা সম্পাদক ওয়ালিউল বারী চৌধুরীকে সালাম দিলাম। তিনি মাথা নিচু করে চশমার উপরে চোখ তুলে বললেন, কি চাই? আমি নাম ঠিকানা বলে বলল¬াম এলাকার দুটি সংবাদ নিয়ে আসছি। তখন উনি আমাকে উল্টোটা প্রশ্ন করলেন এই বাইসাইকেল আমার কাছে কেন? এটা তো মীর সাহেবের সাইকেল। আমি বললাম উনি মীর মনিরুজ্জামান আমার নানা। তখন তিনি আমার মায়ের নাম ধরে বললেন আমি তার ছেলে কি না। আমার নানান সাথে চৌধুরী সাহেবের যুবক বয়স থেকেই বন্ধুত্ব সেটা পরে জানলাম। আর আমার নানা রেলওয়ে মেইল সার্ভিসে চাকরির সময় গ্রাম থেকে শহরে এসে ওয়ালিউল বারী চৌধুরীর বাড়িতে সাইকেল রেখে তারপরে ট্রেন ধরতেন। যে কারণে সাইকেলটি তার অতিপরিচিত। এরপর তিনি বললেন সংবাদ কই? আমি দুরু দুরু বুকে পকেট থেকে লিখে আনা সংবাদ তার হাতে দিলাম। তিনি সংবাদটি প্রথমে পড়ে এরপর আমার সামনেই সংবাদ দুটি লাল কালির কলম দিয়ে কেটে ছেটে হেড লাইন লিখে শামসুলকে দিয়ে বললেন এটা সামনে সংখ্যায় যাবে। আমি তখনো দাঁড়িয়ে। এবার তিনি আগের সংখ্যার একটি ইস্পাত খুলে সম্পাদকীয় কলামের উপরে ”একজন নির্ভিক সংবাদিকের কোন বন্ধু নেই” লেখাটি দেখিয়ে বললেন, এটা মনে না রাখলে এখানে সংবাদ দিয়ে কোন লাভ নেই। এরপর বললেন, আমি যে সংবাদ লিখে দেব সেটার যেন কপি রাখি এবং ছাপা হবার পরে সেটা মিলিয়ে দেখি। তাতে আমি কি লিখলাম আর কি ছাপা হল সেটা বুঝতে পারব এবং পরবর্তীতে সংবাদ লেখা সহজ হবে। এই ছবক নিয়ে সেদিনের মতো সেখান থেকে বের হয়ে বৃহস্পতিবারে অপেক্ষায় আর ঘুম আসে না। আমার লেখা সংবাদ ছাপা হবে। এরপর সেই কাংখিত বৃহস্পতিবার বিকেলে ইস্পাত অফিসে উপস্থিত হলাম। দেখি ঘাটং ঘট শব্দে মেশিনে পত্রিকা ছাপার কাজ চলছে। আমাকে দেখে চৌধুরী সাহেব প্রথম বারের মতো বললেন বসা হোক। আমি বসলাম। উনি মেশিনম্যানকে বললেন, টাটকা কালি গন্ধ লাগানো একটা পত্রিকা এদিকে দাও, তার তো তর সচ্ছেনা। মেশিনম্যান সরাসরি পত্রিকাটা আমার হাতে দিলেন। প্রথম পাতায় সেকেন্ড লিড গড়াই নদীর ভাঙ্গনের নিউজ। আর তৃতীয় পাতায় সেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের খবর আমার নামেই ছাপা হয়েছে। নতুন পত্রিকা, কাগজ-কালির এক অপুর্ব গন্ধ। তার সাথে নিজ নামে রিপোর্ট সে এক অন্য রকমের ভাল লাগা। পত্রিকা বাজারে যাবার আগেই তিনি কয়েক কপি ইস্পাত আমাকে দিয়ে বললেন, বাড়িতে যেয়ে আব্বা মাকে পড়তে দিয়ে দোয়া নিতে হবে। এগুলো নিয়ে যাওয়া হোক। আমি চলে আসলাম। এরপরে প্রায়ই সেখানে যেতাম সংবাদ লিখে দিতাম। ছাপা হতো।এরই মধ্যে উনার সাথে আমার বেশ সুসম্পর্ক গড়ে উঠলো। ইস্পাত অফিসে যাওয়া আসার সুবাদে সেখানে তখনকার দৈনিক খবরের জেলা প্রতিনিধি সনৎ নন্দী, দৈনিক জনতার ফুয়াদ হাসান, অবজারভারের জামান আক্তার বুলবুল, টাইমসের এম এ রাজ্জাক ভাই, জাহাঙ্গীর আলম গালিব ভাই, বকুল চৌধুরী এবং চৌধুরী সাহেবের বড় ছেলে মনজুর এহসান চৌধুরীর সাথে পরিচয় হয়। বয়সে অনেক ছোট হওয়ায় উনারা সবাই আমাকে খুবই স্নেহ করতেন, ভালো বাসতেন, পরামর্শ দিতেন। একদিন