ফেসবুক সব প্রাচীর ভেঙে দিয়েছে এর বিপদও কম নয়!

মানুষ যাই আবিষ্কার করেছে তার ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুটো দিকই লক্ষ্য করা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো মানব সভ্যতার  যোগাযোগকে অনেক বেশি সহজতর করেছে, ভেঙে দিয়েছে মনুষ্যসৃষ্ট  ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক দেয়াল- তবে এর ক্ষতিকর দিকও কম নয়। বর্তমান যান্ত্রিক সভ্যতার যুগে আমাদের জাতীয় জীবনে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের  ক্ষেত্রে যথেষ্ট ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে- এটি  যেমন সত্য তেমনি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফেসবুক সামাজিক সম্পর্ক, সমাজ জীবন ও মননশীলতার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। গোটা পৃথিবীতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৭০ শতাংশ মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংযুক্ত রয়েছে। তরুণদের মধ্যে এ হার আরও বেশি, প্রায় ৯০ শতাংশ। বাংলাদেশে যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশ মানুষের রয়েছে  ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। ১৩ থেকে ১৭ বছরের ছেলেমেয়েদের মধ্যে ৬০ শতাংশের বেশি অন্তত একটি সামাজিক যোগাযোগ  প্রোফাইল রয়েছে। তারা দিনে দুঘণ্টার বেশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যয় করে। ছাত্র-শিক্ষক, চিকিৎক, প্রকৌশলী, শিশু-কিশোর, গৃহিণী, পেশাজীবী এদের  বেশির ভাগেরই এখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসের জরিপ অনুযায়ী ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চল মিলিয়ে প্রায় ২  কোটি ২০ লাখ মানুষ সক্রিয়ভাবে ফেসবুক ব্যবহার করছে ( বণিক বার্তা ১৯  সেপ্টেম্বর, ২০১৭) বিশ্বব্যাপী ইউটিউব ব্যবহারকারী মানুষের সংখ্যা ১৫০  কোটি, হোয়াটসঅ্যাপ ১২০ কোটি, ফেসবুক মেসেঞ্জার ১২০ কোটি ও উইচ্যাট ব্যবহারকারী ৯৩ কোটি ৮০ লাখ (আগস্ট ২০১৭ সূত্র ইন্টারনেট)। আমরা জানি, মার্ক জাকারবার্গ নামের এক যুবক ২০০৪ সালের  ফেব্র“য়ারি মাসে ফেসবুকের যাত্রা শুরু করান। তিনি হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ কক্ষে এটি চালু করেছিলেন এবং তখন এটি কেবল ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্যই সীমিত ছিল। ইন্টারনেটভিত্তিক এই সামাজিক চ্যানেল এত দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে, চালু হওয়ার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী এর সদস্য হয়। আরো কিছু দিনের মধ্যে কয়েক মিলিয়ন মানুষ ফেসবুকের গ্রাহক তালিকায় যুক্ত হন। এভাবে এ চ্যানেল পারস্পরিক যোগাযোগের এক শক্তিশালী মাধ্যমে পরিণত হয়। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৮০০ মিলিয়ন মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করছে। এর ৫০ শতাংশ প্রতিদিন এ সাইটটি ব্যবহার করছে। গড়ে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারীর ১৩০ জন বন্ধ রয়েছে। ২১৩টি ফেসবুক ব্যবহারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৬। ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ার পরে ভারতের অবস্থান। আমরা ফেসবুবক ব্যবহার করছি কেন? এর উত্তর খুব সহজ কিংবা বহুবিধ উত্তর রয়েছে। অলস দেহে সোফায় বসে কিংবা বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে, শীতের রাতে কাঁথা কম্বলের মধ্যে লুকিয়ে ফেসবুকে চাপ দিয়ে  দেখতে পাচ্ছি কানাডা কিংবা অষ্ট্রেলিয়ার কোন বন্ধু কি করছেন,  সেখানকার আবহাওয়া, রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আমেরিকায় রাস্তায় কি হচ্ছে ইত্যাদি থেকে শুরু করে দেশের কোন জেলায় কি হচ্ছে, রাজধানীর  কোন এলাকায় কি হচ্ছে, কোন সন্ত্রাসী ধরা পড়েছে- কেন পড়েছে, কীভাবে পড়েছে, কোন আত্মীয় বা বন্ধু-বান্ধবের কি কি সুসংবাদ হলো, কি কি দুঃসংবাদ হলো- সবই এই হাতের মুঠোয় দেখতে পাচ্ছি। এমন আর কোন মাধ্যমে আছে যে, এসব দেশ-বিদেশের সব ভালো-খারাপ, রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যক্তিগত সংবাদ আমাদের আঙুলের চাপের অপেক্ষায় থাকে আমাদের সন্মুখে উপস্থিত হওযার জন্য? টিভিতে তো এত সহজে এতকিছু জানা যায় না। এছাড়াও তো বিনোদনের বিভিন্ন ব্যবস্থা আছে, গান, নাটক, সিনেমার অংশবিশেষ, সাহিত্য, রস, ছবি, সবই পাওয়া যায় ফেসবুকে। ফেসবুকের মাধ্যমে অনেক দিন আগের কোনো বন্ধু বা আত্মীয়কে খুঁজে পাওয়া কিংবা নতুন কারো সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা আমাদের অনেকের ক্ষেত্রে ঘটেছে।  ফেসবুকের মাধ্যমে তথ্যের আদান-প্রদান খবর পাওয়া ইত্যাদি কিংবা অনেকে  ফেসবুকের মাধ্যমে বাণিজ্য প্রসার করেছেন। বর্তমানের  কোভিডকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সব বন্ধ। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, শিক্ষক ও সহপাঠী ও বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে যোগাযোগ নেই কিন্তু ফেসবুক  সেই শূন্যস্থানগুলো পূরণ করছে। দেশের বহু শিক্ষক এটিকে এখন পাঠশালা বানিয়েছেন। আমরা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করছি ঢাকা সিটি থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা কীভাবে তাদের পাঠ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থিত হচ্ছেন, ফেসবুককে শ্রেণিকক্ষ বানিয়ে  ফেলছে। চমৎকার উদ্ভাবন বটে! অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারীদের দেখেছি নিয়মিত নিজের মতামত, পছন্দ, অপছন্দ নিয়ে গল্প, প্রবন্ধ ও কবিতা লেখেন। পত্রিকার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করছেন ফেসবুক পেইজ। এটিও এক ধরনের সৃজনশীলতা! অনেকেই আবার এগুলোতে কমেন্ট করছেন, পাল্টা লেখা লিখছেন।  যেন এক সাহিত্যের আসর! অনেকে এটিকে প্রচার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছেন,  কেউ কেউ সমাজের কানায় কানায়, অলিতে গলিতে লুকিয়ে থাকা, ঘটে যাওয়া অসঙ্গতি ছবিসহ তুলে এনে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। সমাজের নিষ্ঠুরতার ছবি, যৌন হয়রানির ছবি ও সংবাদ, প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্য যেগুলো সাধারণভাবে জনসমক্ষে নিয়ে আসা সম্ভব ছিল না সেগুলোর সচিত্র প্রতিবেদন দেখা যায় ফেসবুকে।  