যুবকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে – স্পিকার

ঢাকা অফিস ॥ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুবকদের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য উন্নয়নকাজে যুবকদের সুযোগ দিলে নতুন কিছু বিষয় তারা সামনে নিয়ে আসে; তাদের প্রতিভা, উদ্ভাবনী ক্ষমতা দিয়ে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। বুধবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক কর্মশালায় স্পিকার এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটের এই আয়োজনে স্পিকার বলেন, “যুবকরা নতুন সমাধান খুঁজে বের করতে পারে। সনাতনী পদ্ধতিকে তারা দূরে রেখে নতুনকে খুঁজে নেয়। তারা যখন কোনো কাজে অংশগ্রহণ করে তখন সেখানে কোনো আমলাতান্ত্রিক ব্যাপার দেখা যায় না।” ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নে যুবদের অংশগ্রহণ-এসডিজি ফর দ্য ইয়ুথ, বাই দ্য ইয়ুথ’ শীর্ষক ওই কর্মশালায় স্পিকার আরও বলেন, “এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের একটি মূল নীতি হচ্ছে কাউকে পেছনে রেখে এগিয়ে যাওয়া যাবে না। ২০৩০ এর মধ্যে আমাদের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে হলে এই প্রক্রিয়ায় সকলকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং সেখানে যুবকরা গুরুত্বপূর্ণ। “যেসকল সিদ্ধান্ত যুবদের জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাদের জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে সে সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় আমাদের যুবদের অংশগ্রহণের সুযোগ, তাদের মতামত গ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে হবে। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে যুবদের মতামত যাতে গ্রহণ করতে পারি সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আমরা যারা নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে আছি তাদের যুবদের শক্তি, প্রত্যাশা, সামর্থ্য ও সক্ষমতার বিষয়ে সার্বিকভাবে বুঝতে হবে।” স্পিকার বলেন, “যুবকদের শক্তি, প্রত্যাশা ও সামর্থ্যের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে তাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। এতে করে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাদকের বিরুদ্ধে আন্দোলন, বৃক্ষরোপণ অভিযানের মত সামাজিক কর্মসূচিই শুধু নয়, বরং দুর্যোগ প্রশমন ও জলবায়ু পরিবর্তনের মত বৈশ্বিক বিষয়েও তারা অবদান রাখতে পারবে।” প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি রুবানা হক ও সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ।

আরো খবর...