মেহেরপুরে বিবাহ বিচ্ছেদ বেড়েছে 

মেহেরপুর প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরে বিবাহ বিচ্ছেদ বেড়েছে। পরিবারের সম্মতি ও কখনও ভালোবেসে বিবাহের ঘটনা ঘটলেও। অধিকাংশ বিবাহ বিচ্ছেদের মতো ঘটনা ঘটছে প্রায়ই। গত এক দশকে বদলে গেছে (তালাক) বিবাহ-বিচ্ছেদের ধরণ। আগেকার দিনে ৭০ শতাংশ তালাকের ঘটনা ঘটতো স্বামী কর্তৃক স্ত্রী তালাক প্রদান। কিন্তু বর্তমান তার ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। এখন ৮০ শতাংশ স্ত্রী কর্তৃক স্বামী তালাকের ঘটনা ঘটছে অহরোহ।  মেহেরপুর জেলা রেজিষ্ট্রারের তথ্যানুযায়ী জানা যায়, গত এক বছরে মেহেরপুরে বেড়েছে তালাকের সংখ্যা। এর মধ্য স্ত্রী কর্তৃক স্বামী তালাকের সংখ্যা বেশি। গত ২০১৯ সালের জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেহেরপুরের ৩টি উপজেলায় তালাক রেজিস্ট্রি হয়েছে ১ হাজার, ৪৭৪টি। এর মধ্য স্ত্রী কর্তৃক তালাকের সংখ্যা ৬১৮টি। স্বামী কর্তৃক তালাকের সংখ্যা ৫৩৬টি। এবং উভয়ের সম্মতিতে তালাকের সংখ্যা ৩২০টি। এছাড়াও চলতি বছরে বেশ কিছু তালাকের ঘটনা ঘটেছে।            অনুসন্ধানে জানা যায়, মেহেরপুর সদর উপজেলা, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে প্রতিনিয়ত বিয়ে হচ্ছে। অধিকাংশ বিয়েই অপ্রাপ্ত বয়সে। তাই অভিভাবকরা কোন রেজিষ্ট্রি ছাড়াই এসব বিয়ে রাতের আঁধারে সম্পন্ন করছেন। এ ধরণের বিয়ের পর ছেলে- মেয়েদের মধ্য মনোমালিন্যের কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটছে। যা সরকারী রেজিষ্ট্রির বাইরে।  মেহেরপুর সরকারী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল আলামিন ধুমকেতু জানান, পারিবারিক বন্ধন হ্রাস, মাদকাশক্ত, স্ত্রীদের পরকীয়া, অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটছে।

আরো খবর...