পেঁয়াজ নিয়ে সুখবর

ঢাকা অফিস ॥ দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের বাংলাদেশি আমদানিকারকরা ভারত থেকে ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য আবেদন করেছেন। শনিবার হিলির উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের কাছে ইমপোর্ট পারমিটের (আইপি) এ আবেদন করেন তারা। ভারত পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়ার পরপরই এ আবেদন করেন বাংলাদেশি আমদানিকারকরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেন হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মাহফুজার রহমান। তিনি বলেন, সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত। দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় দেশটি। এখন দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে একদিন পরই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য অনুমতি চেয়ে উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রে আবেদন করেছেন বন্দরের আমদানিকারকরা। আমি নিজেও এক হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য আইপি চেয়ে আবেদন করেছি। এ পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা ২৫ হাজার টনের মতো পেঁয়াজ আমদানির জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন। আরও অনেক আমদানিকারক আবেদন করবেন। হিলি স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের কোয়ারেন্টাইন প্যাথলজিস্ট মাহমুদুল হাসান মুসা বলেন, ভারত পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরপরই ইতোমধ্যে অনেক আমদানিকারক পেঁয়াজের ইমপোর্ট পারমিটের আবেদন করেন। তবে আবেদন অনলাইনের মাধ্যমে হওয়ায় আমরা এখন বলতে পারছি না কে কতটুকু চেয়েছেন। আইপি ইস্যু করা হবে ঢাকা থেকে। তবে এখনও আইপি ইস্যু শুরু হয়নি। আগামী দু-একদিনের মধ্যে ইস্যু শুরু হবে। পেঁয়াজ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে ভারত সরকার। এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে পেঁয়াজ রফতানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞার পর দেশের পেঁয়াজ বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। এতে বাংলাদেশের বাজারে সর্বোচ্চ ২৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি পেঁয়াজ। তবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর রোববার (০১ মার্চ) থেকে আমদানি হবে ভারতীয় পেঁয়াজ।

আরো খবর...