ফকির মজনু শাহ হলেন শ্যামল মাওলা

বিনোদন বাজার ॥ পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের হাতে পরাজয়ের পর স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে যেসব বীর যোদ্ধা প্রথম সারিতে ছিলেন, ফকির মজনু শাহ তাদের অন্যতম। এছাড়া রক্তদহ বিলের সঙ্গে ইংরেজবিরোধী স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম নেতা ফকির মজনু শাহের স্মৃতি জড়িয়ে আছে ওতপ্রোতভাবে।

ফকির মজনু শাহের কার্যক্ষেত্র ছিলো বিহারের পানিয়া অঞ্চল এবং বাংলার রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, কোচবিহার, জয়পায় কুড়ি, মালদহ, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও ময়মনসিংহ জেলা। তিনি ঢাকা, সিলেট নিম্নবঙ্গের কোনো কোনো জায়গাতেও অভিযান পরিচালনা করেছেন।

বগুড়ার মহাস্থানে ছিলো ফকির নেতা মজনু শাহর আস্তানা। ১৭৭৬ সালে এখানে তিনি একটি দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন। প্রায় ২৫০ বছরের পুরোনো সেই ইতিহাস নিয়ে এবার নির্মিত হলো নাটক ‘রক্তদহ’। ২৫০ বছরের পুরোনো পটভূমি নিয়ে ‘রক্তদহ’ নাটকটির গল্প, সংলাপ, চিত্রনাট্য ভাবনা লিখেছেন নওগাঁ-৬ আসনের (আত্রাই-রাণীনগর) সাংসদ, রবীন্দ্র গবেষক ও লেখক মো. ইসরাফিল আলম এমপি। নাটকটি রচনা করেছেন মিজানুর রহমান বেলাল। পরিচালনা করেছেন মুরসালিন শুভ।

নাটকটিতে মজনুশাহের চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা। এতে আরও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাজিরা মৌ, আব্দুল্লাহ রানা, অভি, কেয়া মণি, রাজিন, সানজিদা কাইয়ুম সহ অর্ধশত অভিনেতা-অভিনেত্রী।

ঐতিহাসিক পটভূমি নিয়ে নাটক বানানোর কারণ জানতে চাইলে মো. ইসরাফিল আলম এমপি বলেন, ‘এই ইতিহাসগুলো এ যুগের ছেলে-মেয়েরা জানে না। এছাড়াও এখন টিভি নাটক ও সিনেমায় শুধু মাত্র প্রেম-ভালোবাসার নাটক প্রচার হবার কারণে এ প্রজন্ম দর্শকদের রুচি ও চেতনার পরিবর্তন হচ্ছে না। ইতিহাসও জানছে না। এ কারণে এমন ঐত্যিহাসিক কাহিনি নিয়ে নাটক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া।’

নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, বিগ বাজেটের নাটকটি প্রযোজনা করেছে দাগ এন্টারটেনমেন্ট মিডিয়া। নাটকটি শিগগিরই একটি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হবে।

আরো খবর...