সাংবাদিকদের সতর্ক করলেন দক্ষিণের রিটার্নিং কর্মকর্তা

ঢাকা অফিস ॥ নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে কোন ধরনের মনগড়া বা কোনও ধরনের হলুদ সাংবাদিকতা বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের দক্ষিণের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন। গতকাল রোববার গোপীবাগে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের বৈঠক চলাকালে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, গতকাল (শনিবার) এক প্রার্থী এসেছিলেন কিছু অভিযোগ জানাতে। তিনি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই এমন কোনও বক্তব্য না রাখলেও সাংবাদিক আমাকে এসে বলেন-সেই প্রার্থী বলেছেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। এর বিপরীতে সাংবাদিক আমার বক্তব্য জানতে চান। এধরনের বিভ্রান্তি তৈরি করা হলুদ সাংবাদিকতা। প্রার্থী যে অভিযোগ করেননি, তেমন বক্তব্য সাজিয়ে কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা হলুদ সাংবাদিকতা। এসব বরদাস্ত করা হবে না। দক্ষিণের রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও বলেন, এধরনের সাংবাদিকতা বরদাস্ত করা হবে না। অভিযোগ আসবে। উনি অভিযোগ দিয়েছেন-আমরা যাচাই করবো। এরমধ্যে অতি উৎসাহী হয়ে আমার বক্তব্য নিচ্ছে। ইট ইজ ইয়োলো জার্নালিজম। আমাদের কর্মকর্তা অতি উৎসাহী হয়ে কিছু করবেন না। আমরা বরদাস্ত করবো না। সবাই মিলে সুষ্ঠু-স্বাভাবিক নির্বাচন চাই। আই মিন ইট। যার যার অবস্থা থেকে দায়িত্ব পালন করবো। বাতেন বলেন, নির্বাচনি প্রচারণায় ক্যাম্প করতে পারবে, কিন্তু যত্রতত্র করা যাবে না উল্লেখ করে এই কর্মকর্তা বলেন, বাছাইয়ের দিন আমরা প্রার্থীদের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় সাজিয়ে একটা কাগজ দিয়েছি। সেখানে তাদের স্বাক্ষরও দিয়েছেন তারা। ফলে এসব তারা জানেন না- এটা বলতে পারবেন না। বাছাইয়ের সময় মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা ছিলেন। তারা আচরণবিধি মেনে চলবেন ও সার্বিক সহায়তা করবেন বলে কথা দিয়েছেন। তারা কথা দেওয়ার মানে তাদের দলও কথা দিয়েছে। অফিস উদ্বোধন করতে পারবেন না এমপি সাহেবরা, এটা তারা জানেন। এমপি প্রচারণা চালাতে পারবেন না। এমনকি মন্ত্রী মহোদয়ও কোন কিছু উদ্বোধন বা প্রচার করতে পারবেন না। তিনি বলেন, এসএসসি পরীক্ষা শুরু ফেব্র“য়ারির ২ তারিখ থেকে। প্রচারণায় সতর্ক থাকতে হবে। প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রচারণা শুরু হবে। একই ওয়ার্ডে অনেক মাইক বাজলে সবাই বিরক্ত হবে। একজন প্রার্থী এক ওয়ার্ডে কয়টা মাইক ব্যবহার করতে পারবেন, সেটাও নির্ধারিত আছে। এটা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাস্তবায়ন করবেন, সবার সহযোগিতায় এটা সম্ভব। আব্দুল বাতেন বলেন, আজ আমরা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করেছি। কোনোভাবেই যেন আচরণবিধি লঙ্ঘন না হয় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে চাই। কোনো প্রার্থী যেন আচরণবিধি লঙ্ঘন না করতে পারেন, সে বিষয়ে সংরক্ষিত ২৫টি ওয়ার্ডের মোট ২৩ জন ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করেছি। তাদের নিজ নিজ ওয়ার্ডে আচরণবিধির বিষয়ে সক্রিয় ও সচেষ্ট হতে বলা হয়েছে।

 

 

আরো খবর...