মহেশপুর-দত্তনগর ১৮ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কের বেহাল দশা

ভোগান্তীতে ৫ ইউনিয়নের মানুষ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ১৮ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক। সড়কটির প্রায় ১৮ কিলোমিটার জুড়েই সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দে। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা আর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের। সড়ক বিভাগ বলছে, রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান করা হবে। জেলার ভারত সীমান্তবর্তী উপজেলা মহেশপুর। জেলা সদর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত। গত কয়েক বছরে দত্তনগর বাজার থেকে জিন্নাহনগর পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার সড়কের এ দশার কোন পরিবর্তন হয়নি। এতে ভোগান্তীতে পড়েছে রাস্তায় চলাচলকারী মানুষেরা। উপজেলা ও জেলা সদর যাওয়ার একমাত্র রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। তাই দ্রুত এ সড়ক সংস্কার করার দাবী চালাচলকারী মানুষ,বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও এলাকাবাসীর। এক পথচারী জানালেন, রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। প্রতিদিন প্রায় লাখো মানুষ এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে অথচ কারো ছোঁখে পড়েনা। আপনাদের মাধ্যমে আমরা প্রশাসন ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে আবেদন যানাচ্ছি, আমাদের এই কষ্ট লাঘবের জন্য আল্লাহর ওয়াস্তে শান্তিতে চলাচলের জন্য অতি দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করে দেয়। বাসের চালক বলেন, রাস্তাটি চলাচলের আর কোন উপায় না থাকায় আমারা এ রাস্তায় বাস চলাচল সম্পুর্ণ ভাবে বন্ধ করে দিয়েছি। ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম জানান, মহেশপুরের কয়েকটি রাস্তা উন্নয়নের জন্য ৪টি প্যাকেজে টেন্ডার হয়।  ৩ নম্বর ও ৪ নম্বর প্যাকেজ দুটির কাজ শেষ হয়েছে। ওই ১৮ কিলোমিটার রাস্তার নেচার (টেন্ডারের সময় ভাঙ্গা কম ছিল, আর এখন খানাখন্দ বেশি) পরিবর্তন হওয়ার কারণে মেরামত করা যাচ্ছে না। তাই নতুন করে টেন্ডার করা হবে। পুনঃ দরপত্রের আহবান করা হবে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা হবে বলে আশ্বাস দিলেন সড়ক বিভাগের এই কর্মকর্তা। আশার বানী শোনালেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এ্যাডঃ শফিকুল আজম খান চঞ্চল। তিনি বললেন রাস্তাটি রিভাইস করার জন্য আমরা আবেদন করেছিলাম বেশ কয়েকটা মিটিং হয়ে অনুমোদন হয়েছে। বর্তমানে এটা টেন্ডার ও অন্যান্য যা কাজ আছে তা এক সাথে শুরু হয়েছে। আমার মনে হয় এ মাসের ভিতরে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং আগামী মাসেই আমরা এ রাস্তার কাজ শুরু করতে পারবো।  প্রতিদিন আঞ্চলিক ওই মহাসড়ক দিয়ে মহেশপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া, নেপা, শ্যামকুড়, কাজীরবেড় ও স্বরূপপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষের চলাচল।

আরো খবর...