কেউ  কেউ কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে, উদ্দেশ্য ছাড়া, নিজ ইচ্ছায়, অভ্যাসবশত কিংবা শখের বসবর্তী হয়ে এগুলো করে থাকেন। যে  যেভাবেই করুন না কেন, এতে সমাজ, দেশ ও মানবতা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হয় এবং হচ্ছে। আমরা দেখেছি, আট বছরের শিশু জাহিদ কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের মাথা মালিশ আর নানারকম গান শুনিয়ে দিন চালাতো। তারই একটি গান ‘মধু হই হই——বিষ হাওয়াইলা’ পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ার পর ইমরান হোসেন ও তার পাঁচ বন্ধুর করা ভিডিওর কল্যাণে সে পৌঁছে গেল লাখো মানুষের কাছে। এখন সে একটা হোটেলে চাকরি করে, গান শোনায় ও স্কুলে যায়। তার জীবনে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। বগুড়ার হিরো আলম জাতীয়ভাবে পরিচিত, কারণ এই ফেসবুক। অর্থাৎ সমাজ ও দেশের অপরিচিত কোনো ব্যক্তি বা ঘটনাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে আসে ফেসবুক। অস্যংখ্য ধরনের ব্যবহার ফেসবুককে অনেকটা নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় নিয়ে এসেছে। আর তাই এর যথেচ্ছ ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের বিপদও ডেকে আনছে। একজন ফেসবুক ব্যবহারকারীর রয়েছে কয়েক হাজার বন্ধুবান্ধব, বান্ধবী। তাদের সঙ্গে বায়বীয় যোগাযোগ বেড়েছে কিন্তু বিপদে পড়লে তাদের কাউকেই পাওয়া যায় না অনন্য দুয়েকটি নাটকীয় ঘটনা ছাড়া। কেউ কেউ শুধু একটি লাইক দিয়ে, দুঃখ প্রকাশ করে বন্ধুত্বের পাওনা মিটিয়ে  দেন। এটি হয়েছে এক ধরনের ফ্যাশন, মানুষ প্রকৃত বন্ধুত্ব যাদের সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা চলে, গল্প করা হয়, চা পান করা, খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় আবার এক টেবিলে বসে খাওয়া হয়। কারুর  কোনো বিপদ এলে সবাই ঝাঁপ দিয়ে পড়ে, বন্ধুর পাশে দাঁড়ায়, বন্ধুকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে। এগুলো তো আর ফেসবুক বন্ধুর মাধ্যমে সম্ভব নয়, এজন্য আমরা ফেসবুককে দায়ী করতেও পারছি না। আমরা এটিকে যেভাবে ব্যবহার করি। এভাবে ব্যবহার করে করে অনেকেই এক সময়  ফেসবুক অ্যাডিকটেড হয়ে পড়েন। নিজের দৈনন্দিন জীবন ও নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণও কেউ কেউ হারিয়ে ফেলেন। পারিবারিক সময় দেয়া  থেকে শুরু করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজেও ফাঁকি দিয়ে থাকেন যারা  ফেসবুক অ্যাডিকটেব হয়েছেন। এসব ব্যক্তি সমাজ ও পরিবার থেকে এক ধরনের বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনও থাকে ভাঙা। সন্দেহ প্রবণতা কাজ করে তাদের মধ্যে। এছাড়াও নিজেরা নানা ধরনের শারীরিক সমস্যায় ভুগে থাকেন যেমন ওজন বেড়ে যাওয়া, ঘুম না হওয়া, মেরুদন্ড ও পিঠে ব্যথা ও চোখের ক্ষতি। দেহ ও পেশির পর্যাপ্ত সঞ্চালন না থাকার ফলে এই সমস্যগুলোতে তারা ভুগে থাকেন। এজন্য কি আমরা ফেসবুককে দায়ী করব, ফেসুবক আবিষ্কারককে দায়ী করব, না যারা ব্যবহার করছি তারাই দায়ী? এসব কারণে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে ফেসবুক নিয়ন্ত্রণের।  