বাঙালী জাতির মুক্তির অংকুরদগম হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মের মধ্যদিয়ে

ইবিতে বঙ্গবন্ধু’র জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে চিত্রাংকন  প্রতিযোগীতার উদ্বোধনীতে ভিসি ড. রশিদ আসকারী

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির  পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয়  শিশু দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন,  বাঙালী জাতির মুক্তির অংকুরদগম হয়েছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মের মধ্যদিয়ে। তাই জাতির জনকের আদর্শ ও কর্মকে মগজে ও মননে ধারন করে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত করতে হবে। তিনি কোমলমতি শিক্ষার্থী ও নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশে ও চেতনায় গড়ে তোলবার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। যাতে করে বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিনত হয় অচিরেই। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, জাতির  পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর প্রোগ্রাম ক্ষনগণনার মধ্যে দিয়ে শুরু হয়েছে যা চলমান থাকবে ২০২১ সালের ১৬ মার্চ পর্যন্ত। তিনি বলেন, যতদিন বাংলদেশ থাকবে ততদিন বাঙালী জাতির মুক্তি দিশারী হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্মৃতি আদর্শ বংশ পরমপরায় চলে যাবে। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন মানবিক গুনাবলীতে অতুলনীয়। বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর তনয়া জননেএী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছে। তার বলিষ্ঠ, সাহসী ও দৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে এসেছে। ভিশণ ২০-২১ এবং রুপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ পৃথিবীর কাছে উন্নত দেশ হিসাবে পরিগনিত হবে। এছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশুদের সব থেকে বেশি ভালোবাসতেন। তাই তোমাদেরকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে জানতে হবে।  এছাড়া অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ১৭ ও ২৬ মার্চ উদযাপন কমিটির আহবায়ক  প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান, প্রফেসর ড. মোঃ মামুনুর রহমান প্রমুখ। চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণ, প্রফেসর ড. রুহুল কে এম সালেহ, প্রফেসর ড. মোঃ মেহের আলী,   অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (ভারঃ) ড. নওয়াব আলী খান, সাধারণ কর্মচারী সসিতির সভাপতি মোঃ আতিয়ার রহমানসহ সর্বস্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়  ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ।  চিত্রাংকন প্রতিযোগীতার বিষয়বস্তু ছিল “ক” ক্যাটাগরিতে শিশু শ্রেণি হতে ২য় শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের “গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য”, “খ” ক্যাটাগরিতে ৩য় শ্রেণি হতে ৫ম শ্রেণির পর্যন্ত “নদী মার্তৃক বাংলাদেশ” এবং “গ” ক্যাটাগরিতে ৬ষ্ঠ শ্রেণি হতে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত “মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু”। শীর্ষক চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে এবং ১৭ মার্চ মঙ্গলবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২০ উপলক্ষ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র-ছাত্রী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহনে যথাক্রমে ক, খ, গ ক্যাটাগরিতে রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া  আগামী  ১৭ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২০ উপলক্ষ্যে প্রশাসন ভবন চত্বরে বেলুন উড়িয়ে দিনের কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী। উপস্থিত থাকবেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান, মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা ও রেজিস্ট্রার (ভারঃ) এস এম আব্দুল লতিফ। উদ্বোধন শেষে সরকার কর্তৃক নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে জনসমাগম এড়িয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করার নিদের্শনা দেওয়ায় এ বছর স্বল্প পরিসরে  আনন্দ র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। আনন্দ র‌্যালি শেষে “মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব মুর‌্যালে” বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করবেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী। এ সময় সাথে থাকবেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর  প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা এবং রেজিস্ট্রার (ভারঃ) এস এম আব্দুল লতিফ। এরপর শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের জন্য মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব মুর‌্যাল সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।  পরবর্তীতে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব মুর‌্যাল চত্বরে ১৭ মার্চ মঙ্গলবার রাত ৮টায় কেক কাটা এবং চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।  অনুষ্ঠান শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

আরো খবর...