রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের পানিবন্দী মানুষের দূর্ভোগ বাড়লেও ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত

দৌলতপুরে বন্যার পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

শরীফুল ইসলাম ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বন্যা পরিস্থিতি এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। নতুন করে বাড়েনি পদ্মা নদীর পানি। পদ্মার হার্ডিঞ্জব্রীজ পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করলেও এখন পর্যন্ত অপরিবর্তিত রয়েছে। যদিও এখনও বিপদসীমার ৮সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। হার্ডিঞ্জব্রীজ পয়েন্টে পদ্মার পানি ১৪.৩৩ মিটার প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে পদ্মার পানি অপরিবর্তিত থাকলেও দুর্ভোগ কমেনি বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের। উপজেলার  চিলমারি ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ৩৭টি গ্রামের ১৫ হাজারেরও বেশী পরিবার এখনো পানিবন্দি রয়েছে। ঘরের মধ্যে কোমর পানিতে বসবাস করছে ৫ হাজার পরিবার। তারা চরম কষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করছে। সরকারী বেসরকারীভাবে ত্রাণ সহায়তা বাড়ানো হলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে জানিয়েছেন বন্যাকবলিত এলাকার মানুষে। এদিকে বন্যা কবলিতদের মাঝে ত্রান তৎপরাতা অব্যাহত রয়েছে। গতকালও বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ করা হয়েছে। দৌলতপুর প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইদুর রহমান জানান, গতকাল শুক্রবারও রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ করা হয়েছে। ত্রান বিকরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান। উল্লেখ্য পদ্মা নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির ফলে চিলমারী ইউনিয়নের ১৮টি গ্রাম এবং রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নে ১৯টি গ্রামসহ ৩৭টি গ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে সব মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। বন্যাকবলিত পানিবন্দী মানুষের দূর্ভোগ দূর্দশা চরম আকার ধারণ করেছে। বিশুদ্ধ পানি ও গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে।

আরো খবর...