বঙ্গবন্ধু : সীমার মাঝে ও সীমার বাইরে

২০২০ সাল হলো বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের বছর। প্রতিবছর আগস্ট মাস ‘শোকের মাস’ হিসেবে পালন করা হয়। কারণ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এখন অনেক লেখালেখি হচ্ছে। তবে গবেষণা, তথ্যানুসন্ধান, বিশে¬ষণ ইত্যাদির মাধ্যমে আরও গভীরতাসম্পন্ন লেখালেখি হওয়া প্রয়োজন। তা করতে হলে একদিকে বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ গুণাবলি নিয়ে এবং তার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর ‘ইচ্ছানিরপেক্ষ’ সীমাবদ্ধতা ও নিজস্ব ঘাটতিগুলো নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন। সেজন্য দেশে স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের অধিকার অপরিহার্য। এ কথা মনে রাখা প্রয়োজন যে, কোনো ব্যক্তির জীবনই একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নয়। ‘মানুষের’ উদ্ভব হয়েছে সামাজিক-শ্রম ও পারস্পরিক সমাজবদ্ধ মিথস্ক্রিয়ার মধ্যদিয়ে। জন্মলগ্ন থেকেই মানুষ সামাজিক জীব। কোনো মানুষই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। চূড়ান্ত বিচারে সামাজিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতাই একজন ব্যক্তিকে সৃষ্টি ও বিকশিত করে। এসব কথা যেমন একজন সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তা একইভাবে প্রযোজ্য সমাজের ‘মাথায়’ যারা থাকেন তাদের  ক্ষেত্রেও। সে হিসাবে বঙ্গবন্ধুর ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। কোনো মানুষই তার সামাজিক গন্ডির ঊর্ধ্বে নয়। তেমনি সে ‘দেশ ও কালের’ সীমার বাইরেও নয়। যুগের বাস্তবতা একজন মানুষের  বৈশিষ্ট্যের ও বিকাশের সীমা নির্ধারণ করে দেয়। শুধু তাই নয়, একজন ব্যক্তির চেতনাগত বিকাশও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিবর্তিত হয়। বঙ্গবন্ধুও এই ক্রমবিবর্তনের প্রক্রিয়ার বাইরে ছিলেন না। এ কথার অর্থ অবশ্য এটি মোটেও নয় যে, মানুষ কেবল তার পারিপার্শ্বিক সমাজ ও দেশ-কালের বাস্তবতার অন্ধ নিয়ন্ত্রণে চালিত একটি যান্ত্রিক পুতুলমাত্র। সামাজিক ও ঐতিহাসিক সীমার মধ্যে চলতে হলেও মানুষ নিজ দায়িত্বে তার আপন জীবনকে পরিচালনা করে। এই সূত্রেই নির্ধারিত হয় কে বা কারা সমাজের অথবা যুগের ‘মাথা’ বা অগ্রনায়কের আসনে অধিষ্ঠিত হবে। শেখ মুজিবুর রহমানের ‘বঙ্গবন্ধু’ হয়ে উঠতে পারাটি তাই তার নিজস্ব সাধনার ফল ও কৃতিত্বও বটে। অনেক সীমাবদ্ধতা ও অসম্পূর্ণতা সত্ত্বেও ‘মানুষের’ সঙ্গে থাকার নিরলস এই প্রচেষ্টার ফলেই বঙ্গবন্ধু জননায়ক ও ইতিহাসের নির্মাতা হয়ে উঠতে পেরেছিলেন। সব ধরনের দুর্বলতা সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত ‘বিমূর্ত বিশুদ্ধজন’ হওয়া কোনো মানুষের পক্ষেই সম্ভব নয়। মানুষ ফেরেশতা নয়। মানুষমাত্রই হলো ইতিহাসের ফসল। এটি ইতিহাসেরই কথা।  