চৌধুরী সাহেব নিজেই আমাকে তার বড় ছেলের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বললেন, নতুন হিসেবে ভাল করছে। তাকে একটু গাইড দিলে আরো ভাল করতে পারবে। সেসময় উনার ছেলে মনজুর এহসান চৌধুরীও ইস্পাতের মেকাপ গেটাপসহ অনেক কিছুই দেখভাল করতেন। পরিচয়ের সময় মনজুর এহসান চৌধুরী আমাকে বললেন তিনি কিন্তু আমার আতœীয় এবং সম্পর্কে নানা হন। পরে উনার সাথেও আমার খুবই ভাল সম্পর্ক হয় এবং তিনিই আমাকে প্রথম খবরের ইন্ট্রু লেখা শেখালেন। ফাইভ ডাব¬ু ওয়ান এইচের সঙ্গা উনিই আমাকে শিখিয়েছিলেন। একসময় ইস্পাত সম্পাদক নিজে বিভিন্ন সময়ে আমাকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যেতেন। অফিসে বিকেলে গেলে কলা বিস্কুট খেতে দিতেন। খেতে না চাইলে তিনি বলতেন, ”আরে খাও খাও তোমাদের বয়সে আমরা লোহার কালাই খেয়ে হজম করে ফেলতাম” এই কলা বিস্কুট খেলে কিছু হবে না। এভাবে বছর পর ইস্পাতের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিশাল অনুষ্ঠান। সেখানে আমাকে সেরা শহর প্রতিনিধি ঘোষনা করে পুরস্কার হিসেবে অনেকগুলো ১০ টাকার প্রাইজবন্ড আমার হাতে তুলে দেন ইস্পাত সম্পাদক ওয়ালিউল বারী চৌধুরী।

ইস্পাতের সম্পাদকীয় নীতির কারণে কলেজ, সভাপতিত্ব, আলহাজ্ব, জনাব, মো: এসব ছাপা হতো না। এরই মধ্যে আমিও স্কুলের গন্ডি পার হয়ে সবে কলেজে ভর্তি হয়েছি। কলেজের একটি অনুষ্ঠানের খবর লিখে দিয়েছি। পরদিন উনি আমাকে বললেন- এখানে কয়েকটা ভুল আছে, ঠিক করে দাও। আমি দীর্ঘক্ষন ধরে কোন ভুল খুজে পাই না। উনি বললেন তিনটি ভুল আছে ঠিক করো। আমি এবারও ভুল পেলাম না। তৃতীয়বারও যখন আমি ভুল বুঝতে পারলাম না তখন উনি আলপিনে আটকানে দুই পাতার নিউজটি আমার দিকে ছুড়ে মেরে বললেন এতো সহজ না সাংবাদিকতা। ওই নিউজের কপি আমার নাকের উপর পড়ে আলপিন আমার নাকে ঢুকে রক্ত বের হয়ে গেল। আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। আমি ষ্ট্যাচু হয়ে বসে রইলাম। তখন উনি বললেন, এই শিক্ষাটা তোমার দরকার ছিল। আশাকরি আর ভুল হবে না। তখন উনি আমার ভুলটা বললেন। আমি মহাবিদ্যালয়ের স্থানে কলেজ, পৌরহিত্যের স্থানে সভাপতিত্বে এবং অধ্যক্ষের নামের আগে আলহাজ্ব লিখেছিলাম। নাকে আলপিন ঢোকার পরে এই ভুল আর আমি কখনো করিনি। একবার কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক বরুণ চক্রবর্তীসহ ১০ জনের একদল কবি সাহিত্যিক বাংলাদেশের একুশে ফেব্র“য়ারী উদযাপন দেখতে স্থলপথে কুষ্টিয়ায় আসলেন ইস্পাত সম্পাদক ওয়ালিউল বারী চৌধুরী অতিথি হয়ে। উনারা ঢাকায় যাবেন সংগ দেবার কেউ নেই। উনি আমাকে পাঠালেন উনাদের সাথে। কিন্তু তখন আমিও ঢাকায় পথঘাট তেমন চিনিনা। তবুও গেলাম। স্কাউট ভবনে আগে থেকেই থাকার ব্যবস্থা ছিল। থাকলাম সেখানে। আমিও প্রথম বারের মতো বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার দেখার সুযোগ পেলাম। ইস্পাতে কাজের সুবাদে ভালো মন্দ নানান স্মৃতি রয়েছে আমার চৌধুরী সাহেবের সাথে। একবার আমার এক আতœীয় সম্পর্কে চাচা