বিচারের ৬ মাস আগেই যশোর শিক্ষা বোর্ডের রায়

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সদ্য সরকারিকৃত শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজের দীর্ঘদিন অনুপস্থিত জনিত কারণে অধ্যক্ষ আরিফ আহমেদকে গভর্নিং বডি সাময়িক বরখাস্ত করে। কলেজ কর্র্তৃপক্ষ যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে অধ্যক্ষকে স্থায়ী বরখাস্তের জন্য আপিল এ্যান্ড আর্বিট্রেশন কমিটিতে প্রেরণ করা হয়। যশোর শিক্ষা বোর্ডে আপিল এন্ড আর্বিট্রেশন কমিটিতে জাল কাগজপত্র দাখিল করে সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ এক বছর আগে তার বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়। গভর্নিং বডি তার  দাখিলকৃত কাগজপত্র ভূয়া জানিয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ডে পত্র  প্রেরণ করে। গত ৬ নভেম্বর আপিল অন্ড আর্বিট্রেশন বোর্ডে তার বিষয়টি বিচারাধীন থাকলেও চার মাস পূর্বে গোপনে যশোর শিক্ষাবোর্ড তাকে অব্যাহতি দিয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে তৎকালীন গভর্নিং বডির সভাপতি এবং তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লিখিতভাবে যশোর শিক্ষা বোর্ডকে জানাই যে, অধ্যক্ষের বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহারের জন্য তারা লিখিতভাবে বোর্ডে কোন কাগজপত্র দেয়নি। যশোর শিক্ষাবোর্ড বিষয়টি আমলে  না নিয়ে বিচার নিষ্পত্তি হওয়ার ৬ মাস পূর্বেই গোপনে তাকে তার বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করে দেয়। বারবার জাল কাগজ দাখিলকারী অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সচিব শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন এলাকাবাসী।

আরো খবর...