বিশ্বব্যবস্থায় মার্কিন অবস্থান

আমাদের এই পৃথিবীর ভবিষ্যত কী? যে মানবজাতি বিদ্যমান বিশ্বসভ্যতা গড়ে তুলেছে তাদের হাতেই কি বিশ্বসভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে? সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর মার্কিন পন্ডিত ফ্রান্সিস ফুকুইয়ামা একটি শক্তিশালী তত্ত্ব হাজির করেছিলেন। এ তত্ত্বটি ইন্ড অব হিষ্ট্রোরী নামে অভিহিত। ফুকুইয়ামা বলতে  চেয়েছেন, পৃথিবীতে পুঁজিবাদ ছাড়া আর অন্য কোনো ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, বিশেষ করে সমাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে। এখন থেকে মানবসভ্যতা পুঁজিবাদী বাজার অর্থনীতি এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বিরোধমুক্তভাবে বিকশিত হতে থাকবে। ফুকুইয়ামার এ ভবিষ্যদ্বাণী সঠিক বলে প্রমাণিত হয়নি। পৃথিবীতে এখনও সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠী বসবাস করে। এসব সমাজতান্ত্রিক দেশের নেতারা এবং শাসক কমিউনিস্ট পার্টিগুলো বিরামহীনভাবে চিন্তাভাবনা করে চলেছে কীভাবে একটি সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, যা হবে টেকসই। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক একক পরাশক্তি হিসেবে পৃথিবীটাকে এককেন্দ্রিক বা ইউনিপোলার হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা হয়েছে। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধবিগ্রহ ও গৃহযুদ্ধের মধ্য দিয়ে নরককুন্ডে পরিণত হয়েছে। মার্কিনিরা ভেবেছিল, তাদের গোপন কার্যকলাপের ফল হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। কিন্তু সেই প্রয়াস সফল হয়নি। মিসরে একটি নির্বাচন হয়েছিল। সে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মুসলিম ব্রাদারহুডরা জয়লাভ করে এবং তারা সরকার গঠন করে। ড. মোহাম্মদ মুরসি মিসরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। কিন্তু এ নির্বাচিত সরকার মিসরের সামরিক নেতাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। মিসরের সামরিক বাহিনী প্রধান আবুল ফাত্তাহ আলসিসি মুরসি সরকারের হাত থেকে রাষ্ট্র ক্ষমতা কেড়ে নেয় এবং মুরসির বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাকে কারারুদ্ধ করে। মুরসি কারারুদ্ধ অবস্থায়ই মৃত্যুবরণ করেন। মিসরজুড়ে ব্রাদারহুডের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানো হয়। ব্রাদারহুডের শত শত নেতাকর্মীকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয় এবং তাদের অনেককে রাজপথে হত্যা করা হয়। এটা সত্য যে, মিসর, লিবিয়া, তিউনিশিয়া, ইয়েমেন এবং ইরাকে দীর্ঘদিন ধরে স্বৈরশাসন চলছিল। কিন্তু এসব শাসকের শাসনামলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দৃশ্যমানভাবে বিঘিœত হয়নি। ব্যক্তিগতভাবে এরা কেউ কেউ জনপ্রিয় ছিলেন। রাষ্ট্র যখন গঠিত হয় তখন রাষ্ট্রের কাছে জনগণের প্রাথমিক প্রত্যাশা ছিল তাদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা। কিন্তু স্বৈরশাসককে উৎখাত করার পর যদি প্রচন্ড জাতীয় অনৈক্য সৃষ্টি হয়, রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের সূচনা হয় এবং সাধারণ মানুষের জীবন যদি সন্ত্রাসবাদী হামলায় হারিয়ে যায় তাহলে স্বৈরশাসকদের উচ্ছেদ নিরর্থক হয়ে পড়ে। আমরা বর্তমানে এমন এক পৃথিবীতে বাস করছি, যে পৃথিবীতে মুসলিম রাষ্ট্রগুলো প্রচন্ড নিরাপত্তাহীনতা ও জনদুর্ভোগের মধ্য দিয়ে সময় অতিক্রম করছে। যখন কোনো দেশে গৃহযুদ্ধ অথবা গণহত্যার সূচনা হয় তখন বেঁচে থাকা অর্থহীন হয়ে পড়ে। গৃহযুদ্ধ শুধু রক্তপাতই ঘটায় না, এটি মানুষকে গৃহহীন করে ফেলে, শতসহস্র মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যুর কারণ হয়, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান অবনমিত করে এবং দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও শিক্ষার অভাব মানবজীবনকে অর্থহীন করে তোলে। বিশ্বসভ্যতার ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, যখন কোনো রাষ্ট্র ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়, তখন দেশের ভেতরকার রাজনৈতিক দুর্বলতার সঙ্গে যুক্ত হয় ভিন্ন কোনো শক্তিশালী রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ। একটি রাষ্ট্রের নাগরিকরা যদি নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে সমস্যার সমাধান খুঁজতে অনীহা প্রকাশ করে, তখনই বৈদেশিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। অনেক সময় ঘটনাবলির পরিণতি  দেখে বিস্মিত হতে হয়। আফগানিস্তানে তালেবানরা একসময় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। তালেবানরা জীবনের প্রায় সর্বক্ষেত্রে আধুনিকতাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। তবে তারা আধুনিক সমরাস্ত্র প্রত্যাখ্যান করেনি। তাদের মধ্যে মতাদর্শের প্রতি আনুগত্য এতই প্রবল ছিল যে, তারা বছরের পর বছর ধরে যারা আফগানিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিল মার্কিন হস্তক্ষেপের ফলে, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে গেছে। গত ২-৩ বছর ধরে মার্কিনিরা তালেবানদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে একটি সমঝোতায় উপনীত হওয়ার চেষ্টা করছে। যতটুকু সমঝোতা হয়েছে তার একটি দৃষ্টান্ত হল আফগান কারাগার  থেকে তিনশ’ তালেবানের মুক্তি। যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৯/১১-এর টুইন টাওয়ার হামলার পর আফগানিস্তানে বিপুল বোমা বর্ষণ করেছে এবং আফগানিস্তানের মাটিতে মার্কিন, ন্যাটো জোটের সৈন্য মোতায়েন করেছে এবং প্রায় দুই দশক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চালিয়ে গেছে সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে যখন  দেখি কাতারে তালেবান নেতাদের সঙ্গে এক টেবিলে বসে আলোচনা করছে তখন বিস্মিত হতে হয়। অনেক সময় এটা স্বপ্ন বলে বিভ্রম সৃষ্টি হয়। এ রকমই যদি শেষ পরিণতি হয় তাহলে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান কিসের জন্য চালানো হয়? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দু’-একটি ব্যতিক্রম বাদে প্রায় সর্বত্রই শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের গ্লানি থেকে মুক্ত থাকার জন্য এ ধরনের কৌশলই অবলম্বন করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জ্ঞানী-গুণী লোকের অভাব নেই। মার্কিন  প্রেসিডেন্ট স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, লেখক, সাংবাদিক  সেনানায়কসহ বিভিন্ন ধরনের বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতে পারেন এবং তাদের পরামর্শ চাইতে পারেন। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বহু থিঙ্কট্যাঙ্ক রয়েছে যেগুলোর কাছ থেকে গবেষণালব্ধ তথ্য ও পরামর্শ গ্রহণ করা সম্ভব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন অবধি বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। প্রযুক্তি ও নতুন নতুন জ্ঞান সৃষ্টিতে এখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এক নম্বর অবস্থানে রয়েছে। এ রাষ্ট্র যেভাবে বিশ্বরাজনীতিতে  পেশিশক্তির ব্যবহার করে এবং পরিণতি সম্পর্কেও উদাসীন থাকে, সেই রাষ্ট্র যদি পৃথিবীর ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ হারায় তাতে অবাক হওয়ার কী আছে! আজকের বিশ্ব ইউনিপোলার বিশ্ব নয়। এটা এখন মাল্টিপোলার বিশ্ব। এ বাস্তবতাকে মার্কিন শাসকগোষ্ঠীর  মেনে  নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখনও বর্ণবাদ বেশ প্রবল। তদসত্ত্বেও পুলিশ যখন শিকাগোতে ফ্লয়েড নামে এক কৃষ্ণাঙ্গকে বিনা দোষে হত্যা করল তখন প্রায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রচন্ড বিক্ষোভ হয়েছিল। বিক্ষোভকারীদের স্লোগান ছিল ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’। মার্কিন জাতির কোনো সুনির্দিষ্ট পরিচিতি নেই। মার্কিনিদের মধ্যে রয়েছে ইউরোপীয় অভিবাসনকারী, ল্যাটিনো, আফ্রো-আমেরিকান, আরব, দক্ষিণ এশিয়া এবং চৈনিক ও জাপানি জনগোষ্ঠী। এ জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে খিচুড়ির সঙ্গে তুলনা করা হয়। খিচুড়ি রান্নায় বহু রকম উপকরণ ব্যবহার করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ঠিক একইভাবে একটি খিচুড়িরূপী রাষ্ট্র। অভিবাসনকারীদের দিয়ে  দেশটি গড়ে উঠেছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় সংহতিতে অন্যতম প্রধান সমস্যা হল খিচুড়িতে ব্যবহৃত উপাদানগুলোর ভালো সংমিশ্রণ হয়নি। বহু জাতির মিলন ক্ষেত্র হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমৃদ্ধি ঘটেছে। আবার বহু জাতির অবস্থান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নানা সময়ে বিভিন্ন স্বার্থের দ্বন্দ্বে নিক্ষিপ্ত করেছে।  