পাথরঘাটায় বিস্ফোরণ গ্যাসের লিকেজ থেকে – তদন্ত কমিটি

ঢাকা অফিস ॥ চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় যে বিস্ফোরণে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে, সেখানে গ্যাস লাইনে কোনো ত্রুটি ছিল না বলে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি দাবি করলেও ভিন্ন কথা বলছে জেলা প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটির প্রধান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ জেড এম শরীফুল ইসলাম গতকাল রোববার গণমাধ্যমকে বলেছেন, “রাইজার থেকে গ্রাহকের পাইপ লাইনের অংশে লিকেজ থেকে এ বিস্ফোরণ হয়েছে।” প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটি এদিন তাদের প্রতিবেদন দিয়েছে। ১৩  পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে এ ধরনের দুর্ঘটনা নিরোধে পাঁচটি সুপারিশ করা হয়। গত ১৭ নভেম্বর সকালে নগরীর পাথরঘাটা ব্রিকফিল্ড রোডে বড়ুয়া ভবনের নিচ তলায় বিস্ফোরণে সাতজন নিহত হন। নিহতরা সবাই ওই বাসার ও পথচারী। বিকট ওই বিস্ফোরণে বড়ুয়া ভবনের নিচতলার দেয়াল ও সীমানাপ্রাচীর ধসে রাস্তার উপর পড়ে। বড়ুয়া বিল্ডিংয়ের আশেপাশের কয়েকটি ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিস্ফোরণে। দুর্ঘটনার পরপর ঘটনাস্থলে যাওয়া ফায়ার সার্ভিস, বিস্ফোরক অধিদপ্তর ও পুলিশ এ দুর্ঘটনার জন্য গ্যাস লাইন লিকেজকে দায়ী করেছিল। তবে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের   (কেজিডিসিএল) কর্মকর্তারা দাবি করছিলেন, তাদের গ্যাস লাইনে কোনো ত্রুটি ছিল না। কেজিডিসিএল চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে। ওই কমিটি ঘটনার দিন তাদের প্রতিবেদন দিয়ে একই দাবি করে। কেজিডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খায়ের আহমেদ মজুমদার তখন বলেছিলেন, “আমরা গ্যাসের রাইজার, ওই বাড়ির চুলা এবং গ্যাস লাইন অক্ষত পেয়েছি। রান্নাঘরেও কোনো সমস্যা হয়নি। এ থেকে আমরা নিশ্চিত, দুর্ঘটনা গ্যাসের কারণে হয়নি।” তবে প্রশাসনের তদন্তে ভিন্ন চিত্র উঠে এল। সিটি করপোরেশন, বিস্ফোরক অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে এই তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছিল।

আরো খবর...