যুদ্ধ ঠেকাতেই সোলেমানিকে হত্যা, শুরু করতে নয় – ট্রাম্প

ঢাকা অফিস ॥ মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি যুদ্ধ শুরু করতে নয়, উল্টো যুদ্ধ ঠেকাতেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলেমানিকে হত্যা করেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার বাগদাদ বিমানবন্দরে হামলায় সোলেমানির ‘সন্ত্রাসের রাজত্ব শেষ হয়েছে’ বলেও মন্তব্য করেছেন এ রিপাবলিকান। ফ্লোরিডার অবকাশযাপন কেন্দ্র মার-আ-লগোতে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প এসব বলেছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি। কাসেম সোলেমানিকে মারা হয়েছে ‘যুদ্ধ ঠেকাতে, আরেকটি শুরু করতে নয়’, ভাষ্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের। “বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসী কাসেম সোলেমানিকে হত্যায় মার্কিন সেনাবাহিনী নির্ভুল অভিযান চালিয়েছে। মার্কিন কূটনীতিক এবং সামরিক কর্মকর্তাদের ওপর ভয়াবহ ও নির্মম হামলার পরিকল্পনা করছিল সোলেমানি; কিন্তু আমরা তাকে ধরে ফেলি ও সরিয়ে দিই,” বলেন ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাববৃদ্ধির পেছনে দেশটির কুদস ফোর্সের শীর্ষ নেতা সোলেমানির ভূমিকা ব্যাপক বলে ধারণা আন্তর্জাতিক বিশে¬ষকদের। ৬২ বছর বয়সী এ জেনারেলকে হত্যার ‘ভয়ঙ্কর বদলা’ নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। শুক্রবার বাগদাদ বিমানবন্দরে ওই হামলার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়াবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে ওই অঞ্চলে আরও ৩ হাজার সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। ইরাকের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সোলেমানিকে হত্যার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মিলিশিয়া বাহিনীর কনভয়ে ফের বিমান হামলার খবর দিয়েছে। বাগদাদের উত্তরে ক্যাম্প তাজির কাছে ওই হামলায় ইরানপন্থি পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সের (পিএমএফ) ৬ জন নিহত হয়েছে বলে ইরাকি সেনাবাহিনীর একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছিল। তবে টুইটারে শনিবারের হামলার দায় অস্বীকার করেছেন ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র কর্নেল মাইলস ক্যাগিনস থ্রি। “সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট ক্যাম্প তাজির কাছে কোনো ধরনের বিমান হামলা চালায়নি,” বলেছেন তিনি।

 

আরো খবর...