যেসব মার্কিনি ইরাক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল তাদের একটা বড় অংশ নিরাময়যোগ্য নয় এমন ধরনের মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। এরা সবাই তরতাজা তরুণ-তরুণী। এরা যতদিন  বেঁচে থাকবে দেশ ও জাতিকে ততদিন কোনো সেবা দিতে সক্ষম থাকবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্টের আন্তর্জাতিক নীতি তার অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এগুলোর মূলে রয়েছে রাষ্ট্রীয় গঠন ব্যবস্থা।  প্রেসিডেন্ট আইসেনহাওয়ার একজন সামরিক ব্যক্তিত্ব হওয়া সত্ত্বেও আমেরিকার রাষ্ট্র কাঠামো সম্পর্কে বলেছিলেন, এটি হল একটি ‘মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই কাঠামোর বাইরে আসতে পারেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতা আছে বলে আমাদের অনেকের বিশ্বাস। রাষ্ট্রটি প্রথম যখন গঠিত হচ্ছিল তখন মতপ্রকাশের যত সুযোগ ছিল দিনে দিনে তা সংকুচিত হয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যমকেও মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সের স্বার্থের প্রতি অনুগত থাকতে হয়। নামকরা কোনো প্রকাশনা সংস্থা প্রফেসর নোয়াম চমস্কির লেখা বইগুলো প্রকাশ করতে চায় না। তবে মার্কিন অধ্যাপকরা নোয়াম চমস্কিকে খুবই মান্য করেন। আমি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি  সেমিস্টারে নামকরা একজন অধ্যাপকের ক্লাস করেছিলাম। সে অধ্যাপকের নাম হল পিটার টিমার। তিনি তার  লেকচারে সাম্রাজ্যবাদ সম্পর্কে বলেছিলেন, এটি বাজারব্যবস্থা থেকে উত্থিত একটি সমস্যা। সঙ্গে সঙ্গেই একজন ছাত্র তার এ বক্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাল। ছাত্রটি বলল, সে কয়েকদিন আগে নোয়াম চমস্কির একটি  সেমিনারে গিয়েছিল। চমস্কি ইন্দোনেশিয়ায় প্রেসিডেন্ট সুকর্নকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ এবং লাখ লাখ কমিউনিস্ট কর্মী ও নেতার হত্যাকান্ডে ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বাহিনী যা কিছু করেছে তার  পেছনে ছিল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ষড়যন্ত্র। মার্কিন সরকার ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই ইন্দোনেশিয়ার আমলা এবং সামরিক অফিসারদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। প্রশিক্ষণের নামে করেছে মগজধোলাই। নোয়াম চমস্কি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের, এমআইটির লাগাতার প্রফেসর ছিলেন এবং এখনও তিনি সেখানকার প্রফেসর ইমেরিটাস। প্রফেসর চমস্কির নিজস্ব গবেষণার বিষয় হল ভাষাতত্ত্ব। ভাষাতত্ত্বে তার মৌলিক অবদান আছে। তবে তিনি রাষ্ট্র, সমাজ এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বের ওপর বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন। প্রফেসর পিটার টিমার যে ছাত্রটি আপত্তি জানিয়েছিল তাকে এবং সমগ্র ক্লাসটিকে বললেন, তিনি সেমিস্টারের শেষে সাম্রাজ্যবাদের ওপর একটি একক লেকচার দেবেন। এর মাধ্যমে তিনি তার মূল বক্তব্যের পক্ষে বিশ্লেষণ ও তথ্য হাজির করবেন। চমস্কির সঙ্গে একমত পোষণ না করলেও চমস্কির বক্তব্যের যে ওজন সে ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্বৎসমাজে  তেমন কোনো মতপার্থক্য নেই। চমস্কি বরাবরই মার্কিন নীতির সমালোচনা করেছেন এবং করছেন। দু-একজন সাংবাদিক চমস্কিকে প্রশ্ন করেছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রনীতির একজন কঠোর সমালোচক, অথচ আপনি এ দেশেই বসবাস করেন। এটা কি দ্বিচারিতা নয়? জবাবে চমস্কি বলেছিলেন, আমি আমার মতপ্রকাশ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হই না। সে কারণেই আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়াকে পছন্দ করি। মতপ্রকাশের এমন স্বাধীনতা বাংলাদেশে কতটুকু আছে? লেখক ঃ শিক্ষাবিদ ও অর্থনীতিবিদ

আরো খবর...