দেশ-কাল-পাত্র এর কাঠামো ও প্রেক্ষাপটে এবং সমাজে তার  শ্রেণিগত অবস্থানের আলোকেই ইতিহাসে একজন ব্যক্তির ভূমিকার সম্ভাবনা ও সীমা নির্ধারিত হয়। তা ছাড়া রাজনীতিবিদদের ক্ষেত্রে বলা যায়, কোনো একজন নেতা বা কর্মীর ভূমিকা তার দলের চরিত্রের এবং একটি দলের চরিত্র সেই দলের শ্রেণিভিত্তি দ্বারা নির্ধারিত গন্ডির বাইরে যেতে পারে না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষেত্রেও এ কথা প্রযোজ্য। বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা ও অবদানের যথার্থ মূল্যায়ন করার সময় এই বিবেচনাগুলো মনে রাখা উচিত। অন্য সবার ক্ষেত্রেও তা হওয়া উচিত। ক্রান্তিকালীন একাত্তরে বঙ্গবন্ধু ভূমিকা ও অবদান কেন ও কীভাবে অনন্য ও ঐতিহাসিক হয়ে উঠতে পেরেছিল, সেটি অনুধাবন করতে হলে তা বিবেচনায় রাখা একান্তভাবে প্রয়োজন। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের শুরুটি ছিল ‘পাকিস্তান আন্দোলনের’ লড়াকু ছাত্রকর্মী হিসেবে। তিনি ছিলেন ‘লড়কে লেংগে পাকিস্তান’-এর  ¯ে¬াগানধারী একজন জঙ্গিকর্মী। তবে তিনি ছিলেন মুসলিম লীগের উদারনৈতিক ও কিছুটা গণমুখী প্রবণতাসম্পন্ন আবুল হাশেম-সোহরাওয়ার্দীর ‘গ্র“পের’ অনুগামী। ছিলেন ঢাকার নবাবদের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগের প্রতিক্রিয়াশীল অংশের বিরোধিতাকারী। বঙ্গবন্ধু একই সঙ্গে ছিলেন নেতাজি সুভাষ বোসের বিশেষ ভক্ত। মুসলিম লীগের কর্মী হলেও সে সময় থেকেই তিনি ছিলেন গণসম্পৃক্ত ধারার লোক। সে সময়ই তার মাঝে কিছুটা পরিমাণে অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবিকতাবোধের প্রাথমিক উপলব্ধির সূচনা ঘটতে শুরু করেছিল। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাঙালি জাতির ওপর পরিচালিত শোষণ-বঞ্চনা, বাংলা ভাষার ওপর আঘাত, মুসলিম লীগের প্রতিক্রিয়াশীল অংশের দ্বারা দলের নেতৃত্ব করায়ত্ত হওয়া ইত্যাদি ঘটনা বঙ্গবন্ধুকে অতিদ্রুতই পাকিস্তান সম্পর্কে মোহমুক্ত করেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের দাবি নিয়ে সংগ্রাম করে তিনি জেলে গিয়েছিলেন। তিনি মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ভাসানী-সোহরাওয়ার্দীর  নেতৃত্বে গঠিত আওয়ামী লীগের একজন প্রধান সংগঠক হয়ে উঠেছিলেন। তার রাজনৈতিক জীবনে এভাবে শুরু হয়েছিল এক নতুন অধ্যায়। ’৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের পর বঙ্গবন্ধু প্রাদেশিক মন্ত্রিসভায় মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আইয়ুবি সামরিক  স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামে তিনি সামনের কাতারে ছিলেন। সে সময় আওয়ামী লীগের মূল নেতা ছিলেন হোসেন শহীদ  সোহরাওয়ার্দী। বঙ্গবন্ধু ছিলেন তার বিশ্বস্ত অনুগামী। সোহরাওয়ার্দী সাহেবকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বানিয়ে দেওয়ার পর তিনি ‘পূর্ববাংলার স্বায়ত্তশাসনের’ দাবি পরিত্যাগ করার ও ‘সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার’ নীতি গ্রহণ করেন। অবশ্য কিছু ঘটনা থেকে আভাস পাওয়া যায় যে, সেসব নীতির ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর খুব একটা সায় ছিল না। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে ‘নেতার’ সেই ভুল পদক্ষেপগুলোকেই অনুসরণ করতে হয়েছিল। ’৬২ সালে সোহরাওয়ার্দী সাহেবের মৃত্যুর পর আওয়ামী লীগের রক্ষণশীল ও চিহ্নিত দক্ষিণপন্থি সিনিয়র নেতাদের নিয়ন্ত্রণ থেকে বঙ্গবন্ধু দলকে উদ্ধার করেন এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের ধারায় দলের ভেতরে নিজের নেতৃত্ব সংহত করতে সক্ষম হন। একপর্যায়ে তিনি সেই দলের অবিসংবাদিত শীর্ষ নেতা বা ‘সুপ্রিমো’ হয়ে ওঠেন। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা গণসংগ্রামের সব রকম স্রোতধারাকে ধারণ করে চলার কৌশল গ্রহণের ফলে ইতিহাসের দিকনির্ধারণমূলক সময়টিতে তিনি আওয়ামী লীগেরই শুধু নয়, বাঙালির স্বাধিকার সংগ্রামের নেতার আসনে নিজেকে অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে তিনি এবং তার নাম পরিণত হয় বাঙালি জাতির ঐক্যের ও সংগ্রামের প্রতীকে। এ ধরনের অভূতপূর্ব জাতীয় ঐক্যের দ্বারা দেশকে স্বাধীন করা সম্ভব হলেও সেই একই কাঠামোকে বহাল রেখে একটি জনস্বার্থের সরকার পরিচালনা করা ও রাষ্ট্র নির্মাণ করা যায় না। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর বাংলাদেশ রাষ্ট্রের একচ্ছত্র ক্ষমতাধর হিসেবে বঙ্গবন্ধু  সে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু একাত্তরের সাময়িক জাতীয় ঐক্যকে তিনি বহাল রাখতে পারেননি। তা বহাল রাখা সম্ভবও ছিল না। বঙ্গবন্ধুর ছিল একদিকে তার ‘জনগণ মন অধিনায়কোচিত’ প্রবণতা এবং অপরদিকে তার  শ্রেণিগত সীমাবদ্ধতা। তিনি ছিলেন এই উভয় প্রবণতার মিশ্রণের প্রতিফলন। প্রতীকীভাবে বলা যায়, বঙ্গবন্ধুর অর্ধেকটা মনজুড়ে ছিল মজলুম জননেতা ভাসানী (তার সঙ্গে যুক্ত হয় কমরেড মণি সিংহ প্রমুখ) আর বাকি অর্ধেকটা দখল করে ছিল গণতন্ত্রের মানসপুত্র বলে খ্যাত উদারনৈতিক বুর্জোয়া  নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। একদিকের টান মজলুম জনতার দিক থেকে, অন্যদিকের টান বুর্জোয়া-পেটিবুর্জোয়া  শ্রেণিস্বার্থ ও তার লক্ষ্য-আদর্শ-ভাবধারার দিক থেকে। দুদিকের শক্তি তাকে আগাগোড়াই ভিন্ন দুই পথে যেতে প্ররোচিত করেছে। দুটোকেই তিনি ধারণ করে চলতে চেয়েছেন। এই ‘দোটানা’ নিয়েই বঙ্গবন্ধু নেতৃত্ব দিয়েছেন বাঙালি জাতিকে। এই ‘দোটানাই’ শেষ পর্যন্ত ’৭৫-এর ট্র্যাজিক পরিণতি বয়ে এনেছিল। বঙ্গবন্ধু মার্কসবাদী ছিলেন না। শ্রেণিস্বার্থ কীভাবে তার সংহার শক্তি নিয়ে নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় মাঠে নামে, তা বঙ্গবন্ধু অনুমান করতে পারেননি। তিনি সব পক্ষকে খুশি রেখে চলতে চেষ্টা করেছিলেন। ফলে সব পক্ষই বঞ্চিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছিল। ১৫ আগস্টের কয়েকদিন আগে তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘তোমার  নেতারা আমাকে সতর্ক করতে এসেছিলেন। আমি তাদের বলেছি- দাদা, আমাকে নিয়ে চিন্তা করবেন না। কোনো বাঙালি আমাকে গুলি করতে পারবে না। গুলি করতে গেলে তার হাত কেঁপে যাবে।’ বঙ্গবন্ধু ‘বাঙালি’ বিষয়টিকে বুঝতে পারলেও ‘ শ্রেণি-দ্বন্দ্ব ও  শ্রেণি-সংগ্রামের’ বিষয়টি সেভাবে বুঝে উঠতে পারেননি। অনেকের এমন একটি ধারণা ছিল যে, বঙ্গবন্ধুর শ্রেণিগত ও ঐতিহাসিক সীমাবদ্ধতার কারণে তার পক্ষে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব  দেওয়া সম্ভব হবে না। কিন্তু অন্য সব দল ও নেতাকে ডিঙিয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত হতে পেরেছিলেন। শ্রেণিগত চরিত্র ও দলীয় বৈশিষ্ট্যের ‘সীমাবদ্ধতা’ সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুর পক্ষে তা সম্ভব হয়েছিল তার ‘মানুষের’ কাছে বারবার ফিরে আসতে পারার কারণে। জনগণই তাকে ‘সীমার’ বাইরে পা ফেলার চেষ্টায়  প্রেরণা জুগিয়েছে। বঙ্গবন্ধু যে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শধারা ও তার ভিত্তিতে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতীক ও কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন, এ বিষয়ে বিতর্ক করা একটি ‘অন-ঐতিহাসিক’ পন্ডশ্রমমাত্র। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের ঘটনার পর তা নিয়ে সংশয়ের ও বিতর্কের কোনো কারণ আর থাকতে পারে না। সবারই এ কথা জানা আছে যে, ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের অর্জনগুলো সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থকে চরমভাবে ক্ষুণœ করেছিল। ’৭১-এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য আত্মসমর্পণের দিন থেকেই সে ষড়যন্ত্রের জাল বুনছিল। উপযুক্ত সময়ের জন্য সে অপেক্ষা করছিল। শক্রর বর্বরতার মাত্রা সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুর উপলব্ধিতে ঘাটতি এবং তা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সতর্কতার অভাবের সুযোগেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতক দলের সহায়তায় সাম্রাজ্যবাদ আঘাত হেনেছিল।

একটি ‘ব্যক্তিগত হত্যাকান্ড’ হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট হত্যা করা হয়নি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার উদ্দেশ্য ছিল- মুক্তিযুদ্ধের আদর্শধারা থেকে দেশকে পরিপূর্ণভাবে কক্ষচ্যুত করা এবং এ দেশকে আবার পাকিস্তানি ধারায় ফিরিয়ে আনা। স্বাধীনতার প্রতীকী পুরুষ ও কেন্দ্রবিন্দু তথা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা ছাড়া এ ধরনের উল্টামুখী রাজনৈতিক ডিগবাজি সংগঠিত করা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। রাষ্ট্রীয় নীতি বদলানোর উদ্দেশ্য না থাকলে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে হতো না এবং বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর পরই রাষ্ট্রীয় নীতি ত্বরিত গতিতে বদলানো হতো না। গত সাড়ে চার দশক ধরে, এমনকি কয়েক পর্বের আওয়ামী শাসন বলবৎ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ আজ অবধি মুক্তিযুদ্ধের উল্টো পথে পরিচালিত হচ্ছে। দেশে এমন সব ঘটনা অব্যাহতভাবে ঘটে চলেছে, যাতে করে অনেক সময় মনে হয়, মুক্তিযুদ্ধের সবকিছুই  বোধহয় হারিয়ে গেছে। কিন্তু তা সত্য নয়! রাষ্ট্রীয় নীতি ও কাজকর্ম থেকে তা প্রায় উধাও হয়ে গেলেও মুক্তিযুদ্ধ জেগে আছে  কোটি জনতার অন্তরে। গণজাগরণ মঞ্চের উত্থান ছিল সেই সত্যের নিদর্শন। মুক্তিযুদ্ধ প্রধানত ছিল জনগণের ‘নির্মাণ’। সেই সঙ্গে এ কথাও সত্য  যে, মুক্তিযুদ্ধ ছিল বঙ্গবন্ধু ও জনগণের মিলিত কীর্তি। জনতার মৃত্যু নেই। তাই মৃত্যু নেই মুক্তিযুদ্ধের এবং মৃত্যু হবে না বঙ্গবন্ধুরও! লেখক ঃ সভাপতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি

 

আরো খবর...