ফেসবুক নিয়ন্ত্রণ মানে অন্যের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ। সোশ্যাল মিডিয়া অবদমন বা সেন্সরশিপের ক্ষেত্রে চীনই চ্যম্পিয়ন। তারা চায় তারা ভেতের যাই করুক বিশ্ব যেন সেগুলো না জানে। গোটা পৃথিবীর শাসক শ্রেণি তা  সে ধনতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক বা অন্য যে কোনো তান্ত্রিকই  হোক না কেন, সবার একটিই কাজ- সেটি হচ্ছে জনগণকে, ভিন্নমতকে কঠোরহস্তে নিষ্ঠুরভাবে দমন করা। আমরা যা চাই, তাই হতে হবে, আমরা যা ভাবি এর বাইরে কোনো ভাবনা নেই। আর আমরা এগুলো  যেভাবে ম্যানেজ করি, নিয়ন্ত্রণ করি সেগুলো যেন আর কেউ জানতে না পারে, দেশের বাইরে জানতে না পারে। তাই তারা আবার বিভিন্ন ধরনের আইন তৈরি করেন। সমাজতন্ত্র রক্ষার নামে ১৯৮৯ সালে চীনের তিয়ানানমেন স্কোয়ারে বিক্ষোভে অংশ নেয়া গণতন্ত্রকামীদের ওপর ২০০৯ সালের ৪ মে চীন সরকার কি নিষ্ঠুর অপারেশন চালিয়ে ছিল তা পৃথিবী ভুলে যায়নি! বিক্ষোভে অংশ নেয়া নিষিদ্ধ ঔপন্যাসিক মা জিয়ান ২০০৯ সালে, বেইজিং কোমা’ বইয়ে লিখেছেন, বিশ বছর আগে তিয়ানানমেন হত্যাকান্ড বেইজিংকে ছারখার করে দিয়েছিল। হাজার হাজার নিরস্ত্র নাগিরক খুন হয়েছিল। লাখ লাখ মানুষের জীবনধারা উল্টে গিয়েছিল। তিয়ানানমেন বসন্তের ২০ বছর পূর্তির ঠিক দুদিন আগে চীন টুইটার পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়; কারণ তারা মনে করেছিল তিয়ানানমেন কান্ড নিয়ে সমালোচনা দমন করা কঠিন হবে। তারা সামাজিক  যোগাযোগ মাধ্যম ঠিকই বন্ধ করে দিয়েছিল, এখনো সেখানকার জনগণ সহজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে পারে না কিন্তু তাদের নিষ্ঠুরতা কি পৃথিবীর অজানা থেকে গেছে? তাই পাল্টা প্রশ্ন জাগে ফেসবুকের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হলেই কী এসব বন্ধ হবে? আমরা সিনেমায় দেখি সমাজপতিদের বিরুদ্ধে  কেউ টু শব্দটি করতে পারে না, সব মানুষ তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ, সবার প্রাণ ওষ্ঠাগত। সবশেষে দেখা যায়, তাদের চরম পরিণতি যেটি বাস্তব জীবনে খুব একটা হয় না কিন্তু মানুষ ওইসব দৃশ্য দেখে ক্ষণিকের জন্য হলেও এক ধরনের তৃপ্তি পায়। ফেসবুকেও দেখছি সে রকম একটি ভূমিকা আছে। দুর্নীতিতে হাবুডুবু খাওয়া সমাজে সাধারণ মানুষ কোনো কথা বলতে পারে না, কিন্তু ফেসবুকের আশ্রয়ে তারা অনেকে অনেক কথাই বলে ফেলেন। যেটি বিভিন্নকালের সাহিত্য করেছে। তবে, এই বলাটার মধ্যে সহনশীলতা, মাত্রাবোধ, শালীনতা থাকতে হয়। সেটি অনেকেই রক্ষা করেন না। কারণ এটি যে, একেবারে সাধারণের কাছে চলে গেছে। এটিও একটি বাস্তবতা। এটি নিয়ন্ত্রণ করার অর্থাৎ সবাই এটি ব্যবহার করবে তা নিয়ন্ত্রণ করার কোনো পথ বোধ হয় নেই। আবার এটিও তো সত্য যে, মোবাইল ট্রাকিং করে বড় বড় অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের ধরা হয়- যা সাধারণভাবে সম্ভব ছিল না। কাজেই এটি নীরবে এক ধরনের আর্শীবাদও বটে, সন্ত্রাস দমনের ক্ষেত্রে। তাই মোটাদাগে বলা যায় না যে, মোবাইল নিষিদ্ধ করা বা এর ওপর কঠোরতা আরোপ করা হলে সমাজ অনেক উন্নত হবে, সমাজ মানবিক হবে। লেখক ঃ শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও গবেষক

 

আরো খবর...