হন। উনি ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর ছিলেন। আমার কাছে খবর আসলো তিনি দুস্থদের গম ওজনে কম দিয়ে বাকিটা আতœসাত করেছেন। খোজ খবর নেয়ার পরে সেই খবর ইস্পাতে ছাপা হলে চাচার ছেলে একদিন বিকেলে আমাদের গ্রামের বাজারের উপর পেছন থেকে আমাকে আক্রমন করে। আমি ঘুরে দাঁড়াতেই সে কাঠ দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করলে আমার কপালের উপরের অংশ ক্ষত হয়ে আমি সঙ্গা হারিয়ে ফেলি। পরে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে আমি নিজেকে আবিস্কার করি। এরপর দেখি আমার গ্রামের দুজন মুরব্বি আমার শরীর থেকে রক্তমাখা জামা গেঞ্জি খুলে পাশের একজনকে বলল বাইরে ফেলে দিতে বলে নতুন একটি গেঞ্জি আমাকে পরিয়ে মাথায় ব্যান্ডেজ অবস্থায় আমাকে বাড়িতে নেবার কথা বলে রিকসায় তুলে নিয়ে যাচ্ছে। যাবার সময় আমি ইস্পাত অফিস দেখে রিকসা থেকে লাফ দিয়ে নেমে অফিস আশ্রয় নেই। চৌধুরী সাহেব আমার ওই অবস্থা থেকে সাথে সাথে থানায় ফোন করলে একদল পুলিশ সেখানে আসার সাথে সাথে সেই দুই মুরব্বি সেখান থেকে সটকে পড়েন। পরে মনজুর এহসান চৌধুরীও সেখানে আসেন এবং পুলিশী সহায়তায় তারা আমাকে আবার হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং আমার কপালের উপরের অংশে ৬টি সেলায় দিতে হয়। এরপর ইস্পাতের পক্ষ থেকে বকুল চৌধুরী মামলা করলে আদালত হামলাকারী আমার চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করে এবং সে পালাতক থাকে। ঘটনার অনেক পরে আদালতের বারংবার নির্দেশনা সত্বেও আসামী হাজির না হলে আদালত আসামীর বাবাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। একপর্যায়ে আসামী আদালতে আতœসমর্থন করে। তখন ইত্তেফাক, ইনকিলাব, খবর ও সংবাদ ছাড়া তেমন কোন ভাল জাতীয় দৈনিক ছিলনা। সেসময়ও ইস্পাত সম্পাদক সার্বক্ষনিক আমাকে নানানভাবে সহযোগিতা করেন। এধরনের অনেক ঘটনায় আমার সমৃতিতে আজো অ¤¬ান হয়ে রয়েছে। করোনার আগে বাসায় আমি  চৌধুরী সাহেবকে দেখতে গিয়েছিলাম। বিছানায় শুয়েই থাকতেন বেশ কিছু দিন। আমাকে দেখে চিনলেন, কথা বললেন। তুমি তো এখন অনেক বড় সাংবাদিক।  দেশের সবচেয়ে বড় মিড়িয়া হাউজে কাজ করছো। তুমি আরো ভালে করো। কিন্তু তুমি শেষবার কলকাতায় আমাকে বলেছিলে এরপর তুমি কলকাতায় আসার সময় আমাকে সাথে করে নিয়ে আসবা। তা তো তুমি করো নি। আমাকে ইয়ার আলীর কাধে ভর করে কলকাতা যেতে হল। এরপরে কিন্তু তুমি অবশ্যই আমাকে নিয়ে যাবা। আমি চরমভাবে দু:খিত, ব্যাথিত আমার পেশাগত কাজের শিক্ষাগুরু। আমাকে ক্ষমা করবেন। কুষ্টিয়ার সংবাদপত্রের নক্ষত্র ক্ষনজন্মা আমার প্রিয়জন ওয়ালিউল বারী চৌধুরী আপনি আমাকে অনেক কিছু দিয়েছেন। অথচ আমি আপনার একটি অনুরোধ রক্ষা করতে পারিনি। যতদিন এই পেশায় থাকব এবং বেচে থাকবো, তত দিন আপনাকে মনে রাখবো। ভুলবনা কোন দিন। পরপারে মহান আল্লাহ আপনাকে ভালো রাখবেন ইনশাআল্লাহ।

লেখক ঃ কুষ্টিয়ায় কর্মরত কালের কন্ঠের ষ্টাফ রিপোর্টার। ২৯ জুলাই”২০২০

আরো খবর...