মোনাকষায় জিকে সেচ প্রকল্পের প্রধান খালের ৮৬টি পাকা-আধাপাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আলমডাঙ্গা অফিস ॥ আলমডাঙ্গার মোনাকষা বাজারের জিকে সেচ প্রকল্পের প্রধান খালের পাড়ের গড়ে উঠা ৮৬টি পাকা-আধাপাকা স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোডের ২য় পর্যায়ের উচ্ছেদ টিম। উচ্ছেদস্থলে পুণরায় দখলের অপরাধে ২ ব্যবসায়িকে জরিমানা ও অন্যদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। জানা যায়, আলমডাঙ্গা উপজেলার জিকে সেচ প্রজেক্টের প্রধান খালের (কুমার নদ) দু’পাড়ে বিশেষ করে আলমডাঙ্গা শহর ও মোনাকষা বাজারে অবৈধ দখলদাররা দীর্ঘ দিন নদের জমি দখল করে বসতি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। নদের শুধু আউট সাইডই নয়, ইনসাইডও দখল করে বসতি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে নদের বুকের মাটি উত্তোলন করে সেই মাটি তীরে ফেলে প্রতিনিয়ত নদের বুক ভরাট করে এ সব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। যার ফলে নদীর প্রশস্ততা ও নাব্যতা ক্রমেই স্থিমিত হয়েছে। পরিস্থিত এমন ভয়াবহ হয়েছিল যে, নদের পাড় দিয়ে দীর্ঘ ২ কিলোমিটার হেঁটে গেলেও নদের দেখা মিলত না। গতকাল ২৫ ফেব্র“য়ারি দিনব্যাপী আলমডাঙ্গার মোনাকষা বাজারে ২য় পর্যায়ের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় অভিযান টিমের এসকেভেটর গুড়িয়ে দেয় মোনাকষা বাজারের জিকে সেচ প্রকল্পের প্রধান খালের উপর অবস্থিত ৮৬টি অবৈধ পাকা-আধাপাকা স্থাপনা। একই দিন অভিযান টিন প্রথম পর্যায়ের উচ্ছেদ অভিযানে আলমডাঙ্গা শহরের কুমার নদের পাড়ের উচ্ছেদকৃত অবৈধ স্থাপনাস্থল পুণরায় দখল করে ব্যবসা করার অপরাধে সাদা ব্রীজ মোড়ের ফলব্যবসায়ি টিপু সুলতান ও আনন্দধামের ফলব্যবসায়ি জুয়েল হোসেনকে জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদের সর্তক করে দেওয়া হয়েছে।  এসময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমজাদ হোসেন ও চুয়াডাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলি জাহেদুল ইসলাম ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলি সুবীর কুমার ভট্টাচার্য্যের আলমডাঙ্গা থানার এসআই আশিকুল ইসলাম, এসআই আতিকুর রহমান জুয়েল, এসআই গোলাম মোস্তফা, এসআই গিয়াস উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

আরো খবর...