বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশকে নেতৃত্ব শুন্য করতে চেয়েছিল পাকিস্তানী দোসররা – ডা: ইফতেখার মাহমুদ

বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে “বিশেষজ্ঞ স্বাস্থ্য  ক্যাম্প”

নিজ সংবাদ ॥ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে ‘ইয়াসিন-মাহমুদা স্মৃতি পরিষদ’র উদ্যোগে “বিশেষজ্ঞ স্বাস্থ্য ক্যাম্প” অনুষ্ঠিত হলো। গতকাল বুধবার মিরপুর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের গোরদহ গ্রামে এই চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে বারুইপাড়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সমাজ সেবক উফান আলী মালিথার বাড়ির উঠোনে ‘করোনা বিষয়ক’ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উফান আলী মালিথা। প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়ার কৃতি সন্তান কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ও ইয়াসিন-মাহমুদা স্মৃতি পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ডাঃ ইফতেখার মাহমুদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ জমির উদ্দিন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ কুষ্টিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক ও কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক শামসুর রহমান বাবু ও ‘ইয়াসিন-মাহমুদা স্মৃতি যুব পরিষদ‘র সাধারন সম্পাদক মওদুদ আহমেদ রাজিব। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামিয়া কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, মিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের নাট্য বিষয়ক সম্পাদক তফিজ উদ্দিন খান। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ডাঃ ইফতেখার মাহমুদ বলেন, ১৫আগষ্ট জাতির জনককে পরিবারসহ হত্যা করা হয়েছিল। এই মাসটি বাঙ্গালী জাতির জন্য শোকাবহ মাস। এই মুহুর্তে বঙ্গবন্ধুসহ তাঁর পরিবারের  নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া কামনা করছি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশকে নেতৃত্ব শুন্য করতে চেয়েছিল পাকিস্তানী দোসররা। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর কন্যা বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতত্বে বঙ্গবন্ধুর চেতনার শক্তির মানুষেরা আবারো রুখে দাঁড়িয়ে দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশে রুপায়িত করতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, মুজিব আদর্শের সৈনিকেরা ত্যাগী ও দেশ প্রেমিক হয়ে থাকে। করোনা মোকাবিলায় সেই যোগ্যতার যথার্থ প্রমান রাখতে সক্ষম হয়েছে। তিনি আরো বলেন- করোনা বিষয়ে আমাদের বিশেষভাবে সচেতন হতে হবে এবং  সরকারী সকল নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। করোনাকে জয় করে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে তানা হলে আমরা পিছিয়ে পড়বো।  ডাঃ ইফতেখার মাহমুদ বলেন- আল্লাহপাক আমাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের জ্ঞান দিয়ে মানুষের সেবার জন্য মনোনিত করেছেন। জীবনের দীর্ঘ সময় মানুষের সেবাই কাজ করেছি। এখন অবসর জীবনে আমি একেবারে অবহেলিত জনপদের প্রান্তিক মানুষদের চিকিৎসা সেবা দিতে চাই। তাই আপনাদের এই পল্লী এলাকায় ছুটে এসেছি। আমি জানি মানুষের সেবাদানের মধ্য দিয়ে সৃষ্টিকতার সন্তষ্টি অর্জন সম্ভব আর তাই জীবনের বাকী সময়টা বাবা-মায়ের নামে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষদের সেবা দিয়ে যাবো। তিনি এলাকাবাসীর নিকট দোয়া কামনা করে বলেন, আপনাদের দোয়া এবং ভালবাসা নিয়ে জীবনের বাকী সময়টা পার করতে চাই। পরে তিনি ৩ শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। এসময় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মধ্যে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ জমির উদ্দিন ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ চৌধুরী সারওয়ার জাহান রোগী দেখেন ও ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন।

আরো খবর...