মানব কল্যাণে কাজ করে যাবে পদ্মনগর চাকুরিজীবী পরিষদ

ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় বক্তারা

নিজ সংবাদ ॥ পদ্মনগর চাকুরিজীবী পরিষদের সকল সদস্য মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবে। প্রতিষ্ঠার গত এক বছরে বেশ কিছু কল্যাণমূলক কাজ করেছে এ কমিটি। আগামীতে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিরসনের পাশাপাশি গরীব-দুঃখী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানসহ নানা কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। ইতিমধ্যেই পদ্মনগর চাকুরিজীবী পরিষদের সদস্যরা এলাকার জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যা চিহিৃত করে কাজ শুরু করেছে। পদ্মনগর চাকুরিজীবী পরিষদ আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। গত ২৩ আগষ্ট ঈদের পরদিন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিণারায়নপুর ইউনিয়নের কালিনদীর পাড়ে পদ্মনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও পদ্মনগর চাকুরিজীবী পরিষদের সভাপতি ডা. বসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন হরিণারায়নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মহিউদ্দিন।বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চাকুরি পদ্মনগর চাকুরিজীবী পরিষদের সাধারন সম্পাদক এসআই গোলাম রসুল, ডিবিসি নিউজ ও সমকালের জেলা প্রতিনিধি সাজ্জাদ রানা প্রমুখ।আলোচনা সভায় ডা. বসির উদ্দিন বলেন,‘ পদ্মনগর চাকুরিজীবী পরিষদ একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। মানুষের কল্যাণে এ পরিষদ কাজ করে। আমরা গত বছরে স্কুল মাঠে মাটি ভরাট ছাড়াও বিভিণœ ব্যক্তিকে আর্থিক সহযোগিতা দিয়েছি। আগামীতে এই পরিষদ বড় পরিসরে কাজ করবে। এ জন্য সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।বিশেষ অতিথি এসআই গোলাম রসুল বলেন,‘ আমরা সরকারি চাকুরি করি। তারপরও এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে যায়। আমাদের কোন চাওয়া-পাওয়া নেই। সবাই আমাদের জন্য দুআ করবেন যাতে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের জন্য কাজ করে যেতে পারি।প্রধান অতিথি হরিণারায়নপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মহিউদ্দিন বলেন, পদ্মনগর আমার ইউনিয়নের সব থেকে ছোট ও অবহেলিত গ্রাম। নানাভাবে পিছিয়ে আছে গ্রামটি। তবে এলাকায় ১০৭জন মানুষ বিভিন্ন সরকারি-বেসিরকারি প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকুরি করছেন। জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য এ ধরনের কমিটি প্রতিটি গ্রামে হওয়া দরকার। সচেতন লোকজন থাকলে এলাকার অনেক করা সম্ভব। তাই আগামীতে এ কমিটির সব ভাল কাজের সাথেই আমি আছি। সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাব। তিনি বলেন, ডা. বসির ও এসআই গোলাম রসুল যেভাবে এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাদের প্রচেষ্টায় ্এলাকায় দুটি ব্রীজ হয়েছে, রাস্তা হয়েছে, স্কুল হয়েছে। মানুষ এখন ভালভাবে চলাফেরা করতে পারে। এটা বড় অবদান।’ অনুষ্ঠানে চাকুরিজীবী পরিষদের সদস্যরা ছাড়াও নানা শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পদ্মনগর গ্রামের সন্তান সাখাওয়াত হোসেন ও জহির উদ্দিন।

আরো খবর...